পিয়াসা জানালো নুসরাত কিভাবে মুনিয়াকে তার হাতে তুলে দিয়েছিল

নিজস্ব প্রতিবেদক

পিয়াসা জানালো নুসরাত কিভাবে মুনিয়াকে তার হাতে তুলে দিয়েছিল

দুই দিনের রিমান্ড শেষে মুনিয়া হত্যা ও ধর্ষণ মামলার অন্যতম আসামি পিয়াসা মাহবুবকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে, দুই দিনে পিবিআই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। পিবিআই সূত্রে জানা গেছে, জিজ্ঞাসাবাদে পিবিআইকে অনেক চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছে পিয়াসা মাহবুব।

সম্প্রতি, বারিধারায় তার বাড়ি থেকে পিয়াসাকে আটক করা হয়েছিল মাদক এবং অবৈধ অস্ত্র রাখার অভিযোগে। সেই অভিযোগে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা বিচারাধীন আছে। এর মধ্যে মুনিয়ার বোন নুসরাত জাহান তানিয়া একটি হত্যা এবং ধর্ষণের মামলা করেছেন। সেই মামলার একজন আসামি পিয়াসা মাহবুব। কিন্তু পিয়াসা মাহবুব পিবিআইকে বলেছে উল্টা কথা। 

পিয়াসা মাহবুব জানিয়েছে যে, এক সন্ধ্যায় নুসরাত জাহান তাকে টেলিফোন করেন এবং তাঁর সঙ্গে দেখা করতে চান। পিয়াসা মাহবুব তাকে ২ দিন পর সময় দেন। সেখানে নুসরাত জাহান বারিধারায় পিয়াসা মাহবুবের বাড়িতে দেখা করেন।

জিজ্ঞাসাবাদে পিয়াসা মাহবুব বলেছেন যে, আমি যখন তাকে ডাকলাম তখন তিনি (নুসরাত জাহান) একটি সুন্দরী কিশোরী মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে আসলো। এই মেয়েটি তার ছোট বোন বলে পরিচয় করিয়ে দিলেন। পিয়াসা জানান যে, নুসরাত পিয়াসাকে অনুরোধ করেন যে তার বোন মডেলিং করতে চায়, নাটকে অভিনয় করতে চায়, সিনেমা করতে চায়। কাজে এখানে যদি পিয়াসা মাহবুব একটু সহযোগিতা করেন।

আরও পড়ুন


দুই উপজেলা ও ১০ পৌরসভা উপনির্বাচনে নৌকার টিকিট পেলেন যারা

ময়মনসিংহ মেডিকেলে করোনা ইউনিটে আরও ৮ জনের মৃত্যু

চিকিৎসার নাম করে ২০ বছর বয়সী গৃহবধূকে বারবার ধর্ষণ করে কবিরাজ

রুখে দিল প্যারাগুয়ে, ফের পয়েন্ট হারাল মেসিরা


পিয়াসা মাহবুব জানান যে, তিনি চেষ্টা করবেন। এরপর তিনদিন পর নুসরাত জাহান আবার টেলিফোনে পিয়াসার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এভাবে কয়েক দফা যোগাযোগের পর একদিন নুসরাতকে তার ছোট বোন সহ আসতে বলেন। তিনি বলেন যে, তার ছোট বোন যেন আধুনিক পোশাক-পরিচ্ছদ পড়ে আসে। কারণ, তার বাসায় একটি ডিজে পার্টি আছে। সেখানে বেশকিছু সিনেমা জগতের এবং বিভিন্ন মহলের লোকজন আসবে। সেখানে যদি কারো মুনিয়াকে পছন্দ হয় তাহলে তার ভাগ্য খুলে যেতে পারে। 

এভাবেই পিয়াসার ডিজে পার্টির আসরে নিয়মিতভাবে মুনিয়ার যাতায়াত শুরু হয় এবং এক পর্যায়ে মুনিয়া একাই আসা শুরু করে। পিয়াসা মাহবুব আরও জানান, দেশে করোনার প্রকোপ শুরু হওয়ার পর মুনিয়া তাকে একটি ক্ষুদে বার্তা পাঠিয়েছিলেন। সেখানে তিনি বলেন যে, তার পক্ষে ঢাকায় থাকা সম্ভব হচ্ছে না, তিনি কুমিল্লা ফিরে যাচ্ছেন। এ জন্য কিছু টাকা চান। পিয়াসা মাহবুব তখন তাকে ৫০ হাজার টাকা দিয়েছিলেন বলেও দাবি করেন।

কিছুদিন পর মুনিয়া আবার ঢাকা আসেন এবং তার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। কিন্তু সে সময় পিয়াসা জানান,  এখন করোনার সময়, বাড়িতে পার্টি হচ্ছে না। এ জন্য তাকে আপাতত প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন হলে তিনি যোগাযোগ করবেন। এরপর থেকে পিয়াসার সঙ্গে মুনিয়া এবং নুসরাতের কোনো যোগাযোগ হয়নি। জিজ্ঞাসাবাদে পিয়াসা মাহবুব জানিয়েছেন যে, নুসরাতই মুনিয়াকে বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে যেতেন। মুনিয়া যেন আয় উপার্জন করতে পারে, সংসার চালাতে পারে সে জন্য চেষ্টা তদবির করতে নুসরাত। 

পিয়াসা মাহবুব বলেন যে, আমার ধারণা যে মুনিয়ার পয়সায় নুসরাত চলত। এই হত্যাকাণ্ড বা মৃত্যুর ব্যাপারে পিয়াসা মাহবুব কিছুই জানেন না বলে জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন যে, গত ছয় মাস ধরে তার সঙ্গে মুনিয়া বা নুসরাতের কোন যোগাযোগ ছিল না। অন্য আসামিদের সঙ্গে তার কোন যোগাযোগ ছিল না বলে পিয়াসা মাহবুব উল্লেখ করেছেন। 

বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, পিয়াসা মাহবুব বলেছেন তার মতে মুনিয়াকে আসলে হত্যা করা হয়নি, মুনিয়া নিজে আত্মহত্যা করেছেন বলে পিয়াসা মাহবুব মনে করেন। তিনি তদন্তকারী কর্মকর্তাদের বলেছেন যে, কিছুদিন ধরেই মুনিয়া আর্থিক সংকটে ছিলেন এবং বোনের সঙ্গে প্রায়ই তার আর্থিক বিষয় নিয়ে ঝগড়াঝাঁটি হতো।

news24bd.tv/ কামরুল 

পরবর্তী খবর

কুমিল্লার ঘটনায় পেছনের কারিগরদের খোঁজা হচ্ছে

অনলাইন ডেস্ক

কুমিল্লার ঘটনায় পেছনের কারিগরদের খোঁজা হচ্ছে

কুমিল্লায় পূজা মণ্ডপে পবিত্র কোরআন রাখার ঘটনার পেছনের কারিগরদের খুঁজতে জোর চেষ্টা চালাচ্ছেন অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) কর্মকর্তারা। জানা গেছে, টানা জিজ্ঞাসাবাদেও মুখ খুলছেন না রিমান্ডে থাকা ইকবাল হোসেনসহ চার আসামি।

এদিকে এ ঘটনায় দায়ের করা মামলার তদন্তের দায়িত্ব পেয়েছে সিআইডি। গত রবিবার (২৪ অক্টোবর) রাতে পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (অপরাধ-পূর্ব) মো. জালাল উদ্দিন আহমেদ চৌধুরীর সই করা এক চিঠিতে মামলাটি কুমিল্লা কোতোয়ালি থানা পুলিশের কাছ থেকে সিআইডিতে হস্তান্তরের নির্দেশ দেওয়া হয়। 

গতকাল সোমবার সকালে কুমিল্লার সিআইডি কর্মকর্তাদের কাছে মামলার কাগজপত্র বুঝিয়ে দেন তদন্ত কর্মকর্তা কোতোয়ালি মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মফিজুল ইসলাম। এ সময় রিমান্ডে থাকা এই মামলার প্রধান আসামি ইকবাল হোসেনসহ চারজনকেও হেফাজতে নেয় সিআইডি। ইকবাল ছাড়া রিমান্ডে থাকা অন্য তিনজন হলেন মো. হুমায়ুন কবির, মো. ফয়সাল আহমেদ ও মো. ইকরাম হোসেন।

গতকাল সকাল থেকেই তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছেন সিআইডি কর্মকর্তারা। ইকবালকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হলেও ঘটনার পেছনে কারা রয়েছে তা স্বীকার করেননি তিনি। ইকবাল নিজে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করলেও অন্য তিনজন এখনো নিজেদের নির্দোষ দাবি করে যাচ্ছেন। 

গত রবিবার রাত ১১টার দিকে ওই পূজামণ্ডপের হনুমানের মূর্তির হাত থেকে ইকবাল হোসেনের নিয়ে যাওয়া সেই গদাটি উদ্ধার করেছে পুলিশ। জেলা পুলিশ ও সিআইডির একটি দল নগরীর দারোগাবাড়ি মাজারের পাশের চৌধুরী ভিলার প্রাচীরের ঝোপের ভেতর থেকে গদাটি উদ্ধার করে। এর আগে পুলিশ জানিয়েছিল, জিজ্ঞাসাবাদে ইকবাল বলেছেন, তিনি গদাটি পুকুরে ফেলেছেন। উদ্ধারের সময় ইকবাল সেখানে ছিলেন।

কুমিল্লা সিআইডির একটি সূত্র জানায়, মামলার দায়িত্ব নেওয়ার পর ইকবালকে প্রাধান্য দিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে ইকরামকেও। কারণ তাঁরা দুজনই ঘটনা বাস্তবায়নে সরাসরি জড়িত ছিলেন। এ ছাড়া ঘটনার দিন সকালে মানুষকে উসকে দিয়ে সহিংসতাও ছড়িয়েছেন তাঁরা। তবে ইকবাল ছাড়া বাকিরা এখনো কেউ-ই মুখ খুলছে না।

গতকাল সন্ধ্যায় কুমিল্লা সিআইডির পুলিশ সুপার খান মোহাম্মদ রেজওয়ান জানান, ঘটনার গভীরে কারা ছিল, তাদের টার্গেট করেই তদন্ত চলছে। ইকবালকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করলেও গতকাল পর্যন্ত পেছনে জড়িতদের নাম স্বীকার করেননি তিনি। ইকরাম এবং দুই খাদেমকেও ভালোভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। আমরা তাঁদের যোগসূত্র খোঁজার চেষ্টা করছি।

আরও পড়ুন:


মিরপুর থেকে ৪২৪ কিশোরী নিখোঁজ, শিগগির সামাজিক বৈঠক পুলিশের

উল্লেখ্য, গত ১৩ অক্টোবর ভোরে কুমিল্লা নগরীর নানুয়ার দীঘির পাড়ের ওই পূজামণ্ডপে পবিত্র কোরআন শরিফ পাওয়ার অভিযোগ ওঠে। এ নিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। ওই ঘটনার পর ঢাকা ও কুমিল্লা পুলিশের কয়েকটি দল তদন্তে নামে। তারা ঘটনাস্থলের আশপাশের বিভিন্ন স্থান থেকে সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে বিশ্লেষণ করে। দীর্ঘ তদন্ত ও অনুসন্ধানের পর মণ্ডপে কোরআন রাখা ব্যক্তি যে ইকবাল হোসেন, সে বিষয়ে নিশ্চিত হয় তারা। 

news24bd.tv রিমু   

পরবর্তী খবর

মিরপুর থেকে ৪২৪ কিশোরী নিখোঁজ, শিগগির সামাজিক বৈঠক পুলিশের

অনলাইন ডেস্ক

মিরপুর থেকে ৪২৪ কিশোরী নিখোঁজ, শিগগির সামাজিক বৈঠক পুলিশের

গত তিন মাসে রাজধানীর মিরপুর এলাকা থেকে ৪২৪ মেয়ে শিশু-কিশোরী নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়। শিশু-কিশোরীরা যাতে ঘর ছেড়ে না যায় মিরপুরের সাতটি থানা এলাকায় অভিভাবকদের নিয়ে শিগগির সামাজিক বৈঠক করবে পুলিশ। সামাজিক বৈঠক করে সবার মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুলিশ। 

গতকাল সোমবার সংশ্লিষ্ট থানাগুলোর দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চলতি মাসের ২৫ তারিখ পর্যন্ত মিরপুর এলাকা থেকে আরো ৭৫ শিশু-কিশোরী নিখোঁজ হওয়ার তথ্য পেয়েছে পুলিশ। এই নিয়ে নিখোঁজের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫১৭। এদের মধ্যে মিরপুর এলাকা থেকে ৩৯৫ জন এখন পর্যন্ত উদ্ধার হয়েছে বা নিজেরাই পরিবারের কাছে ফিরে এসেছে। অন্যদের উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। 

নিখোঁজ শিশু-কিশোরীদের একটি অংশ ছেলেবন্ধুদের সঙ্গে ঘর ছাড়লেও ছেলেদের পরিবারের পক্ষ থেকে জিডি করার ঘটনা নেই বললেই চলে। প্রায় সব জিডিই করেছেন মেয়ে শিশু-কিশোরীদের অভিভাবকরা।

গতকাল ঢাকা মহানগর পুলিশের মিরপুর বিভাগের সাতটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা (ওসি) জানান, সাত দিনের মধ্যে প্রতিটি এলাকার অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও স্কুল-কলেজের শিক্ষকদের সঙ্গে সামাজিক বৈঠক করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁরা। তাঁরা মনে করেন, করোনাকালে স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীরা অনেকটা ঘরবন্দি হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় তারা নানা ভুল করতে থাকে। তারা মানসিকভাবে অনেকটা হতাশার মধ্যে সময় কাটায়। পরিস্থিতি সহনীয় করতে ডাকা সামাজিক বৈঠকে অভিভাবকদের পাশাপাশি থানা পুলিশ সদস্য, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাও উপস্থিত থাকবেন। এ ছাড়া সভা-সেমিনার করা হবে এলাকায়। সেই সঙ্গে স্কুলের ক্লাসরুমে শিক্ষকদের উপস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলবেন পুলিশ কর্মকর্তারা। এতে এলাকার জনপ্রতিনিধিদেরও সম্পৃক্ত করা হবে। 

কিভাবে বৈঠক আয়োজন করা হবে, জানতে চাইলে পুলিশ কর্মকর্তারা বলেন, বিট পুলিশিংয়ের মাধ্যমে এ কাজ করা হবে। তাঁদের তথ্য মতে, বিট পুলিশের মূল ধারণা হচ্ছে, পুলিশ কর্মকর্তারাই সেবা নিয়ে যাবেন মানুষের কাছে। তবে মামলাসহ কিছু আইনগত বিষয়ে থানায় আসতে হবে ভুক্তভোগীদের। যদিও বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে চরম বিপদে না পড়লে মানুষের থানামুখী হওয়ার সম্ভাবনা কম। তাই প্রতিটি মহল্লাকে বিটে বিভক্ত করে একজন উপ-পুলিশ পরিদর্শককে (এসআই) এর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:


তিন মাসে মিরপুর থেকে ৪২৪ কিশোরী নিখোঁজ!


এ ব্যাপারে ঢাকা মহানগর পুলিশের মিরপুর জোনের সহকারী কমিশনার এম এম মঈনুল ইসলাম এবং মিরপুর বিভাগের দারুসসালাম জোনের সহকারী কমিশনার (এসি) মিজানুর রহমান বলেন, নিখোঁজের সংখ্যা যাতে আর বাড়তে না পারে, সে জন্য কিছু বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিট পুলিশের মাধ্যমে প্রতিটি এলাকায় অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সঙ্গে সামাজিক বৈঠক করা হবে।

আরো বলেন, বৈঠকের আগের দিন বিট পুলিশ বাড়ির মালিক, অভিভাবক অর্থাৎ ভাড়াটিয়াদের সঙ্গে কথা বলে। এরপর পরের দিনের সুবিধামতো একটি সময়ে তাঁদের নিয়ে বৈঠক করা হবে। এর বাইরে স্কুলে গিয়েও এ বিষয়ে কথা বলা হবে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে। 

news24bd.tv রিমু   

পরবর্তী খবর

পাগলীর জন্ম নেওয়া সন্তানের পিতা এমপি বদি

অনলাইন ডেস্ক

পাগলীর জন্ম নেওয়া সন্তানের পিতা এমপি বদি

কক্সবাজার টেকনাফে পাগলীর গর্ভে জন্ম নেওয়া নবাগত শিশুটির পিতা হয়েছেন সাবেক কক্সবাজার-৪ (উখিয়া- টেকনাফ) আসনের এমপি আব্দুর রহমান বদি। তিনি এ শিশুকন্যার সব দায়িত্ব নিয়েছেন বলে জানা গেছে।

টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. টিটু চন্দ্র শীল এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেন।

নবজাতক এ কন্যা শিশুটির নাম রাখা হয়েছে মরিয়ম জারা।

সোমবার বিকেলে টেকনাফ পৌরসভা হতে তাদের নামে  (বদি/শাহীনা) শিশুটির জন্ম নিবন্ধন হয়। এ প্রক্রিয়া শেষে তা প্রকাশ করলে মুহূর্তের মধ্যে তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। 

স্থানীয়রা বলছেন, যে যা বলুক আজ থেকে শিশু মরিয়ম জারার পিতা সাবেক এমপি আব্দুর রহমান বদি ও মা শাহীনা আক্তার। এ মহৎ কাজের জন্য হাজারো মানুষ তাকে স্বাগত জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে সাংসদ বদির বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. টিটু চন্দ্র শীল জানান, মা ও মেয়ে সুস্থ আছে, তবে মঙ্গলবার তাদের হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হবে।

তিনি আরও জানান, আমিও শুনেছি পাগলীর জন্ম দেওয়া শিশুটির পিতা হয়ে দায়িত্ব নিয়েছেন সাবেক এমপি আব্দুর রহমান( বদি)।

উল্লেখ্য, গত শনিবার রাতে টেকনাফ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক এবং কর্তব্যরত নার্সের সহযোগিতায় শিশু মরিয়ম জারা পৃথিবীতে আগমন করে।

news24bd.tv/তৌহিদ

পরবর্তী খবর

পূজামণ্ডপের ঘটনাটি দুঃখজনক: বদিউল আলম মজুমদার

অনলাইন ডেস্ক

সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেছেন, গত ১৩ অক্টোবর কুমিল্লায় পূজামণ্ডপে যে ঘটনা ঘটেছে তা অত্যন্ত দুঃখজনক।

এ সময় তিনি এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, দোষীদের খুঁজে বের করে সঠিক বিচার করতে হবে। সেই সাথে সাধারণ কোন নাগরিক যেন হয়রানির শিকার না হতে হয় সেদিকেও প্রশাসনের নজর দিতে হবে। 

আরও পড়ুন: খালেদা জিয়ার পরবর্তী চিকিৎসা কী জানা যাবে ২১ দিন পর 

দুপুরে কুমিল্লা টাউনহলের মুক্তিযোদ্ধা কর্নারে সুজনের আয়োজনে “রাষ্ট্র ও সমাজে সুশাসন প্রতিষ্ঠায়, শুদ্ধাচার চর্চার বিকল্প নেই” জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল বাস্তবায়নে করণীয় শীর্ষক এক  নাগরিক সংলাপে বদিউল আলম এ সব কথা বলেন।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ১৯০ জন হাসপাতালে

অনলাইন ডেস্ক


ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ১৯০ জন হাসপাতালে

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে গেলো ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৯০ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তবে কারও মৃত্যু হয়নি। আক্রান্তদের অধিকাংশই রাজধানীর বাসিন্দা।

আজ বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এ তথ্য জানিয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়,  নতুন আক্রান্তদের মধ্যে ১৫৪ জন রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে এবং ৩৬ জন ঢাকার বাইরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

এ নিয়ে বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে সর্বমোট ভর্তি থাকা রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৬১ জনে। ঢাকার ৪৬টি সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি আছেন ৭০৩ জন এবং অন্যান্য বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি আছেন ১৫৮ জন।

আরও পড়ুন: লিটন ও লাহিরুকে যে শাস্তি দিলো আইসিসি

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে আজ (২৫ অক্টোবর) পর্যন্ত হাসপাতালে সর্বমোট রোগী ভর্তি হয়েছেন ২২ হাজার ৬৮৮ জন। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ২১ হাজার ৭৪০ জন রোগী। ডেঙ্গুতে এ সময়ে ৮৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর