থাইরয়েডের সমস্যা ও এর সমাধান

অনলাইন ডেস্ক

থাইরয়েডের সমস্যা ও এর সমাধান

দেশে অন্তত পাঁচ কোটি মানুষ থাইরয়েড হরমোনজনিত সমস্যায় ভুগছেন।বিশ্বজুড়ে ৩০ কোটি মানুষ থাইরয়েডের সমস্যায় ভুগছেন। দেশে প্রায় ৩ কোটি অর্থাৎ অর্ধেকের বেশি রোগীই জানেন না, তাদের এই সমস্যা রয়েছে। বাংলাদেশ এন্ডোক্রাইন সোসাইটির (বিইএস) তথ্য অনুযায়ী, নারীদের থাইরয়েড হরমোনজনিত সমস্যা পুরুষদের তুলনায় প্রায় ১০ গুণ বেশি।

থাইরয়েডের হরমোনের তারতম্যজনিত সমস্যা দুই রকম হতে পারে। যেমন শরীরে থাইরয়েড হরমোনের পরিমাণ কমে গেলে বা হাইপোথাইরয়েডিজম, আবার বেড়ে গেলে হাইপারথাইরয়েডিজম। হাইপোথাইরয়েডিজমের রোগের সংখ্যা হাইপারথাইরয়েডিজমের চেয়ে অনেক বেশি। আমাদের দেশে সেটি আরও প্রকট। বাংলাদেশের আয়োডিন ঘাটতিজনিত ব্যাপক জনগোষ্ঠী এ সমস্যায় আক্রান্ত। আমাদের সামগ্রিক জীবনমানের ওপরে থাইরয়েড হরমোন ঘাটতি সুগভীর ঋণাত্মক প্রভাব বিস্তার করে আছে। আমাদের দেশে ব্যাপক সংখ্যক নির্বোধ মানুষ, বন্ধ্যা দম্পতি ও স্থুলদেহী জনগোষ্ঠীর পেছনে হাইপোথাইরয়েডিজম অন্যতম কারণ।


সাধারণ লক্ষণসমূহ
অবসাদগ্রস্ততা, ঘুম ঘুম ভাব।
ওজন বৃদ্ধি।
গলার স্বরের কোমলতা কমে যাওয়া এবং অনেকটা ভারী বা কর্কশ শোনানো।

হার্ট ও ফুসফুসের সমস্যা
হৃৎস্পন্দন কমে যাওয়া, উচ্চ রক্তচাপ, বুকে ব্যথা অনুভব করা অথবা হার্ট ফেইলর হতে পারে।
হৃদযন্ত্রের আবরণে অথবা ফুসফুসের আবরণে পানি জমা।

স্নায়ু ও মাংসপেশির সমস্যা
মাংসপেশিতে ব্যথা বা শক্ত চাপ অনুভব করা।
স্নায়ু ও মাংসপেশি নির্ভর রিফ্লেক্স কমে যাওয়া।
বিষণ্নতা ও মানসিক ব্যাধিতে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা।
মাংসপেশির টান কমে যাওয়া।

চর্ম বা ত্বকের সমস্যা
শুষ্ক, খসখসে ও ব্যাঙের ত্বকের মতো হয়ে যাওয়া।
ভিটিলিগো নামক এক ধরনের শে^তী রোগে আক্রান্ত হওয়া।
চর্মে মিক্সিডিমা নামক এক ধরনের রোগে আক্রান্ত হওয়া।

প্রজননতন্ত্রে সমস্যা
মাসিকের সময় বেশি রক্তপাত হওয়া।
বাচ্চা হওয়ার ক্ষমতা নষ্ট হওয়া।
প্রজননে অক্ষমতা।

পরিপাকতন্ত্রের সমস্যা
পায়খানা শক্ত হওয়া।
পেটে পানি জমতে পারে ।

হাইপোথাইরয়েডিজম হলে শিশুদের বেলায় অবর্ধনজনিত রোগ বা ক্রিটিনিজম হবে এবং উঠতি বয়স্কদের বা প্রাপ্তবয়স্কদের মিক্সিডিমা হয়। ক্রিটিনিজমের লক্ষণগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো মাংসপেশি ও হাড় এবং স্নায়ুতন্ত্রের সঠিক বর্ধন না হওয়া। ফলে শিশু বেটে হয়, বোকা বা বুদ্ধিহীন হয়ে থাকে। জিহ্বা বড় হবে ও মুখ থেকে বেরিয়ে আসে এবং নাভির হার্নিয়া হয়। হাইপোথাইরয়েডিজম হওয়ার উল্লেখযোগ্য কারণ হচ্ছে অটোইমিউন ধ্বংসপ্রাপ্ত, ওষুধ, টিএসএইচ স্বল্পতা, গর্ভাবস্থায় মায়ের থাইরয়েড হরমোন স্বল্পতা ইত্যাদি।

কম হরমোনের চিকিৎসা
রোগের ধরন অনুযায়ী চিকিৎসা পদ্ধতিও ভিন্ন। তবে অধিকাংশ রোগীই ভোগেন হাইপোথাইরয়েডিজম অর্থাৎ তাদের
থাইরয়েড গ্ল্যান্ড থেকে কম পরিমাণ থাইরয়েড হরমোন থাইরক্সিন নিঃসৃত হয়। এই ঘাটতি পূরণ করার জন্য ডাক্তাররা তাদের থাইরক্সিন ট্যাবলেট খাবার পরামর্শ দেন। প্রয়োজন অনুযায়ী রোগীকে ১০০ থেকে ২০০ মাইক্রোগ্রাম থাইরক্সিন দেওয়া হয়।

ওষুধ খাওয়ার নিয়ম
সারা জীবন ওষুধ খেতে হবে কি না তা রোগের ধরনের ওপর নির্ভরশীল। যার থাইরক্সিন ঘাটতি সামান্য, উপসর্গও কম তার সারা জীবন ওষুধ খাবার প্রশ্নই ওঠে না। ৬ মাস থোক ২ বছরেই সে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে যাবে। অনেক ওষুধ ছাড়াও সুস্থ হয়ে যান। কিন্তু যার একেবারেই থাইরক্সিন নিঃসরণ হয় না বা কোনো কারণে থাইরয়েড গ্ল্যান্ডটাকেই কেটে বাদ দিতে হয়েছে তাদের সারা জীবন ওষুধ না খেয়ে উপায় নেই।

ওষুধ খাওয়া হঠাৎ বন্ধ করা সম্পর্কিত বিষয়
ডাক্তারের পরামর্শে ওষুধ খাওয়া বন্ধ করা যেতে পারে। তবে নিজের ইচ্ছায় ওষুধ খাওয়া বন্ধ করলে অল্প দিনের মধ্যেই রোগটা ভয়ঙ্করভাবে ফিরে আসবে। জীবন সংশয় হতে পারে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

পেয়ারার যত উপকারিতা!

অনলাইন ডেস্ক

পেয়ারার যত উপকারিতা!

পেয়ারা

ওজন কমাতে পেয়ারার বিকল্প নেই। পেয়ারায় আছে প্রোটিন এবং প্রচুর পরিমাণে ফাইবার৷ এই দুই উপাদানই পরিপাক হতে অনেক সময় লাগে৷ ফলে অনেকক্ষণ পেট ভরা থাকে এবং সহজে ক্ষুধাও লাগে না। এছাড়া পেয়ারা খেলে আপনার দৈনিক ফাইবার-প্রয়োজনের ১২ শতাংশ পর্যন্ত সম্পূর্ণ হয়। ১০০ গ্রাম পেয়ারায় ক্যালোরির পরিমাণ মাত্র ৫২। তাই পেয়ারাকে বলা হয় ‘নেগেটিভ ক্যালরি ফুড’৷ তার থেকেও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, পেয়ারায় যে পরিমাণ ক্যালরি আছে, তার থেকে বেশি ক্যালরি ঝরিয়ে ফেলে এই ফল। তবে একটা বিষয় মনে রাখবেন যে, পাকা পেয়ারার চেয়ে কাঁচা পেয়ারা সবচেয়ে ‍উপকারী।  

পেয়ারার যতগুণ- 

১। পেটের বাড়তি মেদ ঝরিয়ে ফেলতে সাহায্য করে পেয়ারা।

২। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতেও পেয়ারা কার্যকর৷ পরিপাক ক্রিয়া সুস্থ হলে তার প্রভাব পড়ে ওজন নিয়ন্ত্রণেও৷

৩। পেয়ারায় থাকা রস ডায়াবেটিস চিকিৎসায় অনেক কার্যকর।

৪।  পেয়ারায় থাকা পটাশিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে।

আরও পড়ুন:


মাদারীপুরে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ‘প্রতিবন্ধী’ ভিক্ষুককে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ


৫। ক্যানসার কোষের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়তে পারে এই ফল। 

৬। ত্বকের যত্নেও পেয়ারা অনেক উপকারী। পেয়ারায় প্রচুর ভিটামিন সি, লাইকোপেন ও অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট আছে। ফলে আমাদের ত্বকের জন্য উপকারী।

news24bd.tv রিমু      

 

পরবর্তী খবর

বাদাম খেলেই কমবে ওজন

অনলাইন ডেস্ক

বাদাম খেলেই কমবে ওজন

গবেষকরা দেখেছেন, যাঁরা নিয়মিত কাঁচা বাদাম খেয়ে থাকেন, তাঁদের শরীরে নানা পুষ্টিকর উপাদান প্রবেশ করে। তার প্রভাবে কমে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। কাঁচা বাদামের পুষ্টিগুণ হাড়ের জোর বাড়ায়। পাশাপাশি, মস্তিষ্কের ক্ষমতা বাড়ায়, ক্যানসারের আশঙ্কাও দূরে রাখে। অনন্য সব পুষ্টিগুণ এবং শরীরিক উপকারিতার ক্ষেত্রে বাদামের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। এতে মজুত রয়েছে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন-ই, ফাইবার, সেলেনিয়াম, ভিটামিন-সি, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, অ্যামাইনো অ্যাসিড, পটাশিয়াম এবং ওমেগা-থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড এবং আরও কত কী। যা নানাভাবে শরীরের কাজে লেগে থাকে। বাদাম অত্যন্ত স্বাস্থ্যকর খাবার ঠিক আবার তাতেই নাকি প্রচুর ক্যালরি আর চর্বি। যদিও এই চর্বিকে বলা হয় স্বাস্থ্যকর চর্বি। ওজন নিয়ন্ত্রণ করার জন্য ক্যালরি ও চর্বি মেপে যারা খাদ্যাভ্যাস পরিচালনা করছেন তাদের কাছে এই স্বাস্থ্যকর বাদাম নিয়েও দ্বিধা তৈরি হয়। সেই দ্বিধা দূর হবে নতুন গবেষণার ফলাফল থেকে। 

বাদাম ওজন তো বাড়ায় না বরং ওজন কমানোর যে চেষ্টাগুলো আপনি করছেন, সেগুলোর কার্যকারিতা কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেয়। ওজনের ওপর বাদামের প্রভাব নিয়ে ৪ বছর ধরে ‘মেটা-অ্যানালাইসিস’ করেন কানাডার ইউনিভার্সিটি অফ টরোন্টো’র ‘নিউট্রিশনাল সায়েন্স’ বিভাগের ‘ডক্টরাল’ শিক্ষার্থী স্টেফানি নিশি। তার সঙ্গে ছিলেন ‘টেমার্থি ফ্যাকাল্টি অফ মেডিসিন’য়ের ‘নিউট্রিশনাল সায়েন্স অ্যান্ড মেডিসিন’য়ের সহ-অধ্যাপক জন সিভেনপাইপার।

মোট ১২১ টি গবেষণা পর্যালোচনা করা হয় এতে। যাতে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা প্রায় ৫ লাখ। ‘ওবেসিটি রিভিউস’ শীর্ষক সাময়িকীতে গবেষণাটি প্রকাশ পায়।

‘মেডিকেল এক্সপ্রেস’য়ের প্রতিবেদনে উঠে আসে, অনেক ধরনের বাদাম এই পর্যালোচনামূলক গবেষণার অন্তর্ভুক্ত ছিল। আর বিভিন্ন শারীরিক সমস্যার জর্জরিত অংশগ্রহণকারীদের ওপর সেই বাদামের উপকারী প্রভাবও খতিয়ে দেখা হয়।

আরও পড়ুন:

গণপরিবহনে শিক্ষার্থীদের হাফ ভাড়া কার্যকর

হাফ পাস শুধুমাত্র ঢাকায় কার্যকর হবে বললেন এনা


সংগ্রহীত তথ্যের মান যাচাই করার পর তা পর্যালোচনা শেষে নিশি বলেন, “গড় হিসেবে বাদাম এবং ওজন বৃদ্ধির মধ্যের কোনো যোগাযোগ খুঁজে পাওয়া যায়নি। বরং কিছু পর্যালোচনায় দেখা যায় বেশি করে বাদাম খাওয়ার কারণে ওজন কমেছে, কমেছে কোমরের বেড়।”

দুই গবেষকই জানিয়েছেন তারা নিয়মিত বাদাম খান। নিশি বলেন, “এই গবেষণার ফলাফল জানার পর আমি আরও বেশি বাদাম খাচ্ছি। শুধু তাই নয়, বাদাম বিভিন্নভাবে খাওয়া যায়। বিভিন্ন রান্নার পদেও ব্যবহার করা যায়। কিছু গবেষণা দাবি করে, প্রদাহের বিরুদ্ধেও উপকারী বাদাম।”

সিভেনপাইপার বলেন, ওজন বৃদ্ধির দিক থেকে বাদামের কোনো ক্ষতিকর প্রভাব নেই, আর সেটা অবশ্যই একটা ভালো ইঙ্গিত। আর ওজন কমানোর ক্ষেত্রে বাদামের ভূমিকা আছে এমন ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

আবার উদ্বেগজনক ভাবে বাড়ছে যৌনরোগ সিফিলিস সংক্রমণ

অনলাইন ডেস্ক

আবার উদ্বেগজনক ভাবে বাড়ছে যৌনরোগ সিফিলিস সংক্রমণ

প্রায় তিন দশক কিছুটা থমকে থাকার পর মারাত্মক যৌনরোগ সিফিলিস আবার ফিরে এসেছে। যে ব্যাক্টেরিয়ার জন্য এই যৌনরোগটি হয়, তার নতুন দু’টি বংশ (‘লাইনেজ’) প্রকোপ শুরু করেছে বিশ্বজুড়ে।

আনন্দবাজার সূত্রে জানা যায়, ৩৩টি দেশের সিফিলিস রোগীদের জিনোম পরীক্ষা করে এই উদ্বেগজনক খবর দিয়েছে একটি সাম্প্রতিক গবেষণা। গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান গবেষণা পত্রিকা ‘নেচার মাইক্রোবায়োলজি’-তে। গবেষণাটি যৌথ ভাবে চালিয়েছে ‘লন্ডন স্কুল অব হাইজিন অ্যান্ড ট্রপিক্যাল মেডিসিন (এলএসএইচটিএম)’, ‘ওয়েলকাম স্যাঙ্গার ইনস্টিটিউট’, ব্রিটেনের ‘হেল্থ সিকিওরিটি এজেন্সি’ এবং আরও কয়েকটি আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ সংস্থা।

গবেষকরা জানিয়েছেন, গত দুই দশকে অন্তত সিফিলিসের এত দ্রুত হারে সংক্রমণ ঘটতে দেখা যায়নি। তাই বিষয়টি খুবই উদ্বেগজনক। কারণ, সিফিলিস দুরারোগ্য না হলেও রোগীর শরীর থেকে এর উপসর্গগুলি কিছু দিনের মধ্যেইচলে যায়। অনেক সময় কোনও উপসর্গই দেখা যায় না। এতে রোগী বুঝতেই পারে না তিনি সিফিলিসে আক্রান্ত হয়েছেন। রোগ ধরা না পড়লে বা অনেক দেরিতে চিকিৎসকের কাছে গেলে সিফিলিস ভয়াবহ হয়ে ওঠে। তার থেকে নানা ধরনের জটিল রোগের জন্ম হয়।

সিফিলিস কি?

সিফিলিস একটি ব্যাক্টেরিয়াঘটিত রোগ। এই ব্যাক্টেরিয়ার নাম— ‘ট্রেপোনেমা প্যালিডাম’।

অনিয়ন্ত্রিত যৌন মিলন ও সিফিলিস আক্রান্ত কারো সঙ্গে যৌন মিলনে এই রোগ হয়ে থাকে। তবে সিফিলিস আক্রান্ত কারো রক্ত গ্রহণের মাধ্যমেও এই রোগ হয়। বিশ্বে প্রতি বছর গড়ে ৬০ লক্ষ মানুষ আক্রান্ত হন সিফিলিসে।

গবেষকরা আমেরিকা, পশ্চিম ইউরোপ, মধ্য এশিয়া, অস্ট্রেলিয়া ও আফ্রিকার যে ৩৩টি দেশের সিফিলিস রোগীর জিনোম পরীক্ষা করেছেন তার মধ্যে হালে ট্রেপোনেমা প্যালিডাম ব্যাক্টেরিয়ার দু'টি নতুন বংশের সংক্রমণের আধিক্যই বেশি চোখে পড়েছে। তাদের নাম— ‘এসএস১৪’ এবং ‘নাইকল্‌স’।

আরও পড়ুন:

ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশের বাধা

আজ আঘাত হানতে পারে ঘূর্ণিঝড় 'জাওয়াদ'

অন্যতম গবেষক ওয়েলকাম স্যাঙ্গার ইনস্টিটিউটের চিকিৎসক ম্যাথু বিল বলেছেন, এডস প্রকোপ বাড়ানো শুরু করার পর গত শতাব্দীর আট এবং নয়ের দশকে সিফিলিসের সংক্রমণ উল্লেখযোগ্য ভাবে কমে যায়। কিন্তু ২০১০ সাল থেকে সিফিলিস সংক্রমণের হার ৩০০ শতাংশ বেড়ে গেছে।

 news24bd.tv/এমি-জান্নাত  

পরবর্তী খবর

আমলকী যেসকল রোগের উপকার করে

অনলাইন ডেস্ক

আমলকী যেসকল রোগের উপকার করে

ইদানীং সুপার ফুড বলে একটা কথা চালু হয়েছে। যে ফল বা খাবারের গুণাগুণ সাধারণ ফলের তুলনায় অনেক বেশি, সেসব ফলেরই এমন তকমা মেলে। আমলকীর গুণাগুণের কথা বিবেচনা করলে একে সুপার ফুডের চেয়েও এগিয়ে রাখা যায়। আমলকি টক আর তেতো স্বাদের ভিটামিন সি সমৃদ্ধ একটি ফল। আমরা কম বেশি অনেকেই আমলকি পছন্দ করি। এর স্বাদ প্রথমে তিক্ত লাগলেও খাওয়া শেষে মুখে মিষ্টি ভাব আসে। আমলকি খেলে মুখে রুচি বাড়ে। স্কার্ভি বা দন্তরোগ সারাতে টাটকা আমলকির জুড়ি নেই। এছাড়া লিভার, জন্ডিস, পেটের পীড়া, সর্দি, কাশি ও রক্তহীনতার জন্যও খুবই উপকারী।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পুষ্টি ও খাদ্য বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের তথ্য অনুযায়ী, ১০০ গ্রাম আমলকীতে ভিটামিন সি আছে ৪৬৩ মিলিগ্রাম। আমলকীতে পেয়ারার তিন গুণ ও কাগজি লেবুর চেয়ে ১০ গুণ বেশি ভিটামিন সি রয়েছে। এ ছাড়া কমলার চেয়ে ১৫, আপেলের চেয়ে ১২০, আমের চেয়ে ২৪ ও কলার চেয়ে ৬০ গুণ বেশি ভিটামিন সি রয়েছে এতে।

আমলকিতে প্রচুর পরিমাণে এ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান রয়েছে। বিভিন্ন রোগব্যাধি দূর করা ছাড়াও রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা গড়ে তুলতেও আমলকি দারুণ সাহায্য করে। তাছাড়া আমলকির ভিটামিন সি প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে, যা শরীরের বিভিন্ন ক্ষতিকর মুক্ত মৌলগুলোর (ফ্রি রেডিকেল) প্রভাব থেকে রক্ষা করে। 

আমলকি যেসকল রোগের উপকার করে:
আমলকি একটি ফল যা আমাদের অনেক দিক দিয়ে উপকার করে। বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ ও অনেক সমস্যার সমাধান দেয়। আর তাই আমলকির গুনাগুন সম্পর্কে জানতে হবে।

১। অতিরিক্ত বমি বন্ধ করতে সাহাযয় করে।

২। আমলকি আমাদের রুচি বাড়ায়।

৩। হৃদযন্ত্র ও মস্তিষ্কের উপকার করে।

৪। আমলকি দাত, চুল ও ত্বক ভাল রাখতে কাজ করে।

৫। আমলকি কেন্দ্রিয় স্নায়ুতন্ত্রের কাজ করে।

৬। বহুমুত্র রোগে কার্যকরি।

আরও পড়ুন:

গণপরিবহনে শিক্ষার্থীদের হাফ ভাড়া কার্যকর

হাফ পাস শুধুমাত্র ঢাকায় কার্যকর হবে বললেন এনা


 

৭। চোখের সমস্যা যেমন চোখ উঠলে আমলকির রস দিলে চোখ উঠা ভালো হয়।

৮। চুল উঠা দূর করতে আমলকি অনেক কার্যকরি।

৯। আমলকি মাথায় খুশকি সমস্যা সমাধান করে।

১০। পেটের পিড়া সারাতে সাহায্য করে।

১১। সর্দি কাশি সারায়।

১২। রক্তহীনতার জন্য খুব উপকারী।

১৩। লিবার ও জন্ডিস রোগ সারাতে আমলকি অনেক উপকারী।

২০০৭ সালে ভারতের বিজ্ঞানী কে তারভাদি ও ভি আগতে এক গবেষণা প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, আমলকীতে প্রচুর ভিটামিন সি থাকলেও এর অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট গুণাগুণের পেছনে অন্য পুষ্টি উপাদানের ভূমিকাই বেশি। তাঁদের মতে অ্যান্টি-অক্সিডেন্টরূপে কার্যকারিতার পেছনে মূল ভূমিকা রাখে এলাজিটানিন নামক কিছু পদার্থ। এতে আরও আছে পানিক্যাফোলিন ও পলিফেনল। ফলে ডায়বেটিস, ক্যানসার, লিভারের রোগ ইত্যাদি সবই প্রতিরোধ করে এই ফল।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

যেভাবে সহজেই বানাবেন আপেলের রস

অনলাইন ডেস্ক

যেভাবে সহজেই বানাবেন আপেলের রস

ছবি: সংগৃহীত

সারা সকালের ক্লান্তি নিমেষে দূর হয়ে যেতে পারে একগ্লাস আপেলের রসে। এখন যদিও সারা বছর আপেল পাওয়া যায় বাজারে তবে শীতের সময়েই সবচেয়ে সুস্বাদু আপেলের খোঁজ পাওয়া যায়। গোটা আপেল যেমন যে কোনও সময়ে খিদে মিটিয়ে দিতে পারে, তেমনই শীতের সময়ে আপেলের স্যালাড, আপেল পাই, আপেলের হালুয়ার মতো নানা পদ উপভোগ করা যেতে পারে।

কোনও রকম যন্ত্রের সাহায্য ছাড়াই কিভাবে সহজেই আপেলের রস বানিয়ে ফেলতে পারবেন চলুন জেনে নেই। 

১। প্রথমেই আপেল ভাল করে ধুয়ে শুকনো কাপড় দিয়ে মুছে নিন।

২। হয়ে গেলে ফ্রিজার থেকে বার করে একটি পরিষ্কার পাত্রে রাখুন।

আরও পড়ুন:

এলপিজি: ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম কমেছে


৩। দু’-তিন ঘণ্টা রেখে দিন ডিফ্রস্ট করার জন্য। 

৪। বরফ গলে গেলে দেখবেন আপেল একদম নরম তুলতুলে হয়ে গিয়েছে। হাত দিয়েই চিপে সহজে রস বার করে নিতে পারবেন।

news24bd.tv রিমু   

পরবর্তী খবর