ভেবেছিলাম বহুল আলোচিত ‌‘ঢাকা বোট ক্লাবটি’ দেখার সুযোগ হবে!

ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ

ভেবেছিলাম বহুল আলোচিত ‌‘ঢাকা বোট ক্লাবটি’ দেখার সুযোগ হবে!

দেড় বছর পর বাসা থেকে প্রথম ঘুরতে বেরোলাম। গুগল ম্যাপ দেখে ভাবলাম আসুলিয়া পেরিয়ে দিয়াবাড়ির কাশফুল দেখতে যাওয়া যেতে পারে, কিন্তু তার থেকেও বড় আগ্রহের বিষয় হলো পথেই ইদানিং কালের বহুল আলোচিত "ঢাকা বোট ক্লাব"টি দেখার সুযোগ হবে। রাস্তার গেট থেকে সুদৃশ্য ক্লাব ভবন বেশ দূরে, সুসজ্জিত রাস্তা চলে গেছে সে পর্যন্ত। মূল ভবনের পাশে নদীর পাড়ে আরো বেশ কিছু জায়গা মনে হয় ক্লাবের ব্যবহারের জন্য  তৈরী করা হচ্ছে, দূর থেকে ভালো বোঝা গেলো না। গেটে কড়া নিরাপত্তা। শুধু সামনের প্রাঙ্গণ পর্যন্ত একটু হেঁটে ঘুরে দেখা যায় কিনা সে অনুরোধ করাতে কোনো কাজ হলো না। আমার মত বয়স্ক ছোটোখাটো নিরীহ গোছের একজন মানুষকে গেটের ভেতর এক পা দিতেও কেনো এতো আপত্তি ভেবে হাসিই পেলো।

আমার একটা উদ্দেশ্য ছিলো ভবনটি ও নদী তীরের জায়গাটায় পরিবেশের ও নান্দনিক সৌন্দর্য সম্বন্ধে একটা ধারণা পাওয়া। এক চিত্রনায়িকাকে নিয়ে সেখানকার একটি সাম্প্রতিক ঘটনার বিষয়ে যখন সংবাদ মাধ্যমে অনেক লেখালেখি হচ্ছিলো, আমি লক্ষ্য রাখছিলাম ওই ক্লাবটির ভৌত কাঠামো নিয়ে যেটুকু জানা যাচ্ছিলো তার উপর। সম্ভবতঃ ক্লাব কর্তৃপক্ষের বর্ণনাতেই জানা গিয়েছিলো ক্লাব ঘরটি ক্লাবের সদস্য ও তাঁদের পরিবারের বিনোদনের উপযুক্ত করে নির্মাণ করা হয়েছে এবং বিশেষত দোতলার কিছু ঘর থেকে নাকি নদীর অপূর্ব দৃশ্য দেখা যায়।

আমার তাৎক্ষণিক ভাবে মনে হয়েছিলো এই পুরো অবকাঠামো একটি আন্তর্জাতিক গবেষণা কেন্দ্রের জন্য খুব উপযোগী হতো, যেখানে দেশ বিদেশের বিভিন্ন বিষয়ের গবেষকরা কিছু সময়ের জন্য আবাসিক ফেলো (resident fellow) হিসাবে এসে এই নান্দনিক পরিবেশে তাঁদের গবেষণার কাজ, শিল্প-সাহিত্য চর্চা, কর্মশালা ও সেমিনারের মাধ্যমে ভাবনার আদান প্রদান করতে পারবেন। এর জন্য অবশ্য আবাসিক সুবিধার ব্যবস্থাও থাকতে হবে, যে কারণে আমি ভবনের পাশের নদী তীরের জায়গাটা লক্ষ্য করছিলাম।

ইতালির মিলান শহরের কাছে অপূর্ব সুন্দর পরিবেশে Rockefeller Bellagio Center এরকম একটি আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন আবাসিক গবেষণা কেন্দ্র (আমার প্রয়াত স্ত্রী একাধিকবার সেখানে গবেষণার জন্য গিয়েছিলন)। প্রতিবেশী ভারতে এরকম গবেষণা কেন্দ্রের দু'টি বহুল পরিচিত উদাহরণ মনে আসছে: দিল্লীর Habitat Centre (ব্যক্তি মালিকানাধীন) এবং সিমলার পূর্ববর্তী রাষ্ট্রপতি নিবাসে স্থাপিত Indian Institute of Advanced Studies (ভারত সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয় দ্বারা পরিচালিত)। এ দুটি প্রতিষ্ঠানই আমার দেখা।

আরও পড়ুন


পূজামণ্ডপে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী: কাদের

শাকিব খানের সঙ্গে নৈশভোজের দাওয়াত পাচ্ছেন সেই গৃহবধূ!

এবার শাহরুখপুত্রের ফোন থেকে চাঞ্চল্যকর তথ্য উদ্ধার!

নিজ বাড়ি থেকে কেনিয়ার বিশ্বরেকর্ডধারী অ্যাথলেটের মরদেহ উদ্ধার


সংবাদমাধ্যমের আলোচনায় এটাও দেখেছিলাম যে নদীর তীরের আইন অনুযায়ী এই সংরক্ষিত স্থানে কেবল "জনস্বার্থের" বিচারেই ব্যক্তি মালিকানাধীন ক্লাবটিকে জায়গাটি "বিশেষ বিবেচনায়" বরাদ্দ দেয়া হয়েছিলো, অবশ্য এর সত্যাসত্য আমার জানা নেই। তবে "জনস্বার্থের" বিচারেই যদি আসলে এই অনুমতি দেয়া হয়ে থাকে, তবে ক্লাবের সদস্যদের পরিবারের বিনোদনের চাইতে একটি আন্তর্জাতিক মানের আবাসিক গবেষণা কেন্দ্র যে জ্ঞান ভিত্তিক সমৃদ্ধ জাতি গঠনে অবদান রাখার মাধ্যমে অনেক বেশী জনস্বার্থের অনুকূল হবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

সন্দেহ নাই ক্লাবের সদস্যরা এখানে বেশ কিছু বিনিয়োগ করেছেন। তাঁরা এই বিনিয়োগকে গবেষণা কেন্দ্র স্থাপনের জন্য endowment fund-এ রূপান্তরিত করে বাংলাদেশে কর্পোরেট philanthrophy-এর অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারেন। সরকার ব্যয়ভারের অন্ততঃ আংশিক দায়িত্ব গ্রহণ করে উদ্যোক্তাদের ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থাও করতে পারে। দেশ-বিদেশের উৎস থেকেও (Rockefeller বা Gates ফাউন্ডেশন, ইত্যাদি) অর্থ সংগ্রহ সম্ভব। ক্লাব মালিকদের সম্মতি থাকলে এ রকম একটা উদ্যোগ নিয়ে এগুনো যেতে পারে।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

সাজেক নিয়ে কাজ করাদের জন্য ভয়ংকর এক রাত

রাজিয়া সুলতানা

সাজেক নিয়ে কাজ করাদের জন্য ভয়ংকর এক রাত

রাজিয়া সুলতানা

গতকাল ছিল পর্যটন নিয়ে যারা কাজ করে বিশেষ করে সাজেক নিয়ে যারা কাজ করে তাদের জন্য ভয়ংকর এক রাত। সাজেকে গত রাতে আগুন লেগে অবকাশ রিসোর্ট, মেঘছুট রিসোর্ট, সাজেক ইকো ভ্যালী রিসোর্ট, মনটানা ক্যাফে, জাকারিয়া দাদার ঘর, মারুতি দিদির ঘর পুরোপুরি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে, সাথে আরো বেশ কিছু স্থাপনা আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই রেস্টুরেন্ট এবং রিসোর্টে অনেকের অনেক স্মৃতি, অনেক গল্প।

আগুনে পুড়ছে রিসোর্ট

চোখের সামনে নিজের স্বপ্ন পুড়ে ছাই হতে দেখতে কতো কষ্ট কেউ বুঝবে না। এই আর্থিক এবং মানসিক শোক কাটিয়ে উঠা অনেক কঠিন। সাজেকের আজ যে প্রচার তার সরকারের চেয়ে আমাদের মতো কিছু পাগল স্বপ্নবাজ উদ্যোক্তা যারা পর্যটনকে নিয়ে নতুন ভাবে মানুষকে ভাবতে শেখাচ্ছে, নতুন ভাবে কাজ করছে।

পুড়ে ছাই রিসোর্টগুলো

আমরা আশা করবো সরকার, প্রশাসন সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিবেন এই স্বপ্নবাজদের স্বপ্নকে বাস্তব রুপ দিতে।

রিসোর্টে অবস্থানরত সকল পর্যটক সুস্থ আছে, তারা সঠিক সময়ে নিরাপদ স্থানে চলে আসতে পেরেছে। আল্লাহ সকলকে ধৈর্য্য দান করুক, এবং এই শোক দ্রুত কাটিয়ে উঠার তৌফিক দান করুক।

আরও পড়ুন


আইন আদালতের তোয়াক্কা করে না বিএনপি: ওবায়দুল কাদের

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

মহামারীর সাহিত্যে অবদান কী কী?

শান্তা আনোয়ার

মহামারীর সাহিত্যে অবদান কী কী?

শান্তা আনোয়ার

মহামারীর সাহিত্যে অবদান কী কী? মহামারী সাহিত্যের নতুন ভাষা তৈরি করেছে। আমরা শেক্সপিয়রের কথাই ধরতে পারি। তিনি লেখালেখি শুরু করেন ১৫৯০ সালে। ১৫৯০ থেকে ১৬১৩ এই তেইশ বছর পর্যন্ত তিনি লিখেছিলেন ৩৭ টা নাটক। তার মধ্যে আছে রিচার্ড টু, হেনরি ফাইভ, জুলিয়াস সিজার এর মতো ঐতিহাসিক নাটক, মার্চেন্ট অব ভেনিসের মতো কমেডি অথবা হ্যামলেটের মতো ট্রাজেডি। 

তখন রানী এলিজাবেথ ইংল্যান্ডের রাজা। তারপরে মারা গেলেন এলিজাবেথ। এই সময়ের শেক্সপিয়ারের লেখাগুলোকে বলা হয় এলিজাবেথান। এরপরেই ইউরোপে নামলো প্লেগের ছায়া। 

সাধারণ রঙ্গালয় সব বন্ধ হয়ে গেলো। শেক্সপিয়ার ততদিনে প্রতিষ্ঠা পেয়ে গেছেন। নদীতীরের সস্তা বাসা ছেড়ে বাসা নিয়েছেন উত্তর পশ্চিমের শহরতলীতে, সে অঞ্চলে প্লেগের উপদ্রব কম। সেখানে বসেই তিনি লিখলেন কালজয়ী তিনটা নাটক, আন্টনি ক্লিওপেট্রা, ম্যাকবেথ আর কিং লিয়ার। 

শেক্সপিয়রের লেখক জীবনের এক ক্রান্তিকাল। বদলে গেলো ভাষা ও চিত্রকল্প নির্বাচন। বিশেষ করে ম্যাকবেথে নায়কের মনের বিকারগস্ত অবস্থা প্রকাশ করার জন্য তিনি আবিষ্কার করলেন এক নতুন ছন্দ। If it were done when 'tis done, then 'twere well/ it were done quickly" এই তো আসল শেক্সপিয়ার।  এই সময়ে ইংল্যান্ডের রাজা ছিলেন প্রথম জেমস। তাই এই সময়ের শেক্সপিয়রের লেখাগুলোকে বলা হয় জ্যাকবিয়ান। 


আরও পড়ুন:

বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল স্থাপন নিয়ে কটূক্তি, কাটাখালীর মেয়র আটক

শুরু হলো মহান বিজয়ের মাস

আজ থেকে ঢাকার গণপরিবহনে শিক্ষার্থীদের ভাড়া অর্ধেক কার্যকর


অনেকেই বলেন শেক্সপিয়ারের সবচেয়ে ভালো লেখা তার জ্যাকবিয়ান পর্বের এলিজাবেথান পর্বের নয়। প্লেগ মহামারী শেক্সপিয়রের জন্য আশীর্বাদ হয়ে উঠেছিলো। তাহলে এই কোভিড মহামারীতে আমরা কোন নতুন লেখক পেতে যাচ্ছি?

লেখাটি শান্তা আনোয়ার-এর ফেসবুক থেকে সংগৃহীত (লেখাটির আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

ভ্যাকসিন এভাবে কাজ করে না

শওগাত আলী সাগর

ভ্যাকসিন এভাবে কাজ করে না

শওগাত আলী সাগর

কোভিডের নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন নিয়ে বর্তমান পরিস্থিতি অত্যনাত সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছেন কানাডার সংক্রামক ব্যাধি বিশেষজ্ঞ ড. লিসা ব্যারেট।

গ্লোব অ্যান্ড মেইলকে দেয়া তার প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, ‘আমি সতর্ক আছি কিন্তু আতংকিত নই। ভ্যারিয়েন্টটি যদি অধিকতর সংক্রমণশীলও হয় সেই সংক্রমণ ঠেকানোর, নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা আমাদের আছে। তিনি বলেন, বর্তমানের ভ্যাকসিনের কার্যকারিতাকে এটি হয়তো খানিকটা ধাক্কা দিতে পারে। কিন্তু কোনো ভ্যাকসিনকেই একেবারে অকার্যকর করে ফেলতে পারবে না। 

ডালহৌসি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক অধ্যাপক ড. লিসা ব্যারেট বলেন, আমি মনে করি না সারা পৃথিবীকে আবার বন্ধ করে দিতে হবে। আমাদের কোনো ভ্যাকসিনই কাজ করবে না- এটাও আমি মনে করি না। ভ্যাকসিন আসলে এভাবে কাজ করে না।

আরও পড়ুন


অবাধ মেলামেশা, এইডস ঝুঁকিতে দৌলতদিয়া যৌনপল্লী

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

জীবনকে অর্থপূর্ণ করে যেতে পারি অনেকেই

তসলিমা নাসরিন

জীবনকে অর্থপূর্ণ করে যেতে পারি অনেকেই

আমরা খুব অল্প সময়ের জন্য পৃথিবীতে আসি। গ্রহ নক্ষত্রের মতো আয়ু আমাদের নেই।   বোধ বুদ্ধি অভিজ্ঞতা ইত্যাদি বাড়তে থাকে, এমন সময়ই আমাদের মৃত্যুর সময় হয়ে যায়। কেউ আগে যায়, কেউ পরে যায়, কিন্তু যায়। আমাদের বেঁচে থাকার সময়ে বেশ কিছু মুহূর্ত পাই আমরা। জীবনের সম্পদ সেই মুহূর্তগুলো। জীবনকে অর্থপূর্ণ করে যেতে পারি অনেকেই। 

যার যার নিজের মতো করে অর্থপূর্ণ। আমি কিছু বই লিখেছি, যে বইগুলো, কিছু ঘটনার মধ্য দিয়ে আমি গিয়েছি, যে ঘটনাগুলো -- আমার জীবনের মুহূর্ত বা সম্পদ। 

সবই কালের স্রোতে ভেসে যায়, কিন্তু যতদিন মস্তিষ্ক সতেজ, ততদিন সেই মস্তিষ্ক সুখ দিয়ে যায়, জীবনকে অর্থপূর্ণ করার সুখ।

লেখাটি তসলিমা নাসরিনের ফেসবুক থেকে নেওয়া (মত ভিন্নমত বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

অনলাইনে ঘৃণা ছড়ানোয় বিরক্ত কানাডীয়ানরা

শওগাত আলী সাগর

অনলাইনে ঘৃণা ছড়ানোয় বিরক্ত কানাডীয়ানরা

অনলাইনে ঘৃণা ছড়ানো নিয়ে কানাডীয়ানরা একেবারেই ত্যক্ত বিরক্ত। সিংহভাগ নাগরিক চান পার্লামেন্ট এ ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করবে এবং পদক্ষেপ নেবে। পুরো কানাডায় পরিচালিত এক জাতীয় জরীপে নাগরিকদের এই মনোভাব প্রকাশ পেয়েছে।

ক্ষমতাসীন লিবারেল পার্টি ’ডিজিটাল সন্ত্রাস’ বন্ধে ফেসবুক, ইউটিউবসহ সামাজিক যোগোযোগ মাধ্যমের উপর সরকারের নিয়ন্ত্রণ বাড়ানোর লক্ষে আইনি কাঠামো তৈরির প্রক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছেন। এই সংক্রান্ত একটি বিল হাউজ অব কমন্সে রয়েছে বর্তমানে।

লিবারেল সরকার মনে করে, সমাজে কেউ হয়রানির শিকার হলে, সন্ত্রাসের শিকার হলে পুলিশের শ্মরণাপন্ন হতে পারেন, ভার্চুয়াল জগতে কেউ হয়রানি, সন্ত্রাসের শিকার হলে পুলিশের সেখানে হস্তক্ষেপ করার, প্রতিরক্ষা দেয়ার অধিকার থাকা দরকার।

আরও পড়ুন:

পৃথিবীর নতুন প্রজাতন্ত্র হিসেবে পরিচিতি পেলো বার্বাডোজ

তানজানিয়ায় বিষাক্ত কচ্ছপের মাংস খেয়ে ৭ জনের মৃত্যু

নতুন এই জনমত জরীপে প্রতি পাঁচজনের চারজনই অনলাইন ঘৃণা বন্ধে  পার্লামেন্টের হস্তক্ষেপ এবং পদক্ষেপের পক্ষে মত দিয়েছেন।

লেখাটি শওগাত আলী সাগর-এর ফেসবুক থেকে সংগৃহীত ( লেখাটির আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

 news24bd.tv/এমি-জান্নাত   

পরবর্তী খবর