মদিনার মুসলিমরা যেভাবে ভাই ভাই হয়ে যায়

আতাউর রহমান খসরু

মদিনার মুসলিমরা যেভাবে ভাই ভাই হয়ে যায়

মহানবী (সা.) মক্কা থেকে মদিনায় হিজরতের আগে ও পরে বিপুলসংখ্যক সাহাবি মদিনায় হিজরত করেন। তাঁদের আগমনে মদিনার কৃষিনির্ভর সমাজ ও অর্থনীতিতে সংকট তৈরির আশঙ্কা তৈরি হয়। কিন্তু রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর বিচক্ষণতায় তা উত্তরণ করা সম্ভব হয়। মদিনার সামাজিক ও অর্থনৈতিক ভারসাম্য রক্ষায় হিজরতের পাঁচ মাস পর তিনি মক্কার নিঃস্ব মুহাজির ও মদিনার আনসারদের মধ্যে ভ্রাতৃ-সম্পর্ক স্থাপন করেন। আল্লামা ইবনুল কায়্যিম (রহ.) লেখেন, ‘নবী (সা.) আনাস ইবনে মালিক (রা.)-এর ঘরে মুহাজির ও আনসারদের মধ্যে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন স্থাপন করেন। সে সময় ৯০ জন সাহাবি উপস্থিত ছিলেন। অর্ধেক মুহাজির ও অর্ধেক আনসার। ভ্রাতৃবন্ধনের মূলকথা ছিল তারা পরস্পরের দুঃখে দুখী এবং সুখে সুখী হবে। মৃত্যুর পর নিকটাত্মীয়দের পরিবর্তে পরস্পরের সম্পদের উত্তরাধিকারী হবে। উত্তরাধিকারী হওয়ার নিয়ম বদরের যুদ্ধ পর্যন্ত কার্যকর ছিল। এরপর কোরআনের আয়াতের (সুরা আনফাল, আয়াত : ৭৫) মাধ্যমে উত্তরাধিকারের বিধান রহিত করা হয়।’ (আর-রাহিকুল মাখতুম, পৃষ্ঠা ১৯৪; সিরাতে মোস্তফা : ৪২০)

এটা কোনো মৌখিক সম্পর্ক ছিল না; বরং সার্বিক বিবেচনায় একটি সফল ও ফলপ্রসূ বন্ধন। আনসাররা সব কিছুতে মুহাজিরদের প্রাধান্য দিতেন। সাআদ ইবনে রাবি (রা.) তাঁর মুহাজির ভাই আবদুর রহমান ইবনে আউফ (রা.)-কে বলেন, দেখো! এই আমাদের ধন-সম্পদ। এর অর্ধেক তোমার। যেটা খুশি গ্রহণ কোরো। আমার দুজন স্ত্রী। এদের মধ্যে তোমার কাকে পছন্দ, বোলো। আমি তাকে তালাক দিই এবং তোমার সঙ্গে বিয়ে দিই। মুহাজিররাও আত্মমর্যাদার অধিকারী ছিলেন। তাঁরা নিজেদের ব্যক্তিত্ব রক্ষা করেই চলতেন। ফলে আনসার ভাইয়ের উত্তরে আবদুর রহমান ইবনে আউফ (রা.) বললেন, আল্লাহ তোমার ঘরে-বাইরে ও বিষয়সম্পদে বরকত দান করুন। দয়া করে তুমি আমাকে বাজারের রাস্তাটা দেখিয়ে দাও। ওখানে আমি আমার ভাগ্য পরীক্ষা করব। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৩৭৮১; নবীয়ে রহমত, পৃষ্ঠা ২০৫)

পবিত্র কোরআনে আনসারিদের এই আত্মত্যাগের প্রশংসায় ইরশাদ হয়েছে, ‘আর তাদের জন্যও, মুহাজিরদের আগমনের আগে যারা এই নগরীতে বসবাস করেছে ও ঈমান এনেছে। তারা মুহাজিরদের ভালোবাসে এবং মুহাজিরদের যা দেওয়া হয়েছে তার জন্য তারা অন্তরে আকাঙ্ক্ষা পোষণ করে না। আর তারা (আনসার) তাদের নিজেদের ওপর অগ্রাধিকার দেয় নিজেরা অভাবগ্রস্ত হলেও। যাদের অন্তরের কার্পণ্য থেকে মুক্ত রাখা হয়েছে তারাই সফলকাম।’ (সুরা হাশর, আয়াত : ৯)

মদিনায় আসার পর মুহাজির সাহাবিরাও তাদের ভাগ্যোন্নয়নে সচেষ্ট হন, জীবন-জীবিকার সংগ্রামে আনসারিদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করেন এবং স্বাবলম্বী হন। যেমন—আবদুর রহমান ইবনে আউফ (রা.) বলেন, আপনাদের বাজার কোথায়? তারা তাঁকে বনু কায়নুকার বাজার দেখিয়ে দিলেন। যখন ঘরে ফিরলেন তখন কিছু পনির ও কিছু ঘি সঙ্গে নিয়ে ফিরলেন। এরপর প্রতিদিন সকালবেলা বাজারে যেতে লাগলেন। একদিন নবী (সা.)-এর কাছে এমন অবস্থায় এলেন যে তাঁর শরীর ও কাপড়ে হলুদ রঙের চিহ্ন ছিল। নবী (সা.) বললেন, ব্যাপার কী! তিনি (রা.) বললেন, আমি বিয়ে করেছি। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৩৭৮০)

এই ভ্রাতৃ-বন্ধনের উদ্দেশ্য সম্পর্কে ইমাম গাজালি (রহ.) লেখেন, ‘জাহেলি যুগের রীতি-নীতির অবসান ঘটানো, ইসলামের সৌন্দর্য বৃদ্ধি এবং বর্ণ, গোত্র ও আঞ্চলিকতার পার্থক্য মিটিয়ে দেওয়াই ছিল এই ভ্রাতৃ-বন্ধনের উদ্দেশ্য।’ (আর-রাহিকুল মাখতুম, পৃষ্ঠা ১৯৫)

আরও পড়ুন:


মোবাইলে টুজি সচল, থ্রিজি ও ফোরজির জন্য নেটিজেনদের আক্ষেপ

সন্তান জন্ম দিয়েই মারা গেলেন নির্যাতনের শিকার গায়ে আগুন দেয়া সেই কিশোরী

নতুন সুখবর দিলেন জয়া

চট্টগ্রামে মা ও দুই শিশু সন্তানের মরদেহ উদ্ধার

বাংলাদেশের সেই খুদে লেগস্পিনারকে নিয়ে যা বললেন শচীন! (ভিডিও)


তবে ইসলামের ইতিহাসে এটাই প্রথম ভাতৃ-বন্ধন ছিল না। হিজরতের আগে নবীজি (সা.) মক্কার মুসলিমদের মধ্যেও ভাতৃ-সম্পর্ক স্থাপন করেন। এ সময় ভ্রাতৃবন্ধনে আবদ্ধ কয়েকটি ভ্রাতৃ-যুগল হলো রাসুলুল্লাহ (সা.) ও আলী ইবনে আবি তালিব (রা.), আবু বকর ও ওমর (রা.), হামজা ও জায়িদ ইবনে হারিসা (রা.), উসমান ও আবদুর রহমান ইবনে আউফ (রা.)। (সিরাতে মোস্তফা : ১/৪২০)

ভ্রাতৃ-সম্পর্ক মুসলিম জাতিসত্তা গঠনে এবং আগামী দিনের বিশ্ব নেতৃত্ব তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কেননা এর মাধ্যমে তারা সুনির্দিষ্ট বিশ্বাস, অভিন্ন লক্ষ্য ও কর্মসূচিতে আবদ্ধ হয়েছিল। একই সঙ্গে পার্থিব জীবনের মোহ ও পূর্ববর্তী বিদ্বেষ-দূরত্ব দূর করতে সক্ষম হয়েছিল।

news24bd.tv রিমু  

পরবর্তী খবর

শীতের অজু বড় সওয়াবের কাজ

অনলাইন ডেস্ক

শীতের অজু বড় সওয়াবের কাজ

প্রতীকী ছবি

শীতকালে সহজে অনেক আমল করা যায়, আর এসব আমলের মাধ্যমে বিপুল সওয়াব ও পুণ্যও লাভ হয়।

সাহাবি আবু সাঈদ খুদরি (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে আল্লাহর রাসুল (সা.) বলেন, ‘শীতকাল মুমিনের বসন্তকাল।’ (মুসনাদে আহমাদ, হাদিস : ১১৬৫৬)

আরেক হাদিসে রাসুল (সা.) বলেন, শীতের রাত দীর্ঘ হওয়ায় মুমিন রাত্রিকালীন নফল নামাজ আদায় করতে পারে এবং দিন ছোট হওয়ায় রোজা রাখতে পারে। (বায়হাকি, হাদিস : ৩৯৪০)

শীতকালে সবার জন্য সুবিধাজনক ও সহজে আদায় করা যায়— এমন কিছু আমল হলো-

অনেকের কাছে শীতের সময়ে অজু করা কষ্টদায়ক। কিন্তু শীতের অজু বড় সওয়াবের কাজ। গরম পানি দিয়ে অজু করলেও সমপরিমাণ সওয়াব লাভ হবে।

রাসুল (সা.) বলেন, ‘আমি কি তোমাদের এমন কিছু শিখিয়ে দেব না; যার কারণে আল্লাহ তাআলা পাপ মোচন করবেন এবং জান্নাতে তোমাদের মর্যাদা বৃদ্ধি করবেন? সাহাবায়ে কেরাম বললেন, হ্যাঁ আল্লাহর রাসুল! রাসুল (সা.) বললেন, মন না চাইলেও ভালোভাবে ওজু করা, অধিক পদক্ষেপে মসজিদে যাওয়া এবং এক নামাজের পর আরেক নামাজের জন্য অপেক্ষা করা।’ (মুসলিম, হাদিস : ২৫১)

রাতের গভীরে তাহাজ্জুদ নামাজ আদায়। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, ‘তাদের পার্শ্ব শয্যা থেকে আলাদা থাকে। তারা তাদের পালনকর্তাকে ডাকে ভয়ে ও আশায় এবং আমি তাদের যে রিযিক দিয়েছি, তা থেকে ব্যয় করে।’ (সুরা সিজদাহ, আয়াত : ১৬)

আরও পড়ুন:

প্রতি নামাজের পর সম্পদলাভের দোয়া


news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

প্রতি নামাজের পর সম্পদলাভের দোয়া

অনলাইন ডেস্ক

প্রতি নামাজের পর সম্পদলাভের দোয়া

প্রতীকী ছবি

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা লা মানি‘আ লিমা আ‘ত্বইতা, ওয়ালা মু‘ত্বিয়া লিমা মানা‘তা, ওয়ালা ইয়ানফা‘উ জালজাদ্দি মিনকাল জাদ্দু।

অর্থ: হে আল্লাহ, আপনি কাউকে দান করলে তার কোনো প্রতিরোধকারী নেই এবং আপনি কাউকে দান না করলে কেউ তাকে দান করতে পারে না। সম্পদশালীকে তার সম্পদ আপনার বিপরীতে উপকৃত করতে পারে না।

উপকার: মুগিরা ইবনে শুবাহ (রা.)-এর আজাদকৃত গোলাম ওয়াররাদ (রা.) বলেন, একবার মুয়াবিয়া (রা.) মুগিরাহ ইবনে শুবাহ (রা.)-এর কাছে লিখেছেন, রাসুল (সা.) নামাজের পর যা পাঠ করতেন এ সম্পর্কে তুমি যা শুনেছ আমার কাছে পাঠাও। তখন মুগিরা (রা.) আমাকে তা লিখে দেওয়ার দায়িত্ব দেন। সেখানে এই দোয়াটি ছিল। (বুখারি, হাদিস : ৬৬১৫)

আরও পড়ুন:

গোপন গোনাহ থেকে বেঁচে থাকার উপায়


news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

নামাজের সানার অর্থ ও উচ্চারণ

অনলাইন ডেস্ক

নামাজের সানার অর্থ ও উচ্চারণ

ফাইল ছবি

নামাজের প্রতিটি রোকনেই মহান আল্লাহর প্রশংসা ও তারই কাছে সাহায্য চাওয়ার আবেদনে ভরপুর। এর মধ্যে অন্যতম একটি হলে সানা। এটিকে দোয়ায়ে ইসতিফতাহও বলা হয়।

- হজরত আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন নামাজ শুরু করতেন তখন বলতেন-
سُبْحَانَكَ اَللَّهُمَّ وَ بِحَمْدِكَ وَ تَبَارَكَ اسْمُكَ وَ تَعَالِىْ جَدُّكَ وَ لَا اِلَهَ غَيْرُكَ

উচ্চারণ : সুবহানাকা আল্লাহুম্মা ওয়া বিহামদিকা, ওয়া তাবারাকাসমুকা, ওয়া তাআলা জাদ্দুকা ওয়া লা ইলাহা গাইরুকা। (তিরমিজি, আবু দাউদ মিশকাত)

আরও পড়ুন


রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা চেয়ে বিদেশে যেতে হবে খালেদাকে: হানিফ

স্বল্পোন্নত দেশ থেকে বের হয়ে যাওয়া ও বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ

সিলেট থেকে বিদেশে পণ্য রপ্তানির ব্যবস্থা করা হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী


অর্থ : হে আল্লাহ্! আমি তোমার পবিত্রতা বর্ণনা করছি। তুমি প্রশংসাময়, তোমার নাম বরকতময়, তোমার মর্যাদা অতি উচ্চে, আর তুমি ব্যতীত সত্যিকার কোনো মাবুদ নেই।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

জুমার নামাজ না পেলে জোহর পড়া যাবে কি?

অনলাইন ডেস্ক

জুমার নামাজ না পেলে জোহর পড়া যাবে কি?

ফাইল ছবি

শুক্রবার তথা জুমাবার হচ্ছে মুসলিম উম্মাহর সাপ্তাহিক ঈদের দিন। এ দিন যোহরের নামাজের পরিবর্তে দুই রাকাত জুমার নামাজ আদায় করা প্রত্যেক মুসলমানের জন্য অপরিহার্য কর্তব্য

হজরত হাফসা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ‘প্রত্যেক মুসলমানের জন্য জুমার নামাজ আদায় করা ওয়াজিব তথা অপরিহার্য কর্তব্য।’ (নাসাঈ)।

আরও পড়ুন


স্বল্পোন্নত দেশ থেকে বের হয়ে যাওয়া ও বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ

সিলেট থেকে বিদেশে পণ্য রপ্তানির ব্যবস্থা করা হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী


হাদিসে এসেছে যদি কোনো ব্যক্তি জুমআর নামাজ না পায় বা মসজিদে গিয়ে দেখে জুমআ নামাজ শেষ হয়ে গেছে তবে ওই ব্যক্তি জোহরের ৪ রাকাআত নামাজ পড়ে নেবে। কারণ জামাআত ছাড়া একা একা জুমআ নামাজ পড়া যায় না।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

ভূমিকম্প হলে যে দোয়া পড়তে বলেছেন বিশ্বনবী

অনলাইন ডেস্ক

ভূমিকম্প হলে যে দোয়া পড়তে বলেছেন বিশ্বনবী

ফাইল ছবি

ইসলাম এমন একটি ধর্ম যেখানে বান্দাদের জন্য সব কিছুর সমাধান রেখেছেন মহান আল্লাহ তাআলা। আর এসব দিক নির্দেশনার জন্য আছে মহাগ্রন্থ আল কোরআন। ভূমিকম্পন, মেঘের গর্জন, ঝড় তুফান মহান আল্লাহ তাআলার মহাশক্তির এক ছোট নিদর্শন। রাসূল (সা.) তার উম্মতকে যেকোনো দুর্যোগের সময় এবং বিপদে আল্লাহর কাছে সাহায্য চাইতে বলেছে।

রাসূল (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি এই দোয়া তিনবার পড়বে সে ভূমি ও আকাশের দুর্যোগ থেকে হেফাজতে থাকবে। 

উচ্চারণ: বিসমিল্লাহিল লাজি লা ইয়াদূর`রু মা`আস মিহি শাইয়ুন ফিল আরদি ওয়ালা ফিস সামি`ই ওয়াহুয়া সামি`য়ুল আলিম

ভূমিকম্প হবার সময় মাটির দিকে বা নিচের দিকে তাকিয়ে ” আল্লাহু আকবর আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবর, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, লা শারিকালাহু, ফাবি আইয়্যে আ’লাঈ রাব্বিকুমা তুকাজ্জিবান ” পড়তে থাকবেন যতক্ষন ভূমিকম্প শেষ না হয়। 

ﺃَﻧﺖَ ﻭَﻟِﻴُّﻨَﺎ ﻓَﺎﻏْﻔِﺮْ ﻟَﻨَﺎ ﻭَﺍﺭْﺣَﻤْﻨَﺎ ۖ ﻭَﺃَﻧﺖَ ﺧَﻴْﺮُ ﺍﻟْﻐَﺎﻓِﺮِﻳﻦَ

উচ্চারণ: আন্তা ওয়ালিয়্যুনা ফাগফিরলানা ওয়ার হাম্না , ওয়া আন্তা খইরুল গফিরিন। 

অর্থ – হে আল্লাহ, আপনি যে আমাদের রক্ষক- সুতরাং আমাদেরকে ক্ষমা করে দিন এবং আমাদের উপর করুনা করুন। তাছাড়া আপনি-ই তো সর্বাধিক ক্ষমাকারী।[ সূরা আরাফ আয়াত ১৫৫]

এছাড়াও যে কোনো দূর্যোগ থেকে রক্ষা পেতে পড়তে পারেন এই দোয়া...  

لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ اِلّا بِاللهِ

উচ্চারণ: ‘লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লাবিল্লাহ।’ (বুখারি ও মুসলিম)

لَا إِلَٰهَ إِلَّا أَنتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي كُنتُ مِنَ الظَّالِمِينَ

উচ্চারণ: ‘লা ইলাহা ইল্লা আংতা সুবহানাকা ইন্নি কুংতু মিনজ জ্বালিমিন।’ (সুরা আম্বিয়া : আয়াত ৮৭)

রাত্রে ঘুমানোর আগে একবার আয়াতুল কুরসি পড়ে নিতে পারেন। এই আয়াতের ফজিলত আল্লাহর কাছে সব চেয়ে বেশি। যে এই আয়াত পড়ে ঘুমাতে যায়, ঘুমন্ত অবস্থায় আল্লাহ তাকে, তার পরিবারকে ও তার প্রতিবেশীকে সকল বিপদ থেকে রক্ষা করেন।

আরও পড়ুন


ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল দেশ

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর