ইস্তেগফারের ফজিলত

অনলাইন ডেস্ক

ইস্তেগফারের ফজিলত

‘ইস্তেগফার’ শব্দের অর্থ কৃত পাপকর্মের জন্য আল্লাহর দরবারে ক্ষমা প্রার্থনা করা। আল্লাহর অসংখ্য মহান গুণাবলির একটি হলো ক্ষমা। 

আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেন, ‘আমি অবশ্যই ক্ষমাশীল তার প্রতি, যে তওবা করে, ইমান আনে, সৎকর্ম করে ও সৎপথে অবিচলিত থাকে।’ (সূরা তাহা, আয়াত: ৮২) 

ইস্তেগফারের ফজিলত:

ইস্তেগফারের উপকারিতা অনেক। কোরআন-হাদীসের আলোকে কিছু উপকারের কথা নিচে তুলে ধরা হলো।

এক. গোনাহখাতা মাফ হয়। 
কোরআনে ইরশাদ হচ্ছে : তোমরা তোমাদের রবের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো। নিশ্চয়ই তিনি অতিশয় ক্ষমাশীল। (সূরা নূহ-১০)

দুই. অনাবৃষ্টি দূর হবে।
ইরশাদ হচ্ছে : তিনি (আল্লাহ) আকাশ থেকে প্রচুর বৃষ্টি বর্ষণ করবেন। (নূহ-১১)

তিন. সন্তান ও সম্পদ লাভ হবে।
ইরশাদ হচ্ছে :  তোমাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততিতে উন্নতি দান করবেন। (নূহ-১২)

চার. সবুজ-শ্যামল পরিবেশ লাভ হবে।
ইরশাদ হচ্ছে : তোমাদের জন্য সৃষ্টি করবেন উদ্যান। (নূহ-১২)

পাঁচ. নদ-নদীর ব্যবস্থা হবে। 
ইরশাদ হচ্ছে : তোমাদের জন্য নদ-নদীর ব্যবস্থা করে দেবেন। (নূহ-১২)

ছয়. উপভোগ্য জীবন লাভ হবে।
ইরশাদ হচ্ছে : তোমরা তোমাদের রবের কাছে গোনাহের ক্ষমা প্রার্থনা করো। অতঃপর তাঁর অভিমুখী হও (ভবিষ্যতে গোনাহা না করার এবং আল্লাহর হুকুম-আহকাম পালন করার দৃঢ় সংকল্প করো)। তিনি তোমাদের নির্দিষ্ট কাল পর্যন্ত উত্তম জীবন উপভোগ করতে দেবেন। (সূরা হুদ-৩)

সাত. শক্তি-সামর্থ্য বাড়বে।
ইরশাদ হচ্ছে : তোমাদের শক্তির সাথে বাড়তি আরো শক্তি জোগাবেন। (হুদ-৫২)

আট. আল্লাহর আযাব থেকে নিরাপত্তা দান করবে। 
ইরশাদ হচ্ছে : তারা ইস্তেগফারে রত থাকাবস্থায় আল্লাহ তা’আলা তাদের শাস্তি দেবেন না। (আনফাল-৩৩)

নয়. সংকট থেকে উত্তরণের পথ বের হবে। 
রাসূল (সা.) বলেন : যে ব্যক্তি নিয়মিত ইস্তেগফার করবে আল্লাহ তা’আলা তার সর্বপ্রকার সংকট থেকে উত্তরণের পথ খুলে দেবেন।

দশ. উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা, দুঃখ-চিন্তা দূর হবে। 
রাসূল (সা.) বলেন : সর্বপ্রকার উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা, দুঃখ-চিন্তা লাঘব করে স্বস্তি ও আনন্দ দান করবেন।

এগারো. অকল্পনীয় রিযিকের ব্যবস্থা হবে। 
রাসূল (সা.) বলেন :তাকে কল্পনাতীত রিযিকের ব্যবস্থা করে দেবেন। (আবু দাউদ)

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

‘ইন্না লিল্লাহ’র বাংলা অর্থ ও উচ্চারণ

অনলাইন ডেস্ক

‘ইন্না লিল্লাহ’র বাংলা অর্থ ও উচ্চারণ

 

‘ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন’ পড়ার অনেক ফজিলত রয়েছে। অনেকে মনে করেন, মানুষের মৃত্যুসংবাদ পেলে কেবল এটি পড়তে হয়। অথচ এই পবিত্র বাক্য আল্লাহ তাআলাকে স্মরণ রাখার বড় উপায়। 

একটি হাদিসে উম্মে সালামা (রা.) বলেন, আমি রাসুল (সা.) কে বলতে শুনেছি, ‘কোনো মুমিন ব্যক্তি যখন কোনো বিপদ-আপদে আক্রান্ত হয় এবং আল্লাহ তাকে যা বলতে বলেছেন (নিচে উল্লেখিত) তা বলে, তখন আল্লাহ তাকে ওই মুসিবতের উত্তম বদলা এবং আগের চেয়ে উত্তম বিকল্প দান করেন। (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ৯১৮)।

দোয়াটির আরবি :

إِنَّا لِلَّهِ وَإِنَّا إِلَيْهِ رَاجِعُونَ، اللَّهُمَّ أْجُرْنِي فِي مُصِيبَتِي وَأَخْلِفْ لِي خَيْرًا مِنْهَا

উচ্চারণ : ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন, আল্লাহুম্মা আজিরনি ফি মুসিবাতি; ওয়া আখলিফ-লি খাইরাম মিনহা।

আরও পড়ুন:


দ. আফ্রিকার করোনার নতুন ধরন খুবই ভয়ঙ্কর : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

একই ইউপিতে বাবা-ছেলে ও আপন দুই ভাই চেয়ারম্যান প্রার্থী!

বেগম জিয়ার জন্য আলাদা আইন করার সুযোগ নেই: হানিফ


অর্থ : আমরা আল্লাহর এবং নিশ্চয় আল্লাহর কাছেই ফিরে যাব। হে আল্লাহ! আমাকে আমার এই বিপদে বিনিময় দান করুন এবং আমার জন্য এরচেয়ে উত্তম ব্যবস্থা করে দিন।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

শীতের অজু বড় সওয়াবের কাজ

অনলাইন ডেস্ক

শীতের অজু বড় সওয়াবের কাজ

প্রতীকী ছবি

শীতকালে সহজে অনেক আমল করা যায়, আর এসব আমলের মাধ্যমে বিপুল সওয়াব ও পুণ্যও লাভ হয়।

সাহাবি আবু সাঈদ খুদরি (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে আল্লাহর রাসুল (সা.) বলেন, ‘শীতকাল মুমিনের বসন্তকাল।’ (মুসনাদে আহমাদ, হাদিস : ১১৬৫৬)

আরেক হাদিসে রাসুল (সা.) বলেন, শীতের রাত দীর্ঘ হওয়ায় মুমিন রাত্রিকালীন নফল নামাজ আদায় করতে পারে এবং দিন ছোট হওয়ায় রোজা রাখতে পারে। (বায়হাকি, হাদিস : ৩৯৪০)

শীতকালে সবার জন্য সুবিধাজনক ও সহজে আদায় করা যায়— এমন কিছু আমল হলো-

অনেকের কাছে শীতের সময়ে অজু করা কষ্টদায়ক। কিন্তু শীতের অজু বড় সওয়াবের কাজ। গরম পানি দিয়ে অজু করলেও সমপরিমাণ সওয়াব লাভ হবে।

রাসুল (সা.) বলেন, ‘আমি কি তোমাদের এমন কিছু শিখিয়ে দেব না; যার কারণে আল্লাহ তাআলা পাপ মোচন করবেন এবং জান্নাতে তোমাদের মর্যাদা বৃদ্ধি করবেন? সাহাবায়ে কেরাম বললেন, হ্যাঁ আল্লাহর রাসুল! রাসুল (সা.) বললেন, মন না চাইলেও ভালোভাবে ওজু করা, অধিক পদক্ষেপে মসজিদে যাওয়া এবং এক নামাজের পর আরেক নামাজের জন্য অপেক্ষা করা।’ (মুসলিম, হাদিস : ২৫১)

রাতের গভীরে তাহাজ্জুদ নামাজ আদায়। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, ‘তাদের পার্শ্ব শয্যা থেকে আলাদা থাকে। তারা তাদের পালনকর্তাকে ডাকে ভয়ে ও আশায় এবং আমি তাদের যে রিযিক দিয়েছি, তা থেকে ব্যয় করে।’ (সুরা সিজদাহ, আয়াত : ১৬)

আরও পড়ুন:

প্রতি নামাজের পর সম্পদলাভের দোয়া


news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

প্রতি নামাজের পর সম্পদলাভের দোয়া

অনলাইন ডেস্ক

প্রতি নামাজের পর সম্পদলাভের দোয়া

প্রতীকী ছবি

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা লা মানি‘আ লিমা আ‘ত্বইতা, ওয়ালা মু‘ত্বিয়া লিমা মানা‘তা, ওয়ালা ইয়ানফা‘উ জালজাদ্দি মিনকাল জাদ্দু।

অর্থ: হে আল্লাহ, আপনি কাউকে দান করলে তার কোনো প্রতিরোধকারী নেই এবং আপনি কাউকে দান না করলে কেউ তাকে দান করতে পারে না। সম্পদশালীকে তার সম্পদ আপনার বিপরীতে উপকৃত করতে পারে না।

উপকার: মুগিরা ইবনে শুবাহ (রা.)-এর আজাদকৃত গোলাম ওয়াররাদ (রা.) বলেন, একবার মুয়াবিয়া (রা.) মুগিরাহ ইবনে শুবাহ (রা.)-এর কাছে লিখেছেন, রাসুল (সা.) নামাজের পর যা পাঠ করতেন এ সম্পর্কে তুমি যা শুনেছ আমার কাছে পাঠাও। তখন মুগিরা (রা.) আমাকে তা লিখে দেওয়ার দায়িত্ব দেন। সেখানে এই দোয়াটি ছিল। (বুখারি, হাদিস : ৬৬১৫)

আরও পড়ুন:

গোপন গোনাহ থেকে বেঁচে থাকার উপায়


news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

নামাজের সানার অর্থ ও উচ্চারণ

অনলাইন ডেস্ক

নামাজের সানার অর্থ ও উচ্চারণ

ফাইল ছবি

নামাজের প্রতিটি রোকনেই মহান আল্লাহর প্রশংসা ও তারই কাছে সাহায্য চাওয়ার আবেদনে ভরপুর। এর মধ্যে অন্যতম একটি হলে সানা। এটিকে দোয়ায়ে ইসতিফতাহও বলা হয়।

- হজরত আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন নামাজ শুরু করতেন তখন বলতেন-
سُبْحَانَكَ اَللَّهُمَّ وَ بِحَمْدِكَ وَ تَبَارَكَ اسْمُكَ وَ تَعَالِىْ جَدُّكَ وَ لَا اِلَهَ غَيْرُكَ

উচ্চারণ : সুবহানাকা আল্লাহুম্মা ওয়া বিহামদিকা, ওয়া তাবারাকাসমুকা, ওয়া তাআলা জাদ্দুকা ওয়া লা ইলাহা গাইরুকা। (তিরমিজি, আবু দাউদ মিশকাত)

আরও পড়ুন


রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা চেয়ে বিদেশে যেতে হবে খালেদাকে: হানিফ

স্বল্পোন্নত দেশ থেকে বের হয়ে যাওয়া ও বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ

সিলেট থেকে বিদেশে পণ্য রপ্তানির ব্যবস্থা করা হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী


অর্থ : হে আল্লাহ্! আমি তোমার পবিত্রতা বর্ণনা করছি। তুমি প্রশংসাময়, তোমার নাম বরকতময়, তোমার মর্যাদা অতি উচ্চে, আর তুমি ব্যতীত সত্যিকার কোনো মাবুদ নেই।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

জুমার নামাজ না পেলে জোহর পড়া যাবে কি?

অনলাইন ডেস্ক

জুমার নামাজ না পেলে জোহর পড়া যাবে কি?

ফাইল ছবি

শুক্রবার তথা জুমাবার হচ্ছে মুসলিম উম্মাহর সাপ্তাহিক ঈদের দিন। এ দিন যোহরের নামাজের পরিবর্তে দুই রাকাত জুমার নামাজ আদায় করা প্রত্যেক মুসলমানের জন্য অপরিহার্য কর্তব্য

হজরত হাফসা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ‘প্রত্যেক মুসলমানের জন্য জুমার নামাজ আদায় করা ওয়াজিব তথা অপরিহার্য কর্তব্য।’ (নাসাঈ)।

আরও পড়ুন


স্বল্পোন্নত দেশ থেকে বের হয়ে যাওয়া ও বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ

সিলেট থেকে বিদেশে পণ্য রপ্তানির ব্যবস্থা করা হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী


হাদিসে এসেছে যদি কোনো ব্যক্তি জুমআর নামাজ না পায় বা মসজিদে গিয়ে দেখে জুমআ নামাজ শেষ হয়ে গেছে তবে ওই ব্যক্তি জোহরের ৪ রাকাআত নামাজ পড়ে নেবে। কারণ জামাআত ছাড়া একা একা জুমআ নামাজ পড়া যায় না।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর