যোগাযোগ অযাচিত

অনলাইন ডেস্ক

যোগাযোগ অযাচিত

আজ শুক্রবার, ১৫ অক্টোবর। বৈদিক জ্যোতিষে ১২টি রাশি- মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ, কন্যা, তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীন-এর ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়। একই রকমভাবে ২৩টি নক্ষত্রেরও ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়ে থাকে। ভাগ্যরেখা অনুযায়ী আপনার আজকের দিনটি কেমন কাটবে, দেখে নিন। 

মেষ: পূর্বের তুলনায় আয় বৃদ্ধি ও আর্থিক যোগাযোগ অক্ষুণ্ন থাকবে। কোনো যোগাযোগ অযাচিতভাবে আসতে পারে। বন্ধুর সহযোগিতায় কাজে অগ্রগতি। সুদূরপ্রসারী লক্ষ্য নিয়ে এগোতে পারেন।

বৃষ: কর্মপ্রার্থীদের সুখবর আসতে পারে। আর্থিক সাহায্য মেলার আশ্বাস। কর্মক্ষেত্রে সুনাম বৃদ্ধি পাবে। অন্যের উপকার করে আনন্দ পাবেন। শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখুন।

মিথুন: শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় শুভ পরিবর্তন। সামাজিক যোগাযোগ বাড়বে। হারানো কিছু পুনরুদ্ধার হতে পারে। বিদেশ যাত্রার আলোচনায় অগ্রগতি। সময় ও সুযোগের সুষ্ঠু ব্যবহার করুন।

কর্কট: কর্মক্ষেত্রে আশার সঞ্চার হবে। সম্ভাব্য ক্ষেত্রে ব্যাংক ঋণের আলোচনায় অগ্রগতি। কারো অসুস্থতায় চিন্তিত থাকতে পারেন। অবহেলার কারণে সুযোগ হাতছাড়া হতে পারে। সুস্থ থাকুন।

সিংহ: জনসংযোগ ও প্রচারমূলক কাজে অগ্রগতি। অন্যের সন্তুষ্টির জন্য সাধ্যের বাইরে কিছু করতে হতে পারে। বিরূপ পরিবেশে বিষণ্ন থাকতে পারেন। অস্থির বা ধৈর্যহীন হবেন না।

কন্যা: বেকারদের কাজের সুখবর আসতে পারে। কারো অসুস্থতায় উদ্বেগ থাকতে পারে। অর্থ প্রাপ্তিতে বিলম্ব। ব্যবসায় বাড়তি চাপ আসবে। ইচ্ছাশক্তির জোরে বাধাবিঘ্ন কাটিয়ে উঠতে পারবেন।

তুলা: অপ্রত্যাশিত অর্থ প্রাপ্তির সম্ভাবনা। ব্যবসায় বাড়তি আয়ের সুযোগ আসবে। অন্যের সহযোগিতা পাবেন। কাজের অগ্রগতি হবে। প্রেম-প্রণয় শুভ। অসমাপ্ত কাজ শেষ করুন।

বৃশ্চিক: কোনো খবর উৎসাহিত করবে। পারিবারিক জটিলতা দূর হবে। প্রত্যাশিত অর্থলাভে বিলম্ব। ব্যবসায় শুভ পরিবর্তন। জীবন সম্পর্কে আশাবাদ অব্যাহত রাখুন। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন।

ধনু: কোনো যোগাযোগে লাভজনক কাজের সুযোগ আসতে পারে। অল্প পরিশ্রমে লাভবান হবেন। কাজে স্থবিরতা থাকতে পারে। স্থির বুদ্ধির দ্বারা সময়ের মোকাবেলা করুন। ভালো থাকুন।

আরও পড়ুন:


বাংলাদেশের সেই খুদে লেগস্পিনারকে নিয়ে যা বললেন শচীন! (ভিডিও)

মনোনয়ন ফরম কিনতে গিয়ে জানলেন ১১ বছর আগেই মৃত!

জালিয়াতি থেকে রক্ষা পেল স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ৩৫৫ কোটি টাকা

মাথার টুপিতে ৭৩৫টি ডিম নিয়ে গিনেস রেকর্ড! (ভিডিও)


মকর: আপনার কাজে অন্যদের প্রশংসা পাবেন। শত্রুতা মোকাবেলায় সতর্ক পরিকল্পনা নিতে হতে পারে। অর্থের ঘর শুভ। আপনার চারপাশে যাঁরা আছেন তাঁদের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়ান।

কুম্ভ: নিজেকে দক্ষ ও ভালো কর্মী হিসেবে প্রকাশ করতে পারবেন। নতুন পরিকল্পনায় অগ্রগতি। ব্যবসায় জটিলতা দূর হবে। পরিবেশ অনুকূলে থাকবে। আটকে থাকা কাজের গতিলাভ হবে।

মীন: কর্মস্থলে কিছু পরিবর্তন ঘটতে পারে। অর্থ অপচয় হবে। পাওনা আদায়ে বিলম্ব। স্বজন বিষয়ে উদ্বেগ বাড়বে। গুরুত্বপূর্ণ কাজ ফেলে রাখবেন না। প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখুন।

news24bd.tv রিমু   

পরবর্তী খবর

প্রাকৃতিক উপায়ে পা ফাটা রোধের উপায়

অনলাইন ডেস্ক

প্রাকৃতিক উপায়ে পা ফাটা রোধের উপায়

শীতে অনেকেরই পায়ের গোড়ালি ফেটে যায়। যা খুবই অস্বস্তিকর। কারও কারও এই সমস্যা খুব বেশি প্রকট হয়ে দেখা দিতে পারে। যেমন: যাঁদের থাইরয়েডে সমস্যা আছে, তাদের এমনিতেই ত্বক খুব শুষ্ক থাকে, একই কথা ডায়াবেটিসের রোগীদের বেলায়ও প্রযোজ্য। ডায়াবেটিসে স্নায়ুজনিত সমস্যায় পায়ের আর্দ্রতা নষ্ট  হওয়ার পাশাপাশি অনুভূতিতেও সমস্যা দেখা দেয়। তাই অনেক সময় পায়ে গভীর ক্ষত সৃষ্টি হয়ে ঘা বা গ্যাংগ্রিন পর্যন্ত হতে পারে। যাদের সোরিয়াসিস, অ্যাকজিমা বা কোনো চর্মরোগ আছে, তাদের পায়ে সমস্যা বেশি হয়। বয়স্ক ব্যক্তিদের পা ফাটার সমস্যা বেশি।

ঘরোয়া পদ্ধতিতে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে পা ফাটা রোধের কিছু উপায়।

ক. ২/৩ চা চামচ চাল, সাদা ভিনেগার ও মধু নিন। প্রথমে চাল একটু ভিজিয়ে রেখে পিষে নিন। ব্লেন্ডারে দিয়ে অথবা শিল পাটায় বেটে নিতে পারেন। একটু দানা দানা করে চাল পিষে নেবেন। এরপর এতে পরিমাণ মত ভিনেগার ও মধু দিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করুন। একটি বড় পাত্রে কুসুম গরম পানিতে ১০-১৫ মিনিট পা ভিজিয়ে রাখুন। এরপর ভেজা পায়ে ঘন পেস্টটি ভালো করে ম্যাসাজ করুন। ম্যাসাজ করে পা সেভাবেই রেখে দিন ১০ মিনিট। এরপর কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ভালো করে মুছে নিন। তারপর খানিকটা অলিভ অয়েল গরম করে নিয়ে পায়ে ম্যাসাজ করুন। সপ্তাহে ২/৩ বার ব্যবহার করলে ভালো ফলাফল পাবেন।

খ. একটি কলা টুকরো করে নিন। এরপর তাজা ৩/৪ খণ্ড নারকেল নিন। দুটিতে একসাথে ব্লেন্ডারে দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন। এরপর এই মিশ্রণটি পায়ে লাগিয়ে নিন। বিশেষ করে ফাটা স্থানে ভালো করে লাগাবেন। শুকিয়ে উঠলে কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। যদি হাতের কাছে তাজা নারকেল না পান তবে একটি কলা পিষে নিয়ে এতে ২/৩ চা চামচ নারকেল তেল দিয়ে মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করে লাগাতে পারেন।

পা ফাটা প্রতিরোধে পরামর্শ:

১. খুব ঠান্ডা আবহাওয়ায় পায়ে মোজা  পরুন।

২. প্রতিদিন গোসল বা পা ভেজানোর পর শুকনো তোয়ালে বা কাপড় দিয়ে ভালো করে মুছে নিন। গোড়ালি ও তালুতে পেট্রোলিয়াম জেলি বা গ্লিসারিন মাখুন। বিশেষ করে রাতের বেলা ঘুমানোর আগে অবশ্যই গোড়ালি ও তালুতে পেট্রোলিয়াম জেলি বা গ্লিসারিন মাখুন।

আরও পড়ুন:


রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা চেয়ে বিদেশে যেতে হবে খালেদাকে: হানিফ

স্বল্পোন্নত দেশ থেকে বের হয়ে যাওয়া ও বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ

সিলেট থেকে বিদেশে পণ্য রপ্তানির ব্যবস্থা করা হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী


৩. সপ্তাহে এক দিন পায়ের বিশেষ যত্ন নিন। গামলায় লেবুর রসমিশ্রিত হালকা গরম পানিতে পা ভিজিয়ে, পা ঘষে মৃত কোষ ফেলে দিন। লেবুর রসে যে সাইট্রিক অ্যাসিড আছে তা মৃত কোষ ঝরতে সাহায্য করবে। তারপর পা মুছে পেট্রোলিয়াম জেলি বা গ্লিসারিন লাগিয়ে নিন।

৪. জটিলতা বেশি হলে বা সংক্রমণ হয়েছে মনে হলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

যেভাবে বুঝবেন চশমা বদলানোর সময় এসেছে

অনলাইন ডেস্ক

যেভাবে বুঝবেন চশমা বদলানোর সময় এসেছে

প্রতীকী ছবি

চোখের সমস্যায় চশমা ব্যবহার করতে হয় অনেকেরই। এক চশমা কতোদিন ব্যবহার করা যাবে এমন কোন নিয়ম নেই। তবে চশমা দীর্ঘদিন ব্যবহার করা উচিত নয়। 

তাহলে কীভাবে বুঝবেন আপনার চশমা বদলাতে হবে। এক নজরে দেখে নিন এমন কিছু উপায়-

১) অনেক সময় চশমা পরে থাকলেও দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে আসে। মাঝে মাঝেই এমন সমস্যা দেখা দিলে চশমা বদলানোর জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

২) চশমা থাকা সত্তেও যাদের প্রায়ই মাথাব্যথা হয়, তারা বিষয়টি এড়িয়ে যাবেন না। চোখের পাওয়ার বদলে গেলে মাথাব্যথার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। সেক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চশমা বদলে ফেলুন।

৩) বই পড়ার সময়ে বা কোনও কিছু দেখার সময়ে অনেকক্ষেত্রে চোখ ক্লান্ত হয়ে আসে। প্রায়ই এমন হতে থাকলে অবশ্যই চশমা বদলানোর কথা ভাবুন।

৪) মাঝে মাঝে অনেকেই একটি বস্তুকে দু’টি করে দেখেন। চোখের পাওয়ার বাড়লে এমন ‘ডাবল ভিশন’-এর সমস্যা দেখা দিতে পারে। ঘন ঘন এমন সমস্যা দেখা দিলে, দ্রুত চশমা বদলে ফেলা উচিত।

আরও পড়ুন:

না ফাটিয়ে যেভাবে বুঝবেন ডিম নষ্ট কিনা


news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

গোপন শক্তি কমে যায় যেসব কারণে

অনলাইন ডেস্ক

গোপন শক্তি কমে যায় যেসব কারণে

প্রতীকী ছবি।

যৌনতা নিয়ে ভিন্ন রকমের ফ্যান্টাসি রয়েছে। একেকজন একেক রকমভাবে যৌনতাকে উপভোগ করে। প্রিয়জনকে নিয়ে অন্তরঙ্গ সময় কাটানোর ইচ্ছে যখন তখন হতে পারে। কিন্তু অনেক কারণেই আকাঙ্ক্ষা মরে যেতে পারে।

অনেক সময়ই অনেকে ভেবে পান না, কি কারণে তার কাছে সেক্স আর ভালো লাগে না। এখানে বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, কি কারণে যৌনতার প্রতি আগ্রহ চলে যেতে পারে।

১. যৌনজীবনকে বিপর্যস্ত করে দিতে পারে স্ট্রেস। প্রতিদিনের স্ট্রেসপূর্ণ কাজ এবং মানসিকতা মন থেকে যৌন আকাঙ্ক্ষাকে তাড়িয়ে দিতে পারে।
২. ঘুমের অভাবে সেক্সের প্রতি আগ্রহ হারাতে পারেন। ঠিকমতো ঘুম না হলে এরপর যৌনতা বিরক্তিকর ঠেকতে পারে।
৩. সঙ্গী বা সঙ্গিনীর সঙ্গে কোনো বিষয়ে একচোট তর্ক-বিতর্কের পর সেক্স আর উপভোগ্য নাও হতে পারে।
৪. নারীদের পিরিয়ড-সংক্রান্ত নানা জটিলতা হয়। এর একট নির্দিষ্ট চক্র থাকে। এতে ঝামেলা দেখা দিলে মেয়েদের যৌন আকাঙ্ক্ষা চলে যেতে পারে।
৫. জন্মনিয়ন্ত্রণে পিল খান নারীরা। এই ওষুধ এক ধরনের বিষণ্নতা এনে দেয়। এতে অনেকের অ্যালার্জিও দেখা দেয়। এসব কারণে সেক্স থেকে আগ্রহ সরে যেতে পারে।
৬. এটা মনের কোনো বিচিত্র খেয়াল হতে পারে। হঠাৎ করেই মনে যৌনতার প্রতি বিতৃষ্ণা চলে আসতে পারে।
৭. উপভোগ্য সময়ে কোনো কাজের চিন্তা বা টেলিফোন বা পরিবারের অন্য কোনো সদস্যের বিরক্তিতে ইচ্ছাটা উবে যেতে পারে।
৮. দেহ-মনের সঙ্গে খাবারের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। ভুল খাবার খেলে মন থেকে সেক্সের ইচ্ছা চলে যেতে পারে।  
৯. প্রযুক্তি নিয়ে দারুণ ব্যস্ততাও যৌনতার প্রতি অনাগ্রহ এনে দিতে পারে। তাই সময়মতো প্রযুক্তিকে ত্যাগ করুন।
১০. শ্বাস-প্রশ্বাসে সমস্যা আপনাকে যৌনতা থেকে দূরে ঠেলে দিতে পারে। হাঁপানি সমস্যা থাকলে খুব দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়বেন। এতে যৌনতার প্রতি আগ্রহ থাকবে না।

আরও পড়ুন: 


আবারও প্রাণ কাড়ল সিটি করপোরেশনের গাড়ি


 

১১. ধূমপান হৃদযন্ত্র এবং ফুসফুরে সমস্যা করে। সিগারেটের নিকোটিন যৌন উত্তেজনাকে প্রশমিত করে। তাই এই বদভ্যাস যৌনতার শত্রু।
১২. টেলিভিশন এবং সিনেমায় নিয়ে খুব বেশি সময় কাটানো যৌনজীবনের কাল হয়ে উঠতে পারে।
১৩. ব্যায়াম দেহের জন্যে উপকারী। কিন্তু অতিরিক্ত ব্যায়াম দেহকে ক্লান্ত করে দেবে। তখন সেক্স করতে অবশ্যই ভালো লাগবে না।
১৪. অ্যালকোহলও সেক্সবিরোধী। অনেকে মনে করেন, এটি যৌন আকাঙ্ক্ষা বৃদ্ধি করে। কিন্তু আসলে অ্যালকোহল আপনার যৌন উত্তেজনাকে নিষ্ক্রিয় করে দেবে।
১৫. খুব বেশি পর্ন ছবি আপনার রুচিবোধকে ধ্বংস করে দিতে পারে। তখন স্বাভাবিক যৌন আচরণ থেকে ভালোলাগা চলে যাবে।

 news24bd.tv/তৌহিদ   

পরবর্তী খবর

শীতে গ্লিসারিন ব্যবহারের কিছু উপায়

অনলাইন ডেস্ক

শীতে গ্লিসারিন ব্যবহারের কিছু উপায়

শীতে ত্বকের সুরক্ষায় নিশ্চিন্তে ব্যবহার করতে পারেন গ্লিসারিন। আসুন এটি ব্যবহারের সঠিক পদ্ধতিটি জেনে নেই:

১. ত্বক খুব বেশি নিস্তেজ হয়ে পড়লে গ্লিসারিনের সঙ্গে অ্যালোভেরা মাস্ক লাগাতে পারেন। ২ থেকে ৩টি সতেজ অ্যালোভেরা পাতার জেলের সঙ্গে ২ চামচ গ্লিসারিন মিশিয়ে নিজের মুখে লাগানো উচিত। ২০ থেকে ২৫ মিনিট রেখে মুখ পরিষ্কার করে নিন।

২. তাৎক্ষণিক ঔজ্জ্বল্যের জন্য ১টা পাকা কলা চটকে গ্লিসারিন মিশিয়ে নিজের মুখে লাগান। ২৫ মিনিট পর্যন্ত এই প্যাক মুখে লাগিয়ে রেখে ধুয়ে নিন। নিয়মিত এই উপায় করলে মুখ উজ্জ্বল হবে।

৩. গ্লিসারিন একটি ভালো মেকআপ রিমুভার হিসেবে কাজ করে। মেকআপ পরিষ্কার করার জন্য রিমুভারের স্থানে এটি ব্যবহার করতে পারেন। এর জন্য কটন বলে গ্লিসারিন লাগিয়ে পুরো মুখে লাগান। চোখ ও ঠোঁটে গ্লিসারিন লাগাবেন না।


আরও পড়ুন:

ঢাবি ‘ঘ’ ইউনিটের ফল প্রকাশ, ৯০.১৩ শতাংশই ফেল

পুলিশের সব ছুটি বাতিল, দ্রুত কর্মস্থলে ফেরার নির্দেশ

পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ


৪. টোনার হিসেবে গ্লিসারিন ব্যবহার করা যায়। এর জন্য আধা কাপ গোলাপজলে কয়েক ফোঁটা গ্লিসারিন মেশান। তার পর এতে তুলো ভিজিয়ে ত্বক পরিষ্কার করুন।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

যেসব খাবার খেলে মোটা হওয়া যায়

অনলাইন ডেস্ক

যেসব খাবার খেলে মোটা হওয়া যায়

প্রতীকী ছবি

কয়েকটি খাবার রয়েছে, যেগুলো খেলে ওজন সহজেই বাড়বে। স্বাস্থ্যকর উপায়ে ও সহজে মোটা হতে চাইলে খেতে পারেন এসব খাবার।

ডিম: প্রোটিনের গুরুত্বপূর্ণ উৎস ডিম। এতে আরও রয়েছে স্বাস্থ্যকর চর্বি ও অন্যান্য পুষ্টিগুণ। আর এই পুষ্টিগুণের বেশির ভাগই থাকে কুসুমের মধ্যে।

পনির: পনিরে রয়েছে স্বাস্থ্যকর চর্বি, প্রোটিন, ক্যালসিয়াম ও ক্যালরি। যারা মোটা হওয়ার চেষ্টা করছেন, তাঁদের উচিত ফুলফ্যাট পনির খাওয়া।

দই: ফুলফ্যাট দইয়ে থাকে প্রোটিন ও অন্যান্য পুষ্টি উপাদান। বিকেলের স্ন্যাক্স বা সকাল ও দুপুরের মধ্যকার নাশতা হিসেবে দই ও কলা খাওয়া যেতে পারে।

ডার্ক চকলেট: ডার্ক চকলেটে রয়েছে চর্বি, উচ্চ ক্যালরি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। যারা ওজন বাড়ানো নিয়ে ভাবছেন, তাঁরা ডার্ক চকলেট কেনার সময় ৭০ শতাংশ কোকো রয়েছে—এমন ডার্ক চকলেট কিনুন।

দুধ: দুধে রয়েছে স্বাস্থ্যকর চর্বি, শর্করা ও প্রোটিন। এ ছাড়া এতে রয়েছে ভিটামিন, খনিজ ও ক্যালসিয়াম। দুধে যে প্রোটিন থাকে, তা পেশি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

লাল মাংস: পেশি গঠনে এবং ওজন বাড়াতে লাল মাংস রাখা যেতে পারে খাদ্যতালিকায়। লাল মাংসে রয়েছে প্রোটিন ও চর্বি, যা ওজন বাড়াতে সহায়তা করে।

কলা: ওজন বাড়াতে সহায়ক ফলগুলোর মধ্যে কলা অন্যতম। এতে রয়েছে শর্করা, প্রোটিন, ভিটামিন বি৬, ম্যাংগানিজ ও ক্যালরি। ওজন বাড়ানোর জন্য ফল হিসেবে খাওয়া ছাড়াও দই, স্মুদি, কেক বানাতে কলা ব্যবহার করতে পারেন।

বাদাম: যাদের ওজন অতিরিক্ত কম, তাঁরা ওজন বাড়াতে রোজ বাদাম খেতে পারেন। স্বাস্থ্যকর নাশতার মধ্যে বাদাম অন্যতম।

খেজুর: খেজুরে রয়েছে ক্যালরি, প্রোটিন, চর্বি, শর্করা, আঁশ, পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম। এ ছাড়া খেজুর কপার, ম্যাংগানিজ, আয়রন ও ভিটামিন বি৬। শরীরে শক্তি জোগাতে ও সুস্বাস্থ্য ধরে রাখতে রোজ খেজুর খেতে পারেন।


আরও পড়ুন:

ঢাবির গ ইউনিটের ফল প্রকাশ, ৭৮ শতাংশই ফেল

বুলগেরিয়ায় বাসে আগুন লেগে নিহত ৪৬

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশিসহ আটক ১২৯


অন্যান্য খাবার: পুডিং, পনির, হাই প্রোটিন ফুড, স্বাস্থ্যকর চর্বি গ্রহণ করা যেতে পারে। বয়স ৪০ বছরের নিচে হলে এই খাবারগুলো তালিকায় যোগ করা যেতে পারে। বয়স ৪০ বছরের ওপরে হলে শারীরিক অবস্থা বুঝে ও ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে খেতে হবে।

কার্যকরী আরও উপায়: মোটা হওয়ার জন্য কেবল খাবারই নয়, আরও কয়েকটি বিষয় মেনে চলতে হবে বলে মনে করেন মাসুমা চৌধুরী। সেগুলো হচ্ছে-পর্যাপ্ত ঘুম, স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট, সম্পূরক খাদ্য (যদি প্রয়োজন হয়)।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর