দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি মধ্যে খাতুনগঞ্জে নষ্ট হচ্ছে পেঁয়াজ

বাবু কামরুজ্জামান

অব্যবস্থাপনার কারণে চট্টগ্রামে মিয়ানমার থেকে আমদানি করা নষ্ট পেঁয়াজ যখন ফেলে দেয়া হচ্ছে ময়লার ভাগাড়ে। তখন ঢাকার বাজারে এখনো পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকা কেজি। 

রোববার (১৭ অক্টোবর) বাণিজ্য মন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, পেঁয়াজের দাম পাইকারি ও খুচরা বাজারে কোনভাবেই ১০ টাকার বেশি ব্যবধান হতে পারে না।এর ব্যত্যয় হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি। 

এদিকে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফসিসিআইও বলছে পেঁয়াজের দাম বাড়ার পেছনে বড় কারণ ছিল কোন একটি মহলের কারসাজি। 

দেশের সবচেয়ে বড় ভোগ্যপণ্যের বাজার খাতুনগঞ্জে মিয়ানমার থেকে আমদানি করা পেঁয়াজের অধিকাংশের ঠিকানা সিটি করপোরেশনের ময়লার ভাগাড়। সমুদ্রপথে বাংলাদেশে আসতে সময় বেশি লাগায় গরমে নষ্ট হওয়া এসব পেঁয়াজ অনেকে পানির দামে বিক্রি করলেও তার বেশিরভাগই নষ্ট হয়েছে।

চট্টগ্রামের বাজারে অব্যবস্থাপনার কারণে যখন পেঁয়াজ নষ্ট হচ্ছে তখন রাজধানীতে পেঁয়াজ কিনতে হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকা কেজি। ফলে দুর্ভোগে নিম্ন আয়ের মানুষ। রোববার ঢাকা চেম্বার আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে পেঁয়াজের লাগামহীন দাম নিয়ে বাণিজ্য মন্ত্রী বলেন, পাইকারি ও খুচরা বাজারের সাথে দামের ব্যবধান ১০ টাকার বেশি হতে পারে না কোনভাবেই।

আরও পড়ুন:


‘পবিত্র কোরআন অবমাননার’ ব্যাপারে সাংবাদিকদের প্রশ্নে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আমার পিছনে কোন রাজনৈতিক বংশের জোর ছিল না: মোদি

ক্যামেরার সামনেই বিরাট-আনুশকার কথা কাটাকাটি!

সরকারের মদদেই পূজা মণ্ডপে কোরআন অবমাননা: ফখরুল


এদিকে, রোববার, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মজুদ, আমদানি, সরবরাহ ও মূল্য পরিস্থিতি নিয়ে মতবিনিময় সভার আয়োজন করে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই।অনুষ্ঠানে এফবিসিসিআই সভাপতি মন্তব্য করেন কোন একটি মহলের কারসাজিতেই দাম বেড়েছে পেঁয়াজের।

তবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অনুরোধের পর পেঁয়াজ আমদানির ক্ষেত্রে বিদ্যমান পাঁচ শতাংশ শুল্কহার প্রত্যাহার করে নিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ; যা কার্যকর হচ্ছে রোববার থেকে। যদিও আমদানিতে শুল্ক কমানোর ঘোষণা দেওয়ার  সাথেই পেঁয়াজের দাম কেজিতে কমে আসে অন্তত ১০ টাকা।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়িয়েছে: বিশ্বব্যাংক

অনলাইন ডেস্ক

বাংলাদেশের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়িয়েছে: বিশ্বব্যাংক

অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেন হার্টউইগ শ্যেফার

বাংলাদেশের অর্থনীতি অন্যান্য অনেক দেশের তুলনায় ভালো করছে ও মহামারি করোনা মোকাবিলা করে তাদের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়িয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের ভাইস প্রেসিডেন্ট মি. হার্টউইগ শ্যেফার।

রোববার (৫ ডিসেম্বর) ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁ হোটেলে অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল ও বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের ভাইস প্রেসিডেন্ট মি.হার্টউইগ শ্যেফার বৈঠক করেন। বৈঠকে অংশ নিয়ে শ্যেফার এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, মহামারি করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) থেকে অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে বাংলাদেশ সাম্প্রতিক সময়ে অনেক সাফল্য দেখিয়েছে। যার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন অনেকে।

বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধিদলের মাঝে একটি দ্বিপাক্ষিক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের সদস্য হিসেবে অর্থমন্ত্রী, অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সচিব ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান, অর্থ বিভাগের সিনিয়র সচিব, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব আলোচনায় অংশ নেন।

আরও পড়ুন:


চট্টগ্রামেও হাফ ভাড়া নেওয়ার ঘোষণা

লকডাউন দেয়ার বিষয়ে যা জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী


অন্যদিকে বিশ্বব্যাংকের পক্ষে হার্টউইগ শ্যেফার, বাংলাদেশে বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি মিয়াং টেম্বন, বিশ্বব্যাংকের আঞ্চলিক পরিচালক (দক্ষিণ এশিয়া) যৌবিদা খেরুস আলাউয়া, সেশিলে ফ্রুমান, দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সংযুক্তি ও সহযোগিতা-বিষয়ক কর্মকর্তা আলোচনায় অংশ নেন।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

আজ থেকে ফের টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু

অনলাইন ডেস্ক

আজ থেকে ফের টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু

ফাইল ছবি

সাত দিন বিরতির পর আজ থেকে আবারো শুরু হচ্ছে ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) পণ্য বিক্রি। ভর্তুকিমূল্যে সয়াবিন তেল, চিনি, মসুর ডাল ও পেঁয়াজ বিক্রি করবে সরকারের এ সংস্থাটি। এটি হবে চলতি বছরের ষষ্ঠ কিস্তির পণ্য বিক্রি। 

এর আগে পঞ্চম কিস্তির পণ্য গত ২৮ নভেম্বর পর্যন্ত বিক্রি করা হয়েছিল। 

শনিবার (৪ ডিসেম্বর) টিসিবির দায়িত্বপ্রাপ্ত তথ্য কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবির এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, সারাদেশে সব মহানগরী, জেলা ও উপজেলায় ৪০০ থেকে ৪৫০ ট্রাকে এসব পণ্য বিক্রি করা হবে। প্রতি কেজি চিনি ৫৫ টাকা, মসুর ডাল ৬০ টাকা, আমদানিকৃত পেঁয়াজ ৩০ টাকা ও প্রতি লিটার সয়াবিন তেল ১১০ টাকা লিটার দরে বিক্রি করা হবে। তবে একজন ক্রেতা একসঙ্গে সর্বোচ্চ দুই কেজি চিনি, দুই কেজি ডাল, আড়াই কেজি পেঁয়াজ ও দুই লিটার সয়াবিন তেল কিনতে পারবেন।


আরও পড়ুন:

ক্ষেপলেন পাপন, বললেন এতো বাজে পারফরমেন্স ৮ বছরে দেখিনি

কুয়েটে শিক্ষকের মৃত্যু: ছাত্রলীগ নেতাসহ ৯ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

ইউপি নির্বাচনের পঞ্চম ধাপে নৌকা পেলেন যারা


বর্তমানে রাজধানীর খুচরা বাজারে প্রতি কেজি চিনি ৭৫ থেকে ৮০ টাকা, বড়দানা মসুর ডাল ৮৫ থেকে ৯০ টাকা, আমদানিকৃত পেঁয়াজ ৪০ থেকে ৪৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। আর প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৬০ টাকায়।  আগামী ২৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত এ বিক্রি কার্যক্রম চলবে। তবে সপ্তাহের শুক্রবার বন্ধ থাকবে। 

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

ফের টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু

অনলাইন ডেস্ক

ফের টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু

ফাইল ছবি

ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) পণ্য বিক্রি আগামীকাল রোববার থেকে ফের শুরু হচ্ছে । ভর্তুকিমূল্যে তেল, চিনি, ডার ও পেঁয়াজ এই চার পণ্য বিক্রি করবে সংস্থাটি। এটি হবে চলতি বছরের ষষ্ঠ কিস্তির পণ্য বিক্রি। 

এর আগে পঞ্চম কিস্তির পণ্য গত ২৮ নভেম্বর পর্যন্ত বিক্রি করা হয়েছিল। টিসিবির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানা যায়।

আরও পড়ুন:


নিউজিল্যান্ড সফরে টাইগারদের ১৮ সদস্যের দল ঘোষণা


আজ রাজধানীরপশ্চিম রামপুরা, মিরপুর ১১, মাজার রোড ১ম কলোনি, বাঁশবাড়ি মোহাম্মদপুর, যাত্রাবাড়ি, মালিবাগসহ মোট ৫৯ টি স্পটে পণ্য বিক্রি হবে।

এ ছাড়া ঢাকার আসপাশের উপজেলাসহ ঢাকা অঞ্চলের অধীনে মোট ৮১টি ট্রাক থাকবে। আগামী ২৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত শুক্রবার ছাড়া প্রতিদিন এই পরিমান ট্রাকের মাধ্যমে বিভিন্ন স্পটে পণ্য বিক্রি করা হবে বলে জানা যায়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যমূল্য স্থিতিশীল রাখতে ও করোনাকালে সাধারণ আয়ের জনগণের সহায়তায় রোববার থেকে আবারও সাশ্রয়ী মূল্যে ট্রাকে করে পণ্য বিক্রি করবে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। 

ট্রাকে প্রতি কেজি চিনি পাওয়া যাবে ৫৫ টাকায়, যা একজন ক্রেতা সর্বোচ্চ দুই কেজি কিনতে পারবেন। প্রতি কেজি মসুর ডাল পাওয়া যাবে ৫৬ টাকায়, যা একজন ক্রেতা সর্বোচ্চ দুই কেজি কিনতে পারবেন। 

এ ছাড়া সয়াবিন তেল ১১০ টাকা লিটারে একজন ক্রেতা সর্বোচ্চ দুই লিটার এবং পেঁয়াজ ৩০ টাকা দরে পাওয়া যাবে, যা একজন ক্রেতা সর্বোচ্চ ৫ কেজি কিনতে পারবেন। দেশব্যাপী প্রায় ৪০০ থেকে ৪৫০ জন ডিলারের ভ্রাম্যমাণ ট্রাকে এ বিক্রি কার্যক্রম চলবে।

জানা যায়, বাজারে নিত্যপণ্যের দাম অস্বাভাবিক ভাবে বাড়তে থাকায় টিসিবির পণ্যের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। প্রতিটি ট্রাকে ২০০ থেকে ২৫০ জনের জন্য পণ্য দেওয়া হলেও পণ্য নিতে প্রতিটি ট্রাকে কমপক্ষে ৫০০ জন মানুষ ভিড় করে। 

টিসিবি যে মানের সয়াবিন তেল বিক্রি করে বর্তমান বাজারে তার দাম প্রতিলিটার ১৬০ টাকা, চিনি ৭৫ থেকে ৭৮ টাকা, ডাল ৮৫ থেকে ৯০ টাকা ও পেঁয়াজ ৪৫ থেকে ৫০ টাকা কেজি। 

news24bd.tv/ কামরুল

পরবর্তী খবর

তবুও কৃষককে সারে গুণতে হচ্ছে দ্বিগুণ দাম

অনলাইন ডেস্ক

মাঠে কাজ করছেন কৃষক

সার সংকটে বিপাকে দেশের কৃষকেরা। কৃষকরা বলছেন, ১১শ টাকার টিএসপি সার তাদের কিনতে হচ্ছে ২২শ টাকা পর্যন্ত। এতে একদিকে যেমন উৎপাদন খরচ বাড়ছে, অন্যদিকে আর্থিক সংকটে ব্যাহত হচ্ছে উৎপাদন। 

সার বিক্রির সাথে সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকাই দাম বৃদ্ধির প্রধান কারণ। তবে কৃষি বিভাগ বলছে, সরবরাহে ঘাটতি কোনো কারণ নেই।

দেশে সারের কোনো সংকট নেই বলা হলেও কৃষককে সেই সার কিনতে হচ্ছে প্রায় দ্বিগুণ দামে। গুদামে পর্যাপ্ত মজুদ, ডিলারদের কাছেও আছে সার। তবুও কৃষককে গুণতে হচ্ছে দ্বিগুণ দাম।

শীতকালীন সবজি, আলু, ভুট্টা ও বোরো আবাদের এ সময়ে চট্টগ্রাম, রাজশাহী, রংপুর, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, ময়মনসিংহ, মানিকগঞ্জ, লক্ষ্মীপুরসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের কৃষককে সারের জন্য গুণতে হচ্ছে অতিরিক্ত টাকা।

আরও পড়ুন:


আফ্রিকার ৭ দেশ থেকে এলেই ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিন

দুই হাত হারানো ফাল্গুনীকে বিয়ে করলো এনজিও কর্মী সুব্রত

স্বাধীনতার ৫০ বছরে স্বাস্থ্যখাতে অভাবনীয় সাফল্য

ঢাকার যানজটেই শেষ জিডিপির প্রায় ৮৭ হাজার কোটি টাকা


খুচরা পর্যায়ে সারের দাম বেশি হতে পারে। ডিলার পর্যায়ে সারের অতিরিক্ত দাম নেয়া হচ্ছে না। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম।

কৃষির উৎপাদনে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হলে দ্রুত সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন প্রান্তিক কৃষকেরা।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

এবার আলেশা মার্টের কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা

অনলাইন ডেস্ক

এবার আলেশা মার্টের কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা

একের পর এক ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানে ধস। এবার নিজেদের অফিশিয়াল কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান আলেশা মার্ট। বুধবার (২ ডিসেম্বর) রাত ৩টায় প্রতিষ্ঠানটির ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।

আলেশা মার্টের ফেসবুকের ওই পোস্টে জানানো হয়, ‘অনাকাঙ্খিত ও নিরাপত্তাজনিত কারণবশত আলেশা মার্ট-এর সমস্ত অফিসিয়াল কার্যক্রম আজ থেকে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। গতকাল (১ ডিসেম্বর) আমাদের অফিসে কতিপয় লোক দ্বারা অফিস কর্মকর্তাদের গায়ে হাত তোলা এবং বল প্রয়োগের চেষ্টার কারণে আমরা এমন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হচ্ছি।’

আলেশা মার্টের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি

অবিশ্বাস্য সব অফার দিয়ে আলোচনায় আসে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান আলেশা মার্ট। আর তাদের অবিশ্বাস্য সব অফারের ফাঁদে পা দিয়ে বিপুল পরিমাণ টাকা বিনিয়োগ করেন গ্রাহকরা। বর্তমানে গ্রাহকরা তাদের কাছ থেকে বিনিয়োগের টাকা কিংবা পণ্য পাচ্ছেন না। গ্রাহকদের দেওয়া চেকও ফেরত আসছে ব্যাংক থেকে। ফলে বাড়ছে বিনিয়োগকারীদের দুশ্চিন্তা।

২০২১ সালের ১ জানুয়ারি কার্যক্রম শুরু করে আলেশা মার্ট। পণ্য দেওয়ার নাম করে তারা সংগ্রহ করেছে গ্রাহকের কোটি কোটি টাকা। পরে অনেক গ্রাহককে পণ্য বুঝিয়ে দেয়নি বলে অভিযোগ ওঠে।

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে আলেশা মার্টে ক্যাশ অন ডেলিভারি (সিওডি) বা পণ্য হাতে পাওয়ার পর পেমেন্ট পদ্ধতি নেই। ফলে সেখানে পণ্য কিনতে হলে অবশ্যই আগে থেকে অনলাইনে পেমেন্ট দিতে হবে। পেমেন্টের কয়েক মাস পর পণ্যের ব্যাপারে গ্রাহকদের আশ্বাস দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন


মজা করে গোপনাঙ্গে লাথি, ঘটনাস্থলেই বন্ধুর মৃত্যু

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর