কারা নিয়ন্ত্রণ করে রোহিঙ্গা ক্যাম্প

অনলাইন ডেস্ক

কারা নিয়ন্ত্রণ করে রোহিঙ্গা ক্যাম্প

কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পগুলো নিয়ন্ত্রণ করছে ছোটবড় শতাধিক সন্ত্রাসী গ্রুপ। অস্ত্র ও মাদক ব্যবসা, মানব পাচার, ডাকাতি, চাঁদাবাজিসহ নানা অপরাধ কর্মকান্ডের নেপথ্যে রয়েছে সন্ত্রাসী গ্রুপগুলো। যদিও প্রশাসনের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে, সন্ত্রাসী গ্রুপগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করতে নিয়মিত চালানো হচ্ছে অভিযান।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে থাকা আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন-১৪ এর পুলিশ সুপার নাঈমুল হক বলেন, ‘রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বড় কোনো সন্ত্রাসী গ্রুপ নেই। যে বিচ্ছিন্ন গ্রুপ রয়েছে সেগুলো ছিনতাই ও ডাকাতির মতো ঘটনার সঙ্গে জড়িত। এরই মধ্যে এ ধরনের কয়েকটা গ্রুপের সরদারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেফতারের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।’

টেকনাফ উপজেলা চেয়ারম্যান নুরুল আলম বলেন, ‘রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সক্রিয় রয়েছে বিভিন্ন সন্ত্রাসী গ্রুপ। এ গ্রুপগুলো নানা ধরনের অপরাধ কর্মকান্ডে জড়িত। তাদের কারণে অপরাধীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে রোহিঙ্গা ক্যাম্প।’ তিনি বলেন, ‘এ সন্ত্রাসী গ্রুপগুলোর তৎপরতা রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। ক্যাম্পের বাইরেও রয়েছে তাদের সমান বিচরণ। এ সন্ত্রাসী গ্রুপগুলোর হাতে প্রায় সময় বাঙালিরাও হামলার শিকার হন।’

অনুসন্ধানে জানা যায়, কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পগুলোয় সক্রিয় রয়েছে ছোটবড় শতাধিক সন্ত্রাসী গ্রুপ। তারা ক্যাম্পে অপরাধ সাম্রাজ্য ধরে রাখতে বিভিন্ন ব্লকভিত্তিক তৈরি করেছে বাহিনী। এসব গ্রুপে একেকটিতে সদস্য রয়েছে সর্বনিম্ন ৫০ থেকে সর্বোচ্চ ৫০০ পর্যন্ত। সন্ত্রাসী গ্রুপগুলো নিজেদের বাহিনীর মাধ্যমে এলাকা ব্লকভিত্তিক অপরাধ কর্মকান্ড নিয়ন্ত্রণ করে। ক্যাম্পে সক্রিয় গ্রুপগুলো চাঁদাবাজি, ছিনতাই, ডাকাতি, অস্ত্র ও মাদক ব্যবসা, মানব পাচার, অপহরণসহ নানা অপরাধ কর্মকান্ড নিয়ন্ত্রণ করে। রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সক্রিয় রয়েছে ছোটবড় শতাধিক সন্ত্রাসী গ্রুপ। তাদের মধ্যে ক্যাম্পে সবচেয়ে বেশি আধিপত্য রয়েছে আদ্দু বাহিনী, জোকি বাহিনী, গিয়াস বাহিনী, সালমান শাহ বাহিনী, মাস্টার মুন্না বাহিনী ও মৌলভী বাহিনীর।

 সালমান শাহ বাহিনীর প্রধান সালমান শাহ বর্তমানে কারাগারে থাকলেও তার গ্রুপের কয়েকজন মিলে সক্রিয় রেখেছে বাহিনীর কার্যক্রম। জোকি বাহিনীর প্রধান জোকি ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হলে এ বাহিনীর হাল ধরেন জোকির বড় ভাই দিল মোহাম্মাদ আর জামিল। এ ছাড়া ক্যাম্পে সক্রিয় রয়েছে এমন সন্ত্রাসী গ্রুপগুলোর মধ্যে রকি বাহিনী, শুক্কুর বাহিনী, আবদুল হাকিম বাহিনী, সাদ্দাম বাহিনী, জাকির বাহিনী, নবী হোসেন বাহিনী, পুতিয়া বাহিনী, শাহ আজম বাহিনী, আবদুল্লাহ ওরফে দাদাভাই বাহিনী, বুলু বাহিনী, সুলতান বাহিনী, সফিক বাহিনী, রফিক বাহিনী, মুর্তজা বাহিনী, হামিদুল্লাহ বাহিনী, শরীফ হোসেন বাহিনী, রহমান বাহিনী, সবেদ উল্লাহ বাহিনী, আবদুল্লাহ বাহিনী, ফয়সাল বাহিনী, সোলাম বাহিনী, হামিদ হোসেন বাহিনী, মুহিবুর রহমান বাহিনী, দিলদার বাহিনী, আবু সাঈদ বাহিনী, তাহের বাহিনী, ফারুক বাহিনী, মুক্কুস বাহিনী, জুবায়ের বাহিনী, মুস্তফা বাহিনী, আবদুল্লাহ আইদি বাহিনী, হাসন শরীফ বাহিনী, আবদুল জলিল বাহিনী, হাফেজ উল্লাহ বাহিনী, আরমান খান বাহিনী, আইয়ুব বাহিনী, আমির হোসেন বাহিনী, নুর ইসলাম বাহিনী, আলী আকবর বাহিনী, কামাল বাহিনী, জাইবু রহমান বাহিনী, নাজিমুদ্দিন বাহিনী, সোনা উল্লাহ বাহিনী ও আরাফাত বাহিনী অন্যতম।

আরও পড়ুন:


রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ‘হৃৎপিণ্ড’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

অ্যান্ডোরার বিপক্ষে বড় জয়, বিশ্বকাপের আরও কাছে ইংল্যান্ড

অ্যালকোহল চুরির অভিযোগ!

বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ, অন্তঃসত্ত্বা তরুণী


টেকনাফের শরণার্থী ক্যাম্পের এক অধিবাসী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বসবাস করা ব্যবসায়ীদের দৈনিক হারে এবং সাধারণ লোকজনকে মাসিক হারে চাঁদা দিতে হয় সন্ত্রাসী গ্রুপগুলোকে। কেউ চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তার ওপর নেমে আসে অমানুষিক নির্যাতন।

সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন 

পরবর্তী খবর

করোনায় দেশে ২৪ ঘণ্টায় ছয়জনের মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক

করোনায় দেশে ২৪ ঘণ্টায় ছয়জনের মৃত্যু

করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৮ হাজার ১ জনে।

একই সময়ে নতুন করে করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন ১৯৭ জন। এ পর্যন্ত মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা হয়েছে ১৫ লাখ ৭৭ হাজার ৪৪৩ জন।

আজ বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, একদিনে করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ২২৬ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১৫ লাখ ৪২ হাজার ২৭৪ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় ১৯ হাজার ৪৩ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় ১৯ হাজার ১৩২টি নমুনা। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১ দশমিক ০৩ শতাংশ।

আরও পড়ুন:


চট্টগ্রামেও হাফ ভাড়া নেওয়ার ঘোষণা

লকডাউন দেয়ার বিষয়ে যা জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী


সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের ২ জন পুরুষ ও ৪ জন নারী। এ সময়ে ঢাকায় ৫ ও ময়মনসিংহে ১ জন মারা গেছেন। বাকি বিভাগগুলোতে কারো মৃত্যু হয়নি।  

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

রংপুরে এখন আর মঙ্গা নেই: বাণিজ্যমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

রংপুরে এখন আর মঙ্গা নেই: বাণিজ্যমন্ত্রী

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, একসময় রংপুর অঞ্চলের মানুষকে ছোট করে দেখা হতো, এখন আর সেই দিন নেই। অবস্থার আমূল পরিবর্তন হয়েছে। মানুষ এখন রংপুর অঞ্চলের প্রশংসা করে। 

তিনি বলেন, পুরো রংপুর অঞ্চলে এখন কোথাও আর মঙ্গা নেই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিরোধী দলে থাকাবস্থায় রংপুর সফরকালে বলেছিলেন, আমরা ক্ষমতায় গেলে রংপুর অঞ্চলের মঙ্গা শেষ করবো। প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উদ্যোগে আজ তা-ই হয়েছে।

রোববার (৫ ডিসেম্বর) ঢাকায় ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম মিলনায়তনে রংপুর বিভাগীয় সাংবাদিক সমিতি (আরডিজেএ) আয়োজিত “আরডিজেএ-এর প্রয়াত সদস্যের সন্তানদের বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, মঙ্গা কাটিয়ে দেশের উন্নয়নের সঙ্গে তাল মিলিয়ে রংপুরও এগিয়ে যাচ্ছে। রংপুরের উন্নয়ন এখন দৃশ্যমান।

তিনি বলেন, রংপুরে পাইপে গ্যাস সররাহের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে, অল্প সময়ের মধ্যে তা শেষ হবে। এ অঞ্চলে বেশ কয়েকটি স্পেশাল ইকোনমিক জোন গড়ে তোলার কাজ চলছে। প্রায় সাড়ে আট হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে তিস্তা নদীর দু’ধারে উন্নয়নমূলক কাজ বাস্তবায়ন হচ্ছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, রংপুরে শিল্প কলকারখানা গড়ে তোলা হচ্ছে। উত্তর-পূর্ব ভারত থেকে নদীপথে মালামাল আনা-নেওয়ার জন্য বন্দর গড়ে তোলা হয়েছে। জলযান চলাচলের সুবিধার্থে নদীর নাব্য বাড়ানো হচ্ছে।

আরও পড়ুন:


চট্টগ্রামেও হাফ ভাড়া নেওয়ার ঘোষণা

লকডাউন দেয়ার বিষয়ে যা জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী


তিনি বলেন, কুড়িগ্রামে একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলার কাজ চলছে, সংসদে এ সংক্রান্ত বিল পাস হয়েছে। সৈয়দপুরকে আমরা আঞ্চলিক বিমানবন্দর হিসেবে গড়ার কাজ করছি। ভুটান ও নেপাল এ বিমানবন্দর ব্যবহার করবে। প্রতিদিন সৈয়দপুরে ১৫-১৬টি ফ্লাইট পরিচালিত হচ্ছে। এতে বোঝা যাচ্ছে, এ অঞ্চলের মানুষের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে। 

আরডিজেএ সভাপতি মোকছুদার রহমান মাকসুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, সংগঠনের সাবেক সভাপতি শফিকুল করিম সাবু, নাজমুল হক সরকার, ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের সাধারণ সম্পাদক এসএম রাশিদুল ইসলাম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন আরডিজেএ’র সাধারণ সম্পাদক মো. মিজানুর রহমান।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

উদ্যোক্তা তৈরির জন্য সব ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছি: প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

উদ্যোক্তা তৈরির জন্য সব ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছি: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শিক্ষাজীবন শেষ করে চাকরির পেছনে না ছুটে উদ্যোক্তা হতে তরুণ প্রজন্মের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। উদ্যোক্তা তৈরি করার জন্য আওয়ামী লীগ সরকার সব ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘পাস করেই চাকরির পেছনে না ছুটে, নিজেরা উদ্যোক্তা হতে হবে এবং অন্যকে চাকরি দেওয়ার সুযোগ তৈরি করতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ ‘৯ম জাতীয় এসএমই পণ্য মেলা-২০২১’-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে এ কথা বলেন। তিনি রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত মূল অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সের সাহায্যে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘তরুণ সমাজকে শিক্ষার সুযোগ করে দিয়েছি। কারিগরি শিক্ষা এবং ভোকেশনাল ট্রেনিংয়েরও সুযোগ করে দিয়েছি। পাশাপাশি কম্পিউটার ট্রেনিংয়ের মাধ্যমে অনলাইনে সব রকম ব্যবসা বাণিজ্য যাতে করতে পারে সে ব্যবস্থাও করে দিয়েছি।’

আরও পড়ুন


চট্টগ্রামেও হাফ ভাড়া নেওয়ার ঘোষণা


প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার যুব সমাজের কল্যাণে স্টার্টআপ প্রোগ্রাম নিচ্ছে এবং এ জন্য বাজেটে আলাদা টাকাও বরাদ্দ আছে। কাজেই উদ্যোক্তা হতে চাইলে, যে কেউ হতে পারে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে এখন ব্রডব্যান্ড সুবিধা প্রায় ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত পৌঁছে যাচ্ছে। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। মোবাইল ফোন সবার হাতে হাতে পৌঁছে গেছে।

ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে যোগাযোগ খুব সহজ হয়ে গেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রি বলেন, ‘ক্রয়-বিক্রয়, পণ্যমান—সবকিছু জানার একটা সুযোগ হচ্ছে। বাজার সম্পর্কে জানার সুযোগ হচ্ছে। বাজারের চাহিদা ও পণ্যের মূল্য সম্পর্কে জানার সুযোগ হচ্ছে। এ সুবিধাগুলো কিন্তু এখন চলে এসেছে। যার ফলে আমি মনে করি আমাদের মানুষের আর কষ্ট করার কোনো অর্থ হয় না। একটু স্ব-উদ্যোগে কাজ করলেই কিন্তু নিজেরা উদ্যোক্তা হতে পারেন এবং নিজেরা কাজ করতে পারেন।’

মারাত্মক করোনাভাইরাস আক্রমণের কারণে ১৯ মাস বিরতির পর এসএমই ফাউন্ডেশন এবারের মেলার আয়োজন করেছে। ২০২০ সালের মার্চ মাসে শেষ এসএমই মেলার আয়োজন করেছিল, যখন দেশে করোনভাইরাস সংক্রমণের প্রথম কয়েকটি কেস শনাক্ত হওয়ার পরে দ্রুত গুটিয়ে যায়।

১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত  চলমান এ মেলায় প্রথম বারের মতো ১০টি ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) অংশ নিচ্ছে। পাশাপাশি সারা দেশ থেকে বাছাই করা ৩০০ এসএমই প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে, যাদের প্রায় ৬০ শতাংশ নারী উদ্যোক্তা।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে বিশেষ অতিথি এবং অনুষ্ঠানে সভাপতি শিল্পমন্ত্রী নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন জাতীয় এসএমই পুরস্কার ২০২১ বিজয়ী চার উদ্যোক্তার হাতে ক্রেস্ট, সনদ ও চেক তুলে দেন।

বিশেষ অতিথি এবং আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার, শিল্প সচিব জাকিয়া সুলতানা, এফবিসিসিআই সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন এবং এসএমই ফাউন্ডেশনের চেয়ারপারসন ড. মো. মাসুদুর রহমান বক্তৃতা দেন।

মুজিববর্ষ এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদ্‌যাপনকালে দেশে শতভাগ বিদ্যুতায়নের অঙ্গীকার পুণর্ব্যক্ত করে সরকারপ্রধান বলেন, ‘আজকে শতভাগ বিদ্যুৎ যখন দেওয়া হচ্ছে, পাশাপাশি যোগাযোগ ব্যবস্থার ব্যপক উন্নয়ন আমরা করে দিয়েছি। আর, একটা জায়গায় বিদ্যুৎ ও যোগাযোগ ব্যবস্থা যদি থাকে, তাহলে সেখানে পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকরণে কোনো সমস্যা হয় না।’

আমাদের দেশে কাঁচামালের সহজলভ্যতা রয়েছে, সে বিবেচনাতেও দেশে শিল্প গড়ে উঠতে পারে বলে অভিমত ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এতে করে আমার নিজের দেশে যেমন বাজার সম্প্রসারণ হচ্ছে এবং মানুষের ক্রয় ক্ষমতা বাড়ছে, সেইসঙ্গে বিদেশেও আমরা রপ্তানি করতে পারব, আমাদের রপ্তানি পণ্য বৃদ্ধি পাবে।’ সেজন্য আমাদের পণ্যগুলো যাতে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন হয় সেদিকে দৃষ্টি দেওয়ার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। সূত্র: বাসস।

news24bd.tv/ কামরুল 

পরবর্তী খবর

বঙ্গবন্ধু তৃণমূল থেকে তার সংগ্রাম শুরু করেছিলেন: পুতুল

অনলাইন ডেস্ক

বঙ্গবন্ধু তৃণমূল থেকে তার সংগ্রাম শুরু করেছিলেন: পুতুল

ফাইল ছবি

শেখ হাসিনার কন্যা আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন অটিজম বিশেষজ্ঞ সায়মা ওয়াজেদ পুতুল বলেছেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কত তৃণমূল থেকে তার সংগ্রাম শুরু করেছিলেন আজ অনেকই তা ভুলে গেছেন।

আজ রোববার (৫ ডিসেম্বর) ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে ‘বিশ্ব শান্তি সম্মেলন’ উপলক্ষে অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি তিনি এসব কথা বলেন।

সায়মা ওয়াজেদ বলছেন, আমার নানা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার সারাজীবন মানুষের শান্তির জন্য সংগ্রাম করেছেন। বঙ্গবন্ধু কত তৃণমূল থেকে তার সংগ্রাম শুরু করেছিলেন আজ অনেকই তা ভুলে যান। তার রাজ‌নৈ‌তিক ক্যারিয়ার যে তৃণমূল থে‌কে শুরু করা সেটাও অনে‌কে ভু‌লে যান।

আরও পড়ুন


চট্টগ্রামেও হাফ ভাড়া নেওয়ার ঘোষণা


তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু সংলাপে বিশ্বাস করতেন এবং সাধারণ মানুষের অধিকারের জন্য দাঁড়িয়ে যেতেন, লড়াই করতেন। তিনি বিশ্বাস করতেন শান্তি তখনই অর্জন হবে যখন সমাজে ভয়হীনতা, সাম্য ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা হবে।

news24bd.tv/ কামরুল 

পরবর্তী খবর

শাহবাগে শিক্ষার্থীদের প্রতীকী লাশের মিছিল

অনলাইন ডেস্ক

শাহবাগে শিক্ষার্থীদের প্রতীকী লাশের মিছিল

শাহবাগে প্রতীকী লাশের মিছিল

সড়কে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ও সারা দেশে গণপরিবহনে অর্ধেক ভাড়ার (হাফ পাস) শর্তহীন প্রজ্ঞাপন জারি করাসহ ৯ দফা দাবিতে রাজধানীর শাহবাগে প্রতীকী লাশের মিছিল করেছে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

আজ রোববার দুপুর ১টার দিকে তারা এ মিছিল করেন। মিছিলে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।

শিক্ষার্থীরা শাহবাগ থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকা পর্যন্ত মিছিল করেন। পরে তারা রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করেন। 

আরও পড়ুন:


চট্টগ্রামেও হাফ ভাড়া নেওয়ার ঘোষণা

লকডাউন দেয়ার বিষয়ে যা জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী


নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ইনজামুল হক পরবর্তী কর্মসূচির ঘোষণা দিয়ে বলেন, সড়ক ব্যবস্থায় আলোর পথ দেখানোর জন্য আগামীকাল আমরা শহীদ মিনারে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন কর্মসূচি পালন করব। পাশাপাশি সেখানে প্রতিবাদী গানের আসর হবে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর