মালামাল লুট করে বিধবা নারীকে গণধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৪

অনলাইন ডেস্ক

মালামাল লুট করে বিধবা নারীকে গণধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৪

খুলনায় রাতের আধারে মুখোশ পরা ৪ ব্যক্তি এক বিধবা নারীর ঘরে ঢুকে স্টিলের বাক্স খুলে স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুট করে তাকে গণধর্ষণ করে।  এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ বুধবার বিকেলে তাদেরকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। 

জানা যায়, ওই বিধবা তার ১৩ বছরের শিশুপুত্রকে নিয়ে ২৮ সেপ্টেম্বর রাতে প্রতিদিনের ন্যায় খাওয়া-দাওয়া শেষ করে নিজ বাড়িতে ঘুমিয়ে পড়েন। পরে রাত ২টার দিকে মুখোশ পরা ৪ ব্যক্তি ঘরে ঢুকে স্টিলের বাক্স খুলে স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুট করে। যাওয়ার সময় ৩ জন বিধবা ওই নারীকে ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় পরের দিন ভিকটিম নারী বাদী হয়ে থানায় ৪ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে মামলা করে। ইতোমধ্যে ভিকটিমের ডাক্তারী পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:


প্রধান শিক্ষককের বিরুদ্ধে শিক্ষিকা ধর্ষণের অভিযোগ !

পূর্বশত্রুতার জেরে শরীরে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে হত্যা!

এবার ফেসবুকের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠল

৭৫ বিয়ে, ২০০ নারী পাচার, ভারতে বাংলাদেশি যুবক আটক


এরআগে খুলনা জেলার পাইকগাছা উপজেলার চাঁদখালী ইউনিয়নের কালুয়া দক্ষিনপাড়া গ্রামের পয়ত্রিশোর্ধ্ব বিধবার দ্বায়েরকৃত মামলায় আটককৃতরা ওই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে।

পাইকগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এজাজ শফী জানান, ওই ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে গত মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে রাতভর অভিযান চালিয়ে কয়রার বিভিন্ন স্থান থেকে ৪ জনকে আটক করা হয়েছে। 

আটককৃতরা হলেন, পাশ্ববর্তী কয়রা উপজেলার আমাদী গ্রামের শেখ জিয়াদ আলীর ছেলে ভাটা শ্রমিক ও পোনা ব্যবসায়ী শেখ অহিদুল ইসলাম (২৮), একই এলাকার মৃত অহেদ আলীর ছেলে মটরসাইকেল চালক রাকিবুল ইসলাম (২৬), শেখ খলিলুর রহমানের ছেলে বেকারী কর্মচারী মোনায়েম (২৫) ও পাইকগাছা উপজেলার মৌখালী গ্রামের মৃত ইউসুফ ঢালীর ছেলে ফেরদাউস ঢালী (৫১)। আটককৃতরা সিনিয়র পুলিশ সুপার ডি-সার্কেল সাইফুল ইসলামের নিকট অপরাধের কথা স্বীকার করেছে।

news24bd.tv/ কামরুল 

পরবর্তী খবর

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সক্রিয় ১৫ সশস্ত্র গ্রুপ

অনলাইন ডেস্ক

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সক্রিয় ১৫ সশস্ত্র গ্রুপ

অপরাধের আখড়া হয়ে উঠছে উখিয়া ও টেকনাফের ৩৪টি রোহিঙ্গা ক্যাম্প। নানা স্বার্থের টানাপোড়েনে ক্যাম্পকেন্দ্রিক গড়ে ওঠা অন্তত ১৫টির অধিক সশস্ত্র দল মাঝেমধ্যেই নিজেদের মধ্যে জড়িয়ে পড়ছে খুনোখুনিসহ ভয়ংকর সব অপরাধে। আগে এরা দা, ছুরি, বল্লমের মতো সাধারণ অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে চলাফেরা করলেও এখন ব্যবহার করছে স্বয়ংক্রিয় আগ্নেয়াস্ত্র। যদিও র‌্যাব-পুলিশের দাবি, সবকিছু তাদের নিয়ন্ত্রণে আছে।

ক্যাম্পকেন্দ্রিক ভয়ংকর সন্ত্রাসীরা মাদক-বাণিজ্য, অপহরণ আর চাঁদাবাজিতে জড়িত। ২৯ সেপ্টেম্বর রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহকে হত্যা করা হয়। চাঞ্চল্যকর এ হত্যার রেশ কাটতে না কাটতেই আবারও হত্যা। এবার ২৩ অক্টোবর সন্ত্রাসীরা মাদরাসায় ঢুকে গুলি চালিয়ে হত্যা করে ছয়জনকে। এক মাসের ব্যবধানে নেতাসহ সাত খুন!

তদন্তসংশ্লিষ্টরা বলছেন, এসব হত্যার পেছনে ইয়াবা, অস্ত্রবাণিজ্য ছাড়াও রয়েছে চাঁদা আদায়ের ঘটনা। মিয়ানমার থেকে আসা ইয়াবাসহ নানা প্রকার মাদক ও অস্ত্রবাণিজ্য আর সংগঠনভিত্তিক এলাকা দখল নিয়ে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রতিনিয়ত চলছে সংঘর্ষ ও গোলাগুলি। অপহরণ, ইয়াবা বিকিকিনি এবং চাঁদাবাজি ঘিরে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বেড়েছে গ্রুপিং। ক্ষমতার আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বেড়েছে খুনোখুনি। 

স্থানীয় সূত্রগুলো বলছেন, টেকনাফ ও উখিয়ার ক্যাম্পগুলোয় তৈরি হয়েছে অন্তত ১৫-এর অধিক সশস্ত্র দল। যেসব সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর নাম জানা গেছে তার মধ্যে উখিয়ার ক্যাম্পগুলোয় রয়েছে মুন্না গ্রুপ, আনাস গ্রুপ, মাহাদ গ্রুপ, সালাম বা সালমান শাহ গ্রুপ, হাফেজ আহমদ গ্রুপ, জহির গ্রুপ, আতাউল্লাহ গ্রুপ। টেকনাফে রয়েছে হাকিম ডাকাত গ্রুপ, নুরে আলম গ্রুপ, জকির ডাকাতের গ্রুপ। 

দুই উপজেলার ক্যাম্পগুলোয় এসব গ্রুপের আড়ালে সক্রিয় রয়েছে আরসা, আল ইয়াকিন, আরাকান রোহিঙ্গা আর্মি, আতাউল্লাহর বাহিনী, আরএসও, আরআরএসও। 

আরও পড়ুন:

চাপের মুখে বাংলাদেশ

ইংল্যান্ড ম্যাচের আগে টাইগার শিবিরে বড় দুটি দুঃসংবাদ

শাহরুখের সাথে জুটি থেকে সরে দাঁড়ালেন নায়িকা


 

২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট থেকে মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত হয়ে কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের পাহাড়ি জমিতে ৩৪টি ক্যাম্পে আশ্রয় নেয় ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা। আশ্রয় নেওয়ার পর এক বছর নীরবে রোহিঙ্গারা অতিবাহিত করলেও যত দিন যাচ্ছে ক্যাম্পগুলোয় অপরাধ বাড়ছে। 

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

ডিভোর্স দেয়ায় স্ত্রীকে কুপিয়ে খুন, আত্মহত্যার চেষ্টা স্বামীর

অনলাইন ডেস্ক

ডিভোর্স দেয়ায় স্ত্রীকে কুপিয়ে খুন, আত্মহত্যার চেষ্টা স্বামীর

গত দুই বছর আগে যূথী সূত্রধরের (২০) সাথে অভি ধরের (২৮) প্রেমের সর্ম্পক গড়ে উঠে। যুথী ও অভি পরিবারের অমতে বিয়ে করেন। বিয়ের পর তারা দুইজন ভাড়া বাসায় থাকতেন। তাদের বিয়ে দুই পরিবারই মেনে নেয়নি। কিন্তু এরই মধ্যে স্ত্রী  যূথী স্বামী অভিকে ডিভোর্স দেয়। সেই ডিভোর্স দেয়ার পরেই স্ত্রীকে কুপিয়ে খুন করে সে। এরপর অভিক নিজের পেটে নিজেই ছুরি মেরে আত্মহত্যার চেষ্টা করে।  বর্তমানে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বুধবার (২৭ অক্টোবর)রাত ৮টার সময় এই ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, যুথী ও অভি পরিবারের অমতে বিয়ে করেন। বিয়ের পর তারা দুইজন চট্টগ্রাম নগরীর হাজারী গলিতে ভাড়া বাসায় থাকতেন। তাদের বিয়ে দুই পরিবারই মেনে নেয়নি। বিয়ের পর বেশ কিছু দিন তাদের সংসার ভালই চলছিল। গত কিছু দিন যাবত তাদের মধ্যে বনিবনা হচ্ছে না। যুথী রাগ করে বাবার বাড়ি চলে আসে। সে বাবার বাড়ি আসার পর পরিবার তাকে গ্রহণ করে। এরইমধ্যে ছেলে অভিকেও তাদের পরিবার গ্রহণ করে।

আরও পড়ুন:

চাপের মুখে বাংলাদেশ

ইংল্যান্ড ম্যাচের আগে টাইগার শিবিরে বড় দুটি দুঃসংবাদ

শাহরুখের সাথে জুটি থেকে সরে দাঁড়ালেন নায়িকা


উভয় পরিবার আলাপ আলোচনার মাধ্যমে তাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা হওয়ার কথা ছিল। এরমধ্যে ছেলের পরিবার মেয়ের পরিবারের কাছ থেকে যৌতুক দাবি করে।মেয়ের পরিবার যৌতুক দেবে না বলে জানিয়ে দেয়। তখন যুথী আদালতে গিয়ে ছেলেকে ডিভোর্স লেটার পাঠায়। ডিভোর্স লেটার পেয়ে অভি রাগ করে আজ সন্ধ্যায় শশুর বাড়িতে এসে স্ত্রী যুথীকে ধারালো ছুরি দিয়ে কুপিয়ে খুন করে।

সীতাকুণ্ড থানার ওসি তদন্ত সুমন বনিক ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, স্ত্রীকে খুন করে স্বামী নিজেও আত্মহত্যা চেষ্টা করে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

গেম খেলার প্রলোভনে শিশুদের ধর্ষণ করত এই স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা

অনলাইন ডেস্ক

গেম খেলার প্রলোভনে শিশুদের ধর্ষণ করত এই স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা

যশোরের অভয়নগরে মুঠোফোনে পাবজি গেম খেলার প্রলোভন দেখিয়ে ছয় ছেলেশিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে স্বেচ্ছাসেবক লীগের এক নেতার বিরুদ্ধে।

নিজাম আকুঞ্জী (৩০) নামে ওই নেতাকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আজ বুধবার দুপুরে তাঁকে আদালতে তোলা হলে আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

গতকাল মঙ্গলবার রাতে মামলার পর উপজেলার বুইকরা গ্রাম থেকে পুলিশ ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে।

তিনি উপজেলার নওয়াপাড়া পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক।

নওয়াপাড়া পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক মেহেদী ইসলাম রাজন আজ বলেন, বিষয়টি জানার পর নিজাম আকুঞ্জীকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:


এসএসসি পরীক্ষা কবে থেকে তা জানা গেল

মাঝনদীতে ফেরিতে পানি ঢোকে, দ্রুত চালিয়ে তীরে যায় চালক

পাগলীর জন্ম নেওয়া সন্তানের পিতা এমপি বদি 


নওয়াপাড়া পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘নিজাম আকুঞ্জী আমার কমিটির সাধারণ সম্পাদক। তাঁর বিরুদ্ধে শিশুদের ধর্ষণের অভিযোগের বিষয়টি শুনেছি। আমাকে অনেকে ফোন করে জানিয়েছেন।’

ধর্ষণের শিকার এক শিশুর (১১) চাচা জানান, মঙ্গলবার দুপুরে তাঁর ভাইয়ের ছেলে বাড়ির পাশের মসজিদ থেকে নামাজ পড়ে ফিরছিল। এ সময় নিজাম আকুঞ্জী তাকে মুঠোফোনে পাবজি গেম খেলার কথা বলে ঘরের মধ্যে নিয়ে ধর্ষণ করেন। পরে তাঁর ভাতিজাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে তিনি বাড়ি পাঠিয়ে দেন। বাড়ি ফিরে সে তার মা–বাবাকে বিষয়টি জানায়।

সঙ্গে জানায়, বিভিন্ন সময় একই কথা বলে আরও পাঁচ শিশুর সঙ্গেও ‘একই কাজ’ করেছেন নিজাম। ওই পাঁচজনের নামও জানায় তাঁর ভাতিজা। ওই পাঁচ শিশুর সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারাও বিষয়টি স্বীকার করে।

পরে ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকাবাসী নিজামকে ধরে পুলিশে খবর দেন।

মঙ্গলবার রাতে অভয়নগর থানা-পুলিশ এসে নিজামকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায় বলে জানিয়েছেন অভয়নগর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিলন কুমার মণ্ডল।

তিনি বলেন, ছয় শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হয়েছে। এক শিশুর অভিভাবক বাদী হয়ে মামলাটি করেছেন। বাকি পাঁচ শিশুর নামও এজাহারে রয়েছে। অভিযুক্ত নিজাম আকুঞ্জীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ বুধবার আদালতের মাধ্যমে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

‘আজ যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভিকটিম ছয় শিশুর মেডিকেল চেকআপ করা হয়েছে। এ ছাড়া ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে ২২ ধারায় তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছে’ বলে জানান পুলিশের ওই কর্মকর্তা।

news24bd.tv/তৌহিদ

পরবর্তী খবর

নোয়াখালীতে হামলার ঘটনায় জেলা যুবদল সভাপতি গ্রেফতার

অনলাইন ডেস্ক

নোয়াখালীতে হামলার ঘটনায় জেলা যুবদল সভাপতি গ্রেফতার

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার চৌমুহনীতে হিন্দু সম্প্রদায়ের মণ্ডপ, মন্দির ও বাড়িঘরে হামলার ঘটনায় জেলা যুবদলের সভাপতি মঞ্জুরুল আজিম সুমনসহ আরো পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার আসামির রিমান্ডে দেওয়া তথ্যের সূত্র এবং ভিডিও ফুটেজ দেখে তাদের গ্রেফতার করা হয় বলে পুলিশ জানায়।  

পুলিশ জানায়, সোমবার আদালতে স্বেচ্ছাসেবক দলের সহসভাপতি ফয়সল ইনাম কমলের দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দীতে সুমনের নাম উঠে আসে। সে প্রেক্ষিতে সুমনের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে মঙ্গলবার ভোরে রাঙ্গামাটি থেকে তাকে গ্রেফতার করে গোয়েন্দা পুলিশ। মঞ্জুরুল আজিম সুমন (৪৯) গনিপুর গ্রামের মৃত হাজী আবদুল হকের ছেলে।

আরও পড়ুন:

চাপের মুখে বাংলাদেশ

ইংল্যান্ড ম্যাচের আগে টাইগার শিবিরে বড় দুটি দুঃসংবাদ

শাহরুখের সাথে জুটি থেকে সরে দাঁড়ালেন নায়িকা


 

বুধবার সন্ধ্যায় নোয়াখালী জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে সাংবাদিক সম্মেলনে পুলিশ সুপার মো. শহীদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

১০ বছরের ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে মাদরাসা শিক্ষক গ্রেফতার

অনলাইন ডেস্ক

১০ বছরের ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে মাদরাসা শিক্ষক গ্রেফতার

১০ বছরের মাদরাসা ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে মাদরাসার শিক্ষক আলী আকবরের (২৩) বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় তাকে গ্রেফতার করে বুধবার (২৭ অক্টোবর) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।  

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার সদর ইউনিয়নের পূর্ব শ্যামপুর গ্রামের জামিয়া ইসলামিয়া মাদরাসার শিক্ষক আলী আকবর। গ্রেফতার আলী আকবর সদরপুরের কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ শৌলডুবী গ্রামের হোসেন ঢালীর ছেলে।

সদরপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুব্রত গোলদার জানান, সোমবার (২৫ অক্টোবর) জামিয়া ইসলামিয়া মাদরাসার ১০ বছরের এক ছাত্র প্রতিদিনের ন্যায় মাদরাসার ছাত্রাবাসে ঘুমিয়ে পড়ে।  গভীর রাতে ঘুমন্ত অবস্থায় মাদরাসার শিক্ষক আলী আকবর তাকে বলাৎকার করেন। শিশুটি ব্যথায় কান্নাকাটি করলে খবর পেয়ে পরদিন মঙ্গলবার তার মা সেখানে যান। মায়ের কাছে বিষয়টি প্রকাশ করে শিশুটি। 

আরও পড়ুন:

চাপের মুখে বাংলাদেশ

ইংল্যান্ড ম্যাচের আগে টাইগার শিবিরে বড় দুটি দুঃসংবাদ

শাহরুখের সাথে জুটি থেকে সরে দাঁড়ালেন নায়িকা


 

ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হলে স্থানীয়রা ওই শিক্ষককে আটক করে পুলিশে খবর দেয়। পরে এ ব্যাপারে সদরপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে শিশুটির মা বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন। 

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর