শেরপুরে গোপন বৈঠককালে ১৭ জামায়াত নেতা-কর্মী আটক

শেরপুর প্রতিনিধি:

শেরপুরে গোপন বৈঠককালে ১৭ জামায়াত নেতা-কর্মী আটক

শেরপুরে রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র ও গোপন বৈঠককালে ১৭ জামায়াত নেতা-কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। আজ সোমবার (১৮ অক্টোবর) বিকেলে জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) এর তথ্যের ভিত্তিতে শহরের নারায়ণপুর বাগবাড়ীস্থ ‘দারুস শিফা’ নামে একটি বেসরকারি হাসপাতালে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। 

আটককৃতরা হচ্ছেন, যুদ্ধাপরাধের দায়ে ফাঁসি কার্যকর হওয়া জামায়াতের শীর্ষ নেতা কামারুজ্জামানের কথিত ড্রাইভার সদর উপজেলার গাজীর খামার এলাকার মো. ছোটন (৫০), জামায়াত নেতা আব্দুর রউফ (৪৮) ও গোলাম কিবরিয়া (৩৬), শেরপুর শহরের বাগরাকসা মহল্লার রফিকুল ইসলাম (৪০), সজবরখিলা মহল্লার সামস উদ্দিন (৬০), আনিসুর রহমান (৫০) ও শফিকুল ইসলাম (৫২), কান্দাপাড়া মহল্লার বুলবুল আহম্মেদ (৫৫), দিঘারপাড় মহল্লার আব্দুল মোনাফ খান (৪৮), ঝিনাইগাতী উপজেলার আব্দুল বারীর ছেলে আব্দুর রউফ (৪০), সদর উপজেলার চরপক্ষীমারী ইউনিয়নের জঙ্গলদী গ্রামের গোলাম মোস্তফা (৫৪)সহ আরও ৬ জন। 

তবে আটককৃতদের দাবি, তারা ওই হাসপাতাল পরিচালনার সাথে জড়িত। সেখানে রাষ্ট্র বা সরকার বিরোধী কোন গোপন বৈঠক ছিল না।

আরও পড়ুন

প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় কলেজছাত্রকে অপহরণ করে বিয়ে করলো তরুণী!

শরীরের ইমিউনিটির উপর বিশ্বাসী অভিনেত্রী করোনায় আক্রান্ত

অনিয়ন্ত্রিত পতিতাবৃত্তি বন্ধ করতে চান স্পেনের প্রধানমন্ত্রী

অবরোধ তুলে নিলো ঢাবি শিক্ষার্থীরা


জানা যায়, শহরের দারুস শিফা প্রাইভেট হাসপাতালের একটি কক্ষে শেরপুর অঞ্চলের জামায়াত নেতা-কর্মীরা রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র ও সাম্প্রতিক কুমিল্লার গুজব ইস্যু নিয়ে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গাসহ রাজনৈতিক অস্থিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির লক্ষ্যে গোপন বৈঠকে মিলিত হয়েছেন- এনএসআই'র এমন তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার বিকাল সাড়ে ৩ টার দিকে গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ওই হাসপাতালে অভিযান চালায় সাদা পোশাকদারী পুলিশ। 

এ সময় বৈঠকে থাকা ১৭ নেতা-কর্মীকে হাতেনাতে আটক করা হয় এবং তাদের হেফাজত থেকে ২৩ টি মোবাইলসহ কিছু আলামত জব্দ করা হয়।

এ ব্যাপারে অভিযানে অংশ নেওয়া শেরপুর সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) বন্দে আলী জানান, এনএসআই'র গোপন সূত্রে সংবাদের ভিত্তিতে একটি প্রাইভেট হাসপাতাল থেকে কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। তারা কি উদ্দেশ্যে সেখানে সমবেত হয়েছিলেন-তা নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদসহ তদন্ত চলছে। সে রকম কিছু পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

পরবর্তী খবর

চাঁদাবাজি মামলায়

খুলনায় তিন পুলিশ সদস্যসহ পাঁচ জনের কারাদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক, খুলনা

খুলনায় তিন পুলিশ সদস্যসহ পাঁচ জনের কারাদণ্ড

প্রতীকী ছবি

খুলনার চাঁদাবাজি মামলায় তিন পুলিশ সদস্যসহ পাঁচজনকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ১২ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার খুলনার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক এস এম আশিকুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। এ সময় দুই পুলিশ সদস্য পলাতক ছিলেন।

সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন-কনস্টেবল মেসবাহ উদ্দিন, কনস্টেবল মো ফরহাদ আহমেদ, কনস্টেবল মোস্তাফিজুর রহমান, আরমান শিকদার জনি ও বায়েজিত। 

এর মধ্যে মেসবাহ উদ্দিন ও মোস্তাফিজুর রহমান পলাতক রয়েছেন। এ পুলিশ কনস্টেবলরা খুলনা পুলিশ লাইনে কর্মরত ছিলেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী কাজী সাব্বির আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

জানা যায়, ২০১৪ সালে ১২ ডিসেম্বর আসামিরা সাদা পোষাকে দৌলতপুর বিএল কলেজের দ্বিতীয় গেটের সামনে শাহরিয়ার রিন্টু ও আবু ইছহাক নামে দুই যুবককে পুলিশ পরিচয়ে মামলার ভয় দিয়ে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। 

দাবিকৃত টাকা না দিলে তাদেরকে গ্রেপ্তারের হুমকি দেওয়া হয়। দর কষাকষির একপর্যায়ে ৩০ হাজার টাকার বিনিময়ে তাদের ছেড়ে দেয়া হবে বলে জানানো হয়। 

আরও পড়ুন


এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু আজ

প্রকাশ্যে কাউন্সিলর হত্যা: এবার ‘বন্দুকযুদ্ধে’ প্রধান আসামি নিহত


এদিকে ঘটনাটি দৌলতপুর থানাকে জানালে পুলিশ সেখানে অভিযান চালিয়ে ভিকটিমদের উদ্ধারসহ আসামীদের গ্রেপ্তার করে।

চাঁদাবাজির অভিযোগে দৌলতপুর থানার এসআই কাজী বাবুল হোসেন বাদী হয়ে তিনজন পুলিশ সদস্য ও তাদের সহযোগী দু’জনকে আসামি করে থানায় মামলা দয়ের করেন, মামলা নং ১১। 

২০১৫ সালের ১৯ মার্চ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. বাবলু খান তাদেরকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

news24bd.tv/ কামরুল 

পরবর্তী খবর

৯ জনের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড

ছাতকের তেরা মিয়া হত্যা মামলায় একজনের যাবজ্জীবন

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:

ছাতকের তেরা মিয়া হত্যা মামলায় একজনের যাবজ্জীবন

প্রতীকী ছবি

সুনামগঞ্জের ছাতকের আলোচিত তেরা মিয়া হত্যা মামলায় একজনের যাবজ্জীবন ও ৯ জনের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত।

বৃহস্পতিবার দুপুরে এই রায় প্রদান করেন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মহিউদ্দিন মুরাদ।

রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের অতিরিক্ত পিপি অ্যাড.গোলাম মোস্তফা। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত ৫ আসামি উপস্থিত ছিলেন। অন্য ৪ জন আসামি পলাতক আছেন।

আরও পড়ুন


এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু আজ

প্রকাশ্যে কাউন্সিলর হত্যা: এবার ‘বন্দুকযুদ্ধে’ প্রধান আসামি নিহত


আদালত ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৯ সালে ছাতকের বলারপীরপুর সড়কের তেতইখালে একটি সেতু নির্মাণ নিয়ে বলারপীরপুর গ্রামের বাসিন্দা কালারুখা ইউনিয়নের তৎকালীন চেয়ারম্যান আরজু মিয়া ও তার নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বি গন্ধর্বপুর গ্রামের আব্দুল হাই আজাদ মিয়ার মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছিল।

এর জের ধরে ১৯৯৯ সালের ২২ নভেম্বর সকালে দুইপক্ষের লোকজনের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে আরজু মিয়ার পক্ষের অন্তত ১৬ জন গুলিবিদ্ধ হয়। আহত সবাইকে দুপুরে সিলেটের এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

চিকিৎসাধীন অবস্থায় আহত তেরা মিয়া হাসপাতালে মারা যান। ঘটনার দুইদিন পর ২৪ নভেম্বর গন্ধর্বপুর গ্রামের ২৮ জনকে আসামি করে ছাতক থানায় মামলা দায়ের করেন নিহতের ভাতিজা সিরাজুল ইসলাম। তদন্ত শেষে পুলিশ ২০০০ সালের ২১ এপ্রিল ৪৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। 

এরমধ্যে ৮ জন মৃত্যুবরণ করেন। দীর্ঘ শুনানী শেষে আজ বৃহস্পতিবার অন্য ৯ জনের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেন আদালত। এছাড়া ৩১ আসামি খালাস দেওয়া হয়।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন, এপিপি গোলাম মোস্তফা। আসামি পক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাড.সালেহ আহমদ ও অ্যাড.রবিউল লেইস রোকেস।

news24bd.tv/ কামরুল 

পরবর্তী খবর

নারী পুলিশের সঙ্গে অন্তরঙ্গ অবস্থায় ধরা পড়া সেই ইন্সপেক্টর ক্লোজড

সৈয়দ রাসেল, সিলেট

নারী পুলিশের সঙ্গে অন্তরঙ্গ অবস্থায় ধরা পড়া সেই ইন্সপেক্টর ক্লোজড

ক্লোজড ইন্সপেক্টর প্রদিপ কুমার দাস

সিলেটে আদালতপাড়ায় নিজ কক্ষে ছুটিতে থাকা এক নারী কনস্টেবলের সাথে আপত্তিকর অবস্থায় হাতে নাতে ধরা পড়া সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের কোর্ট ইন্সপেক্টর প্রদিপ কুমার দাসকে ক্লোজড করা হয়েছে।

বুধবার (০১ ডিসেম্বর) রাত পৌনে ৯টার দিকে ইন্সপেক্টর প্রদিপ কুমার দাসকে ক্লোজড করে পুলিশ লাইনে প্রেরণ করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. নিশারুল আরিফ।

পুলিশ কমিশনার জানান, রাত পৌনে ৯টার দিকে কোর্ট ইন্সপেক্টরের কক্ষের দরজা খোলা এবং ভেতরে আলো নেভানো দেখে অন্য পুলিশ সদস্যরা সেই কক্ষে ডুকে আলো জ্বালালে ছুটিতে থাকা এক নারী কনস্টেবল ও প্রদীপ দাসকে আপত্তিকর অবস্থায় পাওয়া যায়। পরবর্তীতে তারা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিত করলে আদালতের দায়িত্বশীল সহকারী পুলিশ কমিশনার তদন্তে গিয়ে এর সত্যতা পান। তাঁর তদন্তের প্রেক্ষিতে ইন্সপেক্টর প্রদিপ কুমার দাসকে ক্লোজড করে পুলিশ লাইনে প্রেরণ করা হয়েছে।

এছাড়া অভিযুক্ত ওই নারী কনস্টেবলের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধেও বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আরও পড়ুন


সাজেক নিয়ে কাজ করাদের জন্য ভয়ংকর এক রাত

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

নগরকান্দায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস খাদে, চালক নিহত

অনলাইন ডেস্ক

নগরকান্দায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস খাদে, চালক নিহত

খাদে পড়ে যাওয়া বাস

ফরিদপুরের নগরকান্দার বাঙালকান্দা এলাকায় যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে চালক নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২ ডিসেম্বর) দুপুরে নগরকান্দার ডাঙ্গী ইউনিয়নের বাঙালকান্দা এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার সার্জেন্ট সুমন হোসেন। 

নিহত বাস চালক বরগুনার তালতলী উপজেলার নলবুনিয়া গ্রামের ফজলুল হকের ছেলে সুমন হোসেন (৩৪)।

জানা গেছে, ইসলাম পরিবহনে একটি বাস বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা থেকে বরিশাল যাওয়ার পথে এ দুর্ঘটনায় পড়ে। দুর্ঘটনার পর নগরকান্দা ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে এসে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে।

ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন মাস্টার শফিকুল ইসলাম বলেন, সকালে বাসের চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। এ কারণে বাসটি মহাসড়কের বা দিকে সড়কের পাশে পানি-ভর্তি খাদে পড়ে যায়। বাসের মোট ১০ জনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার সার্জেন্ট সুমন হোসেন জানান, আহতদের মধ্যে ওই বাসের চালক সুমন হোসেনকে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে মারা যান। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

আরও পড়ুন


আবারও বন্ধ হতে পারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান: শিক্ষামন্ত্রী

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

বিয়ে বাড়িতে আসতে পারেনি বর, বাল্যবিবাহ পণ্ড

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

বিয়ে বাড়িতে আসতে পারেনি বর, বাল্যবিবাহ পণ্ড

বাল্যবিবাহ পণ্ড

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে এক কিশোরীর বাল্যবিবাহ পণ্ড হয়ে গেছে। 

বৃহস্পতিবার (২ ডিসেম্বর) সকালে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.জিয়াউল হক মীর। 

এর আগে গতকাল বুধবার (১ ডিসেম্বর) দুপুরের দিকে উপজেরার চরহাজারী ইউনিয়নের ২নম্বর ওয়ার্ডের একটি বিয়ে বাড়িতে অভিযান চালায় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)ও নির্বাহী ম্যজিস্ট্রেট ছামিউল ইসলাম।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, বুধবার দুপুরে চরহাজারী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে একটি বাল্য বিয়ের আয়োজন করার খবর পেয়ে দ্রুত সহকারী কমিশনার (ভূমি) ছামিউল ইসলামকে পুলিশ ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে কন্যার মা-বাবাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা প্রথমে কন্যার বয়স ১৮ বছর দাবি করে। মেয়ের বয়স প্রমাণে তার জন্মসনদ দেখতে চাইলে তারা জন্মসনদের একটি ফটোকপি দেখায়। পরবর্তীতে সেটি ভুয়া প্রমাণিত হয়।

ইউএনও মো.জিয়াউল হক মীর আরও বলেন, তাদের দেখানো জন্ম সনদটির সত্যতা যাচাইয়ে চর হাজারী ইউনিয়ন পরিষদে যোগাযোগ করলে জানা যায় ইউনিয়ন পরিষদের রেজিস্ট্রারের রেকর্ড অনুযায়ী মেয়ের বয়স ১৫ বছর ৪ মাস ২৫ দিন। 

এরপর মেয়েকে বাল্যবিবাহ দিচ্ছেন বলে স্বীকার করায় ভ্রাম্যমাণ আদালত তাৎক্ষণিক কনের বাবাহে বাল্যবিবাহ নিরোধ আইনে তাকে ৩ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করে। একই সাথে বরপক্ষকে ফোন করে বাল্য বিয়েতে আসতে বারণ করা হয়। পরে কনের মা ১৮ বছর আগে তার মেয়েকে বিয়ে দেবে না মর্মে মুচলেকা দিয়ে ছাড়া পান। এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনায় সহযোগিতা করেন কোম্পানীগঞ্জ থানার পুলিশ।

আরও পড়ুন


এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু আজ

প্রকাশ্যে কাউন্সিলর হত্যা: এবার ‘বন্দুকযুদ্ধে’ প্রধান আসামি নিহত


news24bd.tv/ কামরুল 

পরবর্তী খবর