রুখে দিল প্যারাগুয়ে, ফের পয়েন্ট হারাল মেসিরা

অনলাইন ডেস্ক

রুখে দিল প্যারাগুয়ে, ফের পয়েন্ট হারাল মেসিরা

বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ম্যাচে আবারও হোঁচট খেল আর্জেন্টিনা। শুক্রবার ভোরে প্যারাগুয়ের মুখোমুখি হয়ে জয়ের মুখ দেখলো না আলবিসেলেস্তেরা। অবশ্য হেরে যায়নি লিওনেল স্ক্যালোনির দল। তবে প্যারাগুয়ের জমাট রক্ষণ ভাঙতে পারেনি। গোলশূন্য ড্রয়ে পয়েন্ট ভাগাভাগি করেছে মেসিরা।

এতে করে বিশ্বকাপ বাছাইয়ে চতুর্থবারের মতো পয়েন্ট হারিয়েছে আর্জেন্টিনা। যদিও ম্যাচের ৭০ শতাংশ বলের দখল ছিল আর্জেন্টিনার কাছে। অন টার্গেটে ১৪টি শটও নিয়েছিল আর্জেন্টিনা। তার মধ্যে ৮টি ছিল গোলমুখে। অন্যদিকে প্যারাগুয়ে অন টার্গেটে শট নিয়েছিল ১০টি। তার মধ্যে ৩টি ছিল গোল মুখে।

খেলার শুরুতেই দুটি দারুণ সুযোগ পেয়েছিল আর্জেন্টিনা। কিন্তু তা তারা কাজে লাগাতে পারেনি। বরং পাল্টা আক্রমণে তাদের রক্ষণে হানা দেয় প্যারাগুয়ে। চতুর্থ মিনিটে দূর থেকে সান্তিয়াগো আর্সামেন্দিয়ার শট ঝাঁপিয়ে কর্নারের বিনিময়ে ঠেকান আর্জেন্টিনা গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেস।

দশম মিনিটে মেসির ডিফেন্স-চেরা পাস ডি-বক্সে ঢুকলে তা থেকে করা হোয়াকিন কোররেয়ার কোনাকুনি শট ঝাঁপিয়ে ফেরান স্বাগতিক গোলরক্ষক আন্তোনি সিলভা। কিছুক্ষণ পর ফের মেসির পাস খুঁজে নেয় ডি-বক্সে থাকা কোররেয়াকে। এবার অবশ্য ইন্টার মিলানের এই মিডফিল্ডারের শট গোলরক্ষক ঠিকমতো ফেরাতে পারেননি। ফলে বল পেয়ে যান আনহেল দি মারিয়া। কিন্তু এই পিএসজি তারকার শট প্রতিপক্ষের এক ডিফেন্ডারের পায়ে লেগে বাইরে যায়।

২৬তম মিনিটে মেসির ফ্রি-কিক অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। প্রথমার্ধের বাকি সময়ে আর্জেন্টিনা আর আহামরি কোনো আক্রমণ শানাতে পারেনি। প্যারাগুয়ে এই অর্ধে রক্ষণ সামলাতেই বেশি ব্যস্ত ছিল।

আরও পড়ুন


জুমার দিনে যে সময়টাতে দোয়া কবুল হয়

সূরা বাকারা: আয়াত ১১৩-১১৭, শিক্ষাণীয় বিষয়

দেশের বিভিন্ন জায়গায় ভূমিকম্প অনুভূত

মালদ্বীপের কাছে ২-০ গোলে হারলো বাংলাদেশ


দ্বিতীয়ার্ধে আর্জেন্টিনা আক্রমণের হার বাড়িয়ে দেয়। কিন্তু তাদের কোনো আক্রমণই ফিনিশিংয়ের অভাবে সাফল্যের দেখা পায়নি। বরং মার্তিনেসের সৌজন্যে তারা কয়েবার রক্ষা পায়। ৫৪তম মিনিটে মিগেল আলমিরোনের দুরূহ কোণ থেকে নেওয়া শট ঠেকিয়ে দেন আলবিসেলেস্তেদের গোলরক্ষক।

৫৮তম মিনিটে বাঁদিক থেকে দি মারিয়ার ক্রসে মেসির শট ক্রসবার ঘেঁষে ভেতরে ঢোকার পথে কর্নারের বিনিময়ে ঠোকান গোলরক্ষক। ৬৪তম মিনিটে বেঁচে যায় আর্জেন্টিনাও। কাছ থেকে আন্তোনিও সানাব্রিয়ার শট রুখে দেন মার্তিনেস। সাত মিনিট পর প্যারাগুয়ের এই ফরোয়ার্ডের কোনাকুনি শটে বল পোস্ট ঘেঁষে বেরিয়ে যায়।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

লাটভিয়ার জালে ইংল্যান্ডের ২০ গোলের রেকর্ড

অনলাইন ডেস্ক

লাটভিয়ার জালে ইংল্যান্ডের ২০ গোলের রেকর্ড

লাটভিয়া বনাম ইংল্যান্ড দলের একটি দৃশ্য

লাটভিয়ার জালে বিশটি গোল দিয়েছে ইংল্যান্ড জাতীয় নারী দল। এর মধ্যে প্রথম হাফে আটটি, পরের হাফে ১২টি গোল দিয়েছে তারা। ম্যাচে হ্যাট্ট্রিক করেছেন ইংল্যান্ড দলের চারজন।

বুধবার মেয়েদের বিশ্বকাপ বাছাইয়ের ম্যাচে মঙ্গলবার নিজেদের মাঠে ২০-০ গোলে জিতেছে ইংল্যান্ড। 

একাই চার গোল করেন ম্যানচেস্টার সিটির ফরোয়ার্ড লরেন হেম্প। এছাড়া এলেন হোয়াইট, বেথ মিড ও অ্যালেসিয়া রুসো করেন তিনটি করে গোল। আর ম্যাচে একাই ৬টি অ্যাসিস্ট করেন জর্জিয়া স্ট্যানওয়ে।

এই ম্যাচে প্রতিযোগিতামূলক ফুটবলে রেকর্ড গড়েছে ইংলিশ নারীরা। দলটির আগের সবচেয়ে বড় জয় ছিল ১৩-০ গোলে। ২০০৫ সালে অনুষ্ঠিত ওই ম্যাচে ইংল্যান্ডের প্রতিপক্ষ ছিল হাঙ্গেরি।

আরও পড়ুন:

কারাগারে হামলা চালিয়ে বন্দী ছিনিয়ে নিল সন্ত্রাসীরা


news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

২০ গোলের জয়

অনলাইন ডেস্ক

২০ গোলের জয়

নারী বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হয়েছিল লাটভিয়া।এক ম্যাচেই ২০ গোল করল ইংল্যান্ড নারী দল। বুধবার (১ ডিসেম্বর) লাটভিয়াকে একে একে কুড়ি গোল দিয়েছে তারা।

ম্যাচে ইংল্যান্ডের জার্সিতে চার জন হ্যাটট্রিক করেছেন। বেথ মিড, এলেন হোয়াইট ও অ্যালেসিয়া রুসো তিনটি করে গোল করেন। লরেন মে হেম্প করেন চার গোল। 

গোলের পাশাপাশি ম্যাচের অন্য পরিসংখ্যান দেখলেও যে কারও চোখ কপালে উঠতে বাধ্য। ইংল্যান্ড লাটভিয়ার জালে শটই নিয়েছে ৬৪টি, যেখানে অন টার্গেট শট ছিল ৩১টি। বিপরীতে লাটভিয়া লক্ষ্যে তো দূরের কথা, কোনো শটই নিতে পারেনি ইংল্যান্ডের জাল অভিমুখে। লাটভিয়ানদের বলে নিয়ন্ত্রণ ছিল ১৪ শতাংশ।

নিজেদের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জয়টাই পেল ইংলিশ মেয়েরা। বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে ডি গ্রুপে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে অবস্থান করছে ইংল্যান্ড।

উল্লেখ্য, বর্তমানে ইংল্যান্ড নারী দলের ফিফা র‍্যাংকিং ৮। লাটভিয়া রয়েছে তালিকার ১০২-এ। 

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

মেসিকে ব্যালন ডি’অর দেওয়াকে ‘অন্যায়’ বলছে তারা

অনলাইন ডেস্ক

মেসিকে ব্যালন ডি’অর দেওয়াকে ‘অন্যায়’ বলছে তারা

ফুটবল যাদুকর আর্জেন্টাইন সুপারস্টার লিওনেল মেসি সপ্তমবারের মতো ব্যালন ডি’অর জিতলেন। নিজেকে ফের অন্যন্য উচ্চতায় নিয়ে গেলেন মেসি। কিন্তু তার ব্যালন ডি’অর ‍পুরস্কার দেওয়াটা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না জার্মানরা। লেভানডফস্কি না পেয়ে পুরস্কারটা মেসি পাওয়াতে ক্ষোভে ফুঁসছেন তারা। 

জার্মানির সংবাদমাধ্যম, সাবেক ও বর্তমান খেলোয়াড় সবাই সমালোচনার ঝড় বইয়ে দিচ্ছেন। জার্মানির পত্রিকা বিল্ড ব্যালন ডি’অর নিয়ে তাদের লেখা খবরটির শিরোনাম দিয়েছে এ রকম— ‘এটা কীভাবে সত্যি হয়! এটা রীতিমতো একটা কেলেঙ্কারি।’

২০২০ সালের ব্যালন ডি’অর জয়ের লড়াইয়ে একচ্ছত্রভাবে এগিয়ে ছিলেন লেভানডফস্কি। ২০১৯-২০ মৌসুমে বায়ার্নকে চ্যাম্পিয়নস লিগ, জার্মান কাপ ও জার্মান সুপার কাপ জেতাতে বড় ভূমিকা রাখেন তিনি। 

কিন্তু গত বছর করোনাভাইরাস মহামারির কারণে পুরস্কারটি দেয়নি ফ্রান্স ফুটবল। গত মৌসুমেও লেভা ছিলেন দুর্দান্ত। বায়ার্নকে বুন্দেসলিগা ও জার্মান সুপার কাপ জিতিয়েছেন তিনি। বুন্দেসলিগা জয়ের পথে গড়েছেন অনন্য এক গোলের রেকর্ড। ৪১ গোল করে ভেঙেছেন বুন্দেসলিগায় এক মৌসুমে সর্বোচ্চ গোলের কিংবদন্তি গার্ড মুলারের ৪৯ বছরের রেকর্ড। এখন পর্যন্ত বায়ার্নের হয়ে ২০ ম্যাচ খেলে করেছেন ২৫ গোল।

অন্যদিকে মেসি গত মৌসুমে ক্লাব ফুটবলে তেমন কিছুই জিততে পারেননি। বার্সেলোনার জার্সিতে ভুলে যাওয়ার মতো একটি মৌসুমই কাটিয়েছেন আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড। এ মৌসুমে পিএসজিতে নাম লেখালেও চোট-টোট মিলিয়ে অনেকটা সময়ই ছিলেন মাঠের বাইরে। তবে এ বছর আর্জেন্টিনার হয়ে কাটিয়েছেন শিরোপা-খরা। প্রথমবারের মতো জাতীয় দলের হয়ে জিতেছেন বড় কোনো শিরোপা। মেসি নিজেও মনে করেন, আর্জেন্টিনার হয়ে ২০২১ কোপা আমেরিকা জয়ই তাকে এনে দিয়েছে ক্যারিয়ারের সপ্তম ব্যালন ডি’অর।

কিন্তু এসব যুক্তি মানতে পারছেন না বিশ্বকাপ জয়ী জার্মানির সাবেক অধিনায়ক লোথার ম্যাথাউস। ব্যালন ডি’অর পুরস্কার ঘোষণার পর ১৯৯০ বিশ্বকাপ জয়ী ম্যাথাউস বলেছেন, লিওনেল মেসি এবং মনোনীত বাকি সব খেলোয়াড়ের প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা রেখেই বলছি, লেভানডফস্কির চেয়ে বড় দাবিদার আর কেউই নয়। 

বর্তমান খেলোয়াড়দের মধ্যে লেভার ব্যালন ডি’অর জিততে না পারা নিয়ে কথা বলেছেন রিয়াল মাদ্রিদের জার্মান মিডফিল্ডার টনি ক্রুস। তিনি বলেন, এমনটা ঘটা উচিত হয়নি। 

আরও পড়ুন:

গণপরিবহনে শিক্ষার্থীদের হাফ ভাড়া কার্যকর

হাফ পাস শুধুমাত্র ঢাকায় কার্যকর হবে বললেন এনায়েত উল্লাহ

কুমিল্লায় কাউন্সিলর হত্যা: ৬ হামলাকারী শনাক্ত


 

রিয়াল মাদ্রিদের সাবেক গোলকিপার ইকার ক্যাসিয়ার বলেন, কোনো সন্দেহ নেই যে- দশকের সেরা ফুটবলার মেসি ও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। তবে এ বছর তাদের দুজনের চেয়ে অন্যরা এগিয়ে আছে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

সপ্তম ব্যালন ডি'অর জিতে যা বললেন মেসি

অনলাইন ডেস্ক

সপ্তম ব্যালন ডি'অর জিতে যা বললেন মেসি

লিওনেল মেসি

তিন বছরের অপেক্ষা শেষে ২০১৯ সালে রেকর্ড ষষ্ঠ ব্যালন ডি’অর জিতেছিলেন লিওনেল মেসি। পুরষ্কার হাতে নিয়ে মেসি ভেবেছিলেন এটাই হয়তো তার শেষ ব্যালন ডি'অর হতে যাচ্ছে। কিন্তু দুই বছর পর আবারও আরেকটি পালক যুক্ত হল কিং মেসির ব্যালন ডি'অরের মুকুটে।

এক বছরের বিরতিতে অবশ্য অন্য কেউ মেসির রাজত্বে ভাগ বসায়নি। করোনাভাইরাস অতিমারিতে  ২০২০ সালের ব্যালন ডি’অর আয়োজনই করা হয়নি।

আর্জেন্টিনাকে ২৮ বছর পর প্রথম বড় ট্রফি জয়ে নেতৃত্ব দেওয়ায় এগিয়ে ছিলেন মেসি। ওই সাফল্যই তাকে এনে দিলো সপ্তম ব্যালন ডি’অর। 

মেসি বলেন, ‘আবারো এখানে থাকতে পারা অসাধারণ। দুই বছর আগে আমি ভেবেছিলাম এটাই শেষবার। কোপা আমেরিকা জয় মূল কারণ। এই কোপা আমেরিকা শিরোপা নিয়ে আমার জন্য বছরটা ছিল বিশেষ। মারাকানা স্টেডিয়ামে এটি জেতা ছিল অনেক কিছু এবং আর্জেন্টিনা থেকে আগত লোকদের সঙ্গে এটি উদযাপন করতে পারায় আমি ছিলাম খুব খুশি।’

মেসি আরো বলেন, ‘আমি জানি না এটা আমার জীবনের সেরা বছর ছিল কি না, আমার ক্যারিয়ার লম্বা। কিন্তু অনেক কঠিন সময় আর সমালোচনার পর আর্জেন্টিনার সঙ্গে শিরোপা জেতা ছিল বিশেষ কিছু।’

আরও পড়ুন:

‘সবাইকে সালাম’ লিখে গৃহবধূর আত্মহত্যা


news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

সপ্তমবারের মতো ডি’অর এর মালিক মেসি

অনলাইন ডেস্ক

সপ্তমবারের মতো ডি’অর এর মালিক মেসি

ব্যালন ডি’অর হাতে মেসি

ফুটবল যাদুকর আর্জেন্টাইন সুপারস্টার লিওনেল মেসি। আরও একবার নিজেকে প্রমাণ করলেন এই বিশ্বতারকা। নিজেকে ফের অন্যন্য উচ্চতায় নিয়ে গেলেন মেসি। সপ্তমবারের মতো ব্যালন ডি’অর জিতলেন তিনি।

মঙ্গলবার (৩০ নভেম্বর) প্যারিসের থিয়েটার ডু চ্যাটেলেটে এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে নিজের রেকর্ড আরও সমৃদ্ধ করে এ পুরষ্কার হাতে তুলে নেন মেসি। খবর দ্যা গোল ডট কমের।

ফ্রান্স ম্যাগাজিনের জরিপে ২০১২ সালে বিশ্বের সেরা খেলোয়াড় হয়েছেন ৩৪ বছর বয়সী এ তারকা। ফ্রান্স ফুটবল ম্যাগাজিনের দেওয়া গত বছরের সেরা খেলোয়াড়ের এ পুরস্কার জয়ের দৌড়ে এগিয়ে ছিলেন পিএসজির আর্জেন্টাইন এ তারকা। রবার্ট লেওয়ানডস্কি এই পুরস্কার জয়ে ছিলেন মেসির নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী। লড়াইটা শুধু এই দুজনের মধ্যেই দেখেছেন বেশির ভাগ বিশ্লেষক।

শেষ পর্যন্ত ভোটাভুটিতে রবার্ট লেওয়ানডস্কিকে হারিয়ে নিজের সর্বোচ্চসংখ্যক ব্যালন ডি’অর জয়ের রেকর্ডকে আরও এক ধাপ উঁচুতে নিয়ে গেলেন মেসি।

২০২১ সালের গ্রহের সেরা খেলোয়াড় হিসাবে স্বীকৃতি পেয়ে, মেসি এখন চির প্রতিদ্বন্দ্বী ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের পাঁচবারের বিজয়ী রিশ্চিয়ানো রোনালদোর থেকে দুই ধাপের ব্যবধানে এগিয়ে রইলেন।

আরও পড়ুন


আটটি বাসে আগুন দিল উত্তেজিত জনতা

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর