মুসা বিন শমসেরের কিছুই নেই, তিনি ভুয়া মানুষ: পুলিশ

অনলাইন ডেস্ক

মুসা বিন শমসেরের কিছুই নেই, তিনি ভুয়া মানুষ: পুলিশ

মুসা বিন শমসের

ভুয়া অতিরিক্ত সচিব হিসেবে পরিচয় দেওয়া আব্দুল কাদের চৌধুরীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার অভিযোগে ধনকুবের মুসা বিন শমসেরকে (প্রিন্স মুসা) মঙ্গলবার (১২ অক্টোবর) জিজ্ঞাসাবাদ করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। 

এদিন বিকলে ৩টা ২৫ মিনিটের দিকে একটি গাড়িতে ডিবি কার্যালয়ে প্রবেশ করেন তিনি। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন তার ছেলে ও স্ত্রী। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ডিবি কার্যালয় থেকে বের হন ৬টা ৫৫ মিনিটে।

সাড়ে তিন ঘণ্টার বেশি সময় ধরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। মুসা বিন শমসেরকে জিজ্ঞাসাবাদের পর পুলিশ বলেছে, আলোচিত এই ব্যক্তির বিপুল সম্পদের কথা শোনা গেলেও বাস্তবে তা নেই। সম্পদের দিক থেকে তিনি একজন অন্তঃসারশূন্য মানুষ, ভুয়া মানুষ।

ডিবির যুগ্ম কমিশনার হারুন অর রশীদ সাংবাদিকদের বলেন, মুসা বিন শমসেরের কিছুই নেই। গুলশানে একটা বাড়ি আছে, সেটিও স্ত্রীর নামে।

‘প্রতারক’ আবদুল কাদেরের সঙ্গে মুসা বিন শমসেরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল জানিয়ে তিনি বলেন,  কাদেরকে বাবু সোনা বলে ডাকেন মুসা বিন শমসের।

এই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, মুসা বিন শমসের মুখরোচক অনেক কিছু বলেন। মানুষের সামনে বসলে গল্প বলেন। সেসব গল্প আর মুসা বিন শমসেরের নাম ব্যবহার করে আবদুল কাদের বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে শত শত কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। এর দায় তিনি (মুসা বিন শমসের) এড়াতে পারেন না। আমি মনে করি, কাদেরের সঙ্গে তাঁর একটা যোগসূত্র আছে।

ডিবির যুগ্ম কমিশনার হারুন অর রশীদ বলেন, আমরা তাঁকে (মুসা বিন শমসের) জিজ্ঞাসা করেছি, নবম শ্রেণি পাস মানুষকে আপনি আইন উপদেষ্টা বানালেন কেন? উনি আপনাকে ১০ কোটি টাকার চেক দিলেন, আপনি তাঁকে ২০ কোটি টাকার চেক ফেরত দিলেন। উনি বলেছেন, লাভ দিয়েছেন। কেউ কি এক মাসে ১০ কোটি টাকা বিনিয়োগে ১০ কোটি টাকা লাভ দেয়? এখানে মুসা বিন শমসেরের উদ্দেশ্য কী ছিল, সেটা জানা যায়নি।

আবদুল কাদেরকে গ্রেপ্তারের সময় তাঁর প্রতিষ্ঠান সততা প্রপার্টিজের অফিস থেকে মুসা বিন শমসের সংশ্লিষ্ট একটি কাগজ পান গোয়েন্দারা। সেখানে উল্লেখ করা হয়, সুইস ব্যাংকে মুসা বিন শমসেরের ৮২ মিলিয়ন ডলার রয়েছে।

আরও পড়ুন:


স্ত্রী ও ছেলেসহ ডিবি কার্যালয়ে মুসা বিন শমসের 

ভারতে পর্যটক ভিসার আবেদন শুরু

মাতৃত্বের স্বাদ পেলেন অভিনেত্রী নাজিরা মৌ

মক্কা ও মদীনার দুই পবিত্র মসজিদে ২০০ এর বেশি নারীর নিয়োগ


ডিবির যুগ্ম কমিশনার বলেন, এ বিষয়ে মুসা বিন শমসেরকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, “ঘটনা সত্য। আমার সুইস ব্যাংকে ৮২ মিলিয়ন ডলার আছে।” আপনি টাকার মালিক, কাগজ কেন কাদেরের কাছে, এ প্রশ্ন করলে নানা গল্প ফাঁদেন মুসা বিন শমসের। বলেন, “আমার একটা কলমের দাম ১০ কোটি টাকা, একটা ঘড়ির দাম ৮ কোটি। জুতার দাম ১০ কোটি টাকা। টাঙ্গাইলে ৩ লাখ একর জমির মালিক। গাজীপুরে ১ হাজার একর জমি রয়েছে।” এসব গল্প মুসা বিন শমসের শিশুসুলভভাবেই হয়তো বলেন।

হারুন অর রশীদ আরও বলেন, মুসা বিন শমসের বলেছেন, সুইস ব্যাংকের ৮২ মিলিয়ন ডলার পেলে পুলিশকে ৫০০ কোটি টাকা দেবেন। দুদকের ভবন করে দেবেন ২০০ কোটি টাকা খরচ করে।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

কুমিল্লার ঘটনায় পেছনের কারিগরদের খোঁজা হচ্ছে

অনলাইন ডেস্ক

কুমিল্লার ঘটনায় পেছনের কারিগরদের খোঁজা হচ্ছে

কুমিল্লায় পূজা মণ্ডপে পবিত্র কোরআন রাখার ঘটনার পেছনের কারিগরদের খুঁজতে জোর চেষ্টা চালাচ্ছেন অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) কর্মকর্তারা। জানা গেছে, টানা জিজ্ঞাসাবাদেও মুখ খুলছেন না রিমান্ডে থাকা ইকবাল হোসেনসহ চার আসামি।

এদিকে এ ঘটনায় দায়ের করা মামলার তদন্তের দায়িত্ব পেয়েছে সিআইডি। গত রবিবার (২৪ অক্টোবর) রাতে পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (অপরাধ-পূর্ব) মো. জালাল উদ্দিন আহমেদ চৌধুরীর সই করা এক চিঠিতে মামলাটি কুমিল্লা কোতোয়ালি থানা পুলিশের কাছ থেকে সিআইডিতে হস্তান্তরের নির্দেশ দেওয়া হয়। 

গতকাল সোমবার সকালে কুমিল্লার সিআইডি কর্মকর্তাদের কাছে মামলার কাগজপত্র বুঝিয়ে দেন তদন্ত কর্মকর্তা কোতোয়ালি মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মফিজুল ইসলাম। এ সময় রিমান্ডে থাকা এই মামলার প্রধান আসামি ইকবাল হোসেনসহ চারজনকেও হেফাজতে নেয় সিআইডি। ইকবাল ছাড়া রিমান্ডে থাকা অন্য তিনজন হলেন মো. হুমায়ুন কবির, মো. ফয়সাল আহমেদ ও মো. ইকরাম হোসেন।

গতকাল সকাল থেকেই তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছেন সিআইডি কর্মকর্তারা। ইকবালকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হলেও ঘটনার পেছনে কারা রয়েছে তা স্বীকার করেননি তিনি। ইকবাল নিজে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করলেও অন্য তিনজন এখনো নিজেদের নির্দোষ দাবি করে যাচ্ছেন। 

গত রবিবার রাত ১১টার দিকে ওই পূজামণ্ডপের হনুমানের মূর্তির হাত থেকে ইকবাল হোসেনের নিয়ে যাওয়া সেই গদাটি উদ্ধার করেছে পুলিশ। জেলা পুলিশ ও সিআইডির একটি দল নগরীর দারোগাবাড়ি মাজারের পাশের চৌধুরী ভিলার প্রাচীরের ঝোপের ভেতর থেকে গদাটি উদ্ধার করে। এর আগে পুলিশ জানিয়েছিল, জিজ্ঞাসাবাদে ইকবাল বলেছেন, তিনি গদাটি পুকুরে ফেলেছেন। উদ্ধারের সময় ইকবাল সেখানে ছিলেন।

কুমিল্লা সিআইডির একটি সূত্র জানায়, মামলার দায়িত্ব নেওয়ার পর ইকবালকে প্রাধান্য দিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে ইকরামকেও। কারণ তাঁরা দুজনই ঘটনা বাস্তবায়নে সরাসরি জড়িত ছিলেন। এ ছাড়া ঘটনার দিন সকালে মানুষকে উসকে দিয়ে সহিংসতাও ছড়িয়েছেন তাঁরা। তবে ইকবাল ছাড়া বাকিরা এখনো কেউ-ই মুখ খুলছে না।

গতকাল সন্ধ্যায় কুমিল্লা সিআইডির পুলিশ সুপার খান মোহাম্মদ রেজওয়ান জানান, ঘটনার গভীরে কারা ছিল, তাদের টার্গেট করেই তদন্ত চলছে। ইকবালকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করলেও গতকাল পর্যন্ত পেছনে জড়িতদের নাম স্বীকার করেননি তিনি। ইকরাম এবং দুই খাদেমকেও ভালোভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। আমরা তাঁদের যোগসূত্র খোঁজার চেষ্টা করছি।

আরও পড়ুন:


মিরপুর থেকে ৪২৪ কিশোরী নিখোঁজ, শিগগির সামাজিক বৈঠক পুলিশের

উল্লেখ্য, গত ১৩ অক্টোবর ভোরে কুমিল্লা নগরীর নানুয়ার দীঘির পাড়ের ওই পূজামণ্ডপে পবিত্র কোরআন শরিফ পাওয়ার অভিযোগ ওঠে। এ নিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। ওই ঘটনার পর ঢাকা ও কুমিল্লা পুলিশের কয়েকটি দল তদন্তে নামে। তারা ঘটনাস্থলের আশপাশের বিভিন্ন স্থান থেকে সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে বিশ্লেষণ করে। দীর্ঘ তদন্ত ও অনুসন্ধানের পর মণ্ডপে কোরআন রাখা ব্যক্তি যে ইকবাল হোসেন, সে বিষয়ে নিশ্চিত হয় তারা। 

news24bd.tv রিমু   

পরবর্তী খবর

মিরপুর থেকে ৪২৪ কিশোরী নিখোঁজ, শিগগির সামাজিক বৈঠক পুলিশের

অনলাইন ডেস্ক

মিরপুর থেকে ৪২৪ কিশোরী নিখোঁজ, শিগগির সামাজিক বৈঠক পুলিশের

গত তিন মাসে রাজধানীর মিরপুর এলাকা থেকে ৪২৪ মেয়ে শিশু-কিশোরী নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়। শিশু-কিশোরীরা যাতে ঘর ছেড়ে না যায় মিরপুরের সাতটি থানা এলাকায় অভিভাবকদের নিয়ে শিগগির সামাজিক বৈঠক করবে পুলিশ। সামাজিক বৈঠক করে সবার মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুলিশ। 

গতকাল সোমবার সংশ্লিষ্ট থানাগুলোর দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চলতি মাসের ২৫ তারিখ পর্যন্ত মিরপুর এলাকা থেকে আরো ৭৫ শিশু-কিশোরী নিখোঁজ হওয়ার তথ্য পেয়েছে পুলিশ। এই নিয়ে নিখোঁজের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫১৭। এদের মধ্যে মিরপুর এলাকা থেকে ৩৯৫ জন এখন পর্যন্ত উদ্ধার হয়েছে বা নিজেরাই পরিবারের কাছে ফিরে এসেছে। অন্যদের উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। 

নিখোঁজ শিশু-কিশোরীদের একটি অংশ ছেলেবন্ধুদের সঙ্গে ঘর ছাড়লেও ছেলেদের পরিবারের পক্ষ থেকে জিডি করার ঘটনা নেই বললেই চলে। প্রায় সব জিডিই করেছেন মেয়ে শিশু-কিশোরীদের অভিভাবকরা।

গতকাল ঢাকা মহানগর পুলিশের মিরপুর বিভাগের সাতটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা (ওসি) জানান, সাত দিনের মধ্যে প্রতিটি এলাকার অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও স্কুল-কলেজের শিক্ষকদের সঙ্গে সামাজিক বৈঠক করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁরা। তাঁরা মনে করেন, করোনাকালে স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীরা অনেকটা ঘরবন্দি হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় তারা নানা ভুল করতে থাকে। তারা মানসিকভাবে অনেকটা হতাশার মধ্যে সময় কাটায়। পরিস্থিতি সহনীয় করতে ডাকা সামাজিক বৈঠকে অভিভাবকদের পাশাপাশি থানা পুলিশ সদস্য, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাও উপস্থিত থাকবেন। এ ছাড়া সভা-সেমিনার করা হবে এলাকায়। সেই সঙ্গে স্কুলের ক্লাসরুমে শিক্ষকদের উপস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলবেন পুলিশ কর্মকর্তারা। এতে এলাকার জনপ্রতিনিধিদেরও সম্পৃক্ত করা হবে। 

কিভাবে বৈঠক আয়োজন করা হবে, জানতে চাইলে পুলিশ কর্মকর্তারা বলেন, বিট পুলিশিংয়ের মাধ্যমে এ কাজ করা হবে। তাঁদের তথ্য মতে, বিট পুলিশের মূল ধারণা হচ্ছে, পুলিশ কর্মকর্তারাই সেবা নিয়ে যাবেন মানুষের কাছে। তবে মামলাসহ কিছু আইনগত বিষয়ে থানায় আসতে হবে ভুক্তভোগীদের। যদিও বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে চরম বিপদে না পড়লে মানুষের থানামুখী হওয়ার সম্ভাবনা কম। তাই প্রতিটি মহল্লাকে বিটে বিভক্ত করে একজন উপ-পুলিশ পরিদর্শককে (এসআই) এর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:


তিন মাসে মিরপুর থেকে ৪২৪ কিশোরী নিখোঁজ!


এ ব্যাপারে ঢাকা মহানগর পুলিশের মিরপুর জোনের সহকারী কমিশনার এম এম মঈনুল ইসলাম এবং মিরপুর বিভাগের দারুসসালাম জোনের সহকারী কমিশনার (এসি) মিজানুর রহমান বলেন, নিখোঁজের সংখ্যা যাতে আর বাড়তে না পারে, সে জন্য কিছু বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিট পুলিশের মাধ্যমে প্রতিটি এলাকায় অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সঙ্গে সামাজিক বৈঠক করা হবে।

আরো বলেন, বৈঠকের আগের দিন বিট পুলিশ বাড়ির মালিক, অভিভাবক অর্থাৎ ভাড়াটিয়াদের সঙ্গে কথা বলে। এরপর পরের দিনের সুবিধামতো একটি সময়ে তাঁদের নিয়ে বৈঠক করা হবে। এর বাইরে স্কুলে গিয়েও এ বিষয়ে কথা বলা হবে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে। 

news24bd.tv রিমু   

পরবর্তী খবর

পাগলীর জন্ম নেওয়া সন্তানের পিতা এমপি বদি

অনলাইন ডেস্ক

পাগলীর জন্ম নেওয়া সন্তানের পিতা এমপি বদি

কক্সবাজার টেকনাফে পাগলীর গর্ভে জন্ম নেওয়া নবাগত শিশুটির পিতা হয়েছেন সাবেক কক্সবাজার-৪ (উখিয়া- টেকনাফ) আসনের এমপি আব্দুর রহমান বদি। তিনি এ শিশুকন্যার সব দায়িত্ব নিয়েছেন বলে জানা গেছে।

টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. টিটু চন্দ্র শীল এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেন।

নবজাতক এ কন্যা শিশুটির নাম রাখা হয়েছে মরিয়ম জারা।

সোমবার বিকেলে টেকনাফ পৌরসভা হতে তাদের নামে  (বদি/শাহীনা) শিশুটির জন্ম নিবন্ধন হয়। এ প্রক্রিয়া শেষে তা প্রকাশ করলে মুহূর্তের মধ্যে তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। 

স্থানীয়রা বলছেন, যে যা বলুক আজ থেকে শিশু মরিয়ম জারার পিতা সাবেক এমপি আব্দুর রহমান বদি ও মা শাহীনা আক্তার। এ মহৎ কাজের জন্য হাজারো মানুষ তাকে স্বাগত জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে সাংসদ বদির বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. টিটু চন্দ্র শীল জানান, মা ও মেয়ে সুস্থ আছে, তবে মঙ্গলবার তাদের হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হবে।

তিনি আরও জানান, আমিও শুনেছি পাগলীর জন্ম দেওয়া শিশুটির পিতা হয়ে দায়িত্ব নিয়েছেন সাবেক এমপি আব্দুর রহমান( বদি)।

উল্লেখ্য, গত শনিবার রাতে টেকনাফ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক এবং কর্তব্যরত নার্সের সহযোগিতায় শিশু মরিয়ম জারা পৃথিবীতে আগমন করে।

news24bd.tv/তৌহিদ

পরবর্তী খবর

পূজামণ্ডপের ঘটনাটি দুঃখজনক: বদিউল আলম মজুমদার

অনলাইন ডেস্ক

সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেছেন, গত ১৩ অক্টোবর কুমিল্লায় পূজামণ্ডপে যে ঘটনা ঘটেছে তা অত্যন্ত দুঃখজনক।

এ সময় তিনি এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, দোষীদের খুঁজে বের করে সঠিক বিচার করতে হবে। সেই সাথে সাধারণ কোন নাগরিক যেন হয়রানির শিকার না হতে হয় সেদিকেও প্রশাসনের নজর দিতে হবে। 

আরও পড়ুন: খালেদা জিয়ার পরবর্তী চিকিৎসা কী জানা যাবে ২১ দিন পর 

দুপুরে কুমিল্লা টাউনহলের মুক্তিযোদ্ধা কর্নারে সুজনের আয়োজনে “রাষ্ট্র ও সমাজে সুশাসন প্রতিষ্ঠায়, শুদ্ধাচার চর্চার বিকল্প নেই” জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল বাস্তবায়নে করণীয় শীর্ষক এক  নাগরিক সংলাপে বদিউল আলম এ সব কথা বলেন।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ১৯০ জন হাসপাতালে

অনলাইন ডেস্ক


ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ১৯০ জন হাসপাতালে

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে গেলো ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৯০ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তবে কারও মৃত্যু হয়নি। আক্রান্তদের অধিকাংশই রাজধানীর বাসিন্দা।

আজ বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এ তথ্য জানিয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়,  নতুন আক্রান্তদের মধ্যে ১৫৪ জন রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে এবং ৩৬ জন ঢাকার বাইরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

এ নিয়ে বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে সর্বমোট ভর্তি থাকা রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৬১ জনে। ঢাকার ৪৬টি সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি আছেন ৭০৩ জন এবং অন্যান্য বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি আছেন ১৫৮ জন।

আরও পড়ুন: লিটন ও লাহিরুকে যে শাস্তি দিলো আইসিসি

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে আজ (২৫ অক্টোবর) পর্যন্ত হাসপাতালে সর্বমোট রোগী ভর্তি হয়েছেন ২২ হাজার ৬৮৮ জন। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ২১ হাজার ৭৪০ জন রোগী। ডেঙ্গুতে এ সময়ে ৮৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর