‘সংখ্যালঘু’ শব্দটি থাকা উচিত না

বিদ্যা সিনহা মিম

‘সংখ্যালঘু’ শব্দটি থাকা উচিত না

সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে সংখ্যালঘুদের ওপর ঘটে যাওয়া হামলার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন মডেল ও অভিনেত্রী বিদ্যা সিনহা মিম।

মঙ্গলবার (১৯ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে স্ট্যাটাসটি দেন তিনি।

ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় এই চিত্রনায়িকা লিখেছেন, কোন ধর্মই কখনো প্রতিহিংসা শেখায় না। তাই ধর্মীয় বিশ্বাসের নামে সকল সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করছি।

তিনি আরও লিখেছেন, ‘আরও একটা কথা, দেশটা যদি আমাদের সকলেরই হয়, তাহলে এখানে "সংখ্যালঘু" বলে কোন শব্দ থাকা উচিত না। আর যদি সংখ্যাতেই কথা বলতে হয়, তাহলে পৃথিবীতে শুধুমাত্র ভালো মানুষেরাই "সংখ্যাগরিষ্ঠ" হোক।’

লেখাটি অভিনেত্রী বিদ্যা সিনহা মিম-এর ফেসবুক থেকে নেওয়া (সোশ্যাল মিডিয়া বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

জীবনকে অর্থপূর্ণ করে যেতে পারি অনেকেই

তসলিমা নাসরিন

জীবনকে অর্থপূর্ণ করে যেতে পারি অনেকেই

আমরা খুব অল্প সময়ের জন্য পৃথিবীতে আসি। গ্রহ নক্ষত্রের মতো আয়ু আমাদের নেই।   বোধ বুদ্ধি অভিজ্ঞতা ইত্যাদি বাড়তে থাকে, এমন সময়ই আমাদের মৃত্যুর সময় হয়ে যায়। কেউ আগে যায়, কেউ পরে যায়, কিন্তু যায়। আমাদের বেঁচে থাকার সময়ে বেশ কিছু মুহূর্ত পাই আমরা। জীবনের সম্পদ সেই মুহূর্তগুলো। জীবনকে অর্থপূর্ণ করে যেতে পারি অনেকেই। 

যার যার নিজের মতো করে অর্থপূর্ণ। আমি কিছু বই লিখেছি, যে বইগুলো, কিছু ঘটনার মধ্য দিয়ে আমি গিয়েছি, যে ঘটনাগুলো -- আমার জীবনের মুহূর্ত বা সম্পদ। 

সবই কালের স্রোতে ভেসে যায়, কিন্তু যতদিন মস্তিষ্ক সতেজ, ততদিন সেই মস্তিষ্ক সুখ দিয়ে যায়, জীবনকে অর্থপূর্ণ করার সুখ।

লেখাটি তসলিমা নাসরিনের ফেসবুক থেকে নেওয়া (মত ভিন্নমত বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

অনলাইনে ঘৃণা ছড়ানোয় বিরক্ত কানাডীয়ানরা

শওগাত আলী সাগর

অনলাইনে ঘৃণা ছড়ানোয় বিরক্ত কানাডীয়ানরা

অনলাইনে ঘৃণা ছড়ানো নিয়ে কানাডীয়ানরা একেবারেই ত্যক্ত বিরক্ত। সিংহভাগ নাগরিক চান পার্লামেন্ট এ ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করবে এবং পদক্ষেপ নেবে। পুরো কানাডায় পরিচালিত এক জাতীয় জরীপে নাগরিকদের এই মনোভাব প্রকাশ পেয়েছে।

ক্ষমতাসীন লিবারেল পার্টি ’ডিজিটাল সন্ত্রাস’ বন্ধে ফেসবুক, ইউটিউবসহ সামাজিক যোগোযোগ মাধ্যমের উপর সরকারের নিয়ন্ত্রণ বাড়ানোর লক্ষে আইনি কাঠামো তৈরির প্রক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছেন। এই সংক্রান্ত একটি বিল হাউজ অব কমন্সে রয়েছে বর্তমানে।

লিবারেল সরকার মনে করে, সমাজে কেউ হয়রানির শিকার হলে, সন্ত্রাসের শিকার হলে পুলিশের শ্মরণাপন্ন হতে পারেন, ভার্চুয়াল জগতে কেউ হয়রানি, সন্ত্রাসের শিকার হলে পুলিশের সেখানে হস্তক্ষেপ করার, প্রতিরক্ষা দেয়ার অধিকার থাকা দরকার।

আরও পড়ুন:

পৃথিবীর নতুন প্রজাতন্ত্র হিসেবে পরিচিতি পেলো বার্বাডোজ

তানজানিয়ায় বিষাক্ত কচ্ছপের মাংস খেয়ে ৭ জনের মৃত্যু

নতুন এই জনমত জরীপে প্রতি পাঁচজনের চারজনই অনলাইন ঘৃণা বন্ধে  পার্লামেন্টের হস্তক্ষেপ এবং পদক্ষেপের পক্ষে মত দিয়েছেন।

লেখাটি শওগাত আলী সাগর-এর ফেসবুক থেকে সংগৃহীত ( লেখাটির আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

 news24bd.tv/এমি-জান্নাত   

পরবর্তী খবর

এর চেয়ে অদ্ভুত, উদ্ভট, আত্মঘাতী কী হতে পারে ?

রাউফুল আলম

এর চেয়ে অদ্ভুত, উদ্ভট, আত্মঘাতী কী হতে পারে ?

রাউফুল আলম

টুইটারের নতুন সিইও হিসেবে একজন সিইও নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এটা মোটেও অবাক হওয়ার বিষয় না। গুগল, আইবিএম, মাইক্রোসফট সহ বহু প্রতিষ্ঠানের সিইও এখন ভারতীয়। আমি বহুবার লিখেছি, ভারতের ছেলে-মেয়েরা আমেরিকার দুইটা সেক্টর দখল করে নিয়েছে।

একটা হলো ট‍্যাক ইন্ডাস্ট্রি অন‍্যটা হলো ডাক্তারি পেশা। এছাড়া বহু বায়োট‍্যাক, ফার্মা প্রতিষ্ঠানের সিইও আছে ভারতীয়।

তাহলে ভারত কেন এতো এতো বিশ্বমানের তরুণ তৈরি করতে পারছে? —কারণ, শিক্ষায় ওরা পরিবর্তন এনেছে। গবেষণায় টাকা ঢালছে। ভারতে আইআইটিগুলো বিশ্বমানের তরুণ তৈরির কারখানায় পরিণত হয়েছে। ভারতের আইআইটিতে যে মানের গবেষণা হয় তার ধারে কাছে নেই বাংলাদেশের বুয়েট এবং ঢাকা বিশ্ববিদ‍্যালয়ের মতো প্রতিষ্ঠান। ২০২১ সালে এসে বুয়েট, ঢাবি’র মতো প্রতিষ্ঠানে পিএইচডি ছাড়া শিক্ষক হওয়া যায়। —এর চেয়ে অদ্ভুত, উদ্ভট, আত্মঘাতী ও আশ্চর্যতম বিষয় একটা দেশের উচ্চশিক্ষার জন‍্য কি হতে পারে, আমি জানি না।

আরও পড়ুন: 

জাতীয় অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম না ফেরার দেশে

আপাতত আমাদের তরুণরা ভারতীয় সিইও দের নাম লিস্ট করবে। তারপর চাকরির ইন্টারভিউর জন‍্য মুখস্থ করবে। আর একদল তরুণকে দেশ রক্ষার জন‍্য রাজনীতিতে নামিয়ে মাথার খুলি ভেঙ্গে দেওয়া হবে।

গুড লাক বাংলাদেশ!

news24bd.tv/ তৌহিদ

পরবর্তী খবর

সোভিয়েত জামানার সরকারি ছবিগুলোর সবগুলোই রিটাচ করা

শান্তা আনোয়ার

সোভিয়েত জামানার সরকারি ছবিগুলোর সবগুলোই রিটাচ করা

ভ্লাদিমির দুরভ নামের একজন এনিম্যাল ট্রেইনারের ছবি

ফটোশপ ওয়ান যখন রিলিজ হয় তখন সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন হচ্ছে। কিন্তু তার অনেক আগে থেকেই সোভিয়েত ইউনিয়নে ফটোগ্রাফির উপরে কাজ করে সেটাকে পরিবর্তিত করার কৌশল প্রয়োগ করতো। সোভিয়েত জামানার সরকারি ছবিগুলোর সবগুলো রিটাচ করা। 

আগেকার দিনের সোভিয়েত ম্যাগাজিন বাসায় থাকলে দেখতে পারেন, ছাপা ছবির ধরণই খুব আলাদা ছিলো। এই ছবিটা দেখুন ভ্লাদিমির দুরভ নামের একজন এনিম্যাল ট্রেইনারের ছবি। বানরের মুখ আর চুলের দাগ গুলো দেখুন। খুব সূক্ষ্ম চাকু বা সুচ দিয়ে নিখুঁতভাবে নেগেটিভের উপরে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে কালো দাগ তুলে ফেলা হয়েছে।

যেখানে দাগ দেয়ার দরকার নেই সেইখানে ইমালশন দিয়ে ব্রাশ দিয়ে এঁকে দেয়া হতো। লেনিনের ছবি থেকে ট্রটস্কি কে মুছে ফেলা বা স্ট্যালিনের ছবি থেকে সিক্রেট পুলিশের চিফ নিকোলি ইয়েজভের মুছে ফেলার ইতিহাস আমরা জানিই।

তবে, সবচেয়ে বেশী কষ্ট করতে হতো স্ট্যালিনের ছবি নিয়ে। তার মুখে অসংখ্য ব্রণের দাগ ছিলো। সেগুলো সরিয়ে নিখুঁত মাখনের মতো চামড়ার ছবি বানানো সহজ কাজ ছিলোনা। আর তার ছিল বিখ্যাত পাকানো গোঁফ। সেই গোঁফের ছবি এতো নিখুঁত আসতো রিটাচের গুণে।

আরও পড়ুন:


তাইজুল ম্যাজিকে লিড পেলো বাংলাদেশ

হেফাজত মহাসচিব মাওলানা নুরুল ইসলাম আইসিইউতে

অন্তঃসত্ত্বা নারীকে হত্যা করে পেট চিরে বাচ্চা চুরি!


স্ট্যালিনের গোঁফ ছবিতে যেমন দেখা যায় তেমন নিখুঁতভাবে পাকানো থাকতো না কখনোই। গর্বাচভের মাথায় একটা জন্ম দাগ ছিলো। টাক থাকায় সেটা ভালোভাবে বোঝা যেতো। কিন্তু গর্বাচেভ যখন মাত্র ক্ষমতায় এলো তখন যেই অফিসিয়াল ছবি রিলিজ করা হয়েছিলো। সেখানে মাথার সেই জন্মদাগকেও রিটাচ করে মুছে ফেলা হয়েছিলো।

লেখাটি শান্তা আনোয়ার-এর ফেসবুক থেকে সংগৃহীত ( লেখাটির আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

মৃত্যুর পরেও অভিনয় করে যান অভিনেতা রীড

অনলাইন ডেস্ক

মৃত্যুর পরেও অভিনয় করে যান অভিনেতা রীড

অলিভার রিড, একজন নন্দিত হলিউড অভিনেতা ছিলেন। গ্লাডিয়েটর সিনেমায় প্রক্সিমো চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। ৬১ বছর বয়সে মারা যান এই নন্দিত অভিনেতা গ্লাডিয়েটর সিনেমাটা করতে করতেই।

অলিভার রিড

তিনি প্রচুর মদ খেতেন। সিনেমার শ্যুটিং এর মাঝে কয়েকদিনের গ্যাপ ছিলো। শ্যুটিং চলছিলো মাল্টায়। তিনি এক স্থানীয় পাবে যান। সেইখানে এসেছিলো বৃটিশ নেভির কিছু তরুণ অফিসার। তাদের সাথে মদ খাওয়ার কম্পিটিশনে নামেন রীড। জিতেও যান সবাইকে হারিয়ে।

আরও পড়ুন

বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো জায়গা করে নিলো দেশের মেয়েরা

করোনার নতুন ধরনের নাম ওমিক্রন

বেগম জিয়ার জন্য আলাদা আইন করার সুযোগ নেই: হানিফ 

সবার মদের বিল দেন প্রায় ৬০০ ডলার। বিয়ান, কনিয়াক, হুইস্কি মিলে কয়েক বোতল খেয়েছিলেন তিনি। এরপরেই হঠাৎ করে মাথা ঘুরে পরে যান। হাসপাতালে নেবার পরেই মৃত্যু হয় হার্ট অ্যাটাকে। সিনেমার তার চরিত্রের সব শ্যুটিং শেষ হয়নি তখনো। 

কিছু জায়গায় তার ডামি ব্যবহার করা হয়, পরে কম্পিউটার গ্রাফিক্স করে রীডের মুখ বসিয়ে দেয়া হয়। মৃত্যুর পরেও অভিনয় করে যান অভিনেতা রীড।

 news24bd.tv/এমি-জান্নাত  

পরবর্তী খবর