সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহাসহ ১১ জনের মামলার রায় আবারও পেছালো

অনলাইন ডেস্ক

সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহাসহ ১১ জনের মামলার রায় আবারও পেছালো

ফারমার্স ব্যাংক (বর্তমানে পদ্মা ব্যাংক) থেকে ৪ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের করা মামলায় বাংলাদেশের সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার (এসকে) সিনহাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার রায় ঘোষণার তারিখ আবারও পেছালো। আজ বৃহস্পতিবার (২১ অক্টোবর) সংশ্লিষ্ট মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য ছিলো। ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক শেখ নাজমুল আলমের আদালতে এই মামলার রায় হওয়ার কথা ছিলো বলে জানা গেছে।

এর আগে গত ৫ অক্টোবর ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর ভারপ্রাপ্ত বিচারক আলী হোসেন এদিন ধার্য করেন। ওইদিন মামলার রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু বিচারক শেখ নাজমুল আলম অসুস্থ থাকায় তারিখ পিছিয়ে পরবর্তী রায় ঘোষণার জন্য ২১ অক্টোবর দিন ধার্য করেন। 

গত ২৯ আগস্ট আত্মপক্ষ সমর্থনে সাত আসামি নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন এবং আদালতের কাছে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করেন। এরা হলেন- ফারমার্স ব্যাংক লিমিটেডের অডিট কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান মো. মাহবুবুল হক চিশতী (বাবুল চিশতী), ফারমার্স ব্যাংকের সাবেক এমডি এ কে এম শামীম, ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট স্বপন কুমার রায়, ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. লুৎফুল হক, সাবেক এসইভিপি গাজী সালাহউদ্দিন, টাঙ্গাইলের মো. শাহজাহান ও একই এলাকার নিরঞ্জন চন্দ্র সাহা। মামলার আসামিদের মধ্যে কারাগারে রয়েছেন মাহবুবুল হক চিশতী। আর বাকি ছয়জন জামিনে।

অপরদিকে সুরেন্দ্র কুমার সিনহা, ফারমার্স ব্যাংকের ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট সফিউদ্দিন আসকারী আহমেদ, রণজিৎ চন্দ্র সাহা ও তার স্ত্রী সান্ত্রী রায় পলাতক রয়েছেন। পলাতক থাকায় তারা আত্মপক্ষ সমর্থন করতে পারেননি। এ মামলায় সাক্ষি দিয়েছেন ২১ জন।

২০১৯ সালের ১০ জুলাই এস কে সিনহাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঢাকা-১ এ মামলা করা হয়। মামলার বাদী দুদকের পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন। আসামিদের বিরুদ্ধে ঋণ জালিয়াতি ও চার কোটি টাকা আত্মসাতে জড়িত থাকার অভিযোগ আনা হয়।

এরপর একই বছরের ১০ ডিসেম্বর আদালতে এস কে সিনহাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদকের পরিচালক বেনজীর আহমেদ। ২০২০ সালের ১৩ আগস্ট ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক শেখ নাজমুল আলম এস কে সিনহাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।

আরও পড়ুন:


৬ মাস ধরে জেলে থাকা বিএনপির ৩ নেতা পূজামন্ডপের হামলার আসামি

বিশ্বে সংক্রমণ ও মৃত্যু বেড়েছে , ২০২২ সাল পর্যন্ত থাকতে পারে করোনা মহামারি

পূজামণ্ডপে কোরআন রাখা কে এই ইকবাল?

পূজামণ্ডপে কোরআন শরিফ রেখে গদা নিয়ে যায় ইকবাল


আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯/৪২০/১০৯ ধারা ও ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারা এবং ২০১২ সালের মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ৪(২)(৩) ধারায় অভিযোগ গঠন করা হয়। ধারাগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। ফলে মামলার ধারা অনুযায়ী অপরাধ প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ শাস্তি হতে পারে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।

news24bd.tv রিমু    

পরবর্তী খবর

জেমস ও মাইলসের মামলায় জামিন পেলেন বাংলালিংকের সিইও

অনলাইন ডেস্ক

জেমস ও মাইলসের মামলায় জামিন পেলেন বাংলালিংকের সিইও

ফাইল ছবি

অনুমতি ছাড়া জেমস ও মাইলসের ৮টি গান ১৪ বছর ধরে ওয়েলকামটিউন হিসেবে ব্যবহার করায় কপিরাইট আইনে বাংলালিংকের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন জেমস ও মাইলস। সেই মামলায় জামিন পেয়েছেন বাংলালিংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) এরিক অ্যাসসহ চারজন।

জামনি পাওয়া অন্য তিনজন হলেন- প্রতিষ্ঠানটির চিফ কমপ্লায়েন্স অফিসার এম নুরুল আলম, চিফ করপোরেট রেগুলেটরি অফিসার তৈমুর রহমান এবং হেড অব ভ্যাস অনিক ধর।

মঙ্গলবার (৩০ নভেম্বর) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালতে তারা পৃথক দুই মামলায় আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক আগামী ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত জামিন মঞ্জুর করেন।

আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর তাপস কুমার পাল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এসময় তিনি বলেন, জেমস আদালতে বাংলালিংকের বিরুদ্ধে কপিরাইট আইনে মামলার আবেদন করতে আসেন। বিচারক গুলশান থানায় গিয়ে মামলা দায়েরের পরামর্শ দেন। এছাড়া থানায় যদি মামলা না নেয় তাহলে আদালতে এসে মামলার আবেদন করতে বলেন।

এর আগে ১০ নভেম্বর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালতে এ দুই মামলা করেন তারা। আদালত তাদের এ বিষয়ে জবাব দেওয়ার জন্য বাংলালিংকের বিরুদ্ধে সমন জারি করেন। সেদিন জেমস আদালতে উপস্থিত হন। এছাড়া মাইলসের পক্ষে দুজন উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন


আবারও সড়কে ঝরল শিক্ষার্থীর প্রাণ

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

সেই লেডি বাইকার রিয়ার পক্ষে আদালতে ব্যারিস্টার সুমন

অনলাইন ডেস্ক

সেই লেডি বাইকার রিয়ার পক্ষে আদালতে ব্যারিস্টার সুমন

লেডি বাইকার রিয়া রায় ও ব্যারিস্টার সুমন

সিলেটের আলোচিত লেডি বাইকার রিয়া রায় মাদক মামলায় আগাম জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেছেন। তিনি এখনও পতালক রয়েছেন। রিয়ার পক্ষে ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন উচ্চ আদালতে শুনানি করবেন।

মঙ্গলবার (৩০ নভেম্বর) ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন। এসময় তিনি বলেন, হাইকোর্টের একটি ফৌজদারি বেঞ্চে লেডি বাইকার রিয়া রায়ের জামিন আবেদন করেছি। তার পক্ষে আমি নিজেই শুনানি করব।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, চলতি মাসের ৭ নভেম্বর সিলেট নগরীর এয়ারপোর্ট এলাকা থেকে মাদকসহ গ্রেফতার হন রিয়ার প্রেমিক আরমান সামী। ওই ঘটনায় আরমান সামীকে প্রধান আসামি করে রিয়াসহ দুই জনের বিরুদ্ধে মাদক দ্রব্য আইনে মামলা করে সিলেট বিমানবন্দর থানা পুলিশ।

মামলার এজাহারে বলা হয়, ৫০০ গ্রাম মদ, ১০ পিস ইয়াবা ও দুই প্যাকেট গাঁজাসহ গ্রেফতার করার পর প্রেমিক সামী জানায় তার সঙ্গে লেডি বাইকার রিয়াও ছিল। কৌশলে সে পালিয়ে গেছে।

সামীর মা-বাবা বলেন, টিকটকে একসঙ্গে ভিডিও তৈরি করত সামী ও রিয়া। সেখান থেকেই বন্ধুত্ব, তারপর প্রেম। তবে রিয়া হিন্দু ধর্মের এজন্য সামীকে প্রেমের সম্পর্ক ভেঙে দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিল পরিবার।

সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের তদন্ত কর্মকর্তা পলাশ চন্দ্র দাশ জানান, রিয়াকে গ্রেফতার করার জন্য পুলিশের একাধিক টিম মাঠে কাজ করছে। বর্তমানে জেলে আছেন রিয়ার প্রেমিক আরমান সামী।

আরও পড়ুন


ভোটে হারলো দুই সতীনই, স্বামীর ক্ষোভ তৃতীয় স্ত্রীর ‍উপর

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে নিয়ে কটূক্তি

এবার জাহাঙ্গীরের নামে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা

অনলাইন ডেস্ক

এবার জাহাঙ্গীরের নামে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা

সাময়িক বহিষ্কৃত মেয়র মো. জাহাঙ্গীর আলম (ফাইল ছবি)

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের সাময়িক বহিষ্কৃত মেয়র মো. জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে। সোমবার ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আসসামছ জগলুল হোসেনের আদালতে ঢাকা আইনজীবী সমিতির সদস্য ওমর ফারুক আসিফ এ মামলা করেন।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে নিয়ে কটূক্তি করায় তার বিরুদ্ধে এ মামলা করা হয়েছে। ট্রাইব্যুনালের রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি নজরুল ইসলাম শামীম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এদিন আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করেন। এরপর শুনানি শেষে আদালত মামলার অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে আগামী ৬ জানুয়ারির মধ্যে সিআইডিকে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

 

পরবর্তী খবর

শিশু হত্যা করে পুঁতে ফেলার শাস্তি মৃত্যুদণ্ড

বেলাল রিজভী, মাদারীপুর

শিশু হত্যা করে পুঁতে ফেলার শাস্তি মৃত্যুদণ্ড

শিশু হত্যা মামলার রায় ঘোষণা, প্রতীকী ছবি।

মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার সেনদিয়া গ্রামে শিশু হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে। মাদারীপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক নিতাই চন্দ্র সাহা সোমবার সকালে এই  রায় দেন। রায়ে তিনজনকে ফাঁসি ও একজনকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত। মৃত্যুদণ্ড ছাড়াও ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানাও করা হয়।

মাদারীপুর পাবলিক প্রসিকিউটর (পি.পি) মো. সিদ্দিকুর রহমান সিং এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- রাজৈর পশ্চিম স্বরমঙ্গল গ্রামের রফিক হাওলাদারের ছেলে রাজিব হাওলাদার ( ৪১), কোদালিয়া বাজিতপুরের মুহিত গাছীর ছেলে রিমন হোসাইন ওরফে ইমন গাছী (৩২) ও  পিরোজপুর জেলার ভৈরমপুরের রফিকুল ইসলাম মোল্লার ছেলে শফিকুল ইসলাম মোল্লা (৩১)।

এছাড়া এ মামলায় বাগেরহাট জেলার সেলিম হাওলাদারের (৪১) বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৫ সালের ২০ সেপ্টেম্বর  রবিবার সকাল সাড়ে ৬ টার দিকে সেনদিয়া জামে মসজিদে আরবি পড়তে গিয়ে নিখোঁজ হয় টুকু সরদারের মেয়ে আদুরী আক্তার (০৫) । নিহতের বাবা টুকু সরদার বাদী হয়ে ২০১৫ সালের  ২২ সেপ্টেম্বর ছয়জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাত আরো ৪ থেকে পাঁচজনকে আসামি করে রাজৈর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলা দায়েরের পরে ওই মসজিদের ইমাম শফিকুল ইসলামকে রাজৈর থানা-পুলিশ গ্রেপ্তার করলে তিনি পুলিশের কাছে খুনের ঘটনা স্বীকার করে এবং তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী মসজিদের পাশ থেকে আদুরী আক্তারের বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করে। পরে মামলার চার আসামিকে পুলিশ গ্রেপ্তার করলে তিন আসামি উচ্চ আদালত থেকে জামিন নিয়ে অদ্যাবধি পলাতক রয়েছে। মামলার রায়ের দিন মামলার এক আসামি রিমন হোসাইন ওরফে ইমন গাছী আদালতে উপস্থিত ছিল। এসময় তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড ও একজনকে খালাস দেন আদালত।

নিহতের বাবা টুকু সরদার বলেন, আমার মেয়ে হত্যার রায়ে আমি খুশি হয়েছি। আমার সরকারের কাছে একটাই দাবী এই ফাসির রায় যেন দ্রুত কার্যকর হয়।

আরও পড়ুন:


ফের মেয়র নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীর ভাতিজা

হেফাজত মহাসচিব নুরুল ইসলাম জিহাদী না ফেরার দেশে

পীরগঞ্জে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত বেড়ে ৩


 

মাদারীপুর পাবলিক প্রসিকিউটর মো. সিদ্দিকুর রহমান সিং বলেন, ২০১৫ সালের ২০ সেপ্টেম্বর আদুরী নামে এক শিশুকে হত্যা করে লাশ বস্তাবন্দী করে লাশ পুঁতে রাখা হয়। পরে পুলিশ ঘটনার সাথে জড়িত মসজিদের ইমামকে গ্রেপ্তার করে এবং তার দেওয়া তথ্যমতে লাশ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায়। এই ঘটনায় আজ বিজ্ঞ সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ নিতাই চন্দ্র সাহা মামলায় রায় দেন। রায়ে তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড ও একজনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়। এই রায়ে আমরা রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্ট।

news24bd.tv/ তৌহিদ

পরবর্তী খবর

জি কে শামীমের মায়ের আগাম জামিন নয়

অনলাইন ডেস্ক

জি কে শামীমের মায়ের আগাম জামিন নয়

হাইকোর্ট।

জি কে শামীমের মা আয়েশা আক্তারকে আগাম  জামিন দেননি হাইকোর্ট। ৮ সপ্তাহের মধ্যে আত্মসমর্পণের নির্দেশ।

বিস্তারিত আসছে...

news24bd.tv/ তৌহিদ

পরবর্তী খবর