চট্টগ্রামের আখ চাষিদের মুখে খুশির ঝিলিক

নয়ন বড়ুয়া জয়, চট্টগ্রাম

রসে ভরা আখের বাম্পার ফলনে চট্টগ্রামের আখ চাষিদের মুখে খুশির ঝিলিক। ফলন ভাল, দাম পাচ্ছে বেশি তাই খুশি চাষিরা। দেশীয় আখ দিয়ে উৎপাদন হচ্ছে গুড়, চিনিসহ আরো কিছু খাদ্য পণ্য। কৃষি কর্মকর্তারা বলছেন,নতুন নতুন জাতের আখ চাষের চেষ্টা চলছে । 

ইক্ষু থেকে আখ। দেখতে বাঁশের মত,পুরো শরীর টসটসে রসে ভরা।চট্টগ্রামের মাটিতেই নানান রঙের আখ যেন নজর কাড়ছে সবার। শুধু চট্টগ্রামে সাড়ে তিনশ হেক্টর জমিতেই আবাদ হয়েছে আখের।ভাল ফলন আর দামও বেশি পাওয়ায় খুশি চাষিরা।তবে সরকারের পৃষ্টপোষকতা পেলে আখ চাষে আগ্রহ আরো বাড়বে বললেন চাষিরা।

এদিকে চট্টগ্রামে আখ চাষের বাম্পার অলন হওয়ায় দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ছুটে আসছে বেপারিরা।

আখের ভাল ফলনে খুশি কৃষি কর্মকর্তারা। ফলন আরো বাড়াতে নতুন নতুন জাতের আখের গবেষণা করছে কৃষি বিশেষজ্ঞরা।

আরও পড়ুন:


দুবাই থেকে আসা বিমানের ফ্লাইটে ১০ কোটি টাকার স্বর্ণ জব্দ

বাসের ধাক্কায় প্রাণ গেলো পুলিশ সদস্যের

এবার ফেসবুকের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠল

সূরা ফাতিহার বাংলা উচ্চারণ ও অর্থ


আখের রস বিভিন্ন জনবহুল এলাকায় মেশিনের সাহায্যে চাপিয়ে রস প্রতি গ্লাস ১৫ থেকে বিশ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।অন্যদিকে আখ দিয়ে তৈরি হচ্ছে গুড়, চিনিসহ নানান রকমের খাদ্য পণ্য।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

ডলারের বাজারে অস্থিরতা

অনলাইন ডেস্ক

ডলারের বাজারে অস্থিরতা

বেশ কিছুদিন ধরেই ডলারের বাজারে অস্থিরতা বিরাজ করছে। দিন যতই যাচ্ছে টাকার বিপরীতে ডলারের দাম ততই বাড়ছে। 

রোববার (২৪ অক্টোবর) খোলাবাজার ও নগদ মূল্যে ডলার ৯০ টাকা ১০ পয়সায় কেনাবেচায় হয়। যা এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ মূল্য।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, প্রবাসীদের পাঠানো আয় বা রেমিট্যান্স গত তিন মাস ধরে ধারাবাহিকভাবে কমছে।  রফতানি আয়ে ভাটা চলছে। বেড়েছে আমদানি ব্যয়। ফলে বৈদেশিক মুদ্রা সরবরাহে ঘাটতি দেখা দিয়েছে। যা টাকার বিপরীতে ডলারের দাম বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আরও পড়ুন: ধর্ষণের পর হত্যা, অপরাধী ছেলেকে বাঁচাতে বাবার কাণ্ড

সর্বশেষ আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজারে প্রতি ডলারের বিনিময় মূল্য দাঁড়ায় ৮৫ টাকা ৭০ পয়সা। তবে খোলাবাজার ও নগদ মূল্যে ডলার ৮৯ টাকা ৯০ পয়সা থেকে ৯০ টাকা ১০ পয়সায় কেনাবেচা হচ্ছে।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

বাজার নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়েছে: টিপু মুনশী

অনলাইন ডেস্ক

বাজার নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়েছে: টিপু মুনশী

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশী বলেছেন, উৎপাদন ও ভোগের সঠিক পরিসংখ্যান না থাকায় বাজার নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

আরও পড়ুন:


পীরগঞ্জের ঘটনায় রিমান্ড শেষে ৩৭ জন জেলহাজতে

সাকিব-নাসুমের পর সাইফুদ্দিনের আঘাত

লিটনের ক্যাস মিস, মাসুল গুনছে টাইগাররা


 

রোববার (২৪ অক্টোবর) রাজধানীর একটি হোটেলে বণিক বার্তা ও বাংলাদেশ কৃষি সাংবাদিক ফোরাম (বিএজেএফ) আয়োজিত ‘বাংলাদেশের ৫০ বছর কৃষির রূপান্তর ও অর্জন’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশী আরও বলেন, ধরুন পেঁয়াজের কথা। পেঁয়াজের জ্বালায় আমি অস্থির হয়ে পড়েছি। পরিসংখ্যানের ঝামেলা রয়েছে। আমাদের পেঁয়াজ প্রয়োজন ২৪ থেকে ২৫ লাখ টন। উৎপাদনও হয় ২৫ থেকে ২৬ লাখ টন। তবে আমদানি কেন? সেক্ষেত্রে বক্তব্য হচ্ছে আমাদের প্রায় ২০ শতাংশ পেঁয়াজ নষ্ট হয়।

news24bd.tv/তৌহিদ

পরবর্তী খবর

আগাম জাতের ফুলকপি চাষ করে লাভবান হচ্ছেন যশোরের কৃষকরা

রিপন হোসেন, যশোর:

আগাম জাতের বিষ মুক্ত ফুলকপি চাষ করে লাভবান হচ্ছেন যশোরের কৃষকরা। প্রশিক্ষণ নিয়ে আধুনিক প্রযুক্তিতে উৎপাদিত কপি ভাল দামে বিক্রি করছেন তারা। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বলছেন, পুষ্টি চাহিদার লক্ষ্যে সারা বছর নিরাপদ সবজি ও ফল উৎপাদনে কৃষকদের সহায়তা করছে সরকার। 

শীত না আসলেও মাঠে মিলছে শীতের সবজি, ফুলকপি। আগাম জাতের এই ফুলকপির ক্ষেত যশোর সদর উপজেলার আব্দুলপুর গ্রামের। অসময়ে আবাদ করা এই সবজিতে মিলেছে অপ্রত্যাশিত ফলন। বিক্রিও হচ্ছে বেশ দামে। তাই হাসির ঝলক কৃষকের চোখে মুখে।

আরও পড়ুন:


স্বামীকে হত্যার পর হাত-পা কেটে পাতিলে রাখেন দ্বিতীয় স্ত্রী!

যে ক্লাবের সদস্য হতেই লাগে দেড়শ' কোটি টাকা

ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের বিতর্কিত কিছু ঘটনা

লাখ টাকায় স্ত্রীকে বৃদ্ধের কাছে বিক্রি করে দিলো স্বামী!


কৃষি বিজ্ঞানীরা জানান, আগাম জাতের এই ফুলকপি চারা রোপনের ৬০ থেকে ৬৫ দিনের মাথায় বাজারে তোলা যায়। আর কৃষি বিভাগ বলছে, আগাম জাতের সবজি চাষ করলে শুধু কৃষকরা লাভবান হবে তা নয়; ভোক্তার পাতেও আসবে পুষ্টিকর খাবার।

চলতি মৌসুমে যশোর সদর উপজেলায় ৬শ’ ৬৫ হেক্টার জমিতে ফুলকপির চাষ হয়েছে।

news24bd.tv/ কামরুল 

পরবর্তী খবর

পার্বত্যাঞ্চলে জুম চাষে ভাল ফলন

ফাতেমা জান্নাত মুমু, রাঙামাটি

পার্বত্যাঞ্চলে এবছরও জুম চাষে ভাল ফলন হয়েছে। ফসল কাটার ধুম পড়েছে পাহাড়িদের মাঝে। চাষিদের চোখে মুখে দেখা যাচ্ছে আনন্দ আর উচ্ছ্বাস। 

কৃষি বিভাগ বলছে, গেলো বছরের তুলনায় দ্বিগুণ ফলন ​হয়েছে। 

সবুজ পাহাড়ের বাঁকে বাঁকে থোকায় থোকায় দোল খাচ্ছে সোনালী ধান। সবুজের বুকে সোনালী রঙের খেলা দেখে আনন্দে ভাসছে চাষীরা। গান গেয়ে ধান কাটতে ব্যস্ত পাহাড়ের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর নারীরা।

ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের জীবিকার প্রধান মাধ্যম জুম চাষ। বাংলাদেশে কেবল তিন পার্বত্য জেলা- রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের পাহাড়ে হয় এ পদ্ধতির চাষাবাদ। পার্বত্যাঞ্চলে এবার জুম ফসলের বাম্পার ফলন হয়েছে। ধানের পাশাপাশি উৎপাদন হয়েছে- মারফা, বেগুন, ধানি মরিচ, ঢেঁড়শ, কাকরোল, কুমড়াসহ নানা ফসল।

আরও পড়ুন: কাল খুলে দেয়া হচ্ছে পায়রা সেতু

চলতি বছর শুধু রাঙামাটিতে জুম চাষ হয়েছে ৬ হাজার ৬৫০ হেক্টর জমিতে। যেখানে লক্ষ্যমাত্রাকে ছাড়িয়ে গেছে উৎপাদন। ফলন ভাল হওয়ায় কৃষকরা অর্থনৈতিকভাবে যেমন লাভবান হবে তেমনি খাদ্য সংকটের শঙ্কাও থাকবে না, বলছে কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ।

পার্বত্যাঞ্চলে প্রতিবছর ১৮ প্রজাতির জুমের ধান চাষ হয়। আর এ জুমের ধান বছরব্যাপী খাদ্য ব্যাংক হিসেবে সংরক্ষণ করে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীরা।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

দেশের বেড়েছে আমদানি-রপ্তানি, ডলারের দাম নিয়ন্ত্রণ রাখার আহবান

সুলতান আহমেদ

মহামারীর পর পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়ে উঠতে শুরু করেছে দেশের অর্থনীতি। আর তাতে দীর্ঘদিন আটকে থাকা আমদানি অনেকটাই বেড়েছে। বৈদেশিক লেনদেনের চাপে ব্যাংকগুলোতে চাহিদা বেড়েছে ডলারের। তাতে টাকার বিপরীতে দামও বেড়েছে ডলারের। 

তবে ব্যবসায়ীরা বলছেন, একদিকে বিশ্ববাজারে পণ্যমূল্য বৃদ্ধি পাওয়া অন্যদিকে ডলারের দাম বৃদ্ধিতে বিপাকে পড়েছেন তারা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আমদানি রপ্তানি স্বাভাবিক রাখতে ডলারের দাম নিয়ন্ত্রণ জরুরি।

স্বস্তির খবর বিশ্বব্যাপী কমে আসছে করোনা মহামারির সংক্রমণ। বাংলাদেশেও মহামারী এখন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে। তাতে অর্থনৈতিক কার্যক্রম আবারো স্বাভাবিক ধারায় ফিরতে শুরু করেছে। পুরোদমে শুরু হয়েছে সরকারি বেসরকারি প্রকল্প বাস্তবায়ন।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসেব বলছে, গেলো আগস্ট মাসে আমদানি ব্যয় বেড়েছে প্রায় ৭৩ শতাংশ। অতীতে কখনই আমদানির এত প্রবৃদ্ধি দেখা যায়নি। অন্যদিকে বিশ্ব অর্থনীতি স্বাভাবিক হওয়ায় বাংলাদেশ থেকে রপ্তানিও বেশ খানিকটা বেড়েছে। তাতে ব্যবসায়ীদের কাচামাল সহ বিভিন্ন পণ্য আমদানি করতে হচ্ছে। আর হঠাৎ আমদানির চাপ সামাল দিতে তৈরি হচ্ছে ডলার সংকট।

সংকট মোকাবেলায় বাজারে বাড়তি ডলার সরবরাহ করেও দাম নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তার উপর গেলো তিন মাস ধরে কমেছে রেমিট্যান্স প্রবাহ। 

আরও পড়ুন:


তাইওয়ানকে চীনের হাত থেকে রক্ষা করতে বদ্ধপরিকর যুক্তরাষ্ট্র

অভিযুক্ত ইকবালের সঙ্গে ছাত্রলীগ নেতা মিশু-রায়হান-অনিকের পরিচয় যেভাবে

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে চাকরির সুযোগ, আবেদন অনলাইনে

আরও বিস্তৃতি বাড়াচ্ছে আইপিএল, আসছে নতুন দল


সবশেষ সেপ্টেম্বর মাসে রেমিট্যান্স কমেছে ১৯ দশমিক ৭৫ শতাংশ। তাই ব্যাংকগুলোও বাড়তি ডলারের চাপ সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে। খুচরা বাজারে ডলারের দাম ছাড়িয়েছে ৯০ টাকার ঘর। সবশেষ তিন মাসে ১৩০ কোটি ডলার বাজারে ছেড়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। 

অর্থনীতি স্বাভাবিক রাখতে ডলারের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।

তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হাতে প্রায় নয় মাসের আমদানি ব্যয় মেটানোর রিজার্ভ থাকায় এখনই দুশ্চিন্তা না করার পরামর্শ তাদের।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর