সুরা কাহাফ ১৯ নম্বর আয়াতের একটি শব্দকে বোল্ড করে লেখার কারণ...

আলিমুল হক

সুরা কাহাফ ১৯ নম্বর আয়াতের একটি শব্দকে বোল্ড করে লেখার কারণ...

সুরা কাহাফের ১৯ নম্বর আয়াতের একটি শব্দকে বোল্ড করে লেখা হয়। কারণ, বলা হয়, এই শব্দটি গোটা কুরআনের ঠিক মধ্যিখানে বসেছে। 

শব্দটি “والیتلطف” যার বাংলা অর্থ ‘ভদ্রভাবে বা নম্রভাবে কথা বলুন’। আল্লাহ হযরত মুসাকে (আ:) ফেরাউনের সঙ্গে নম্রভাবে কথা বলতে বলেছেন এখানে। 

আসুন, আমরা ভদ্র হই, সকলের সঙ্গে নম্রভাবে কথা বলি।

লেখাটি সাংবাদিক আলিমুল হক-এর ফেসবুক থেকে নেওয়া। (সোশ্যাল মিডিয়া বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

ভাত কম খাওয়া প্রসঙ্গে

গুলজার হোসাইন উজ্জ্বল

ভাত কম খাওয়া প্রসঙ্গে

ভাত কম খেতে হবে- এই পরামর্শ ঠিক আছে৷ কিন্তু এই পরামর্শ একজন চিকিৎসক দিলে এর অর্থ একরকম। কৃষিমন্ত্রী বা অর্থমন্ত্রী বললে তার অর্থ হয় আরেক রকম। চালের মূল্য সহ নানাবিধ দ্রব্যমূল্যের উর্ধগতি যখন সমকালের রেকর্ড ছাড়িয়ে যায় সেই সময়ে এ জাতীয় পরামর্শ উপহাসের মত লাগে। 

আজ থেকে বিশ-পঁচিশ বছর আগেও এরকম রসিকতা হজম করতে হয়েছে। কিংবা তারও আগে। আশির দশকে শ্লোগান ছিল বেশি বেশি আলু খান, ভাতের উপর চাপ কমান। সাইফুর রহমান সাহেবও একবার বলেছিলেন ভাত কম করে খেতে।  পেঁয়াজের দাম বাড়লে মন্ত্রীরা বলেন পেঁয়াজ না খেলে কি হয়? আমাদের মন্ত্রীদের কেন এসব বলতে হয়? এত হিউমার তো ভাল লাগেনা।

সোশ্যাল মিডিয়া বিভাগের সব লেখার আইনগত ও অন্যান্য সব দায় লেখকের। মতামত লেখকের নিজস্ব, সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv/এমি-জান্নাত  

পরবর্তী খবর

এই পুরো প্রক্রিয়াটি একটি এবাদত

সাদিয়া নাসরিন

এই পুরো প্রক্রিয়াটি একটি এবাদত

সন্তান গর্ভে ধারণ করলে আর ডিউ সময়ে ডেলিভারি দিলেই মা হওয়া যায়না। সন্তান গর্ভে ধারন, জন্মদান ও প্যারেন্টিং এই পুরো প্রক্রিয়াটি একটি এবাদত এবং অতি অবশ্যই সর্বশ্রেষ্ঠ এবাদত বলে আমি মনে করি। কারণ, একজন শিশু শুধু ব্যক্তির সন্তান মাত্র নয়, শিশু মানে এই মানব সভ্যতার বিকাশ। সুতরাং শিশুর বিকাশের এই পুরো প্রক্রিয়ায় যে কোন একটি ধাপের ছোট ভুল পুরো এবাদতকেই শেষ করে দিতে পারে। 

আমরা সবাই জানি, শিশুর মনোবিকাশের শুরু হয় মায়ের গর্ভ থেকে। বিশেষ করে, শিশুর প্রারম্ভিক বিকাশে শূন্য থেকে এক হাজার দিন। একজন মা, যার গর্ভে বেড়ে ওঠছে তার সন্তান, সেই মায়ের চিন্তা, ভাবনা, শিশুর সাথে মায়ের ইন্টারএ্যাকশন, মাযের গর্ভকালীন জীবন যাপন ও প্র্যাকটিস এসবই প্রভাব ফেলে সন্তানের মনোজগত নির্মাণের উপর। 

আমি যেদিন প্রথম জানতে পারি আমি মা হবো, তখন আমার গর্ভের ভ্রুণটির বয়স পাঁচ সপ্তাহের একটু বেশি। আমার বয়স চব্বিশ বছর। আমার মতো একজন তারছেঁড়া মানুষ, শামীমের মতো একজন বাউন্ডেলে কী করে মুহূর্তেই ‘মা’ আর ‘বাবা’ হয়ে গিয়েছিলাম সেটা এখনো এক অপার বিস্ময় আমার কাছে। 

শামীম তখন ইসিসিডি (আর্লি চাইল্ডহুড কেয়ার এন্ড ডেভেলপমেন্ট) ন্যাশনাল টীমের প্রশিক্ষকদের একজন। সেই সুবাদে সে আমার আর আমাদের সন্তানের গর্ভকালীন যত্ন ও যোগাযোগের ব্যাপারে খুব সচেতন। রিতিমতো ইসিডির মডিউল পড়ে পড়ে শেখাচ্ছে আমাকে কোন স্টেজে কী করতে হবে। শুধু আমাকেই না, বাড়ির সবাইকেই শেখাচ্ছে।একটা যৌথ পরিবারের ভেতরে থেকে পুরো পরিবারকে শিশুর গর্ভকালীন মনোবিকাশের বিষয়ে সচেতন রাখার কঠিনতম কাজটি সে করে ফেলেছিলো। 

আমার মনে আছে, আমার শ্বাশুড়ি বাড়ির পোষা পাখি, বেড়াল কুকুরের খাবার আমার হাত দিয়ে দেয়াতেন যেনো অনাগত শিশুটি প্রাণের প্রতি দয়াশীল ও দায়বদ্ধ হয়, ওই অবোধ প্রাণীগুলোর প্রাণের দোয়া যেন আমার বাচ্চার উপর থাকে। 

আর আমি ? শামীম....আমরা কী করিনি আমাদের সন্তানের পজেটিভ ডেভেলপমেন্টের জন্য !! ব্রেইনকে সারাক্ষণ সুস্থ চিন্তা, সুন্দর ভাবনার ভেতরে রাখার মতো কঠিন চর্চাটি আমি তখন পা টিপে টিপে করেছি। বিশ্বাস করুন, করেছি। 

যেহেতু ওই সময় আমি বিসিএস এর লিখিত পরীক্ষা দিচ্ছিলাম, আমার বেশিরভাগ সময় এমনিতেই টেবিলে কাটতো পড়ালেখা করে। তার সাথে ছিলো বই পড়া, গান শোনা। দ্য গড অব স্মল থিংস, মানবজমীন, পার্থিব, দূরবীন, কালবেলা, কালপুরুষ, সাতকাহন, ভোলগা সে গঙ্গা....আরো কতো বই আমার আর বাচ্চার সারাক্ষণের সঙ্গী যে ছিলো!!

আমি যেহেতু আস্তিক মানুষ, সন্তানের মঙ্গল কামনায় নিয়ম করে নামাজ পড়েছি।মারসাদ পেটে থাকতেই আমি পুরো কোরান বাংলা অনুবাদ, ব্যখ্যা সহ পড়েছি তিনবার।কোরান পড়ার সময় সুর করে জোরে পড়তাম যেনো বাচ্চা শুনতে পায়।নামাজ পড়ার সময় সুরাও জোরে পড়তাম যেনো বাচ্চা শুনতে পায়। 

বইএর যে অংশটা আমার ভালো লাগতো, সেটুকু জোরে পড়তাম, বাচ্চা যেনো শুনতে পায়। শামীম নিয়ম করে বাচ্চার জন্য গান শোনাতো আমাকে।আমি নিজে গান শুনতাম সারাক্ষণ, গাইতাম। ঘুমাতে যাওয়ার আগে সুন্দর সব স্বপ্ন কল্পনা করে রাখতাম যা আমি দেখতে চাই।

শুধু মারসাদের সময়ই নয়, তিনটা বাচ্চার সময়ই আমি প্রেগন্যান্সিকে প্রার্থনার মতো করে মেনেছি। বিশ্বাস করুন, আমি এই দু:খী দেশের কিছু অত্যন্ত সৌভাগ্যবান মায়েদের অন্যতম যার গর্ভকালীন শারিরীক ও মানসিক যত্নের অভাব হয়নি। তার ফল আমি পেয়েছি। 

আমার মেয়েটার শান্ত ও মানবিক একটা হ্রদয় হয়েছে। সে শিশুকাল থেকেই টেবিল আর বইএর সাথে এটাচ্ড হয়েছে। শৈশব থেকেই তার সমস্ত খেলাধুলা টেবিল আর কলম কেন্দ্রিক। তার গলায় করুণাময় মধুছন্দ ঢেলে দিয়েছেন। আমার ছেলেরাও মানবিক হ্রদয় নিয়ে পৃথিবীতে এসেছে, পরমেশ্বরের কাছে এই কৃতজ্ঞতা জাননোর ভাষা আমার নেই। 

এই যে এতো কাহিনী বললাম কেনো জানেন? নিচের ছবির ওই সাজাপ্রাপ্ত আসামীর কোলের শিশুটিকে দেখে। হ্যাঁ, নুসরাত হত্যা মামলার আসামী কামরুন্নাহার মণির কথা বলছি। 

এই শিশুটিকে পাঁচমাসের গর্ভে রেখে এই মেয়েটি আরেকজন জীবন্ত মানুষের গায়ে আগুন দেয়ার কাজটি করেছে। এই মেয়েটি তার বান্ধবী নুসরাতকে ডেকে এনেছে, অন্যদের সাথে হাত বেঁধেছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী প্রথম আগুন সেই লাগিয়েছে। 

পেটের ভেতর সন্তান রেখে একটি মেয়ে মনের মধ্যে এতো ঘৃণার চাষ কী করে করতে পারে!! গর্ভে সন্তানের নড়াচড়া বুঝেও, হ্রদস্পন্দন শুনতে শুনতেও  কী ভয়ানক সব চিন্তা সে করেছে, একটি জীবন্ত মানুষকে পুড়িয়ে মারার পরিকল্পনায় অংশ গ্রহন করেছে, অন্য খুনীদের জন্য বোরকা, হাতমোজা কিনে এনেছে!!  

কী ভয়ঙ্কর, কী ভয়ঙ্কর!!! আমার খুব জানতে ইচ্ছে করে, এই মেয়েটির পরিবারে এমন কেউ ছিলোনা যে তাকে এই সুন্দর সময়ে এইসব অসুন্দর থেকে দূরে রাখবে? এমন কেউ ছিলোনা যে এই শিশুটির কথা একবার ভাববে ? কেউ ছিলোনা যে এই মেয়েটির ভয়ঙ্কর মনোবৈকল্যকে বুঝতে পারবে ? কেউ না !!! পুরো পরিবারটিই তবে অসুস্থ !!!!

কথা উঠেছে মণির সাজা মওকুফের বিষয়ে। আইন এইসব সংবেদনশীল বিষয় কিভাবে বিবেচনা করবে সেটা আইনের এখতিয়ার। তবে আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, মণির মাতৃপরিচয় কোনভাবেই তার সাজা মওকুফের জন্য বিবেচ্য হতে পারেনা। একমাত্র বিবেচ্য বিষয় তার অপরাধ।  

বরং তার অপরাধের মাত্রা বেড়েছে এখানেই যে, সে তার মনের ঘৃণা, হিংস্রতা আর বর্বরতার বীজ বপন করে দিয়েছে তার গর্ভের সন্তানের মনোজগতে। সে ব্যহত করেছে একজন মানবশিশুর স্বাভাবিক ও সুস্থ বিকাশকে। 

আরও পড়ুন: শহীদ আফ্রিদি-শাহিন আফ্রিদিকে নিয়ে আইসিসির টুইট

মা হয়ে সন্তানের ভেতরে ঘৃণা ও সহিংসতার যে বীজ সে বপন করে দিয়েছে এখন অন্তত সেই বীজ উপড়ে ফেলার জন্যও শিশুটিকে তার কাছ থেকে দূরে রাখা জরূরী। খুব জরূরী। শিশুটিকে রাষ্ট্রিয় সম্পদ হিসেবে একটি সুস্থ পরিবেশ দেয়া দরকার। সব মায়ের কাছে সন্তান নিরাপদ নয়। 

মণির সাজা যদি কমাতে হয় সেটা তার অপরাধের মাত্রা ও মোটিভ বিবেচনায় করা হতে পারে, কোনভাবেই তার নারীত্ব ও  মাতৃপরিচয় বিবেচনায় নয়। একজন অপরাধী নারী হিসেবে বিশেষ সুবিধা পেতে পারেনা, মা হিসেবে আনুকূল্য পেতে পারেনা। 

অপরাধীর কোন লৈঙ্গিক পরিচয় নেই। অপরাধীর একটাই পরিচয়, অপরাধী। খুনীর জেন্ডার একটাই, ‘খুনী’।

লেখক-সাদিয়া নাসরিন, উন্নয়ন কর্মী। (সোশ্যাল মিডিয়া বিভাগের সব লেখার আইনগত ও অন্যান্য সব দায় লেখকের। মতামত লেখকের নিজস্ব, সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

অসুস্থ দেশে এটাই ঘটে, সবকিছুর জন্য রাজধানীতে ছুটতে হয়

জাকির তালুকদার

অসুস্থ দেশে এটাই ঘটে, সবকিছুর জন্য রাজধানীতে ছুটতে হয়

কবি-স্বীকৃতির জন্য জীবনানন্দকেও কলকাতা যেতে হয়েছিল। অসুস্থ দেশে এটাই ঘটে। সবকিছুর জন্য রাজধানীতে ছুটতে হয়। কলকাতা তখন ভারতবর্ষের রাজধানী নয়, তবে বাংলার রাজধানী। শিল্প-সাহিত্য সবকিছুরই। মোহাম্মদ নাসির উদ্দিনকেও সওগাত পত্রিকা বের করতে কলকাতায় যেতে হয়েছিল। নজরুলও পুরুলিয়ায় ফেরেননি। সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ কলকাতায় গেছেন। অদ্বৈত মল্ল বর্মনকেও যেতে হয়েছিল।

জীবনানন্দ কলকাতার জীবনে সুখি হতে পারেননি। মিসফিট ছিলেন। বুদ্ধদেব বসু লেখায় স্বাগত জানিয়েছেন। সঞ্জয় ভট্টাচার্যও অনেক লিখেছেন জীবন বাবুকে নিয়ে। ছেপেছেন কবিতা অকাতরে। আর্থিক সহযোগিতাও করেছেন সাধ্যমতো।

কিন্তু জীবনানন্দ পারেননি। বুদ্ধদেব বসুর মতো প্রতিকূলতা পেরিয়ে কলকাতায় প্রতিষ্ঠিত হতে। আসলে সেই স্কিল তাঁর ছিল না। স্ত্রী-সন্তানকে ভাত-কাপড় দিতে না পারলে তারা ছেড়ে কথা কইবে কেন? যে কবিতা তাঁকে খ্যাতি, অর্থ, পদ কিছুই দিতে পারেনি সেই কবিতার জন্য পরিবার কতদিন কষ্ট সইবে?

তবু জীবনানন্দকে আমি ভাগ্যবানই বলব। কারণ তিনি সবকিছু সয়েও কবিতা লিখতে পেরেছেন। এখন তো তিনি কবিতার রাজমুকুটধারী। ভাবুন আরো কত শত কবিযশোপ্রার্থীর কথা! তারাও কবি বা লেখক হবার জন্য কলকাতায় পাড়ি জমিয়েছিলেন। কিন্তু না পেরেছেন কবি হতে, না পেরেছেন কলকাতার জীবনে প্রতিষ্ঠিত হতে।

ঢাকার দিকে তাকাই। কত ইনোসেন্ট ছেলে-মেয়ে ঢাকায় পাড়ি জমায় কবি-শিল্পী হতে। এরা যতদিন মফস্বলে ছিল, ততদিন ছিল সাহিত্যঅন্তঃপ্রাণ। ঢাকাতে এসে মেস বা আত্মীয়বাড়িতে সাময়িক আশ্রয়। তারপর চাকুরি খোঁজা। চাকুরি পেলেও শুরুর কয়েক বছর বেতনের পরিমাণ এত নগণ্য যে তা দিয়ে বাসাভাড়া, খাওয়া, যাতায়াত চালানো মুশকিল। তাছাড়া কর্মস্থলে যেতে-আসতে চার ঘণ্টা জ্যামে কাটানো। তখন না হয় লেখা, না হয় পড়া। বেশিরভাগই ব্যক্তিত্ব হারিয়ে ফেলে। পরিচিত কাউকে দেখলেই ধারের নামে হাত পাতে। যদিও দাতা এবং গ্রহিতা দুজনেই জানে এই ধার পরিশোধ হবে না।

আরও পড়ুন


বিশ্বকাপের মূল পর্বের লড়াই শুরু, প্রথম দিনের দুটিই হাইভোল্টেজ ম্যাচ

ফাঁদে ফেলে ৪০ নারীর আপত্তিকর ভিডিও ধারণ ভণ্ড কবিরাজের, অতঃপর...

ঢাবির ‘ঘ’ ইউনিটের পরীক্ষা আজ, প্রতি আসনে লড়বেন ৭৪ জন

ঠাকুরগাঁওয়ে ‘রাজাকারপুত্র’ ও আ.লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী পেলেন নৌকার টিকিট


অল্প দুই-একজন সাহিত্যের বাজারে এটা-সেটা করে জাঁকিয়ে বসার চেষ্টা চালিয়ে যায়। ঘুরে ঘুরে একে-তাকে ধরে বিজ্ঞাপন সংগ্রহ করে পত্রিকা বের করে। কিছু টাকা অন্তত পকেটে আসে। কেউ কেউ প্রকাশক হয়। টাকা নিয়ে মানহীন বই ছাপায়। তিনশো কপির খরচ নিয়ে ছাপে একশো কপি। পরে আর ফোন ধরে না সেই লেখক বা কবির। কী দুর্ভাগ্য! কবি হতে এসে চিটার হয়ে যায়।

প্রিয় ভাই-বোন, তোমরা মফস্বলেই থেকে যাও। যে কোনো পেশাতে যোগ দাও। মায়ের বা স্ত্রীর হাতের রান্না খাও। বই পড়তে পারবে মনোযোগ দিয়ে। সাধনায় নিমগ্ন থাকো। লিখতে পারবে নিজের মনের মতো। কবি হওয়ার নামে রাজধানীতে এসে অন্তত ঠগ হতে হবে না।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

ইকবাল মানসিক ভারসাম্যহীন, সেটি কী কোনো চিকিৎসক ঘোষণা দিয়েছেন?

শওগাত আলী সাগর

ইকবাল মানসিক ভারসাম্যহীন, সেটি কী কোনো চিকিৎসক ঘোষণা দিয়েছেন?

কুমিল্লার ঘটনায় সন্দেহভাজন ইকবাল যে মানসিক ভারসাম্যহীন বা সুস্থ নন- সেটি কী কোনো চিকিৎসক ঘোষনা দিয়েছেন!

কোনো দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ কী এই মর্মে সনদ দিয়েছেন! তা হলে ’ইকবাল হোসেন মানসিক ভারসাম্যহীন’ – এই তথ্য প্রচার পেলো কীভাবে? কারা এটি প্রচার করেছেন, কিসের ভিত্তিতে করেছেন!

আরও পড়ুন


বঙ্গবন্ধু যেতেই গুলি বন্ধ করল বিডিআর

মানুষের সঙ্গে যেভাবে কথা বলতেন বিশ্বনবী

সূরা বাকারা: আয়াত ১২৮-১৩৩, আল্লাহর নির্দেশ ও হয়রত ইব্রাহিম (আ.)

কলকাতা প্রেস ক্লাবে ‘বঙ্গবন্ধু মিডিয়া সেন্টার

লেখক- শওগাত আলী সাগর, প্রধান সম্পাদক, নতুনদেশ, কানাডা।

(সোশ্যাল মিডিয়া বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

আজ একটি পবিত্র দিন

জ.ই. মামুন

আজ একটি পবিত্র দিন

আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী, বাংলাদেশের মুসলিম ভাইয়েরা সানন্দে মিলাদুন্নবীর মিছিল করছেন, প্রার্থনা করছেন, দেখে ভালো লাগছে।

আজ শ্রী শ্রী লক্ষ্মী পূজা, বাংলাদেশের সনাতন ধর্মের ভাই বোন বন্ধুরা যেন আজ একই রকম নিঃশঙ্ক চিত্তে পূজা উদযাপন করতে পারেন, উপাসনা করতে পারেন, আনন্দ করতে পারেন।

আরও পড়ুন


লক্ষ্মীপুরে খোঁজ মিলছে না দুই কিশোরীর

আশুগঞ্জে অজ্ঞাত গাড়ির চাপায় দুই চালকল শ্রমিক নিহত

তিস্তার সব গেট খুলে দেওয়ায় বড় বন্যার আশঙ্কা

প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিন ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা


আজ পবিত্র প্রবারণা পূর্ণিমা। বাংলাদেশের বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী ভাই বোন বন্ধুরা যেন নির্ভয়ে, নিরাপদে তাদের প্রার্থনা করতে পারেন, ফানুস উড়াতে পারেন, উৎসব করতে পারেন।

রাষ্ট্রের সকল নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করার দায়িত্ব আপনার, কারণ আপনি নাগরিক, আপনিই সরকার, আপনি এই প্রজাতন্ত্রের মালিক।
আজ একটি পবিত্র দিন, আজ মৈত্রীর দিন। আস সালামু আলাইকুম, ওম শান্তি, জগতের সকল প্রাণী সুখী হোক...

জ. ই. মামুন, সিনিয়র সাংবাদিক

news24bd.tv/ কামরুল 

পরবর্তী খবর