ফেসবুকে ইভ্যালির জরুরি নোটিশ, যা আছে নোটিশে

অনলাইন ডেস্ক

ফেসবুকে ইভ্যালির জরুরি নোটিশ, যা আছে নোটিশে

আলোচিত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির ওয়েবসাইট ও অ্যাপ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। নানাবিধ জটিলতা কাটিয়ে উঠে স্বাভাবিক কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া সম্ভব না হওয়ায় ওয়েবসাইটটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়ে প্রতিষ্ঠানটির ফেসবুক পেজে বার্তা দেওয়া হয়েছে। 

শনিবার (১৬ অক্টোবর) ফেসবুকে ঘোষণা দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে ইভ্যালি।

ফেসবুকে গ্রাহকদের জন্য দেওয়া ওই জরুরি নোটিশে ইভ্যালি জানিয়েছে, ‘সম্মানিত গ্রাহক, বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে আপনারা সবাই অবগত। ডিজিটাল বাংলাদেশ নির্মাণের অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রার অংশীদার হয়ে দেশের অনলাইন কেনাকাটাকে সবার হাতের মুঠোয় নিয়ে যেতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি অবিরাম। আমরা এ কাজকে এগিয়ে নিতে চাই। চাই আপনাদের সকলের সহযোগিতায় আমাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রমকে চালিয়ে যেতে। আর এ সুযোগ পেলে সকলের সব ধরনের অর্ডার ডেলিভারি দিতে আমরা অঙ্গীকারাবদ্ধ ছিলাম, আছি, থাকব।’

‘বর্তমান পরিস্থিতিতে অজ্ঞাতনামা হিসেবে আমাদের সকল এমপ্লয়িরা শঙ্কার মধ্যে দিন অতিবাহিত করছেন। আমাদের সম্মানিত সিইও এবং চেয়ারম্যান কারাগারে থাকায় আমাদের ব্যাংকিং-ও সাময়িকভাবে বন্ধ। এমন পরিস্থিতিতে আমাদের সার্ভারসহ, অফিসের খরচ চালানো এবং আমাদের এমপ্লয়িদের দায়িত্ব নেওয়ার বিষয়গুলোতে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। আমাদের উকিলের মাধ্যমে আমাদের সম্মানিত সিইও’র বক্তব্য হলো- সুযোগ এবং সময় পেলে আমাদের পক্ষে চার মাসের মধ্যেই সকল জটিলতা গুছিয়ে উঠা সম্ভব।’

আরও পড়ুন:


গাজীপুরে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে পার্লার কর্মীকে গণধর্ষণ

পরিকল্পিতভাবে সাম্প্রদায়িক অপশক্তি পূজায় সহিংসতা সৃষ্টি করেছে: কাদের

ইন্দোনেশিয়ার বালিতে শক্তিশালী ভূমিকম্প, নিহত ৩

ঘোড়ার খামারে বিয়ে করছেন বিল গেটসের মেয়ে


নোটিশে আরও বলা হয়, ‘এ পরিস্থিতিতে আমাদের সার্ভার বন্ধ হয়ে যাওয়ার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত। পুনরায় দ্রুত সার্ভার চালু করে দেওয়ার জন্য আমাদের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। গ্রাহক ও সেলারদের স্বার্থ সুরক্ষায় আমরা সর্বোচ্চ সচেষ্ট। দেশীয় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিশ্ব দরবারে প্রতিষ্ঠিত হতে আমাদের এই যাত্রায় আমরা আপনাদের পাশে পেয়েছি সবসময়। আপনাদের এ ভালোবাসায় আমরা চিরকৃতজ্ঞ। সামনের দিনগুলোতেও আমরা এভাবে আপনাদের পাশে চাই। আপনাদের ভালোবাসার শক্তি আমাদের অদম্য পথচলার প্রেরণা। ইভ্যালির পাশে থাকার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।’

গ্রাহকদের অর্ডারের পণ্য দিতে না পারায় প্রতারণার অভিযোগে গত মাসে প্রতিষ্ঠানটির শীর্ষ কর্মকর্তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রাসেল ও তার স্ত্রী প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। রাসেল কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগারে আর তার স্ত্রী গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে আছেন।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

দুই বিঘায় শুরু করে ২০০ বিঘার মালিক তিনি

নাসিম উদ্দীন নাসিম, নাটোর

দুই বিঘায় শুরু করে ২০০ বিঘার মালিক তিনি

পেয়ারা চাষ

নাটোরে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে পেয়ারা চাষ হচ্ছে এক দশক ধরে। সদর উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে পেয়ারা চাষ করে জাদুকারি সাফল্য পেয়েছেন চাষীরা। বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক হওয়ায় পেঁয়ারা চাষে আগ্রহী হয়েছে অনেকে। নাটোর সদর উপজেলার মাটি সব ফসলের জন্য উপযোগী। জেলার উদ্দোমী পেয়ারা চাষী আফাজ আলী পেঁয়ারা চাষ করে সফল হয়েছেন।

২০১৫ সালে বাড়ির পাশে নিজের দুই বিঘা জমিতে শুরু করেন পেঁয়ারা চাষ। শুরুতে বিনিয়োগ করেন দুই লাখ টাকা। বছর শেষে পেয়ারা বিক্রি করেন ১০ লাখ টাকার। তারপর থেকে সিদ্ধান্ত নেন পেয়ারা চাষকে পেশা হিসেবে বেছে নেবেন। বাড়াতে শুরু করেন পেয়ারা বাগানের পরিধি। ২০০ বিঘায় ৯টি বাগানে পেয়ারা চাষ করে তিনি এখন জেলার সবচেয়ে বড় পেয়ারা উৎপাদনকারী।

শুধু বাগানই নয়, ভিটামিন-খনিজ উৎপাদনের মাধ্যমে জাতীয় উৎপাদন বৃদ্ধি ও দেশের পুষ্টিতে ভূমিকা রাখার পাশাপাশি গড়ে তুলেছেন কর্মসংস্থান। প্রতিদিন গড়ে দেড়শ মানুষের কাজের সুযোগ সৃষ্টি করেছেন তিনি। এছাড়া আফাজের বাগানের পেয়ারা নাটোর ছাড়িয়ে চলে যাচ্ছে ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন জেলায়।সফল উদ্যোক্তা পেয়ারাচাষী আফাজ আলীর বাড়ি নাটোর সদর উপজেলার চন্দ্রকোলা রুয়েরভাগ গ্রামে। কৃষক পরিবারে ১০ ভাইবোনের আর্থিক টানাপোড়েনের সংসারে সবার ছোট আফাজ আলী। আর্থিক অনিশ্চয়তার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে ব্যবসায়ের হাতছানির কারণে পড়াশোনা বেশি দূর করতে পারেনি । ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ব্যবসার অভিজ্ঞতা থেকে একসময় শুরু করেন চাল ব্যবসা। এ ব্যবসায় মুনাফা থাকলেও একসময় হাল ছেড়ে দেন। বারবার ব্যবসায়ের পরিবর্তন শেষে পেয়ারা চাষেই থিতু হন তিনি। মাত্র ছয় বছরের ব্যবধানে পেয়ারা যেহেতু তাকে এনে দিয়েছে সাফল্য, তাই এখন পেয়ারাই তার ধ্যান-জ্ঞান।

জানা যায়, নাটোর সদর উপজেলার তেবাড়িয়া, ছাতনী, আগদিঘা, বড়হরিশপুর ইউনিয়ন পেরিয়ে আফাজের পেয়ারা বাগান এখন সিংড়া উপজেলার হাতিয়ানদহে। দুই শতাধিক বিঘার মোট ৯টি বাগানজুড়ে পেয়ারা চাষ করে তিনি এখন জেলার সবচেয়ে বড় পেয়ারা উৎপাদনকারী।এমনিতেই নাটোর ফল উৎপাদনের সূতিকাগার। নাটোরের অসংখ্য ফল উৎপাদক সারা দেশে নন্দিত হয়েছেন ইতোপূর্বে। তাদের উৎপাদনের ক্ষেত্র কখনো একটা মাত্র ফলে সীমিত থাকেনি। প্রত্যেকেই রকমারি ফল উৎপাদন করেন। ব্যতিক্রম শুধু আফাজ আলী। তার ক্ষেত্র শুধুই পেয়ারা।

নাটোর সদর উপজেলার শংকরভাগ এলাকার এক জায়গায় ১২০ বিঘা ও অন্যান্য জায়গায় ৮০ বিঘায় পেয়ারা-বাগান গড়ে তোলেন আফাজ আলী। আফাজ আলী থাই-৩ জাতের পেয়ারা চাষ করেন। তার প্রতি বিঘায় গাছ রয়েছে ২০০টি করে। সাধারণত এক বছরের মাথায় ফলন পাওয়া যায়। প্রতিটি গাছের বার্ষিক ফলন এক মণের কাছাকাছি।

বারো মাস ফলন পাওয়া গেলেও পেয়ারের মৌসুম মূলত আশ্বিন থেকে জ্যৈষ্ঠ মাস। তবে উচ্চ মূল্য ও সময় হিসেবে পৌষ ও মাঘ মাসসহ অগ্রহায়ণ ও ফালগুনের অর্ধেকটা সময় ব্যবসায়ীদের কাছে পেয়ারা বাজারজাতকরণের কাঙ্ক্ষিত সময়।

আফাজ আলী বলেন, আগে আমি নার্সারি ও চালের ব্যবসা করতাম। এক বন্ধুর পেয়ারা চাষ দেখে আমি উদ্বুদ্ধ হই। প্রথমে আমি দুই বিঘা জমিতে চাষ শুরু করি। অন্য কোনো ফল নয়, পেয়ারাই আমার ধ্যান-জ্ঞান। ৯টি বাগানে প্রতিদিন গড়ে দেড় শ মানুষ কাজ করে। তাদের গাছ রোপণ, আগাছা নিধন, সার দেওয়া, সেচ, পেয়ারার ব্যাগিং কাজের দিকনির্দেশনা দিয়েই আমার বাগানে দিন কাটে।

বাগানে কাজ করা শ্রমিক শাকিল মাহমুদ বলেন, পেয়ারার বাগানে কাজ করছি। আমরা এখানে ১৫০ জন শ্রমিক নিয়মিত কাজ করছি। সবার সংসারে উন্নতি আসছে এবং সবাই ভালোমতো চলতে পারছি। আমরা বাগানে বিভিন্ন ধরনের কাজ করে থাকি।

শ্রমিক মো. শাহ আলম মিয়া জানান, আমি পেয়ার-বাগানে শুরু থেকে কাজ করছি। মাসে ৯ হাজার টাকা বেতন পাই। আমাদের এখানে প্রতিদিন আট ঘণ্টা কাজ করতে হয়। সকাল আটটা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত বাগানে কাজ করি।

ঢাকার কাওয়ানবাজারের মা ফলভান্ডারের স্বত্বাধিকারী ও ব্যবসায়ী আলী জানান, নাটোরের আফাজের পেয়ারা খুবই ভালো। তার পেয়ারার ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। গুণগত মানেও খুব ভালো। তাই আমি আফাজের বাগানের পেয়ারা গাড়িযোগে ঢাকায় এনে বিক্রি করি।

আরও পড়ুন: 


পায়ের রগকাটা মরদেহ পড়ে আছে নদীর পাড়ে


 

কৃষি সস্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মাহমুদুল ফারুক বলেন, পেয়ারার বাগান সৃষ্টির মাধ্যমে আফাজ শুধু নিজের
আর্থিক সমৃদ্ধিই অর্জন করেননি, শত মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে জাতীয় উৎপাদন বৃদ্ধি, সর্বোপরি দেশের মানুষের পুষ্টির অভাব পূরণের মাধ্যমে অবদান রাখছেন। নাটোরের উৎপাদিত ফল দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সরবরাহ হচ্ছে। কৃষি বিভাগ পেয়ারা উৎপাদনের নতুন নতুন প্রযুক্তি ও পরামর্শ দিয়ে সব সময় আফাজের পাশে আছে। আমরা সব সময় কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করি ফল চাষের জন্য।

news24bd.tv /তৌহিদ

পরবর্তী খবর

মানুষের আয় কমলেও আয়কর রিটার্ন জমা বেড়েছে

অনলাইন ডেস্ক

মানুষের আয় কমলেও আয়কর রিটার্ন জমা বেড়েছে

এনবিআর আয়োজিত সেমিনারে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক

দীর্ঘ সময় ধরে চলা করোনা মহামারির কারণে অনেকটা মন্দা চলছে ব্যবসা বাণিজ্যে। তার পরেও এবার ব্যক্তি শ্রেণির আয়কর বিবরণী (রিটার্ন) জমার সংখ্যা বেড়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) নভেম্বর মাসকে আয়কর রিটার্ন দেওয়ার মাস বা সেবা মাস হিসেবে পালন করে। গত বছরের নভেম্বর মাসে ২৯ দিনে আয়কর রিটার্ন জমার চেয়ে এ বছর নভেম্বর মাসে ২৯ দিনে ৮০ হাজার আয়কর রিটার্ন বেশি জমা পড়েছে।

করোনার কারণে এ বছরও আয়কর মেলার আয়োজন হয়নি। মেলার পরিবর্তে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) আওতাধীন সারা দেশে ৩১টি কর অঞ্চলের ৬৪৯টি সার্কেলে মেলার মতো উৎসবমুখর পরিবেশে রিটার্ন জমা নেওয়া হচ্ছে।

এনবিআরের দ্বিতীয় সচিব (জরিপ, কর ফাঁকি ও আইটিপি রেজি., কর-১৫) দীপক কুমার পাল গণমাধ্যমকে বলেন, ‘এ বছর নভেম্বর মাসে ২৯ দিনে দেশের সব কর অঞ্চল মিলে ১৫ লাখ ৫০ হাজার আয়কর রিটার্ন জমা পড়েছে। গত বছর নভেম্বর মাসের ২৯ দিনে আয়কর রিটার্ন জমা পড়েছিল ১৪ লাখ ৭০ হাজার। সে হিসাবে গত বছরের একই সময়ের চেয়ে এ বছর আয়কর রিটার্ন জমা বেড়েছে।’ গতকাল (৩০ নভেম্বর) আরো ছয় থেকে সাত লাখ আয়কর রিটার্ন জমা পড়তে পারে বলেও তিনি জানান।

এ বছর করদাতাদের জন্য অনলাইনে নতুন আয়কর রিটার্ন ফাইলিং সিস্টেম চালু করেছে এনবিআর। অনলাইনে গতকাল মঙ্গলবার রাত ৮টা পর্যন্ত রিটার্ন জমা পড়েছে প্রায় ৫২ হাজার।

এনবিআর সূত্রে জানা যায়, দেশের ৭০ লাখের বেশি কর শনাক্তকারী নম্বরধারী (টিআইএন) করদাতা রয়েছেন। সরেজমিনে গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বিভিন্ন কর অঞ্চল ঘুরে দেখা যায়, আয়কর রিটার্ন জমার সময় বাড়বে না মনে করে প্রতিটি কর অঞ্চলেই করদাতাদের উপচে পড়া ভিড় ছিল। প্রতিটি বুথের সামনেই লম্বা লাইন। করদাতারা ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে আয়কর রিটার্ন জমা দিয়েছেন।

রিটার্ন জমা দিতে আসা করদাতারা বলছেন, ‘শেষ সময়ের কারণে ভিড় বেড়েছে। তাই লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে রিটার্ন জমা দিতে হয়েছে।’

কর কর্মকর্তারা বলছেন, ‘মাসের শুরুতে ভিড় না থাকলেও রিটার্ন জমা দেওয়ার শেষ সপ্তাহ থেকেই ভিড় করছেন করদাতারা। শেষ সময়ে বাড়তি চাপের কথা বিবেচনায় নিয়ে এবার বাড়ানো হয়েছে বুথ।’

করের টাকা জনগণ দেয়, এই টাকার যেন অপব্যবহার না হয় সে জন্য প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় আয়কর দিবস উপলক্ষে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) আয়োজিত ‘রূপকল্প বাস্তবায়ন ও আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণে আয়করের ভূমিকা’ শীর্ষক এই সেমিনারের প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইনমন্ত্রী এ কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, ‘জনগণের দেওয়া করের টাকা শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ জনগণের কল্যাণেই ব্যয় হয়। উন্নয়নের চাহিদা মেটানোর জন্য যোগ্য সবাইকে কর দেওয়া দরকার। যত বেশি আয়কর দেওয়া যাবে, দেশ তত বেশি উন্নত হবে।’

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি জসিম উদ্দিন বলেন, ‘কর আহরণ বৃদ্ধির জন্য নতুন নতুন খাত চিহ্নিত করতে হবে। অডিটের নামে হয়রানি বন্ধ করতে হবে। এখানে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে। আমরা আমদানিনির্ভর দেশ থাকতে চাই না। মেড ইন বাংলাদেশের কার্যক্রমকে আরো জোরদার করতে হবে।’ সভাপতির বক্তব্যে এনবিআরের চেয়ারম্যান আবু হেনা বলেন, ‘টেক্স নেট বৃদ্ধি করা জরুরি হয়ে পড়েছে। এটার জন্য কিছু চ্যালেঞ্জ আছে। আমরা চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলা করছি।’

এদিকে গতকাল সকালে ‘মুজিববর্ষের অঙ্গীকার, সবাই মিলে দেব কর’ স্লোগান সামনে রেখে এনবিআর অফিসের সামনে বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে ১৪তম জাতীয় আয়কর দিবস উদ্বোধন করা হয়। এনবিআরসহ প্রতিষ্ঠানটির ৩১টি কর অঞ্চলে একযোগে দিবসটি উদযাপন করা হয়েছে। ২০০৮ সাল থেকে দেশে আয়কর দিবস পালিত হচ্ছে। আগে প্রতিবছর ১৫ সেপ্টেম্বর দিবসটি পালিত হতো। তবে ২০১৬ সাল থেকে ৩০ নভেম্বর আয়কর দিবস পালন করছে এনবিআর।

আরও পড়ুন


ভ্যাকসিন এভাবে কাজ করে না

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

আম নয়, রাজশাহীর প্রধান অর্থকরী ফসল পান

অনলাইন ডেস্ক

রাজশাহীর প্রধান অর্থকরী ফসল পান

আম নয়, রাজশাহীর প্রধান অর্থকরী ফসল পান। বরজে পান আছে মানে, ব্যাংকে টাকা আছে। তবে আমের মতো আলোচনা আর গবেষণা নেই পান নিয়ে। কৃষি ও অর্থনীতিবিদরা বলছেন, সারা দেশে জায়গা না থাকায় পান আলোচনায় আসে না।

আমের নাম বললে সবার আগে আসে রাজশাহীর নাম। আমের পরিচয়েই রাজশাহীর পরিচয়। তবে কৃষি বিভাগ বলছে, বছরে রাজশাহীতে আম থেকে যে আয় হয়, এর দ্বিগুণ আয় হয় পান থেকে।

রাজশাহীতে পান চাষ দিন দিন বাড়ছে। রাজশাহীর পানের চাহিদাও আছে সারা দেশে। অন্য ফসলের চেয়ে পান চাষে লাভ বেশি হওয়ায় কৃষকরা পান চাষে ঝুঁকছেন। রাজশাহীতে পান চাষ হয় ৪৪৯৯ হেক্টর জমিতে। পান চাষের সঙ্গে জড়িত কৃষক ৭২ হাজার ৭৬৪ বছরে উৎপাদিত পানের দাম ১ হাজার ৮৬৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা।


আরও পড়ুন:

গণপরিবহনে শিক্ষার্থীদের হাফ ভাড়া কার্যকর

হাফ পাস শুধুমাত্র ঢাকায় কার্যকর হবে বললেন এনায়েত উল্লাহ

কুমিল্লায় কাউন্সিলর হত্যা: ৬ হামলাকারী শনাক্ত


রাজশাহীর আম নিয়ে যতো মাতামাতি, পান নিয়ে ততোটা নেই। আম নিয়ে যতো গবেষণা, তাও হয় না পান নিয়ে। এ জন্য পানের এই অর্থনৈতিক গুরুত্ব আলোচনায় আসে না-বলছেন অর্থনীতিবিদরা। চাহিদা ও সুযোগ থাকায় পান নিয়ে গবেষণা ও বাজার সম্প্রসারণে কৃষি বিভাগকে উদ্যোগী হওয়ার পরামর্শ অর্থনীতিবিদদের।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় বাড়লো ১ মাস

অনলাইন ডেস্ক

আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় বাড়লো ১ মাস

আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় বাড়িয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। আজ মঙ্গলবার (৩০ নভেম্বর) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের জনসংযোগ কর্মকর্তা সৈয়দ এ মুমেন গণমাধ্যমে এ তথ্য জানান।

এর আগে গত ১৬ নভেম্বর এক সভা শেষে রাজস্ব বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় আর বাড়ানো হবে না। সেই হিসেবে ৩০ নভেম্বর অর্থাৎ আজ রিটার্ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ছিল। 

আরও পড়ুন:

গণপরিবহনে শিক্ষার্থীদের হাফ ভাড়া কার্যকর

হাফ পাস শুধুমাত্র ঢাকায় কার্যকর হবে বললেন এনায়েত উল্লাহ

কুমিল্লায় কাউন্সিলর হত্যা: ৬ হামলাকারী শনাক্ত


 

 এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, জুলাই থেকে নভেম্বর পর্যন্ত ১৪ লাখের বেশি রিটার্ন জমা পড়েছে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

বসুন্ধরার সঙ্গে জয়ার চুক্তি

অনলাইন ডেস্ক

বসুন্ধরার সঙ্গে জয়ার চুক্তি

বসুন্ধরা এলপি গ্যাসের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেত্রী জয়া আহসান।

দেশের এক নম্বর এলপি গ্যাস বসুন্ধরা এলপি গ্যাসের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেত্রী জয়া আহসান। আজ মঙ্গলবার বসুন্ধরা গ্রুপের হেডকোয়ার্টার-২-এর কনফারেন্স রুমে এই চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বসুন্ধরা গ্রুপের চিফ অপারেটিং অফিসার ব্র্যান্ড অ্যান্ড মার্কেটিং (সেক্টর-এ) এম এম জসীম উদ্দীন, চিফ ফিন্যান্সিয়াল অফিসার, বসুন্ধরা এলপি গ্যাস মাহবুব আলম, হেড অব সেলস, বসুন্ধরা এলপি গ্যাস জাকারিয়া জালাল, হেড অব এইচ আর সাদ তানভীর, জেনারেল ম্যানেজার সাপ্লাই চেইন সরোয়ার হোসেন সোহাগ প্রমুখ।

চুক্তি স্বাক্ষর প্রসঙ্গে এম এম জসীম উদ্দীন বলেন, কাজের প্রতি জয়ার নিবেদন, যত্ন ও পরিশ্রম অনুসরণীয়, ঠিক তেমনি শীর্ষস্থান ধরে রাখতে বসুন্ধরা এলপি গ্যাস সদা সচেষ্ট। আমাদের দর্শন ও অর্জনের সঙ্গে একাত্ম হয়েই আমাদের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে যুক্ত হয়েছেন। তাঁর গ্রহণযোগ্যতা ও কাজের প্রতি সততা তাঁর অভিনয় দক্ষতার মতোই মনোমুগ্ধকর। তাঁর উপস্থিতি আমাদের ব্র্যান্ড ভ্যালু ও বাজারে আমাদের অবস্থানে নতুন এক মাত্রা যোগ করবে।

মাহবুব আলম বলেন, দেশসেরা এলপি গ্লাস ব্র্যান্ড বসুন্ধরা এলপি গ্যাস সফলতার সঙ্গে মানুষের পাশে আছে দীর্ঘ সময় ধরে। মানের ব্যাপারে বসুন্ধরা এলপি গ্যাস বরাবরই আপসহীন, ব্র্যান্ড কমিউনিকেশন্সের ব্যাপারেও আমরা আপসহীন। আর তাই দেশজুড়ে সবার ভরসা এই বসুন্ধরা এলপি গ্যাস।

সাদ তানভীর বলেন, জয়া আহসানের মতো আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন গুণী অভিনেত্রীকে আমাদের সঙ্গে পেয়ে আমরা সত্যিই আনন্দিত এবং আমরা আশা রাখি, একসঙ্গে আমরা স্বাচ্ছন্দ্যের সঙ্গে এগিয়ে যাব আরো বহুদূর।

জাকারিয়া জালাল বলেন, দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান। নিজের অভিনয় ও সৌন্দর্য দিয়ে জায়গা করে নিয়েছেন ফ্যানদের মনে। ভার্সেটাইল এই অভিনেত্রী এখন থেকে আমাদের বিভিন্ন ক্যাম্পেইন, এনগেজমেন্ট সেশন ও অন্যান্য প্রচারণামূলক কাজে সম্পৃক্ত থাকবেন ও বিভিন্ন প্রচারণা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করবেন। আমাদের সুদৃঢ় বিশ্বাস, এর মাধ্যমে আমাদের পণ্য এখন ক্রেতাদের কাছে আরো ভালো আবেদন তৈরি করতে পারবে।

জয়া আহসান জানান, এলপিজি ব্র্যান্ড হিসেবে বসুন্ধরা এলপি গ্যাসের রয়েছে দেশজুড়ে সুনাম, দেশের অন্যতম কয়েকটি ব্র্যান্ডের মধ্যে বসুন্ধরা এলপি গ্যাস একটি। এই ব্র্যান্ডকে মানুষের কাছে নতুন করে পরিচয় করানোর কিছু নেই। এলপিজি সেক্টরে এমন একটি স্বীকৃত ও ভালোবাসার ব্র্যান্ডের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পেয়ে আমি সত্যিই আনন্দিত এবং আমি আশাবাদী এটি আমাকে ফ্যানদের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে একটি অভিজ্ঞতা প্রদান করবে। তাদের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত।

প্রসঙ্গত, গত ২০ বছরের অধিক সময় ধরে গৌরবের সঙ্গে শীর্ষস্থান দখল করে আছে দেশসেরা ব্র্যান্ড বসুন্ধরা এলপি গ্যাস। সমগ্র দেশজুড়ে বসুন্ধরা এলপি গ্যাসের রয়েছে বিস্তৃত নেটওয়ার্ক ও অগণিত শুভানুধ্যায়ী, ডিলার, গ্রাহক ও ডিস্ট্রিবিউটর।

আরও পড়ুন: 


জাতীয় অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম না ফেরার দেশে


news24bd.tv/ তৌহিদ

পরবর্তী খবর