শিশুদের সামনে যা করবেন না

অনলাইন ডেস্ক

শিশুদের সামনে যা করবেন না

আমরা জানি শিশুরা সবসময় অনুকরণ প্রিয় হয়ে থাকে। আপনাকে যেমনটা দেখবে, শিশু কিন্তু তাই শিখবে এবং সেটাই করার চেষ্টা করবে। যারা অভিভাবক তাদের উচিত শিশুদের সামনে বুঝে-শুনে চিন্তা করে কথা বলা ও তাদের সঙ্গে সেভাবে ব্যবহার করা।

ভারতের লাইফস্টাইল বিষয়ক সংবাদমাধ্যম বোল্ডস্কাই অবলম্বনে জেনে নিন শিশুদের সামনে আপনার কী করা উচিত এবং কী করা উচিত নয়-

ফোন ও টিভি কম ব্যবহার করুন:

বাসায় ফোন ও টিভি কম ব্যবহার করার চেষ্টা করুন। যদি সন্তান আপনাকে সারাদিন টিভি বা ফোনে ব্যস্ত থাকতে দেখে, তাহলে সেও আপনার মতোই একইভাবে সময় কাটাতে চাইবে। তাই যতটা সম্ভব টিভি ও ফোনের পিছনে কম সময় ব্যয় করুন।

কাউকে অপমান করবেন না:

জীবনে চলার পথে যে কারও সঙ্গে আপনার মতপার্থক্য থাকতেই পারে বা আপনি কাউকে অপছন্দ করতেই পারেন।  আপনি যদি আপনার সন্তানের সামনে প্রতিবেশী, বন্ধু বা পরিবারের কোনো সদস্যকে অপমান করেন, তাহলে তা তার উপর খারাপ প্রভাব ফেলতে পারে। তাই তাদের সামনে আপনার ক্ষোভ প্রকাশ থেকে বিরত থাকুন। মোথায় রাখবেন, আপনি এ রকম করলে আপনার সন্তানও সেই ব্যক্তিকে যে কোনো সময় অপমান করতে পারে। কেননা আপনি যা করবেন, তারাও সেটাই শিখবে।

খাবার নষ্ট করবেন না:

আপনার সন্তানকে খাওয়ার গুরুত্ব ব্যাখ্যা করুন। জীবনে খাওয়ার গুরুত্ব কতটা তা তাদের বোঝান। আপনি নিজেও খাদ্য অপচয় করবেন না। তাদের এটা বলুন যে, খাবার নষ্ট করা খুব খারাপ অভ্যাস।

আরও পড়ুন:


দুবাই থেকে আসা বিমানের ফ্লাইটে ১০ কোটি টাকার স্বর্ণ জব্দ

বাসের ধাক্কায় প্রাণ গেলো পুলিশ সদস্যের

এবার ফেসবুকের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠল

সূরা ফাতিহার বাংলা উচ্চারণ ও অর্থ


ভদ্রতা বজায় রাখুন:

সন্তান আশেপাশে থাকলে স্বামী-স্ত্রী ভদ্রতা বজায় রাখুন। সন্তানের সামনে এমন কোনো কাজ করা থেকে বিরত থাকুন, যা তাদের উপর খারাপ প্রভাব ফেলে। সর্বদা শৃঙ্খলা বজায় রাখুন এবং ভালো আচরণ করুন। তাহলে ছোটবেলা থেকে শিশুরা সেভাবেই শিক্ষা নিয়ে বড় হবে।

কখনো চিৎকার করবেন না:

খুব বিরক্ত হলে বা রেগে গেলেও সন্তানের সামনে কখনোই চিৎকার করবেন না। বরং মেজাজ নিয়ন্ত্রণে রাখুন। আপনি যদি আপনার সন্তানের সামনে এমনটা করেন, তবে তার মনে হতে পারে যে এটি করা ঠিক।।

গায়ের রং বা শরীর নিয়ে খারাপ মন্তব্য করবেন না:

কখনোই কারও গায়ের রং বা শরীর নিয়ে খারাপ মন্তব্য করবেন না। আপনি যদি এমন আচরণ করেন, তবে আপনার সন্তানও এই পথ অনুসরণ করবে।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

শেভের পর ত্বক জ্বালা-পোড়া থেকে বাঁচতে যা করবেন

অনলাইন ডেস্ক

শেভের পর ত্বক জ্বালা-পোড়া থেকে বাঁচতে যা করবেন

প্রতীকী ছবি

শেভ করার পর অনেকেরই ত্বক জ্বালা-পোড়া করে। বিশেষ করে শীতকালে অনেকেই এই সমস্যায় ভোগেন। বেশ কয়েকটি পরামর্শ মেনে চললে এই অবস্থা থেকে নিস্তার পাওয়া সম্ভব।

এক নজরে দেখে নেয়া যাক এমন কিছু উপায়-

১) ত্বক যাতে বেশি শুষ্ক না হয়ে যায়, সে দিকে খেয়াল রাখুন। সকালে দাড়ি কামানোর পরিকল্পনা থাকলে আগের রাতে মুখে ভালোভাবে ময়শ্চারাইজার মাখুন। এতে ত্বক আর্দ্র থাকবে।

২) তুলনামূলক লম্বা দাড়ি কাঁচি দিয়ে প্রথমে ছেঁটে নিন। লম্বা দাড়িও রেজর দিয়ে কাটতে গেলে গালের এক-একটি অংশে একাধিক বার ব্লেড ছোঁয়াতে হবে। ফলে ক্ষত তৈরি হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকবে।

৩) দাড়ি কামানোর সময়ে চেষ্টা করুন যে সব ক্রিমে বেশি ফেনা হয়, তা ব্যবহার করতে। তবে ত্বক মোলায়েম থাকবে।

৪) দাড়ি কাটার পর অবশ্যই অ্যালোভেরা জেল বা ভারী কোনো ময়শ্চারাইজার গালে মাখুন। তা হলে প্রথমেই অনেকটা নিয়ন্ত্রিত হবে জ্বালা ভাব।

আরও পড়ুন:

রামপুরা ব্রিজ অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ


news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

দীর্ঘক্ষণ চেয়ারে বসে থেকে যেসব বিপদ ডেকে আনছেন

অনলাইন ডেস্ক

দীর্ঘক্ষণ চেয়ারে বসে থেকে যেসব বিপদ ডেকে আনছেন

প্রতীকী ছবি

অফিসে কাজের জন্য অনেককেই দীর্ঘ সময় চেয়ারে বসে থাকতে হয়। কিন্তু কখনো ভেবে দেখেছেন কী, এতে আমাদের শরীরের কী ধরনের ক্ষতি হচ্ছে। চলুন জেনে নেই দীর্ঘ সময় ধরে বসে থাকলে আপনার কী ক্ষতি হতে পারে-

পিঠে ব্যথা:

দীর্ঘ সময় যাবৎ বসে থাকার আরেকটি পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া হলো পিঠে ব্যথা। বিশেষ করে, আপনি যদি চেয়ারে বসে থাকেন এবং কম্পিউটারে কাজ করতে থাকেন। কারণ এটি আপনাকে ঘাড় ও মাথাকে সামনে ঝুকিয়ে, মেরুদণ্ডে অনেক চাপের সৃষ্টি করে, একইভাবে চেয়ারে বসে থাকতে বাধ্য করে, যা পিঠ এমনকি ঘাড়ের ব্যাথার কারণ হয়।

মেদ বৃদ্ধি:

দীর্ঘসময় বসে থাকা মেদ বৃদ্ধির জন্য খুবই সহায়ক। বসে থাকার সময়ে শারীরিক বিপাক ক্রিয়া ধীর হয়ে যায়, ক্যালোরি বার্ন হওয়ার পরিমাণ কমে যায়। আপনি অনেকক্ষ ধরে বসে থাকলে চর্বির পক্ষে আপনার কোমরের চারপাশে জমেতেও সুবিধা হয়। আমরা সকলেই জানি পেটের অত্যাধিক চর্বি কতোটা বিপদ্দজনক হতে পারে!

হাড় সংক্রান্ত সমস্যা:

একটানা বসে থাকার ফলে আমাদের দেহের নিচের অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলোতে সঠিকভাবে রক্ত সঞ্চালন হয় না। এতে করে সমস্যা শুরু হয় নানা অঙ্গে। একটানা বসে থাকার ফলে দেহের নিচের অংশের হাড় ভারী হয়। ফলে দেখা দেয় হাড় সংক্রান্ত নানা সমস্যা। এতে পিঠ ও মেরুদণ্ডে ব্যথা হতে পারে।


আরও পড়ুন:

দেশে করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া সবাই পুরুষ

খালেদা জিয়ার মেডিকেল বোর্ডের বক্তব্যকে গুরুত্ব দিন: সরকারকে রিজভী

ফাঁকিবাজ সরকার বলেই সত্য বললেও মানুষ বিশ্বাস করেনা: মান্না


এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে করণীয়:

আধা ঘণ্টা পর পর চেয়ার ছেড়ে উঠুন:

আপনার কাজ রয়েছে বুঝলাম। তবে কাজের অজুহাতে শরীর খারাপ করলে তো চলবে না। তাই প্রতি ৩০ মিনিটে একবার চেয়ার ছেড়ে উঠুন। পারলে নিজের মোবাইলে রিমাইন্ডার দিয়ে রাখুন। তারপর রিমাইন্ডার বাজলেই উঠে পড়ুন।

হাঁটুন: চেয়ার ছেড়ে শুধু দাঁড়িয়ে থাকা যাবে না। হেঁটে আসুন। খুব দূর যেতে হবে না। একটু অফিসের লনেই হেঁটে নিন। বারান্দায় গিয়ে দাঁড়ান। তারপর ফিরে আসুন। এটুকু করলেই চলবে।

স্ট্রেচিং করুন: যখনই সময় পাবেন, একটু দাঁড়িয়ে স্ট্রেচিং করুন। দেখবেন হালকা লাগছে। এই স্ট্রেচিং এক্সারসাইজ শরীরকে নমনীয় করে, পেশির শক্তি বাড়ায়, মেরুদণ্ডকে ঋজু রাখে। বিশেষত, ঘাড়ে, হাতে, কোমরে ব্যথা থাকলে একজন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ মতো করতে হবে স্ট্রেচিং।

ব্যায়াম করুন: সারা দিনে ঠিক ৩০ মিনিট ব্যায়াম করুন। শুধু এইটুকু করতে পারলেই আপনার শরীর থাকবে ভালো। সঙ্গে মনও নিজের মতো করে মুক্ত হবে। দূর হবে দুশ্চিন্তা।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

ঠোঁটের চামড়া ওঠা ও ফাটা রোধের সহজ উপায়

অনলাইন ডেস্ক

ঠোঁটের চামড়া ওঠা ও ফাটা রোধের সহজ উপায়

প্রতীকী ছবি

শীতে ঠোঁটের চামড়া ওঠা ও ফাটার সমস্যায় অনেককেই ভুগিয়ে থাকেন। এ সমস্যা থেকে বাঁচতে প্রতিদিন না হলেও সপ্তাহে অন্তত দুবার ঠোঁট ভালো রাখতে স্ক্রাব করা জরুরি। এজন্য খুব সহজেই ঘরে তৈরি করতে পারবেন লিপ স্ক্রাব। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক তিন ধরনের লিপ স্ক্রাব তৈরি পদ্ধতি-

ব্রাউন সুগার স্ক্রাব

ব্রাউন সুগার শরীরের জন্যও যেমন উপকারী ঠিক তেমনই ত্বক এক্সফোলিয়েটর হিসেবেও কাজ করে। এটি গ্লাইকোলিক অ্যাসিড সমৃদ্ধ, যা ত্বক এক্সফোলিয়েশন করে। এতে আরো আছে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য, ঠোঁটকে করে মসৃণ ও উজ্জ্বল।

এই স্ক্রাব তৈরি করতে লাগবে ব্রাউন সুগার, মধু ও নারকেল তেল। ১ টেবিল চামচ বাদামি চিনির সঙ্গে আধা টেবিল চামচ মধু ও তেল মিশিয়ে নিন। তারপর এই মিশ্রণ ঠোঁটে কিছুক্ষণ ম্যাসাজ করুন। তবে বেশি জোরে জোরে ঘষবেন না। আলতো হাতে ম্যাসাজ করে ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন ঠোঁট কতটা নরম হয়ে গেছে। এরপর ঠোঁটে লিপজেল ব্যবহার করুন।

গ্রিন টি স্ক্রাব

গ্রিন টি স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী। এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ, হওয়ায় ত্বক দূষণমুক্ত করে। এজন্য গ্রিন টির সঙ্গে আধা টেবিল চামচ টকদই, সমপরিমাণ অলিভ অয়েল ও চিনি মিশিয়ে নিন। ব্যাস তৈরি গ্রিন টি স্ক্রাব। এবার এই মিশ্রণ ঠোঁটে কিছুক্ষণ ম্যাসাজ করুন। দেখবেন ঠোঁটের মৃতকোষ উঠে যাবে। ফলে ঠোঁটের চামড়াও আর উঠবে না আর ফোঁটও ফাটবে না।

আরও পড়ুন:


তাইজুল ম্যাজিকে লিড পেলো বাংলাদেশ

হেফাজত মহাসচিব মাওলানা নুরুল ইসলাম আইসিইউতে

অন্তঃসত্ত্বা নারীকে হত্যা করে পেট চিরে বাচ্চা চুরি!


কফি স্ক্রাব

কফি দিয়ে রূপচর্চা বিষয়টি সবারই জানা। কফি সত্যিই ত্বকের যত্নে দুর্দান্ত কাজ করে। কফি একটি চমৎকার এক্সফোলিয়েটর। ঠোঁটের উজ্জ্বলতা ও কোমলতা বাড়ায় এটি। ক্যাফেইন রক্ত সঞ্চালন উন্নত করে, ফলে ঠোঁটের গোলাপি আভা ফিরে আসে।

কফি স্ক্রাব তৈরি করতে নারকেল তেল বা অলিভ অয়েলের সঙ্গে কফি পাউডার মিশিয়ে নিন। এরপর ঠোঁট স্ক্রাব করুন। নিয়মিত কফি স্কাব ব্যবহারে ত্বকের কালচে ভাব দূর হবে, ঠোঁটের চামড়া ওঠা ও ফাটাও রোধ হবে।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

দাম্পত্য জীবনে সুখি থাকার ১২ উপায়!

অনলাইন ডেস্ক

দাম্পত্য জীবনে সুখি থাকার ১২ উপায়!

প্রতীকী ছবি

বিবাহের পর দাম্পত্য জীবনে সুখী হতে সবাই চায়। কিছু বিষয় বা শর্ত মেনে চললে জীবন হয়ে ওঠে আনন্দময়। এক সংসারে থাকতে গেলে ছোট খাট সমস্যা হবেই। তবে এসব সমস্যাকে ছাপিয়ে চেষ্টা করতে হবে সুখি জীবনযাপন করার। নিচের শর্তগুলো মেনে চললে দাম্পত্য জীবন হয়ে উঠবে সুখকর।

একসাথে ব্যায়াম করা:

সুস্থ শরীরের জন্য নারী,পুরুষ প্রত্যেকের ওয়ার্ক আউট করা উচিত। কিন্তু স্বামী-স্ত্রীর ক্ষেত্রে দুজন একসাথে ওয়ার্কআউট করলে  দুজনের মধ্যে বন্ধন দৃঢ় হয়।

সঙ্গীর বন্ধুর সাথে ভালো সম্পর্ক রাখা:

চেষ্টা করুন আপনার সঙ্গীর বন্ধু-বান্ধবীদের ভালো সম্পর্ক রাখতে । এতে করে আপনার সামাজিক সার্কেল বড় হবে। আর কোন সমস্যা হলেও ওই বন্ধুদের কাছ থেকে আপনি সাহায্য নিতে পারবেন।

আরও পড়ুন:


হেফাজত মহাসচিব মাওলানা নুরুল ইসলাম আইসিইউতে

অন্তঃসত্ত্বা নারীকে হত্যা করে পেট চিরে বাচ্চা চুরি!


স্বাধীনতা দেওয়া:

মাঝেমধ্যে সঙ্গীর বন্ধুদের সাথে বের হবেন ঠিক আছে কিন্তু আপনার সঙ্গীকেও তার বন্ধুদের সাথে নিজের মতো করে সময় কাটাতে দিন।

পরিবারকে প্রাধান্য দেওয়া:

সঙ্গীর সাথে সাথে তার বাবা-মা, ভাই-বোন অর্থাৎ পরিবারকে গুরুত্ব দিন। তাদেরকে উপযুক্ত সম্মান দিন এবং ভালো সম্পর্ক বজায় রাখুন।

পুরানো কথা না তোলা:

পুরোনো কোন কথা যা তিক্ততা সৃষ্টি করে এমন কথা বারবার তুলে আনবেন না। এতে করে সমস্যা সমাধান হওয়ার পরিবর্তে নতুন করে সমস্যা সৃষ্টি হবে।

দোষ না চাপানো:

অনেকে আছে কোন কারণ ছাড়াই একজন আরেকজনকে দোষ চাপায়। এতে করে পরিস্থিতি আরো জটিল হয়। দোষ না চাপিয়ে দুজন বসে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করুন।

একসাথে রান্না করা:

কোন উৎসবে বা অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে চেষ্টা করুন একসাথে রান্না করার। এরকম ছোট ছোট সুখকর বিষয়গুলো দুজনকে কাছে নিয়ে আসে।

সবকিছুতে মন্তব্য না করা:

মানুষ নিজের অজান্তে অনেক সময় অনেক কিছু বলে থাকে। এজন্য সব কথাতে মন্তব্য করা থেকে নিজেকে বিরত রাখুন।

নিজের মতো করে সময় কাটানো:

প্রত্যেক মানুষ কিছু সময় নিজের মতো করে কাটাতে চায়। এজন্য সবাইকে তাদের নিজস্ব কিছু সময় দেওয়া উচিত।

আর্থিক দায়িত্ব:

চিকিৎসা, ঘোরাঘুরি বা অন্যান্য কাজের জন্য দুজন মিলে সেভিংস করা শুরু করুন। একজন আরেকজনের প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস রাখুন।

ভাগাভাগি করে কাজ করা:

একজনই কেন বাড়ির সব কাজ করবে?চেষ্টা করুন বাড়ির সব কাজ দুজন ভাগাভাগি করে করতে। এতে করে কারো একার ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়বে না।

news24bd.tv/ কামরুল 

পরবর্তী খবর

পেটের মেদ বাড়ে যে চারটি কারণে

অনলাইন ডেস্ক

পেটের মেদ বাড়ে যে চারটি কারণে

পেটের বাড়তি মেদ থেকে সৃষ্টি হয় নানা রোগ।অনেকেই মনে করেন অতিরিক্ত খাবার খাওয়ার কারণে এই মেদ জমে। যদিও তা পুরোপুরি সত্যি নয়। আরো কিছু কারণে পেটের মেদ বাড়তে পারে। আসুন সেগুলো একটু জেনে নেই:

১. কোনো কাজ বা অণ্য কিছু করার সময় একভাবে অনেকক্ষণ বসে থাকলে মেদ বেড়ে যায়।

২. সাধারণত নেগেটিভ ইমোশন থাকলে বেশি খাওয়ার প্রবণতা হয়। যা শরীরে পক্ষে খুবই ক্ষতিকারক।

আরও পড়ুন:


দ. আফ্রিকার করোনার নতুন ধরন খুবই ভয়ঙ্কর : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

একই ইউপিতে বাবা-ছেলে ও আপন দুই ভাই চেয়ারম্যান প্রার্থী!

বেগম জিয়ার জন্য আলাদা আইন করার সুযোগ নেই: হানিফ


৩. অনেকেই গরমের দিনে তৃষ্ণা পেলে সফট ড্রিঙ্কস পান করে। এতে অত্যাধিক ক্যালোরি রয়েছে যা শরীরে মেদ বাড়িয়ে দেয়।

৪. প্রতিদিনই ফাস্ট ফুড খাওয়া।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর