নাটোরে কলেজ এমপিওভুক্ত না হওয়ায় শিক্ষক এখন দোকান কর্মচারী

নাসিম উদ্দীন নাসিম, নাটোর

নাটোরে কলেজ এমপিওভুক্ত না হওয়ায় শিক্ষক এখন দোকান কর্মচারী

নাটোরের ১৫টি কলেজ প্রতিষ্ঠার ২০বছরেও এমপিওভুক্ত হয়নি। পেটের দায়ে এসব প্রতিষ্ঠানের অনেকেই শিক্ষকতা ছেড়ে অন্য পেশা গ্রহণ করেছেন। কেউ দিয়েছেন মুদি দোকান। কেউ করছেন দোকানে মালামাল সরবরাহ, আর কেউ করছেন অন্যের জমিতে কৃষি কাজ। নতুন নীতিমালার বেড়াজালে আটকে তাদের জীবন শেষ হয়ে যাচ্ছে।

কর্মরত শিক্ষক-কর্মচারীরা মানবেতর জীবনযাপন করছেন। শুধুমাত্র এমপিও ভুক্তির আশায় নাটোরের বাগাতিপাড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান কলেজ নাম পরিবর্তন করে হয়েছে দয়ারামপুর কলেজ। এমন পরিবর্তন আনা হলেও গত ২০ বছরে মিলেনি এমপিও (মান্থলি পেমেন্ট অর্ডার/ মাসিক বেতন)।

শিক্ষার্থী শিক্ষক অবকাঠামো সব আছে, নেই শুধু শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন ভাতা। বিনা বেতনে চাকরি করে ইতোমধ্যে এই কলেজ ছেড়ে গেছেন আটজন শিক্ষক। একই অবস্থা বড়াইগ্রাম উপজেলার বড়াইগ্রাম মহিলা কলেজ ও জোনাইল মহিলা কলেজ, নলডাঙ্গা উপজেলার মোমিনপুর মহাবিদ্যালয় ও মির্জাপুরদিঘা আইডিয়াল মহাবিদ্যালয়, সদরের এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু মহাবিদ্যালয়, পীরগঞ্জ আদর্শ মহাবিদ্যালয়, ইয়াছিনপুর মহাবিদ্যালয়, বাগাতিপাড়া উপজেলার চাঁদপুর টেকনিক্যাল এন্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজের সাধারণ শাখা, তমালতলা মহিলা কলেজ,  তমালতলা টেকনিক্যাল এন্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট ইন্সটিটিউট, তমালতলা পৌর টেকনিক্যাল মহিলা কলেজ, চিথলিয়া দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজ ও লালপুর উপজেলার কলসনগর কলেজের।

১৯৯৮ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত বেশ আড়ম্বরপূর্ণ ভাবেই এসব কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। গড়ে তোলা হয় অবকাঠামো। শুরু থেকেই প্রয়োজনের চাইতে বেশি শিক্ষার্থী ভর্তি হয়। সকল বিষয়ে দেয়া হয় শিক্ষক নিয়োগ। এমপিও হবে, বেতন ভাতা পাওয়া যাবে, আশায় দিন গুনতে থাকে কর্মরতরা। কিন্তু কিছুই হয়নি। দিনে দিনে কমে যাচ্ছে শিক্ষার্থীও। আগে রাজনীতির মারপ্যাচে এমপিও না হলেও এখন কলেজগুলো নিয়মের ফাঁদে আটকে গেছে।

সরেজমিন অনুসন্ধানে গেলে বড়াইগ্রাম মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মাহবুব-উল-হক বাচ্চু বলেন, ১৯৯৮ সালে চারটি বিভাগ ও ২০টি বিষয় নিয়ে সুবিশাল সেমি পাকা ভবনে প্রতিষ্ঠিত হয় তার কলেজ। শুরু থেকে পর্যাপ্ত ছাত্রী ভর্তি হয়। ৮৯ শতাংশ পর্যন্ত ছাত্রী পাসও করেছে। ২০০৫ থেকে ২০১৫সাল পর্যন্ত ছিল উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার কেন্দ্র। ২৩ বছরেও এমপিও না হওয়ায় পেটের দায়ে এখন কলেজের ইসলাম শিক্ষার প্রভাষক শফিকুল ইসলাম হয়েছেন মুদি দোকানী আর ইসলামের ইতিহাসের প্রভাষক অসীম কুমার দেব দিয়েছেন ভূষি মালের দোকান। এনজিওসহ নানা প্রতিষ্ঠানে কাজ করে শিক্ষকরা জীবনধারণের চেষ্টা করছেন। একজন কর্মচারী ইতোমধ্যে মারা গেছে। জীবিত ২৮ জনের প্রত্যেকের ৫ থেকে ৯ বছরের মধ্যে অবসরে যাওয়ার বয়স হবে, অথচ এখনো বেতনই হয়নি।

সদরের এম. রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ কাজী রিয়াজুল হক মোমিন জানান, কলেজের হিসাববিজ্ঞানের প্রভাষক বেলাল হোসেন গত ১৯ বছর টিউশনি করে তিন ছেলে মেয়ে আর স্ত্রীকে নিয়ে কোন রকমে সংসার চালাচ্ছিলেন। করোনায় বন্ধ হয়ে যায় টিউশনি। থেমে যায় সংসারের চাকা। অনেক চেষ্টা করেও করোনাকালে কোন চাকুরী জুটেনি। বাধ্য হয়ে একটি কোম্পানীর সেলসম্যান হিসেবে দোকানে দোকানে মালামাল সরবরাহের কাজ নিয়েছেন।

বেলাল হোসেন বলেন, স্ত্রী সন্তানের মুখে দুবেলা এক মুঠো ভাত তুলে দিতে এছাড়া আমার আর কোন উপায় ছিল না। সদরের খালেদা জিয়া মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ ইব্রাহিম হোসেন বলেন, দ্বিতল ভবন, ছাত্র শিক্ষক-কর্মচারী আমাদের সবই ছিল। র্দীঘদিন এমপিও না হওয়ায় প্রথমে বিজ্ঞানের শিক্ষকেরা চলে যায়। অনেকে পেশা না ছাড়লেও বিকল্প আয়ের পথ খুজতে গিয়ে শিক্ষায় অমনোযোগী হয়ে পড়ে। কমতে থাকে শিক্ষার্থী। এখন কাম্য শিক্ষার্থী আর পাশের হার পূরণ করতে না পারায় হচ্ছে না এমপিও ভুক্তি।

আরও পড়ুন


সামাজিক দ্বন্দ্বে শৈলকুপায় প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর ভেঙ্গে দিল প্রতিপক্ষরা

ভারতের ঢলে বন্যার কবলে তিস্তাপাড়ের মানুষ, আতঙ্কে ঘর ছাড়ছে সবাই

উঠতি নায়িকার সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপে যে আলাপ হতো আরিয়ানের

বিএনপি নিজেরাই রাজনৈতিকভাবে সাম্প্রদায়িক: ওবায়দুল কাদের


বাগাতিপাড়ার দয়ারামপুর কলেজের অধ্যক্ষ গোলাম মুর্শেদ মিন্টু বলেন, তার কলেজে শিক্ষার্থী সংকট নেই। সকল বছরই গড়ে ৯০ জন শিক্ষার্থী ভর্তি হয়। সর্বশেষ এমপিও ভুক্তির সময় পাসের হার এক শতাংশ কম থাকায় তার কলেজ বাদ পড়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষরা এই প্রতিবেদককে বলেছেন, তাদের প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অবকাঠামো সব থাকলেও তারা নিয়মের বেড়াজালে পড়ে গেছেন। অনলাইনের যুগে কোন ভাল শিক্ষার্থী ইচ্ছে করে তাদের ননএমপিও প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হয় না। বাড়ি বাড়ি গিয়ে নানান সুবিধা দিয়ে শিক্ষার্থী এনে ভর্তি করানো হয়। সব ধরনের প্রচেষ্টা চালিয়ে ভাল ফলাফলও করান তারা। তারপরও ২/১ভাগ পাশের হার কম হলে এমপিও অযোগ্য বিবেচিত হন।

বাংলাদেশ নন এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক কর্মচারী ফেডারেশনের সভাপতি অধ্যক্ষ গোলাম মাহমুদুন নবী বলেছেন, সরকারের নীতিমালা মেনেই এসব প্রতিষ্ঠান তৈরী ও শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ দেয়া হয়েছে। যেকোন নীতিমালা হয় ভবিষ্যতের জন্য কিন্তুু দুঃখজনক ভাবে শিক্ষাক্ষেত্রে নতুন নীতিমালার দোহাই দিয়ে ২৩ বছর আগের প্রতিষ্ঠানকেও এমপিও ভুক্ত করা হচ্ছে না। আমরা সমাজে আর মুখ দেখাতে পারছি না।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (কলেজ) মুঃ ফজলুর রহমান এই প্রতিবেদককে বলেছেন, সরকারের নীতিমালার বাহিরে কারো কোন কিছু করার সুযোগ নেই। নতুন নীতিমালা প্রনয়নের দিন থেকে আর আগের নিয়ম কার্যকর নয়। ঘোষিত সর্বশেষ নীতিমালা অনুসারেই সরকার ঘোষিত গণবিজ্ঞপ্তিতে আবেদন করা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিও ভুক্ত করা হবে।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

ঢাবিতে ক্যান্টিনের দেয়াল ধসে আহত ২

অনলাইন ডেস্ক

ঢাবিতে ক্যান্টিনের দেয়াল ধসে আহত ২

ধসে পড়া দেয়াল

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কবি জসিমউদ্দীন হলের ক্যান্টিনের ভেতরের একটি দেয়াল হঠাৎ ধসে পড়ার ঘটনায় দুইজন আহত হয়েছেন। আহত দুইজনই ক্যান্টিনের কর্মচারী।

সোমবার (২৯ নভেম্বর) দুপুর দুইটার দিকে হল ক্যান্টিনের কাউন্টারের সামনের পাঁচ ফুটের দেয়ালটি ধসে পড়ে। দেয়ালটি পেছন দিকে ধসে পড়ায় হতাহতের সংখ্যা বেশি হয়নি। তবে সামনের দিকে পড়লে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারতো বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থী ও ক্যান্টিন কর্মচারীরা।

প্রত্যক্ষদর্শী এক ক্যান্টিনবয় জানান, আমরা খাবার আনতেছিলাম তখন হঠাৎ করেই এটি ধসে পড়ে। দেয়ালটি খুব হালকাভাবে তৈরি করা হয়েছিল। হয়তো সিমেন্টের পরিমাণ খুব কম দেয়া হয়েছে তাই এমন ঘটনা ঘটেছে। 

জসীমউদদীন হলের এই ক্যান্টিনের পরিচালক মোবারক মজুমদার বলেন, দুপুর দুইটার পর দেয়ালটি ধসে পড়ে। এটি ডান পাশে পড়ায় তেমন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। বাম পাশে হলের কর্মচারীরা ছিলেন। দেয়ালটি সেদিকে পড়লে আরও বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারতো। এই ঘটনার সময় হলের কাঠমিস্ত্রি শংকর তার ভাইকে নিয়ে দেয়ালটির পাশের টেবিলে বসে দুপুরের খাবার খাচ্ছিলেন ৷ সৌভাগ্যক্রমে তারা খুব বেশি আঘাত পাননি। তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।


আরও পড়ুন:

দেশে করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া সবাই পুরুষ

খালেদা জিয়ার মেডিকেল বোর্ডের বক্তব্যকে গুরুত্ব দিন: সরকারকে রিজভী

ফাঁকিবাজ সরকার বলেই সত্য বললেও মানুষ বিশ্বাস করেনা: মান্না


এ বিষয়ে জানতে চাইলে হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আব্দুর রশিদ বলেন, আমরা ইঞ্জিনিয়ার নিয়ে তাৎক্ষণিক ক্যান্টিন পরিদর্শন করেছি। কোথায় সমস্যা ছিলো সেটি দেখার জন্য একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। কমিটির প্রতিবেদন ও সুপারিশ অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এটা শুকরিয়া যে তেমন কোনো বড় দুর্ঘটনা ঘটেনি।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

বিসিএস লিখিত পরীক্ষা শুরু কাল: মানতে হবে যেসব নির্দেশনা

অনলাইন ডেস্ক

বিসিএস লিখিত পরীক্ষা শুরু কাল: মানতে হবে যেসব নির্দেশনা

পিএসসি

আগামীকাল সোমবার (২৯ নভেম্বর) শুরু হতে যাচ্ছে ৪১তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা। আগামী ৭ই ডিসেম্বর পর্যন্ত আবশ্যিক বিষয়ের এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রংপুর ও ময়মনসিংহ কেন্দ্রে একযোগে পরীক্ষা শুরু হবে।

পিএসসির এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পরীক্ষার হলে বই-পুস্তক, সব প্রকার ঘড়ি, মোবাইল ফোন, ক্যালকুলেটর, সব ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস, ক্রেডিট কার্ড সদৃশ কোনো ডিভাইস, গহনা, ব্রেসলেট ও ব্যাগ আনা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। তাছাড়া পরীক্ষার কেন্দ্রগুলোতে জনসমাগম পরিহারের অনুরোধ করেছে পিএসসি।


লিখিত পরীক্ষার প্রার্থীদের যেসব নির্দেশনা মানতে হবে-

১) পরীক্ষা হলে বই-পুস্তক, সব প্রকার ঘড়ি, মোবাইল ফোন, ক্যালকুলেটর, সব ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস, ব্যাংক/ক্রেডিট কার্ড সদৃশ কোনো ডিভাইস, গহনা, ব্রেসলেট ও ব্যাগ আনা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। নিষিদ্ধ সামগ্রীসহ কোনো প্রার্থী পরীক্ষা হলে প্রবেশ করতে পারবেন না।


২) পরীক্ষা কেন্দ্রের গেটে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট-পুলিশের উপস্থিতিতে প্রবেশপত্র এবং মেটাল ডিটেক্টরের সাহায্যে মোবাইল ফোন, ঘড়ি, ইলেকট্রনিক ডিভাইসসহ নিষিদ্ধ সামগ্রী তল্লাশির মধ্য দিয়ে প্রার্থীদের পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে।

আরও পড়ুন:


তাইজুল ম্যাজিকে লিড পেলো বাংলাদেশ

হেফাজত মহাসচিব মাওলানা নুরুল ইসলাম আইসিইউতে

অন্তঃসত্ত্বা নারীকে হত্যা করে পেট চিরে বাচ্চা চুরি!


৩) পরীক্ষার দিন উল্লিখিত নিষিদ্ধ সামগ্রী সঙ্গে না আনার জন্য সব প্রার্থীর মোবাইল ফোনে এসএমএস পাঠানো হবে। এসএমএস বার্তার নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।

৪) পরীক্ষার সময় প্রার্থীরা কানের ওপর কোনো আবরণ রাখবেন না, কান খোলা রাখতে হবে। কানে কোনো ধরনের হিয়ারিং এইড ব্যবহারের প্রয়োজন হলে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শপত্রসহ পূর্বাহ্নে কমিশনের অনুমোদন গ্রহণ করতে হবে।

৫) পরীক্ষার কেন্দ্রে কোনো প্রার্থীর কাছে বর্ণিত নিষিদ্ধ সামগ্রী পাওয়া গেলে তা বাজেয়াপ্তসহ বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বয়স, যোগ্যতা ও সরাসরি নিয়োগের জন্য পরীক্ষা) বিধিমালা, ২০১৪ এর বিধি ভঙ্গের কারণে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিলসহ ভবিষ্যতে কর্ম কমিশন কর্তৃক গৃহীতব্য সব নিয়োগ পরীক্ষার জন্য উক্ত প্রার্থীকে অযোগ্য ঘোষণা করা হবে।

এর আগে গত ১৯শে মার্চ দেশের আট বিভাগের কেন্দ্রে প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ৪১তম বিসিএসে আবেদন করেছিলেন ৪ লাখ ৪ হাজার ৫১৩ জন প্রার্থী। এর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে ৩ লাখ ৪ হাজার ৯০৭ জন।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

বুয়েটে ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ

অনলাইন ডেস্ক

বুয়েটে ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) স্নাতক ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। গতকাল রাতে বুয়েটের ওয়েবসাইট ও নোটিশ বোর্ডে ভর্তি পরীক্ষার এ ফল প্রকাশ করা হয়।

এবার দুই ধাপে ভর্তি পরীক্ষা নিয়েছে বুয়েট। গত ২০ ও ২১ অক্টোবর মহামারী পরিস্থিতি বিবেচনায় চার শিফটে ভাগ করে প্রাক-নির্ববাচনী পরীক্ষা নেওয়া হয়। এতে ১৮ হাজার ৫ জন ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। পরীক্ষার ফলাফলে প্রথম ছয় হাজার জনকে লিখিত পরীক্ষার জন্য মনোনীত করা হয়। ৬ নভেম্বর অনুষ্ঠিত লিখিত পরীক্ষায় ছয়জন প্রার্থী অনুপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন


স্বল্পোন্নত দেশ থেকে বের হয়ে যাওয়া ও বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ

সিলেট থেকে বিদেশে পণ্য রপ্তানির ব্যবস্থা করা হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী


ফলাফলে লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ৫ হাজার ৯৪৪ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ১ হাজার ৯৮০ জন ভর্তির জন্য প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত ও অপেক্ষমাণ তালিকায় স্থান পেয়েছেন। সে হিসাবে পাসের হার ৩৩ দশমিক শূন্য ৩। যাচাই-বাছাইয়ের পর এই শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে ১ হাজার ২১৫ জন এবার বুয়েটে ভর্তির সুযোগ পাবেন।

বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল দেখতে এখানে ক্লিক করুন

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপিত

খুলনা

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপিত

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়

উৎসবমুখর পরিবেশে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন। পরে উপাচার্যের নেতৃত্বে ক্যাম্পাসে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়।

এতে উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোসাম্মৎ হোসনে আরা, রেজিষ্ট্রার, ডিসিপ্লিন প্রধান, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। পরে ১২টায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের সংস্কারকৃত বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল উদ্বোধন করা হয়। 

এছাড়া দিবসটি উপলক্ষে ক্যাম্পাসে আলোকসজ্জা, কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও বৃক্ষরোপন কর্মসূচি পালন করা হয়। 

উল্লেখ্য, দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের পর ১৯৮৭ সালের ৪ জানুয়ারি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা সংক্রান্ত সরকারি সিদ্ধান্ত গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়। ১৯৮৯ সালের ৯ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। ১৯৯০ সালের জুলাই মাসে জাতীয় সংসদে ‘খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় আইন-১৯৯০’ পাস হয়।

১৯৯১ সালের ২৫ নভেম্বর শিক্ষাকার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। ১৯৯০-৯১ শিক্ষাবর্ষে ৪টি ডিসিপ্লিনে ৮০ জন শিক্ষার্থী নিয়ে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাকার্যক্রমের যাত্রা শুরু হয়। ৩১তম শিক্ষাবর্ষে এখন ডিসিপ্লিনের সংখ্যা ২৯টি এবং শিক্ষার্থী সংখ্যা প্রায় সাত হাজার। 

news24bd.tv/ কামরুল 

পরবর্তী খবর

ঢাবি ‘ঘ’ ইউনিটের ফল প্রকাশ, ৯০.১৩ শতাংশই ফেল

অনলাইন ডেস্ক

ঢাবি ‘ঘ’ ইউনিটের ফল প্রকাশ, ৯০.১৩ শতাংশই ফেল

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ঘ’ ইউনিটের অধীনে প্রথম বর্ষে (স্নাতক সম্মান) ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা  হয়েছে।

আজ দুপুর সাড়ে ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রশাসনিক ভবনের অধ্যাপক আব্দুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশ করেন।

ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, পাস করেছেন সাত হাজার ৯৯৪ জন। পাসের হার ৯.৮৭ শতাংশ।


আরও পড়ুন:

পুলিশের সব ছুটি বাতিল, দ্রুত কর্মস্থলে ফেরার নির্দেশ

পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ


ফলাফলে দেখা যায়, ৯০.১৩ শতাংশ শিক্ষার্থীই ফেল করেছেন। এ ইউনিটের আসন সংখ্যা এক হাজার ৫৭০।

এ বছর ‘ঘ’ ইউনিটে ১৫৭০ আসনের বিপরীতে আবেদন করেছিলেন ১ লাখ ১৫ হাজার ৮৮১ জন। এরমধ্যে অংশগ্রহণ করেছেন ৮১ হাজার ৭ জন।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর