হাত-পায়ে ঝি ঝি কেন ধরে? ধরলে যা করবেন

অনলাইন ডেস্ক

হাত-পায়ে ঝি ঝি কেন ধরে? ধরলে যা করবেন

হাতে বা পায়ে 'ঝি ঝি ধরা' বিষয়টি নিয়ে আমরা সবাই পরিচিত। এই উপসর্গটির কেতাবি নাম 'টেম্পোরারি প্যারেসথেসিয়া', ইংরেজিতে এটিকে 'পিনস অ্যান্ড নিডলস'ও বলা হয়ে থাকে।  সাধারণত পা বা হাতের ওপর লম্বা সময় চাপ পড়লে সাময়িক যে অসাড় অনুভূতি তৈরি হয় সেটিকেই আমরা ঝি ঝি ধরা বলে থাকি। 

শরীরের যে অংশে ঝি ঝি ধরে, সেখানে সাময়িক অসাড়তার পাশাপাশি এমন একটি অনুভূতির তৈরি হয় যেন অসংখ্য সুঁই দিয়ে একসাথে ঐ অংশে খোঁচা দেয়া হচ্ছে। তবে সাধারণত কিছুক্ষণের মধ্যেই অসাড়তা এবং খোঁচা লাগার মত অস্বস্তিকর অনূভুতি চলে গিয়ে স্বাভাবিক অনুভূতি ফিরে আসে।

কেন হয় এমন
চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় এমন পিনপিন কাঁটা কাঁটা হওয়াকে বলে Paraesthesia। ঝি ঝি ধরার অনুভূতিটা আপাতদৃষ্টিতে কিছুটা রহস্যজনক মনে হলেও এর পেছনের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যাটা কিন্তু খুবই সহজ। আমাদের দেহের সবখানেই অসংখ্য স্নায়ু রয়েছে যেগুলো মস্তিষ্ক ও দেহের অন্যান্য অংশের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান করতে থাকে। শরীরে রক্ত সরবরাহের জন্য সারা দেহে জালের মতো আছে রক্তনালি। এ রক্তনালি দুই ধরনের। ধমনি এবং শিরা।

শরীরের কোথাও কিছুক্ষণ একনাগাড়ে চেপে বসলে সেখানকার নার্ভ এবং রক্তনালিতে বাধা পড়ে। একদিকে রক্তনালিগুলো ঠিকমতো অক্সিজেন সরবরাহ করতে পারে না, অন্যদিকে রক্তনালিতে থাকা নার্ভ কিংবা ওই অংশে থাকা নার্ভগুলো তাদের সংবেদনগুলো পাঠাতে বাধা পায়। কিছুক্ষণ পর সেই চাপ সরে গেলে হঠাৎ সেই অংশের রক্তনালিতে অক্সিজেনের সরবরাহ বেড়ে যায়, নার্ভ তার সংবেদন বাধা থেকে বেরিয়ে ব্রেইনকে সংকেত পাঠায়। ব্রেইন হঠাৎ করে এমন থেমে গিয়ে আবার হঠাৎ ফিরে আসা সংবেদনকে ভুল করে পিনপিনের মতো ফিলিংস দেয়। আর তাতেই আমরা যা অনুভব করি-সেটাই pins and needles।

এটি কিছুক্ষণের জন্য থাকে, আবার নিজে নিজেই চলে যায়। তাই অনেকে একে temporary paraesthesia বলে। এটি বার বার এবং বেশি ঘটতে থাকলে তা শরীরের মধ্যে কোনো সমস্যার লক্ষণ। অনেক সমস্যার কারণে এমন পিনস অ্যান্ড নিডলস হতে পারে। তিনটি প্রধান কারণ আলোচনা করব, যা আমাদের দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে জড়িত।

Pins and needles সচরাচর হাতে পায়ে বেশি হয়। ঘাড়, মুখ, পিঠ, পশ্চাৎদেশ, এসব জায়গাতেও দেখা দেয়।

বসা বা শোয়ার সময় সেসব স্নায়ুর কোনো একটিতে চাপ পড়লে দেহের ঐ অংশে রক্ত চলাচলকারী শিরার ওপরও চাপ পড়ে। ফলে শরীরের ঐ অংশে রক্ত চলাচল ব্যাহত হয়। এর ফলে ঝি ঝি ধরতে পারে।

ডায়াবেটিস আক্রান্তদের শরীরে সুগার বেড়ে গেলে পায়ে এমন pins and needles অনুভব আসে। ট্রিটমেন্ট না করে এমন পরিস্থিতি দীর্ঘদিন চলতে থাকলে ধীরে ধীরে পায়ের বিভিন্ন জায়গায় সংবেদন ক্ষমতা কমে যায়, নষ্ট হয়ে যায়। ধীরে ধীরে পায়ের সেনসেশন কার্যক্ষমতা কমে যায়, পায়ে ক্ষতের সৃষ্টি হয়, পায়ের রং পরিবর্তন হয়ে যায়। সমস্যাটিকে বলে ডায়াবেটিস ফুট।

আরও পড়ুন:


সাধারণ হাজতির মতোই থাকতে হবে আরিয়ানকে, মানতে হবে রুটিন

টিভির পর্দায় লাল রঙের পানীয় পান করতে পারবে না নারীরা

প্রেমিকার সঙ্গে হোটেলে শারীরিক সম্পর্ক, সকালে পালালো যুবক

দৌলতদিয়া যৌনপল্লীতে যৌনকর্মীকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা


 

Carpal tunnel syndrome হাতের কব্জির মধ্যে এক ধরনের ঝিনঝিন, পিনপিন কিংবা অবশ ভাব চলে আসে অনেকের। এটি মূলত বেশি হয় যারা অনেকক্ষণ কম্পিউটারের কিবোর্ডে কাজ করেন। এমনকি যারা অনেকক্ষণ ফোন হাতে নিয়ে টেপাটিপি করেন, তাদেরও এমন কব্জিতে ব্যথা করতে পারে। কব্জির মধ্যে মিডিয়ান নার্ভ নামের একটি নার্ভ আছে, এটিতে চাপ পড়ার কারণে এমন হয়। বেশিক্ষণ এমন কাজ না করে এবং এমন পিনপিন অনুভব এলে হাতকে কয়েকবার ঝাড়া দিলে অস্বস্তিটি চলে যাবে।

Tight jeans syndrome বিশেষ করে মেয়েরা টাইট জিনস পরে বেশি। দীর্ঘক্ষণ এমন পরে থাকলে উরু, কোমর এবং পশ্চাৎদেশে অবশ অবশ অস্বস্তি ভাব লাগে। আবার এমন টাইট প্যান্টের পকেটে মোবাইল ফোন অনেকক্ষণ রাখলে সেটাও অনেক চাপ দেয়। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় এমন সমস্যাকে বলে mergalgia paresthetica।

এখানে সাময়িক ঝিঁঝিঁ ধরা দূর করার পাঁচটি টেকনিক দেয়া হলো

স্নায়ুকে চাপমুক্ত করুন: সংশ্লিষ্ট স্নায়ু থেকে চাপ দূর করলে ঝি ঝি অনুভূতি চলে যাবে। স্নায়ুকে চাপমুক্ত করতে শারীরিক ভঙ্গিতে (যেমন- পায়ের ওপর পা তুলে বসে থাকা অথবা বাহুতে ভার দিয়ে ঘুমানো) পরিবর্তন আনুন। অর্থাৎ যদি মনে হয় যে শারীরিক ভঙ্গির কারণে স্নায়ুতে চাপ পড়েছে, তাহলে পজিশন পরিবর্তন করুন।

নড়াচড়া করুন: হাঁটলে অথবা নড়াচড়া করলে রক্তপ্রবাহ বাড়বে এবং ঝি ঝি ধরার অস্বস্তিকর অনুভূতি চলে যাবে। পায়ের ওপর পা তুলে বসে থাকলে ধীরে ধীরে হাঁটার চেষ্টা করুন অথবা হাতের ভার সরিয়ে নাড়াচাড়া করুন। এর ফলে রক্তপ্রবাহের স্বাভাবিকতা ফিরে এসে কয়েকমিনিটের মধ্যে ঝি ঝি অনুভূতি দূর হয়ে যাবে।

হাতকে মুষ্টিবদ্ধ করুন ও খুলুন: আপনার হাতে বা বাহুতে ঝি ঝি ধরলে হাতকে মুষ্টিবদ্ধ করুন ও খুলুন। প্রক্রিয়াটি কিছুসময় পুনরাবৃত্তি করুন। এই ব্যায়ামে দ্রুত রক্তপ্রবাহ বাড়বে ও স্নায়ুগুলো প্রশান্ত হবে। ঝি ঝি অনুভূতি তাড়াতে ব্যায়ামটি বেশ কার্যকর।

পায়ের আঙুলকে উপর-নিচ করুন: আপনার পায়ে ঝি ঝি ধরলে পায়ের আঙুলগুলোকে নাড়াচাড়া করলে (বিশেষ করে উপর-নিচ করলে) উপকার পেতে পারেন। পায়ের আঙুলগুলোকে উপর-নিচ করলে রক্তপ্রবাহের স্বাভাবিকতা ফিরে আসে অথবা রক্ত চলাচল বাড়ে। এটা পায়ের অসাড় অবস্থা দূর করে।

মাথাকে এক পাশ থেকে আরেক পাশে ঘোরান: আপনার হাতের বাহুতে ঝি ঝি ধরলে মাথাকে এক পাশ থেকে আরেক পাশে ঘোরালে অস্বস্তিকর অনুভূতি উধাও হবে। তবে কাজটা করতে হবে ধীরে ধীরে। এতে ঘাড়ের স্নায়ুগুলো থেকে চাপ কমে যায়, যার ফলে বাহুর অসাড়তা দূর হয়ে যায়।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

সকালে সিদ্ধ ডিম কী দুপুরে ভালো থাকে?

অনলাইন ডেস্ক

সকালে সিদ্ধ ডিম কী দুপুরে ভালো থাকে?

অনেকেই সিদ্ধ ডিম খেতে পছন্দ করেন। এটি সবকিছুর সঙ্গেই খাওয়া যায়। অনেকে আবার অফিসের টিফিনেও ডিমসিদ্ধ নিয়ে যেতে পছন্দ করেন। কিন্তু সকালে সিদ্ধ করা ডিম কি দুপুর পর্যন্ত ভালো থাকে?

সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা হলে সিদ্ধ করা ডিম ফ্রিজে প্রায় এক সপ্তাহ ভালো থাকে। কিন্তু ডিম ফ্রিজে রাখা না হলে ডিম সিদ্ধ করার অন্তত দুই ঘণ্টার মধ্যে ডিম খেয়ে ফেলা উচিত। কারণ সিদ্ধ ডিম খুব তাড়াতাড়িই নষ্ট হয়ে যায়। 

এ কারণেই বিশেষজ্ঞরা বরাবরই টাটকা খাবার খেতে পরামর্শ দেন। আর ডিমও এর বাইরে নয়।

আরও পড়ুন:

১০ দেশের রাষ্ট্রদূতকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করলো তুরস্ক

হাসপাতালে খালেদা জিয়াকে দেখতে কোকোর স্ত্রী

পুকুরে না, সেই গদা পাওয়া গেল বাড়ির ভেতরে!

ভারতের বিপক্ষে 'রণকৌশল' ফাঁস করলেন শাহিন আফ্রিদি


আর সিদ্ধ ডিম সংরক্ষণ করতে চাইলে সবার আগে তাপমাত্রার দিকটা খেয়াল রাখা উচিত। কারণ ডিম সংরক্ষণ করার ক্ষেত্রে ৪.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কম তাপমাত্র হওয়া প্রয়োজন। এই তাপমাত্রায় ডিম খোসাসহ ফ্রিজে রেখে দিলে সপ্তাহখানেক ভালো থাকবে। কোনভাবেই খোসা ছাড়ানো সিদ্ধ ডিম ফ্রিজে রাখা যাবে না।

news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

যেসব কারণে সকালে কলা খাবেন

অনলাইন ডেস্ক

যেসব কারণে সকালে কলা খাবেন

কলা খাওয়ার যে উপকারিতা তা নিচে তুলে ধরা হলো।

১) মানসিক অবসাদের প্রকোপ কমে : শরীরে ট্রাইপটোফিন নামক একটি উপাদানের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে, যার প্রভাবে ফিল গুড হরমোনের ক্ষরণ এত মাত্রায় বেড়ে যায় যে স্ট্রেস লেভেল তো কমেই, সেই সঙ্গে মানসিক অবসাদের প্রকোপ কমতেও সময় লাগে না।

২) শরীর বিষ মুক্ত হয় : শরীরের ক্ষতিকর টক্সিক উপাদানদের বের করে দেওয়ার মধ্যে দিয়ে দেহের প্রতিটি অঙ্গকে চাঙ্গা রাখতে কলার কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। এই ফলটিতে আছে প্রেকটিন নামক একটি উপাদান, শরীরের প্রবেশ করা মাত্র ক্ষতিকর উপাদানদের বিরুদ্ধে জেহাদ ঘোষণা করে। ফলে রোগমুক্ত শরীরের অধিকারী হয়ে ওঠার স্বপ্ন পূরণ হতে সময় লাগে না।

৩) ওজন নিয়ন্ত্রণে চলে আসে : কলার শরীরে পটাশিয়াম ছাড়াও রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ফাইবার, যা অনেকক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখে। ফলে খাওয়ার পরিমাণ কমতে শুরু করে। আর কম খেলে যে ওজনও কমে, সে কথা কার না আজানা বলুন! ফাইবার কনস্টিপেশনের মতো রোগ সারাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৪) অ্যানিমিয়ার মতো রোগের প্রকোপ কমে : কলায় রয়েছে বিপুল পরিমাণে আয়রন, যা শরীরে লহিত রক্ত কণিকার মাত্রা বৃদ্ধি করার মধ্যে দিয়ে অ্যানিমিয়ার প্রকোপ কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই যারা এমন রোগে ভুগছেন, তারা আয়রন ট্য়াবলেটের পাশাপাশি যদি নিয়ম করে কলা খেতে পারেন, তাহলে কিন্তু দারুন উপকার মিলতে পারে।

৫) হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে : আয়ুর্বেদ শাস্ত্র মতে কলার ভেতরে এমন কিছু উপাদান রয়েছে, যা পাচক রসের ক্ষরণ বাড়িয়ে দেয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই হজম প্রক্রিয়ার উন্নতি ঘটে। তাই পুজার পর থেকে যদি পেটটা ঠিক না যায়, তাহলে আজ থেকেই নিয়মিত কলা খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন উপকার মিলবে।

৬) ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে চলে আসে : কলায় উপস্থিত পটাশিয়াম শরীরে লবণের ভারসাম্য বজায় রাখতে বিশেষ ভূমিকা নেয়। ফলে নিয়মিত কলা খেলে দেহে নুনের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার সুযোগ পায় না। ফলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার কোনও আশঙ্কাই থাকে না।

আরও পড়ুন:


ইকবালকে নিয়ে পুলিশের অভিযান, যা পাওয়া গেছে!

আগামীকাল নুরের দলের আত্মপ্রকাশ

পাকিস্তানি সমর্থকদের ওপর ভারতীয় সমর্থকদের হামলা, আহত ২

তিন মাসে মিরপুর থেকে ৪২৪ কিশোরী নিখোঁজ!


৭) পুষ্টির ঘাটতি দূর হয় : শরীরের সচলতা বজায় রাখতে প্রতিদিন নির্দিষ্ট মাত্রায় ভিটামিন এবং মিনারেলের প্রয়োজন পরে শরীরের। আর এইসব উপাদানের যোগান শরীর পায় খাবারের মাধ্যমে। সমস্যাটা হল আজকের প্রজন্ম এতটাই ব্যস্ত যে তাদের হাতে ঠিক মতো খাওয়া-দাওয়া করার সময় নেই। ফলে যা হওয়ার তাই হয়, পুষ্টির ঘাটতি হওয়ার কারণে নানাবিধ রোগ এসে বাসা বাঁধে শরীরে। এমন পরিস্থিতি কলা কিন্তু দারুন কাজে আসতে পারে। এই ফলটির শরীরে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ভিটামিন এবং মিনারেল। সেই সঙ্গে রয়েছে পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, আয়রন এবং ফলেটের মতো উপাদান, যা শরীরকে চাঙ্গা রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৮) ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় : কলা খাওয়ার পর যদি কলার খোসা মুখে লাগাতে পারেন, তাহলে একাদিক যেমন ত্বকের রোগের প্রকোপ কমে, তেমনি স্কিনের হারিয়ে যাওয়া ঔজ্জ্বল্য ফিরে আসে। আসলে কলার খোসার অন্দরে থাকা একাধিক উপাকারি উপাদান এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। কলার খোসায় থাকা উপকারি ফ্যাটি অ্যাসিডও এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সূত্র: ইন্টারনেট 

news24bd.tv রিমু   

পরবর্তী খবর

অতিরিক্ত আপেল খেলে হতে পারে যেসব বিপদ!

অনলাইন ডেস্ক

অতিরিক্ত আপেল খেলে হতে পারে যেসব বিপদ!

শরীর সুস্থ রাখতে ফলের বিকল্প নেই। সুস্থ থাকতে অতিরিক্ত আপেল খেলে তৈরি হতে পারে নানা সমস্যা। চিকিৎসকরা বলছেন, এক জন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষ প্রতিদিন সর্বোচ্চ দু’টি করে আপেল খেতে পারেন। কিন্তু তার বেশি খাওয়া ভাল নয়। কারণ আপেলের সাথে ক্ষতিকর কীটনাশক আমাদের শরীরে যায় যা মারাত্মক ক্ষতিকর।

যেসব বিপদ হতে পারে অতিরিক্ত আপেল খেলে জেনে নিন...  

১) বেশি পরিমাণে আপেল খেলে তাতে থাকা কীটনাশক অন্ত্রের নানা সমস্যার আশঙ্কা বাড়িয়ে দেয়। এমনকি অন্ত্রের ক্যানসারের আশঙ্কাও বেড়ে যেতে পারে। এতে করে পাকস্থলির ক্ষতি হতে পারে। মলদ্বারের নানা অসুখ হতে পারে এর কারণে। এর পাশাপাশি রক্তে দূষিত পদার্থের পরিমাণ বেড়ে যাওয়াসহ শরীরে নানা ধরনের বিষক্রিয়া হওয়ার সমস্যা রয়েছেই।

২) শুধু কীটনাশক নয়, আপেল চকচকে করতে কৃত্রিম মোমও ব্যবহার করা হয় এর গায়ে। প্রাকৃতিক ভাবে আপেলের গায়ে অল্প মোম জাতীয় পদার্থ থাকে। কিন্তু সেটি বেশি দিন টিকে না। তারপরে আপেল তাজা এবং চকচকে করতে অনেকে এর গায়ে মোম এবং পেট্রোলিয়াম জেল লাগান। এগুলোও পেটে যায়। অন্ত্রে এই মোম এবং পেট্রোলিয়াম জেল জমা হয়ে ক্যান্সারসহ নানা রোগের আশঙ্কা বাড়িয়ে দেয়।

আরও পড়ুন


যে কারণে মহিব উল্লাহসহ ৭ খুন সংঘটিত হয়!

ঘুরতে আসা তরুণীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ চেষ্টা, মূল হোতা গ্রেপ্তার

পূজামণ্ডপে পবিত্র কোরআন রাখার ঘটনায় ইকবালের সঙ্গে যে ৩ জনের যোগসূত্র

ঘটনা তৃতীয় পক্ষই ঘটিয়েছে, ইকবাল শুধু পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছেন, তৃতীয় পক্ষ কারা?


৩) প্রতিদিন দু’টির বেশি আপেল খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়তে পারে, হজমের সমস্যা হতে পারে এবং ওজন বাড়তে পারে।

৪) অতিরিক্ত আপেল খেলে দাঁতের ক্ষতিও হতে পারে। যাদের দাঁত বা মাড়ির সমস্যা আছে, আপেল খাওয়ার আগে তাই তাদের চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। 

news24bd.tv রিমু  

 

পরবর্তী খবর

গ্রীন টি কখন পান করবেন, খালি পেটে নাকি ভরা পেটে?

অনলাইন ডেস্ক

গ্রীন টি কখন পান করবেন, খালি পেটে নাকি ভরা পেটে?

গ্রীন টি বা সবুজ চা বিশ্বের সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর পানীয় হিসেবে পরিচিত। এটি ৮ম শতাব্দী থেকেই চীনে পান করা হয়ে থাকে। বিভিন্ন ভেষজ রোগের চিকিৎসায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশে গ্রীন টি ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

ভারতীয় সংস্কৃতিতে এটি রক্তপাত বন্ধে ও ক্ষত সারানোর কাজে ব্যবহার করা হয়। এছাড়া এটি মানসিক স্বাস্থ্য ও হৃদযন্ত্র ভালো রাখে। এটি শরীরের তাপ নিয়ন্ত্রণেও ভূমিকা রাখে। গ্রীন টি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও পুষ্টিতে ভরপুর একটি পানীয়।

এছাড়া গ্রীন টিতে রয়েছে ক্যাফেইন এবং অ্যামাইনো এসিড এল-থেনাইন, এই দুটি উপাদানের সংমিশ্রণ একসঙ্গে মস্তিষ্কের গঠনে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে। নিয়মিত গ্রীন টি পান করলে স্ট্রোক, ডায়াবেটিস, হৃদরোগ এবং আলঝেইমার রোগের ঝুঁকি হ্রাস পায়। সর্বোচ্চ উপকার পেতে দিনে ২ থেকে ৩ কাপ গ্রীন টি পান করা উচিত।

তবে বিশেষজ্ঞদের মতে খালি পেটে গ্রিন টি পান করা শরীরের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। কারণ খালি পেটে পানি ছাড়া অ্যাপেল সিডার ভিনিগার, লেবু, আদা , গোলমরিচ এই সব উপাদানই পেটকে উত্তেজিত করে তোলে। পরে কিছু খেলে গ্যাস বা অম্বলের সমস্যা হতে পারে। তাই খালি পেটে পানি ছাড়া আর কোনও পানীয়ই খাওয়া উচিত নয়। 

আরও পড়ুন:

মূল পর্ব শুরুর আগেই দল ছাড়লেন জয়াবর্ধনে

আগামী মাসেই ফেসবুকের প্রতিদ্বন্দ্বী নিয়ে আসছেন ট্রাম্প

মার্কিন ড্রোন হামলায় আল কায়েদার শীর্ষ নেতা নিহত

জাপানী নারীদের দীর্ঘ যৌবনলাভের গোপন রহস্য


খালি পেটে গ্রিন টি খেলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা হতে পারে।  কারণ গ্রিন টি-তে ট্যানিন থাকে যা পেটে অ্যাসিডের পরিমাণ বাড়ায়। ফলে খালি পেটে চা পান করলে পেটে ব্যথা করতে পারে। 

এছাড়া রক্তস্বল্পতার সমস্যায় যারা ভুগছেন তারা কখনওই গ্রিন টি খাবেন না। আপনার যদি আয়রনের ঘাটতিজনিত রক্তস্বল্পতা থাকে তবে আপনার খাবারের মধ্যে গ্রিন টি পান করা উচিত। এটি খাদ্য থেকে আয়রনের শোষণ বাড়ায়। তাই খালি পেটে গ্রীন টি পান করা উচিত নয়।

news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

যেসব খাবারে ফুসফুস পরিষ্কার ও ভালো থাকবে

অনলাইন ডেস্ক

যেসব খাবারে ফুসফুস পরিষ্কার ও ভালো থাকবে

চলমান মহামারি করোনাভাইরাসের কবলে পড়লে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে আপনার ফুসফুস। তাই ফুসফুসকে ভালো ও সতেজ রাখতে এখনই দরকার সতর্কতা।

কীভাবে ফুসফুস ভালো ও পরিষ্কার রাখা যায় তা নিচে তুলে ধরা হলো।

১. মধুতে অ্যান্টি-মাইক্রোবায়াল ও প্রদাহনাশক ক্ষমতা রয়েছে, যা ফুসফুস পরিষ্কার করে। তাই প্রতিদিন এক চা চামচ মধু খেলে তা হবে ফুসফুসের জন্য উপকারী। 

২.কাজু, আখরোট, পেস্তা, চিনাবাদামসহ মিষ্টি কুমড়ার বীজ ইত্যাদিতে প্রচুর ভিটামিন ‘ই’ রয়েছে। সেই-সঙ্গে খনিজ লবণ ও ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে। এসব খাবার ফুসফুসে অক্সিজেন সরবরাহ এবং প্রদাহজনিত সমস্যা রোধ করতে সাহায্য করে।

৩. ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার ফুসফুসের প্রদাহজনিত সমস্যা রোধে বেশ কার্যকরী। বিশেষ করে ভিটামিন ডি’র অভাবে শিশুদের শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়। এর মূল উৎস সূর্য। এ ছাড়া দুধ, ডিম, দই, মাছ, মাংস ইত্যাদি খাবারে প্রচুর ভিটামিন ‘ডি’ রয়েছে।

৪. তুলসী পাতায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। আর এই অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ফুসফুস সুরক্ষায় খুবই কার্যকর। বাতাসে থাকা ধূলিকণা শোষণ করতে পারে তুলসী। তাই শ্বাসযন্ত্রের দূষিত পদার্থ দূর করতে তুলসীপাতার রস কিংবা এই পাতা পানিতে ফুটিয়ে পান করুন। ফুসফুস ভালো থাকবে।

আরও পড়ুন: ফুসফুসের যেসব সংকেত ভুলেও অবহেলা নয়

৫. ফুসফুস ভালো রাখতে কালোজিরা অনেক ভালো কাজ করে। এর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট শ্বাসনালির প্রদাহ রোধ করতে সাহায্য করে। প্রতিদিন আধা চা চামচ কালোজিরার গুঁড়া এক চা চামচ মধুর সঙ্গে মিশিয়ে খেলে ফুসফুস ভালো থাকবে।

৬. ভিটামিন ‘সি’ সমৃদ্ধ খাবারের কোনো বিকল্প নেই। ফুসফুসের প্রদাহজনিত সমস্যা রোধ করে এই ভিটামিন। শ্বাসযন্ত্রে অক্সিজেন সরবরাহ করতে সাহায্য করে এবং শ্বাসনালির জীবাণু ধ্বংস করে। লেবু, আমলকি, কমলা, আপেল, পেয়ারা ইত্যাদি খাবারে প্রচুর ভিটামিন ‘সি’ রয়েছে।

৭. রসুনে রয়েছে প্রচুর সেলিনিয়াম ও অ্যালিসিন। এ দুটি প্রাকৃতিক উপাদান ফুসফুস ও শ্বাসনালি ভালো রাখতে সাহায্য করে। এ ছাড়া দীর্ঘদিন ধরে ভাইরাসজনিত সংক্রমণ রোধে রসুনের ব্যবহার হয়ে আসছে।

৮. শারীরিক কসরতের বিকল্প নেই। শরীর সুস্থ রাখার পাশাপাশি ব্যায়াম আপনার ফুসফুসকে ভালো রাখবে। এ জন্য এরোবিক্স, ইয়োগা বা কার্ডিও এক্সারসাইজ প্রতিদিন করতে হবে।

আরও পড়ুন


ঘটনা তৃতীয় পক্ষই ঘটিয়েছে, ইকবাল শুধু পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছেন, তৃতীয় পক্ষ কারা?

সব ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের একক প্রার্থী, অভিযোগ মানা হয়নি গঠনতন্ত্র

মাদরাসায় ঢুকে ছাত্র-শিক্ষকসহ ৬ জনকে হত্যা

বিল থেকে কিশোরের মরদেহ উদ্ধার, পাওয়া যায়নি পরিচয়

৯. গ্রিন টি বা সবুজ চায়ে ফ্ল্যাবিনয়েড নামের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে, যা ফুসফুসের কার্য পরিচালনায় সহায়তা করে। সে সঙ্গে ফুসফুস থেকে দূষিত পদার্থ বের করে দিতে সাহায্য করে।

১০. হলুদের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট কারকিউমিন ফুসফুসকে দূষিত পদার্থের প্রভাব থেকে সুরক্ষা করে। সর্দি-কাশি ও শ্বাসকষ্ট হলে কাঁচা হলুদের রস করে মাখন বা ঘির সঙ্গে মিশিয়ে খেলে ভালো কাজ হয়।

news24bd.tv রিমু  

 

পরবর্তী খবর