যে দোয়া পড়লে বিপদ থেকে রক্ষা পাবেন

অনলাইন ডেস্ক

যে দোয়া পড়লে বিপদ থেকে রক্ষা পাবেন

বিপদ থেকে রক্ষা পেতে নিম্নের দোয়াটি পড়বেন।   

উচ্চারণ : আল্লাহু আল্লাহু রব্বি লা উশরিকু বিহি শাইয়ান।

বাংলা অর্থ : আল্লাহ! আল্লাহ! আমার রব! তাঁর সঙ্গে আমি কাউকে শরিক করি না।  

উপকারিতা : আসমা বিনতে উমাইস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একবার রাসুলুল্লাহ (সা.) আমাকে বলেন, আমি কি তোমাকে এমন কয়েকটি বাক্য শিক্ষা দেবো, যা তুমি বিপদের সময় পাঠ করবে। (আবু দাউদ, হাদিস : ১৫২৫)

আরও পড়ুন:


বিষ খাইয়ে ব্যর্থ হওয়ার পর ভাড়াটে খুনি দিয়ে বাবাকে হত্যা করালো মেয়ে

পরকীয়ার জেরে শ্যালিকার বিয়ে ভাঙলেন দুলাভাই, আপত্তিকর ছবি!

মুহিবুল্লাহ হত্যাকাণ্ড: দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিলেন ইলিয়াছ

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডে চাকরির সুযোগ


মহান আল্লাহ তা'আলা সকলকে বিপদমুক্ত রাখুন। আমিন।  

news24bd.tv রিমু 

 

পরবর্তী খবর

সব ধরনের ক্ষতি থেকে বাঁচার দোয়া

অনলাইন ডেস্ক

সব ধরনের ক্ষতি থেকে বাঁচার দোয়া

প্রতীকী ছবি

হজরত উসমান (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি প্রতিদিন সকালে ও সন্ধ্যায় তিন বার এ দোয়াটি পাঠ করবে কোনো কিছুই তার ক্ষতি করতে পারবে না।

উচ্চারণ: বিসমিল্লাহিল্লাজি লা ইয়াদুররু মায়াসমিহি শাইয়ুন ফিল আরদি, ওয়ালা ফিস-সামায়ি ওয়া হুয়াস সামিউল আলীম।

বাংলা অর্থ: আল্লাহর নামে, যার নামের বরকতে আসমান ও জমিনের কোনো কিছুই ক্ষতি করতে পারে না, তিনি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞ। (তিরমিজি ও আবু দাউদ) 

আরও পড়ুন:


দুশ্চিন্তা থেকে মুক্ত হওয়ার কিছু আমল


মহান আল্লাহ তা'আলা সকলকে সব ধরনের ক্ষতি থেকে মুক্ত রাখুন। আমিন।  

news24bd.tv রিমু   

পরবর্তী খবর

দুশ্চিন্তা থেকে মুক্ত হওয়ার কিছু আমল

মীর মো. গোলাম মোস্তফা

দুশ্চিন্তা থেকে মুক্ত হওয়ার কিছু আমল

প্রতীকী ছবি

বিপদ-আপদ মানুষের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এগুলোর কারণে মাঝে দুশ্চিন্তা আশা স্বাভাবিক। তবে এ রকম পরিস্থিতিতে ভেঙে না পড়ে মহান আল্লাহর ওপর ভরসা করা উচিত। এবং মহান আল্লাহর কাছেই সাহায্য চাওয়া উচিত। নিম্নে এমন কিছু আমল তুলে ধরা হলো, যেগুলো দুশ্চিন্তার সময় করা যেতে পারে।

ধৈর্যধারণ করা :  যেকোনো পরিস্থিতিতে আল্লাহর সাহায্য পাওয়ার অন্যতম মাধ্যম হলো, ধৈর্যধারণ করে মহান আল্লাহর কাছে সাহায্য চাওয়া। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেন, ‘হে ঈমানদাররা, তোমরা ধৈর্য ও নামাজের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা করো, নিশ্চয়ই মহান আল্লাহর ধৈর্যশীলদের সঙ্গে থাকেন।’ (সুরা: বাকারা, আয়াত: ১৫৩)

অন্য আয়াতে ইরশাদ হয়েছে, ‘আর যে আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল করে, আল্লাহ তার জন্য যথেষ্ট।’ (সুরা তালাক, আয়াত: ৩)

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেন, ‘আমি সেইরূপই, যেরূপ বান্দা আমার প্রতি ধারণা রাখে।’ (বুখারি, হাদিস: ৬৯০১)

পরিস্থিতিকে আল্লাহর ওপর ছেড়ে দেওয়া :  আল্লাহ অবশ্যই ভালো কিছু রেখেছেন বলে মনে-প্রাণে দৃঢ় বিশ্বাস রাখা। তাকদিরে বিশ্বাস করা। কারণ আল্লাহ তাকদিরে যা রেখেছেন, তা খণ্ডানোর শক্তি কারো নেই। রাসুল (সা.) বলেন, ‘জেনে রাখো, সব মানুষ যদি তোমার কোনো উপকার করতে চায় তবে আল্লাহ তোমার জন্য যা নির্দিষ্ট করে দিয়েছেন, তা ব্যতীত আর কোনো উপকার করতে পারবে না। আর যদি সব মানুষ তোমার কোনো অনিষ্ট করতে চায় তবে আল্লাহ তোমার জন্য যা নির্দিষ্ট করে দিয়েছেন তা ছাড়া আর কোনো অনিষ্ট করতে পারবে না। কলম তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পৃষ্ঠা শুকিয়ে গেছে।’ (তিরমিজি, হাদিস: ২৫১৬)

অপর হাদিসে এসেছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, তুলনামূলক বিপদগ্রস্তদের পরিস্থিতি দেখে শোকরিয়া আদায় করা : হাদিসে এসেছে, খাব্বাব (রা.) বলেন, আমরা রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে অভিযোগ করলাম এ অবস্থায় যে তিনি কাবাঘরের ছায়ায় একটি চাদরে ঠেস দিয়ে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন। আমরা বললাম, আপনি কি আমাদের জন্য আল্লাহর কাছে সাহায্য চাইবেন না? আপনি কি আমাদের জন্য দোয়া করবেন না? জবাবে তিনি বলেন, ‘তোমাদের জানা উচিত, তোমাদের পূর্বেকার মুমিন লোকদের এই অবস্থা ছিল যে একটি মানুষকে ধরে আনা হতো, তার জন্য গর্ত খুঁড়ে তাকে তার মধ্যে পুঁতে রাখা হতো। অতঃপর তার মাথার ওপর করাত চালিয়ে তাকে দুই খণ্ড করে দেওয়া হতো এবং দেহের গোশতের নিচে হাড় পর্যন্ত লোহার চিরুনি চালিয়ে শাস্তি দেওয়া হতো। কিন্তু এই কঠোর পরীক্ষা তাকে তার দ্বিন থেকে ফেরাতে পারত না।’ (বুখারি, হাদিস: ৩৬১৬)

এভাবে নিজের থেকে তুলনামূলক কষ্টে থাকা মানুষের কষ্ট অনুভব করলে নিজের হতাশা অনেকটা কমে যায়।

সালাতুল হাজত পড়া: কারণ রাসুলুল্লাহ (সা.) যখন দুশ্চিন্তায় পড়তেন, নামাজে মগ্ন হতেন। (জামিউল বায়ান ৭৭৯)

অধিকহারে ইস্তেগফার করা : রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি নিয়মিত ইস্তেগফার করবে আল্লাহ তার সব সংকট থেকে উত্তরণের পথ বের করে দেবেন, সব দুশ্চিন্তা মিটিয়ে দেবেন এবং অকল্পনীয় উৎস থেকে তার রিজিকের সংস্থান করে দেবেন। (আবু দাউদ, হাদিস: ১৫২০)

অধিকহারে দরুদ পড়া : হাদিসে এসেছে, উবাই ইবন কাব (রা.) বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসুল, আমি আপনার ওপর অধিকহারে দরুদ পাঠ করে থাকি। আমার সময়ের কতটুকু আপনার প্রতি দরুদ পাঠে ব্যয় করব?  রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, তোমার যতটুকু ইচ্ছা। আমি বললাম, এক-চতুর্থাংশ সময়? তিনি বলেন, তোমার ইচ্ছা। কিন্তু যদি আরো বাড়াও তবে ভালো। আমি বললাম, অর্ধেক সময়? তিনি বললেন, তোমার যা ইচ্ছা; তবে আরো বৃদ্ধি করলে তা-ও ভালো। আমি বললাম, দুই-তৃতীয়াংশ সময়? তিনি বলেন, তোমার ইচ্ছা; তবে আরো বাড়ালে তাও ভালো। আমি বললাম, আমার সবটুকু সময় আপনার ওপর দরুদ পাঠে লাগাব? তিনি বললেন, তাহলে তো তোমার চিন্তামুক্তির জন্য তা যথেষ্ট হয়ে যাবে আর তোমার গুনাহ মাফ করা হবে।’ (তিরমিজি, হাদিস : ২৪৫৭)

দোয়া করা: দুশ্চিন্তা ও মানসিক অস্থিরতা থেকে নাজাতের উদ্দেশ্যে হাদিসে বেশ কিছু দোয়া শিক্ষা দেওয়া হয়েছে,  কারো জানা থাকলে সেগুলোও পড়া যেতে পারে। এ বিষয়ে হাদিসে অনেক দোয়া উল্লিখিত হয়েছে, তন্মধ্য থেকে একটি এখানে উল্লেখ করা হলো—

উচ্চারণ: ‘আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিনাল হাম্মি ওয়াল হুজনি, ওয়া আউজুবিকা মিনাল আজজি ওয়াল কাসালি, ওয়া আউজুবিকা মিনাল জুবনি ওয়াল বুখলি, ওয়া আউজুবিকা মিন গলাবাতিদ দাইনি ওয়া কহরির রিজাল।’

অর্থ: ‘হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে দুশ্চিন্তা ও অস্থিরতা থেকে আশ্রয় চাই। আমি আশ্রয় চাই অক্ষমতা ও অলসতা থেকে, আপনার কাছে আশ্রয় চাই ভীরুতা ও কার্পণ্য থেকে, আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই ঋণের বোঝা ও মানুষের রোষানল থেকে’।

উপকার: আবু সাঈদ আল-খুদরি (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদা রাসুলুল্লাহ (সা.) মসজিদে প্রবেশ করে সেখানে আবু উমামাহ নামক এক আনসারি সাহাবিকে দেখতে পেয়ে তাকে বলেন, হে আবু উমামাহ, কী ব্যাপার! আমি তোমাকে নামাজের ওয়াক্ত ছাড়া মসজিদে বসে থাকতে দেখছি? তিনি বলেন, সীমাহীন দুশিন্তা ও ঋণের বোঝার কারণে হে আল্লাহর রাসুল। তিনি বলেন, আমি কি তোমাকে এমন কিছু বাক্য শিখিয়ে দেব না, তুমি তা বললে আল্লাহ তোমার দুশ্চিন্তা দূর করবেন এবং তোমার ঋণ পরিশোধের ব্যবস্থাও করে দেবেন? তিনি বলেন, আমি বললাম, হ্যাঁ, হে আল্লাহর রাসুল। তিনি (সা.) বলেন, তুমি সকাল-সন্ধ্যায় বলবে ‘আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিনাল হাম্মি ওয়াল হুজনি, ওয়া আউজুবিকা মিনাল আজজি ওয়াল কাসালি, ওয়া আউজুবিকা মিনাল জুবনি ওয়াল বুখলি, ওয়া আউজুবিকা মিন গলাবাতিদ দাইনি ওয়া কহরির রিজাল।’

আরও পড়ুন:


ইসলামে শীতকালের বিশেষ ইবাদত


আবু উমামাহ (রা.) বলেন, আমি তা-ই করলাম। ফলে মহান আল্লাহ আমার দুশ্চিন্তা দূর করলেন এবং আমার ঋণ পরিশোধের ব্যবস্থাও করে দিলেন। (আবু দাউদ, হাদিস : ১৫৫৫)

news24bd.tv রিমু   

পরবর্তী খবর

নিষিদ্ধ সময়ে নামাজ নয়

অনলাইন ডেস্ক

নিষিদ্ধ সময়ে নামাজ নয়

প্রতীকী ছবি

ঈমানের পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো সলাত বা নামাজ। নামাজ ইসলামের প্রাণ। মুমিন এবং কাফেরের মাঝে বড় পার্থক্য হল নামাজ। ইসলামে নামাজ ছেড়ে দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। অবশ্যই এটি আদায় করতে হয়।

প্রতিটি নামাজের সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি এমন কিছু সময় আছে, যেসব সময় ফরজ, ওয়াজিব ও নফল কোনো ধরনের নামাজ আদায় করা জায়েজ নেই। এমনকি কাজা নামাজও পড়া যাবে না। পড়লে বড় গুনাহ হবে।

সেগুলো তুলে ধরা হলো:

এক. সূর্যোদয়ের সময়, অতএব সূর্য পুরোপুরি উদয় হওয়ার আগ পর্যন্ত নামাজ পড়া যাবে না। (বুখারি, হাদিস : ১৫২৩)

দুই. সূর্য মধ্যাকাশে অবস্থানের সময়। সূর্য ঢলে পড়লে-পুনরায় নামাজ পড়ার বৈধ সময় শুরু হয়। (মুসলিম, হাদিস : ১৩৭৩)

তিন. সূর্য যখন হলুদ বর্ণ ধারণ করে, তখন থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত। তবে কারও যদি আসর নামাজ পড়তে দেরি হয়ে যায়, তাহলে সে ব্যক্তি সূর্য অস্ত যাওয়া পর্যন্ত আদায় করতে পারবে। (বুখারি, হাদিস : ৫৪৫)

আরও পড়ুন:


আফ্রিকার ৭ দেশ থেকে এলেই ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিন

দুই হাত হারানো ফাল্গুনীকে বিয়ে করলো এনজিও কর্মী সুব্রত

স্বাধীনতার ৫০ বছরে স্বাস্থ্যখাতে অভাবনীয় সাফল্য

ঢাকার যানজটেই শেষ জিডিপির প্রায় ৮৭ হাজার কোটি টাকা


নামাজের নিষিদ্ধ সময়ে জানাজা এলে-তা আদায় করতে পারবে, তবে তা মাকরুহ হবে। অনুরূপ কোনো ব্যক্তি যদি এ সময় আয়াতে সিজদা পাঠ করে, তাহলে তিনি সিজদায়ে তিলাওয়াত আদায় করতে পারবেন; কিন্তু তা মাকরুহ হবে। (তিরমিজি, হাদিস : ১৫৬; সহিহ বুখারি, হাদিস : ১২৩১; মুসলিম, হাদিস : ১৩৭৩; সুরা মুহাম্মদ, আয়াত : ৩৩)।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

আল্লাহর কাছে সবচেয়ে বেশি প্রিয় যে ৩টি আমল

অনলাইন ডেস্ক

আল্লাহর কাছে সবচেয়ে বেশি প্রিয় যে ৩টি আমল

মহান আল্লাহ তাআলা মানুষকে উত্তম পথ দেখিয়েছেন মহাগ্রন্থ আল কোরআনের মাধ্যমে। বান্দা সেই নির্দেশনা অনুযায়ী চললেই জান্নাত নিশ্চিত। তারপরেও দুনিয়াবী জীবনে অনেক ছোট ছোট আমল থাকে যা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

‘আমি মানুষকে বাবা-মার সঙ্গে উত্তম ব্যবহার করার জোর নির্দেশ দিয়েছি। যদি তারা তোমাকে আমার সঙ্গে এমন কিছু শরিক করার জোর প্রচেষ্টা চালায়, যার সম্পর্কে তোমার কোনো জ্ঞান নেই, তবে তাদের আনুগত্য করো না। আমারই দিকে তোমাদের ফিরে আসতে হবে। অতঃপর আমি তোমাদেরকে বলে দেব যা কিছু তোমরা করতে।’ (সূরা আনকাবুত: আয়াত ৮)

এ আয়াতে আল্লাহ তাআলা এমন একটি আমলের কথা বলেছেন, যা ইসলামের অনেক গুরুত্বপূর্ণ আমলের চেয়েও মর্যাদাবান। আর তাহলো বাবা-মার সঙ্গে উত্তম আচরণ করা। এ আয়াতের ব্যাখ্যায় হাদিসে পাকে অনেক দিকনির্দেশনা এসেছে।

উত্তম আমল সম্পর্কে হাদিসের নির্দেশনা

হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞাসা করলাম, আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় আমল কী?

১. রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন- নামাজ যথাসময়ে আদায় করা।
আমি আবার জিজ্ঞাসা করলাম, তারপর আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় আমল কী?
২. রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন- বাবা-মার সঙ্গে উত্তম ব্যবহার করা।
আমি আবার জিজ্ঞাসা করলাম, তারপর আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় আমল কী?
৩. রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন- আল্লাহর পথে জিহাদ করা।’ (বুখারি ও মুসলিম)

এ হাদিসে বাবা-মার সঙ্গে উত্তম আচরণকে নামাজের পরে এবং জেহাদের আগে উল্লেখ করা হয়েছে। এ থেকে প্রমাণিত যে বাবা-মার সঙ্গে উত্তম আচরণ ও তাদের খেদমত করা অনেক সৌভাগ্য ও কল্যাণের কাজ। এ প্রসঙ্গে অন্য একটি হাদিসে গুরুত্বপূর্ণ বর্ণনা এসেছে-

হজরত আব্দুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন, এক ব্যক্তি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দরবারে উপস্থিত হয়ে বলতে লাগলো যে, আমি আপনার হাতে হিজরত ও জিহাদের জন্য বাইয়াত করছি। আর আল্লাহর কাছে এর প্রতিদান চাই।
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে জিজ্ঞাসা করলেন, তোমার বাবা-মার মধ্যে কেউ কি জীবিত আছে?
সে বলল, ‘জ্বি-হ্যাঁ’, বরং (আল্লাহর শুকরিয়া) তারা উভয়েই জীবিত আছেন।

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, ‘তাহলে তুমি কি সত্যি আল্লাহ থেকে তোমার হিজরত ও জিহাদের পুরস্কার চাও?
সে বলল, ‘জ্বি-হ্যাঁ’ (আমি আল্লাহর কাছে হিজরত ও জিহাদের পুরস্কার চাই)
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, ‘তাহলে যাও, তোমার বাবা-মার খেদমত কর, তাদের সঙ্গে ভালো আচরণ কর।’ (মুসলিম)

উল্লেখিত হাদিসেও ৩টি আমলের কথা বলা হয়েছে, তাহলো ইসলামের জন্য হিজরত এবং জিহাদ। অথচ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ দুই আমলের চেয়ে বাবা-মার খেদমত ও তাদের সঙ্গে উত্তম আচরণকে উত্তম আমল হিসেবে তুলে ধরেছেন। বাবা-মার প্রতি যথাযথ দায়িত্ব পালন করতে বলেছেন।

সুতরাং কুরআন-হাদিসের নির্দেশনা অনুযায়ী এ বিষয়টি চূড়ান্ত যে, আল্লাহর কাছে সবচেয়ে বেশি প্রিয় আমল হচ্ছে- বাবা-মার খেদমত করা এবং তাদের সঙ্গে উত্তম আচরণ করা। তাই বাবা-মা জীবিত থাকুক কিংবা মারা যাক; সব সময় তাদের জন্য দোয়া এভাবে দোয়া-
১. رَّبِّ ارْحَمْهُمَا كَمَا رَبَّيَانِي صَغِيرًا
উচ্চারণ : ‘রাব্বির হামহুমা কামা রাব্বাইয়ানি সাগিরা।’ (সূরা বনি ইসরাইল: আয়াত ২৪)
অর্থ : ‘হে আমাদের পালনকর্তা! তাদের উভয়ের প্রতি রহম করুন; যেমনিভাবে তারা আমাকে শৈশবকালে লালন-পালন করেছেন।’

২. رَبَّنَا اغْفِرْ لِي وَلِوَالِدَيَّ وَلِلْمُؤْمِنِينَ يَوْمَ يَقُومُ الْحِسَابُ
উচ্চারণ : রাব্বানাগফিরলি ওয়ালে ওয়ালেদাইয়্যা ওয়া লিল মু’মিনিনা ইয়াওমা ইয়া ক্বুমুল হিসাব। (সূরা ইবরাহিম: আয়াত ৪১)
অর্থ: হে আমাদের পালনকর্তা, আমাকে, আমার পিতা-মাতাকে এবং সব মুমিনকে ক্ষমা করুন, যেদিন হিসাব কায়েম হবে।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে বাবা-মার সঙ্গে উত্তম আচরণ ও তাদের খেদমত করার তাওফিক দান করুন। তাদের সঙ্গে উত্তম আচরণ ও খেদমতেই মিলবে ইসলামের জন্য হিজরত ও জিহাদের সাওয়াব। আল্লাহ তাআলা উম্মতে মুহাম্মাদিকে বাবা-মার খেদমতের জন্য কবুল করুন। আমিন।

আরও পড়ুন


ঢাকায় আসছেন ভারতের পররাষ্ট্রসচিব শ্রিংলা

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

ওমরাহ পালনকারীদের জন্য সুখবর

অনলাইন ডেস্ক

ওমরাহ পালনকারীদের জন্য সুখবর

হজ্ব।

করোনা সংক্রমণের পর থেকে ওমরাহ পালনকারীদের কোয়ারেন্টাইনে থাকার যে নিয়ম ছিল তা বতিল করা হলো। অর্থাৎ সৌদি আরবের অনুমোদিত করোনার টিকা নিয়ে যারা ওমরাহ করতে যাবেন তাদের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনের প্রয়োজন নেই।

বুধবার সৌদি হজ ও ওমরাহ বিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পূর্ণ টিকাপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা ওমরাহ করতে এখন থেকে সরাসরি পবিত্র শহর মক্কায় প্রবেশ করতে পারবেন। সৌদি আরবে পৌঁছার পর তাদের আর প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে না। এছাড়া যারা ওমরাহ করতে যাবেন তারা সৌদি আরবে এখন থেকে ৩০ দিন থাকতে পারবেন।

করোনা মহামারির আগে ওমরাহ করতে যাওয়া বিদেশিদের সৌদি আরবে ৩০ দিন থাকার অনুমতি ছিল। মহামারির সময় ওমরাহর সুযোগ বিদেশিদের জন্য বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ।

গত বছরের পহেলা নভেম্বর পুনরায় ওমরাহর জন্য বিদেশিদের অনুমতি দেওয়া শুরু হয়। ওই সময় তাদের অবস্থানের মেয়াদ কমিয়ে ১০ দিনে নামিয়ে আনা হয়।

আরও পড়ুন:


ফেসবুকে মন্ত্রীর পোস্ট, ‘মন চাইছে আত্মহত্যা ক‌রি’


news24bd.tv/ তৌহিদ

পরবর্তী খবর