মণ্ডপে কোরআন রাখা ব্যক্তির পরিচয় জানাল পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক

মণ্ডপে কোরআন রাখা ব্যক্তির পরিচয় জানাল পুলিশ

কুমিল্লার পূজা মণ্ডপে পবিত্র কোরআন শরিফ রাখা ব্যক্তিকে শনাক্ত করেছে পুলিশ। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে তাকে চিহ্নিত করা হয়েছে।  বুধবার (২০ অক্টোবর) বিষয়টি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন কুমিল্লার পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদ। 

তিনি জানান, কুমিল্লার পূজা মণ্ডপে পবিত্র কোরআন শরিফ রেখেছিলেন ইকবাল হোসেন (৩৫) নামে এক ব্যক্তি। পুলিশের একাধিক সংস্থার তদন্তে তাকে চিহ্নিত করা হয়েছে। ইকবাল হোসেনের বাবার নাম নূর আহমেদ আলম। বাড়ি কুমিল্লা নগরের সুজানগর এলাকায়। ইকবালকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। 

গত বুধবার (১৩ অক্টোবর) সকালে কুমিল্লা নগরীর নানুয়া দীঘির উত্তরপাড় পূজামণ্ডপে কুরআন অবমাননার অভিযোগে ওই মণ্ডপে হামলা চালায় একদল লোক। সেখানে ব্যাপক ভাংচুর চালানো হয়।

কুমিল্লার ঘটনার জের ধরে ওই দিন চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ ও দেশের বিভিন্ন স্থানে হিন্দুদের মন্দির, মণ্ডপ ও দোকানপাটে হামলা–ভাংচুর চালানো হয়। 

কুমিল্লার ঘটনায় এ পর্যন্ত জেলার তিনটি থানায় মোট আটটি মামলা হয়েছে। এই আট মামলায় অজ্ঞাত অন্তত ৮০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত আট মামলায় পুলিশ ও র‌্যাব ৪৭ জনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করেছে।

কুমিল্লায় পূজামণ্ডপে পবিত্র কোরআন অবমাননাকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন স্থানে ঘটা ঘটনায় গতকাল মঙ্গলবার পর্যন্ত ৭২টি মামলা করা হয়েছে। এসব মামলায় ৪৫০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ছাড়া, আরও মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং দুষ্কৃতকারীদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।

আরও পড়ুন


বঙ্গবন্ধু যেতেই গুলি বন্ধ করল বিডিআর

মানুষের সঙ্গে যেভাবে কথা বলতেন বিশ্বনবী

সূরা বাকারা: আয়াত ১২৮-১৩৩, আল্লাহর নির্দেশ ও হয়রত ইব্রাহিম (আ.)

কলকাতা প্রেস ক্লাবে ‘বঙ্গবন্ধু মিডিয়া সেন্টার’


আজ বুধবার পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) মোহাম্মদ শাহ জালাল স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

পরাজিত প্রার্থীকে কুপিয়ে আহত করলো দুর্বৃত্তরা

অনলাইন ডেস্ক

পরাজিত প্রার্থীকে কুপিয়ে আহত করলো দুর্বৃত্তরা

পরাজিত মেম্বার প্রার্থী কামরুল ফকিরকে (৫০) কুপিয়ে মারাত্মক আহত করেছে দুর্বৃত্তরা।  নড়াইলের কালিয়া উপজেলার চাচুড়ী ইউনিয়নে গতকাল সোমবার রাত ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

হামলার ঘটনাটি ঘটেছে সুমেরুখোলা গ্রামে মহানন্দ বিশ্বাসের চায়ের দোকানের সামনে। আহত কামরুল বর্তমানে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

আহত কামরুল ফকির কালিয়া উপজেলার চাচুড়ি ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের সুমেরুখোলা গ্রামের রসুল ফকিরের ছেলে। ৩য় দফা ইউপি নির্বাচনে ওই ওয়ার্ড থেকে মোরগ প্রতীক নিয়ে মেম্বার পদে নির্বাচন করে টিউবওয়েল প্রতীকের মনিরুল ইসলামের কাছে পরাজিত হন।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আহত কামরুল ইউপি নির্বাচনে হেরে গেলে বিজয়ী প্রার্থী মনিরুল ইসলামের দুই সমর্থকের সঙ্গে গতকাল সোমবার বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পরেন।

এ ঘটনার জের ধরে বিজয়ী মেম্বর মনিরুল ইসলামের সমর্থকরা রাত ৯টার দিকে সুমেরুখোলা গ্রামে মহানন্দ বিশ্বাসের চায়ের দোকানের সামনে কামরুলকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে মারাত্মক আহত করে। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে নড়াইল সদর হাসপাতালে নেয়, পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ওই রাতেই তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

আরও পড়ুন:

পৃথিবীর নতুন প্রজাতন্ত্র হিসেবে পরিচিতি পেলো বার্বাডোজ

তানজানিয়ায় বিষাক্ত কচ্ছপের মাংস খেয়ে ৭ জনের মৃত্যু

হাফ ভাড়া কার্যকর করতে মালিক সমিতির শর্তসমূহ

কালিয়া থানার পরিদর্শক (অপারেশন) মো. আব্দুল গফুর জানান, এ ঘটনায় এখনো পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ করেনি। তবে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি।

 news24bd.tv/এমি-জান্নাত   

পরবর্তী খবর

‘সবাইকে সালাম’ লিখে গৃহবধূর আত্মহত্যা

অনলাইন ডেস্ক

‘সবাইকে সালাম’ লিখে গৃহবধূর আত্মহত্যা

চিরকুট।

‘আমি নিজের ইচ্ছায় মরেছি, এতে আমার স্বামীর কোনো অন্যায় নেই, আমি মরলে যেন আমার স্বামী আরেকটা বিয়ে করে...,’ এমন চিরকুট লিখে আত্মহনন করেছেন স্ত্রী। এমন ঘটনা ঘটেছে নেত্রকোনার দুর্গাপুর। গৃহবধূর নাম হাওয়া (১৮)।

সোমবার (২৯ নভেম্বর) রাতে পৌর শহরের ভাঙ্গা ব্রিজ এলাকার স্বামীর বসতঘর থেকে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহনুর এ আলম জানান, নিহত গৃহবধূ উপজেলার চন্ডিগড় ইউনিয়নের সাতাশী গ্রামের কৃষক ফজলুল করিমের মেয়ে। তার স্বামীর নাম হাসান মিয়া। স্থানীয় একটি ইটভাটায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন তিনি।

আশপাশের লোকজনের বরাতে তিনি জানান, তিন মাস আগে তাদের বিয়ে হয়। প্রতিদিনের মতো সোমবার সকালে ইটভাটায় কাজ করতে চলে যান হাসান মিয়া। এরপর হাওয়া তার শ্বশুরকে তাকে বাপের বাড়ি দিয়ে আসতে বলেন। শ্বশুরও তাকে নিয়ে যান এবং সারাদিন সেখানে থেকে বিকেলে আবারো শ্বশুরের সাথে চলে আসেন স্বামীর বাড়ি। এরপর শ্বশুর তাকে বাসায় রেখে বাজারে যান।

পার্শ্ববর্তী বাসার মাহফুজা জানান, সোমবার রাত ৮টার দিকে তিনি ডাল মিশ্রণের ঘুটনি আনার জন্য হাওয়ার কাছে যান। এ সময় তিনি দেখেন যে হাওয়ার নিথর দেহ ঘরের আড়ায় ঝুলছে। তার চিৎকারে লোকজন এসে পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে।

মৃত্যুর আগে হাওয়া তার চিরকুটে লিখেছেন, ‘আমি নিজের ইচ্ছে মরেছি। এতে আমার স্বামীর কেনো অন্যায় নেই। আমি মরলে যেন আমার স্বামী আরেকটা বিয়ে করে। আমি খারাপ মানুষ তাই মরে যাচ্ছি। আমি মরলে আমার সব জিনিসপত্র আমার বাড়িতে দিয়ে দেয় আমার মা বাবার কাছে। আর সবার প্রতি আমার সালাম। আসসালামু আলাইকুম। ইতি- হাওয়া। আমাকে মাফ করে দিও সবাই।’

পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করেছে বলে জানান ওসি। তিনি বলেন, চিরকুট পাওয়ার কথা তিনি স্বীকার করেন। লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য আজ মঙ্গলবার সকালে নেত্রকোনা মর্গে পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: 


জাতীয় অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম না ফেরার দেশে


 

news24bd.tv/ তৌহিদ

পরবর্তী খবর

কুমিল্লায় কাউন্সিলর হত্যা: ৬ হামলাকারী শনাক্ত

অনলাইন ডেস্ক

কুমিল্লায় কাউন্সিলর হত্যা: ৬ হামলাকারী শনাক্ত

কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. সোহেল ও তার সহযোগী হরিপদ সাহা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ৬ হামলাকারীকে শনাক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

গ্রেফতার মাে. রাব্বি ইসলাম অন্তু (১৯) সোমবার (২৯ নভেম্বর) আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি প্রদান করেন।

কুমিল্লায় প্রকাশ্য দিবালোকে কাউন্সিলর সোহেল ও তার সহযোগী হরিপদ সাহাকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় হিট স্কোয়াডে ছিলেন ছয়জন। খুনের আগে মামলার ৫ নম্বর আসামি সাজনের বাসায় বৈঠক হয়। এদিকে এজাহারনামীয় প্রধান আসামি শাহ আলম ও নাজিমের সিসিটিভি ফুটেজ পুলিশের হাতে এসেছে। ২৮ সেকেন্ডের ওই ফুটেছে দেখা যায় শাহ আলম ও নাজিম গুলি করতে করতে দৌড়াচ্ছেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে কুমিল্লা জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সোহান সরকার বলেন, ‘আমরা সিসিটিভি ফুটেজ দেখে শাহ আলম ও নাজিমকে চিহ্নিত করেছি। তথ্যানুসন্ধানে আমরা নিশ্চিত হয়েছি হিট স্কোয়াডে ছিলেন ছয়জন। তারা হলেন এজাহারনামীয় ১ নম্বর আসামি শাহ আলম, ২ নম্বর আসামি জেল সোহেল, ৩ নম্বর আসামি সাব্বির হোসেন, ৫ নম্বর আসামি সাজন। এ ছাড়া স্থানীয় নাজিম নামে এক যুবক ও ফেনী থেকে আগত অজ্ঞাত এক আসামি রয়েছেন।’ 

পুলিশ কর্মকর্তা সোহান সরকার আরও বলেন, ‘অনুসন্ধানে আমরা আরও জানতে পেরেছি সাজনের বাসায় বৈঠক শেষে কিলিং মিশনে আসেন অন্য আসামিরা।’ 

সোহান সরকার আরও জানান, কিলিং মিশনে থাকা অপরাধীদের গ্রেফতারে পুলিশের একাধিক টিম মাঠে রয়েছে। 

উল্লেখ্য, ২২ নভেম্বর বিকাল ৪টার দিকে মহানগরীর পাথরিয়াপাড়ায় কাউন্সিলর কার্যালয়সংলগ্ন থ্রি স্টার এন্টারপ্রাইজে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হন কাউন্সিলর সোহেল ও তার সহযোগী হরিপদ সাহা। গুলিবিদ্ধ হন আরও পাঁচজন। জোড়া খুনের ঘটনায় ২৩ নভেম্বর রাতে কাউন্সিলর সোহেলের ছোট ভাই সৈয়দ মো. রুমন বাদী হয়ে ১১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১০ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন।

 news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

হোটলে যুবকের লাশ, উধাও কথিত স্ত্রী ও ছোট ভাই

অনলাইন ডেস্ক

হোটলে যুবকের লাশ, উধাও কথিত স্ত্রী ও ছোট ভাই

একটি হোটেলে এক যুবকের লাশ রেখে তার কথিত স্ত্রী ও ছোটভাই উধাও হয়েছে। লাশ উদ্ধারের পর তাদের খুঁজছে পুলিশ। সোমবার বিকাল ৩টায় সিলেট নগরীর দরগাহ গেটের হোটেলের একটি কক্ষ থেকে লাশটি উদ্ধার হয়।

এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হোটেলের ম্যানেজারকে আটক করেছে পুলিশ। এ ঘটনা ঘটেছে দরগাহ গেটের জমজম আবাসিক হোটেলে।

পুলিশ জানায়, উদ্ধার করা লাশটি মোরশেদ (৪৭) নামের একজনের। তার বাড়ি  নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও থানার সেনপাড়া গ্রামে। তার পিতার নাম মাকু মিয়ার ছেলে।

হোটেল সংশ্লিষ্টরা জানান, রোববার রাত ১১টার দিকে মোরশেদ, তার কথিত স্ত্রী সাথী আক্তার (৩০) ও ছোট ভাই বাবু মিয়া (২৯) জমজম হোটেলে উঠেন। তারা তৃতীয় তলার একটি ডাবল ও একটি সিঙ্গেল রুম ভাড়া নেন। 

সোমবার দুপুরে এক হোটেল কর্মচারী নিয়মিত রুম সার্ভিসে তৃতীয় তলায় গিয়ে দেখতে পান, ডাবল রুমের খাটের ওপর মোরশেদের নিথর দেহ পড়ে আছে। জানার পর পুলিশ গিয়ে মোরশেদের লাশ উদ্ধার করে।

আরও পড়ুন:


ফের মেয়র নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীর ভাতিজা

হেফাজত মহাসচিব নুরুল ইসলাম জিহাদী না ফেরার দেশে

পীরগঞ্জে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত বেড়ে ৩


 

কোতোয়ালি থানার ওসি মোহাম্মদ আলী মাহমুদ জানান, লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে মৃতদেহে কোনো আঘাতের চিহ্ন নেই। হোটেলের ম্যানেজারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। 

 news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

বাসচাপায় শিক্ষার্থীর মৃত্যু, সড়ক অবরোধ-অগ্নিসংযোগ

অনলাইন ডেস্ক

বাসচাপায় শিক্ষার্থীর মৃত্যু, সড়ক অবরোধ-অগ্নিসংযোগ

রাজধানীর রামপুরায় বাসচাপায় এক শিক্ষার্থী মারা গেছে। শিক্ষার্থীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ঘটনাস্থলে জড়ো হয়ে সড়ক অবরোধ করেছে উত্তেজিত জনতা। পাশাপাশি তারা বাসে আগুন দিয়েছে।   

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ওই ছাত্রের সঙ্গে বাস ভাড়া নিয়ে তর্কে জড়িয়ে পড়ে বাসের হেলপার। পরে তাকে ধাক্কায় দিলে, রাস্তায় পড়ে যায় সে। এরপর চলন্ত বাস, তার মাথার উপর দিয়ে চালিয়ে পালিয়ে যায়। এতে ঘটনা স্থলেই তার মৃত্যু হয়।

আরও পড়ুন:


ফের মেয়র নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীর ভাতিজা

হেফাজত মহাসচিব নুরুল ইসলাম জিহাদী না ফেরার দেশে

পীরগঞ্জে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত বেড়ে ৩


সোমবার রাত পৌনে এগারোটার দিকে রামপুরা বাজারের সামনে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করে রামপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলেন, বাসচাপায় রামপুরা বাজারের সামনে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় উত্তেজিত জনতা সড়ক অবরোধ করেছে।

 news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর