সেরা গবেষকের তালিকায় ঠাকুরগাঁওয়ের প্রফেসর ড. আনোয়ার খসরু

আব্দুল লতিফ লিটু, ঠাকুরগাঁও

সেরা গবেষকের তালিকায় ঠাকুরগাঁওয়ের প্রফেসর ড. আনোয়ার খসরু

আন্তর্জাতিক সংস্থা আলপার-ডগার (এডি) বৈজ্ঞানিক সূচকে এর বিশ্বসেরা বিজ্ঞানী ও গবেষকদের তালিকায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ৪৯ জন শিক্ষক স্থান পেয়েছেন।

গত রোববার এডি সাইন্টিফিক ইনডেক্স নামে আন্তর্জাতিক খ্যাতনামা এ সংস্থা সারা বিশ্বের ৭ লাখেরও বেশি বিজ্ঞানীর ও গবেষকের সাইটেশান এবং অন্যান্য ইনডেক্সের ভিত্তিতে এই তালিকা প্রকাশ করেছে। ৪৯ জন শিক্ষকের মধ্যে ঠাকুরগাঁওয়ের প্রফেসর ড. আনোয়ার খসরু পারভেজ রয়েছেন।

প্রফেসর ড. আনোয়ার খসরু পারভেজ ১৯৭৩ সালে ঠাকুরগাঁওয়ের কালিবাড়িতে জন্মগ্রহন করেন। তিনি মৃত আব্দুর রউফ এর কনিষ্ঠ পুত্র। পেশাগত জীবনে তিনি দীর্ঘ ২২ বছর ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছেন। বর্তমানে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের অধ্যাপক এবং প্রেষণে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে কোষাধ্যক্ষ হিসেবে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন।

তিনি কৃতিত্বের সাথে ঠাকুরগাঁও জেলা স্কুল থেকে এসএসসি এবং ঢাকা কলেজ থেকে এইচএসসি পাশের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগ থেকে বিএসসি ও এমএসসি সম্পন্ন করেন। জাপানের ওসাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জীবপ্রযুক্তি ও জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে ইউনেস্কো আইসি-বায়োটেক পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা করেছেন ২০০৩ সালে। প্রথম পিএইচডি করেছেন মাইক্রোবায়োলজি বিষয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২০০৫ সালে এবং দ্বিতীয়বার মোনবুকাগাকুশো বৃত্তি নিয়ে পিএইচডি করেন ফার্মাসিউটিক্যাল সায়েন্সে টোকুশিমা বিশ্ববিদ্যালয় জাপান থেকে ২০০৮ সালে। এরপর ইরাসমাস  মুন্ডাস বৃত্তি নিয়ে পোস্ট ডক্টরাল গবেষণা সম্পন্ন করেন ইতালির মিলান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।

একজন পেশাদার দক্ষ মাইক্রোবায়োলজিস্ট হিসেবে গবেষণা করছেন কোভিড-১৯, ডেংগু, আণবিক ওষুধ ও সংক্রামক রোগ, পরজীবী, ক্লিনিক্যাল এবং পরিবেশগত মাইক্রোবায়োলজিসহ উদীয়মান সংক্রামক রোগ নিয়ে। তিনি উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষার্থীদের গবেষণা কর্মের তত্ত্বাবধান করছেন। আন্তর্জাতিক কোলাবোরেটিভ গবেষণার সাথেও যুক্ত আছেন। তাঁর বুক চ্যাপ্টারসহ দেশি বিদেশি ৮০ টিরও অধিক প্রকাশনা রয়েছে। তিনি বর্তমানে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জার্নাল 'PUST STUDIES'-এর চিফ এডিটর হিসেবেও কাজ করছেন।

আরও পড়ুন


ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীকে ছাত্রলীগ নেতার ধর্ষণ, মামলা থেকে বাঁচতে বিয়ে

যে কারণে মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ, জানাল বিটিআরসি

পদার্থবিজ্ঞানে অবদানের জন্য ‘মুস্তফা পুরস্কার’ পেলেন বাংলাদেশি বিজ্ঞানী জাহিদ হাসান

উরুগুয়েকে গোল বন্যায় ভাসিয়ে জয়ে ফিরল ব্রাজিল


তিনি বিশেষত কোভিড-১৯ ডেডিকেটেড পয়েন্ট-অফ কেয়ারে আরটি-পিসিআর পরীক্ষাগার স্থাপনে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে গত এক বছর ধরে সরকারিভাবে অংশ নিয়েছেন। এছাড়া ঠাকুরগাঁও টিবি ক্লিনিক এবং পাবনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে একজন বিশেষজ্ঞ হিসেবেও কাজ করেছেন।

একুশে বই মেলা-২০২১’ এ- প্রকাশিত হয়েছিল প্রফেসর ড. মো: আনোয়ার খসরু পারভেজের করোনা নিয়ে লেখা প্রবন্ধের গ্রন্থ- ‘বাংলাদেশের করোনা প্রেক্ষাপট ও চালচিত্র’। বর্তমান পেক্ষাপটে ডিজিটাল প্লাটর্ফমের সাথে তাল মিলিয়ে খাদ্য, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বর্জব্যবস্থাপনাসহ নানা বিষয়ে গবেষণার মধ্যে দিয়ে দেশকে এগিয়ে নিতে কার্য পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। তার এমন খুশির খবর ছড়িয়ে পরায় স্থানীয় ও দুর দুরান্তের গুনীজনরা মিলিত হচ্ছেন এবং কুশল বিনিময় করছেন তার সাথে।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

কুয়েটে শিক্ষকের মৃত্যু: নতুন তদন্ত কমিটি গঠন

অনলাইন ডেস্ক

কুয়েটে শিক্ষকের মৃত্যু: নতুন তদন্ত কমিটি গঠন

অধ্যাপক ড. মো. সেলিম

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) শিক্ষক অধ্যাপক ড. মো. সেলিমের মৃত্যুর ঘটনা তদন্তে পাঁচ সদস্যের নতুন তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এই মৃত্যুর ঘটনায় দ্বিতীয় দফায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হলো।

শুক্রবার (০৩ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে নতুন এই কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. কাজী সাজ্জাদ হোসেন।

পাঁচ সদস্যের এই কমিটিতে সভাপতি করা হয়েছে কুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মহিউদ্দিন আহমেদকে। আর সদস্য সচিব করা হয়েছে গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. আলহাজ উদ্দিনকে। এছাড়া কুয়েটের অধ্যাপক ড. খন্দকার মাহবুব, খুলনা জেলা প্রশাসকের একজন প্রতিনিধি ও খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের একজন প্রতিনিধিকে সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে কমিটিতে। নতুন এই তদন্ত কমিটিকে দ্রুত সময়ের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, গত মঙ্গলবার ছাত্রদের মানসিক নির্যাতনে ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. সেলিম হোসেন হার্ট অ্যাটাক করে মারা যান। এ ঘটনা তদন্তে ওই দিন তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল কর্তৃপক্ষ। কিন্তু গত বৃহস্পতিবার ওই তদন্ত কমিটির দুইজন সদস্য তদন্তে অপারগতা প্রকাশ করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে শুক্রবার রাতে নতুন এই তদন্ত কমিটি গঠন করা হল।

জানা যায়, প্রফেসর ড. মো. সেলিম হোসেনের মৃত্যুর ঘটনায় মঙ্গলবার রাতে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এ কমিটির সভাপতি ছিলেন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আরিফুল ইসলাম। এছাড়া দুইজন সদস্য হলেন, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. আতাউর রহমান ও ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. কল্যাণ কুমার হালদার। তবে এদের মধ্যে থেকে অধ্যাপক ড. কল্যাণ কুমার হালদার লিখিত ভাবে ও ড. মো. আরিফুল ইসলাম অলিখিত ভাবে তদন্ত করতে অপারগতা জানিয়েছেন। নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, তদন্ত কমিটির এই দুই সদস্য ছাত্রলীগ নেতাদের বিরুদ্ধে তদন্ত কাজ চালাতে বিব্রত বোধ করছেন।

কুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদমান নাহিয়ান সেজানের নেতৃত্বে কিছু সাধারণ ছাত্রের জেরা, অপমান, অবরুদ্ধ করে রাখা ও মানসিক নির্যাতনে তার মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে।

মৃত্যুর ঘটনায় সাধারণ ছাত্ররা বিক্ষুব্ধ হয়ে অপমৃত্যুর অভিযোগ এনে ড. মো. সেলিমের কফিনসহ অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে ভাইস-চ্যান্সেলরের কাছে বিচার চান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে মামলার জোর দাবি জানান।

শিক্ষক সেলিমের মৃত্যুর ঘটনার প্রতিবাদে দোষীদের চিহ্নিত করে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের দাবিসহ ৫ দফা দাবিতে বৃহস্পতিবার (২ ডিসেম্বর) দুপুরে একাডেমিক কার্যক্রম বর্জন করে শিক্ষক সমিতি। প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে কুয়েট ক্যাম্পাসে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি জানান শিক্ষকরা।

শুক্রবার (৩ ডিসেম্বর) দুপুরে সিন্ডিকেট সভায় ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত ক্যাম্পাস বন্ধসহ বিকেল ৪টার মধ্যে শিক্ষার্থীদের হল ত্যাগের নির্দেশ দেওয়ার পর থেকে হল ছাড়তে শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। বিকেল সাড়ে ৫টা নাগাদ ৭টি আবাসিক হলে থাকা প্রায় আড়াই হাজার শিক্ষার্থী হল ছেড়েছেন।

আরও পড়ুন


ইউপি নির্বাচন: পরিস্থিতি অবনতির ধাপে বাংলাদেশ

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

কুয়েট বন্ধ ঘোষণা, বিকেলে মধ্যে হল ছাড়ার নির্দেশ

অনলাইন ডেস্ক

কুয়েট বন্ধ ঘোষণা, বিকেলে মধ্যে হল ছাড়ার নির্দেশ

ফাইল ছবি

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক সেলিম হোসেনের মৃত্যুর জেরে ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। সেই সঙ্গে শুক্রবার বিকাল ৪টার মধ্যে শিক্ষার্থীদের হলত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 


কুয়েটের প্রকৌশলী আনিসুর রহমান ভূঁঞা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে শুক্রবার (৩ ডিসেম্বর) দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। 

এতে উল্লেখ করা হয়, কুয়েটের ৭৮তম জরুরি সিন্ডিকেট সভায় সবার সিদ্ধান্ত মোতাবেক ড. সেলিম হোসেন অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনা সুষ্ঠু তদন্তের জন্য ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কায় ৩ থেকে ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হলো।

গত ৩০ নভেম্বর ছাত্রলীগের একদল নেতাকর্মীর সাক্ষাতের পর ড. সেলিমের রহস্যজনক মৃত্যু হয়। ক্যাম্পাসের বাসার টয়লেটে অচেতন হয়ে পড়ার পর তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

ছাত্রলীগের একদল নেতাকর্মীর লাঞ্ছনার পর গত মঙ্গলবার ওই শিক্ষকের মৃত্যু হয় বলে অভিযোগ ওঠে। 

অধ্যাপক সেলিম হোসেনের মৃত্যুর প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

আরও পড়ুন:


আফ্রিকার ৭ দেশ থেকে এলেই ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিন

দুই হাত হারানো ফাল্গুনীকে বিয়ে করলো এনজিও কর্মী সুব্রত

স্বাধীনতার ৫০ বছরে স্বাস্থ্যখাতে অভাবনীয় সাফল্য

ঢাকার যানজটেই শেষ জিডিপির প্রায় ৮৭ হাজার কোটি টাকা


তারা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তসহ চার দফা দাবি জানিয়েছেন। এদিকে ঘটনার প্রতিবাদে শিক্ষক সমিতি সব ধরনের একাডেমিক কার্যক্রম বর্জন করেছে। পাল্টা অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

কুয়েট ছাত্র কল্যাণ পরিষদের পরিচালক ড. ইসমাইল সাইফুল্লাহ বলেন, এ ঘটনায় ড. রজিবুল আহসানকে প্রধান করে তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। দ্রুত তাদের রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। প্রতিবেদন সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

আবারও বন্ধ হতে পারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান: শিক্ষামন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

আবারও বন্ধ হতে পারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেছেন, করোনা সংক্রমণ বেড়ে গেলে আবার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হবে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, আমরা প্রার্থনা করি, আবার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিতে হয়, এমন পরিস্থিতি যেন না হয়।

বৃহস্পতিবার (২ ডিসেম্বর) সকালে সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজে এইচএসসি পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে এ কথা বলেন মন্ত্রী।  

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, যদি তেমন পরিস্থিতি হয়, পরিস্থিতির কারণে যদি প্রয়োজন হয়, অবশ্যই অবশ্যই আমাদের শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য যে কোনো সিদ্ধান্ত আমরা নেব।

দীপু মনি বলেন, তবে এখনো আমাদের এ জাতীয় পরিকল্পনা নেই। আমরা চাই ধারাবাহিক প্রক্রিয়ায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চালু থাকুক। আমরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি। টেকনিক্যাল কমিটির সঙ্গে আলোচনা চলছে। বিজ্ঞানের বাইরে গিয়ে তো কিছু করতে পারবো না।

করোনার কারণে প্রায় দেড় বছর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল। বৃহস্পতিবার (২ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় সারাদেশে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছে।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন- শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মাহবুব হোসেন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের চেয়ারম্যান সৈয়দ গোলাম ফারুক, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক নেহাল আহমেদ প্রমুখ।

আরও পড়ুন


আমিনবাজারে ৬ ছাত্রকে হত্যা: ১৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

এইচএসসির ফল ৩০ দিনের মধ্যে: শিক্ষামন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

এইচএসসির ফল ৩০ দিনের মধ্যে: শিক্ষামন্ত্রী

ডা. দীপু মনি

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল আগামী ৩০ দিনের মধ্যে প্রকাশিত হবে। 

আজ বৃহস্পতিবার (২ ডিসেম্বর) হল পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের কোনো সুযোগ নেই। কেউ গুজব ছড়ালে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে সকাল ১০টায় সারাদেশে উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছে।

আরও পড়ুন


এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু আজ

প্রকাশ্যে কাউন্সিলর হত্যা: এবার ‘বন্দুকযুদ্ধে’ প্রধান আসামি নিহত


করোনার পরিস্থিতির কারণে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে দেড় ঘণ্টায় হবে এবারের পরীক্ষা। এ বছর ১৩ লাখ ৯৯ হাজার ৬৯০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন। সকালে ও বিকেলে দুই ধাপে আগামী ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে পরীক্ষা।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়, এবার সাধারণ নয়টি শিক্ষাবোর্ডে পরীক্ষা দিচ্ছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ১৭ জন শিক্ষার্থী। তাদের ছাত্র পাঁচ লাখ ৬৩ হাজার ১১৩ জন। ছাত্রী পাঁচ লাখ ৭৪ হাজার ৯০৪ জন। মাদরাসা বোর্ডের অধীনে আলিম পরীক্ষা দিচ্ছে এক লাখ ১৩ হাজার ১৪৪ জন। তাদের ছাত্র ৬১ হাজার ৭৩৮ জন এবং ছাত্রী ৫১ হাজার ৪০৬ জন। 

এ ছাড়া এইচএসসি- বিএম/ভোকেশনাল পরীক্ষা দিচ্ছে এক লাখ ৪৮ হাজার ৫২৯ জন। তাদের ছাত্র এক লাখ চার হাজার ৮২৭ জন। ছাত্রী ৪৩ হাজার ৬৪২ জন। 

news24bd.tv/ কামরুল 

পরবর্তী খবর

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু আজ

অনলাইন ডেস্ক

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু আজ

দীর্ঘ আট মাস অপেক্ষা শেষে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা আজ বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে। করোনার কারণে এ বছর তিনটি নৈর্বাচনিক বিষয়ের ছয়টি পত্রের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। আজ প্রথম দিন এইচএসসি পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্রের পরীক্ষায় বসবে শিক্ষার্থীরা। সকালের পরীক্ষা সকাল ১০টা থেকে সাড়ে ১১টা এবং বিকেলের পরীক্ষা দুপুর ২টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। 

আগামী ৩০ ডিসেম্বর এই পরীক্ষা শেষ হবে।

এ বছর পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে ১৩ লাখ ৯৯ হাজার ৬৯০ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ছাত্র সাত লাখ ২৯ হাজার ৭৩৮ জন এবং ছাত্রী ছয় লাখ ৬৯ হাজার ৯৫২ জন। 

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর