যে ১০ শ্রেণির মানুষের পরকালে কোনো ভয় নেই

মাওলানা সাখাওয়াত উল্লাহ

যে ১০ শ্রেণির মানুষের পরকালে কোনো ভয় নেই

পরকালে আমার কী হবে—প্রত্যেক মুমিন এই চিন্তায় বিভোর। কিন্তু কোরআনের বর্ণনায় ১০ শ্রেণির মানুষ এমন আছে, পরকালে তাদের কোনো ভয় থাকবে না এবং তারা চিন্তিতও হবে না।

এই ভয় না থাকার অর্থ হলো, পরকালে হিসাব-নিকাশের পর যখন তাদের যথাযথ মর্যাদায় জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে তখন সব ধরনের ভয় ও আশঙ্কা থেকে তারা মুক্ত হয়ে যাবে। কোনো কষ্ট তাদের অস্থির করে তুলবে না। কোনো বেদনা তাদের ব্যথিত করবে না। কেননা জান্নাত চিরসুখের ঠিকানা, চিরস্থায়ী নিবাস। আর এটাও সত্য যে জাহান্নাম থেকে মুক্তি পেয়ে যারা জান্নাতে যাবে, তাদের সবাই অনন্ত সুখ ভোগ করবে।

সেই ১০ শ্রেণির মানুষ হলেন—

এক. সৎপথের অনুসারীদের কোনো ভয় নেই। ইরশাদ হয়েছে, ‘...যারা আমার সৎপথের নিদর্শন অনুসরণ করবে, তাদের কোনো ভয় নেই এবং তারা দুঃখিতও হবে না।’ (সুরা : বাকারা, আয়াত : ৩৮)

দুই. যারা আল্লাহ এবং পরকালে বিশ্বাসী, পরকালে তাদের কোনো ভয় নেই। ইরশাদ হয়েছে, ‘...যারা আল্লাহ ও আখিরাতের ওপর ঈমান আনে এবং সৎকাজ করে, তাদের জন্য তাদের রবের কাছে পুরস্কার আছে। তাদের কোনো ভয় নেই এবং তারা দুঃখিতও হবে না।’ (সুরা বাকারা, আয়াত : ৬২)

তিন. যারা আল্লাহর কাছে পরিপূর্ণরূপে আত্মসমর্পণ করবে, তাদের কোনো ভয় নেই। জীবনের সব ক্ষেত্রে ইসলামের আলোকে জীবন যাপন করে পরকালে তাদের কোনো ভয় নেই। ইরশাদ হয়েছে, ‘হ্যাঁ, যে ব্যক্তি আল্লাহর কাছে পরিপূর্ণভাবে আত্মসমর্পণ করে এবং সৎকর্মপরায়ণ হয়, তার প্রতিফল তার রবের কাছে আছে। আর তাদের কোনো ভয় নেই এবং তারা দুঃখিতও হবে না।’ (সুরা বাকারা, আয়াত : ১১২)

চার. যারা গোপনে ও নিঃস্বার্থে আল্লাহর পথে ব্যয় করে তাদের কোনো ভয় নেই। ইরশাদ হয়েছে, ‘যারা আল্লাহর পথে নিজেদের সম্পদ ব্যয় করে অতঃপর ব্যয়ের কথা বলে বেড়ায় না এবং কষ্টও দেয় না, তাদের পুরস্কার তাদের রবের কাছে আছে। তাদের কোনো ভয় নেই এবং তারা দুঃখিতও হবে না।’ (সুরা : বাকারা, আয়াত : ২৬২)

পাঁচ. যারা প্রকাশ্যে-গোপনে এবং রাতে-দিনে দান-সদকা করে তাদের কোনো ভয় নেই। অর্থাৎ দিনে-রাতে, আলো-অন্ধকারে, প্রকাশ্যে-গোপনে মানুষের সেবা করা পরকালে নির্ভয় থাকার অন্যতম মাধ্যম। ইরশাদ হয়েছে, ‘যারা নিজেদের ধন-সম্পদ রাতে-দিনে গোপনে ও প্রকাশে ব্যয় করে তাদের পুণ্যফল তাদের রবের কাছে আছে। তাদের কোনো ভয় নেই এবং তারা দুঃখিতও হবে না।’ (সুরা : বাকারা, আয়াত : ২৭৪)

ছয়. যারা সালাত কায়েম করে এবং জাকাত দেয় পরকালে তাদের কোনো ভয় নেই। ইরশাদ হয়েছে, ‘নিশ্চয়ই যারা ঈমান আনে, সৎকাজ করে, সালাত কায়েম করে এবং জাকাত দেয়, তাদের প্রতিফল তাদের রবের কাছে আছে। তাদের কোনো ভয় নেই এবং তারা দুঃখিতও হবে না।’ (সুরা : বাকারা, আয়াত : ২৭৭)

সাত. যারা নিজেকে সংশোধন করে নেয়, পরকালে তাদের কোনো ভয় নেই। ইরশাদ হয়েছে, ‘...কেউ ঈমান আনলে এবং নিজেকে সংশোধন করলে তার কোনো ভয় নেই এবং সে দুঃখিতও হবে না।’ (সুরা আনআম, আয়াত : ৪৮)

আট. যাদের অন্তরে আল্লাহর ভয় আছে তাদের কোনো ভয় নেই। মুত্তাকি ও খোদাভীরুর পরকালে কোনো ভয় নেই। ইরশাদ হয়েছে, ‘অতঃপর যারা তাকওয়া অবলম্বন করে এবং নিজেদের সংশোধন করে নেয় তাদের কোনো ভয় নেই এবং তারা দুঃখিতও হবে না।’ (সুরা আরাফ, আয়াত : ৩৫)

নয়. আল্লাহর অলিদের কোনো ভয় নেই। ‘সব সময় আল্লাহ আমাকে দেখছেন’—এই ধ্যান ও খেয়াল যাঁর মধ্যে কাজ করে, তিনিই আল্লাহও অলি। এমন ব্যক্তিই আল্লাহর খাঁটি বান্দা। ইরশাদ হয়েছে, ‘জেনে রেখো! আল্লাহর অলিদের কোনো ভয় নেই এবং তারা দুঃখিতও হবে না।’ (সুরা ইউনুস, আয়াত : ৬২)

আরও পড়ুন:


বাংলাদেশে হামলার পরিকল্পনাকারী যুবকের কারাদণ্ড

গোপনে বিয়ে সারলেন স্বস্তিকা!

নিজের গায়ে আগুন দেওয়া সেই শিক্ষার্থী মারা গেছেন

রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট বন্ধ থাকবে আজ


দশ. নিজের ঈমান ও বিশ্বাসের ওপর অবিচল ব্যক্তির পরকালে কোনো ভয় নেই। ইরশাদ হয়েছে, ‘যারা বলে, আমাদের রব আল্লাহ অতঃপর অবিচল থাকে তাদের কাছে (মৃত্যুর সময়) অবতীর্ণ হয় ফেরেশতা। এবং তারা বলে, তোমরা ভীত হয়ো না, চিন্তিত হয়ো না। আর তোমাদের যে জান্নাতের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, তার জন্য আনন্দিত হও।’ (সুরা হা-মিম সাজদা, আয়াত : ৩০)

news24bd.tv রিমু 

পরবর্তী খবর

সগীরা গুনাহর পরিচয়

অনলাইন ডেস্ক

সগীরা গুনাহর পরিচয়

ফাইল ছবি

পাপ হলো শরিয়তের আদেশ-নিষেধ লঙ্ঘন করা, নির্দেশ অবহেলা করা ও নিষেধ অমান্য করা। পাপ বা অপরাধ ছোট হোক বা বড় হোক, তা সব সময় বর্জনীয়। কোনো ছোট পাপকে হালকা মনে করাও একটি কবিরা গুনাহ বা বড় পাপ। 

কবিরা অর্থ বড়, ছগিরা অর্থ ছোট। ছগিরা গুনাহ মানে ছোট পাপ, কবিরা গুনাহ মানে বড় পাপ। ছগিরার বহুবচন ছগায়ের, কবিরার বহুবচন কাবায়ের। 

যেসব পাপের ব্যাপারে কোনো শাস্তি, আল্লাহর ক্রোধ বা অভিশাপের কথা বলা হয়নি; বরং শুধুই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে, সেসব হলো সগিরা গুনাহ। তবে সেসব গুনাহও কবিরা গুনাহর অন্তর্ভুক্ত হবে, যার অনিষ্ট ও পরিণতি কোনো কবিরা গুনাহর অনুরূপ কিংবা তার চেয়েও অধিক। আবার যেসব ছোট গুনাহ নির্ভয়ে করা হয় কিংবা নিয়মিতভাবে করা হয়, সেগুলোও কবিরা গুনাহর অন্তর্ভুক্ত হবে।

কবিরা ও সগিরা গুনাহর মধ্যে পার্থক্য:

প্রথমত, কোনো গুনাহর প্রাথমিক পর্বগুলো হলো সগিরা গুনাহ। আর ওই গুনাহর চূড়ান্ত পর্ব হলো কবিরা গুনাহ।

দ্বিতীয়ত, কোনো গুনাহর অনিষ্ট ও পরিণতি যদি কোনো কবিরা গুনাহর মতো হয়, তবে তা কবিরা গুনাহ, অন্যথায় সগিরা গুনাহ।

তৃতীয়ত, ইমাম গাজ্জালি (রহ.) বলেছেন, প্রতিটি গুনাহ তার চেয়ে বড় ও ওপরের স্তরের গুনাহর হিসেবে সগিরা বা ছোট গুনাহ। আবার কোনো গুনাহ তার চেয়ে ছোট ও নিচের স্তরের গুনাহর হিসেবে কবিরা গুনাহ।

পরবর্তী খবর

অসুস্থ ব্যক্তিকে দেখতে যাওয়া বিশ্ব নবীর সুমহান আদর্শ

অনলাইন ডেস্ক

অসুস্থ ব্যক্তিকে দেখতে যাওয়া 
বিশ্ব নবীর সুমহান আদর্শ

প্রতীকী ছবি

রোগী দেখা, তার সেবা-যত্ন করা, খোঁজ-খবর নেওয়া, সান্ত্বনা দেওয়া আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুমহান আদর্শ ও সুন্নাত। প্রিয় নবী অসুস্থ ব্যক্তির সেবা করাকে নেক আমল ও ইবাদত হিসেবে ঘোষণা করেছেন।

হজরত আবু সাঈদ খুদরি রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেছেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঘোষণা করেছেন, ‘তোমরা অসুস্থদের দেখতে যাও এবং আবার কেউ মারা গেলে তার জানাজায় অংশগ্রহণ করো; কেননা তা পরকালের কথা স্মরণ করিয়ে দেবে।’ (মুসনাদে আহমদ)।


আরও পড়ুন:

গণপরিবহনে শিক্ষার্থীদের হাফ ভাড়া কার্যকর

হাফ পাস শুধুমাত্র ঢাকায় কার্যকর হবে বললেন এনায়েত উল্লাহ

কুমিল্লায় কাউন্সিলর হত্যা: ৬ হামলাকারী শনাক্ত


হাদিস শরিফে এসেছে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘আল্লাহ তায়ালা কেয়ামতের দিন বলবেন, হে বনি আদম! আমি অসুস্থ ছিলাম। তুমি আমাকে দেখতে আসোনি। সে বলবে, হে আমার রব! আমি আপনাকে কীভাবে দেখতে যাব? আপনি তো বিশ্বজাহানের রব! আল্লাহ বলবেন, তুমি কি জানতে না যে, আমার অমুক বান্দা অসুস্থ ছিল? তুমি তাকে দেখতে যাওনি। তুমি কি জানতে না যে, তুমি যদি তাকে দেখতে যেতে, আমাকে অবশ্যই তার কাছে পেতে।’ (মুসলিম : ২৫৬৯)।

রাসুলুল্লাহ (সা.) আরও বলেন, ‘কোনো মুসলিম ব্যক্তি তার অসুস্থ মুসলিম ভাইকে দেখতে গেলে সে (যতক্ষণ তার কাছে অবস্থান করে ততক্ষণ) যেন জান্নাতের ফল আহরণ করতে থাকে।’ (তিরমিজি : ৯০৯)।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

আত্মহত্যার শাস্তি

অনলাইন ডেস্ক

আত্মহত্যার শাস্তি

ফাইল ছবি

ইসলামে আত্মহত্যা হারাম ও কবিরা গুনাহ। আত্মহত্যাকারীর গন্তব্য জাহান্নাম। পবিত্র কোরআনে আল্লাহতায়ালা এ ঘৃণ্য কাজ থেকে বিরত থাকার আদেশ দিয়েছেন। ইরশাদ হচ্ছে, ‘তোমরা নিজেদের হাতে নিজেদের জীবন ধ্বংসের মুখে ফেলো না।’ (সুরা বাকারা, আয়াত : ১৯৫)।

মহান আল্লাহ আরও বলেছেন, আমার বান্দা নিজেকে হত্যা করার ব্যাপারে বড় তাড়াহুড়ো করে ফেলেছে। তাই আমি তার জন্য জান্নাত হারাম করে দিলাম।’ (বুখারি, হাদিস : ৩২৭৬; মুসলিম, হাদিস : ১১৩)


আরও পড়ুন:

দেশে করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া সবাই পুরুষ

খালেদা জিয়ার মেডিকেল বোর্ডের বক্তব্যকে গুরুত্ব দিন: সরকারকে রিজভী

ফাঁকিবাজ সরকার বলেই সত্য বললেও মানুষ বিশ্বাস করেনা: মান্না


আত্মহত্যার ভয়ানক পরিণতি সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি নিজেকে পাহাড়ের ওপর থেকে নিক্ষেপ করে আত্মহত্যা করে, সে জাহান্নামের মধ্যে সর্বদা ওইভাবে লাফিয়ে পড়ে নিজেকে নিক্ষেপ করতে থাকবে। যে ব্যক্তি বিষ পান করে আত্মহত্যা করে, সে-ও জাহান্নামের মধ্যে সর্বদা ওইভাবে নিজ হাতে বিষ পান করতে থাকবে। আর যেকোনো ধারালো অস্ত্র দ্বারা আত্মহত্যা করে, তার কাছে জাহান্নামে সেই ধারালো অস্ত্র থাকবে, যা দ্বারা সে সর্বদা নিজের পেট ফুঁড়তে থাকবে।’ (বুখারি ও মুসলিম)

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

আল্লাহর কাছে সুস্থ থাকার জন্য যে দোয়া পড়বেন

অনলাইন ডেস্ক

আল্লাহর কাছে সুস্থ থাকার জন্য যে দোয়া পড়বেন

প্রতীকী ছবি

আল্লাহর কাছে সুস্থ থাকার জন্য যেমন দোয়া করা উচিত তেমনি অসুস্থ হলেও তা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য আল্লাহর দরবারে দোয়া করা উচিত। সুস্থ থাকাটা হচ্ছে আল্লাহর নেয়ামত। আবার অসুস্থতার মাধ্যমে মুমিনদের পাপ মোচন হয়। 

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম শরীরের সাদকাহ আদায়ের কথা বলেছেন। মানবদেহে অনেক জোড়া রয়েছে, প্রতিটি জোড়ার হক আদায় করার কথাও বলেছেন তিনি। শরীরের এ সাদকাহ বা জোড়ার হক আদায়ে প্রতিদিন সালাতুজ জোহা বা চাশতের নামাজ পড়তে বলেছেন।

যারা চাশতের ২ কিংবা ৪ রাকাআত নামাজ পড়বে, ওই ব্যক্তি শরীরের সাদকাহ বা জোড়ার হক আদায় হয়ে যাবে। আবার ভালো কাজ ও ভালো আচরণেও শরীরের হক আদায় হয় বলেছেন বিশ্বনবী।

বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মানুষকে শরীরকে সুস্থ রাখতে সকাল সন্ধ্যা দোয়ার আমল করতে বলেছেন। বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সকাল-সন্ধ্যায়

উচ্চারণ: ‘আল্লাহুম্মা আ-ফিনি ফি বাদানি, আল্লাহুম্মা আ-ফিনি ফি সাম-ই, আল্লাহুম্মা আ-ফিনি ফি বাসারি, লা-ইলাহা ইল্লা আনতা।’

অর্থ: ‘হে আল্লাহ, আমার দেহ সুস্থ রাখুন। হে আল্লাহ, আমাকে সুস্থ রাখুন আমার শ্রবণ ইন্দ্রিয়ে। হে আল্লাহ, আমাকে সুস্থ রাখুন আমার দৃষ্টিশক্তিতে। আপনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই।’

উপকার: আবদুর রহমান ইবনে আবু বকর (রা.) থেকে বর্ণিত, আমি আমার পিতাকে বললাম, আব্বাজান, আমি আপনাকে প্রতিদিন ভোরে ও সন্ধ্যায় তিনবার বলতে শুনি যে আপনি এই দোয়া পাঠ করছেন। তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে এ বাক্যগুলো দ্বারা দোয়া করতে শুনেছি। সে জন্য আমিও তাঁর নিয়ম অনুসরণ করতে ভালোবাসি। (আবু দাউদ, হাদিস: ৫০৯০)

------------------------------------------------------------

চাকরির জন্য আল্লাহর কাছে যে দোয়া পড়বেন

যে দোয়া পড়লে মনের আসা কবুল হয়

যারা বিনা হিসাবে জান্নাতে যাবে

যে দোয়া পড়লে কখনো বিফলে যায় না!

যে সময় দোয়া পড়লে দ্রুত কবুল হয়

কঠিন বিপদ থেকে রক্ষা পেতে যে দোয়া পড়বেন!

জ্বর ও ব্যথা হলে যে দোয়া পড়বেন!

সন্তানের মঙ্গলের জন্য যে দোয়া করবেন

-----------------------------------------------------------------

news24bd.tv/ কামরুল 

পরবর্তী খবর

হাক্কুল্লাহ'র অর্থ ও ব্যাখ্যা

অনলাইন ডেস্ক

হাক্কুল্লাহ'র অর্থ ও ব্যাখ্যা

হাক্কুল্লাহ অর্থ আল্লাহর হক। আরবি হাক্ক শব্দটিকে বাংলায় হক বলা হয়। অর্থ কয়েক রকম আছে, তার মধ্যে এক অর্থ হলো অধিকার, হক, দাবি, পাওনা। এখানে হাক্কুল্লাহ অর্থ আল্লাহর হক, আল্লাহর পাওনা।

আমরা সচরাচর যে ক্ষমা প্রসঙ্গে জানি তা হলো, হাক্কুল্লাহ বা আল্লাহর হক। আল্লাহ বলেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁর সঙ্গে শরিক করাকে ক্ষমা করবেন না, আর এ ছাড়া অন্যান্য পাপ যাকে ইচ্ছা তিনি ক্ষমা করবেন। আর যে ব্যক্তি আল্লাহর সঙ্গে শরিক করল অবশ্যই সে চরম ভ্রষ্টতায় পথভ্রষ্ট হলো।(সুরা : আন-নিসা, আয়াত : ১১৬)

অন্য আয়াতে আল্লাহ বলেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁর সঙ্গে শরিক করাকে ক্ষমা করবেন না, আর এ ছাড়া অন্যান্য পাপ যাকে ইচ্ছা তিনি ক্ষমা করবেন। আর যে ব্যক্তি আল্লাহর সঙ্গে শরিক করল, অবশ্যই সে মহাপাপ রচনা করল।’ (আন-নিসা, আয়াত : ৪)

উল্লিখিত আয়াতে গুনাহ হচ্ছে সালাত, সিয়াম, হজ, জাকাত, যেগুলো আল্লাহর হক সেগুলো পালন না করা যা আল্লাহ ইচ্ছা করলে ক্ষমা করতে পারেন আবার নাও করতে পারেন, কারণ এগুলো আল্লাহর এখতিয়ারভুক্ত। আল্লাহ বলেন, ‘আর আসমান ও জমিনের কর্তৃত্ব আল্লাহরই; তিনি যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করেন, আর যাকে ইচ্ছা শাস্তি দেন, আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।’ (সুরা : ফাতহ, আয়াত : ১৪)

হাদিসে এসেছে, মুআজ ইবনে জাবাল (রা.) বলেন, আমি একটি গাধার পিঠে রাসুলের সঙ্গী ছিলাম। যে উটকে ‘উফাইর’ বলা হয়। রাসুল (সা.) জিজ্ঞেস করেন, ‘হে মুআজ, তুমি কি জানো বান্দার ওপর আল্লাহ তাআলার কী কী হক রয়েছে? এবং আল্লাহ তাআলার ওপর বান্দার কী কী হক রয়েছে? আমি উত্তর দিলাম, আল্লাহ ও তাঁর রাসুল (সা.) ভালো জানেন। তিনি বলেন, বান্দার ওপর আল্লাহ তাআলার হক হচ্ছে, তারা তাঁর ইবাদত করবে, তাঁর সঙ্গে অন্য কাউকে শরিক করবে না।’

আরও পড়ুন:


তাইজুল ম্যাজিকে লিড পেলো বাংলাদেশ

হেফাজত মহাসচিব মাওলানা নুরুল ইসলাম আইসিইউতে

অন্তঃসত্ত্বা নারীকে হত্যা করে পেট চিরে বাচ্চা চুরি!


আল্লাহ তাআলার ওপর বান্দার হক হচ্ছে, যে তাঁর সঙ্গে কাউকে শরিক করবে না, তাকে তিনি শাস্তি দেবেন না। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসুল (সা.) আমি কি সবাইকে এর সুসংবাদ জানিয়ে দেব না? তিনি বলেন, তাদের সুসংবাদ দিয়ো না, তাহলে তারা এর ওপরই ভরসা করে থাকবে।’ (বুখারি ও মুসলিম)

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর