এক সপ্তাহে ২৩ কেজি উদ্ধার

বিমানবন্দর যেন সোনার খনি

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিমানবন্দর যেন সোনার খনি

দেশের বিমানবন্দরগুলো যেন সোনার খনিতে পরিণত হয়েছে। প্রায় নিয়মিতই বিমানবন্দরগুলোতে সোনা আটক ও উদ্ধার হচ্ছে। গত এক সপ্তাহেই ২৩ কেজির বেশি সোনা উদ্ধার করেছে কাস্টমস গোয়েন্দারা। সবশেষ ৯ অক্টোবর চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বেলাল উদ্দিন নামে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) এক নিরাপত্তাকর্মীর দেহ তল্লাশি করে ৮০টি সোনার বার জব্দ করে কাস্টমস গোয়েন্দা। 

এসব সোনার ওজন ৯ কেজি ২৮০ গ্রাম, বাজারমূল্য প্রায় ৬ কোটি ৬৪ লাখ টাকা। এর আগে গত ৫ অক্টোবর দুবাই থেকে ঢাকায় আসা বিমান বাংলাদেশের একটি ফ্লাইটের টিস্যু বক্স থেকে ১২০টি সোনার বার উদ্ধার করে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর (সিআইআইডি)। ১৩.৯২ কেজি ওজনের বারগুলোর মূল্য প্রায় ১০ কোটি টাকা। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সোনা পাচারের সঙ্গে জড়িতদের ধরা যাচ্ছে না।

বিমানবন্দর কাস্টমস ও ইমিগ্রেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, পাচারকালে যে পরিমাণ সোনা উদ্ধার হচ্ছে তার চেয়ে বেশি পরিমাণ বাইরে চলে যাচ্ছে। বারবার ব্যবস্থা নেওয়ার পরও বন্ধ হচ্ছে না চোরাচালান। বাংলাদেশকে সোনা পাচারের রুট হিসেবে ব্যবহার করছে চোরাকারবারিরা।  

শুল্ক গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, কভিড-১৯ মহামারীর কারণে দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক সব রুটে ফ্লাইট বন্ধ ছিল। কিন্তু বিশেষ প্রয়োজনে আন্তর্জাতিক রুটে যে কটি ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছে তাতেই হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গত ছয় মাসে এক মণের বেশি সোনা জব্দ করা হয়েছে। চোরাচালানে জড়িত থাকার অভিযোগে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের একাধিক কর্মীকে আটকও করা হয়েছে। জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে। সবশেষ চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বেলাল উদ্দিন নামে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) এক নিরাপত্তাকর্মীর দেহ তল্লাশি করে ৮০টি সোনার বার জব্দ করে কাস্টমস গোয়েন্দা।

গতকাল এক বিজ্ঞপ্তিতে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের উপ-পরিচালক সানজিদা শারমিন জানান, সোনাসহ আটক হওয়ার পর জোর-জবরদস্তি করে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন বেলাল উদ্দিন। বিমানবন্দরে উপস্থিত এনএসআই কর্মকর্তাদের সহায়তায় অন্যান্য সংস্থার সদস্যদের উপস্থিতিতে তার দেহ তল্লাশি করে কোমরে বেল্টের নিচ থেকে তিনটি প্যাকেট জব্দ করা হয়। প্যাকেটগুলো হলুদ স্কচটেপ দিয়ে মোড়ানো ছিল। তিনটি প্যাকেটে ৮০টি সোনার বার পাওয়া যায়। 

এসব সোনার ওজন ৯ কেজি ২৮০ গ্রাম, বাজারমূল্য প্রায় ৬ কোটি ৬৪ লাখ টাকা। বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়-চলতি অর্থবছরে (২০২১-২০২২) কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর এখন পর্যন্ত ৫৪ দশমিক ১১ কেজি সোনা জব্দ করেছে, যার আনুমানিক দাম প্রায় ৩৮ কোটি টাকা। এর আগে ২০২০-২০২১ অর্থবছরে ১৭৪ দশমিক ৪৯ কেজি এবং ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে ১৮০ দশমিক ৩৫ কেজি সোনা জব্দ করা হয়। 

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কর্তব্যরত নিরাপত্তা কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করে বলেন, ‘আমরা বিমানবন্দরের ডিপারচার নিরাপত্তা দিয়ে থাকি। যাতে কোনো ধরনের অবৈধ মালামাল আনা-নেওয়া না হয় সে ব্যাপারে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকি আমরা। তারপরও প্রায়ই অবৈধ সোনার বড় বড় চালান ধরা পড়ছে। সংশ্লিষ্ট সবাইকে আরও সতর্ক হতে হবে।’

বাংলাদেশ সোনা চোরাচালানের রুট : 
সূত্র জানায়, ভারতের বাজারে সোনার দাম বেশি থাকায় বাংলাদেশকে সোনা চোরাচালানের রুট হিসেবে ব্যবহার করছে আন্তর্জাতিক চোরাকারবারিরা। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং চট্টগ্রামের শাহ আমানত বিমানবন্দরে একের পর এক চালান আটক করে শুল্ক বিভাগের কর্মকর্তারা এমন তথ্য দিয়েছেন। আর এ কাজে জড়িত রয়েছেন এ দেশেরই বিভিন্ন সংস্থার সদস্যরা। তাদের সঙ্গে আছেন বেশ কিছু অসাধু সোনা ব্যবসায়ীও। শুধু ভারতে পাচারই নয়, রাজধানীর পুরান ঢাকাসহ কিছু এলাকার সোনা ব্যবসায়ী চোরাকারবারিদের কাছ থেকে সোনার বার সংগ্রহ করছে। এ চক্র দেশের অভ্যন্তরে সোনা পাচারের পর সড়কপথে ভারতেও উচ্চমূল্যে পাচার করছে। সম্প্রতি কয়েকটি চালান আটকের পর পুলিশ, র‌্যাব ও শুল্ক গোয়েন্দারা এ তথ্য জানিয়েছেন। গোয়েন্দা সূত্র জানায়, জুয়েলারি ব্যবসার আড়ালে চোরাই সোনা কেনাবেচা করছে একটি চক্র। এ কারণে প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। দিনের পর দিন প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে অসাধু সোনা ব্যবসায়ীরা অবৈধ পথে সোনার বার নিয়ে আসছে। চোরাই সোনা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বিমানবন্দর কাস্টমস, শুল্ক গোয়েন্দা বিভাগ ও আর্মড পুলিশের কিছু অসাধু কর্মচারী ও কর্মকর্তার যোগসাজশ রয়েছে।

আরও পড়ুন:


মমতার ভাগ্য নির্ধারণ আজ

চট্টগ্রাম আদালত এলাকায় বোমা হামলা মামলার রায় আজ

টুইটার অ্যাকাউন্ট ফিরে পেতে আদালতে ট্রাম্প

করোনা প্রতিরোধে টিকার বিকল্প কোভিড পিলের পরীক্ষামূলক প্রয়োগে সাফল্য


 

বিচিত্র জায়গায় মেলে সোনা : সোনা পাচার মামলার এক তদন্ত কর্মকর্তা নাম গোপন রাখার শর্তে বলেন, কয়েকজন প্রবাসী বাংলাদেশি দুবাই থেকে এ দেশে সোনা পাঠানোর কাজ করেন। এই পাচারকারী চক্রের লোকজন সিঙ্গাপুর, দোহায়ও সক্রিয়। এসব রুটের যাত্রীকে দিয়ে টাকা অথবা বিমান টিকিটের বিনিময়ে কখনো ফুলদানির ভিতর, কখনো বা জুতার ভিতর কার্বন পেপারে মুড়িয়ে সোনার বার এ দেশে পাচার করা হয়। গত ৬ অক্টোবর দুবাইফেরত বিমানের শৌচাগারে টিস্যু পেপারবক্স থেকে ১৩.৯২ কেজি ওজনের সোনার বার উদ্ধার করেছিল শুল্ক গোয়েন্দারা। দুবাই থেকে ঢাকায় আসা বিমান বাংলাদেশের একটি ফ্লাইটের টিস্যু বক্স থেকে ১২০টি সোনার বার উদ্ধার করেছে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর (সিআইআইডি)। 

এর আগে গত ৯ ফেব্রুয়ারি দুবাই থেকে আসা ইউএস-বাংলার একটি ফ্লাইটের ময়লার বাক্স থেকেও পাওয়া গেছে ৬০টি সোনার বার। যার মূল্য সাড়ে ৪ কোটি টাকা। বারগুলো লুকানো ছিল ওই ফ্লাইটের ময়লার বাক্সের নোংরা খাবারের নিচে। এরপর ২২ ফেব্রুয়ারি ১৭ কেজির বেশি ওজনের ১৫০টি সোনার বার উদ্ধার করা হয় আবুধাবি থেকে আসা বিমান বাংলাদেশ ফ্লাইট বিজি১২৮-এ। ১০ কোটি টাকা মূল্যের ওই সোনাগুলো রাখা হয়েছিল ২৬এ ও ১৮এফ সিটের পাশের এয়ার কন্ডিশন প্যানেলের মধ্যে। 

চলতি বছরের ৩১ মার্চ সাড়ে ৪ কেজি ওজনের ৩৯টি সোনার বার উদ্ধার করা হয় বিমান বাংলাদেশ ফ্লাইট বিজি০৪৮-এর আসন ৩এ-এর নিচ থেকে। ওই একই দিনে ৩ কেজি ওজন ও ২.০৬ কোটি মূল্যের ২৮টি সোনার বার উদ্ধার করা হয় দুবাই থেকে আসা বিমান বাংলাদেশের আরেকটি ফ্লাইটের আসনের নিচ থেকে। ১ এপ্রিল দুবাই থেকে আসা ফ্লাইট বিজি৫০৪৬ থেকে ঝন্টু চন্দ্র বর্মণ নামে বাংলাদেশ বিমানের একজন এয়ারক্রাফট টেকনিশিয়ান হেল্পারকে আটক করা হয়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের পর পাওয়া তথ্য অনুসারে ওই বিমানের সিটের হাতল থেকে ১.১ কেজি ওজনের ৭০ লাখ টাকার সোনা উদ্ধার করা হয়। 

এর আগে ২০২০ সালের ৬ নভেম্বর সোনা পাচারের জন্য টয়লেট পেপার বক্সও ব্যবহৃত হয়েছিল। সেদিন ফ্লাইট বিজি২৪৮-এর একটি ওয়াশরুমের টয়লেট পেপার বক্সের নিচ থেকে ৪.৭৩ কোটি টাকা মূল্যের ৬৮টি সোনার বার উদ্ধার করা হয়। এর আগে ২০১৯ সালের ২ জুলাই কাস্টমস কর্মকর্তারা একটি প্যাসেঞ্জার সিটের পেছনের টিস্যু পেপার বক্স থেকে ৬.৩৮ কোটি মূল্যের সোনার বার উদ্ধার করেন।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

কুমিল্লায় কাউন্সিলর হত্যা: ৬ হামলাকারী শনাক্ত

অনলাইন ডেস্ক

কুমিল্লায় কাউন্সিলর হত্যা: ৬ হামলাকারী শনাক্ত

কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. সোহেল ও তার সহযোগী হরিপদ সাহা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ৬ হামলাকারীকে শনাক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

গ্রেফতার মাে. রাব্বি ইসলাম অন্তু (১৯) সোমবার (২৯ নভেম্বর) আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি প্রদান করেন।

কুমিল্লায় প্রকাশ্য দিবালোকে কাউন্সিলর সোহেল ও তার সহযোগী হরিপদ সাহাকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় হিট স্কোয়াডে ছিলেন ছয়জন। খুনের আগে মামলার ৫ নম্বর আসামি সাজনের বাসায় বৈঠক হয়। এদিকে এজাহারনামীয় প্রধান আসামি শাহ আলম ও নাজিমের সিসিটিভি ফুটেজ পুলিশের হাতে এসেছে। ২৮ সেকেন্ডের ওই ফুটেছে দেখা যায় শাহ আলম ও নাজিম গুলি করতে করতে দৌড়াচ্ছেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে কুমিল্লা জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সোহান সরকার বলেন, ‘আমরা সিসিটিভি ফুটেজ দেখে শাহ আলম ও নাজিমকে চিহ্নিত করেছি। তথ্যানুসন্ধানে আমরা নিশ্চিত হয়েছি হিট স্কোয়াডে ছিলেন ছয়জন। তারা হলেন এজাহারনামীয় ১ নম্বর আসামি শাহ আলম, ২ নম্বর আসামি জেল সোহেল, ৩ নম্বর আসামি সাব্বির হোসেন, ৫ নম্বর আসামি সাজন। এ ছাড়া স্থানীয় নাজিম নামে এক যুবক ও ফেনী থেকে আগত অজ্ঞাত এক আসামি রয়েছেন।’ 

পুলিশ কর্মকর্তা সোহান সরকার আরও বলেন, ‘অনুসন্ধানে আমরা আরও জানতে পেরেছি সাজনের বাসায় বৈঠক শেষে কিলিং মিশনে আসেন অন্য আসামিরা।’ 

সোহান সরকার আরও জানান, কিলিং মিশনে থাকা অপরাধীদের গ্রেফতারে পুলিশের একাধিক টিম মাঠে রয়েছে। 

উল্লেখ্য, ২২ নভেম্বর বিকাল ৪টার দিকে মহানগরীর পাথরিয়াপাড়ায় কাউন্সিলর কার্যালয়সংলগ্ন থ্রি স্টার এন্টারপ্রাইজে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হন কাউন্সিলর সোহেল ও তার সহযোগী হরিপদ সাহা। গুলিবিদ্ধ হন আরও পাঁচজন। জোড়া খুনের ঘটনায় ২৩ নভেম্বর রাতে কাউন্সিলর সোহেলের ছোট ভাই সৈয়দ মো. রুমন বাদী হয়ে ১১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১০ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন।

 news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

হোটলে যুবকের লাশ, উধাও কথিত স্ত্রী ও ছোট ভাই

অনলাইন ডেস্ক

হোটলে যুবকের লাশ, উধাও কথিত স্ত্রী ও ছোট ভাই

একটি হোটেলে এক যুবকের লাশ রেখে তার কথিত স্ত্রী ও ছোটভাই উধাও হয়েছে। লাশ উদ্ধারের পর তাদের খুঁজছে পুলিশ। সোমবার বিকাল ৩টায় সিলেট নগরীর দরগাহ গেটের হোটেলের একটি কক্ষ থেকে লাশটি উদ্ধার হয়।

এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হোটেলের ম্যানেজারকে আটক করেছে পুলিশ। এ ঘটনা ঘটেছে দরগাহ গেটের জমজম আবাসিক হোটেলে।

পুলিশ জানায়, উদ্ধার করা লাশটি মোরশেদ (৪৭) নামের একজনের। তার বাড়ি  নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও থানার সেনপাড়া গ্রামে। তার পিতার নাম মাকু মিয়ার ছেলে।

হোটেল সংশ্লিষ্টরা জানান, রোববার রাত ১১টার দিকে মোরশেদ, তার কথিত স্ত্রী সাথী আক্তার (৩০) ও ছোট ভাই বাবু মিয়া (২৯) জমজম হোটেলে উঠেন। তারা তৃতীয় তলার একটি ডাবল ও একটি সিঙ্গেল রুম ভাড়া নেন। 

সোমবার দুপুরে এক হোটেল কর্মচারী নিয়মিত রুম সার্ভিসে তৃতীয় তলায় গিয়ে দেখতে পান, ডাবল রুমের খাটের ওপর মোরশেদের নিথর দেহ পড়ে আছে। জানার পর পুলিশ গিয়ে মোরশেদের লাশ উদ্ধার করে।

আরও পড়ুন:


ফের মেয়র নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীর ভাতিজা

হেফাজত মহাসচিব নুরুল ইসলাম জিহাদী না ফেরার দেশে

পীরগঞ্জে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত বেড়ে ৩


 

কোতোয়ালি থানার ওসি মোহাম্মদ আলী মাহমুদ জানান, লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে মৃতদেহে কোনো আঘাতের চিহ্ন নেই। হোটেলের ম্যানেজারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। 

 news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

বাসচাপায় শিক্ষার্থীর মৃত্যু, সড়ক অবরোধ-অগ্নিসংযোগ

অনলাইন ডেস্ক

বাসচাপায় শিক্ষার্থীর মৃত্যু, সড়ক অবরোধ-অগ্নিসংযোগ

রাজধানীর রামপুরায় বাসচাপায় এক শিক্ষার্থী মারা গেছে। শিক্ষার্থীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ঘটনাস্থলে জড়ো হয়ে সড়ক অবরোধ করেছে উত্তেজিত জনতা। পাশাপাশি তারা বাসে আগুন দিয়েছে।   

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ওই ছাত্রের সঙ্গে বাস ভাড়া নিয়ে তর্কে জড়িয়ে পড়ে বাসের হেলপার। পরে তাকে ধাক্কায় দিলে, রাস্তায় পড়ে যায় সে। এরপর চলন্ত বাস, তার মাথার উপর দিয়ে চালিয়ে পালিয়ে যায়। এতে ঘটনা স্থলেই তার মৃত্যু হয়।

আরও পড়ুন:


ফের মেয়র নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীর ভাতিজা

হেফাজত মহাসচিব নুরুল ইসলাম জিহাদী না ফেরার দেশে

পীরগঞ্জে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত বেড়ে ৩


সোমবার রাত পৌনে এগারোটার দিকে রামপুরা বাজারের সামনে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করে রামপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলেন, বাসচাপায় রামপুরা বাজারের সামনে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় উত্তেজিত জনতা সড়ক অবরোধ করেছে।

 news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে অস্ত্রসহ সন্ত্রাসী গ্রেফতার

অনলাইন ডেস্ক

রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে অস্ত্রসহ সন্ত্রাসী গ্রেফতার

কক্সবাজারের টেকনাফের নয়াপাড়া নিবন্ধিত ক্যাম্প এলাকায় অভিযান চালিয়ে দেশীয় তৈরি একটি ওয়ান শুটার গানসহ রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী আব্দুর রহিম প্রকাশ রইক্কাকে (৩৪) গ্রেফতার করেছে (এপিবিএন) পুলিশ।এপিবিএন পুলিশের দাবী, গ্রেফতার সেই রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী সালমান শাহ গ্রুপের সক্রিয় সদস্য।

সোমবার সকালে ঐ ক্যাম্প এলাকা থেকে অস্ত্রসহ তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেফতারকৃত রোহিঙ্গা ওই ক্যাম্পের বাসিন্দা হাবিবুর রহমানের ছেলে। 

সোমবার রাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ১৬ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) অধিনায়ক এসপি মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম তারিক।

আরও পড়ুন:


ফের মেয়র নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীর ভাতিজা

হেফাজত মহাসচিব নুরুল ইসলাম জিহাদী না ফেরার দেশে

পীরগঞ্জে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত বেড়ে ৩


 

তিনি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নয়াপাড়া রেজিস্ট্রার ক্যাম্পে এপিবিএনের একটিটিম অভিযান পরিচালনা করে।এসময় ডি ব্লকের বটতলা মোড় থেকে সালমান শাহ গ্রুপের দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী আব্দুর রহিম প্রকাশ রইক্কাকে (৩৪) গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। তার হেফাজতে থাকা দেশীয় তৈরি একটি ওয়ান শুটার গান উদ্ধার করা হয়। ​তার বিরুদ্ধে অপহরণ,চাঁদাবাজি,ছিনতাই,মারামারিসহ নানা অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগে তার বিরুদ্ধে টেকনাফ মডেল থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। 

 news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

পাঁচ রাউন্ড গুলিসহ আটক ৩

অনলাইন ডেস্ক

পাঁচ রাউন্ড গুলিসহ আটক ৩

তিন যুবককে ২টি এলজি ও ৫ রাউন্ড গুলিসহ আটক করেছে র‍্যাব-৭। চট্টগ্রাম নগরীর পাহাড়তলী থানাধীন খেজুরতলী জেলে পাড়া এলাকায় থেকে গতকাল রোববার রাত সাড়ে ১২টার দিকে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে আটক করা হয়।

আটককৃত ব্যক্তিরা হলো- কক্সবাজার জেলার কুতুবদিয়ার পরান সিকদার পাড়ার মোঃ রফিকের ছেলে মো. তারেক, আবুল কালামের ছেলে মো. মিজবাহ উদ্দিন ও মোসলেহ উদ্দিনের ছেলে মো. শাহেদ।

আরও পড়ুন:

নির্বাচনে হেরে যাওয়ায় কম্বল ফেরত নিলেন প্রার্থী!

অভিবাসন ইস্যুতে ব্রিটেনের সঙ্গে কাজ করতে চায় ফ্রান্স

মাসুদের প্রেমিকা হতে যাচ্ছেন মিম

র‍্যাব-৭ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) নিয়াজ মোহাম্মদ চাপল সংবাদমাধ্যকে জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাতে র‍্যাব-৭ এর একটি আভিযানিক দল ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে তিনজনকে আটক করেন। এসময় তাদের থেকে ২টি এলজি এবং ৫ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।

তিনি আরও বলেন, আটককৃতরা চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় অস্ত্র ক্রয়-বিক্রয়সহ চাঁদাবাজি ও বিভিন্ন ধরণের সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে।

 news24bd.tv/এমি-জান্নাত   

পরবর্তী খবর