নওগাঁয় ব্যাপক শিম চাষ করে লাভবান কৃষক

বাবুল আখতার রানা, নওগাঁ

নওগাঁয় রেকর্ড পরিমাণ জমিতে আগাম জাতের শিম চাষ করে লাভবান হচ্ছে কৃষকরা। স্থানীয় পাইকারী বাজারে প্রতি কেজি শিম বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১১০ টাকা পর্যন্ত। এ জাতের শিম আবাদে কৃষকদের সব ধরনের সহায়তা করছে স্থানীয় কৃষি বিভাগ।

নওগাঁর অধিকাংশ মাঠে দেখা মিলবে এমন আগাম জাতের শিম চাষের দৃশ্য। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ফলনও বেশ ভালো হয়েছে।

আরও পড়ুন: 


কানাডায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন কমিটি ঘোষণা

সড়কের বর্জ্য গড়িয়ে দেয়া হলো খালে, দুর্গন্ধে অতিষ্ট মানুষ

মাদারীপুরে হাতবোমা বিস্ফোরণে বাড়ি বিধস্ত, আহত বেশ কয়েকজন

সুনামগঞ্জে তৈয়বুর হত্যা: একজনের মৃত্যুদণ্ড


কৃষকরা জানান, বিঘা জমিতে শিম চাষে উৎপাদন খরচ হয় ২০ হাজার টাকা আর  তা বিক্রি  হয় ৮০ হাজার টাকা। বর্তমান বাজারে ১০০-১১০ টাকা কেজি দরে শিম বিক্রি হচ্ছে। এতে বেশ  লাভ হচ্ছে ।

এখানকার শিম ব্যবসায়ীরা কিনে নিয়ে যাচ্ছেন বিভিন্ন জেলায়।

কৃষিবিভাগ বলছে, আগাম শিম চাষে বেশ লাভবান হচ্ছেন কৃষকরা। আর এই জাতের শিম চাষে কৃষকদের সকল প্রকার সহযোগিতা করা হচ্ছে।

চলতি বছর নওগাঁ জেলায় আগাম জাতের শিম চাষ হয়েছে ৭০০ হেক্টর জমিতে।

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া ঘাট: প্রতিদিন অবৈধ আয় প্রায় অর্ধকোটি টাকা

শফিকুল ইসলাম শামীম, রাজবাড়ী

দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া ঘাট: প্রতিদিন অবৈধ আয় প্রায় অর্ধকোটি টাকা

পারাপারের অপেক্ষা শতশত যান

দক্ষিণ-পশ্চিঞ্চলের ২১ জেলার রাজধানীর সাথে যোগাযোগের প্রধান নৌরুট দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া। এই নৌরুট ব্যবহার করে প্রতিদিন লক্ষাধিক বিভিন্ন বয়সী নারী-পুরুষ নদী পারাপার হয়। তবে গুরুত্বপূর্ণ এই নৌরুট সংশ্লিষ্টদের অবৈধ আয় প্রতিদিন প্রায় অর্ধ কোটি টাকা।

দীর্ঘদিনের অবৈধ আয় এখন অভ্যাসে রুপ নিয়েছে। এই নৌরুটে চলাচলরত ভুক্তভোগী যানবাহনের চালক, যাত্রী ও ব্যবসায়ীরা যেন ভুলেই গেছে ভোগান্তি ও লোকসানের কথা। নৌরুট সংশ্লিষ্ট ৫টি পয়েন্ট বা সেক্টর থেকে এই অবৈধ আয় আদায় করে থাকেন ঘাট সংশ্লিষ্ট ও দালাল চক্র।

টানা ২মাসের অনুসন্ধানে জানা যায়, দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে সারাবছর নানা প্রকার দুর্ভোগের চিত্র দেখা যায়। দুর্ভোগের কারণ খুঁজতে গিয়ে দেখা যায়, ফেরি সংকট। নদীতে নাব্যতা সংকট। কুয়াশার সময় ফেরি বন্ধ। বর্ষার সময় প্রচন্ড স্রোত অতিরিক্ত সময় ব্যয়। এ সকল প্রাকৃতিক এবং ফেরিগুলোর সাথে যোগ হয় কৃত্রিম সমস্যা। এই সুযোগগুলো কাজে লাগিয়ে নৌরুট সংশ্লিষ্ট কিছু অসাদু কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং দালাল চক্র প্রতিদিন হাতিয়ে নিচ্ছে অর্ধকোটি টাকা। এতে নানা প্রকার দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে নৌরুটে চলাচলকারী যানবাহনের চালক-যাত্রী ও ব্যবসায়ীরা।

অপেক্ষমান ট্রাক

দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে চলাচলকারী একাধিক যানবাহনের চালকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, এক টন থেকে ৫টন ওজনের ট্রাক, কাভার্ট ভ্যান ও লরিগুলোর ফেরি পারাপারের টিকিটের নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে ১৪০ টাকা অতিরিক্ত নিয়ে থাকে বিআইডব্লিউটিসি’র টিকিট কাউন্টারে কর্মরত কর্মকর্তারা।

বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট অফিস সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিন এই নৌরুট ব্যবহার করে গড়ে ১ হাজার ১ টন থেকে ৫ টন ওজনের ট্রাক, কাভারভ্যান ও লরি নদী পার হয়ে পাটুরিয়া ঘাটে যায়। ১৪০ টাকা অতিরিক্ত হারে প্রতিদিন ১হাজার গাড়ী থেকে ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা অবৈধ ভাবে নিয়ে থাকে। পাটুরিয়া ঘাট থেকে নদী পার হয়ে দৌলতদিয়া ঘাটে আসে ১ হাজার গাড়ী। সেই হিসেবে মাসে ৪২ লাখ টাকা অবৈধ আয় হয়। বছরে ৫ কোটি ৪ লাখ টাকা অবৈধ আদায় হয়। দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটের উভয় ঘাট মিলে ১০ কোটি ৮ লাখ টাকা হয়।

বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট অফিস সূত্রে জানা যায়, এই নৌরুট ব্যবহার করে প্রতিদিন ৬৫০টি যাত্রীবাহী বাস দৌলতদিয়া ঘাট থেকে নদী পার হয়ে পাটুরিয়া ঘাটে যায়। সেই হিসেবে পাটুরিয়া ঘাট থেকে নদী পার হয়ে দৌলতদিয়া ঘাটে আসে ৬৫০টি যাত্রীবাহী বাস।

একাধিক বাস চালকের সাথে কথা বলে জানা যায়, প্রতি গাড়ী থেকে ১০ টাকা অতিরিক্ত নেওয়া হয়। সেই হিসেবে প্রতিদিন ৬৫০ গাড়ী থেকে ৬হাজার ৫ শত টাকা অতিরিক্ত নেওয়া হয়। মাসে ১ লাখ ৯৫ হাজার টাকা অতিরিক্ত নেওয়া হয়। বছরে ২৩ লাখ ৪০ হাজার নেওয়া হয়। দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটের উভয় ঘাট মিলে নেওয়া হয় ৪৬ লাখ ৮০ হাজার টাকা।

অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, দৌলতদিয়া ঘাট থেকে নদী পার হয়ে প্রতিদিন গড়ে ২শত মটর সাইকেল পার হয়। যে মোটরসাইকেলগুলো টিকিট কাউন্টার থেকে কোন টিকিট সংগ্রহ করে না। এই চালকগুলো ফেরিতে টিকিট বিহীন মোটরসাইকেল প্রতি ৭০ টাকা দিয়ে থাকেন। সেই হিসেবে ২ শত গাড়ী প্রতিদিন ১৪ হাজার টাকা আয় হয়। মাসে ৪ লাখ ২০ হাজার টাকা আয় হয়। বছরে ৫০ লাখ ৪০ হাজার টাকা আয় হয়। দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটের উভয় ঘাট মিলে ১ কোটি ৮০ হাজার টাকা আয় হয়।

ফেরি ঘাটে গিয়ে সরেজমিন দেখা যায় এবং সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে জানা যায়, দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটের চলাচলকারী প্রতিটি ফেরিতে একাধিক হকার থাকে। এসকল হকার বিভিন্ন প্রকার পসরা সাজিয়ে দোকান করেন। যে কারণে ফেরিতে থাকা যাত্রীরা সহজে চলাচল করতে পারেন না। এসকল হকার প্রতিদিন ১ শত টাকা ফেরি সংশ্লিষ্টদের দিয়ে থাকেন। প্রতি ফেরিতে কমপক্ষে ৫ জন হকার থাকেন। এই নৌরুটে ২০টি ফেরি চলাচল করে থাকেন। সেই হিসেবে প্রতিদিন ১০ হাজার টাকা নিয়ে থাকেন। মাসে ৩ লাখ টাকা। বছরে ৩৬ লাখ টাকা নিয়ে থাকেন।

বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট অফিস সূত্রে আরও জানা যায়, দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুট ব্যবহার করে দৌলতদিয়া ঘাট থেকে প্রতিদিন পাটুরিয়া ঘাটে গড়ে ৪২ শত বিভিন্ন প্রকার যানবাহন যায়। প্রতি গাড়ী থেকে ১০ টাকা বকশিস হিসেবে ৪২ হাজার টাকা অবৈধ ভাবে আদায় করে থাকেন ফেরি সংশ্লিষ্টরা। সেই হিসেবে মাসে ১২ লাখ ৬০ হাজার টাকা। যা বছরে আয় হয়ে থাকে ১ কোটি ৫১ লাখ ২০হাজার টাকা। দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া উভয় ঘাট মিলে ৩ কোটি ২লাখ ৪০হাজার টাকা অবৈধ ভাবে নিয়ে থাকেন। দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটের এই ৫টি সেক্টর থেকে প্রতিদিন গড়ে অর্ধকোটি টাকা অবৈধ নিয়ে থাকে ফেরি ঘাট সংশ্লিষ্টরা।

বাংলাদেশ অভ্যান্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) আরিচা বন্দরের ব্যবস্থাপক মোঃ জিল্লুর রহমান অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার ব্যাপারে অস্বীকার করে জানান, দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে একটি রোরো (বড়) ফেরি ডুবে যায়। আরও ৪টি রোরো (বড়) ফেরি নারায়গঞ্জ ডক্ইয়ারে নেওয়া হয়। বর্তমান এই নৌরুটে ৮টি রোরো (বড়) এবং ৮টি ইউটিলিটি (ছোট) সহ মোট ১৬টি ফেরি চলাচল করছে। যে কারণে প্রতিনিয়ত উভয় ঘাটে যানবাহন ফেরি পারের অপেক্ষায় থাকছে।

আরও পড়ুন


গণতন্ত্র এখনো পরিপূর্ণতা পেয়েছে তা দাবী করা যায় না: কাদের

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

স্বাধীনতার ৫০ বছরে স্বাস্থ্যখাতে অভাবনীয় সাফল্য

রিশাদ হাসান

স্বাধীনতার ৫০ বছরে স্বাস্থ্যখাতে অভাবনীয় সাফল্য

স্বাস্থ্যসেবায় অগ্রগতি

বিজয়ের ৫০ বছরে বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ু বেড়েছে ২৬ বছর। যা প্রতিনিধিত্ব করে সমগ্র স্বাস্থ্যসেবাকে। বিশ্ব নন্দিত কমিউনিটি ক্লিনিক, ইপিআই কার্যক্রম, স্বাস্থ্য সূচকে অভাবনীয় সাফল্য আর অবকাঠামোগত উন্নয়ন তো আছেই সাথে যোগ হয়েছে প্রযুক্তিগত চিকিৎসাও। তবে প্রান্তিক পর্যায়ে চিকিৎসা সেবা দেয়া এখনও চ্যালেঞ্জ।

একটি স্বাধীন সার্বভোম রাষ্ট্রের মানুষের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিতের জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশব্যাপি থানা হেলথ কমপ্লেক্স গঠনের পরিকল্পনা করেন। ৩ লাখ মানুষের জন্য তখন ছিলো একটি করে হেলথ কমপ্লেক্স।

বিজয়ের ৫০ বছরে দাঁড়িয়ে সেই দেশে এখন প্রতি ৬ হাজার মানুষের জন্য একটি করে কমিউনিটি ক্লিনিক। জনস্বাস্থ্য বিবেচনায় যা একটি বৈপ্লবিক পরিবর্তন। শুধু তাই নয়, গেল ৫০ বছরে বাংলাদেশে স্বাস্থ্য সূচকও চোখে পড়ার মত। কমেছে মার্তৃ ও শিশু মৃত্যু হার, পোলিও, কলেরা, ধুনষ্টংকার, বসন্ত মুক্ত হয়েছে বাংলাদেশ। স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছে ওষুধ শিল্পে যা রপ্তানী হয় বিশ্বের দেড়শো’র বেশী দেশে। জনবহুল দেশ হওয়া স্বত্ত্বেও নিয়ন্ত্রণে এনেছে প্রজনন হার। বিশ্বে ঈর্ষনীয় সাফল্য লাভ করেছে ইপিআই টিকা কার্যক্রমেও। আরও যোগ হয়েছে অজ্ঞাত রোগ সনাক্ত ও জিনম সিকোয়েন্সসহ জটিল সব গবেষণায়।

৫০ বছরের দীর্ঘ পথপরিক্রমায় বাংলাদেশ এখন স্বপ্ন দেখছে, অটোমোশন, রোবোটিক সার্জারিসহ আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থার। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. শারফুদ্দিন আহমেদ জানান, ভবিষ্যতে বাংলাদেশ চিকিৎসা সেবায় আরও এগিয়ে যাবে। অটোমোশন ও রোবোটিক সার্জারিসহ আধুনিক চিকিৎসা হবে এদেশেই।

স্বাস্থ্য খাতে, অবকাঠামোগত উন্নয়ন গুলোতে প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষের সেবা নিশ্চিত করাকে জরুরী বলে মনে করেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. লেলিন চৌধুরী।

কারিগরি দিক বিবেচনায়, দেশের বর্তমান স্বাস্থ্যসেবায় গতি আনতে মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর ও চিকিৎসকদের মাঝে যোগাযোগ স্থাপন গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন চিকিৎসক সংগঠনগুলো।

স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) মহাসচিব ডা. এম এ আজিজ বলছেন, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কাটাতে হবে। এই জটিলতার কারণে আমরা অনেক কিছু করতে পারছি না। আর এই জায়গাগুলো আমাদের বড় চ্যালেঞ্জ।

থানা হেলথ কমপ্লেক্স, কমিউনিটি ক্লিনিকে চিকিৎসা সেবা বিপ্লব থেকে – ভ্যাকসিন হিরো। সকল অর্জনের পর ডিজিটাল স্বাস্থ্য সেবা স্বপ্ন দেখাচ্ছে নতুন বাংলাদেশের।

আরও পড়ুন


ঢাকার যানজটেই শেষ জিডিপির প্রায় ৮৭ হাজার কোটি টাকা

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

পোল্যান্ড থেকে কেনা হয় বিটকয়েনে

দেশে মিললো নতুন মাদক ডিওবি

মৌ খন্দকার

মাদক ডিওবি

দেশে প্রথমবারের মতো ভয়াবহ মাদক ডিওবি জব্দ করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। গ্রেপ্তার করা হয়েছে মাদক ব্যক্তিকে। পোল্যান্ড থেকে ক্রিপ্টোকারেন্সি বিটকয়েন দিয়ে কেনা হয় এই মাদক। 

দেশের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অত্যাধুনিক স্ক্যানার মেশিন না থাকায় এসব মাদক অবাধে প্রবেশ করছে বলে জানিয়েছে অধিদপ্তর। 

দেশে প্রথমবারের মতো উদ্ধার হল মাদকসেবীদের কাছে ‘তৃতীয় নয়ন’ খুলে দেওয়ার মতো ভয়ঙ্কর মাদকদ্রব্য (ডিওবি)। মঙ্গলবার গোপন সূত্রে খবর পেয়ে খুলনার এক মাদক ব্যবসায়ীর গোপন ডেরায় হানা দেন দফতরের গোয়েন্দারা।

তারা বলছে, ওই ব্যবসায়ীর ডেরা থেকে লাইসার্জিক অ্যাসিড ডাইথ্যালামাইড বা এলএসডি নামে মাদকের পাশাপাশি ৯০ পিস ডিওবি উদ্ধার হয়। প্রতি পিস বিক্রি হয় ডিওবি ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকায়। পরে গ্রেফতার করা হয় আসিফ আহমেদ শুভ ও তার বন্ধু অর্ণব কুমার শর্মাকে।

আরও পড়ুন:


আবারও আইসিইউতে রওশন এরশাদ

ছেলেকে হত্যা করে সেফটিক ট্যাঙ্কে লুকিয়ে রাখা বাবা-মা আটক

মুশফিকের আউট নিয়ে সমালোচনা (ভিডিও)


সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ডার্ক ওয়েবসাইটে ক্রিপ্টোকারেন্সির মাধ্যমে পোল্যান্ড থেকে ২০০ ব্লট ডিওবি কেনেন খুলনার পরিচিত মাদক ব্যবসায়ী আসিফ আহমেদ শুভ। এমনকি ভয়ঙ্কর মাদকের পক্ষে অনবরত যুক্তি দেন তিনি।

এ ঘটনায় জড়িত থাকার কারণে সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের ম্যানেজার মামুনুর রশীদকেও গ্রেপ্তার করা হয়।

মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর বলছে, ঢাকা ও খুলনার দুটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের একাংশ ওই ভয়ঙ্কর মাদকদ্রব্য নিয়মিত সেবন করেন।

অধিদপ্তর বলছে, নিত্য নতুন মাদকের খবর পাচ্ছেন তারা এবং সেভাবেই পরিচালিত হচ্ছে এসব অভিযান।

news24bd.tv/ কামরুল 

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় বিলুপ্ত প্রজাতির সাম্বার হরিণের জন্ম

নয়ন বড়ুয়া জয়, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় বিলুপ্ত প্রজাতির সাম্বার হরিণের জন্ম

সাম্বার শাবক

এবার বাঘের ছানার পর চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় সাম্বার হরিণ পরিবারে নতুন এক শাবকের জন্ম। যেখানে দেশে বিলুপ্ত সাম্বার হরিণ সেখানে সাম্বার শাবকের জন্মে এখন চিড়িয়াখানায় সাম্বারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬টা।

চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ বলছেন, মায়ের আদর যত্নে বড় হচ্ছে সাম্বার হরিণ শাবক। এদিকে চিড়িয়াখানায় বাঘসহ বিভিন্ন প্রাণীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় আকর্ষণ বেড়েছে দর্শনার্থীদের।

সাম্বার হরিন। এ প্রাণীটি পৃথিবীতেই বিলুপ্তপ্রায়। সম্প্রতি চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় জন্ম হয়েছে সাম্বার হরিণ ছানার। এই নিয়ে চিড়িয়াখানায় সাম্বার পরিবারে সদস্য সংখ্যা হল ছয়। উপমহাদেশের সবচেয়ে বড়জাতের হরিণ সাম্বার প্রাপ্ত বয়স্ক হয় তিন বছরে এবং ২০ থেকে ২৫ বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকে।

সাম্বার হরিণ

চিড়িয়াখানার কিউরেটর ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, মায়ের আদরেই বড় হচ্ছে এই শাবকটি। সাম্বারটি পুরুষ বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। এভাবে সাম্বার হরিণের সংখ্যা বাড়তে থাকলে বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষা পাবে প্রজাতিটি বলেও জানান তিনি।

তিনি আরও জানান, বর্তমানে চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় সাম্বার ছাড়াও মায়া হরিণ রয়েছে ৪টি এবং চিত্রা হরিণ আছে ২৭টি। এছাড়াও ৬৬ প্রজাতির ৬২০টি পশুপাখি আছে এখানে। একের পর এক জন্ম নিচ্ছে বাঘের ছানাও। বাঘের সংখ্যা এখন ১২।

চিত্রা হরিণ

পশু পাখি আর নানা প্রাণীতে ভরপুর হওয়ায় চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা দর্শনার্থীদের মন কেড়েছে। তারা বলছেন, চিড়িয়াখানাতে এখন অনেক পশু পাখি। বাঘের সংখ্যাও অনেক। এছাড়া বিলুপ্ত প্রজাতির সাম্বার হরিণ দেখে খুব লাগছে। তবে চিড়িয়াখানায় হাতি না থাকায় হতাশ অনেক দর্শনার্থী।

আরও পড়ুন


বাধ্য ছিল দেহ ব্যবসায়, জিম্মায় রেখে কিশোরীকে ফের ধর্ষণ

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

১৭০ কিলোমিটার দীর্ঘ নতুন মেরিন ড্রাইভের সমীক্ষা শেষ পর্যায়ে

নয়ন বড়ুয়া জয়, চট্টগ্রাম

১৭০ কিলোমিটার দীর্ঘ নতুন মেরিন ড্রাইভের সমীক্ষা শেষ পর্যায়ে

মেরিন ড্রাইভের গ্রাফিক্স

শেষ হচ্ছে বিশ্বের দীর্ঘতম মেরিন ড্রাইভের সমীক্ষা। কয়েক মাসের মধ্যে তৈরি হবে ১৭০ কিলোমিটার দীর্ঘ চট্টগ্রামের মীরসরাই থেকে পর্যটন শহর কক্সবাজার পর্যন্ত মেরিন ড্রাইভের নকশা। সমুদ্রের পাড় ঘেঁষে এই মেরিনড্রাইভ নির্মাণ হলে চট্টগ্রামের মূল শহরে প্রবেশ না করেই টানেল দিয়েই যাবে কক্সবাজার, পটিয়া, আনোয়ারা-বাঁশখালীর দ্রুত যান। কমবে দূরত্ব, বাঁচবে সময়।

বিশিষ্টজনরা বলছেন, শহরের যানজট নিরসনের পাশাপাশি এই মেরিনড্রাইভ সড়ক যোগাযোগ ও অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

পর্যটন শহর কক্সবাজারের সাথে যোগাযোগ সহজ করতে চট্টগ্রামের মীরসরাই থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত নির্মাণ হচ্ছে মেরিনড্রাইভ। ১৭০ কিলোমিটার ফোর লেনের এই মেরিন ড্রাইভ যুক্ত হবে টেকনাফ-কক্সবাজার মেরিনড্রাইভের সাথে। এতে মোট দৈর্ঘ্য দাঁড়াচ্ছে ২৫০ কিলোমিটার।

বিশ্বের দীর্ঘতম এই মেরিন ড্রাইভ নির্মাণে অস্ট্রেলিয়ার পরামর্শক প্রতিষ্ঠান এসএমইটি ইন্টারন্যাশনাল প্রায় এক বছর ধরে সমীক্ষা পরিচালনা করছে বলে জানিয়েছেন, সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী পিন্টু চাকমা।

ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম শহরে না ঢুকেই মেরিন ড্রাইভ দিয়ে টানেল হয়ে অল্প সময়েই যাওয়া যাবে কক্সবাজার। নগর পরিকল্পনাবিদ স্থপতি আশিক ইমরান বলছেন, এই মেরিন ড্রাইভ নির্মাণের ফলে খুলবে অর্থনীতির নতুন দুয়ার, কমবে যানজটও।

আর আরেক নগর পরিকল্পনাবিদ প্রকৌশলী শহীদুল আলম বলছেন, শুধু এই ১৭০ কিলোমিটার নয় এর সাথে যুক্ত হচ্ছে টানেল ও টেকনাফ-কক্সবাজার মেরিনড্রাইভ। ফলে চট্টগ্রামের যানজট অনেক কমে আসবে।

উন্নয়নের সুফল পেতে টেকসই সড়ক নির্মাণের দাবি সুজন সম্পাদক এ্যাডভোকেট আখতার কবিরের। তিনি বলছেন, সমুদ্রের পাড়ে যেহেতু তাই মানসম্পন্ন হতে হবে। না হলে প্রতিবছর রাস্তা ভাঙবে সেটা প্রতিবছর ঠিক করতে হবে। এতে ব্যয় হবে বিপুল অর্থ।

পৃথিবীর দীর্ঘতম এই মেরিনড্রাইভ নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ১৮ হাজার কোটি টাকা।

আরও পড়ুন


এইচএসসি পরীক্ষার্থীকে এসিড নিক্ষেপ, বখাটে মুহিন গ্রেপ্তার

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর