একটা মানুষ একজীবনে দেশ-জাতির জন্য আর কী করতে পারে?

মারুফ কামাল খান

একটা মানুষ একজীবনে দেশ-জাতির জন্য আর কী করতে পারে?

(ছবি বাঁ-দিক থেকে) বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী (বীর উত্তম), মারুফ কামাল খান

বাংলাদেশের স্বাধীনতার পরে তাঁর বিভিন্ন ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক আছে। তাঁর রাজনৈতিক মতামত ও কৌশল নিয়েও আছে নানা ভিন্নমত। রাজনীতির মানুষদের সাথে দ্বিমত থাকাটা খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার। কোনো মানুষ ফেরেশতা নয়। 

ভুল, ত্রুটি ও বিচ্যুতির বাইরে নয় কেউই। কিন্তু আমাদের স্বাধীনতার লক্ষ্যাভিসারী মুক্তিযুদ্ধে, বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার যুদ্ধে তাঁর ভূমিকাই বোধ করি তাঁর বাকি জীবনের আর সব কিছুই ছাপিয়ে যায়। একটা মানুষ একজীবনে দেশের জন্য, জাতির জন্য এর চেয়ে বেশি আর কী করতে পারে?

আব্দুল কাদের সিদ্দিকী। মুক্তিযুদ্ধে বাঘা সিদ্দিকী নামে পরিচিত হয়েছিলেন দেশজুড়ে শুধু নয়; আন্তর্জাতিক প্রচারমাধ্যমের সুবাদে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়েছিল তাঁর সাহস ও বীরত্বের গাথা। কেন্দ্রীয় কমান্ড এবং ব্রিগেড ও সেক্টরের বাইরে নিজের নামে এক বিশাল যোদ্ধৃবাহিনী গড়ে তিনি লড়েছেন। 

বাংলাদেশের বিজয়ের ইতিহাস থেকে কাদেরিয়া বাহিনীর নাম তো কেউ কখনো মুছতে পারবে না। মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দেয়া সশস্ত্র বাহিনীর কর্মকর্তাদের বাইরে তিনি জীবিত অবস্থায় 'বীরউত্তম' খেতাবে ভূষিত একমাত্র বেসামরিক অধিনায়ক।

সময় কাউকে ক্ষমা করেনা। বয়স হয়েছে এককালের অসম সাহসী এই দুর্ধর্ষ বীরযোদ্ধারও। শুনলাম তিনি গুরুতর অসুস্থ। এমন একজন জাতীয় বীরের অসুস্থতা নিয়ে সংবাদ-মাধ্যমে তোলপাড় করা খবর নেই। তাঁর রোগের ও চিকিৎসার বিবরণ সম্বলিত নিয়মিত 'হেলথ বুলেটিন' প্রচার হওয়া উচিত ছিল রাষ্ট্রীয় প্রচার-মাধ্যমে। 

আরও পড়ুন:


গাজীপুরে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে পার্লার কর্মীকে গণধর্ষণ

পরিকল্পিতভাবে সাম্প্রদায়িক অপশক্তি পূজায় সহিংসতা সৃষ্টি করেছে: কাদের

ইন্দোনেশিয়ার বালিতে শক্তিশালী ভূমিকম্প, নিহত ৩

ঘোড়ার খামারে বিয়ে করছেন বিল গেটসের মেয়ে


অথচ তার কিছুই নেই। বরং ঘটনাচক্রে সরকারি পদ-পদবিতে আসীন অর্বাচীনদের বচনও এর চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খবর। দেশে কিংবা বিদেশে যেখানেই হোক তাঁর উন্নত সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করা এই রাষ্ট্রেরই কর্তব্য। যে রাষ্ট্র স্থাপনের যুদ্ধে তিনি নিজের জীবন ও যৌবন বাজি রেখে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন। আমি তাঁর আশু রোগমুক্তি ও দীর্ঘ পরমায়ুর জন্য আল্লাহ্'র কাছে জানাই আন্তরিক মিনতি।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সাবেক প্রেস সচিব মারুফ কামাল খান সোহেলের ফেসবুক হতে নেওয়া।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

সোভিয়েত জামানার সরকারি ছবিগুলোর সবগুলোই রিটাচ করা

শান্তা আনোয়ার

সোভিয়েত জামানার সরকারি ছবিগুলোর সবগুলোই রিটাচ করা

ভ্লাদিমির দুরভ নামের একজন এনিম্যাল ট্রেইনারের ছবি

ফটোশপ ওয়ান যখন রিলিজ হয় তখন সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন হচ্ছে। কিন্তু তার অনেক আগে থেকেই সোভিয়েত ইউনিয়নে ফটোগ্রাফির উপরে কাজ করে সেটাকে পরিবর্তিত করার কৌশল প্রয়োগ করতো। সোভিয়েত জামানার সরকারি ছবিগুলোর সবগুলো রিটাচ করা। 

আগেকার দিনের সোভিয়েত ম্যাগাজিন বাসায় থাকলে দেখতে পারেন, ছাপা ছবির ধরণই খুব আলাদা ছিলো। এই ছবিটা দেখুন ভ্লাদিমির দুরভ নামের একজন এনিম্যাল ট্রেইনারের ছবি। বানরের মুখ আর চুলের দাগ গুলো দেখুন। খুব সূক্ষ্ম চাকু বা সুচ দিয়ে নিখুঁতভাবে নেগেটিভের উপরে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে কালো দাগ তুলে ফেলা হয়েছে।

যেখানে দাগ দেয়ার দরকার নেই সেইখানে ইমালশন দিয়ে ব্রাশ দিয়ে এঁকে দেয়া হতো। লেনিনের ছবি থেকে ট্রটস্কি কে মুছে ফেলা বা স্ট্যালিনের ছবি থেকে সিক্রেট পুলিশের চিফ নিকোলি ইয়েজভের মুছে ফেলার ইতিহাস আমরা জানিই।

তবে, সবচেয়ে বেশী কষ্ট করতে হতো স্ট্যালিনের ছবি নিয়ে। তার মুখে অসংখ্য ব্রণের দাগ ছিলো। সেগুলো সরিয়ে নিখুঁত মাখনের মতো চামড়ার ছবি বানানো সহজ কাজ ছিলোনা। আর তার ছিল বিখ্যাত পাকানো গোঁফ। সেই গোঁফের ছবি এতো নিখুঁত আসতো রিটাচের গুণে।

আরও পড়ুন:


তাইজুল ম্যাজিকে লিড পেলো বাংলাদেশ

হেফাজত মহাসচিব মাওলানা নুরুল ইসলাম আইসিইউতে

অন্তঃসত্ত্বা নারীকে হত্যা করে পেট চিরে বাচ্চা চুরি!


স্ট্যালিনের গোঁফ ছবিতে যেমন দেখা যায় তেমন নিখুঁতভাবে পাকানো থাকতো না কখনোই। গর্বাচভের মাথায় একটা জন্ম দাগ ছিলো। টাক থাকায় সেটা ভালোভাবে বোঝা যেতো। কিন্তু গর্বাচেভ যখন মাত্র ক্ষমতায় এলো তখন যেই অফিসিয়াল ছবি রিলিজ করা হয়েছিলো। সেখানে মাথার সেই জন্মদাগকেও রিটাচ করে মুছে ফেলা হয়েছিলো।

লেখাটি শান্তা আনোয়ার-এর ফেসবুক থেকে সংগৃহীত ( লেখাটির আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

মৃত্যুর পরেও অভিনয় করে যান অভিনেতা রীড

অনলাইন ডেস্ক

মৃত্যুর পরেও অভিনয় করে যান অভিনেতা রীড

অলিভার রিড, একজন নন্দিত হলিউড অভিনেতা ছিলেন। গ্লাডিয়েটর সিনেমায় প্রক্সিমো চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। ৬১ বছর বয়সে মারা যান এই নন্দিত অভিনেতা গ্লাডিয়েটর সিনেমাটা করতে করতেই।

অলিভার রিড

তিনি প্রচুর মদ খেতেন। সিনেমার শ্যুটিং এর মাঝে কয়েকদিনের গ্যাপ ছিলো। শ্যুটিং চলছিলো মাল্টায়। তিনি এক স্থানীয় পাবে যান। সেইখানে এসেছিলো বৃটিশ নেভির কিছু তরুণ অফিসার। তাদের সাথে মদ খাওয়ার কম্পিটিশনে নামেন রীড। জিতেও যান সবাইকে হারিয়ে।

আরও পড়ুন

বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো জায়গা করে নিলো দেশের মেয়েরা

করোনার নতুন ধরনের নাম ওমিক্রন

বেগম জিয়ার জন্য আলাদা আইন করার সুযোগ নেই: হানিফ 

সবার মদের বিল দেন প্রায় ৬০০ ডলার। বিয়ান, কনিয়াক, হুইস্কি মিলে কয়েক বোতল খেয়েছিলেন তিনি। এরপরেই হঠাৎ করে মাথা ঘুরে পরে যান। হাসপাতালে নেবার পরেই মৃত্যু হয় হার্ট অ্যাটাকে। সিনেমার তার চরিত্রের সব শ্যুটিং শেষ হয়নি তখনো। 

কিছু জায়গায় তার ডামি ব্যবহার করা হয়, পরে কম্পিউটার গ্রাফিক্স করে রীডের মুখ বসিয়ে দেয়া হয়। মৃত্যুর পরেও অভিনয় করে যান অভিনেতা রীড।

 news24bd.tv/এমি-জান্নাত  

পরবর্তী খবর

এত খাবার তাহলে কে খায়?

গুলজার হোসাইন উজ্জ্বল

এত খাবার তাহলে কে খায়?

গুলজার হোসাইন উজ্জ্বল

ফুটপাতে রাস্তার দুইধারে যেদিকেই দেখি শুধু খাবারের দোকান। গলির মুখে খাবারের দোকান। রাস্তার মোড়ে বিস্কুট পাউরুটি কলা নিয়ে ছোট্ট ছোট্ট দোকান। রেল ক্রসিং, বাস টার্মিনাল শুধু খাবারের দোকান। ফুটপাত পেরুলে যে আলোক সজ্জায় শোভিত বনেদি রেস্তোরাঁ সেখানেও বাহারী খাবার। শপিং মলের এক একটা ফ্লোর জুড়ে খাবারেরই দোকান শুধু।

আজকাল মনে হয় খাবারের দোকান ছাড়া কিছু চলে না। ক্রিকেটার, গানের শিল্পী, সিনেমার নায়ক সবারই আছে সাইড বিজনেস-খাবারের দোকান।

মার্কেটে মানুষ মনে হয় খেতেই আসে। খেতে এসে টুকটাক কিছু কিনে নিয়ে যায়। হালে যে কয়টি বই পত্রের বড় দোকান হয়েছে তারাও সাথে খাবার দোকান করেছে।

লিটফেস্ট, ফোকফেস্ট, ক্লাসিক ফেস্ট যাই বলুন সবখানেই বিরাট অংশ জুড়ে থাকে খাবারেরই দোকান। আর সেখানেই সব ভিড় যেন।

অথচ চেম্বারে যত রোগী আসে বেশির ভাগেরই একই কম্পলেইন "খাইতে পারি না, রুচি নাই।" মায়েরা আসে বাচ্চাদের নিয়ে, কম্পলেইন - বাচ্চা কিছু খায় না। এত খাবার তাহলে কে খায়? এই জাতির ভাবগতিক তো কিছু বুঝতেছি না।

আরও পড়ুন


নির্বাচন নিয়ে হাতুড়ি পেটা ও আঙ্গুল কেটে ফেলার অভিযোগ

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

যতো বেশি পদ, ততো বেশি সম্মান

আনোয়ার সাদী

যতো বেশি পদ, ততো বেশি সম্মান

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবি

আমরা এখন ভাইরাস অধ্যুষিত সময়ে বাস করছি। করোনা ভাইরাসের ভয়ে বাস করলেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এর ভাইরাল বিষয়গুলো কেউ খুব একটা ভয় পাচ্ছে বলে মনে হয় না। 

নিজের গুণ প্রচার করা, অন্যকে হাস্যকর করে দেওয়ার নানা ভাইরাল কর্মকাণ্ড আমাদের চোখে পড়ছে। ফলে, নৈতিকতা, সামাজিক রীতি ইত্যাদি শব্দগুলোর সংজ্ঞার পরিধি দিন দিনই বদলে যাচ্ছে। তো, ভাইরালের জগতের সব শেষ আইটেম একটি খাবার টেবিল এবং মনে হচ্ছে একজন মন্ত্রীর খাবার গ্রহণের ছবি।

ছবিতে মনে হয় তথ্য মন্ত্রী হাসান মাহমুদকে খাবার গ্রহণ করতে দেখা যাচ্ছে, যদি আমি ভুল করে না থাকি। তার সামনে টেবিলে অনেক পদের খাবার রাখা আছে। মন্ত্রীর পাশে কেউ নেই, তিনি একাই খাবার গ্রহন করছেন। 

ছবিটি তার কাছের মানুষই তুলেছেন এটা মোটাদাগে ধরে নিতে পারি। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কে তা ছড়িয়ে দিয়েছেন, তা নিশ্চিত করে বলে দেওয়া যাচ্ছে না। 

এই ছবি ছড়িয়ে পড়লে খুব একটা সমস্যা হওয়ার কথা না। মুশকিল হলো, এই ছবির নানারকম ব্যাখ্যা হচ্ছে। ফেইসবুক যেহেতু সম্পাদনা-বিহীন জগত, ফলে সবাই নিজের মনের কথাগুলো লিখে ছবিটি শেয়ার করছেন। এতে করে রাজনৈতিক বিবেচনা, পছন্দ-অপছন্দ, স্বার্থ, হিংসা, দেশের সংস্কৃতি সম্পর্কে না জানা ইত্যাদি নানা বিষয় ছবির ক্যাপশন হিসেবে স্থান পাচ্ছে । কে কী লিখেছে তা উল্লেখ করছি না। 

আপনারা নিশ্চয়ই জানেন, আগে গ্রামে কারো বাড়িতে গিয়ে এক গ্লাস পানি চাইলে সঙ্গে একটা মোয়া অথবা নাড়ু দেওয়া হতো। এই আচরণের কী অনুবাদ করা যায়? এদেশের মানুষ অপরকে খাওয়াতে ভালোবাসে। এটা এদেশের অতিথিপরায়নতা ও অপরকে সম্মান জানানোর একটা উপায়ও। 

আমাদের মায়েরা মেয়েদেরকে অনেক কিছু শিখিয়ে দেন। রান্নার টিপস, পরিবেশনের টিপস। তারা জানিয়ে দেন, কারো সামনে যতো বেশি পদের খাবার রাখা হয় তাকে ততো বেশি সম্মান দেওয়া হয়। তিনি সব খাবার খেতে পারুক না পারুক। ফলে, একজন মন্ত্রী বা একজন ইমাম বা একজন নেতা বা একজন শিক্ষক বা একজন অতিথির সামনে অনেক পদের খাবার রেখে তাকে সম্মান জানানো হবে, এটাই এই দেশের সংস্কৃতি। 

যাহোক, আপনারা নিশ্চয়ই পঞ্চব্যাঞ্জন, অষ্টব্যাঞ্জন শব্দগুলোর সঙ্গে পরিচিত আছেন। এগুলো এদেশের প্রতিদিনের খাবারের টেবিলে বর্ণনা দিতে ব্যবহার করা হয়। খাবার ছাড়া এই দেশে কোনো উৎসব আমরা উদযাপন করতে পারি? ঈদ, রোজা, পূজা, বড়দিন, বৈসাবি, হালখাতা, বিয়ে, মুসলমানি, কুলখানি, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী, জন্মদিন, মৃত্যুবার্ষিকী কোথায় খাবারের আয়োজন নেই? এই সব আয়োজন কী এক পদ দিয়ে শেষ করা যায়?

যা হোক, ছবিটা দেখে আমার ভালো লেগেছে। আমি স্বপ্ন দেখি, একদিন বাংলাদেশের সব মানুষের এমন আয়োজন করার সামর্থ্য তৈরি হবে।

ফেইসবুকে ছড়িয়ে পড়া আরেকটি ভাইরাল ছবি

[নোট: এই লেখা শেষ করার পর ফেইসবুকে আরো একটি ছবি দেখলাম। সেখানে দুটো ছবি পাশাপাশি দিয়ে বলা হয়েছে একটি নকল আরেকটি এডিট করা। সেই ছবিতে দাবি করা হয়েছে, এটা আসলে মন্ত্রীর ছবি না।]

(সোশ্যাল মিডিয়া বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

আরও পড়ুন:

দিনকে রাত বানিয়ে এবার দেশের নামই 'বদলে' দিল বিসিবি


news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

অতীতের কর্মকাণ্ডের জন্যও আইনের মুখোমুখি হতে হয়

শওগাত আলী সাগর

অতীতের কর্মকাণ্ডের জন্যও আইনের মুখোমুখি হতে হয়

শওগাত আলী সাগর

কানাডার লিবারেল সরকার দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান এডমিরাল আর্থার ম্যাকডোনাল্ডকে বরখাস্ত করেছে। যৌন হয়রানির অভিযোগে গত ফেব্রুয়ারি মাসে  মিলিটারি পুলিশ তার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করলে  তিনি পক্ষপাতহীন তদন্তের স্বার্থে প্রতিরক্ষা বাহিনীর  প্রধানের পদ থেকে সরে দাড়ান। 

আগষ্ট মাসে মিলিটারি পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয় তাদের তদন্তের  কারনে প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান ম্যাকডোনাল্ডস এর বিরুদ্ধে কোনো শৃংখলামূলক ব্যবস্থা নেয়া বা তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ গঠন করা হবে না। কিন্তু লিবারেল সরকার অভিযোগ পর্যালোচনার স্বার্থে তাকে ছুটিতে থাকতে নির্দেশ দেয়। 

এই সময় তিনি তার পদ ফিরে পেতে ‘পাবলিক ক্যাম্পেইন’ শুরু করেন এবং সেনা বাহিনীর উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে চিঠি লিখে তাঁর পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।  এতে সরকার অত্যন্ত বিরক্ত হয়। 

নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী অনিতা আনন্দ  প্রতিরক্ষা বাহিনী প্রধানের এই আচরণকে অগ্রহণযোগ্য হিসেবে মন্তব্য করেন। তারপর পরই তাকে চাকুরী থেকে বরখাস্তের আদেশ ইস্যূ করা হয়।

কানাডীয়ান সেনাবাহিনীর বেশ কয়েকজন শীর্ষপর্যায়ের জেনারেলকে যৌন হয়রানির অভিযোগের মুখে পড়ে চাকুরী হারিয়ে বিচারের মুখোমুখি হতে হয়েছে। 

প্রায় সবকটি ঘটনাই ক্যাপ্টেন বা মেজর পদমর্যাদায় থাকার সময়কার। কিন্তু পেশাগত জীবনের শীর্ষ পর্যায়ে এসে তাদের অতীতের কর্মকান্ডের  জন্য আইনের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। 

প্রতিরক্ষা মন্ত্রী অনিতা আনন্দ অবশ্য জানিয়েছেন, সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ পর্যালোচনাসহ তাদের শৃঙখলা দেখভাল করতে ‘বেসরকারি তদারকি কাঠামো’ গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা।

আরও পড়ুন:

ধর্ম অবমাননার অভিযোগে পাকিস্তানে আটক ৪


news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর