সৌদিতে চালাবে নারী, চড়বেও নারী

আনোয়ার সাদী

সৌদিতে চালাবে নারী, চড়বেও নারী

একজন নারী উবারে গাড়ী চালাচ্ছেন এই দৃশ্য সৌদি আরবে এখন আর নতুন কিছু নয়। গত একবছরে দেশটিতে নারী উবার চালকের সংখ্যা শতকরা ৫০ ভাগ বেড়েছে। আরব নিউজ এই খবর দিয়েছে। 

নারীদের অংশগ্রহন বাড়াতে একটি নীতি সেখানে বেশ ভালোভাবে কাজ করছে। নীতিটি হলো, চালাবে নারী, চড়বেও নারী। অর্থাৎ নারীচালক উবারে গাড়ী চালাবেন আর সেই গাড়ীর যাত্রীও হবেন নারী। এতেই নারীদের আরামে গন্তব্যে যেতে উবারের চাহিদা বেড়েছে। 

সৌদি আরব যে সব পরিবর্তনের ভেতর দিয়ে যাচ্ছে, এই ঘটনাকে তারই একটি উদাহরণ হিসাবে চিহ্নিত করেছেন বিশ্লেষকরা। অনেকে অবশ্য একে নারীর ক্ষমতায়নের চিহ্ন হিসেবেই দেখছেন। 

আমাদের দেশে এমন কোনো নীতি নেই। দুয়েকজন নারী বাইক চালক বেশ কিছু দিন আলোচনায় ছিলেন। কোনো কোনো পরিবারের নারী সদস্য নিজের গাড়ী নিজেই চালান। তাদেরকে স্মার্ট লাগে বলে রাস্তায় অনেকে ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে থাকে বলে অভিযোগ রয়েছে।

যাহোক, বাংলাদেশে কাজ করে এমন আন্তর্জাতিক সংস্থা ও কিছু বেসরকারি সংস্থায় নারীরা গাড়ী চালক হিসেবে কাজ করেন বলে জানি, তবে উবারে কাউকে চালাতে দেখিনি। যদি এদেশেও গাড়ীর এমন একটা সার্ভিস চালু করা যায়, যেখানে নারীরা চালক হবেন, যাত্রীও নারী হবেন, তবে তা মন্দ হবে না। 

আরও পড়ুন:


ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আইপিএল নিয়ে জুয়া, ৩ জনের সাজা

চট্টগ্রাম আদালত এলাকায় বোমা হামলা মামলার রায় আজ

টুইটার অ্যাকাউন্ট ফিরে পেতে আদালতে ট্রাম্প

যুবলীগ নেতার সঙ্গে ভিডিও ফাঁস! মামলা তুলে নিতে নারীকে হুমকি


 

এদেশে নারীদের জন্য আলাদা বাস সার্ভিসের চাহিদা অনেক আগে থেকেই তৈরি হয়ে আছে। বাসের চালকদের সহকারীর আচরণ এই চাহিদা তৈরি করতে বিশেষ ভূমিকা রেখেছে। আপনারা তা জানেন, এই নিয়ে বিস্তারিত কিছু বলতে চাই না। 

যাহোক, লং স্টোরি শর্ট করি, সড়ক নারীর জন্যে নিরাপদ হলে অর্থনীতির চাকা ঘুরে বেশ জোরে।

লেখাটি আনোয়ার সাদী-এর ফেসবুক থেকে সংগৃহীত (সোশ্যাল মিডিয়া বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

আনোয়ার সাদী, সিনিয়র নিউজ এডিটর, নিউজটোয়েন্টিফোর।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

মধুটা নিজে সংগ্রহ করে খেতে গেলেই বুঝা যায়, স্বাদ নেয়া কতটা কষ্টকর!

রউফুল আলম

মধুটা নিজে সংগ্রহ করে খেতে গেলেই বুঝা যায়, স্বাদ নেয়া কতটা কষ্টকর!

রউফুল আলম

মাস্টার্সে যখন উঠি তখন একটা কম্পিউটার খুবই প্রয়োজনীয় হয়ে পড়ে। কিন্তু আব্বার সামর্থ‍্য নেই আমাকে একটা কম্পিউটার কিনে দেয়। তখন একটা ডেস্কটপের দাম গড়ে চল্লিশ হাজার টাকা। আব্বাকে বললাম, আপনার যতটুকু সম্ভব ততটুকুই দেন। টিউশনি করে আমার হাতে বেশ কিছু টাকা ছিলো। বন্ধুর কাছ থেকে ধার করলাম কিছু। সব মিলিয়ে একটা ডেস্কটপ কিনলাম। 

ইউনিভার্সিটি জীবনে কখনো একটা মোবাইল ফোনের টাকা বাসা থেকে নেইনি। কখনোই না। সাদা-মাটা ফোন ব‍্যবহার করেছি। আমি যখন সুইডেনে আসি, মাত্র দুই হাজার টাকা দামের একটা নোকিয়া ফোন নিয়ে এসেছিলাম। সাথে একটা ল‍্যাপটপও ছিলো না। স্টকহোম ইউনিভার্সিটিতে ক্লাস শুরু করে (২০০৯) দেখি সবার হাতে ল‍্যাপটপ। আমার কোন ল‍্যাপটপ নেই। আমি ইউনিভার্সিটির ল‍্যাবের কম্পিউটার ব‍্যবহার করতাম। মাস তিন পর একটা পুরোনো (সেকেন্ড হ‍্যান্ড) ল‍্যাপটপ কিনি। কিন্তু কখনো বাসায় টাকার জন‍্য চাপ দিই নি। এটা সত‍্যি যে মাঝে মাঝে মন খারাপ হতো, কিন্তু বাসায় কোনকিছুর জন‍্য চাপ দেয়ার স্বভাব আমার কখনোই ছিলো না। হয়তো শৈশব-কৈশোর থেকেই বুঝতে শিখেছিলাম—পরিবার কতটুকু পারবে, কতটুকু পারবে না।

একটা সময়ে এসে এসব কিনতে আর ভাবতে হতো না। গতো সাত বছর ধরে শুধু অ্যাপলের প্রোডাক্ট ব্যবহার করি—আইফোন, আইপ‍্যাড, ম‍্যাক, এপল ওয়াচ এভ্রিথিং। —আলহামদুলিল্লাহ! আমি সামর্থ‍্য বিষয়টার জন‍্য অপেক্ষা করতে শিখেছিলাম। সামর্থ‍্য বিষয়টার জন‍্য অপেক্ষা করলে সেটা উপভোগের তৃপ্তি অনেক ও আনন্দের। (আমাকে ক্ষমা করবেন, কথাগুলো প্রসঙ্গত বলা।)

আমি লক্ষ‍্য করেছি, দেশের বহু ছেলে-মেয়ে পরিবারের সামর্থ‍্য বিষয়টা বুঝে না। অনেকে পরিবারকে চাপ দিয়ে দামি দামি ফোন কিনে। একবার ভাবেও না, কোথা থেকে আসে সে টাকা। চিন্তা করে না, কিভাবে বাবা-মা টাকাটা ব‍্যবস্থা করবে।
অনেক ছেলে-মেয়ে একটা ফোন না পেলে পরিবারের সাথে খারাপ আচরণ করে। কিন্তু সেসব ছেলে-মেয়েকে যদি একদিন নিজের টাকায় চলতে বলা হয়, তারা পারবে না।

আরও পড়ুন:

ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশের বাধা

আজ আঘাত হানতে পারে ঘূর্ণিঝড় 'জাওয়াদ'

 
সামর্থ‍্য বিষয়টাকে বুঝতে পারা একটা জ্ঞান। সেটা বুঝতে না পারলে জীবনে বিপদ আসে। সামর্থ‍্য বৃদ্ধির জন‍্য কাজ করতে হয়। শ্রম দিতে হয়। নিজের সৎ উপার্জনে উপভোগ করার চেষ্টা হলো পবিত্রতম ও আনন্দের। যেদিন নিজে উপার্জন করতে পারবে, সেদিনই বুঝবে পরিবার দিনের পর দিন কতো ত‍্যাগ স্বীকার করেছে। তার আগে বুঝতে পারবে না। 
মৌমাছির চাক ভেঙ্গে মধুটা নিজে সংগ্রহ করে খেতে গেলেই বুঝা যায়, মধুর স্বাদ নেয়া কতোটা কষ্টকর!

(সোশ্যাল মিডিয়া বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

  news24bd.tv/এমি-জান্নাত  

পরবর্তী খবর

দুর্ভাগা আমি নাকি দুর্ভাগা তারা, যারা আমাকে জানলো না?

অনলাইন ডেস্ক

দুর্ভাগা আমি নাকি দুর্ভাগা তারা, যারা আমাকে জানলো না?

তসলিমা নাসরিন

সাত খণ্ডে আত্মজীবনী লিখেছি। কিন্তু তারপরও গুগলে ইউটিউবে আমার সংক্ষিপ্ত জীবনী প্রচার করে অচেনা লোকেরা, যেসব 'জীবনী'র সঙ্গে আমার জীবনের আদৌ কোনও সম্পর্ক নেই। অজ্ঞতা, অসত্য, অশিক্ষা, অপপ্রচার, অন্ধত্ব, অবিবেচনা, অমানবিকতাকে সম্বল করেই সেগুলো প্রচার করা হয়। আজ দেখলাম এক পাল লোক লিখেছে কেন আমি বাংলাদেশ ছেড়েছি। 

আমার কিছুই না জেনে একেকজন বিজ্ঞের মতো বিশেষজ্ঞর মতো বিষোদ্গার করেছে। মাঝে মাঝে ভাবি পৃথিবীর কারও বিরুদ্ধে বোধহয় এত নানান কিসিমের লোক ঝাঁপিয়ে পড়ে না। ধর্ম নিয়ে কেন লিখেছি, ধার্মিকেরা বিরুদ্ধে। পুরুষতন্ত্র নিয়ে কেন লিখেছি, পুরুষতান্ত্রিকরা বিরুদ্ধে। সাহিত্যিককে নিয়ে কেন লিখেছি, সাহিত্যিকরা বিরুদ্ধে। ডানপন্থা নিয়ে কেন লিখেছি, ডানপন্থীরা বিরুদ্ধে। বামপন্থা নিয়ে কেন লিখেছি, বামপন্থীরা বিরুদ্ধে। সরকারকে নিয়ে কেন লিখেছি, সরকার বিরুদ্ধে। 

আরও পড়ুন:


কুয়েটে শিক্ষকের মৃত্যু: ছাত্রলীগ নেতাসহ ৯ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

ইউপি নির্বাচনের পঞ্চম ধাপে নৌকা পেলেন যারা


ব্যক্তিগত ভাবে মানুষ আমি কী রকম? অতি সহজ  অতি সরল অতি নিরীহ অতি বন্ধু বৎসল। পিঠে লোকে ছুরি বসাচ্ছে তো বসাচ্ছেই, যারা ছুরি বসায়, আবার তারা চোট পেলে তাদের  জন্যই আহা আহা করে ছুটে যাই।  নিজের আদর্শ আর সততাকে সমুন্নত রাখতে নিজের সমূহ ক্ষতি করতে দ্বিধা করি না। আমার এই চরিত্র সম্পর্কে কোথাও কাউকে কিন্তু এক বর্ণ কিছু উচ্চারণ করতে দেখি না। 

দুর্ভাগা আমি নাকি দুর্ভাগা তারা, যারা আমাকে জানলো না? মাঝে মাঝে মনে হয় দুর্ভাগা আমিই। মানুষ হিসেবে এত সৎ, এত নিষ্ঠা, এত উদার, এত ত্যাগী, আমি না হলেও হয়তো পারতাম। যাদের চারদিকে সুখ্যাতি, তাদের হিসেবী জীবন দেখলে চমকে উঠি। হিসেবটা আবার আমার একেবারেই অভ্যেসে নেই।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

ফেসবুকে ঝুড়িভর্তি হলুদের ছবি পোস্ট করলেন জয়া

অনলাইন ডেস্ক

ফেসবুকে ঝুড়িভর্তি হলুদের ছবি পোস্ট করলেন জয়া

জয়া আহসান

বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান। হালের জনপ্রিয় এই নায়িকার গুণের যেন শেষ নেই। এইতো কিছুদিন হলো পশুপাখির প্রতি ভালোবাসার জন্য পুরস্কার পান তিনি।

দ্য পিপল ফর অ্যানিমেল ওয়েলফেয়ার (পাও) থেকে প্রাণীপ্রেমী হিসেবে স্বীকৃতি পান জয়া। ঢাকাই চলচ্চিত্রের দাপুটে এ অভিনেত্রীর বাগান করা যে একটা শখ এটা অনেকেই জানেন। 

নিজের বারান্দা ও ছাদবাগানে প্রায় শতাধিক গাছ রয়েছে জয়ার। প্রায়ই নিজের বাগানের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করেন তিনি। 

শনিবার (৪ ডিসেম্বর) নিজের ভেরিফাইড ফেসবুকে ঝুড়িভর্তি হলুদের ছবি পোস্ট করেছেন তিনি। ছবির ক্যাপশনে লিখেছেন সদ্য তোলা সোনালী রঙা হলুদের মনমোহিনী ঘ্রান…।

আরও পড়ুন:


কুয়েটে শিক্ষকের মৃত্যু: ছাত্রলীগ নেতাসহ ৯ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

ইউপি নির্বাচনের পঞ্চম ধাপে নৌকা পেলেন যারা


জিআই ব্যাগের ভেতরে মাটি ফেলে ইস্কাটনে বাসার ছাদে বাগান করেছেন জয়া। এর আগে নিজের বাগানের জলপাই, টমেটো, লেবু,ধনে পাতা, শিম, বেদানা,পেয়ারাসহ অনেক ফল ও শাকসবজির ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করেছেন জয়া। সেই সাথে রঙ বেরঙের সব ফুলের গাছও রয়েছে জয়ার বাগানে।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

ওমিক্রোন সংক্রমণ: দুইটি তথ্যকে গুরুত্ব দিচ্ছেন কানাডার বিশেষজ্ঞরা

শওগাত আলী সাগর

ওমিক্রোন সংক্রমণ: দুইটি তথ্যকে গুরুত্ব দিচ্ছেন কানাডার বিশেষজ্ঞরা

শওগাত আলী সাগর

কোভিডের নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রোন-এর সংক্রমণ ঠেকানোর পরিকল্পনা গ্রহণের ক্ষেত্রে দুটো তথ্যকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন কানাডার বিশেষজ্ঞরা। একটি হচ্ছে- ভ্যাকসিন নেয়া নাগরিকদের মধ্যে সংক্রমণের হার এবং নতুন ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্তদের কী পরিমাণ হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে তার হিসাব। 

তাঁরা মনে করছেন, এই দুটি তথ্যকে একত্রিত করা গেলে নতুন ভ্যারিয়েন্টের ব্যাপারে পদক্ষেপ নেয়া তাদের জন্য সহজ হয়ে যাবে। সাউথ আফ্রিকার চিকিৎসকদের কাছ থেকে পাওয়া প্রাথমিক তথ্যউপাত্ত  পর্যালোচনা  করে  কানাডা খানিকটা স্বস্তিতে আছে বলে ধারনা দিচ্ছেন চিকিৎসা  বিশেষজ্ঞরা।

সাউথ আফ্রিকা থেকে পাওয়া তথ্যের উদ্ধৃতি দিয়ে কানাডীয়ান  চিকিৎসা বিশেষজ্ঞ, অন্টারিও কোভিড-১৯ সায়েন্স এডভাইজরি টেবল এর  প্রধান  ড. পিটার জুনি বলেছেন, সাউথ আফ্রিকায় যদিও নতুন ভ্যারিয়েন্টের দ্রুত বিস্তার ঘটছে কিন্তু হাসপাতালে ভর্তি হওয়াদের ৮৫ শতাংশই হচ্ছে ভ্যাকসিন না নেয়া। 

এই তথ্যটাকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন কানাডীয়ান চিকিৎসকরা। সাইথ আফ্রিকায় সামগ্রিকভাবে কোভিডের ভ্যাকসিন গ্রহণের পরিমান খুবই কম।  নতুন ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তির তথ্যের সাথে ভ্যাকিসন নেয়ার পরিসংখ্যানের একটা সামঞ্জস্য আছে। এই তথ্যের ভিত্তিতে কানাডীয়ান চিকিৎসকরা মনে করছেন, ভ্যাকসিন এখন পর্যন্ত কোভিডের সবকটি ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধেই প্রতিরোধ তৈরিতে সক্ষমতা দেখাচ্ছে। তারা ভ্যাকসিনের গতি বাড়ানোর উপর গুরুত্ব দিচ্ছেন। 

আরও পড়ুন:


ইউপি নির্বাচনের পঞ্চম ধাপে নৌকা পেলেন যারা


তবে নতুন ভ্যারিয়েন্ট যে দ্রুততায় সংক্রমণ ছড়াচ্ছে- সেটা নিয়ে চিকিৎসকদের মধ্যে উদ্বেগ আছে।  তবে  নতুন ভ্যারিয়েন্টে সংক্রমিতদের হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যাটা এখন পর্যন্ত খুবই কম হওয়ার তথ্যটাকে বিবেচনায় নিয়েই তারা পরিকল্পনা প্রণয়নে আগ্রহী হচ্ছেন।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

হীরের টুকরো এমন শিক্ষককেও হুমকি দেবে বহু নোংরা-নষ্ট ছাত্র!

রউফুল আলম

হীরের টুকরো এমন শিক্ষককেও হুমকি দেবে বহু নোংরা-নষ্ট ছাত্র!

রউফুল আলম

আমেরিকার বিখ‍্যাত ম‍্যাগাজিন ফোর্বস প্রতিবছর একটা তালিকা বের করে - Forbes 30 under 30! বিভিন্ন শাখায় ত্রিশের কম বয়সী ত্রিশজন প্রতিভাবানদের তালিকা। যাদের কাজ ভবিষ‍্যতকে বদলে দিবে, ভবিষ‍্যতকে নতুন দিক দিবে এমন ত্রিশজনের তালিকা।

সম্প্রতি প্রকাশিত তালিকার বিজ্ঞান শাখায় নাম করে নিয়েছে বাংলাদেশি একটা মেয়ে। তার নাম বাশিমা ইসলাম। নিঃসন্দেহে এটা গর্বের। অনুপ্রেরণার। অভিনন্দন!

বাশিমা ইসলাম বুয়েট থেকে পাশ করে ইউনিভার্সিটি অব নর্থ ক‍্যারোলাইনা—চ‍্যাপলহিল থেকে পিএইচডি করেন এবং পোস্টডক্টরাল রিসার্চ করছেন ইউনিভার্সিটি অব ইলিনয়ি—আরবানা স‍্যাম্পেইনে (UIUC)। সে যথারীতি Worcester Polytechnic Institute-এ এসিসট‍্যান্ট প্রফেরশিপ পেয়েছেন এবং আগামী বছর থেকে সেখানে কাজ শুরু করবেন।

বাশিমা ইসলাম

                               বুয়েটের সাবেক শিক্ষার্থী বাশিমা ইসলাম

এই যে ত্রিশের আগেই পিএইচডি-পোস্টডক শেষ করে ইউনিভার্সিটিতে কাজ শুরু করা—এটাই হলো বিশ্বমানের বিশ্ববিদ‍্যালয়গুলোর সংস্কৃতি। সারা দুনিয়ার ভালো ভালো ইউনিভার্সিটিগুলোতে এভাবেই শিক্ষক নিয়োগ হয়। কিন্তু এই বাশিমা ইসলাম যদি এখন বুয়েটে শিক্ষক হতে যায়, দেখা যাবে বহু লোককে ধরতে হবে। পিএইচডি-পোস্টডক থাকলেও তাকে সরাসরি এসিস্ট‍্যান্ট প্রফেসরশিপ দেয়া হবে কিনা, সেটাও প্রশ্নবিদ্ধ!

পিএইচডি-পোস্টডক করেও তার বেতন-ভাতা হয়তো হবে একজন সরকারী অফিসারের চেয়ে কম। একজন সরকারী অফিসার গাড়ি পাবে, ড্রাইভার পাবে, কাজের লোক পাবে কিন্তু বাশিমা ইসলাম কোনদিন প্রফেসর হওয়ার পরও হয়তো একটা গাড়ি কিনতে পারবে না। তিনি বুয়েটের শিক্ষক হয়েও কোনদিন অন‍্যায়কে অন‍্যায় বলতে পারবেন না। তাকে কথা বলতে হবে মেপে মেপে। দল-উপদল হিসেব করে। আর এমন হীরেরটুকরো শিক্ষকের সামনে গিয়েও হুমকি দিতে সামান‍্যতম দ্বিধা করবে না রাজনীতির আশ্রয়-প্রশ্রয়ের বেড়ে উঠা বহু নোংরা-নষ্ট ছাত্র!

তাহলে মেধাবীরা কেন বিশ্ববিদ‍্যালয়ের শিক্ষক হবে? মেধাবীরা কেন দেশে ফিরবে? আর এভাবে যদি চলতেই থাকে, তাহলে বিশ্বমানের তরুণ গড়বে কে? কাদের হাত দিয়ে এই বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠিকে তৈরি করা হবে? —আমরা কি ভাবি কখনো? 

আরও পড়ুন


কুয়েটে শিক্ষকের মৃত্যু: নতুন তদন্ত কমিটি গঠন

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর