‘ডু অর ডাই’ ম্যাচে সাকিব-মুস্তাফিজের কার্যকর বোলিংয়ে স্বস্তির জয়

অনলাইন ডেস্ক

‘ডু অর ডাই’ ম্যাচে সাকিব-মুস্তাফিজের কার্যকর বোলিংয়ে স্বস্তির জয়

ওমানের বিপক্ষে ২৬ রানের জয়ে খাদের কিনার থেকে ফিরে এসে টিকে থাকল বিশ্বকাপে। ‘সুপার টুয়েলভ’ পর্বে যাওয়ার সম্ভাবনার রেখাও রাতের আল আমরাত স্টেডিয়ামের ৩২০০ লাক্স আলোর চেয়েও উজ্জ্বল করে রাখল।

অথচ বাজে ফিল্ডিংয়ে ওমানের সঙ্গে কম পাল্লা দেয়নি তাঁরাও। স্বাগতিকদের তিন-তিনটি ক্যাচ ফেলার বিপরীতে বাংলাদেশের ক্যাচ ফেলা হতে পারত স্বপ্নভঙ্গের কারণও। মুস্তাফিজুর রহমানের বলে যেমন ১৪ রানে থাকা যতিন্দার সিংয়ের সহজ ক্যাচ ফেলেন মাহমুদ নিজেই। ওমানের এই ব্যাটসম্যান যে ম্যাচই বের করে নিচ্ছিলেন

প্রায়। নিজের প্রথম ওভারেই উইকেট তুলে নেওয়া মুস্তাফিজও পাঁচটি ওয়াইড বল দিয়ে হতাশার বুদবুদও তোলেন। সেই হতাশার বিস্ফোরণও ঘটে, যখন মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিনের বলে কাশ্যপ প্রজাপতির ক্যাচ ফেলেন মুস্তাফিজও।

কিন্তু ওই যে বলা হলো বাংলাদেশের জন্য এই ম্যাচটি ছিল একই সঙ্গে ছুটে যাওয়ার সম্ভাবনার এবং প্রবলভাবে ফিরে আসারও। তাই মুস্তাফিজও করেন প্রায়শ্চিত্ত। মাহমুদের সৌজন্যে বেঁচে যাওয়া যতিন্দারকে নিয়ে বড় জুটির দিকে ধাবমান ওমানের অধিনায়ক জিশান মাকসুদকে (১২) ফেরান তো এই ‘কাটার মাস্টার’ই। তবে বোলার মুস্তাফিজ নন, ফিল্ডার মুস্তাফিজ। অফস্পিনার মেহেদী হাসানের সোজা বলে সুইপ করেছিলেন জিশান। বলের নাগাল পেতে ডিপ স্কয়ার লেগে কিছুটা দৌড়ে আসা মুস্তাফিজ বল হাতে জমাতেই এতক্ষণের হতাশা ফুঁড়ে জেগে ওঠে আশা।

সেই আশার পালে তীব্র হাওয়ার জোগান দিতে দৃশ্যপটে আবির্ভূত হয়ে যান সাকিব আল হাসানও। জিশান গেলেও যতিন্দার ছিলেন। তাঁকে ফেরানোও জরুরি হয়ে পড়েছিল ভীষণ। সাকিবের বলে ক্যাচও উঠল যতিন্দারের (৩৩ বলে ৪০), এই ম্যাচেও ব্যাট হাতে ব্যর্থ লিটন কুমার দাসও ভুল করলেন না কোনো, ক্যাচ ধরলেন ঠিকঠাক। ১৩ ওভারেই ৯০ রান তুলে ফেলা ওমানেরও ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ার শুরু তখনই। এতক্ষণ অনিশ্চয়তার ঘূর্ণাবর্তে পাক খেতে থাকা বাংলাদেশের সামনে জয়ের নিশ্চয়তাও প্রথম উঁকি দেয় তখনই।

সেটিকে আরো নিশ্চিত করতে ‘জুটি’ গড়ে ফেলেন সাকিব-মুস্তাফিজ। জোড়ায় জোড়ায় আঘাতও হানেন তাঁরা। প্রথমে সাকিব, পরে মুস্তাফিজও। তাই ‘ডু অর ডাই’ ম্যাচে বাংলাদেশের জয়ের হাসিতে এই দুই বোলারকে সর্বাগ্রেই রাখতে হয়। ৩৬ রানে ৪ শিকার মুস্তাফিজের। ২৮ রানে তিন শিকার ধরে আবারও অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে সাকিবও এমন উজ্জ্বল যে ম্যাচসেরা হিসেবে তাঁকে বেছে নেওয়ার বিকল্প ছিলই না। ব্যাটিংয়ে দলের বাজে শুরুর পর ওপেনার নাঈম শেখকে নিয়ে তৃতীয় উইকেটে ৮০ রান যোগ করে বিপর্যয় সামলানোতেও ছিলেন সাকিব।

তবে এর আগে কিছুক্ষণের জন্য যেন ফিরে এলেন ‘টু ডাব্লিউ’। বিলাল খান আর কলিমউল্লাহরা কার্যকারিতায় হয়ে উঠলেন ওয়াসিম আকরাম-ওয়াকার ইউনিসের দুর্ধর্ষ সেই জুটি। ওমানের এই দুই পেসারের সুইং আর ইয়র্কারে প্রথম ৩ ওভারে রীতিমতো কাঁপল বাংলাদেশ। এই সময় ক্যাচও যেমন পড়ল, তেমনি উইকেটও হারালেন তাঁরা। দুয়ে মিলে বাঁচা-মরার ম্যাচে অবস্থা মোটামুটি ‘গেল গেল’ রব উঠে যাওয়ার মতোই।

যেতে যেতে মাহমুদ উল্লাহর দল আবার ফিরলও। গল্পের শুরুটা নিজেদের পোড়ার হলেও পরের অংশটি প্রতিপক্ষকে পোড়ানোরও। তাই পাল্টা পুড়তে থাকল ওমানও। সেই সঙ্গে সমান তালে আরো দুটো বিষয়ও চলল। একদিকে ভাগ্য বাংলাদেশের ভীষণ সহায় হলো। অন্যদিকে স্বাগতিকরাও বাজে ফিল্ডিংয়ের প্রদর্শনী চালাতে থাকল। নাঈমই যেমন ১৮ ও ২৬ রানে জীবন পেলেন দুইবার। শুরুর নড়বড়ে বাংলাদেশ এই সুযোগে নাঈম আর সাকিবের ব্যাটে ধরে ফেলে হারানো ছন্দও।

আরও পড়ুন:


বিশ্বে আবারও করোনায় সংক্রমণ ও মৃত্যু বেড়েছে

ইভ্যালিকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের সর্বোচ্চ চেষ্টা করব: বিচারপতি মানিক

করোনা: দেশে ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু কমলেও বেড়েছে শনাক্ত

প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় কলেজছাত্রকে অপহরণ করে বিয়ে করলো তরুণী!


সেই ছন্দে দুলতে দুলতে অনেক বড় স্কোরের আশাও জাগে। কিন্তু ম্যাচটি যে বাংলাদেশের জন্য বারবার রং বদলানোর। তাই প্রত্যাশিত রূপ পায় না ইনিংস। আবার ওমানও যেন বাজে ফিল্ডিংয়ের মধ্যেও ঝলক দেখায় কিছু। তাই ২৯ বলে ৬ চারে ৪২ রান করে সাকিব সরাসরি থ্রোয়ে রানআউট হয়ে যান। ৪৩ বলে ক্যারিয়ারে তৃতীয় টি-টোয়েন্টি ফিফটি করা নাঈমও ৩ চার ও ৪ ছক্কায় ৬৪ রানের ইনিংস খেলে পা দেন ওমানের ডানহাতি পেসার কলিমউল্লাহর শর্ট বলের ফাঁদে। সেই ফাঁদ ভোগায় পরের ব্যাটসম্যানদের কয়েকজনকেও। রং বদলানোর ম্যাচে বাংলাদেশ ব্যাটিং অর্ডারও এমন বদলে ফেলে যে ২০০৯ সালের পর আবার ৮ নম্বরে নামেন মুশফিকুর রহিম। তেমন কিছু করতে পারেননি অবশ্য। পারেননি শেষের দিকের অন্যরাও। তাই রান যত হওয়ার কথা, হয় না তত।

ওমানও তাই রান তাড়ায় চোখ রাঙানি দিতে থাকে। অন্তত ১২ ওভার পর্যন্ত। এরপর মুস্তাফিজের সেই ক্যাচ এবং যতিন্দারকে ফিরিয়ে সাকিবের উল্লাস। ঘাম দিয়ে জ্বর ছাড়ার স্বস্তিটাও তখনই প্রথম অনুভব করতে শুরু করে বাংলাদেশ।

news24bd.tv রিমু  

পরবর্তী খবর

তাইজুলের জোড়া আঘাতে সাজঘরে পাকিস্তানের দুই ওপেনার

অনলাইন ডেস্ক

তাইজুলের জোড়া আঘাতে সাজঘরে পাকিস্তানের দুই ওপেনার

বাংলাদেশ-পাকিস্তান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় পাকিন্তান। শুরুটাও বেশ ভাল তাদের। তবে তাইজুলের হাত ধরেই ভাঙলো পাকিস্তানের উদ্বোধনী জুটি। এরপরের উইকেটও নিয়েছে তাইজুল। প্রথম টেস্টে বাংলাদেশ দলের সেরা বোলার ছিলেন বাঁহাতি স্পিনার তাইজুল ইসলাম। একাই নিয়েছিলেন ৭ উইকেট।

পাকিস্তানের ডানহাতি ওপেনার আব্দুল্লাহ শফিককে সাজঘরে পাঠিয়ে দিয়েছেন তাইজুল। আউট হওয়ার আগে ৫০ বল খেলে ২৫ রান করেছেন শফিক। এরপর ফেরান আবিদ আলিকে।

সিরিজের প্রথম টেস্টে জোড়া সেঞ্চুরি জুটি গড়েছিলেন পাকিস্তানের দুই ওপেনার আবিদ আলি ও আব্দুল্লাহ শফিক। এবার তাদের জুটি ভেঙেছে ৫৯ রানে। তাইজুলের বলে পুরোপুরি বোকা বনে গিয়ে বোল্ড হয়ে গেছেন আগের ম্যাচে জোড়া ফিফটি করা শফিক।

সাকিবের করা ১৬তম ওভারেও উইকেটের সম্ভাবনা জেগেছিল। টার্ন করে বাইরে বেরিয়ে যাবে ভেবেছিলেন পাকিস্তানের ওপেনার আব্দুল্লাহ শফিক। আঘাত হানে শফিকের প্যাডে। কিন্তু সাকিবের জোরালো আবেদনে আম্পায়ার সাড়া দেননি। পরে অবশ্য রিভিউ নেয়া হয়। থার্ড আম্পায়ারের রিপ্লে'তে দেখা যায় একদম অফস্ট্যাম্প ঘেঁষে চলে যাচ্ছে বলটি। ফলে অল্পের জন্য বেঁচে যান ডানহাতি শফিক।

এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পাকিস্তানের সংগ্রহ ২৯ ওভারে ২ উইকেটে ৭৪ রান। এখন ব্যাট করছেন বাবর আজম এবং আজহার আলি।

আরও পড়ুন


প্রভাব পড়তে শুরু করেছে ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদের, পটুয়াখালীতে বৃষ্টি

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

পাকিস্তানের বিপক্ষে টসে হেরে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ

অনলাইন ডেস্ক

পাকিস্তানের বিপক্ষে টসে হেরে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ

পাকিস্তানের বিপক্ষে দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে টসে হেরে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ। দুই ম্যাচ টেস্ট সিরিজে ১-০ তে এগিয়ে আছে পাকিস্তান। আজ শনিবার থেকে শুরু দ্বিতীয় টেস্ট ম্যাচটি। টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন পাকিস্তান অধিনায়ক বাবর আজম।

বাংলাদেশের কাছে এটিই শেষ সুযোগ। কারণ এর আগে প্রথম টেস্ট এবং মিরপুরে ৩ ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজেও হার দেখেছিল টাইগাররা।

দেশ সেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান আগের টেস্টের স্কোয়াডে না থাকলে এই ম্যাচের একাদশে ফিরছেন তিনি। এছাড়া অভিষেক হচ্ছে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপজয়ী ক্রিকেটার মাহমুদুল হাসান জয়ের। 

এদিকে সম্ভাবনা থাকলেও ফেরেননি তাসকিন আহমেদ। প্রথম টেস্টের একাদশে থাকা পেসার আবু জায়েদ রাহীও বাদ পড়েছেন এই ম্যাচে। তার জায়গায় ঢুকেছেন আরেক পেসার সৈয়দ খালেদ আহমেদ।

বাংলাদেশ একাদশ: মুমিনুল হক (অধিনায়ক), সাদমান ইসলাম, মাহমুদুল হাসান জয়, নাজমুল হোসেন শান্ত, মুশফিকুর রহিম, লিটন কুমার দাস, সাকিব আল হাসান, মেহেদি হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম, খালেদ হোসেন, এবাদত হোসেন।

আরও পড়ুন


সীমান্তে সারাদিন অপেক্ষা করেও দেখা পেল না ভারতীয় স্বজনদের

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

ক্যারিবীয়দের হোয়াইটওয়াশ শ্রীলঙ্কার

অনলাইন ডেস্ক

ক্যারিবীয়দের হোয়াইটওয়াশ শ্রীলঙ্কার

জয়ের জন্য ওয়েস্ট ইন্ডিজের দরকার ছিল ২৯৭ রান। লক্ষ্যটা তাড়া করতে নেমে ভালো শুরুর আভাস দিয়েছিল ক্যারিবিয়ানরা। কিন্তু বাধ সাধেন শ্রীলঙ্কার দুই স্পিনার। লাসিথ এম্বুলডেনিয়া ও রমেশ মেন্ডিস। স্পিন বিষ ছড়িয়ে শিকার করতে থাকেন একের পর এক উইকেট। তাদের দুজনের ধ্বংসাত্মক বোলিংয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ১৩২ রানেই গুটিয়ে যায় উইন্ডিজ।

আরও পড়ুন:

গণপরিবহনে শিক্ষার্থীদের হাফ ভাড়া কার্যকর

হাফ পাস শুধুমাত্র ঢাকায় কার্যকর হবে বললেন এনা


 

স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা জিতে যায় ১৬৪ রানে। এ জয়ে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে অতিথি ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ২-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ করল লঙ্কানরা।

শ্রীলঙ্কা প্রথম টেস্ট জিতেছিল ১৮৭ রানে। দ্বিতীয় টেস্ট জিতল ১৬৪ রানে। 

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

ঢাকা টেস্টের সম্ভাব্য একাদশ

অনলাইন ডেস্ক

ঢাকা টেস্টের সম্ভাব্য একাদশ

চট্টগ্রাম টেস্টে হারলেও ঢাকা টেস্টে জয়ের লক্ষ্যেই মাঠে নামবে বাংলাদেশ। এমনটি জানিয়ে অধিনায়ক মুমিনুল হক সৌরভ বলেন, আমাদের শক্তি হলো ব্যাটিং। দুই থেকে আড়াই দিন বা পাঁচ-ছয় সেশন যদি ব্যাটিং করতে পারি তাহলে খেলায় ফিরতে পারব। অবশ্যই আমি আশাবাদী। কেউই তো ম্যাচ হারার জন্য মাঠে নামে না। আমরা অবশ্যই জেতার জন্যই নামব।

আরও পড়ুন:


আফ্রিকার ৭ দেশ থেকে এলেই ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিন

দুই হাত হারানো ফাল্গুনীকে বিয়ে করলো এনজিও কর্মী সুব্রত

স্বাধীনতার ৫০ বছরে স্বাস্থ্যখাতে অভাবনীয় সাফল্য

ঢাকার যানজটেই শেষ জিডিপির প্রায় ৮৭ হাজার কোটি টাকা


ইনজুরির কারণে চট্টগ্রাম টেস্টে খেলা হয়নি সাকিব আল হাসান ও পেসার তাসকিন আহমেদের। ঢাকা টেস্টে তারা থাকছেন। ঢাকা টেস্টে সাকিব আল হাসানের উপস্থিতিতে স্বস্তি ফিরেছে বাংলাদেশ দলে।
 

বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ: সাদমান ইসলাম, নাঈম শেখ/মাহমুদুল হাসান জয়, নাজমুল হোসেন শান্ত, মুমিনুল হক (অধিনায়ক), মুশফিকুর রহিম, সাকিব আল হাসান, লিটন দাস, মেহেদি হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম, আবু জায়েদ রাহী ও এবাদত হোসেন।

পাকিস্তানের সম্ভাব্য একাদশ: আবিদ আলি, আব্দুল্লাহ শফিক, আজহার আলি, বাবর আজম (অধিনায়ক), মোহাম্মদ রিজওয়ান, ফাওয়াদ আলম, ফাহিম আশরাফ, হাসান আলি, সাজিদ খান, নুমান আলি ও শাহিন আফ্রিদি।

 

পরবর্তী খবর

শূন্য রানে আউট; লজ্জার রেকর্ড কোহলির

অনলাইন ডেস্ক

শূন্য রানে আউট; লজ্জার রেকর্ড কোহলির

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে শূন্য রানে আউট হন ভিরাট কোহলি।  এর মধ্যে দিয়ে শূন্য রানে আউটের এক লজ্জার রেকর্ডের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেলেন ভিরাট কোহলি। আন্তর্জাতিক টেস্ট ক্রিকেটে যৌথভাবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ শূন্য রানে আউট হওয়ার রেকর্ড এখন ভারত অধিনায়কের। টেস্ট অধিনায়ক হিসেবে ১০ বার শূন্য রানে আউট হলেন তিনি। কোহলীর ১০টি শূন্যের মধ্যে ছ’টি দেশের মাটিতে। ভারতের আর কোনও অধিনায়কের টেস্টে এত বার শূন্য রানে আউট হওয়ার নজির নেই। দেশের মাটিতে শূন্য রানে আউটের হিসাবে সবাইকে টপকে গিয়েছেন কোহলী।

টেস্ট ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি শূন্য রানে আউট হওয়ার রেকর্ডে সবার ওপরে রয়েছেন নিউজিল্যান্ডের সাবেক ক্রিকেটার স্টিফেন ফ্লেমিং। তিনি কিউই অধিনায়ক থাকা অবস্থায় সর্বোচ্চ ১৩বার শূন্য রানে আউট হয়েছেন। কিন্তু, ঘরের মাটিতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে এজাজ প্যাটেলের বলে শূন্য রানে ভিরাট কোহলি আউট হলে গ্রায়েম স্মিথের সাথে যৌথভাবে এই তালিকার দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছেন তিনি। স্মিথ ১০ বার শূন্য রানে আউট হন।

আরও পড়ুন:


আফ্রিকার ৭ দেশ থেকে এলেই ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিন

দুই হাত হারানো ফাল্গুনীকে বিয়ে করলো এনজিও কর্মী সুব্রত

স্বাধীনতার ৫০ বছরে স্বাস্থ্যখাতে অভাবনীয় সাফল্য

ঢাকার যানজটেই শেষ জিডিপির প্রায় ৮৭ হাজার কোটি টাকা


ভারতের হয়ে টেস্টে মোট ৯৭ ম্যাচ খেলেছেন ভিরাট কোহলি। যেখানে পঞ্চাশের বেশি এভারেজ নিয়ে রান করেছেন ৭৭৬৫। ২৭টি সেঞ্চুরির পাশাপাশি আছে ২৭টি হাফ সেঞ্চুরি। 

ভারত অধিনায়কদের মধ্যে কোহলির পরে রয়েছেন মনসুর আলি খান পটৌডি। তিনি পাঁচ বার শূন্য রানে আউট হয়েছেন। পাঁচ বারই দেশের মাটিতে। তাকে টপকে গেলেন কোহলি। মহেন্দ্র সিংহ ধোনি ও কপিল দেব অধিনায়ক হিসেবে টেস্টে তিন বার শূন্য রানে আউট হয়েছেন।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর