বরিশালের ক্ষুদে বোলিং যাদুকর সাদিদে মুগ্ধ বিশ্ব, স্বপ্ন বড় হয়ে বিশ্বকাপ জয়ের

রাহাত খান, বরিশাল

বরিশালের ক্ষুদে বোলিং যাদুকর সাদিদে মুগ্ধ বিশ্ব, স্বপ্ন বড় হয়ে বিশ্বকাপ জয়ের

মাত্র ৬ বছর বয়সে ক্রিকেট দুনিয়ায় হৈচৈ ফেলে দিয়েছে বরিশালের ক্ষুদে ক্রিকেটার আসাদুজ্জামান সাদিদ। তার যাদুকরি লেগ স্পিন বোলিং নজরে পড়েছে ক্রিকেট লিজেন্ড শচীন টেন্ডুলকারের। সাদিদের বোলিং নৈপুন্য নিজের ভেরিফায়েড টুইটারে পোস্ট করেছেন শচীন।

টেন্ডুলকারের ওই পেজে সাদিদের বোলিং দেখে মুগ্ধ হয়ে আশাব্যাঞ্জক কমেন্টস করেছেন আরও কয়েকজন খ্যাতনামা ক্রিকেটার। এ কারণে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে না খেলেও রাতারাতি বিখ্যাত বনে গেছেন প্রথম শ্রেণির ছাত্র সাদিদ।

এখন তার বাড়িতে ভিড় করছে গণমাধ্যম। তাকে দেখতে আসছেন দূরদূরান্তের মানুষ। বড় হয়ে বাংলাদেশ জাতীয় দলের হয়ে খেলতে চান তিনি। সাদিদের এই নৈপুণ্যে খুশী তার পরিবার। এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে চান তারা। তাকে সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন স্থানীয় ক্রীড়া সংগঠকরা। 

সাদিদ থাকেন বরিশাল নগরীর ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মহাবাজ এলাকায় নানা মো. লতিফুর রহমানের বাড়িতে। সংলগ্ন উলালঘুনি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির ছাত্র সে। তার মা গৃহিণী। ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে সাদিদের জন্মের ৬ মাস পর মা জুম্মাতুন্নেছার সাথে বাবা সৌদি প্রবাসী ঝালকাঠীর মনিরুজ্জামান সুমনের বিচ্ছেদ হয়। এরপর থেকে নানা বাড়িতেই বেড়ে উঠছে সাদিদ। তার এক মামা সিরাজুল ইসলাম শুভর স্বপ্ন ছিলো বড় ক্রিকেটার হয়ে জাতীয় দলে খেলা। নানা কারণে সেটা হয়ে ওঠেনি তার। এ কারণে নিজের স্বপ্নের জাল বুনছেন ভাগ্নে সাদিদকে ঘিরে। ৩ বছর বয়স থেকেই ক্রিকেট আসক্তি হয় সাদিদের। করোনাকালে নিজ বাড়ির আঙিনায় নিজের ভাগ্নেকে ঝালিয়ে নেন শুভ। একই রিস্টে লেগ স্পিন এবং গুগলী বল করে ব্যাটসম্যানদের একের পর এক কাবু বানাচ্ছেন ক্ষুদে সাদিদ। ব্যাটিংও করেন মারকুটে।

মামা শুভ বলেন, সাদিদের বোলিং-ব্যাটিংয়ের ভুল-ত্রুটি শুধরে দেয়ার জন্য তার বোলিং-ব্যাটিংয়ের কয়েকটি ভিডিও ক্লিপ তৈরী করেন শুভ। ভিডিও দেখিয়ে ভাগ্নের ভুল শুধরে দেয়ার পর সেগুলো নিজের ফেসবুকে পোস্ট করে তিনি। এই পোস্টে দৃষ্টি পড়ে জাতীয় দলের সাবেক ওপেনার শাহরিয়ার নাফিজের। তিনি তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে সাদিদের বোলিংয়ের ভিডিও ক্লিপ শেয়ার করেন। নাফিসের সামাজিক মাধ্যম থেকে সাদিদের বোলিং জাদু দেখে মুগ্ধ হন ক্রিকেট লিজেন্ড শচীন টেন্ডুলকার।

নিজের ভেরিফায়েড টুইটারে সাদিদের বোলিংয়ের ভিডিও ক্লিপ শেয়ার করে টেন্ডুলকার লিখেছেন, “অসাধারণ! এক বন্ধুর কাছ থেকে ভিডিওটা পেলাম। দুর্দান্ত! এ খেলার প্রতি ছেলেটার ভালোবাসা স্পষ্টই!” এতে ইতিবাচক মন্তব্য রশীদ খানসহ বিশ্বের খ্যাতনামা ক্রিকেটাররা। মূলত শচীনের টুইটের পরই সাদিদের বোলিং যাদু নিয়ে হৈ-চৈ শুরু হয় নেট দুনিয়ায়।

আরও পড়ুন


কুমিল্লায় ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ, জানালার কাঁচ ভেঙে শিশুসহ আহত ৩

ট্রফি জিতে অবসর নিয়ে যা বললেন ধোনি

শনিবার রাজধানীর যে সব মার্কেট ও দর্শনীয় স্থান বন্ধ

যে কারণে ম্যান্ডেলার জিনিসপত্র নিলামে উঠেছে


সাদিদের খালাতো বোন মোসাম্মত অনামিকা বলেন, ছোটবেলা থেকেই ক্রিকেটে মনযোগ সাদিদের। আফগানিস্তানের স্পিনার রশীদ খানের বোলিং অনুসরন করে। ভারতীয় অধিনায়ক ভিরাট কোহেলিকে খুব পছন্দ করে। সাদিক আল হাসানকে আদর্শ মানে। সাকিবের মতো অলরাউন্ডার হতে চায় সাদিদ। এই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে আগামীতে সাদিদকে জাতীয় দলে দেখতে চান তারা।

আলোচিত বোলিং যাদুকর সাদিদ বলেন, ভিরাট কোহলী, ধোনি, রোহিত শর্মা, ম্যাক্সওয়েল ও এবি ডিভিলিয়ার্সের খেলা টিভিতে দেখে খেলা শিখেছেন। শচীন টেন্ডুলকার তার বোলিং দেখে প্রশংসা করায় সারা বিশ্বে পরিচিতি পেয়েছেন বলে খুব ভালো লাগছে তার। তার বোলিং দেখে কমেন্টস করায় শচীন ও রশীদ খানসহ অন্যান্যদের ধন্যবাদ জানান তিনি, একই সাথে চেয়েছেন তাদের দোয়াও। জাতীয় দলের হয়ে বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন তার।  করতে চান বরিশালের ক্ষুদে বোলিং জাদুকর সাদিদ।

এদিকে সাদিদের বোলিং-ব্যাটিং নেট দুনিয়ায় আলোড়ন সৃষ্টি করায় তার বাড়ি ছুটে যান বরিশালের ক্রীড়া সংগঠকরা। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের নব নির্বাচিত পরিচালক আলমগীর খান আলোও ফোন দিয়েছিলেন সাদিদের পরিবারে। এ সময় তাকে ক্রিকেট অনুশীলনসহ সব ধরনের সহযোগীতা করার প্রতিশ্রুতি দেন তারা।

উপযুক্ত বয়স হলে সাদিদকে বিকেএসপি ভর্তি করতে চায় তার পরিবার। সাকিব আল হাসানের ক্রিকেট একাডেমীতেও ভর্তি করার ইচ্ছে আছে তাদের।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

ঢাকা টেস্টে ফিরলেন সাকিব-তাসকিন

অনলাইন ডেস্ক

ঢাকা টেস্টে ফিরলেন সাকিব-তাসকিন

সাকিব আল হাসান এবং তাসকিন আহমেদ

ঢাকা টেস্টের জন্য ২০ সদস্যের যে দল ঘোষণা করা হয়েছে তাতে সাকিব আল হাসান এবং তাসকিন আহমেদকে যোগ করা হয়েছে। দুজনেই ইনজুরির কারণে চট্টগ্রাম টেস্টে খেলতে পারেননি।

প্রথমবারের মতো টেস্ট দলে ডাক পেয়েছেন মোহাম্মদ নাঈম। আগামী ৪ ডিসেম্বর মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় টেস্ট শুরু হবে।

বিস্তারিত আসছে...

পরবর্তী খবর

প্রথম টেস্টে হারের কারণ খুঁজে পেয়েছেন মুমিনুল

অনলাইন ডেস্ক

প্রথম টেস্টে হারের কারণ খুঁজে পেয়েছেন মুমিনুল

মুমিনুল ইসলাম

চট্টগ্রামে সিরিজের প্রথম টেস্টে বাংলাদেশকে হেসেখেলে হারিয়ে দিল পাকিস্তান। বাংলাদেশের দেয়া ২০২ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ২ উইকেট হারিয়ে জয় তুলে নেয় পাকিস্তান। ফলে বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে ১-০ তে এগিয়ে গেল পাকিস্তান।

ম্যাচ শেষে কথা বলেছেন বাংলাদেশের টেস্ট দলের অধিনায়ক মুমিনুল হক। চট্টগ্রাম টেস্টে বোলারদের ব্যর্থতাকেই হারের কারণ হিসেবে দেখছেন বাংলাদেশের টেস্ট অধিনায়ক। 

তিনি বলেন, ‘প্রথম ইনিংসের প্রথম ঘন্টায় ব্যাকফুটে থাকলেও, লিটন ও মুশফিকের দারুণ ব্যাটিংয়ে দল ভালো সংগ্রহ পায়। তবে নতুন বলে আমাদের ব্যাটাররা কিছুটা সংগ্রাম করেছে, তারপরও পাকিস্তানের দ্বিতীয় ইনিংসে বোলাররা তেমন সুবিধা করতে পারেনি। কেননা তাদের দুই ওপেনার শফিক ও আবিদ আলী ম্যাচ উইনিং ব্যাটিং করেছে। এ ম্যাচের ভুল শুধরে ঢাকা টেস্টে ইতিবাচক ক্রিকেট খেলবে দল আশা করছি।’

মুমিনুল আরও বলেন, 'আমার মতে, দুই ইনিংসেই প্রথম ঘণ্টায় আমরা ম্যাচটি হেরে গেছি। প্রথম ইনিংসে মুশফিক ও লিটন খুব ভালো খেলেছে। তারা দারুণ জুটি গড়েছে। দ্বিতীয় ইনিংসে... আমার মতে প্রথম চার ব্যাটারকে এগিয়ে আসতে হবে।'

নিজেদের দুর্বল জায়গাটা খুজে পেয়েছেন বলে জানান তিনি। পরের ম্যাচে সব ভুল শুধরে দ্বিতীয় টেস্টে ঘুরে দাঁড়ানোর আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। 

আরও পড়ুন:

পদত্যাগের এক সপ্তাহের মধ্যেই পুনঃনির্বাচিত সুইডিশ প্রধানমন্ত্রী


news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশকে হেসেখেলে হারালো পাকিস্তান

অনলাইন ডেস্ক

বাংলাদেশকে হেসেখেলে হারালো পাকিস্তান

চট্টগ্রাম টেস্টে জয় পেলো পাকিস্তান

পাকিস্তানের বিপক্ষে সাগরিকা টেস্টে প্রথম ইনিংসে ৪৪ রানে লিড নিয়েও ৮ উইকেটের ব্যবধানে হারলো বাংলাদেশ। ৯৬ ওভার হাতে থাকলেও মাত্র ১৬ ওভারেই আনুষ্ঠানিকতা সেরেছে পাকিস্তান। 

প্রথম ইনিংসের সেঞ্চুরিয়ান আবিদ আলি দ্বিতীয় ইনিংসে আউট হন ৯১ রানে। অভিষিক্ত আব্দুল্লাহ শফিক প্রথম ইনিংস ফিফটির পর দ্বিতীয় ইনিংসে করেন ৭৩ রান। বাংলাদেশের হয়ে উইকেট দুটি নেন মিরাজ আর তাইজুল।

প্রথম ইনিংসে ৪৪ রানের লিড পাওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপ। লিটন দাসের ৫৯ রানের সুবাদে ১৫৭ পর্যন্ত যায় দলীয় সংগ্রহ। শাহিন শাহ আফ্রিদি নেন ৫ উইকেট। পাকিস্তানের সামনে জয়ের লক্ষ্য দাঁড়ায় ২০২ রানের। ব্যাটিংয়ে নেমে হেসেখেলে লক্ষে পৌঁছে যায় সফরকারীরা।

দুই ওপেনার আবিদ আলি ও আব্দুল্লাহ শফিকের উদ্বোধনী জুটিতেই তারা পেয়েছিল ১৫১ রান। এরপর বাকি পথ নির্বিঘ্নেই পাড়ি দেন অভিজ্ঞ আজহার আলি ও অধিনায়ক বাবর আজম। অবিচ্ছিন্ন ৩২ রানের জুটিতে ম্যাচ জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন তারা। আজহার ২৪ ও বাবর ১৩ রানে অপরাজিত থাকেন। ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতেছেন দুই ইনিংস মিলে ২২২ রান করা আবিদ আলি।া বংহেসেখেলে হারালো

পাকিস্তানের বিপক্ষে সাগরিকা টেস্টে প্রথম ইনিংসে ৪৪ রানে লিড নিয়েও ৮ উইকেটের ব্যবধানে হারলো বাংলাদেশ। ৯৬ ওভার হাতে থাকলেও মাত্র ১৬ ওভারেই আনুষ্ঠানিকতা সেরেছে পাকিস্তান। 

প্রথম ইনিংসের সেঞ্চুরিয়ান আবিদ আলি দ্বিতীয় ইনিংসে আউট হন ৯১ রানে। অভিষিক্ত আব্দুল্লাহ শফিক প্রথম ইনিংস ফিফটির পর দ্বিতীয় ইনিংসে করেন ৭৩ রান। বাংলাদেশের হয়ে উইকেট দুটি নেন মিরাজ আর তাইজুল।


আরও পড়ুন:

গণপরিবহনে শিক্ষার্থীদের হাফ ভাড়া কার্যকর

হাফ পাস শুধুমাত্র ঢাকায় কার্যকর হবে বললেন এনায়েত উল্লাহ

কুমিল্লায় কাউন্সিলর হত্যা: ৬ হামলাকারী শনাক্ত


প্রথম ইনিংসে ৪৪ রানের লিড পাওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপ। লিটন দাসের ৫৯ রানের সুবাদে ১৫৭ পর্যন্ত যায় দলীয় সংগ্রহ। শাহিন শাহ আফ্রিদি নেন ৫ উইকেট। পাকিস্তানের সামনে জয়ের লক্ষ্য দাঁড়ায় ২০২ রানের। ব্যাটিংয়ে নেমে হেসেখেলে লক্ষে পৌঁছে যায় সফরকারীরা।

দুই ওপেনার আবিদ আলি ও আব্দুল্লাহ শফিকের উদ্বোধনী জুটিতেই তারা পেয়েছিল ১৫১ রান। এরপর বাকি পথ নির্বিঘ্নেই পাড়ি দেন অভিজ্ঞ আজহার আলি ও অধিনায়ক বাবর আজম। অবিচ্ছিন্ন ৩২ রানের জুটিতে ম্যাচ জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন তারা। আজহার ২৪ ও বাবর ১৩ রানে অপরাজিত থাকেন। ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতেছেন দুই ইনিংস মিলে ২২২ রান করা আবিদ আলি।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রাম টেস্ট: এখনও জয়ের সুযোগ দেখছেন ডমিঙ্গো

অনলাইন ডেস্ক


চট্টগ্রাম টেস্ট: এখনও জয়ের সুযোগ দেখছেন ডমিঙ্গো

পাকিস্তানের দিকে হেলে আছে চট্টগ্রাম টেস্ট

চট্টগ্রাম টেস্টের চতুর্থ দিন শেষে চালকের আসনে সফরকারীরা। জয়ের জন্য পঞ্চম ও শেষদিনে তাদের প্রয়োজন মাত্র ৯৩ রান। হাতে আছে ১০ উইকেট। দুই ওপেনার আবিদ আলি ৫৬ আর আব্দুল্লাহ শফিক ৫৩ রানে অপরাজিত আছেন। 

বাংলাদেশের দেওয়া ২০২ রানের লক্ষ্য তাড়ায় চতুর্থ ইনিংসে পাকিস্তান বিনা উইকেটে তুলেছে ১০৯ রান। এর আগে প্রথম ইনিংসে ৪৪ রানের লিড পাওয়া বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংসে গুটিয়ে যায় মাত্র ১৫৭ রানে। 

মঙ্গলবার (২৯ নভেম্বর) ম্যাচের চতুর্থ দিন ৩৩ ওভার বল করেও প্রতিপক্ষের কোনো উইকেট নিতে পারেনি বাংলাদেশ।

চট্টগ্রাম টেস্টে পাকিস্তানের দিকে হেলে থাকলেও এখনও জয়ের সুযোগ দেখছেন বাংলাদেশ দলের হেড কোচ রাসেল ডমিঙ্গো।


আরও পড়ুন:

দেশে করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া সবাই পুরুষ

খালেদা জিয়ার মেডিকেল বোর্ডের বক্তব্যকে গুরুত্ব দিন: সরকারকে রিজভী

ফাঁকিবাজ সরকার বলেই সত্য বললেও মানুষ বিশ্বাস করেনা: মান্না


চতুর্থ দিনের খেলা শেষে সংবাদ সম্মেলনে ডমিঙ্গো বলেন, ‘প্রথম সেশনে উইকেট পড়ছে। যেভাবে ছেলেরা লড়াই করছে তাতে আমি গর্বিত। পাকিস্তান ম্যাচে এগিয়ে আছে। তাদের ৯৩ রান প্রয়োজন, আমাদের জিততে হলে বিশেষ কিছু করতে হবে। টেস্ট ক্রিকেটে যেকোনো কিছুই সম্ভব। আমাদের জয়ের সুযোগ আছে এটা বিশ্বাস করেই কাল মাঠে নামতে হবে। প্রথম আধা ঘণ্টায় এক-দুটি উইকেট তুলে নিতে পারলে যেকোনো কিছুই সম্ভব।’

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

জীবনের গল্প শোনালেন মাশরাফি

অনলাইন ডেস্ক

জীবনের গল্প শোনালেন মাশরাফি

আপনারা লেখাপড়ার স্তর শেষ করে বাস্তব জীবনে প্রবেশ করছেন। জীবন কখনও কণ্টকমুক্ত নয় বলে স্নাতকদের উদ্দেশে জানিয়েছেন জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক, সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মুর্তজা।

শিক্ষার্থীদের কাছে নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে মাশরাফি বলেন, শত সমস্যাতেও হার মানা যাবে না। সময়কে কাজে লাগানোর মানসিকতা থাকতে হবে। 

সোমবার ইউনিভার্সিটি অফ লিবারেল আর্টসের (ইউল্যাব) সমাবর্তন অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে তরুণদের  উদ্দেশে তিনি এসব কথা বলেন। 

তরুণদের উদ্দেশ্যে মাশরাফি বলেন,আমি আমার জীবনের দুটি বিষয় হয়তো বলতে পারি। আমি খুব ছোট জেলা থেকে এসেছি। যখন ক্রিকেট খেলা শুরু করি। আমি অনূর্ধ্ব-১৭, অনূর্ধ্ব-১০ ১৯ ও ‘এ’ দল হয়ে জাতীয় দলের হয়ে এসেছি। আমরা নড়াইলে যখন ছিলাম, ওই ফ্যাসিলিটিজ ছিল না। এত বেশি কোচ ছিল না, ফিটনেস ট্রেনার ছিল না। কিন্তু আমার কাছে মনে হয়েছে আমি খুব উপভোগ করেছি। আমি খুব অল্প বয়সে বুঝতে পেরেছিলাম, ক্রিকেটটা পছন্দ করি, খেলতে চাই।

জীবনের কঠিন সময় যখন এলো, আমার ইনজুরি। যখন অপারেশন হলো। ২০০১ সালে ভারতে গেলাম। তখন ৪টা টেস্ট খেলেছি, তিনটি ওয়ানডে খেলেছি। হসমত হাসপাতালের নাম, ডাক্তার থমাস চেন্ডি। আমি পায়ে ব্যথা পেলাম, উনি বলল দেখে দিচ্ছি। পরে এমআরআই করালো। পরের দিন সকালে বলল যে তোমার লিগামেন্ট টোন হয়েছে। তোমার অপারেশন করাতে হবে এবং এক বছর খেলার বাইরে থাকতে হবে।

আমি একা গিয়েছিলাম। ঢাকায়ই কম এসেছি, সেখানে ভারতে গিয়েছিলাম। আমার কাছে মনে হয়েছিল আকাশটা আমার মাথায় ভেঙে পড়েছে। এরপর ওখান থেকে ফিরে ২০০৮ সাল পর্যন্ত ভালোভাবে খেলেছি। পরের তিন বছরে আবার চারটা ইনজুরি। সেখান থেকে ফিরে এসে ১৪৪ থেকে ১২০ কিলোমিটারে বল করা। ওটাকে ম্যানেজ করা, সাতটা অপারেশন করা। 

তবে সবকিছুর পরও আমি যখন মাঠে নামতাম, বুঝতাম কী করি। আমি বাংলাদেশের জন্য খেলছি, এর চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ আর কিছু ছিল না। তখন আমি আসলে...আমি জানি ওই দিনগুলো কেমন গেছে। স্পোর্টসে সার্জারির চেয়েও রিহ্যাবিশন প্রক্রিয়াটা কঠিন। আমি বিশ্বাস করি আমার চাওয়া, ডেডিকেশন, স্পোর্টস নিয়ে ফোকাস আমাকে এগিয়ে নিয়ে গেছে। সেটার কারণে ২০১৫ সালে এসে অধিনায়কত্ব পেয়েছি।

আমি এটাই বুঝাতে চাচ্ছি ২০ বছরের ক্যারিয়ারে আরও অনেক বেশি কিছু করতে পারতাম হয়তো। আমি সুস্থ থাকলে তিনশ উইকেট পেতাম টেস্টে, ওয়ানডেতে আরও বেশি পেতাম। কিন্তু এটা নিয়ে আমার কোনো কষ্ট নাই। কারণ আমি জানি চেষ্টা করেছি। এজন্য খারাপ লাগে না। আল্লাহ সবাইকে সুযোগ দেয়, এগুলো নেওয়া খুব জরুরি।

আরও পড়ুন:


ফের মেয়র নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীর ভাতিজা

হেফাজত মহাসচিব নুরুল ইসলাম জিহাদী না ফেরার দেশে

পীরগঞ্জে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত বেড়ে ৩


সমাবর্তনে বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর ও রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদের পক্ষে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি সভাপতিত্ব করেন। সমাবর্তনে সভাপতির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, জ্ঞান দক্ষতা ও মূল্যবোধের সমন্বয়ে পাঠ্যক্রম প্রণয়ন করা হচ্ছে। আজকে যারা আনুষ্ঠানিকভাবে সনদপ্রাপ্ত হলেন জাতি গঠনে আপনাদের দায়িত্ব অনেক। আপনারাই হবেন একদিন এ দেশের রক্ষাকারী। আপনারাই নিয়ে যেতে পারেন লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত বাংলাদেশকে এক নতুন উচ্চতায়।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ইউজিসি’র চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কাজী শহীদুল্লাহ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে উচ্চশিক্ষার অন্যতম অনুষঙ্গ হলো গবেষণা। এজন্য বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের গবেষণার সুযোগ করে দিতে হবে। পেশাগত উৎকর্ষ বিধানেরও ব্যবস্থা করতে হবে। 

সমাবর্তনে আরও উপস্থিত ছিলেন ইউল্যাব বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য কাজী নাবিল আহমেদ এমপি, ইউল্যাবের উপাচার্য অধ্যাপক ইমরান রহমান,  উপ-উপাচার্য অধ্যাপক সামসাদ মর্তুজা, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মিলন কুমার ভট্টাচার্য, রেজিস্ট্রার লে. কর্নেল (অব) ফয়জুল ইসলামসহ, বিভিন্ন অনুষদের ডিন,  বিভাগীয় প্রধানগণ, শিক্ষক, কর্মকর্তারা ও শিক্ষার্থীরা। 

 news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর