বাজার নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়েছে: টিপু মুনশী

অনলাইন ডেস্ক

বাজার নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়েছে: টিপু মুনশী

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশী বলেছেন, উৎপাদন ও ভোগের সঠিক পরিসংখ্যান না থাকায় বাজার নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

আরও পড়ুন:


পীরগঞ্জের ঘটনায় রিমান্ড শেষে ৩৭ জন জেলহাজতে

সাকিব-নাসুমের পর সাইফুদ্দিনের আঘাত

লিটনের ক্যাস মিস, মাসুল গুনছে টাইগাররা


 

রোববার (২৪ অক্টোবর) রাজধানীর একটি হোটেলে বণিক বার্তা ও বাংলাদেশ কৃষি সাংবাদিক ফোরাম (বিএজেএফ) আয়োজিত ‘বাংলাদেশের ৫০ বছর কৃষির রূপান্তর ও অর্জন’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশী আরও বলেন, ধরুন পেঁয়াজের কথা। পেঁয়াজের জ্বালায় আমি অস্থির হয়ে পড়েছি। পরিসংখ্যানের ঝামেলা রয়েছে। আমাদের পেঁয়াজ প্রয়োজন ২৪ থেকে ২৫ লাখ টন। উৎপাদনও হয় ২৫ থেকে ২৬ লাখ টন। তবে আমদানি কেন? সেক্ষেত্রে বক্তব্য হচ্ছে আমাদের প্রায় ২০ শতাংশ পেঁয়াজ নষ্ট হয়।

news24bd.tv/তৌহিদ

পরবর্তী খবর

এবার আলেশা মার্টের কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা

অনলাইন ডেস্ক

এবার আলেশা মার্টের কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা

একের পর এক ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানে ধস। এবার নিজেদের অফিশিয়াল কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান আলেশা মার্ট। বুধবার (২ ডিসেম্বর) রাত ৩টায় প্রতিষ্ঠানটির ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।

আলেশা মার্টের ফেসবুকের ওই পোস্টে জানানো হয়, ‘অনাকাঙ্খিত ও নিরাপত্তাজনিত কারণবশত আলেশা মার্ট-এর সমস্ত অফিসিয়াল কার্যক্রম আজ থেকে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। গতকাল (১ ডিসেম্বর) আমাদের অফিসে কতিপয় লোক দ্বারা অফিস কর্মকর্তাদের গায়ে হাত তোলা এবং বল প্রয়োগের চেষ্টার কারণে আমরা এমন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হচ্ছি।’

আলেশা মার্টের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি

অবিশ্বাস্য সব অফার দিয়ে আলোচনায় আসে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান আলেশা মার্ট। আর তাদের অবিশ্বাস্য সব অফারের ফাঁদে পা দিয়ে বিপুল পরিমাণ টাকা বিনিয়োগ করেন গ্রাহকরা। বর্তমানে গ্রাহকরা তাদের কাছ থেকে বিনিয়োগের টাকা কিংবা পণ্য পাচ্ছেন না। গ্রাহকদের দেওয়া চেকও ফেরত আসছে ব্যাংক থেকে। ফলে বাড়ছে বিনিয়োগকারীদের দুশ্চিন্তা।

২০২১ সালের ১ জানুয়ারি কার্যক্রম শুরু করে আলেশা মার্ট। পণ্য দেওয়ার নাম করে তারা সংগ্রহ করেছে গ্রাহকের কোটি কোটি টাকা। পরে অনেক গ্রাহককে পণ্য বুঝিয়ে দেয়নি বলে অভিযোগ ওঠে।

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে আলেশা মার্টে ক্যাশ অন ডেলিভারি (সিওডি) বা পণ্য হাতে পাওয়ার পর পেমেন্ট পদ্ধতি নেই। ফলে সেখানে পণ্য কিনতে হলে অবশ্যই আগে থেকে অনলাইনে পেমেন্ট দিতে হবে। পেমেন্টের কয়েক মাস পর পণ্যের ব্যাপারে গ্রাহকদের আশ্বাস দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন


মজা করে গোপনাঙ্গে লাথি, ঘটনাস্থলেই বন্ধুর মৃত্যু

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশে ভ্যাট নিবন্ধন নিল নেটফ্লিক্স

অনলাইন ডেস্ক

বাংলাদেশে ভ্যাট নিবন্ধন নিল নেটফ্লিক্স

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ভিডিও স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম ও প্রযোজনা সংস্থা নেটফ্লিক্স জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) থেকে ব্যবসায় নিবন্ধন নম্বর (বিআইবিএন) নিয়েছে, যা ভ্যাট নিবন্ধন নামে পরিচিত। এর আগে বিশ্বের অন্যতম টেক জায়ান্ট গুগল ও আমাজন ঢাকা দক্ষিণ ভ্যাট কমিশনারেট থেকে অনাবাসী প্রতিষ্ঠান হিসেবে ব্যবসায় নিবন্ধন নম্বর (বিআইএন) নেয়। ২৩ মে গুগল এবং ২৭ মে আমাজন এই ভ্যাট নিবন্ধন পেয়েছে। 

বুধবার (১ ডিসেম্বর) ঢাকা দক্ষিণ ভ্যাট কমিশনারেট থেকে বাংলাদেশের অনাবাসী প্রতিষ্ঠান হিসেবে নেটফ্লিক্স  বিআইএন গ্রহণ করে।

নিবন্ধনের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটি সিঙ্গাপুরের ঠিকানা ব্যবহার করেছে এবং নেটফ্লিক্স পিটিই লিমিটেড, সিঙ্গাপুর নামে নিবন্ধন পেয়েছে। এখন থেকে প্রতিষ্ঠানটি নিয়মিত ভ্যাট রিটার্ন দাখিল করে ভ্যাটের টাকা পরিশোধ করবে।

এ বিষয়ে ঢাকা দক্ষিণ ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনার এস এম হুমায়ুন কবির বলেন, অনাবাসী প্রতিষ্ঠান হিসেবে নেটফ্লিক্স এ দেশে ব্যবসা পরিচালনা করছে। এখন তারা পুরোপুরি ভ্যাট আইনের আওতায় এলো এবং আইনি সুরক্ষাও পাবে।

তিনি জানান, প্রতিষ্ঠাটির স্থানীয় পরামর্শক হিসেবে প্রাইস ওয়াটার হাউস কুপারস ভ্যাট নিবন্ধন গ্রহণ করেছে। ডিসেম্বর থেকে নেটফ্লিক্স নিয়মিত ভ্যাট রিটার্ন দাখিল করবে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

আগাম তরমুজ চাষে ব্যস্ত পটুয়াখালীর কৃষকেরা

অনলাইন ডেস্ক

আগাম তরমুজ চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন উপকূলীয় জেলা পটুয়াখালীর কৃষকরা। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ভালো ফলন, ভালো দাম পাওয়ার আশা করছেন তারা। গেলো বছরের চেয়ে এবছর এ জেলায় বেশী জমিতে তরমুজ আবাদ হচ্ছে বলে জানিয়েছে জেলা কৃষি বিভাগ।

দিনে রোদের তাপ, রাতে হালকা শীত, সকালে কুয়াশার ঘন আবরণ। এ বছর ধানের ফলন ভাল হলেও বাজার মন্দা। এজন্য সব কিছু উপেক্ষা করে আগাম তরমুজ চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন উপকূলীয় কৃষক-কৃষাণীরা। ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে অনেকে মহাজন ও এনজিও থেকে চরা সুদে ঋণ নিয়ে তরমুজ চাষ করেছেন।

তবে ডিজেলেন দাম বাড়তি থাকায় বিগত বছরের তুলুনায় এবার উৎপাদন খরচ বেশী হচ্ছে। এ কারণে কিছুটা হতাশ কৃষক। 

প্রতি বছর জেলায় সবচেয়ে বেশি তরমুজ উৎপাদন হয় দ্বীপাঞ্চল উপজেলা রাঙ্গাবালীতে। রাঙ্গাবালীর রাঙ্গা তরমুজের সুনাম রয়েছে সারা দেশে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে, ফসলের ন্যায্য দামের আশায় কৃষক।


আরও পড়ুন:

বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল স্থাপন নিয়ে কটূক্তি, কাটাখালীর মেয়র আটক

শুরু হলো মহান বিজয়ের মাস

আজ থেকে ঢাকার গণপরিবহনে শিক্ষার্থীদের ভাড়া অর্ধেক কার্যকর


জানুয়ারির শেষে এ অঞ্চলের তরমুজ বাজারজাত করার প্রত্যাশা চাষীদের।

জেলা কৃষি অফিসের তথ্য বলছে, গেলো বছর জেলায় তরমুজ চাষ হয়েছে ১৬ হাজার হেক্টর জমিতে। ৮ হাজার হেক্টরই রাঙ্গাবালী উপজেলায়। 

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

রেমিট্যান্সে ভাটা

অনলাইন ডেস্ক

রেমিট্যান্সে ভাটা

মহামারি করোনাভাইরাসের মধ্যেও রেমিট্যান্স ভালো এলে বর্তমানে তা নিম্নমুখী। এখন ক্রমেই কমছে রেমিট্যান্সের পরিমাণ। গত নভেম্বরে যে প্রবাসী আয় এসেছে, তা গত ১৮ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন। যেটিকে বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত সেপ্টেম্বরের তুলনায় অক্টোবরে ৪ শতাংশ আয় কমেছে। সেপ্টেম্বর মাসে প্রবাসী আয় এসেছিল ১৭২ কোটি ডলার।

আর ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে আসে ২১৫ কোটি ১০ লাখ ডলার। আর নভেম্বরে তা ভয়াবস আকার ধারণ করে সেটি কমে হয়েছে ১৫৫ কোটি ৩৭ লাখ ডলার।

বুধবার (০১ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সদ্য বিদায়ী নভেম্বর মাসে ১.৫৫ বিলিয়ন বা ১৫৫ কোটি ৩৭ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স দেশে পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা, যা দেড় বছর বা ১৮ মাসের মধ্যে এটিই সবচেয়ে নিম্নগামী। গত বছরের (নভেম্বর ২০২০) একই সময়ের চেয়ে ২৫ শতাংশ কম। ২০১৯ সালের নভেম্বরে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ২০৭ কোটি ৮৭ লাখ ডলার। এর আগে সর্বনিম্ন রেমিট্যান্স এসেছিল ২০২০ সালের মে মাসে। ওই সময় রেমিট্যান্স আসার পরিমাণ ছিল ১৫০ কোটি ডলার।

করোনার পর অবৈধ চ্যানেলগুলোতে (হুন্ডি) অর্থ লেনদেন বেড়ে যাওয়ায় রেমিট্যান্স কমছে বলে জানান খাতসংশ্লিষ্টরা। পাশাপাশি করোনায় চাকরি হারিয়ে প্রবাসীরা জমানো টাকা দেশে আনায় করোনাকালে রেমিট্যান্স বেড়েছিল।

চলতি অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে (জুলাই-নভেম্বর) দেশে রেমিট্যান্স আসে ৮৬০ কোটি ৮৮ লাখ ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ৭৩ হাজার ৮৬৪ কোটি টাকা। এর আগের অর্থবছর অর্থাৎ ২০২০-২১ অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ২২৮ কোটি ৫২ লাখ বা প্রায় ২১ শতাংশ কম। ২০২০-২১ অর্থবছরে প্রথম পাঁচ মাসে এক হাজার ৮৯ কোটি ৪১ লাখ ডলার বা ৯২ হাজার ৬০০ কোটি টাকা প্রবাসী আয় এসেছিল।

সদ্য বিদায়ী নভেম্বর মাসে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে রেমিট্যান্স এসেছে ৩০ কোটি ৯৪ লাখ ডলার। বিশেষায়িত একটি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৩ কোটি ডলার রেমিট্যান্স। এছাড়া বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ১২০ কোটি ৬৫ লাখ ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে দেশে এসেছে ৭৪ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স।

আরও পড়ুন: 


পায়ের রগকাটা মরদেহ পড়ে আছে নদীর পাড়ে


news24bd.tv /তৌহিদ

পরবর্তী খবর

দুই বিঘায় শুরু করে ২০০ বিঘার মালিক তিনি

নাসিম উদ্দীন নাসিম, নাটোর

দুই বিঘায় শুরু করে ২০০ বিঘার মালিক তিনি

পেয়ারা চাষ

নাটোরে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে পেয়ারা চাষ হচ্ছে এক দশক ধরে। সদর উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে পেয়ারা চাষ করে জাদুকারি সাফল্য পেয়েছেন চাষীরা। বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক হওয়ায় পেঁয়ারা চাষে আগ্রহী হয়েছে অনেকে। নাটোর সদর উপজেলার মাটি সব ফসলের জন্য উপযোগী। জেলার উদ্দোমী পেয়ারা চাষী আফাজ আলী পেঁয়ারা চাষ করে সফল হয়েছেন।

২০১৫ সালে বাড়ির পাশে নিজের দুই বিঘা জমিতে শুরু করেন পেঁয়ারা চাষ। শুরুতে বিনিয়োগ করেন দুই লাখ টাকা। বছর শেষে পেয়ারা বিক্রি করেন ১০ লাখ টাকার। তারপর থেকে সিদ্ধান্ত নেন পেয়ারা চাষকে পেশা হিসেবে বেছে নেবেন। বাড়াতে শুরু করেন পেয়ারা বাগানের পরিধি। ২০০ বিঘায় ৯টি বাগানে পেয়ারা চাষ করে তিনি এখন জেলার সবচেয়ে বড় পেয়ারা উৎপাদনকারী।

শুধু বাগানই নয়, ভিটামিন-খনিজ উৎপাদনের মাধ্যমে জাতীয় উৎপাদন বৃদ্ধি ও দেশের পুষ্টিতে ভূমিকা রাখার পাশাপাশি গড়ে তুলেছেন কর্মসংস্থান। প্রতিদিন গড়ে দেড়শ মানুষের কাজের সুযোগ সৃষ্টি করেছেন তিনি। এছাড়া আফাজের বাগানের পেয়ারা নাটোর ছাড়িয়ে চলে যাচ্ছে ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন জেলায়।সফল উদ্যোক্তা পেয়ারাচাষী আফাজ আলীর বাড়ি নাটোর সদর উপজেলার চন্দ্রকোলা রুয়েরভাগ গ্রামে। কৃষক পরিবারে ১০ ভাইবোনের আর্থিক টানাপোড়েনের সংসারে সবার ছোট আফাজ আলী। আর্থিক অনিশ্চয়তার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে ব্যবসায়ের হাতছানির কারণে পড়াশোনা বেশি দূর করতে পারেনি । ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ব্যবসার অভিজ্ঞতা থেকে একসময় শুরু করেন চাল ব্যবসা। এ ব্যবসায় মুনাফা থাকলেও একসময় হাল ছেড়ে দেন। বারবার ব্যবসায়ের পরিবর্তন শেষে পেয়ারা চাষেই থিতু হন তিনি। মাত্র ছয় বছরের ব্যবধানে পেয়ারা যেহেতু তাকে এনে দিয়েছে সাফল্য, তাই এখন পেয়ারাই তার ধ্যান-জ্ঞান।

জানা যায়, নাটোর সদর উপজেলার তেবাড়িয়া, ছাতনী, আগদিঘা, বড়হরিশপুর ইউনিয়ন পেরিয়ে আফাজের পেয়ারা বাগান এখন সিংড়া উপজেলার হাতিয়ানদহে। দুই শতাধিক বিঘার মোট ৯টি বাগানজুড়ে পেয়ারা চাষ করে তিনি এখন জেলার সবচেয়ে বড় পেয়ারা উৎপাদনকারী।এমনিতেই নাটোর ফল উৎপাদনের সূতিকাগার। নাটোরের অসংখ্য ফল উৎপাদক সারা দেশে নন্দিত হয়েছেন ইতোপূর্বে। তাদের উৎপাদনের ক্ষেত্র কখনো একটা মাত্র ফলে সীমিত থাকেনি। প্রত্যেকেই রকমারি ফল উৎপাদন করেন। ব্যতিক্রম শুধু আফাজ আলী। তার ক্ষেত্র শুধুই পেয়ারা।

নাটোর সদর উপজেলার শংকরভাগ এলাকার এক জায়গায় ১২০ বিঘা ও অন্যান্য জায়গায় ৮০ বিঘায় পেয়ারা-বাগান গড়ে তোলেন আফাজ আলী। আফাজ আলী থাই-৩ জাতের পেয়ারা চাষ করেন। তার প্রতি বিঘায় গাছ রয়েছে ২০০টি করে। সাধারণত এক বছরের মাথায় ফলন পাওয়া যায়। প্রতিটি গাছের বার্ষিক ফলন এক মণের কাছাকাছি।

বারো মাস ফলন পাওয়া গেলেও পেয়ারের মৌসুম মূলত আশ্বিন থেকে জ্যৈষ্ঠ মাস। তবে উচ্চ মূল্য ও সময় হিসেবে পৌষ ও মাঘ মাসসহ অগ্রহায়ণ ও ফালগুনের অর্ধেকটা সময় ব্যবসায়ীদের কাছে পেয়ারা বাজারজাতকরণের কাঙ্ক্ষিত সময়।

আফাজ আলী বলেন, আগে আমি নার্সারি ও চালের ব্যবসা করতাম। এক বন্ধুর পেয়ারা চাষ দেখে আমি উদ্বুদ্ধ হই। প্রথমে আমি দুই বিঘা জমিতে চাষ শুরু করি। অন্য কোনো ফল নয়, পেয়ারাই আমার ধ্যান-জ্ঞান। ৯টি বাগানে প্রতিদিন গড়ে দেড় শ মানুষ কাজ করে। তাদের গাছ রোপণ, আগাছা নিধন, সার দেওয়া, সেচ, পেয়ারার ব্যাগিং কাজের দিকনির্দেশনা দিয়েই আমার বাগানে দিন কাটে।

বাগানে কাজ করা শ্রমিক শাকিল মাহমুদ বলেন, পেয়ারার বাগানে কাজ করছি। আমরা এখানে ১৫০ জন শ্রমিক নিয়মিত কাজ করছি। সবার সংসারে উন্নতি আসছে এবং সবাই ভালোমতো চলতে পারছি। আমরা বাগানে বিভিন্ন ধরনের কাজ করে থাকি।

শ্রমিক মো. শাহ আলম মিয়া জানান, আমি পেয়ার-বাগানে শুরু থেকে কাজ করছি। মাসে ৯ হাজার টাকা বেতন পাই। আমাদের এখানে প্রতিদিন আট ঘণ্টা কাজ করতে হয়। সকাল আটটা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত বাগানে কাজ করি।

ঢাকার কাওয়ানবাজারের মা ফলভান্ডারের স্বত্বাধিকারী ও ব্যবসায়ী আলী জানান, নাটোরের আফাজের পেয়ারা খুবই ভালো। তার পেয়ারার ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। গুণগত মানেও খুব ভালো। তাই আমি আফাজের বাগানের পেয়ারা গাড়িযোগে ঢাকায় এনে বিক্রি করি।

আরও পড়ুন: 


পায়ের রগকাটা মরদেহ পড়ে আছে নদীর পাড়ে


 

কৃষি সস্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মাহমুদুল ফারুক বলেন, পেয়ারার বাগান সৃষ্টির মাধ্যমে আফাজ শুধু নিজের
আর্থিক সমৃদ্ধিই অর্জন করেননি, শত মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে জাতীয় উৎপাদন বৃদ্ধি, সর্বোপরি দেশের মানুষের পুষ্টির অভাব পূরণের মাধ্যমে অবদান রাখছেন। নাটোরের উৎপাদিত ফল দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সরবরাহ হচ্ছে। কৃষি বিভাগ পেয়ারা উৎপাদনের নতুন নতুন প্রযুক্তি ও পরামর্শ দিয়ে সব সময় আফাজের পাশে আছে। আমরা সব সময় কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করি ফল চাষের জন্য।

news24bd.tv /তৌহিদ

পরবর্তী খবর