নজরদারিতে ৩০ ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান
নজরদারিতে ৩০ ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান

নজরদারিতে ৩০ ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান

অনলাইন ডেস্ক

রিং আইডির মালিক কানাডাপ্রবাসী শরিফ ইসলাম ও আইরিন ইসলামকে দেশে ফিরিয়ে আনতে ইন্টারপোলের সহযোগিতা নেবে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। এদিকে দেশের ৬০টি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের একটি তালিকা করেছে সংস্থাটি। এর মধ্যে ব্যবসার আড়ালে মানুষের অর্থ আত্মসাৎ, অনুমোদন ছাড়া ব্যবসা পরিচালনা ও পণ্য না দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে এমন ৩০টি সন্দেহভাজন প্রতিষ্ঠানকে নজরদারিতে রাখা হয়েছে।  

গতকাল রাজধানীর মালিবাগে সিআইডি কার্যালয়ে পৃথক সংবাদ সম্মেলনে এসব জানান সংস্থার অতিরিক্ত ডিআইজি কামরুল আহসান ও ইমাম হোসেন।

এ সময় সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার সামসুন নাহার, খালিদুল হক হাওলাদার, রেজাউল মাসুদ ও আশরাফুল আলম এবং অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার আজাদ রহমান উপস্থিত ছিলেন।  

রবিবার রাজধানীর কামরাঙ্গীর চরের বড়গ্রাম থেকে রিং আইডির একজন অন্যতম এজেন্ট মো. রেদোয়ান রহমানকে গ্রেফতার করে সিআইডি।  

সংবাদ সম্মেলনে কামরুল আহসান জানান, রিং আইডির প্রায় ২০০ কোটি টাকা সিআইডির অনুরোধে বাংলাদেশ ব্যাংক জব্দ করেছে। তবে রিং আইডির হাতিয়ে নেওয়া টাকার পরিমাণ আরও অনেক। শরিফ ইসলাম ও আইরিন ইসলাম এর আগেও বিটিআরসির অভিযোগে ২০১৬ সালে সিআইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন।  

তিনি বলেন, বিদেশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন রিং আইডি প্রচার করত। গ্রাহকরা টাকা পাবেন এ লোভ দেখিয়েছিলেন তারা। প্রথম দিকে টাকা দিলেও পরে আর গ্রাহকরা টাকা পাননি।

এদিকে রবিবার ঢাকা সদরঘাট থেকে অনলাইন টিকিটিং এজেন্সি টোয়েন্টি ফোর টিকিট ডটকমের বোর্ড অব ডিরেক্টর্সের সদস্য মিজানুর রহমান সোহেলকে গ্রেফতার করে সিআইডি।  

পৃথক সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির অতিরিক্ত ডিআইজি ইমাম হোসেন জানান, থলে ডট কম ও উই কুম ডট কমের ছয়জনকে তারা গ্রেফতার করেছেন। কম দামে টিভি, ফ্রিজ, মোটরসাইকেল, বৈদ্যুতিক ফ্যানসহ বিভিন্ন পণ্যে ছাড়ে বিক্রির প্রলোভন দেখান এরা। গ্রেফতার এসব ব্যক্তি হলেন থলে ডটকমের হেড অব অপারেশন নজরুল ইসলাম, হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা সোহেল হোসেন, ডিজিটাল কমিউনিকেশন অফিসার তারেক মাহমুদ, বিপণন কর্মকর্তা সাজ্জাদ হোসেন ও কলসেন্টার কর্মকর্তা মুন্না পারভেজ, ব্যবস্থাপক মাসুম হাসান।  

এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, সেনাবাহিনী ও সিআইডিতে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা হলেন আবদুস সাত্তার, আলী হোসেন ও শাহাদত হোসেন। এদের থেকে ভুয়া নিয়োগপত্র নিয়ে দুজন সেনা সদর দফতরে চাকরিতে যোগ দিতে গিয়েছিলেন। তখনই প্রতারণার বিষয়টি প্রকাশ পায়।  

ইমাম হোসেন বলেন, ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের একটি তালিকা আমরা করেছি। সেখানে ৬০টির মতো প্রতিষ্ঠান রয়েছে। তবে ৩০ বা ৩২টির মতো প্রতিষ্ঠানকে নজরদারিতে রেখেছি। তদন্ত সাপেক্ষে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন:


ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আইপিএল নিয়ে জুয়া, ৩ জনের সাজা

চট্টগ্রাম আদালত এলাকায় বোমা হামলা মামলার রায় আজ

টুইটার অ্যাকাউন্ট ফিরে পেতে আদালতে ট্রাম্প

যুবলীগ নেতার সঙ্গে ভিডিও ফাঁস! মামলা তুলে নিতে নারীকে হুমকি


 

এক প্রশ্নের জবাবে সিআইডির অতিরিক্ত ডিআইজি ইমাম হোসেন বলেন, প্রতারণার মামলায় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির চেয়ারম্যান ও সিইওসহ অনেক কর্মকর্তা বিভিন্ন মামলায় বর্তমানে জেলে রয়েছেন। ইভ্যালির হয়ে গ্রাহকদের সঙ্গে প্রতারণার দায় যদি প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে কাজ করা শিল্পী তাহসান খান ও শবনম ফারিয়া থাকে, তবে তাদেরও আইনের আওতায় আনা হতে পারে।

news24bd.tv/আলী