এই শহরেরও অনেক গল্প আছে

শওগাত আলী সাগর

এই শহরেরও অনেক গল্প আছে

এই শহরে অনেক গল্প আছে, এই শহরেরও অনেক গল্প আছে, সিটি মেয়র জন টরি যাকে বলছেন endless supply of great stories".চমৎকার সব গল্পের অন্তহীন সরবরাহ! অনুবাদটা ঠিকমতো হলো কী! 

২০২১ সালের টরন্টো বুক এওয়ার্ড বিজয়ীর নাম ঘোষনা অনুষ্ঠানে কথা বলছিলেন মেয়র টরি। কিম এসলিনের ‘স্পিক সাইলেন্স’ বইটি এবারের ’টরন্টো বুক এওয়ার্ড’ পেয়েছে। বসনিয়ার যুদ্ধে ধর্ষিতা হাজারো নারীর চাপা পরে থাকা গল্পটাকে জনসম্মুখে আনতে টরন্টোর এক সাংবাদিকের নিরন্তর লড়াই নিয়ে  ‘স্পিক সাইলেন্স’ এর কাহিনীর ডালপালার বিস্তার। বইটি নিয়ে আলাদাভাবে বলা যাবে, এই মুহুর্তে  মাথায় ঘুরপাক  খাচ্ছে শহর টরন্টোর  অন্তহীন গল্পের বিষয়টি। শহর টরন্টো  কি তাহলে গল্পেরও  শহর! 

পুরষ্কার গ্রহণ করে কিম এসলিনও বলছিলেন, এই শহরে আমরা একে অপরের গল্পগুলো জানার জন্য যুথবদ্ধ হই, গল্পগুলো রক্ষার  জন্য যৌথভাবে কাজ করি এবং  তাদের গল্পের জন্য, তাদের গল্পের নিরাপত্তা বেষ্টনি হই।

কিম এসলিনের কথা প্রবলভাবে নাড়া দেয়, তাইতো- এই শহরে কতো গল্প, হাসি কান্না, আনন্দ বেদনা, সাফল্য ব্যর্থতার গল্প। বিশ্বের নানা দেশের গল্প এসে  আশ্রয় নেয় শহর টরন্টোয়, তারপর সেখানে শুরু হয় নতুন গল্পের। আগের গল্প আর নতুন গল্প মিলে তৈরি করে ভিন্নতর গল্প। সেই গল্পের কতোটা আমরা খবর রাখি। নিজেদের গল্পেরই বা কতোটা খবর রাখি।

রাস্তায় হেটে যাওয়া মানুষগুলোর দিকে তাকাতেই মনে হতে থাকে- একেকটা গল্প হেঁটে যাচ্ছে, পাশ দিয়ে দ্রুত চলে  যাওয়া  গাড়িগুলোর দিকে তাকিয়ে মনে হতে থাকে- একেকটা গল্প পাশ দিয়ে চলে যাচ্ছে।

হঠাৎ মনে হয়, আমি নিজেও কি কোনো গল্প নই!  শহর  টরন্টোর endless supply of great stories এর একটি নই!

লেখাটি শওগাত আলী সাগর-এর ফেসবুক থেকে সংগৃহীত (সোশ্যাল মিডিয়া বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

আমাদের সময় কখন ফুরিয়ে আসে কেউ জানে না

এস এম রেজাউল করিম

আমাদের সময় কখন ফুরিয়ে আসে কেউ জানে না

অস্তগামী সূর্যের মতো এমন মুহূর্ত আমাদের জীবনেও নেমে আসে, কিন্তু আমাদের জীবন সায়াহ্ন নেমে আসা দৃশ্য মান হয়না। প্রখর রৌদ্রতাপ ছেড়ে ক্রমান্বয়ে স্নিগ্ধতা পূর্ণ মায়াবী আলোআধারির আবেশ‌ দিয়ে বিলিন হয়ে গেলে স্থান করে নেয় নিকষ অন্ধকার। 

হয়তো কঠোর রৌদ্রতাপের সূর্যও বুঝতে পারে বিদায় লগন, কিন্তু বুঝিনা আমরা, কখন হয়ে যাবো বিলিন। আমাদের সময় কখন ফুরিয়ে আসে তা কেউ জানেনা। 

তাই যদি সৎ কর্মের মধ্য থেকে কিছু স্নিগ্ধতা রেখে যেতে পারি, সেটাই হয়তো আঁধারের মাঝে একঝলক আলোর বিচ্ছুরণ হয়ে রইবে। আল্লাহ আমাদের সহায় হোন।

লেখক, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

আরও পড়ুন:

স্ত্রীর ইচ্ছা পূরণে মন্দিরে ১৭ লাখ রুপির স্বর্ণ দান


news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

বেয়াদব বলি, বোলার বলি আর ব্যাটসম্যান; আসে তার নাম

রুবাইয়াত সাইমুম চৌধুরী

বেয়াদব বলি, বোলার বলি আর ব্যাটসম্যান; আসে তার নাম

রুবাইয়াত সাইমুম চৌধুরী

সব দোষ সরকারের ( সৌম্য), লিটন সাহেব তো এক্কেরে প্রতিভা। আয়নাম্যানও গেছেগা।

আমি তো বলই, আছেই আমাদের একজন।
 
বেয়াদব বলি, বোলার বলি আর ব্যাটসম্যান । আসে সেই।
 
যেইদিন সে খেলে ঠিক ঠাক , সেদিন জেতার চান্স থাকে। মানে সে ব্যাট করে রান করে আবার বল করে উইকেট নেয়। দুটাই করা লাগবে। একটা করলেও হবে না। দুটা না করলে টিম জেতে না সাধারণত। 
আয়নাম্যান তো ৩ বলে ২ রানও নেয়না জেতার জন্য মাঝে মাঝে।

(সোশ্যাল মিডিয়া বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv/এমি-জান্নাত  

পরবর্তী খবর

২২ রিপোর্টারের ডিআরইউ পুরস্কার ও আমার প্রশ্ন

শওগাত আলী সাগর

২২ রিপোর্টারের ডিআরইউ পুরস্কার ও আমার প্রশ্ন

শওগাত আলী সাগর

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) ২২ জন রিপোর্টারকে ‘বেস্ট রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড’ দিয়েছে। একটি জুরি বোর্ড রিপোর্টারদের রিপোর্ট যাচাই বাছাই করে এই ২২টি রিপোর্টকে সেরা হিসেবে বিবেচনা করেছে। 

রিপোর্টার্স ইউনিটি এই সেরা রিপোর্টারদের আনুষ্ঠানিকভাবে পুরস্কৃত করেছে। প্রথমে আমি এই সেরা রিপোর্টারদের অভিনন্দন জানাই।

যারা পুরস্কারের জন্য রিপোর্ট জমা দিয়েছিলেন-সেগুলো নিশ্চয়ই রিপোর্টই ছিলো এবং একজন রিপোর্টার তার রিপোর্টটিকে পুরস্কার পাওয়ার উপযোগি রিপোর্ট হিসেবে বিবেচনা করেছেন। তাদের চেয়ে ভালো রিপোর্ট থাকায় তারা পুরস্কার পাননি- তার মানে এই না- তাদের রিপোর্টগুলো সেরা রিপোর্টের কাতারভূক্ত রিপোর্ট নয়। জমা হওয়া রিপোর্টের সংখ্যা অবশ্য আমি জানতে পারিনি। 

পুরস্কারের সংবাদটি আমার মনে কয়েকটি প্রশ্ন তৈরি করেছে- সেগুলো একটু শেয়ার করতে চাই। এই যে আমরা সারা বছর ঢাকার সাংবাদিকতার সমালোচনা করি, দেশে কোনো সাংবাদিকতা নাই, অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা এখন আর হয় না, সম্ভব না বলে হা হুতাশ করি- তারা কী এই ২২টি রিপোর্টের খবর রাখি! 

রাখলে আমরা কী এই ২২টি রিপোর্টকে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা বা নিদেনপক্ষে সাংবাদিকতা হিসেবে স্বীকার করি! আমরা কী এই ২২ টি রিপোর্টের কোনা একটি নিয়ে উচ্ছ্বসিত হয়েছি, বলেছি- দেখো- এর নাম অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা!


আরও পড়ুন: 

ইংল্যান্ড ম্যাচের আগে টাইগার শিবিরে বড় দুটি দুঃসংবাদ

১০ মিনিটের সংঘর্ষে রণক্ষেত্র নয়াপল্টন

এনআইডি নিয়ে সরকারের নতুন পরিকল্পনার কথা জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী


বাংলাদেশের সাংবাদিকতায় নানা সংকট আছে, সীমাবদ্ধতা আছে। সেগুলো পাশ কাটিয়ে অন্তত ২২জন রিপোর্টার তো ২২টি রিপোর্ট তৈরি করতে পেরেছেন- যেগুলোকে পুরস্কৃত করা যায়, যেগুলো পুরস্কৃত পায়। বাংলাদেশের এই সাংবাদিকতার চেষ্টাটাও কম কি!

লেখাটি শওগাত আলী সাগর -এর ফেসবুক থেকে নেওয়া (সোশ্যাল মিডিয়া বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

জাস্টিন ট্রুডো তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব দিয়েছেন তিন নারীকে

শওগাত আলী সাগর

জাস্টিন ট্রুডো তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব দিয়েছেন তিন নারীকে

যে কোনো সরকারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রনালয় হচ্ছে অর্থ, পররাষ্ট্র এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রনালয়। নারীবাদী প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছেন তিন নারীর উপর। 

কানাডার ক্রাইসিস ম্যানেজার হিসেবে খ্যাত ক্রিস্টিয়া ফ্রিল্যান্ড অর্থমন্ত্রী এবং ডেপুটি প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে আছেন। প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন অনিতা আনন্দ। আর পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন আরেক নারী ম্যালেনি জুলি। 

কানাডার অর্থনীতি, প্রতিরক্ষা আর  বহিঃর্বিশ্বে কানাডাকে তুলে ধরার গুরুত্বপূর্ণ তিন নারীর উপর ছেড়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো।

লেখাটি শওগাত আলী সাগর -এর ফেসবুক থেকে নেওয়া (সোশ্যাল মিডিয়া বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

তরুণদের দল নিয়ে এখনই উপসংহারে পৌঁছা থেকে বিরত রইলাম

মারুফ কামাল খান সোহেল

তরুণদের দল নিয়ে এখনই উপসংহারে পৌঁছা থেকে বিরত রইলাম

স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে বাংলাদেশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও ডাকসুর সদ্যসাবেক ছাত্রনেতারা তরুণদের এক রাজনৈতিক দলের জন্ম দিয়েছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের একজন নির্যাতীত সেক্টর কমান্ডারকে সামনে রেখে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী তরুণদের সমন্বয়ে গঠিত সেই জাসদ হঠকারি পথ ধরে অনেক ঘটনার জন্ম দিলেও রাজনীতিতে সফল কিংবা বিজয়ী হতে পারে নি।

আজ একই ধারায় তরুণদের  আরেকটি দল জন্ম নিলো। এদেরকে নিয়ে এখনই কোনো মন্তব্য করা কিংবা উপসংহারে পৌঁছা থেকে বিরত রইলাম।

তাদের ব্যাপারে আমার কৌতুহল আছে, তবে প্রত্যাশা কিংবা বিদ্বেষ নেই কোনো। আর ভবিষ্যদ্বাণীও তুলে রাখছি ভবিষ্যতের জন্যই।

তবে এরা জাতিসংঘের তদারকি ছাড়া বাংলাদেশে কোনো সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয় বলে যে বক্তব্য নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে সে বক্তব্যে তারা কতোটা অটল থাকতে পারে সেটাই প্রথম দেখার বিষয়।

লেখাটি মারুফ কামাল খান সোহেলের-এর ফেসবুক থেকে নেওয়া (সোশ্যাল মিডিয়া বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর