প্রধানমন্ত্রী তাকে যে শাস্তি দেবেন তা মাথা পেতে নেবো : ইকবালের মা

অনলাইন ডেস্ক

প্রধানমন্ত্রী তাকে যে শাস্তি দেবেন তা মাথা পেতে নেবো : ইকবালের মা

কুমিল্লার পূজা মণ্ডপে পবিত্র কোরআন শরিফ রাখা ব্যক্তিকে শনাক্ত করেছে পুলিশ। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে তাকে চিহ্নিত করে পুলিশ। এদিকে পূজামণ্ডপে পবিত্র কোরআন রাখা সেই যুবক ইকবাল হোসেনের (৩০) দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন তার মা বিবি আমেনা।

ইকবালের মা বিবি আমেনা  বলেন, ‘সে ১৬-১৭ বছর বয়স থেকে মাদকাসক্ত হয়ে পাগলামি করে আসছে। তার দ্বিতীয় স্ত্রী চলে যাওয়ার পর থেকে সে আমার মায়ের কাছে থাকতো। ঘটনার দুদিন আগে (১১ অক্টোবর) বিকেলে নেশা করে আমার সঙ্গে দেখা করতে বাসায় আসে। কেন এসেছো জিজ্ঞেস করলে কথা না বলে চলে যায়। এরপর থেকে আর বাসায় আসেনি।

তিনি বলেন, ভিডিওতে দেখেছি আমার ছেলে পূজামণ্ডপে পবিত্র কোরআন রেখেছে। এজন্য প্রধানমন্ত্রী আমার ছেলেকে যে শাস্তি দেবেন আমরা তা মাথা পেতে নেবো। এ ঘটনায় তার সঙ্গে যদি আরও কেউ জড়িত থাকে তাদেরও আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবি জানাই।

এদিকে কুমিল্লার পূজামণ্ডপে পাওয়া পবিত্র কোরআন শরীফটি বাংলাদেশে ছাপা হয়নি, বরং এটি সৌদি আরব থেকে আনা হতে পারে বলে জানিয়েছে পুলিশ।ছাপা, কাগজ ও ক্যালিগ্রাফির কাজ থেকে আপাতদৃষ্টিতে এটি সৌদি আরবে ছাপা বলে মনে করছে পুলিশ। কোরআন শরীফটি ঘটনার আগের রাতেই আনা হয়েছে বলে ধারণা করছেন তদন্তকারীরা।

অভিযুক্ত ইকবাল কুমিল্লা মহানগরীর ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের দ্বিতীয় মুরাদপুর লস্করপুকুরপাড় এলাকার নূর আহম্মদ আলমের ছেলে। তাকে গ্রেফতারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাধিক টিম কাজ করছে।

বৃহস্পতিবার (২১ অক্টোবর) সকালে দ্বিতীয় মুরাদপুর লস্করপুকুর এলাকায় গিয়ে জানা যায়, সিসি টিভি ক্যামেরার ফুটেজে শনাক্ত হওয়া ইকবাল হোসেন দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত এবং মানসিক ভারসাম্যহীন হিসেবে পরিচিত। তিন ভাই ও দুই বোনের মধ্যে সবার বড় তিনি। এরই মধ্যে বিয়ে করেছেন দুটি।

আরও পড়ুন


বঙ্গবন্ধু যেতেই গুলি বন্ধ করল বিডিআর

মানুষের সঙ্গে যেভাবে কথা বলতেন বিশ্বনবী

সূরা বাকারা: আয়াত ১২৮-১৩৩, আল্লাহর নির্দেশ ও হয়রত ইব্রাহিম (আ.)

কলকাতা প্রেস ক্লাবে ‘বঙ্গবন্ধু মিডিয়া সেন্টার


প্রথম বিয়ে করেছিলেন কুমিল্লার পার্শ্ববর্তী চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলায়। ওই সংসারে ১০ বছর বয়সী একটি ছেলেসন্তান রয়েছে। তার পাগলামির কারণে সাত-আট বছর আগে স্ত্রী আশা বেগম তাকে ছেড়ে অন্যত্র বিয়ে করে সংসার করছেন।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

শুরু হলো মহান বিজয়ের মাস

অনলাইন ডেস্ক

শুরু হলো মহান বিজয়ের মাস

আজ থেকে শুরু হলো বিজয়ের মাস ডিসেম্বর। ৩০ লাখ শহীদ আর দুই লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমহানির বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতার সাক্ষর এবারের বিজয়ের মাস নানা অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে পালিত হবে।

বাংলাদেশের সুদীর্ঘ রাজনৈতিক ইতিহাসে শ্রেষ্ঠ ঘটনা হলো ১৯৭১ সালের  মহান মুক্তিযুদ্ধ। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে সশস্ত্র স্বাধীনতা সংগ্রামের এক ঐতিহাসিক ঘটনার মধ্য দিয়ে বাঙ্গালি জাতির কয়েক হাজার বছরের সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বপ্ন সাধ পূরন হয় এ মাসে।

বাঙালি জাতির সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন মুক্তিযুদ্ধের অবিস্মরণীয় গৌরবদীপ্ত চূড়ান্ত বিজয় আসে এ মাসের ১৬ ডিসেম্বর। স্বাধীন জাতি হিসেবে সমগ্র বিশ্বে আত্মপরিচয় লাভ করে বাঙালিরা। অর্জন করে নিজস্ব ভূখন্ড আর সবুজের বুকে লাল সূর্য খচিত নিজস্ব জাতীয় পতাকা। ভাষার ভিত্তিতে যে জাতীয়তাবাদ গড়ে উঠেছিল, এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর বিজয়ের মাধ্যমে ঘোষিত স্বাধীনতা পূর্ণতা পায় এ দিনে।

বাঙালির হাজার বছরের স্বপ্নপূরণ হবার পাশাপাশি বহু তরতাজা প্রাণ বিসর্জন আর মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে এই অর্জন হওয়ায় বেদনাবিধূর এক শোকগাঁথার মাসও এই ডিসেম্বর।

এ মাসেই স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি তাদের এদেশীয় দোসর রাজাকার-আলবদর আল-শামসদের সহযোগিতায় হানাদার গোষ্ঠী দেশের মেধাবী, শ্রেষ্ঠ সন্তান-বুদ্ধিজীবী হত্যার নৃশংস হত্যাযজ্ঞে মেতে ওঠেছিল। সমগ্র জাতিকে মেধাহীন করে দেয়ার এধরনের ঘৃণ্য হত্যাযজ্ঞের দ্বিতীয় কোন নজির বিশ্বে নেই।

১৯৭১ সালের ডিসেম্বর মাসের শুরু থেকেই মুক্তিযোদ্ধাদের গেরিলা আক্রমণ আর ভারতীয় মিত্রবাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত যৌথবাহিনীর জল,স্থল আর আকাশপথে সাঁড়াশি আক্রমণের মুখে বর্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর পরাজয়ের খবর চারদিক থেকে ভেসে আসতে থাকে। ১৬ ডিসেম্বর ঢাকার ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) পাকিস্তানি  বাহিনী আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়। যেখান থেকে ৭ মার্চ স্বাধীনতার স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম,’ বলে স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন, সেখানেই পরাজয়ের দলিলে স্বাক্ষর করেন পাকিস্তানি জেনারেল নিয়াজী। ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয়। আর  জাতি অর্জন করে হাজার বছরের স্বপ্নের স্বাধীনতা।

আরও পড়ুন:

গণপরিবহনে শিক্ষার্থীদের হাফ ভাড়া কার্যকর

হাফ পাস শুধুমাত্র ঢাকায় কার্যকর হবে বললেন এনায়েত উল্লাহ

কুমিল্লায় কাউন্সিলর হত্যা: ৬ হামলাকারী শনাক্ত


বঙ্গবন্ধু একাত্তরের ২৫ মার্চ রাতে পাক বাহিনীর হাতে গ্রেফতার হবার আগে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন এবং তাঁর ডাকে বাঙালি জাতি ঐক্যবদ্ধভাবে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে।  দীর্ঘ ৯ মাসের সশস্ত্র জনযুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদ এবং ২ লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমহানির বিনিময়ে ১৬  ডিসেম্বর জাতির চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয়।

মহান এ বিজয়ের মাস উদযাপনে জাতীয় কর্মসূচির পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের পক্ষ থেকে বিস্তারিত কর্মসূচি নেয়া হয়েছে।

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ ১ ডিসেম্বর দেশব্যাপী মুক্তিযোদ্ধা দিবস পালন করবে। এ উপলক্ষে সকাল ৯ টায় মিরপুর বীরমুক্তিযোদ্ধা কবরস্থানে পুষ্পস্তবক র্অপণ করে শহীদ ও প্রয়াত বীরমুক্তিযোদ্ধা জাতীয় বীরদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন এবং জাসদ ঢাকা মহানগর পশ্চিম কমিটির উদ্যোগে বীরমুক্তিযোদ্ধা কবরস্থান চত্বরে সংক্ষিপ্ত আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হবে এবং সকাল ১১ টায় ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যান শিখা চিরন্তনে পুস্পস্তবক র্অপণ করে বীরমুক্তিযোদ্ধা জাতীয় বীরদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

আম্মা কথা বলতে পারছেন না : কোকোর স্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

আম্মা কথা বলতে পারছেন না : কোকোর স্ত্রী

রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া কথা বলতে পারছেন না, তবে তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে।

মঙ্গলবার বিএনপি চেয়ারপারসনের ছোট ছেলে প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শর্মিলা রহমান সিঁথি এ কথা জানান।

মঙ্গলবার দুপুর ২ টা থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত হাসপাতালে অবস্থান করেন। হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘আম্মা কথা বলতে পারছেন না। তবে শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে।’

আরও পড়ুন:

গণপরিবহনে শিক্ষার্থীদের হাফ ভাড়া কার্যকর

হাফ পাস শুধুমাত্র ঢাকায় কার্যকর হবে বললেন এনায়েত উল্লাহ

কুমিল্লায় কাউন্সিলর হত্যা: ৬ হামলাকারী শনাক্ত


 

এ সময় খালেদা জিয়ার সুস্থতায় দেশবাসীর দোয়া চান শর্মিলা রহমান। এ সময় খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডের তিন সদস্য বোর্ডের প্রধান সাহাবুদ্দীন তালুকদার, ডা. এফ এম সিদ্দিকী ও ডা. এ বিএম জাহিদ হাসপাতালে আসেন। গত ২৫ অক্টোবর খালেদা জিয়ার পাশে থাকতে যুক্তরাজ্য থেকে ঢাকায় আসেন সিঁথি।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

ইউপি নির্বাচনকে ঘিরে সহিংসতা চলছেই (ভিডিও)

ডেস্ক রিপোর্ট

চলমান ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন  জেলায় সহিংসতা অব্যাহত  রয়েছে । তৃতীয় ধাপের নির্বাচন ঘিরে সহিংসতায় কিশোরগঞ্জে  আরো একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে কয়েক জেলায় গেল দুদিনে প্রাণ হারালো ১৪ জন ।  এদিকে নীলফামারীতে নির্বাচনী সহিংসতায় বিজিবি সদস্য নিহতের ঘটনায় গাড়াগ্রাম ইউনিয়নের দলিরাম এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। এ ঘটনার পর থেকে গ্রেফতার আতঙ্কে গ্রাম ছাড়া ওই এলাকার শত শত মানুষ। 

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে নির্বাচনী সহিংসতার শুরু প্রথম দফা থেকেই । প্রথম দফা নির্বাচনে সহিংসতা ৫ জনের প্রাণহানীর বিপরীতে দ্বিতীয় দফায়  প্রাণ হারান ৩৭ জন । আর তৃতীয় দফা নির্বাচনের দিন ও পরবর্তী সহিংসতায় নিহত হয়েছে ১৪ জন ।

আরও পড়ুন:

পৃথিবীর নতুন প্রজাতন্ত্র হিসেবে পরিচিতি পেলো বার্বাডোজ

তানজানিয়ায় বিষাক্ত কচ্ছপের মাংস খেয়ে ৭ জনের মৃত্যু

  

গত রোববার নির্বাচন চলাকালে কিশোরগঞ্জের  দক্ষিণ গোবরিয়া-আব্দুল্লাপুর একটি কেন্দ্রে নৌকা ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয় । এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ফাঁকা গুলি ছুড়ে । এতে দেলোয়ার গুলিবিদ্ধ হন । পরে সোমবার রাতে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান ।

যশোরের শার্শা উপজেলার বাগআচঁড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে পরাজিত নৌকা প্রার্থীর কর্মী ও সমর্থকদের অর্ধশত বাড়িতে হামলা ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। গত রবিবার অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনে বাগআচঁড়ায় বিপুল ভোটে নৌকাকে পরাজিত করে জয়ী হয় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী  প্রার্থী আব্দুল খালেক। বিজয়ের ঘোষণা আসার পর ওই দিন ও পরের দিন  বাড়িতে হামলা ও ভাংচুর করা হয়।

অবশ্য পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

এদিকে,  নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে নির্বাচনী সহিংসতায় বিজিবি সদস্য নিহতের ঘটনায় গাড়াগ্রাম ইউনিয়নের দলিরাম এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। ঘটনার পর থেকে আতঙ্কে গ্রাম ছাড়া ওই এলাকার পুরুষ মানুষ। তবে এ ঘটনা তদন্তে চার সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

 news24bd.tv/এমি-জান্নাত   

পরবর্তী খবর

দেশে পর্যটনের বিকাশের পরিবেশ সৃষ্টি করেছেন প্রধানমন্ত্রী : পর্যটন প্রতিমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

দেশে পর্যটনের বিকাশের পরিবেশ সৃষ্টি করেছেন প্রধানমন্ত্রী : পর্যটন প্রতিমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী দেশে পর্যটনের বিকাশের উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করেছেন বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোঃ মাহবুব আলী। 

তিনি বলেন,বাংলাদেশের গণমানুষের অর্থনৈতিক মুক্তির যে স্বপ্ন বঙ্গবন্ধু দেখেছিলেন তা বাস্তবায়ন করতে পর্যটন হবে অন্যতম মাধ্যম। জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের পর্যটন শিল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টি, মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, গ্রামীণ উন্নয়ন ও পরিবেশ সুরক্ষা এবং বাংলার গৌরবময় ইতিহাস ও ঐতিহ্য বিশ্বের সামনে তুলে ধরে অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ উন্নয়ন ব্যবস্থা বাস্তবায়নের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর জনকল্যাণমূলক উন্নয়ন দর্শনকে প্রতিফলিত করবে।

"মুজিববর্ষ" উপলক্ষে হোটেলস ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড কতৃক রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে  আয়োজিত "বঙ্গবন্ধুর উন্নয়ন দর্শন: বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের সম্ভাবনা ও সোনারগাঁও হোটেল" শীর্ষক  সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন তিনি।

তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের পর্যটনের উন্নয়নের যে স্বপ্ন দেখেছিলেন তা এখন বাস্তবায়িত হচ্ছে বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে। দেশে পর্যটনের বিকাশের উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করেছেন তিনি। দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির কারণে মানুষের জীবনমান উন্নত হওয়ায় ক্রমান্বয়ে বাড়ছে দেশীয় পর্যটক।

আরও পড়ুন:

গণপরিবহনে শিক্ষার্থীদের হাফ ভাড়া কার্যকর

হাফ পাস শুধুমাত্র ঢাকায় কার্যকর হবে বললেন এনায়েত উল্লাহ

কুমিল্লায় কাউন্সিলর হত্যা: ৬ হামলাকারী শনাক্ত


 

অনুষ্ঠানের মুখ্য আলোচক বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ডক্টর সেলিম জাহান তার বক্তৃতায় বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পর্যটন শিল্পকে দেশের উন্নয়নের সুযোগ হিসেবে দেখেছিলেন। এই মহান নেতার কাছে পর্যটন ছিল মানুষের সাথে মানুষের সম্পর্ক তৈরি করার ক্ষেত্র। বঙ্গবন্ধু জানতেন বাংলাদেশের প্রকৃতি, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি এবং আতিথেয়তা এই সব সম্পদের সঠিক ব্যবহার পর্যটনের অপার সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে।

সেমিনারে আরো বক্তব্য রাখেন জ্বালানি ও বিদ্যুৎ গবেষণা কাউন্সিলের চেয়ারম্যান (সচিব)  সত্যজিৎ কর্মকার, বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান মোঃ হান্নান মিয়া , সুপ্রিমকোর্টের সিনিয়র এডভোকেট ড. বশির আহমেদ, হোটেল ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. আমিনুর রহমান খান এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অধ্যাপক ড. বদিউজ্জামান ভূঁইয়া।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

ডেঙ্গু আক্রান্ত আরও ৬৯ জন হাসপাতালে ভর্তি

অনলাইন ডেস্ক

ডেঙ্গু আক্রান্ত আরও ৬৯ জন হাসপাতালে ভর্তি

ফাইল ছবি

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে আরও ৬৯ জন রাজধানীসহ সারাদেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তবে এ সময়ে কারও মৃত্যু হয়নি।

মঙ্গলবার (৩০ নভেম্বর) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এ তথ্য জানিয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে নতুন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন ৬৯ জন। এর মধ্যে ঢাকাতে ৫৯ জন এবং ঢাকার বাইরে সারাদেশে ভর্তি হয়েছেন ১০ জন ডেঙ্গু রোগী।

এতে আরও বলা হয়, বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে সর্বমোট ৩৭৩ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি রয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকার ৪৬টি হাসপাতালে ২৬৮ জন এবং অন্যান্য বিভাগে বর্তমানে সর্বমোট ১০৫ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন।


আরও পড়ুন:

গণপরিবহনে শিক্ষার্থীদের হাফ ভাড়া কার্যকর

হাফ পাস শুধুমাত্র ঢাকায় কার্যকর হবে বললেন এনায়েত উল্লাহ

কুমিল্লায় কাউন্সিলর হত্যা: ৬ হামলাকারী শনাক্ত


এ বছর ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা সর্বমোট ২৭ হাজার ২২২ জন। একই সময়ে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২৬ হাজার ৭৫১ জন। এ যাবৎ ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে ৯৮ জনের মৃত্যুর হয়েছে।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর