লক্ষ্মীপুরে খোঁজ মিলছে না দুই কিশোরীর

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি :

লক্ষ্মীপুরে খোঁজ মিলছে না দুই কিশোরীর

লক্ষ্মীপুরে নাজমা আক্তার ও পপি আক্তার (চাচাতো- জেঠাতো বোন) নামের সমবয়সী দুই কিশোরী বোন নিখোঁজের তিনদিন পরও এখনো খোঁজ মিলছে না। বুধবার দুপুর ১ টার দিকে কমলনগর থানার ওসি বিষয়টি নিশ্চিত করেন। 

রাতে নিখোঁজ কিশোরীদের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় জিডি করা হয়। এর আগে সোমবার (১৮ অক্টোবর) ভোরে কমলনগরের চরমার্টিন এলাকার নিজ বাড়ি থেকে বের হয়ে এখনো ফেরেনি তারা। এ নিয়ে চরম উৎকন্ঠায় রয়েছে তাদের পরিবারের সদস্যরা। পুলিশ বলছে, তাদের উদ্ধারে কাজ চলছে।

আরও পড়ুন


ক্ষীরশাপাতি আমের পর এবার আরও দুইটি পণ্য জিআই সনদ পাচ্ছে

দীপিকাকে না করতে পারিনি: তাহসান

প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিন ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা

বুধবার রাজধানীর যেসব এলাকার মার্কেট বন্ধ থাকবে


জানা যায়, উপজেলার চর মার্টিন ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সিডু মাঝি বাড়ির শামছুল হকের মেয়ে নাজমা। সে স্থানীয় মুন্সিরহাট আলিম মাদ্রাসার নবম শ্রেণীর ছাত্রী। তার সম বয়সী চাচাতো বোন পপি আক্তার একই বাড়ির নুরুল হকের মেয়ে। সোমবার ভোরে সবার অজান্তে তারা বাড়ি থেকে বের হয়ে যায়। এরপর থেকে এখনো তারা বাড়ি ফেরেনি। এ নিয়ে উৎকন্ঠায় রয়েছে দুই পরিবারের সদস্যরা।

নিখোঁজ নাজমা আক্তারের ভাই সবুজ আলম ও পপির ভাই মো.ফারুক জানান, আত্মীয় স্বজনসহ বিভিন্ন সম্ভাব্য স্থানে সন্ধান করেও তাদের পাওয়া যাচ্ছে না। এই বিষয়ে থানায় জিডি করা হয়েছে। 

কমলনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মোসলেহ উদ্দিন জানান, দুই কিশোরীর পরিবারের লোকজন থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। উদ্ধারে কাজ করছে পুলিশ। তবে ধারণা করা হচ্ছে প্রেমের সম্পর্কে বাড়ি ছেড়েছেন দুই কিশোরী।  

news24bd.tv/ কামরুল 

পরবর্তী খবর

কুয়েট শিক্ষকের মৃত্যু: একাডেমিক কার্যক্রম বর্জন শিক্ষক সমিতির

সামছুজ্জামান শাহীন, খুলনা

কুয়েট শিক্ষকের মৃত্যু: একাডেমিক কার্যক্রম বর্জন শিক্ষক সমিতির

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) শিক্ষক ড. মো. সেলিম হোসেনের মৃত্যুর ঘটনায় জড়িতদের শাস্তির দাবিতে একাডেমিক কার্যক্রম বর্জন করেছে শিক্ষক সমিতি। একই সাথে ঘটনায় দোষী প্রমাণিত হলে অভিযুক্তদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থায়ী বহিষ্কার ও ক্যাম্পাসে ছাত্র রাজনীতি বন্ধের দাবি জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ ডিসেম্বর) সকালে ক্যাম্পাসে দুর্বার বাংলার পাদদেশে শিক্ষকদের প্রতিবাদ সভায় এ দাবির কথা জানান শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ। এর আগে সকালে সাড়ে ১০টায় শিক্ষকরা প্রশাসনিক ভবনের সামনে সমবেত হন এবং অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। এরপর বেলা সোয়া ১১টায় শিক্ষকরা প্রতিবাদ র‌্যালি বের করেন। বেলা সাড়ে ১১টায় দুর্বার বাংলা চত্বরে প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রতীক চন্দ্র বিশ্বাস।

শিক্ষকরা বলছেন, ড. মো. সেলিম হোসেনের মৃত্যু কোন অবস্থায় স্বাভাবিক ঘটনা নয়। তাকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করার মধ্যে দিয়ে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে।

জানা যায়, মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে একটি ছাত্র সংগঠনের কিছু শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসে ড. সেলিম হোসেনের গতিরোধ করে। পরে ওই শিক্ষককে তড়িৎ প্রকৌশল ভবনে তার ব্যক্তিগত কক্ষে এনে আনুমানিক আধা ঘণ্টা রুদ্ধদার বৈঠক করে। এরপর সেলিম হোসেন দুপুরের খাবারের জন্য বাসায় যান। দুপুর আড়াইটার দিকে তার স্ত্রী লক্ষ্য করেন, সেলিম হোসেন বাথরুম থেকে বের হচ্ছে না। এরপর দরজা ভেঙ্গে তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

শিক্ষকরা জানান, সিসি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে অভিযুক্ত ছাত্রদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাময়িক বহিস্কারের দাবি জানানো হয়েছে। এছাড়া তদন্তে দোষী প্রমাণিত হলে তাদের স্থায়ী বহিষ্কার না হওয়া পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম বর্জনের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়।

আরও পড়ুন


‘বন্দুকযুদ্ধে’ প্রধান আসামির মৃত্যু: মিষ্টি বিতরণ ও ঝাড়ু মিছিল

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

‘বন্দুকযুদ্ধে’ প্রধান আসামির মৃত্যু: মিষ্টি বিতরণ ও ঝাড়ু মিছিল

অনলাইন ডেস্ক

‘বন্দুকযুদ্ধে’ প্রধান আসামির মৃত্যু: মিষ্টি বিতরণ ও ঝাড়ু মিছিল

কুমিল্লার ওয়ার্ড কাউন্সিলর সৈয়দ মোহাম্মদ সোহেল ও আওয়ামী লীগ কর্মী হরিপদ সাহাকে প্রকাশ্যে গুলি খুনের প্রধান আসামি শাহ আলম পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হওয়া খবরে এলাকায় মিষ্টি বিতরণ করা হয়েছে। অপরদিকে শাহ আলমের লাশ এলাকায় যেন ঢুকতে না পারে, সেজন্য ঝাড়ু মিছিল ও প্রতিবাদ সভা করেছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় মোবারক হোসেন নামের এক ব্যক্তি জানান, শাহ আলমের অত্যাচারে অতিষ্ঠ ছিল এলাকাবাসী। সে ধনী-গরিব কিছু মানতো না। তার ভয়ে এতদিন কেউ মুখ খুলতে পারেননি। আমরা চাই তার লাশ যেন এলাকায় না আনা হয়।

মামলার বাদী রুমান জানান, হত্যাকারীদের দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রেফতার ও ‌‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছে। আমি পুলিশ সুপার মহোদয়কে ধন্যবাদ জানাই। তবে এই হত্যাকাণ্ডের গডফাদার কারা? অর্থ ও অস্ত্রের যোগানদাতাদের খুঁজে বের করতে হবে।

কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, কুমিল্লা নগরীর টিক্কারচর কবর স্থানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সেখানে তাকে দাফন করা হবে।

আরও পড়ুন


নারী পুলিশের সঙ্গে অন্তরঙ্গ অবস্থায় ধরা পড়া সেই ইন্সপেক্টর ক্লোজড

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

চাঁদাবাজি মামলায়

খুলনায় তিন পুলিশ সদস্যসহ পাঁচ জনের কারাদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক, খুলনা

খুলনায় তিন পুলিশ সদস্যসহ পাঁচ জনের কারাদণ্ড

প্রতীকী ছবি

খুলনার চাঁদাবাজি মামলায় তিন পুলিশ সদস্যসহ পাঁচজনকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ১২ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার খুলনার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক এস এম আশিকুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। এ সময় দুই পুলিশ সদস্য পলাতক ছিলেন।

সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন-কনস্টেবল মেসবাহ উদ্দিন, কনস্টেবল মো ফরহাদ আহমেদ, কনস্টেবল মোস্তাফিজুর রহমান, আরমান শিকদার জনি ও বায়েজিত। 

এর মধ্যে মেসবাহ উদ্দিন ও মোস্তাফিজুর রহমান পলাতক রয়েছেন। এ পুলিশ কনস্টেবলরা খুলনা পুলিশ লাইনে কর্মরত ছিলেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী কাজী সাব্বির আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

জানা যায়, ২০১৪ সালে ১২ ডিসেম্বর আসামিরা সাদা পোষাকে দৌলতপুর বিএল কলেজের দ্বিতীয় গেটের সামনে শাহরিয়ার রিন্টু ও আবু ইছহাক নামে দুই যুবককে পুলিশ পরিচয়ে মামলার ভয় দিয়ে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। 

দাবিকৃত টাকা না দিলে তাদেরকে গ্রেপ্তারের হুমকি দেওয়া হয়। দর কষাকষির একপর্যায়ে ৩০ হাজার টাকার বিনিময়ে তাদের ছেড়ে দেয়া হবে বলে জানানো হয়। 

আরও পড়ুন


এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু আজ

প্রকাশ্যে কাউন্সিলর হত্যা: এবার ‘বন্দুকযুদ্ধে’ প্রধান আসামি নিহত


এদিকে ঘটনাটি দৌলতপুর থানাকে জানালে পুলিশ সেখানে অভিযান চালিয়ে ভিকটিমদের উদ্ধারসহ আসামীদের গ্রেপ্তার করে।

চাঁদাবাজির অভিযোগে দৌলতপুর থানার এসআই কাজী বাবুল হোসেন বাদী হয়ে তিনজন পুলিশ সদস্য ও তাদের সহযোগী দু’জনকে আসামি করে থানায় মামলা দয়ের করেন, মামলা নং ১১। 

২০১৫ সালের ১৯ মার্চ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. বাবলু খান তাদেরকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

news24bd.tv/ কামরুল 

পরবর্তী খবর

৯ জনের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড

ছাতকের তেরা মিয়া হত্যা মামলায় একজনের যাবজ্জীবন

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:

ছাতকের তেরা মিয়া হত্যা মামলায় একজনের যাবজ্জীবন

প্রতীকী ছবি

সুনামগঞ্জের ছাতকের আলোচিত তেরা মিয়া হত্যা মামলায় একজনের যাবজ্জীবন ও ৯ জনের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত।

বৃহস্পতিবার দুপুরে এই রায় প্রদান করেন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মহিউদ্দিন মুরাদ।

রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের অতিরিক্ত পিপি অ্যাড.গোলাম মোস্তফা। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত ৫ আসামি উপস্থিত ছিলেন। অন্য ৪ জন আসামি পলাতক আছেন।

আরও পড়ুন


এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু আজ

প্রকাশ্যে কাউন্সিলর হত্যা: এবার ‘বন্দুকযুদ্ধে’ প্রধান আসামি নিহত


আদালত ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৯ সালে ছাতকের বলারপীরপুর সড়কের তেতইখালে একটি সেতু নির্মাণ নিয়ে বলারপীরপুর গ্রামের বাসিন্দা কালারুখা ইউনিয়নের তৎকালীন চেয়ারম্যান আরজু মিয়া ও তার নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বি গন্ধর্বপুর গ্রামের আব্দুল হাই আজাদ মিয়ার মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছিল।

এর জের ধরে ১৯৯৯ সালের ২২ নভেম্বর সকালে দুইপক্ষের লোকজনের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে আরজু মিয়ার পক্ষের অন্তত ১৬ জন গুলিবিদ্ধ হয়। আহত সবাইকে দুপুরে সিলেটের এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

চিকিৎসাধীন অবস্থায় আহত তেরা মিয়া হাসপাতালে মারা যান। ঘটনার দুইদিন পর ২৪ নভেম্বর গন্ধর্বপুর গ্রামের ২৮ জনকে আসামি করে ছাতক থানায় মামলা দায়ের করেন নিহতের ভাতিজা সিরাজুল ইসলাম। তদন্ত শেষে পুলিশ ২০০০ সালের ২১ এপ্রিল ৪৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। 

এরমধ্যে ৮ জন মৃত্যুবরণ করেন। দীর্ঘ শুনানী শেষে আজ বৃহস্পতিবার অন্য ৯ জনের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেন আদালত। এছাড়া ৩১ আসামি খালাস দেওয়া হয়।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন, এপিপি গোলাম মোস্তফা। আসামি পক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাড.সালেহ আহমদ ও অ্যাড.রবিউল লেইস রোকেস।

news24bd.tv/ কামরুল 

পরবর্তী খবর

নারী পুলিশের সঙ্গে অন্তরঙ্গ অবস্থায় ধরা পড়া সেই ইন্সপেক্টর ক্লোজড

সৈয়দ রাসেল, সিলেট

নারী পুলিশের সঙ্গে অন্তরঙ্গ অবস্থায় ধরা পড়া সেই ইন্সপেক্টর ক্লোজড

ক্লোজড ইন্সপেক্টর প্রদিপ কুমার দাস

সিলেটে আদালতপাড়ায় নিজ কক্ষে ছুটিতে থাকা এক নারী কনস্টেবলের সাথে আপত্তিকর অবস্থায় হাতে নাতে ধরা পড়া সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের কোর্ট ইন্সপেক্টর প্রদিপ কুমার দাসকে ক্লোজড করা হয়েছে।

বুধবার (০১ ডিসেম্বর) রাত পৌনে ৯টার দিকে ইন্সপেক্টর প্রদিপ কুমার দাসকে ক্লোজড করে পুলিশ লাইনে প্রেরণ করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. নিশারুল আরিফ।

পুলিশ কমিশনার জানান, রাত পৌনে ৯টার দিকে কোর্ট ইন্সপেক্টরের কক্ষের দরজা খোলা এবং ভেতরে আলো নেভানো দেখে অন্য পুলিশ সদস্যরা সেই কক্ষে ডুকে আলো জ্বালালে ছুটিতে থাকা এক নারী কনস্টেবল ও প্রদীপ দাসকে আপত্তিকর অবস্থায় পাওয়া যায়। পরবর্তীতে তারা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিত করলে আদালতের দায়িত্বশীল সহকারী পুলিশ কমিশনার তদন্তে গিয়ে এর সত্যতা পান। তাঁর তদন্তের প্রেক্ষিতে ইন্সপেক্টর প্রদিপ কুমার দাসকে ক্লোজড করে পুলিশ লাইনে প্রেরণ করা হয়েছে।

এছাড়া অভিযুক্ত ওই নারী কনস্টেবলের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধেও বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আরও পড়ুন


সাজেক নিয়ে কাজ করাদের জন্য ভয়ংকর এক রাত

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর