কার্পেট পরিষ্কার পদ্ধতি

অনলাইন ডেস্ক

কার্পেট পরিষ্কার পদ্ধতি

কার্পেট হল মেঝের আচ্ছাদন। ঘর সাজাতে বর্ণিল নকশার কার্পেটের জুড়ি নেই। বর্ষা বা গরমকালে দরকার না হলেও শীতে ঠান্ডা মেঝে ঢেকে রাখতে কার্পেটের তুলনা হয় না।

কার্পেট ঘরের সৌন্দর্য বাড়ালেও এতে ধুলাবালি জমে বেশি। এছাড়া পোকার আক্রমণ, তেলের ছোপ ও যত্নের অভাবে অকালেই কার্পেট হয়ে যেতে পারে মলিন। কার্পেটের যত্ন ও পরিষ্কার পদ্ধতি সম্পর্কে জেনে নিন।

ভ্যাকুয়াম ক্লিনার দিয়ে জমে থাকা ময়লা পরিষ্কার করুন। ব্রাশ বা ঝাড়ু দিয়েও পরিষ্কার করতে পারেন।

কার্পেট পরিষ্কার করার সময় প্রথমে কর্নার থেকে শুরু করে মাঝের অংশ পরিষ্কার করুন। কার্পেটের ওপর যদি চা বা কফি পড়ে তাহলে চিন্তার কিছু নেই। প্রথমে দাগের ওপর গরম দুধ ঢেলে দিন। এবার তুলার সাহায্যে ঘষতে থাকুন, দাগ হালকা হয়ে যাবে।

দাগ যখন হালকা হবে তখন তুলা পানিতে ভিজিয়ে আবার ঘষুন দাগ উঠে যাবে।বছরে অন্তত দুবার কার্পেট রোদে দিন।

কার্পেটে যদি তেল মশলাযুক্ত দাগ থাকে তাহলে এক টেবিল চামচ হোয়াইট ভিনেগার, বেকিং সোডা ও দু’কাপ হালকা গরম পানি এক সঙ্গে ভালো করে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন। এরপর কার্পেটের যে অংশে দাগ রয়েছে সেখানে নরম ব্রাশ দিয়ে তৈরি করা পেস্ট লাগিয়ে রাখুন। শুকিয়ে গেলে ভেজা তোয়ালে দিয়ে হালকাভাবে ঘষে নিন, দাগ সহজে উঠে যাবে।

আরও পড়ুন:


তাইওয়ানকে চীনের হাত থেকে রক্ষা করতে বদ্ধপরিকর যুক্তরাষ্ট্র

অভিযুক্ত ইকবালের সঙ্গে ছাত্রলীগ নেতা মিশু-রায়হান-অনিকের পরিচয় যেভাবে

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে চাকরির সুযোগ, আবেদন অনলাইনে

আরও বিস্তৃতি বাড়াচ্ছে আইপিএল, আসছে নতুন দল


কার্পেট থেকে দুর্গন্ধ ছড়ালে বেকিং সোডা ছড়িয়ে ১০ মিনিট রেখে দিন। এরপর ভ্যাকুয়াম ক্লিনার দিয়ে ক্লিন করে নিন, নোংরা ও দুর্গন্ধ দু-ই চলে যাবে।

কার্পেট স্টোর করার সময় সাদা পরিষ্কার সুতির কাপড়ে জড়িয়ে এর ভেতরে ন্যাপথলিন বা শুকনা নিমপাতা দিয়ে স্টোর করুন। এতে অনেক দিন কার্পেট ভালো থাকবে।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

পেটের মেদ বাড়ে যে চারটি কারণে

অনলাইন ডেস্ক

পেটের মেদ বাড়ে যে চারটি কারণে

পেটের বাড়তি মেদ থেকে সৃষ্টি হয় নানা রোগ।অনেকেই মনে করেন অতিরিক্ত খাবার খাওয়ার কারণে এই মেদ জমে। যদিও তা পুরোপুরি সত্যি নয়। আরো কিছু কারণে পেটের মেদ বাড়তে পারে। আসুন সেগুলো একটু জেনে নেই:

১. কোনো কাজ বা অণ্য কিছু করার সময় একভাবে অনেকক্ষণ বসে থাকলে মেদ বেড়ে যায়।

২. সাধারণত নেগেটিভ ইমোশন থাকলে বেশি খাওয়ার প্রবণতা হয়। যা শরীরে পক্ষে খুবই ক্ষতিকারক।

আরও পড়ুন:


দ. আফ্রিকার করোনার নতুন ধরন খুবই ভয়ঙ্কর : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

একই ইউপিতে বাবা-ছেলে ও আপন দুই ভাই চেয়ারম্যান প্রার্থী!

বেগম জিয়ার জন্য আলাদা আইন করার সুযোগ নেই: হানিফ


৩. অনেকেই গরমের দিনে তৃষ্ণা পেলে সফট ড্রিঙ্কস পান করে। এতে অত্যাধিক ক্যালোরি রয়েছে যা শরীরে মেদ বাড়িয়ে দেয়।

৪. প্রতিদিনই ফাস্ট ফুড খাওয়া।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

প্রাকৃতিক উপায়ে পা ফাটা রোধের উপায়

অনলাইন ডেস্ক

প্রাকৃতিক উপায়ে পা ফাটা রোধের উপায়

শীতে অনেকেরই পায়ের গোড়ালি ফেটে যায়। যা খুবই অস্বস্তিকর। কারও কারও এই সমস্যা খুব বেশি প্রকট হয়ে দেখা দিতে পারে। যেমন: যাঁদের থাইরয়েডে সমস্যা আছে, তাদের এমনিতেই ত্বক খুব শুষ্ক থাকে, একই কথা ডায়াবেটিসের রোগীদের বেলায়ও প্রযোজ্য। ডায়াবেটিসে স্নায়ুজনিত সমস্যায় পায়ের আর্দ্রতা নষ্ট  হওয়ার পাশাপাশি অনুভূতিতেও সমস্যা দেখা দেয়। তাই অনেক সময় পায়ে গভীর ক্ষত সৃষ্টি হয়ে ঘা বা গ্যাংগ্রিন পর্যন্ত হতে পারে। যাদের সোরিয়াসিস, অ্যাকজিমা বা কোনো চর্মরোগ আছে, তাদের পায়ে সমস্যা বেশি হয়। বয়স্ক ব্যক্তিদের পা ফাটার সমস্যা বেশি।

ঘরোয়া পদ্ধতিতে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে পা ফাটা রোধের কিছু উপায়।

ক. ২/৩ চা চামচ চাল, সাদা ভিনেগার ও মধু নিন। প্রথমে চাল একটু ভিজিয়ে রেখে পিষে নিন। ব্লেন্ডারে দিয়ে অথবা শিল পাটায় বেটে নিতে পারেন। একটু দানা দানা করে চাল পিষে নেবেন। এরপর এতে পরিমাণ মত ভিনেগার ও মধু দিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করুন। একটি বড় পাত্রে কুসুম গরম পানিতে ১০-১৫ মিনিট পা ভিজিয়ে রাখুন। এরপর ভেজা পায়ে ঘন পেস্টটি ভালো করে ম্যাসাজ করুন। ম্যাসাজ করে পা সেভাবেই রেখে দিন ১০ মিনিট। এরপর কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ভালো করে মুছে নিন। তারপর খানিকটা অলিভ অয়েল গরম করে নিয়ে পায়ে ম্যাসাজ করুন। সপ্তাহে ২/৩ বার ব্যবহার করলে ভালো ফলাফল পাবেন।

খ. একটি কলা টুকরো করে নিন। এরপর তাজা ৩/৪ খণ্ড নারকেল নিন। দুটিতে একসাথে ব্লেন্ডারে দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন। এরপর এই মিশ্রণটি পায়ে লাগিয়ে নিন। বিশেষ করে ফাটা স্থানে ভালো করে লাগাবেন। শুকিয়ে উঠলে কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। যদি হাতের কাছে তাজা নারকেল না পান তবে একটি কলা পিষে নিয়ে এতে ২/৩ চা চামচ নারকেল তেল দিয়ে মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করে লাগাতে পারেন।

পা ফাটা প্রতিরোধে পরামর্শ:

১. খুব ঠান্ডা আবহাওয়ায় পায়ে মোজা  পরুন।

২. প্রতিদিন গোসল বা পা ভেজানোর পর শুকনো তোয়ালে বা কাপড় দিয়ে ভালো করে মুছে নিন। গোড়ালি ও তালুতে পেট্রোলিয়াম জেলি বা গ্লিসারিন মাখুন। বিশেষ করে রাতের বেলা ঘুমানোর আগে অবশ্যই গোড়ালি ও তালুতে পেট্রোলিয়াম জেলি বা গ্লিসারিন মাখুন।

আরও পড়ুন:


রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা চেয়ে বিদেশে যেতে হবে খালেদাকে: হানিফ

স্বল্পোন্নত দেশ থেকে বের হয়ে যাওয়া ও বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ

সিলেট থেকে বিদেশে পণ্য রপ্তানির ব্যবস্থা করা হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী


৩. সপ্তাহে এক দিন পায়ের বিশেষ যত্ন নিন। গামলায় লেবুর রসমিশ্রিত হালকা গরম পানিতে পা ভিজিয়ে, পা ঘষে মৃত কোষ ফেলে দিন। লেবুর রসে যে সাইট্রিক অ্যাসিড আছে তা মৃত কোষ ঝরতে সাহায্য করবে। তারপর পা মুছে পেট্রোলিয়াম জেলি বা গ্লিসারিন লাগিয়ে নিন।

৪. জটিলতা বেশি হলে বা সংক্রমণ হয়েছে মনে হলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

যেভাবে বুঝবেন চশমা বদলানোর সময় এসেছে

অনলাইন ডেস্ক

যেভাবে বুঝবেন চশমা বদলানোর সময় এসেছে

প্রতীকী ছবি

চোখের সমস্যায় চশমা ব্যবহার করতে হয় অনেকেরই। এক চশমা কতোদিন ব্যবহার করা যাবে এমন কোন নিয়ম নেই। তবে চশমা দীর্ঘদিন ব্যবহার করা উচিত নয়। 

তাহলে কীভাবে বুঝবেন আপনার চশমা বদলাতে হবে। এক নজরে দেখে নিন এমন কিছু উপায়-

১) অনেক সময় চশমা পরে থাকলেও দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে আসে। মাঝে মাঝেই এমন সমস্যা দেখা দিলে চশমা বদলানোর জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

২) চশমা থাকা সত্তেও যাদের প্রায়ই মাথাব্যথা হয়, তারা বিষয়টি এড়িয়ে যাবেন না। চোখের পাওয়ার বদলে গেলে মাথাব্যথার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। সেক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চশমা বদলে ফেলুন।

৩) বই পড়ার সময়ে বা কোনও কিছু দেখার সময়ে অনেকক্ষেত্রে চোখ ক্লান্ত হয়ে আসে। প্রায়ই এমন হতে থাকলে অবশ্যই চশমা বদলানোর কথা ভাবুন।

৪) মাঝে মাঝে অনেকেই একটি বস্তুকে দু’টি করে দেখেন। চোখের পাওয়ার বাড়লে এমন ‘ডাবল ভিশন’-এর সমস্যা দেখা দিতে পারে। ঘন ঘন এমন সমস্যা দেখা দিলে, দ্রুত চশমা বদলে ফেলা উচিত।

আরও পড়ুন:

না ফাটিয়ে যেভাবে বুঝবেন ডিম নষ্ট কিনা


news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

গোপন শক্তি কমে যায় যেসব কারণে

অনলাইন ডেস্ক

গোপন শক্তি কমে যায় যেসব কারণে

প্রতীকী ছবি।

যৌনতা নিয়ে ভিন্ন রকমের ফ্যান্টাসি রয়েছে। একেকজন একেক রকমভাবে যৌনতাকে উপভোগ করে। প্রিয়জনকে নিয়ে অন্তরঙ্গ সময় কাটানোর ইচ্ছে যখন তখন হতে পারে। কিন্তু অনেক কারণেই আকাঙ্ক্ষা মরে যেতে পারে।

অনেক সময়ই অনেকে ভেবে পান না, কি কারণে তার কাছে সেক্স আর ভালো লাগে না। এখানে বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, কি কারণে যৌনতার প্রতি আগ্রহ চলে যেতে পারে।

১. যৌনজীবনকে বিপর্যস্ত করে দিতে পারে স্ট্রেস। প্রতিদিনের স্ট্রেসপূর্ণ কাজ এবং মানসিকতা মন থেকে যৌন আকাঙ্ক্ষাকে তাড়িয়ে দিতে পারে।
২. ঘুমের অভাবে সেক্সের প্রতি আগ্রহ হারাতে পারেন। ঠিকমতো ঘুম না হলে এরপর যৌনতা বিরক্তিকর ঠেকতে পারে।
৩. সঙ্গী বা সঙ্গিনীর সঙ্গে কোনো বিষয়ে একচোট তর্ক-বিতর্কের পর সেক্স আর উপভোগ্য নাও হতে পারে।
৪. নারীদের পিরিয়ড-সংক্রান্ত নানা জটিলতা হয়। এর একট নির্দিষ্ট চক্র থাকে। এতে ঝামেলা দেখা দিলে মেয়েদের যৌন আকাঙ্ক্ষা চলে যেতে পারে।
৫. জন্মনিয়ন্ত্রণে পিল খান নারীরা। এই ওষুধ এক ধরনের বিষণ্নতা এনে দেয়। এতে অনেকের অ্যালার্জিও দেখা দেয়। এসব কারণে সেক্স থেকে আগ্রহ সরে যেতে পারে।
৬. এটা মনের কোনো বিচিত্র খেয়াল হতে পারে। হঠাৎ করেই মনে যৌনতার প্রতি বিতৃষ্ণা চলে আসতে পারে।
৭. উপভোগ্য সময়ে কোনো কাজের চিন্তা বা টেলিফোন বা পরিবারের অন্য কোনো সদস্যের বিরক্তিতে ইচ্ছাটা উবে যেতে পারে।
৮. দেহ-মনের সঙ্গে খাবারের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। ভুল খাবার খেলে মন থেকে সেক্সের ইচ্ছা চলে যেতে পারে।  
৯. প্রযুক্তি নিয়ে দারুণ ব্যস্ততাও যৌনতার প্রতি অনাগ্রহ এনে দিতে পারে। তাই সময়মতো প্রযুক্তিকে ত্যাগ করুন।
১০. শ্বাস-প্রশ্বাসে সমস্যা আপনাকে যৌনতা থেকে দূরে ঠেলে দিতে পারে। হাঁপানি সমস্যা থাকলে খুব দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়বেন। এতে যৌনতার প্রতি আগ্রহ থাকবে না।

আরও পড়ুন: 


আবারও প্রাণ কাড়ল সিটি করপোরেশনের গাড়ি


 

১১. ধূমপান হৃদযন্ত্র এবং ফুসফুরে সমস্যা করে। সিগারেটের নিকোটিন যৌন উত্তেজনাকে প্রশমিত করে। তাই এই বদভ্যাস যৌনতার শত্রু।
১২. টেলিভিশন এবং সিনেমায় নিয়ে খুব বেশি সময় কাটানো যৌনজীবনের কাল হয়ে উঠতে পারে।
১৩. ব্যায়াম দেহের জন্যে উপকারী। কিন্তু অতিরিক্ত ব্যায়াম দেহকে ক্লান্ত করে দেবে। তখন সেক্স করতে অবশ্যই ভালো লাগবে না।
১৪. অ্যালকোহলও সেক্সবিরোধী। অনেকে মনে করেন, এটি যৌন আকাঙ্ক্ষা বৃদ্ধি করে। কিন্তু আসলে অ্যালকোহল আপনার যৌন উত্তেজনাকে নিষ্ক্রিয় করে দেবে।
১৫. খুব বেশি পর্ন ছবি আপনার রুচিবোধকে ধ্বংস করে দিতে পারে। তখন স্বাভাবিক যৌন আচরণ থেকে ভালোলাগা চলে যাবে।

 news24bd.tv/তৌহিদ   

পরবর্তী খবর

শীতে গ্লিসারিন ব্যবহারের কিছু উপায়

অনলাইন ডেস্ক

শীতে গ্লিসারিন ব্যবহারের কিছু উপায়

শীতে ত্বকের সুরক্ষায় নিশ্চিন্তে ব্যবহার করতে পারেন গ্লিসারিন। আসুন এটি ব্যবহারের সঠিক পদ্ধতিটি জেনে নেই:

১. ত্বক খুব বেশি নিস্তেজ হয়ে পড়লে গ্লিসারিনের সঙ্গে অ্যালোভেরা মাস্ক লাগাতে পারেন। ২ থেকে ৩টি সতেজ অ্যালোভেরা পাতার জেলের সঙ্গে ২ চামচ গ্লিসারিন মিশিয়ে নিজের মুখে লাগানো উচিত। ২০ থেকে ২৫ মিনিট রেখে মুখ পরিষ্কার করে নিন।

২. তাৎক্ষণিক ঔজ্জ্বল্যের জন্য ১টা পাকা কলা চটকে গ্লিসারিন মিশিয়ে নিজের মুখে লাগান। ২৫ মিনিট পর্যন্ত এই প্যাক মুখে লাগিয়ে রেখে ধুয়ে নিন। নিয়মিত এই উপায় করলে মুখ উজ্জ্বল হবে।

৩. গ্লিসারিন একটি ভালো মেকআপ রিমুভার হিসেবে কাজ করে। মেকআপ পরিষ্কার করার জন্য রিমুভারের স্থানে এটি ব্যবহার করতে পারেন। এর জন্য কটন বলে গ্লিসারিন লাগিয়ে পুরো মুখে লাগান। চোখ ও ঠোঁটে গ্লিসারিন লাগাবেন না।


আরও পড়ুন:

ঢাবি ‘ঘ’ ইউনিটের ফল প্রকাশ, ৯০.১৩ শতাংশই ফেল

পুলিশের সব ছুটি বাতিল, দ্রুত কর্মস্থলে ফেরার নির্দেশ

পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ


৪. টোনার হিসেবে গ্লিসারিন ব্যবহার করা যায়। এর জন্য আধা কাপ গোলাপজলে কয়েক ফোঁটা গ্লিসারিন মেশান। তার পর এতে তুলো ভিজিয়ে ত্বক পরিষ্কার করুন।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর