আমদানি-রপ্তানি বন্ধ

টানা পাঁচ দিন ছুটির ফাঁদে ভোমরা স্থলবন্দর

মনিরুল ইসলাম মনি, সাতক্ষীরা:

টানা পাঁচ দিন ছুটির ফাঁদে ভোমরা স্থলবন্দর

দুর্গাপূজা উপলক্ষে টানা পাঁচ দিন ছুটির ফাঁদে পড়েছে সাতক্ষীরা ভোমরা স্থলবন্দর। এ সময় সকল প্রকার আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। তবে স্থলবন্দরের ইমিগ্রেশন দিয়ে ভারতে পাসপোর্টধারী যাত্রী সাধারণের চলাচল অব্যাহত থাকবে।

আমদানি-রপ্তানিকারক ব্যবসায়ী সংগঠন ভোমরা সিএন্ডএফ এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নওশেদ দিলয়ার রাজু ও সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান নাছিম জানান, সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দরের ওপারে দুর্গাপূজা উপলক্ষে ভারতীয় ঘোজাডাঙ্গা এক্সপোর্টার, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ওয়েলফেয়ারও ট্রাক ওনার্স এ্যাসোশিয়েশনের যৌথ সভার আলোচনা এবং প্রদানকৃত এক চিঠিতে আগামী ১২ অক্টোবর (মঙ্গলবার)  থেকে ১৬ অক্টোবর (শনিবার) পর্যন্ত টানা পাঁচদিন আমদানি-রপ্তানি সমস্ত কাজকর্ম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তের কথা জানায়। 

এ সময় ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। এ সংক্রান্ত একটি চিঠি ভোমরা স্থল শুল্ক কাস্টমস ও ভোমরা সিঅ্যান্ডএফ এ্যাসোসিয়েশনকে দিয়েছে। তবে ১৭ অক্টোবর রোববার থেকে বন্দর যথারীতি আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম চালু হবে।

আরও পড়ুনঃ


শেরপুরে শিশু ধর্ষণ মামলায় একজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

দ. কোরিয়ার কোন গালিও দেয়া চলবে না উত্তর কোরিয়ায়

তালেবানের হাত থেকে ২৪ জেলা পুনরুদ্ধারের দাবি

কাছাকাছি আসা ঠেকাতে টোকিও অলিম্পিকে বিশেষ ব্যবস্থা


ভোমরা ইমিগ্রেশন পুলিশের অফিসার ইনচার্জ(ওসি) জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ভোমরা স্থল বন্দরে টানা ৫ দিন ব্যবসায়ীদের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও স্থলবন্দর দিয়ে পাসপোর্টধারী যাত্রী পারাপার স্বাভাবিক থাকবে।  

news24bd.tv/ কামরুল 

পরবর্তী খবর

আজ থেকে ফের টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু

অনলাইন ডেস্ক

আজ থেকে ফের টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু

ফাইল ছবি

সাত দিন বিরতির পর আজ থেকে আবারো শুরু হচ্ছে ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) পণ্য বিক্রি। ভর্তুকিমূল্যে সয়াবিন তেল, চিনি, মসুর ডাল ও পেঁয়াজ বিক্রি করবে সরকারের এ সংস্থাটি। এটি হবে চলতি বছরের ষষ্ঠ কিস্তির পণ্য বিক্রি। 

এর আগে পঞ্চম কিস্তির পণ্য গত ২৮ নভেম্বর পর্যন্ত বিক্রি করা হয়েছিল। 

শনিবার (৪ ডিসেম্বর) টিসিবির দায়িত্বপ্রাপ্ত তথ্য কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবির এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, সারাদেশে সব মহানগরী, জেলা ও উপজেলায় ৪০০ থেকে ৪৫০ ট্রাকে এসব পণ্য বিক্রি করা হবে। প্রতি কেজি চিনি ৫৫ টাকা, মসুর ডাল ৬০ টাকা, আমদানিকৃত পেঁয়াজ ৩০ টাকা ও প্রতি লিটার সয়াবিন তেল ১১০ টাকা লিটার দরে বিক্রি করা হবে। তবে একজন ক্রেতা একসঙ্গে সর্বোচ্চ দুই কেজি চিনি, দুই কেজি ডাল, আড়াই কেজি পেঁয়াজ ও দুই লিটার সয়াবিন তেল কিনতে পারবেন।


আরও পড়ুন:

ক্ষেপলেন পাপন, বললেন এতো বাজে পারফরমেন্স ৮ বছরে দেখিনি

কুয়েটে শিক্ষকের মৃত্যু: ছাত্রলীগ নেতাসহ ৯ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

ইউপি নির্বাচনের পঞ্চম ধাপে নৌকা পেলেন যারা


বর্তমানে রাজধানীর খুচরা বাজারে প্রতি কেজি চিনি ৭৫ থেকে ৮০ টাকা, বড়দানা মসুর ডাল ৮৫ থেকে ৯০ টাকা, আমদানিকৃত পেঁয়াজ ৪০ থেকে ৪৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। আর প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৬০ টাকায়।  আগামী ২৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত এ বিক্রি কার্যক্রম চলবে। তবে সপ্তাহের শুক্রবার বন্ধ থাকবে। 

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

ফের টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু

অনলাইন ডেস্ক

ফের টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু

ফাইল ছবি

ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) পণ্য বিক্রি আগামীকাল রোববার থেকে ফের শুরু হচ্ছে । ভর্তুকিমূল্যে তেল, চিনি, ডার ও পেঁয়াজ এই চার পণ্য বিক্রি করবে সংস্থাটি। এটি হবে চলতি বছরের ষষ্ঠ কিস্তির পণ্য বিক্রি। 

এর আগে পঞ্চম কিস্তির পণ্য গত ২৮ নভেম্বর পর্যন্ত বিক্রি করা হয়েছিল। টিসিবির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানা যায়।

আরও পড়ুন:


নিউজিল্যান্ড সফরে টাইগারদের ১৮ সদস্যের দল ঘোষণা


আজ রাজধানীরপশ্চিম রামপুরা, মিরপুর ১১, মাজার রোড ১ম কলোনি, বাঁশবাড়ি মোহাম্মদপুর, যাত্রাবাড়ি, মালিবাগসহ মোট ৫৯ টি স্পটে পণ্য বিক্রি হবে।

এ ছাড়া ঢাকার আসপাশের উপজেলাসহ ঢাকা অঞ্চলের অধীনে মোট ৮১টি ট্রাক থাকবে। আগামী ২৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত শুক্রবার ছাড়া প্রতিদিন এই পরিমান ট্রাকের মাধ্যমে বিভিন্ন স্পটে পণ্য বিক্রি করা হবে বলে জানা যায়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যমূল্য স্থিতিশীল রাখতে ও করোনাকালে সাধারণ আয়ের জনগণের সহায়তায় রোববার থেকে আবারও সাশ্রয়ী মূল্যে ট্রাকে করে পণ্য বিক্রি করবে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। 

ট্রাকে প্রতি কেজি চিনি পাওয়া যাবে ৫৫ টাকায়, যা একজন ক্রেতা সর্বোচ্চ দুই কেজি কিনতে পারবেন। প্রতি কেজি মসুর ডাল পাওয়া যাবে ৫৬ টাকায়, যা একজন ক্রেতা সর্বোচ্চ দুই কেজি কিনতে পারবেন। 

এ ছাড়া সয়াবিন তেল ১১০ টাকা লিটারে একজন ক্রেতা সর্বোচ্চ দুই লিটার এবং পেঁয়াজ ৩০ টাকা দরে পাওয়া যাবে, যা একজন ক্রেতা সর্বোচ্চ ৫ কেজি কিনতে পারবেন। দেশব্যাপী প্রায় ৪০০ থেকে ৪৫০ জন ডিলারের ভ্রাম্যমাণ ট্রাকে এ বিক্রি কার্যক্রম চলবে।

জানা যায়, বাজারে নিত্যপণ্যের দাম অস্বাভাবিক ভাবে বাড়তে থাকায় টিসিবির পণ্যের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। প্রতিটি ট্রাকে ২০০ থেকে ২৫০ জনের জন্য পণ্য দেওয়া হলেও পণ্য নিতে প্রতিটি ট্রাকে কমপক্ষে ৫০০ জন মানুষ ভিড় করে। 

টিসিবি যে মানের সয়াবিন তেল বিক্রি করে বর্তমান বাজারে তার দাম প্রতিলিটার ১৬০ টাকা, চিনি ৭৫ থেকে ৭৮ টাকা, ডাল ৮৫ থেকে ৯০ টাকা ও পেঁয়াজ ৪৫ থেকে ৫০ টাকা কেজি। 

news24bd.tv/ কামরুল

পরবর্তী খবর

তবুও কৃষককে সারে গুণতে হচ্ছে দ্বিগুণ দাম

অনলাইন ডেস্ক

মাঠে কাজ করছেন কৃষক

সার সংকটে বিপাকে দেশের কৃষকেরা। কৃষকরা বলছেন, ১১শ টাকার টিএসপি সার তাদের কিনতে হচ্ছে ২২শ টাকা পর্যন্ত। এতে একদিকে যেমন উৎপাদন খরচ বাড়ছে, অন্যদিকে আর্থিক সংকটে ব্যাহত হচ্ছে উৎপাদন। 

সার বিক্রির সাথে সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকাই দাম বৃদ্ধির প্রধান কারণ। তবে কৃষি বিভাগ বলছে, সরবরাহে ঘাটতি কোনো কারণ নেই।

দেশে সারের কোনো সংকট নেই বলা হলেও কৃষককে সেই সার কিনতে হচ্ছে প্রায় দ্বিগুণ দামে। গুদামে পর্যাপ্ত মজুদ, ডিলারদের কাছেও আছে সার। তবুও কৃষককে গুণতে হচ্ছে দ্বিগুণ দাম।

শীতকালীন সবজি, আলু, ভুট্টা ও বোরো আবাদের এ সময়ে চট্টগ্রাম, রাজশাহী, রংপুর, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, ময়মনসিংহ, মানিকগঞ্জ, লক্ষ্মীপুরসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের কৃষককে সারের জন্য গুণতে হচ্ছে অতিরিক্ত টাকা।

আরও পড়ুন:


আফ্রিকার ৭ দেশ থেকে এলেই ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিন

দুই হাত হারানো ফাল্গুনীকে বিয়ে করলো এনজিও কর্মী সুব্রত

স্বাধীনতার ৫০ বছরে স্বাস্থ্যখাতে অভাবনীয় সাফল্য

ঢাকার যানজটেই শেষ জিডিপির প্রায় ৮৭ হাজার কোটি টাকা


খুচরা পর্যায়ে সারের দাম বেশি হতে পারে। ডিলার পর্যায়ে সারের অতিরিক্ত দাম নেয়া হচ্ছে না। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম।

কৃষির উৎপাদনে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হলে দ্রুত সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন প্রান্তিক কৃষকেরা।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

এবার আলেশা মার্টের কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা

অনলাইন ডেস্ক

এবার আলেশা মার্টের কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা

একের পর এক ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানে ধস। এবার নিজেদের অফিশিয়াল কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান আলেশা মার্ট। বুধবার (২ ডিসেম্বর) রাত ৩টায় প্রতিষ্ঠানটির ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।

আলেশা মার্টের ফেসবুকের ওই পোস্টে জানানো হয়, ‘অনাকাঙ্খিত ও নিরাপত্তাজনিত কারণবশত আলেশা মার্ট-এর সমস্ত অফিসিয়াল কার্যক্রম আজ থেকে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। গতকাল (১ ডিসেম্বর) আমাদের অফিসে কতিপয় লোক দ্বারা অফিস কর্মকর্তাদের গায়ে হাত তোলা এবং বল প্রয়োগের চেষ্টার কারণে আমরা এমন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হচ্ছি।’

আলেশা মার্টের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি

অবিশ্বাস্য সব অফার দিয়ে আলোচনায় আসে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান আলেশা মার্ট। আর তাদের অবিশ্বাস্য সব অফারের ফাঁদে পা দিয়ে বিপুল পরিমাণ টাকা বিনিয়োগ করেন গ্রাহকরা। বর্তমানে গ্রাহকরা তাদের কাছ থেকে বিনিয়োগের টাকা কিংবা পণ্য পাচ্ছেন না। গ্রাহকদের দেওয়া চেকও ফেরত আসছে ব্যাংক থেকে। ফলে বাড়ছে বিনিয়োগকারীদের দুশ্চিন্তা।

২০২১ সালের ১ জানুয়ারি কার্যক্রম শুরু করে আলেশা মার্ট। পণ্য দেওয়ার নাম করে তারা সংগ্রহ করেছে গ্রাহকের কোটি কোটি টাকা। পরে অনেক গ্রাহককে পণ্য বুঝিয়ে দেয়নি বলে অভিযোগ ওঠে।

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে আলেশা মার্টে ক্যাশ অন ডেলিভারি (সিওডি) বা পণ্য হাতে পাওয়ার পর পেমেন্ট পদ্ধতি নেই। ফলে সেখানে পণ্য কিনতে হলে অবশ্যই আগে থেকে অনলাইনে পেমেন্ট দিতে হবে। পেমেন্টের কয়েক মাস পর পণ্যের ব্যাপারে গ্রাহকদের আশ্বাস দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন


মজা করে গোপনাঙ্গে লাথি, ঘটনাস্থলেই বন্ধুর মৃত্যু

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশে ভ্যাট নিবন্ধন নিল নেটফ্লিক্স

অনলাইন ডেস্ক

বাংলাদেশে ভ্যাট নিবন্ধন নিল নেটফ্লিক্স

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ভিডিও স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম ও প্রযোজনা সংস্থা নেটফ্লিক্স জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) থেকে ব্যবসায় নিবন্ধন নম্বর (বিআইবিএন) নিয়েছে, যা ভ্যাট নিবন্ধন নামে পরিচিত। এর আগে বিশ্বের অন্যতম টেক জায়ান্ট গুগল ও আমাজন ঢাকা দক্ষিণ ভ্যাট কমিশনারেট থেকে অনাবাসী প্রতিষ্ঠান হিসেবে ব্যবসায় নিবন্ধন নম্বর (বিআইএন) নেয়। ২৩ মে গুগল এবং ২৭ মে আমাজন এই ভ্যাট নিবন্ধন পেয়েছে। 

বুধবার (১ ডিসেম্বর) ঢাকা দক্ষিণ ভ্যাট কমিশনারেট থেকে বাংলাদেশের অনাবাসী প্রতিষ্ঠান হিসেবে নেটফ্লিক্স  বিআইএন গ্রহণ করে।

নিবন্ধনের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটি সিঙ্গাপুরের ঠিকানা ব্যবহার করেছে এবং নেটফ্লিক্স পিটিই লিমিটেড, সিঙ্গাপুর নামে নিবন্ধন পেয়েছে। এখন থেকে প্রতিষ্ঠানটি নিয়মিত ভ্যাট রিটার্ন দাখিল করে ভ্যাটের টাকা পরিশোধ করবে।

এ বিষয়ে ঢাকা দক্ষিণ ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনার এস এম হুমায়ুন কবির বলেন, অনাবাসী প্রতিষ্ঠান হিসেবে নেটফ্লিক্স এ দেশে ব্যবসা পরিচালনা করছে। এখন তারা পুরোপুরি ভ্যাট আইনের আওতায় এলো এবং আইনি সুরক্ষাও পাবে।

তিনি জানান, প্রতিষ্ঠাটির স্থানীয় পরামর্শক হিসেবে প্রাইস ওয়াটার হাউস কুপারস ভ্যাট নিবন্ধন গ্রহণ করেছে। ডিসেম্বর থেকে নেটফ্লিক্স নিয়মিত ভ্যাট রিটার্ন দাখিল করবে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর