পার্বত্যাঞ্চলে জুম চাষে ভাল ফলন

ফাতেমা জান্নাত মুমু, রাঙামাটি

পার্বত্যাঞ্চলে এবছরও জুম চাষে ভাল ফলন হয়েছে। ফসল কাটার ধুম পড়েছে পাহাড়িদের মাঝে। চাষিদের চোখে মুখে দেখা যাচ্ছে আনন্দ আর উচ্ছ্বাস। 

কৃষি বিভাগ বলছে, গেলো বছরের তুলনায় দ্বিগুণ ফলন ​হয়েছে। 

সবুজ পাহাড়ের বাঁকে বাঁকে থোকায় থোকায় দোল খাচ্ছে সোনালী ধান। সবুজের বুকে সোনালী রঙের খেলা দেখে আনন্দে ভাসছে চাষীরা। গান গেয়ে ধান কাটতে ব্যস্ত পাহাড়ের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর নারীরা।

ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের জীবিকার প্রধান মাধ্যম জুম চাষ। বাংলাদেশে কেবল তিন পার্বত্য জেলা- রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের পাহাড়ে হয় এ পদ্ধতির চাষাবাদ। পার্বত্যাঞ্চলে এবার জুম ফসলের বাম্পার ফলন হয়েছে। ধানের পাশাপাশি উৎপাদন হয়েছে- মারফা, বেগুন, ধানি মরিচ, ঢেঁড়শ, কাকরোল, কুমড়াসহ নানা ফসল।

আরও পড়ুন: কাল খুলে দেয়া হচ্ছে পায়রা সেতু

চলতি বছর শুধু রাঙামাটিতে জুম চাষ হয়েছে ৬ হাজার ৬৫০ হেক্টর জমিতে। যেখানে লক্ষ্যমাত্রাকে ছাড়িয়ে গেছে উৎপাদন। ফলন ভাল হওয়ায় কৃষকরা অর্থনৈতিকভাবে যেমন লাভবান হবে তেমনি খাদ্য সংকটের শঙ্কাও থাকবে না, বলছে কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ।

পার্বত্যাঞ্চলে প্রতিবছর ১৮ প্রজাতির জুমের ধান চাষ হয়। আর এ জুমের ধান বছরব্যাপী খাদ্য ব্যাংক হিসেবে সংরক্ষণ করে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীরা।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

দেশে বাড়ছে ইলিশের উৎপাদন

অনলাইন ডেস্ক

ইলিশ আমাদের জাতীয় মাছ। বাঙালির অত্যন্ত জনপ্রিয় ও সুস্বাদু এ মাছ যুগ যুগ ধরে দেশের মানুষের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি অর্থনৈতিক উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও নিরাপদ আমিষ সরবরাহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

ইলিশ আমাদের জাতীয় সম্পদ। সুখবর হলো দেশে ইলিশের উৎপাদন বাড়ছে। 

প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশের ডিম ছাড়ার হার এ বছর ৫১.৭ ভাগ ছাড়িয়েছে বলে জানিয়েছেন ইলিশ গবেষকরা। তারা বলছেন, অভয়াশ্রমে নজরদারি বাড়ানোয় মা ইলিশ নদীতে ডিম ছাড়ার সুযোগ পেয়েছে। 

আরও পড়ুন:


দ. আফ্রিকার করোনার নতুন ধরন খুবই ভয়ঙ্কর : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

একই ইউপিতে বাবা-ছেলে ও আপন দুই ভাই চেয়ারম্যান প্রার্থী!

বেগম জিয়ার জন্য আলাদা আইন করার সুযোগ নেই: হানিফ


ফলে গেলো বছরের চেয়ে এ বছর সাড়ে ৮০০ কোটির বেশি ইলিশের পোনা যোগ হবে বলে জানান গবেষকরা। 

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম কমছে

অনলাইন ডেস্ক

আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম কমছে

আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম কমলেও এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে সোনার দাম সমন্বয় করেনি বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। সপ্তাহ ব্যবধানে আন্তর্জাতিক বাজারে আউন্সে সোনার দাম কমেছে ৫০ ডলার। 

জানা যায়, আন্তর্জাতিক বাজারে আগামী সোমবার পর্যন্ত সোনার দাম কমতে থাকলে দেশের বাজারে দাম সমন্বয়ের পরিকল্পনা নিয়েছে বাজুস।

তথ্য পর্যালোচনা, আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার পাশাপাশি রুপার দামও কমেছে। গত সপ্তাহে রুপার দাম কমেছে প্রায় ৬ শতাংশ। আর প্লাটিনামের দাম কমেছে ৪ শতাংশের ওপরে।

আরও পড়ুন:


আবারও আইসিইউতে রওশন এরশাদ

ছেলেকে হত্যা করে সেফটিক ট্যাঙ্কে লুকিয়ে রাখা বাবা-মা আটক

মুশফিকের আউট নিয়ে সমালোচনা (ভিডিও)


গত সপ্তাহে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স সোনার দাম ছিল এক হাজার ৮৪৩ দশমিক শূন্য ৬ ডলার। সপ্তাহ শেষে তা কমেছে এক হাজার ৭৯২ দশমিক ৬৯ ডলার। অর্থাৎ এক সপ্তাহে আউন্সে সোনার দাম কমেছে ৫০ দশমিক ৩৭ ডলার বা দুই দশমিক ৮১ শতাংশ।

অন্যদিকে গত সপ্তাহে রুপার দাম ৫ দশমিক ৯৩ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ২৩ দশমিক ১৩ ডলারে। আরেক দামি ধাতু প্লাটিনামের দাম গত সপ্তাহজুড়ে কমেছে ৭ দশমিক ৫২ শতাংশ। এতে প্রতি আউন্স প্লাটিনামের দাম ৯৫৩ দশমিক ৬৮ শতাংশ।

এরআগে আন্তর্জাতিক বাজারে সোনা ও রুপার দাম বড় আকারে বেড়েছিল। সেই কারণে দেশের বাজারেও সোনার দাম বাড়ানো হয়েছিল। এতে সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম হয়েছে ৭৪ হাজার ৩০০ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার ৭১ হাজার ১৫০ এবং ১৮ ক্যারেটের ৬২ হাজার ৪০২ টাকা। সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম হয়েছে ৫২ হাজার ৮০ টাকা।

news24bd.tv/ কামরুল 

পরবর্তী খবর

দেশের টাকা বিদেশে পাচারকারীদের তালিকা চেয়েছেন অর্থমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

দেশের টাকা বিদেশে পাচারকারীদের তালিকা চেয়েছেন অর্থমন্ত্রী

ফাইল ছবি

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল সংসদে বিরোধীদলের এমপিদের কাছে দেশের টাকা বিদেশে পাচারকারীদের তালিকা চেয়েছেন। তিনি জানান, তালিকা পেলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শনিবার (২৭ নভেম্বর) ব্যাংকার সাক্ষ্য বহি বিল-২০২১ এর ওপর সংশোধনী প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে বিরোধীদলের সদস্যরা বিদেশে অর্থপাচারের অভিযোগ করেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, একটা দেশের অর্থনীতির মূল বিষয় হচ্ছে ব্যাংকিং খাত। সবাই বলছে, আমরা অর্থনীতিতে ভালো করছি। দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে আমাদের অর্থনীতিতে এগিয়ে আছি। যদি কেউ বলতে পারেন পিছিয়ে আছি, তবে দায়িত্ব নিয়ে বলছি, এর দায় নেবো। আমরা অর্থনীতির একটি চ্যালেঞ্জিং সময় পার করছি। আমাদের অর্জনগুলো বাদ দিলে আমরা এগুলো কীভাবে করতে পারলাম। কারা টাকা পাচার করছে তালিকা দিলে ব্যবস্থা নেবো। আপনারা পাচারকারীদের তালিকা দিন। অর্থপাচার আমি করি না, আপনারা তো করেন না। কারা পাচার করছে তালিকা না দিলে জানবো কীভাবে?

আরও পড়ুন:


আবারও আইসিইউতে রওশন এরশাদ

ছেলেকে হত্যা করে সেফটিক ট্যাঙ্কে লুকিয়ে রাখা বাবা-মা আটক

মুশফিকের আউট নিয়ে সমালোচনা (ভিডিও)


তিনি বলেন, আমরা যখন ক্ষমতায় আসি তখন গ্রাহকের সংখ্যা ছিল শতকরা ২৬ ভাগ। এখন গ্রাহকের সংখ্যা বেড়ে শতকরা ৭১ ভাগ হয়েছে। আমাদের এই সরকার যখন ২০০৮ সালে দায়িত্বভার গ্রহণ করে তখন আমানতের পরিমাণ ছিল ২ লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকা। এখন সেই পরিমাণ সাড়ে ৬ গুণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪ লাখ ৩৯ হাজার ১৪শ’ কোটি টাকা। খেলাপি ঋণ নিয়ে কথা হয়েছে, খেলাপি ঋণ আমাদের দেশ সৃষ্টি হওয়ার পর থেকে এখন সবচেয়ে কম। আমাদের আগের সরকার যখন দায়িত্বে ছিল, ২০০৬ সালে খেলাপি ঋণ ছিল ১৩ দশমিক ১৫ শতাংশ। আমাদের বিদ্যমান খেলাপি ঋণের পরিমাণ সেপ্টেম্বর ২০২১ কোয়ার্টারে ১ লাখ ১ হজার ১৫০ কোটি টাকা, এটা ৮ দশমিক ১২ শতাংশ, সবচেয়ে নিচে আছে।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, আমাদের প্রত্যেকটা ব্যাংক এখন লাভে আছে। লাভ বাড়ার কারণে করপোরেট ট্যাক্স যেখানে ২০০৬-২০০৭ সালে আমরা পেয়েছিলাম ২ হাজার ১৫ কোটি টাকা, এখন আমাদের করপোরেট টাক্স আসে শুধু ব্যাংকিং খাত থেকে আট হাজার ৫শ’ কোটি টাকা। ব্যাংকিং খাতে যারা অনিয়ম করেছে তাদের বিরুদ্ধে আমরা মামলা করেছি। ই-কমার্সের বিরুদ্ধেও মামলা করা হয়েছে। আমরা যখনই জানতে পারি তখনই মামলা করি। চলমান মামলার সংখ্যা দুই লাখ ৪৩ হাজার ৫১৮টি। এই মামলা আগে আরও অনেক বেশি ছিল, এখন সেটা কমানো হয়েছে। আমি মনে করি যে, আপনারা যা বলছেন, যদি ব্যবস্থা নেওয়ার মতো হয় আমরা ব্যবস্থা নেবো, আমি তো নিশ্চযপ থাকবো না। আপনারা আমাদের সাহায্য করেন।

news24bd.tv/ কামরুল 

পরবর্তী খবর

স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে কাঁচা বাজারে

অনলাইন ডেস্ক

কাঁচা বাজার

কিছুটা স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে কাঁচা বাজারে। শীতকালীন সবজির আমদানি বাড়ায় এ সপ্তাহে কমেছে প্রায় ধরনের সবজির দাম। তবে ক্রেতারা বলছেন, এখনো দাম হাতের নাগালে নেই।

অন্যদিকে মাছের দাম খানিকটা বেড়েছে এ সপ্তাহেও। তবে স্থিতিশীল রয়েছে মুরগী কিংবা গরুর মাংসের দাম। সপ্তাহের বাজার করতে ১০ হাজার টাকা নিয়ে এসেছেন । নিজের পছন্দ মতো কিছু দেশি মাছ আর মাংস কিনেই ব্যয় হয়ে গেছে ৮ হাজার টাকা। জানালেন, ভালো আয় করেও বাড়তি দামের বাজারে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাকে। 

এই যখন মধ্যবিত্তের অবস্থা তখন ভালো নেই নিম্নবিত্তরাও। বাজারে সবজির আমদানি বেশ তবে দাম এখনো চড়া। যদিও বিক্রেতারা জানালেন, এ সপ্তাহে কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা কমেছে প্রায় সব ধরনের সবজির দাম। সিম বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা কেজিতে যা গেলো সপ্তাহে ছিলো ৮০ টাকা, আবার দেশি টমেটো বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকা কেজিতে কমেছে ২০ টাকা। তবে এরপরও স্বস্তিতে নেই ক্রেতারা। 

সবজি কিছুটা কমে আসলেও মাছের দাম যেনো আকাশ ছোঁয়া। বিশেষ করে দেশি মাছ কিনতে গুণতে হবে বাড়তি দাম। বিক্রেতারা বলছেন, নদীতে মাছ কম ধরা পড়ছে বিধায় দাম কমছে না। 

আরও পড়ুন


রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা চেয়ে বিদেশে যেতে হবে খালেদাকে: হানিফ

স্বল্পোন্নত দেশ থেকে বের হয়ে যাওয়া ও বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ

সিলেট থেকে বিদেশে পণ্য রপ্তানির ব্যবস্থা করা হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী


এদিকে মাংসের বাজারে অনেকটাই অপরিবর্তিত। সোনালী মুরগি, ব্রয়লার কিংবা দেশি মোরগ বিক্রি হচ্ছে আগের দামেই। বাড়েনি গরুর মাংসের দামও। 

পেঁয়াজ রসুনের দামও রয়েছে অপরিবর্তিত, তবে বিক্রি অনেকটা কম বলে জানালেন বিক্রেতারা। 

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

নকশিকাঁথার সুইয়ের গাথুনীতে আগামীর স্বপ্ন বুনছে প্রতিবন্ধী তরুনীরা

বরিশাল থেকে রাহাত খান:

প্রতিবন্ধী মেয়েদের প্রশিক্ষণ

নকশিকাঁথার ভাঁজে ভাঁজে লুকিয়ে আছে ওদের স্বপ্ন। রং বাহারী কাথায় সুইয়ের গাথুনীতে আগামীর স্বপ্ন বুনছে বরিশালের সামাজিক প্রতিবন্ধী নারীদের প্রশিক্ষণ ও পূনর্বাসন কেন্দ্রের শিশু ও তরুনীরা। সুবিধাবঞ্চিত এসব মেয়েকে দক্ষ ও উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি। 

তবে অবকাঠামোগত কিছু সমস্যার কারণে নতুন একটি পাকা স্থাপনার দাবি জানিয়েছেন তারা। এ বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপের আশ্বাস দিয়েছেন বরিশালের জেলা প্রশাসক। 

নানা কারণে সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন শিশুসহ ৩২ জন তরুণী বসবাস করছে বরিশাল নগরীর কালীজিরা সামাজিক প্রতিবন্ধী মেয়েদের প্রশিক্ষণ ও পূনর্বাসন কেন্দ্রে। তাদের ভরন-পোষণসহ যাবতীয় খরচ বহন করছে সরকার। লেখাপড়ার পাশাপাশি নকশিকাঁথা, ব্লক-বাটিক, পাটের কাজ, শোপিস ও ওয়ালম্যাটসহ বিভিন্ন ধরনের হাতের কাজ শিখছে তারা। এসব কাজের মাধ্যমে তাদেরকে দক্ষ ও স্ব-নির্ভর হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে বলে জানায় সমাজসেবা বিভাগ। 

আরও পড়ুন


ভাইরাল ছবি হাছান মাহমুদের নয়!


পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে ৩ বছর ধরে সামাজিক প্রশিক্ষণ ও পূনর্বাসন কেন্দ্রে আছেন বর্ষা আক্তার। লেখাপড়ার পাশাপাশি শিখছেন হাতের কাজ। তারমতো অন্যরাও হাতের কাজ শিখে উদ্যোক্তা হিসেবে স্বনির্ভর হওয়ার স্বপ্ন দেখছে। 

তবে এই পুনর্বাসন কেন্দ্রে রয়েছে অবকাঠামোগত নানা সমস্যা। বর্ষায় টিনের চাল থেকে পানি পড়ে। খসে পড়ছে দেয়ালের পলেস্তার। অবকাঠামোগত সুবিধা বাড়াতে নতুন ভবনের দাবি জানিয়েছেন তারা। 

ওই কেন্দ্রের মেয়েদের দক্ষ এবং উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে সময় পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বরিশালের জেলা প্রশাসক। 

প্রশিক্ষন ও পূনর্বাসন কেন্দ্রে মেয়েদের তৈরি বিভিন্ন পণ্যের চাহিদা রয়েছে বাজারে। তাদের তৈরি পণ্য বিক্রি করে জমা রাখা হচ্ছে মেয়েদের ব্যাংক হিসেবে। 

news24bd.tv/ কামরুল 

পরবর্তী খবর