তিন সহোদরের মারামারি, মামলা দিল প্রতিবেশি দুই সরকারি চাকরিজীবীকে

আব্দুল লতিফ লিটু, ঠাকুরগাঁও

তিন সহোদরের মারামারি, মামলা দিল প্রতিবেশি দুই সরকারি চাকরিজীবীকে

ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ গুয়াগাঁও মহল্লায় পারিবারিক কোন্দলের ঘটনায় দুই সরকারি চাকরিজীবী-সহ একই পরিবারের ৫ জনকে ফাঁসাতে রনি নামে এক যুবক পীরগঞ্জ থানায় অভিযোগ করেছেন।

জানা গেছে ঐ মহল্লার নজরুল ইসলামের ছেলে রনি, রফিক ও আলাল মাদক, দাদন ব্যবসার সুদের টাকা নিয়ে তাদের মধ্যে মত বিরোধ দেখা দেয়। এক পর্যায়ে তর্ক বির্তক ও উত্তেজিত হয়ে তাদের মধ্যে তুমুল মারামারি হয়। গত ১৯ সেপ্টেম্বর ঘটনাটি তাদের নিজ বাড়িতে সংঘটিত হয়। ঐ সময় রনি, রফিক ও আলাল একে অপরকে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে আহত করে।

এ ঘটনার প্রত্যক্ষদর্সী সাক্ষী হিসেবে ঐ ওয়ার্ডের পৌরসভার কাউন্সিলর আব্দুস সামাদসহ স্থানীয় লোকজন রয়েছে। প্রতিবেশী মোঃ আব্দুল আজিজ পীরগঞ্জ ভূমি অফিসের সরকারি চাকরিজীবী আজিমুন নাহার রানী, তার মা সূর্য্য বানু বেগম, তার বোন চন্দ্রা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক মোছাঃ আজমেরী বেগম, তার ভাই ঔষধ কোম্পানীতে রিপ্রেজেনটেটিভ মোঃ সুলতানকে আসামী করে পীরগঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন রনি।

আরও পড়ুন


আবাসিক হোটেলে ‘অসামাজিক কাজ’, ৯ তরুণ-তরুণী গ্রেপ্তার

বিয়ের আশ্বাসে প্রেমিকার সঙ্গে বারবার শারীরিক সম্পর্ক, তরুণীর অনশন

আজ থেকে সপ্তাহে ৫ দিন ঢাকা-দিল্লি বিমানের ফ্লাইট

ক্ষীরশাপাতি আমের পর এবার আরও দুইটি পণ্য জিআই সনদ পাচ্ছে


অভিযোগে হুমকি ধামকি গুরুতর আহতসহ টাকা চুরির অপরাধের অভিযোগ আনা হয়। সরেজমিন ও একাধিক বিশ্বস্থ সূত্রে জানা যায় ঘটনার দিন ও সময়ে আজিমুন নাহার ও আজমেরী বেগম তাদের নিজ নিজ সরকারি কর্মস্থলে ছিলেন। তার বাবা আব্দুল আজিজ তার  মায়ের মৃত্যুতে দিনাজপুর সদর উপজেলায় নিজ গ্রামের বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। এছাড়া মোঃ সুলতান তিনি ঔষধ কোম্পানীতে কর্মরত ছিলেন। অথচ ভাই ভাই মারামারি করে নিরপরাধ ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে থানায় মিথ্যা অভিযোগ আনায় এলাকার সচেতন মহলের মধ্যে ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে।

মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করায় মামলার বাদী মোঃ রনি, তার পিতা নজরুল ইসলাম ও তাদের পরিবারের সদস্যদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করেছেন এলাকাবাসী। এর পরেও মামলার বাদী ও তার পরিবারের সদস্যরা ঐ ৫ ব্যক্তিকে নানা রকম হুমকি ধামকি দিচ্ছে। পুনরায় মিথ্যা মামলা দিয়ে জেল হাজত খাটাইবে বলিয়া অপতৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

‘বন্দুকযুদ্ধে’ প্রধান আসামির মৃত্যু: মিষ্টি বিতরণ ও ঝাড়ু মিছিল

অনলাইন ডেস্ক

‘বন্দুকযুদ্ধে’ প্রধান আসামির মৃত্যু: মিষ্টি বিতরণ ও ঝাড়ু মিছিল

কুমিল্লার ওয়ার্ড কাউন্সিলর সৈয়দ মোহাম্মদ সোহেল ও আওয়ামী লীগ কর্মী হরিপদ সাহাকে প্রকাশ্যে গুলি খুনের প্রধান আসামি শাহ আলম পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হওয়া খবরে এলাকায় মিষ্টি বিতরণ করা হয়েছে। অপরদিকে শাহ আলমের লাশ এলাকায় যেন ঢুকতে না পারে, সেজন্য ঝাড়ু মিছিল ও প্রতিবাদ সভা করেছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় মোবারক হোসেন নামের এক ব্যক্তি জানান, শাহ আলমের অত্যাচারে অতিষ্ঠ ছিল এলাকাবাসী। সে ধনী-গরিব কিছু মানতো না। তার ভয়ে এতদিন কেউ মুখ খুলতে পারেননি। আমরা চাই তার লাশ যেন এলাকায় না আনা হয়।

মামলার বাদী রুমান জানান, হত্যাকারীদের দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রেফতার ও ‌‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছে। আমি পুলিশ সুপার মহোদয়কে ধন্যবাদ জানাই। তবে এই হত্যাকাণ্ডের গডফাদার কারা? অর্থ ও অস্ত্রের যোগানদাতাদের খুঁজে বের করতে হবে।

কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, কুমিল্লা নগরীর টিক্কারচর কবর স্থানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সেখানে তাকে দাফন করা হবে।

আরও পড়ুন


নারী পুলিশের সঙ্গে অন্তরঙ্গ অবস্থায় ধরা পড়া সেই ইন্সপেক্টর ক্লোজড

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

চাঁদাবাজি মামলায়

খুলনায় তিন পুলিশ সদস্যসহ পাঁচ জনের কারাদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক, খুলনা

খুলনায় তিন পুলিশ সদস্যসহ পাঁচ জনের কারাদণ্ড

প্রতীকী ছবি

খুলনার চাঁদাবাজি মামলায় তিন পুলিশ সদস্যসহ পাঁচজনকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ১২ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার খুলনার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক এস এম আশিকুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। এ সময় দুই পুলিশ সদস্য পলাতক ছিলেন।

সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন-কনস্টেবল মেসবাহ উদ্দিন, কনস্টেবল মো ফরহাদ আহমেদ, কনস্টেবল মোস্তাফিজুর রহমান, আরমান শিকদার জনি ও বায়েজিত। 

এর মধ্যে মেসবাহ উদ্দিন ও মোস্তাফিজুর রহমান পলাতক রয়েছেন। এ পুলিশ কনস্টেবলরা খুলনা পুলিশ লাইনে কর্মরত ছিলেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী কাজী সাব্বির আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

জানা যায়, ২০১৪ সালে ১২ ডিসেম্বর আসামিরা সাদা পোষাকে দৌলতপুর বিএল কলেজের দ্বিতীয় গেটের সামনে শাহরিয়ার রিন্টু ও আবু ইছহাক নামে দুই যুবককে পুলিশ পরিচয়ে মামলার ভয় দিয়ে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। 

দাবিকৃত টাকা না দিলে তাদেরকে গ্রেপ্তারের হুমকি দেওয়া হয়। দর কষাকষির একপর্যায়ে ৩০ হাজার টাকার বিনিময়ে তাদের ছেড়ে দেয়া হবে বলে জানানো হয়। 

আরও পড়ুন


এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু আজ

প্রকাশ্যে কাউন্সিলর হত্যা: এবার ‘বন্দুকযুদ্ধে’ প্রধান আসামি নিহত


এদিকে ঘটনাটি দৌলতপুর থানাকে জানালে পুলিশ সেখানে অভিযান চালিয়ে ভিকটিমদের উদ্ধারসহ আসামীদের গ্রেপ্তার করে।

চাঁদাবাজির অভিযোগে দৌলতপুর থানার এসআই কাজী বাবুল হোসেন বাদী হয়ে তিনজন পুলিশ সদস্য ও তাদের সহযোগী দু’জনকে আসামি করে থানায় মামলা দয়ের করেন, মামলা নং ১১। 

২০১৫ সালের ১৯ মার্চ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. বাবলু খান তাদেরকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

news24bd.tv/ কামরুল 

পরবর্তী খবর

৯ জনের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড

ছাতকের তেরা মিয়া হত্যা মামলায় একজনের যাবজ্জীবন

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:

ছাতকের তেরা মিয়া হত্যা মামলায় একজনের যাবজ্জীবন

প্রতীকী ছবি

সুনামগঞ্জের ছাতকের আলোচিত তেরা মিয়া হত্যা মামলায় একজনের যাবজ্জীবন ও ৯ জনের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত।

বৃহস্পতিবার দুপুরে এই রায় প্রদান করেন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মহিউদ্দিন মুরাদ।

রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের অতিরিক্ত পিপি অ্যাড.গোলাম মোস্তফা। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত ৫ আসামি উপস্থিত ছিলেন। অন্য ৪ জন আসামি পলাতক আছেন।

আরও পড়ুন


এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু আজ

প্রকাশ্যে কাউন্সিলর হত্যা: এবার ‘বন্দুকযুদ্ধে’ প্রধান আসামি নিহত


আদালত ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৯ সালে ছাতকের বলারপীরপুর সড়কের তেতইখালে একটি সেতু নির্মাণ নিয়ে বলারপীরপুর গ্রামের বাসিন্দা কালারুখা ইউনিয়নের তৎকালীন চেয়ারম্যান আরজু মিয়া ও তার নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বি গন্ধর্বপুর গ্রামের আব্দুল হাই আজাদ মিয়ার মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছিল।

এর জের ধরে ১৯৯৯ সালের ২২ নভেম্বর সকালে দুইপক্ষের লোকজনের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে আরজু মিয়ার পক্ষের অন্তত ১৬ জন গুলিবিদ্ধ হয়। আহত সবাইকে দুপুরে সিলেটের এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

চিকিৎসাধীন অবস্থায় আহত তেরা মিয়া হাসপাতালে মারা যান। ঘটনার দুইদিন পর ২৪ নভেম্বর গন্ধর্বপুর গ্রামের ২৮ জনকে আসামি করে ছাতক থানায় মামলা দায়ের করেন নিহতের ভাতিজা সিরাজুল ইসলাম। তদন্ত শেষে পুলিশ ২০০০ সালের ২১ এপ্রিল ৪৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। 

এরমধ্যে ৮ জন মৃত্যুবরণ করেন। দীর্ঘ শুনানী শেষে আজ বৃহস্পতিবার অন্য ৯ জনের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেন আদালত। এছাড়া ৩১ আসামি খালাস দেওয়া হয়।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন, এপিপি গোলাম মোস্তফা। আসামি পক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাড.সালেহ আহমদ ও অ্যাড.রবিউল লেইস রোকেস।

news24bd.tv/ কামরুল 

পরবর্তী খবর

নারী পুলিশের সঙ্গে অন্তরঙ্গ অবস্থায় ধরা পড়া সেই ইন্সপেক্টর ক্লোজড

সৈয়দ রাসেল, সিলেট

নারী পুলিশের সঙ্গে অন্তরঙ্গ অবস্থায় ধরা পড়া সেই ইন্সপেক্টর ক্লোজড

ক্লোজড ইন্সপেক্টর প্রদিপ কুমার দাস

সিলেটে আদালতপাড়ায় নিজ কক্ষে ছুটিতে থাকা এক নারী কনস্টেবলের সাথে আপত্তিকর অবস্থায় হাতে নাতে ধরা পড়া সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের কোর্ট ইন্সপেক্টর প্রদিপ কুমার দাসকে ক্লোজড করা হয়েছে।

বুধবার (০১ ডিসেম্বর) রাত পৌনে ৯টার দিকে ইন্সপেক্টর প্রদিপ কুমার দাসকে ক্লোজড করে পুলিশ লাইনে প্রেরণ করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. নিশারুল আরিফ।

পুলিশ কমিশনার জানান, রাত পৌনে ৯টার দিকে কোর্ট ইন্সপেক্টরের কক্ষের দরজা খোলা এবং ভেতরে আলো নেভানো দেখে অন্য পুলিশ সদস্যরা সেই কক্ষে ডুকে আলো জ্বালালে ছুটিতে থাকা এক নারী কনস্টেবল ও প্রদীপ দাসকে আপত্তিকর অবস্থায় পাওয়া যায়। পরবর্তীতে তারা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিত করলে আদালতের দায়িত্বশীল সহকারী পুলিশ কমিশনার তদন্তে গিয়ে এর সত্যতা পান। তাঁর তদন্তের প্রেক্ষিতে ইন্সপেক্টর প্রদিপ কুমার দাসকে ক্লোজড করে পুলিশ লাইনে প্রেরণ করা হয়েছে।

এছাড়া অভিযুক্ত ওই নারী কনস্টেবলের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধেও বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আরও পড়ুন


সাজেক নিয়ে কাজ করাদের জন্য ভয়ংকর এক রাত

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

নগরকান্দায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস খাদে, চালক নিহত

অনলাইন ডেস্ক

নগরকান্দায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস খাদে, চালক নিহত

খাদে পড়ে যাওয়া বাস

ফরিদপুরের নগরকান্দার বাঙালকান্দা এলাকায় যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে চালক নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২ ডিসেম্বর) দুপুরে নগরকান্দার ডাঙ্গী ইউনিয়নের বাঙালকান্দা এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার সার্জেন্ট সুমন হোসেন। 

নিহত বাস চালক বরগুনার তালতলী উপজেলার নলবুনিয়া গ্রামের ফজলুল হকের ছেলে সুমন হোসেন (৩৪)।

জানা গেছে, ইসলাম পরিবহনে একটি বাস বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা থেকে বরিশাল যাওয়ার পথে এ দুর্ঘটনায় পড়ে। দুর্ঘটনার পর নগরকান্দা ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে এসে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে।

ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন মাস্টার শফিকুল ইসলাম বলেন, সকালে বাসের চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। এ কারণে বাসটি মহাসড়কের বা দিকে সড়কের পাশে পানি-ভর্তি খাদে পড়ে যায়। বাসের মোট ১০ জনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার সার্জেন্ট সুমন হোসেন জানান, আহতদের মধ্যে ওই বাসের চালক সুমন হোসেনকে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে মারা যান। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

আরও পড়ুন


আবারও বন্ধ হতে পারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান: শিক্ষামন্ত্রী

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর