সিন্ডিকেটের হাতে জিম্মি পেয়াঁজের বাজার

নয়ন বড়ুয়া জয়, চট্টগ্রাম

সিন্ডিকেটের হাতে জিম্মি পেয়াঁজের বাজার। দেশের বড় ভোগ্য পণ্যের বাজার চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জে ভারত মিয়ারমারের পেয়াঁজে সয়লাব  হলেও কয়েকদিনের ব্যবধানে ১৫ টাকা থেকে বেড়ে ৫৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে ভারতের পেয়াঁজ।

মিয়ানমার পেয়াঁজেরও দাম বেড়েছে দ্বিগুণ। ভোক্তারা মনির্টরিংয়ের দুর্বলতাকে দুষলেও জেলা প্রশাসন বলছে, সিন্ডিকেটের তালিকা তৈরি করা হয়েছে।

দেশের সবচেয়ে বড় ভোগ্যপণ্যের বাজার চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জ ভারত মিয়ানমারের পেয়াঁজে ভরপুর। তারপরও সংকটের অজুহাতে কয়েকদিনে পাইকারিতেই দাম বেড়েছে কেজিতে ১৫ টাকা পর্যন্ত।

খুচরা বাজারে প্রতি কেজি পেয়াঁজ বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৬৫ টাকারও বেশি দামে।

ক্রেতারা বাজার মনিটরিং নেই বললেও, পেয়াঁজ সিন্ডিকেটের খুঁজে মাঠে থাকার দাবি জেলা প্রশাসনের।

আমদানিকারকরা বলছেন, ভারত মিয়ানমাত বেড়েছে পেয়াঁজের দাম। তাই সংকট ঠেকাতে অন্যান্য দেশ থেকে পেয়াঁজ আমদানি করার চেষ্টা চলছে তাদের।

আরও পড়ুন:


দক্ষিণাঞ্চলে হবে দ্বিতীয় পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র: শেখ হাসিনা

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আ.লীগের সভাপতির বাসায় ককটেল হামলার অভিযোগ

বিনয়কে দুর্বলতা ভাববেন না

বিএফইউজের নির্বাচন আয়োজনে আর বাধা নেই


ব্যবসায়িরা বলছেন কেনা দামের চেয়ে প্রায় তিন গুণ দামে পেঁয়াজ বিক্রির পেছনে জড়িত আছে কক্সবাজারের টেকনাফ ও চট্টগ্রামের ১৫ জনের একটি সিন্ডিকেট। বাজার নিয়ন্ত্রণে তাদেরকে আইনের আওতায় দাবি জানিয়েছেন তারা।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশকে ১ হাজার ২৭৫ কোটি টাকা ঋণ দেবে এডিবি

অনলাইন ডেস্ক

বাংলাদেশকে ১ হাজার ২৭৫ কোটি টাকা ঋণ দেবে এডিবি

ফাইল ছবি

বাংলাদেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ১৫ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। যা স্থানীয় মুদ্রায় প্রতি ডলার ৮৫ টাকা ধরে দাঁড়ায় প্রায় ১ হাজার ২৭৫ কোটি টাকা। ঋণের এ অর্থ কুটির, মাইক্রো এবং ছোট আকারের উদ্যোগের প্রচার এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য ব্যয় করা হবে। 

সোমবার (২৯ নভেম্বর) শেরেবাংলা নগরে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে (ইআরডি) এ সংক্রান্ত ঋণচুক্তি সই হয়েছে। সরকারের পক্ষে ইআরডি সচিব ফাতিমা ইয়াসমিন ও এডিবির পক্ষে সংস্থাটির কান্ট্রি ডিরেক্টর এডিমং গিনটিং চুক্তিতে সই করেন। করোনা মহামারির পরে আর্থ-সামাজিক পুনরুদ্ধারের অংশ হিসেবে এ ঋণ দিচ্ছে সংস্থাটি। 


আরও পড়ুন:

দেশে করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া সবাই পুরুষ

খালেদা জিয়ার মেডিকেল বোর্ডের বক্তব্যকে গুরুত্ব দিন: সরকারকে রিজভী

ফাঁকিবাজ সরকার বলেই সত্য বললেও মানুষ বিশ্বাস করেনা: মান্না


ইআরডি সচিব বলেন, এডিবির ঋণ কোভিড-১৯ মহামারির সংকট মোকাবিলায় সহায়তা করবে। ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থ-সামাজিক পুনরুদ্ধারে সহায়তা করার জন্য সরকারের প্রচেষ্টাকে এগিয়ে নেবে।

প্রকল্পটির আওতায় ২০২৫ সালের মধ্যে কমপক্ষে ৪৫ হাজার কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করবে। অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে সহায়তার জন্য নারীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। নারীদের জন্য ২০ শতাংশ ঋণ নির্ধারণ করা হয়েছে। কর্মসূচির আওতায় ৯০ হাজার মানুষকে প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির নতুন সভাপতি সায়েম সোবহান আনভীর

অনলাইন ডেস্ক

বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির নতুন সভাপতি সায়েম সোবহান আনভীর

বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীর

বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতির (বাজুস) সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সায়েম সোবহান আনভীর। তিনি দেশের ইতিহাসে প্রথম বেসরকারিখাতে গোল্ড রিফাইনারি স্থাপনের উদ্যোক্তা এবং সর্ববৃহৎ শিল্প পরিবার বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক।

বসুন্ধরা গোল্ড রিফাইনারি লিমিটেড ও আরিশা জুয়েলার্স লিমিটেডের এই ব্যবস্থাপনা পরিচালক স্বপ্ন দেখছেন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশে উৎপাদিত সোনার গহনা অচিরেই বিশ্ববাজারে রপ্তানি হবে। দেশের খ্যাতনামা উদ্যোমী শিল্পদ্যোক্তা সায়েম সোবহান আনভীর তার নেতৃত্বাধীন পুরো প্যানেলকে নির্বাচিত করায় সারা দেশের জুয়েলারি ব্যবসায়ীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

এই নির্বাচনে ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দিলীপ কুমার আগরওয়াল সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।

সোমবার (২৯ নভেম্বর) বিকাল ৫টায় রাজধানীর বায়তুল মোকারম মার্কেটে বাজুস কার্যালয়ে সংগঠনটির ৩৫ সদস্য বিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটির ২০২১-২০২৩ মেয়াদে নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল ঘোষণা করা হয়।

বাজুস নির্বাচন বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন রিহ্যাব সভাপতি ও ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই পরিচালক আলমগীর শামসুল আলামিন কাজল।

নির্বাচন বোর্ডের সদস্য ছিলেন এফবিসিসিআইর আরেক পরিচালক মো. ইকবাল হোসেন চৌধুরী ও ঢাকা চেম্বারের পরিচালক হোসেন এ শিকদার। তাদের স্বাক্ষরিত নির্বাচনের চূড়ান্ত লিখিত ফল সংগঠনটির নোটিশ বোর্ডে সোমবার প্রকাশ করা হয়। বাজুস নির্বাচনে আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এফবিসিসিআইয়ের সহসভাপতি আমিন হেলালী। আপিল বোর্ডের দুই সদস্য ছিলেন এফবিসিসিআইয়ের দুই পরিচালক ড. কাজী এরতেজা হাসান ও এম. জি. আর. নাসির মজুমদার।

বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতি- বাজুস নির্বাচন বোর্ডের তথ্যনুযায়ী, সংগঠনটির ২০২১- ২০২৩ মেয়াদে নবনির্বাচিত সভাপতি বসুন্ধরা গোল্ড রিফাইনারি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীরের সঙ্গে নির্বাচিত ৭ জন সহসভাপতি হলেন- ক্রমানুসারে মেসার্স দি আপন জুয়েলার্সের কর্ণধার গুলজার আহমেদ, নিউ জেনারেল জুয়েলার্স লিমিটেডের আনোয়ার হোসেন, অলংকার নিকেতন (প্রা:) লিমিটেডের এম. এ. হান্নান আজদ, জড়োয়া হাউজ (প্রা:) লিমিটেডের বাদল চন্দ্র রায়, সিরাজ জুয়েলার্সের ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন, এল. রহমান জুয়েলার্সের মো. আনিসুর রহমান দুলাল এবং দি আমিন জুয়েলার্সের কাজী নাজনীন ইসলাম নিপা।

বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতি- বাজুসের নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটিতে টানা চতুর্থবারের মতো সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও এফবিসিসিআই পরিচালক এবং সংগঠনটির সাবেক সহসভাপতি দিলীপ কুমার আগরওয়াল। এই কমিটিতে নির্বাচিত ৯ জন সহ-সম্পাদক হলেন- ক্রমানুসারে গোল্ড ওয়ার্ল্ডের কর্ণধার মাসুদুর রহমান, ফেন্সী ডায়মন্ডের সমিত ঘোষ অপু, ভেনাস ডায়মন্ড কালেকশনের বিধান মালাকার, মেসার্স রিজভী জুয়েলার্সের মো. জয়নাল আবেদীন খোকন, নিউ সোনারতরী জুয়েলার্সের মো. লিটন হাওলাদার, মেসার্স বৈশাখী জুয়েলার্সের নারায়ণ চন্দ্র দে, মনি মালা জুয়েলার্সের মো. তাজুল ইসলাম লাভলু, গোল্ড কিং জুয়েলার্সের এনামুল হক ভুঞা লিটন এবং পূরবী জুয়েলার্স (প্রা:) লিমিটেডের মুক্তা ঘোষ।

বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতি- বাজুসের নবনির্বাচিত কমিটিতে কোষাধ্যক্ষ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন মেসার্স কুন্দন জুয়েলারি হাউজ ও জায়া গোল্ডের কর্ণধার উত্তম বণিক। একইসঙ্গে নবনির্বাচিত কমিটিতে ১৬ জন সদস্য হলেন- ক্রমানুসারে গ্রামীণ ডায়মন্ড হাউজের কর্ণধার ও বাজুসের সাবেক সভাপতি ডা. দিলীপ কুমার রায়, শারমিন জুয়েলার্স ও ডায়মন্ড অ্যান্ড ডিভাসের কর্ণধার এবং বাজুসের বিদায়ী সভাপতি এনামুল হক খান দোলন, সুলতানা জুয়েলার্স (প্রা:) লিমিটেডের মোহাম্মদ বাবুল মিয়া, দি ডায়মন্ড সী’র মো. ইমরান চৌধুরী, পি.সি. চন্দ্র জুয়েলার্সের পবিত্র চন্দ্র ঘোষ, জুয়েলারি হাউজের মো. রিপনুল হাসান, রহমান জুয়েলার্সের আলহাজ্ব মো. মজিবুর রহমান খান, মেসার্স লিলি জুয়েলার্সের বাবলু দত্ত, রজনীগন্ধা জুয়েলার্স লিমিটেডের মো. শহিদুল ইসলাম (এম.ডি.), দি পার্ল ওয়েসিস জুয়েলার্সের জয়দেব সাহা, মেসার্স সাজনী জুয়েলার্সের ইকবাল উদ্দিন, শতরূপা জুয়েলার্সের কার্তিক কর্মকার, আফতাব জুয়েলার্সের উত্তম ঘোষ, শৈলী জুয়েলার্সের মো. ফেরদৌস আলম শাহীন, জারা গোল্ডের কাজী নাজনীন হোসেন জারা এবং রয়েল মালাবার জুয়েলার্স (বিডি) লিমিটেডের মো. আসলাম খান।

আরও পড়ুন:

এবার জাহাঙ্গীরের নামে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা


news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

পিৎজাবার্গের উদ্যোক্তা মেহেদীর গল্প

অনলাইন ডেস্ক

পিৎজাবার্গের উদ্যোক্তা মেহেদীর গল্প

মীর শামসুল বারী মেহেদী

বর্তমানে দেশের সফল উদ্যোক্তাদের কথা স্মরণ করতে গেলে যেসব উল্লেখযোগ্য সফল উদ্যোক্তাদের নাম আসে, তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন পিৎজা বার্গের প্রতিষ্ঠাতা মীর শামসুল বারী মেহেদী। ২০১৮ সালে এই সফলতার যাত্রা শুরু করে যিনি মাত্র তিন বছরের মধ্যেই সারা দেশের সমর্থন ও জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন।

মীর মেহেদীর জন্ম ১৯৯১ সালে, একটি অতি সাধারণ পরিবারে। ছোটবেলা থেকে উদ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্ন না তিনি দেখেছিলেন, না তার পরিবার। তার পরিবারের প্রত্যাশা ছিলো তিনি একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরি করবেন। উদ্যোক্তা হওয়ার চিন্তাটা তার মাথায় আসলো নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে বিবিএ পড়তে থাকাকালীন। মাল্টি ন্যাশনাল কোম্পানিতে চাকরি করার স্বপ্ন দেখতে থাকা মীর মেহেদীর হঠাত মনে হয়, চাকরি করলে তিনি নিজের পুরো সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে পারবেন না। এই চিন্তা থেকে তার উদ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্নের জন্ম, যেই স্বপ্ন পরবর্তীতে পরিণত হয় এখনকার সবচেয়ে জনপ্রিয় ও সুস্বাদু পিৎজার রেস্তোরা পিৎজা বার্গে। গ্র্যাজুয়েশনের পরই তিনি মাঠে নামের তার স্বপ্নকে বাস্তবতায় রূপান্তরিত করতে।

পিজ্জা

মীর মেহেদী চেয়েছিলেন নতুন কিছু করতে। তার রেস্টুরেন্টের নাম তিনি দেন “পিৎজা বার্গ”, যেন সবাই বুঝতে পারেন যে  পিৎজাবার্গে  পিৎজা এবং বার্গার দুইটাই পাওয়া যায়।  পিৎজা বার্গে পিৎজা এবং বার্গার ছাড়াও পাওয়া যায় এপিটাইজিং ড্রিংক ও সেট মেন্যু।  পিৎজাবার্গে  পিৎজাগুলোরও তিনি অভিনব নাম দেন। এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি চাহিদা হলো মিটি অনিয়ন, সসেজ কার্নিভাল, মিট মেশিন, ফোর ফ্লেভার ইত্যাদির। অনেক রকম চিজ, টপিংয়ের এর ব্যবহারে  পিৎজাগুলোর স্বাদ নিয়ে কোনো কমতি রাখা হয় এসব  পিৎজায়। মীর মেহেদীর মতে, জনপ্রিয়তা পাওয়া কঠিন, কিন্তু ধরে রাখার আরও কঠিন। তাই তিনি সবসময় চেষ্টা করি আমাদের  পিৎজার স্বাদ প্রতিনিয়ত উন্নত করার। সবগুলো ব্রাঞ্চে স্বাদ ঠিক রাখার জন্য তিনি রেখেছেন আলাদা কন্ট্রোল টিম। আর  পিৎজার ডো কিংবা টপিং তৈরি করা হয় সেন্ট্রাল কিচেনেই, আর বেকিং অংশটুকু করা হয় ব্রাঞ্চের কিচেনে।  পিৎজা উপকরণের প্রায় ৮০ শতাংশই বাইরের দেশ থেকে আমদানি করে আনা হয়।

ধানমন্ডি শাখা

পিৎজা বার্গের আনুষ্ঠানিক পথচলা শুরু হয় ২০১৮ সালের জানুয়ারি মাসে মিরিপুরের প্রথম ব্রাঞ্চের মাধ্যমে। বর্তমানে পিৎজা বার্গের ব্রাঞ্চ মোট ৯টি।  পিৎজা বার্গ নিয়ে মীর মেহেদীর পরিকল্পনা হলো কয়েক বছরের মধ্যে প্রতি জেলায়  পিৎজা বার্গের ব্রাঞ্চ তৈরি করা। দেশের গন্ডিতে  পিৎজা বার্গ সর্বত্র তার স্থান করে ফেলার পর তিনি নিবেন আরো বড় পদক্ষেপ। দেশের বাইরে আন্তর্জাতিক মহলেও তিনি তৈরি করবেন বাংলাদেশের রেস্তোরা  পিৎজা বার্গের  পিৎজার অবস্থান। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিয়ে যেয়ে পিৎজা চেইন তৈরি করাই তার বৃহত্তর পরিকল্পনা।

পিৎজা বার্গের জনপ্রিয়তার মূল কারণ মীর মেহেদী মনে করেন এর অনন্যতা আর অভিনবতা। বলাই বাহুল্য, বর্তমান প্রজন্মের তরুণদের মধ্যে জনপ্রিয়তার শীর্ষে এখন পিৎজা বার্গ।  পিৎজা বার্গ দেশের  পিৎজা মান উন্নয়ন ও অনন্যতার অন্যতম পথিকৃৎ হিসেবে এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশের  পিৎজা দেশ ও বিদেশের গন্ডি পেড়িয়ে এটি আরো অনেক দূর এগিয়ে যাবে, তরুণ এই উদ্যোক্তার এই স্বপ্নপূরণ দেশবাসীরও কাম্য।

পিজ্জার বাক্স

পথচলার শুরুতে তরুণ এই উদ্যোক্তাকে সবচেয়ে বেশি সহযোগিতা এবং সমর্থন দিয়েছে তার পরিবার। বন্ধুদের মধ্যে হিয়া নামের একজন বন্ধু তাঁকে মার্কেটিং এ সাহায্য করেছে। সূচনার ঝক্কি পেড়িয়ে সময়ে সময়ে আরো অনেক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়েছে তাঁকে। কোভিড প্যান্ডেমিকে অন্য সব প্রতিষ্ঠানের মতো মীর মেহেদীকেও লড়াই করতে হয়েছে টিকে থাকার জন্য। অভিযোজনের এই লড়াই এ টিকে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোই দিনশেষে মুখ দেখে সফলতার, এভাবে তৈরি হয় একেকজন সফল উদ্যোক্তার গল্প।

আরও পড়ুন:

৭ দেশে সৌদি আরবের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা


news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

রড-পাথরের দাম বৃদ্ধি: সরকারি দরপত্রে সমন্বয় চায় এফবিসিসিআই

অনলাইন ডেস্ক


রড-পাথরের দাম বৃদ্ধি: সরকারি দরপত্রে সমন্বয় চায় এফবিসিসিআই

বক্তব্য রাখছেন এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন

রড-পাথরের চড়া দামে বিপাকে প‌ড়ে‌ছে নির্মাণ খাত। এমন পরিস্থিতিতে সরকারি দরপত্রে দাম সমন্বয়ের বিধান রাখার দা‌বি জানি‌য়ে‌ছে ব্যবসায়ী‌দের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই।

রোববার (২৮ নভেম্বর) এফবিসিসিআই কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে সংগঠন‌টি এ দা‌বি জানা‌য়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন।

সভায় বক্তারা বলেন, সাম্প্রতিক দাম বৃদ্ধির কারণে, আগে থেকে করা চুক্তির মূল্য অনুযায়ী নির্মাণ কাজ শেষ করা সম্ভব হচ্ছে না। এছাড়াও অনেক সময়ই দরপত্র জমা দেয়ার পর আগ্রিম কর ও ভ্যাটের হারসহ সরকারের আর্থিক নীতিতে পরিবর্তন করা হয়।

এসব ক্ষেত্রে সরকারি দরপত্রে পরিবর্তিত পরিস্থিতির সাথে মূল্য সমন্বয়ের বিধান বা প্রাইস ভ্যারিফিকেশন ক্লজ থাকা উচিৎ বলে মনে করে এফবিসিসিআই’র নির্মাণ খাত বিষয়ক স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্যরা।

নির্ধারিত সময়ের ৫৬ দিন পার হলে, দেরিতে টাকা পরিশোধের বেলায় সুদ আরোপের প্রস্তাব করেন বক্তারা। একই সঙ্গে সরকারি অবকাঠামো নির্মাণে বিদেশী প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণকে নিরুৎসাহীত করার তাগিদ দেন স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্যরা।

আরও পড়ুন:


তাইজুল ম্যাজিকে লিড পেলো বাংলাদেশ

হেফাজত মহাসচিব মাওলানা নুরুল ইসলাম আইসিইউতে

অন্তঃসত্ত্বা নারীকে হত্যা করে পেট চিরে বাচ্চা চুরি!


বৈঠকে এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন বলেন, দেশের বেশিরভাগ প্রকল্পই বিদেশি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হচ্ছে। বাংলাদেশ যেহেতু উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হচ্ছে, তাই স্থানীয় নির্মাণ প্রতিষ্ঠানের ওপর নির্ভরতা বাড়ানোর দরকার। স্থানীয় প্রতিষ্ঠানের অগ্রগতির জন্য এফবিসিসিআই সর্বোচ্চ উদ্যোগ নেবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

থাকছে বাস সার্ভিস

পূর্বাচলে ১ জানুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে বাণিজ্য মেলা

অনলাইন ডেস্ক

পূর্বাচলে ১ জানুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে বাণিজ্য মেলা

পূর্বাচলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা

পূর্বাচলের বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে (বিবিসিএফইসি) শুরু হচ্ছে ২৬তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা-২০২২ শুরু হবে আগামী ১ জানুয়ারি থেকে।

এবার বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী, স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড মাথায় রেখে সাজানো হবে মেলা প্রাঙ্গণ।

এছাড়া এবারই প্রথম দর্শনার্থীদের যাতায়াতের সুবিধার জন্য থাকছে ৩০টি বিআরটিসি বাস। কুড়িল ফ্লাইওভারের নিচ থেকে মাসব্যাপী সকাল ৮টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত যাতায়াত করবে বাসগুলো। এসব বাসে ন্যূনতম ২৫ টাকা ভাড়ায় দর্শনার্থীরা যাতায়াত করতে পারবেন।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) সূত্রে জানা যায়, দেশে করোনা পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ায় আগামী ১ জানুয়ারি পূর্বাচলের বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে বাণিজ্য মেলা আয়োজনের প্রস্তুতি নিতে গত ১৩ সেপ্টেম্বর ইপিবিকে চিঠি দেয় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। সম্প্রতি এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অনুমতি চাইলে তিনি ১ জানুয়ারি থেকে মেলা আয়োজনের অনুমতি দেন।

ইপিবি সচিব ও বাণিজ্য মেলার পরিচালক মো. ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী জানান, এবার বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী, স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড মাথায় রেখে মেলা সাজানো হচ্ছে। বাণিজ্য মেলার গেটের প্রতি সবার আকর্ষণ থাকে। এবার গেটের থিমে প্রাধান্য পাবে ১০ মেগা প্রকল্প। সার্বিক নিরাপত্তার বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বৈঠক হয়েছে।

স্টল বরাদ্দের জন্য টেন্ডার বাছাইয়ের কাজ চলছে জানিয়ে ইপিবির সচিব ও মেলার পরিচালক বলেন, বিশ্বব্যাপী যে সিস্টেমে মেলা হয়, এবার তাই হবে। মেলার ভেতরে সেল স্ক্রিন দিয়ে ছোট ছোট স্টলগুলোর সীমানা দেওয়া হবে। ভেতরে প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের মতো করে ডেকোরেশন করবে। করোনার জন্য এবার স্টলগুলোর মাঝখানে দূরত্ব বেশি রাখা হচ্ছে। পাশাপাশি অন্য বছরের তুলনায় এবার মেলায় স্টল সংখ্যা কমানো হয়েছে।

তিনি বলেন, মিলনায়তনের ভেতরে ও সামনের ফাঁকা জায়গা মিলে ২২৫ থেকে ২৩০টি স্টল থাকবে। এতে করে দর্শনার্থীরা স্বাচ্ছন্দে ঘুরে বেড়াতে পারবেন। এবারও প্রিমিয়ার প্যাভিলিয়ন, প্রিমিয়ার মিনি প্যাভিলিয়ন, জেনারেল স্টল, ফুডকোড, মিনি স্টল, প্রিমিয়ার স্টলসহ ৩২টি ক্যাটাগরি রয়েছে। সাধারণ যেসব মেলা মিলনায়তনের মধ্যে হয়, সেখানে কখনো নিজের মতো করে স্টল দেওয়া যায় না। ফ্লোর খুঁড়ে তো আর স্টল করা যাবে না। মিলনায়তনের ভেতরে নিজস্ব একটা ক্যাফেটরিয়া রয়েছে। একসঙ্গে ৫০০ লোক বসে খাবার খেতে পারবে। এছাড়া আরো ১২-১৩টি স্টল থাকবে।

আরও পড়ুন:


হেফাজত মহাসচিব মাওলানা নুরুল ইসলাম আইসিইউতে

অন্তঃসত্ত্বা নারীকে হত্যা করে পেট চিরে বাচ্চা চুরি!


ইপিবি সূত্রে জানা যায়, করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে এবার মেলার ভেতর পর্যাপ্ত জায়গা ফাঁকা রাখা হচ্ছে। প্রাণ, যমুনা, স্যামসাং, আবুল খায়ের, হোন্ডার মতো প্রতিষ্ঠানগুলো ইতোমধ্যে স্টলের জন্য আবেদন করেছে। ভেতরে যে ২৪টি প্রিমিয়াম স্টল আছে এরমধ্যে ২২টি বরাদ্দ হয়ে গেছে। নতুন মেলাকেন্দ্রে বৃহৎ পরিসরে পার্কিং সুবিধা রয়েছে। দোতলা পার্কিং বিল্ডিংয়ের মোট পার্কিং স্পেস সাত হাজার ৯১২ বর্গমিটার, যেখানে ৫০০টি গাড়ি রাখা যাবে।

তবে মেলার শৃঙ্খলার স্বার্থে গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য কেন্দ্রের পাশেই রাজউকের পানির প্ল্যান্ট ভাড়া নেওয়া হয়েছে। সেখানে এক হাজার গাড়ি পার্কিং হবে। এছাড়া এক্সিবিশন বিল্ডিংয়ের সামনের খোলা জায়গায় আরও এক হাজার গাড়ি পার্কিংয়ের সুযোগ আছে।

জানা যায়, পূর্বাচলের বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টার নির্মাণে মোট ব্যয় হয়েছে ৭৭৩ কোটি টাকা। যার মধ্যে চীনের অনুদান ৫২০ কোটি ৭৩ লাখ টাকা, বাংলাদেশ সরকারের ২৩১ কোটি টাকা ও ইপিবি নিজস্ব তহবিল থেকে ২১ কোটি ২৭ লাখ টাকা অর্থায়ন করেছে। 

এক্সিবিশন সেন্টারে তৈরি করা ফ্লোরের আয়তন ৩৩ হাজার বর্গমিটার, বিল্ডিংয়ের ফ্লোরের আয়তন ২৪ হাজার ৩৭০ বর্গমিটার ও এক্সিবিশন হলের আয়তন ১৫ হাজার ৪১৮ বর্গমিটার। এক্সিবিশন হলে ৮০০টি বুথ রয়েছে। প্রতিটি বুথের আয়তন নয় দশমিক ৬৭ বর্গমিটার। 

এছাড়াও রয়েছে ৪৭৩ আসনবিশিষ্ট একটি মাল্টি-ফাংশনাল মিলনায়তন, ৫০ আসনবিশিষ্ট একটি কনফারেন্স রুম, ছয়টি মিটিং রুম, শিশুদের খেলার স্পেস, নামাজের কক্ষ, দুটি অফিস রুম, মেডিক্যাল রুম, ডরমেটরি-গেস্ট রুম, ১৩৯টি টয়লেট, বিল্ট ইন পাবলিক এড্রেস সিস্টেম, নিজস্ব ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট, স্টোর রুম, সিসিটিভি কন্ট্রোল রুম, অটোমেটেড সেন্ট্রাল এসি সিস্টেম ও ইনবিল্ট ইন্টারনেট।

প্রসঙ্গত, ১৯৯৫ সাল থেকে ঢাকার শেরেবাংলা নগরে অস্থায়ী জায়গায় ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছিল। প্রতিবছর জানুয়ারির ১ তারিখ প্রধানমন্ত্রী এ মেলার উদ্বোধন করেন। করোনার কারণে চলতি বছর বাণিজ্য মেলা হয়নি। 

গত ৭ ফেব্রুয়ারি বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশীর কাছে বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারটি হস্তান্তর করেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত লি জিমিং। পরে ২১ অক্টোবর প্রদর্শনী কেন্দ্রটির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সূক্র: বাংলানিউজ।

news24bd.tv/ কামরুল 

পরবর্তী খবর