পড়াশোনার সময় ঘুম আসা বন্ধে যা করতে পারেন

অনলাইন ডেস্ক


পড়াশোনার সময় ঘুম আসা বন্ধে যা করতে পারেন

পড়াশোনার সময় আমাদের অনেকেরই ঘুম চলে আসে। তবে কিছু কৌশল জানা থাকলে খুব সহজেই এই সমস্যা থেকে পরিত্রান পেতে পারেন। ঘুম আসা বন্ধ করার কয়েকটি ব্যবহারিক পদ্ধতি আলোচনা করা হলো।

পর্যাপ্ত পানি পান করুন

পড়াশোনার সময় আপনি ঘুমিয়ে পড়ার আরেকটি কারণ হলো আপনি পর্যাপ্ত পানি পান করছেন না। তবে একটি গবেষণার হিসাবে, ডিহাইড্রেশন আক্ষরিকভাবে আপনার মস্তিষ্ককে সঙ্কুচিত করতে পারে! পড়ার সময় পর্যাপ্ত পানি না পান করলে আপনি মনোযোগ হারাতে পারেন। এটি মোকাবেলা করতে, আপনার পড়ার টেবিলে সবসময় ঠাণ্ডা পানির একটি বোতল রাখুন এবং সারা দিন একটু একটু করে চুমুক দিন। আপনার প্রতিদিন ২ লিটার পানি পান করা উচিৎ। আপনি একটি ২ লিটারের বোতলে পানি ভরে রাখতে পারেন এবং ঘুমানোর আগে সেটি শেষ করে ঘুমাতে পারেন।

টেবিল থেকে উঠুন এবং কিছুক্ষণ ঘোরাফেরা করুন:

পাওয়ার ন্যাপ নেয়া ছাড়াও, পড়াশোনার সময় আপনি যদি ঘুম অনুভব করেন তাহলে কিছুক্ষণের জন্য হাটাহাটি করতে পারেন। বা আপনার প্রিয় গান ছেড়ে নাচতে পারেন। বাইরে থেকে ১০ মিনিটের জন্য ঘুরে আসতে পারেন। এমনকি আপনার ঘরে হেঁটে হেঁটে বইটি নিয়ে পড়াশোনা করতে পারেন।

একটানা অনেকক্ষণ পড়া যাবে না:

অনেকেই একটানা ৫-৬ ঘন্টা পড়ার কথা বলে তবে মনোযোগ না হারিয়ে এটি করা প্রায় অসম্ভব। একটানা সর্বোচ্চ ২ ঘন্টার বেশি পড়া উচিৎ নয়। প্রতি ২ঘন্টা পরপর বা ২৫ মিনিট পড়ার পরে ৫ মিনিটের বিরতি নিতে হবে। এই ৫ মিনিটে আপনি শ্বাস প্রশ্বাসের ব্যাম করতে পরেন। বা প্রতি ২ ঘন্টা পরে আপনি প্রায় ২০ মিনিটের দীর্ঘ বিরতিও নিতে পারেন।

জোরে জোরে পড়ুন এবং বেশিবেশি লিখুন:

জোরে জোরে পড়া আপনাকে মনে মনে পড়ার চেয়ে আরো বেশি ব্যস্ত রাখতে পারে যা আপনাকে পড়াশোনার সময় না ঘুমাতে সাহায্য করবে। এছাড়া একটি রাফ খাতা আপনার পাশে রাখুন এতে আপনি যা পড়ছেন তার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো লিখে রাখতে পারেন। আপনার নোটগুলি মুখস্থ করার জন্য এটিই সেরা উপায় নয়, এটি আপনার শরীরকে ব্যস্ত রাখবে এবং আপনাকে জাগিয়ে রাখবে।

আপনার পড়ার বিষয়গুলো ঘুরিয়ে ফিরিয়ে পড়ুন:

কখনো কখনো একই বিষয় খুব দীর্ঘ সময় পড়লে আপনার ঘুম আসতে পারে। পড়তে পড়তে ঘুম আসলে অন্য কোনো বিষয় পড়ুন বা  আপনার পছন্দের বিষয়ও পড়তে পারেন। এছাড়া, গভীর রাতে জটিল বিষয়গুলি না পড়াই ভালো।

পড়ার সময় আরাম করা যাবে না:

পড়াশোনার সময় ঘুমিয়ে যাওয়ার একটা বড় কারণ খুব স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করা। এক্ষেত্রে আপনার বিছানায় পড়াশোনা না করা উচিত। আপনার পড়ার যায়গা এবং ঘুমানোর যায়গা আলাদা রাখুন। এর ফলে আপনার মস্তিষ্ক দুটির মধ্যে পার্থক্য করতে পারবে।

ঘন ঘন মুখ ধোয়া:

জেগে থাকার সর্বাধিক ব্যবহারিক একটি উপায় হলো যখনই ঘুম পাচ্ছে তখনই মুখ ধুয়ে নেয়া। এটি অন্যতম পরীক্ষিত পদ্ধতি এবং এটি সম্ভবত অভিভাবকরা সবচেয়ে বেশি পরামর্শ দিয়ে থাকেন। যখনই আপনার চোখ ভারী লাগবে ঠাণ্ডা পানিতে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এছাড়া আপনি  দাঁত ব্রাশও করতে পারেন। 

নিজের সঙ্গে কথা বলুন:

নিজের সঙ্গে কথা বলা পাগলামির মত শোনাতে পারে তবে এটি সত্যিই কার্যকর। নিজেকে জাগ্রত রাখতে পড়াশোনার সময় নিজের সঙ্গে কথা বলুন। নিচের বাক্যগুলো আপনার আত্মবিশ্বাসকে বাড়িয়ে তুলতে পারে এবং আপনাকে আরো বেশি কেন্দ্রীভূত করতে পারে –

“আমি আগামীকাল পরীক্ষায় টেক্কা দিতে যাচ্ছি!”, “আমি খুব ভালো প্রস্তুত, আমি নিশ্চিতভাবে ৯০-আপ পাব!”

আপনার চোখকে বিশ্রাম দিন:

আমরা এখন কেবল বই এবং নোটবুক থেকে পড়াশোনা করি না। এটি ডিজিটাল যুগ এবং অনেক শিক্ষার্থী অনলাইনে বক্তৃতার দিকে নজর রাখছে বা নোট পড়তে কম্পিউটারের স্ক্রিনে ঘন্টার পর ঘন্টা কাটাচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা প্রতি ২০ মিনিটে কম্পিউটারের পর্দা থেকে দূরে সরে যাওয়ার পরামর্শ দেন।

চুইংগাম খেতে পারেন:

চুইংগাম আপনার দাঁতগুলির জন্য খুব খারাপ তবে আপনার পড়ার সময় সঙ্গে একটি প্যাকেট রাখতে পারেন। এবং  ঘুম আসলে এটি খেতে পারেন। আপনার মুখ যদি অবিচ্ছিন্নভাবে কাজ করে তবে পড়ায় মনোযোগ হারানোর ঝুঁকি কম রয়েছে।

আরও পড়ুন:স্বামীকে কুপিয়ে সেই দা নিয়ে ঘরের দরজায় বসেছিলেন স্ত্রী

ক্যাফিনেটেড পানীয় পান করতে পারেন:

কফি বা অন্যান্য পানীয় পান করতে পারেন। এটি আপনার শক্তিকে বাড়িয়ে তুলতে পারে তবে মাথায় রাখা উচিত যে এ এনার্জি অল্পের জন্য স্থায়ী হতে পারে। তাছাড়া খুব বেশি ক্যাফিন আপনার পক্ষে খারাপ। আপনার একদিনে ৫০০-৬০০ মিলিগ্রামের বেশি ক্যাফিন পান করা উচিত নয়।

অন্যদের সঙ্গে অধ্যয়ণ:

যদি আপনি একা অধ্যয়ন না করেন তবে সম্ভাবনা রয়েছে যে আপনার ঘুম কম পাবে। একদল বন্ধুবান্ধব নিয়ে পড়াশোনা বিভ্রান্তিকর হতে পারে তবে পরীক্ষার জন্য এটি আরো ভালভাবে আপনাকে সহায়তা করতে পারে। আপনার বন্ধুরা আপনাকে প্রস্তুতি নিয়ে কুইজ করতে পারে বা এমন ধারণাটি বুঝতে সহায়তা করতে পারে যা আপনার কাছে এখনো পরিষ্কার নয়।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

কোন বাদাম উপকারী: কাঁচা নাকি ভাজা?

অনলাইন ডেস্ক

কোন বাদাম উপকারী: কাঁচা নাকি ভাজা?

বাদাম

বাদাম স্বাস্থ্যকর স্ন্যাকস হিসেবে বেশ সুপরিচিত। এতে রয়েছে ক্যালরি, প্রোটিন, ফ্যাট, কার্বোহাইড্রেট, ফাইবার, ভিটামিন ই, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, কপার, ম্যাংগানিজ ইত্যাদি। 

বাদাম থেকে শরীরের জন্য উপকারী কোলেস্টেরল পাওয়া যায়। এছাড়া এতে রয়েছে সি-রিঅ্যাক্টিভ প্রোটিন ও ইন্টারলিউকিন  যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে। ফাইবার সমৃদ্ধ বাদাম দূর করে হজমের গণ্ডগোল।

বাদাম খেলে হৃদপিণ্ড সক্রিয় থাকে। নিয়মিত বাদাম খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। এমনকি রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে বাদাম। 

বাদাম কাঁচা বা ভাজা দুই অবস্থাতেই খাওয়া যায়। তবে কোন বাদাম খাওয়া বেশি উপকারী? 

দুই ধরণের বাদামেই রয়েছে উপকারিতা। কাঁচা বাদামে অনেক সময় ব্যাকটেরিয়া থাকে যেগুলো স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। আবার ভাজা বাদাম হারিয়ে ফেলে কিছু পুষ্টিগুণ।

ফলে বাইরে থেকে সরাসরি ভাজা বাদাম না কিনে কাঁচা বাদাম কিনে তা বাড়িতে ভেজে খেতে পারেন। এতে বাইরের অতিরিক্ত লবণ, চিনি কিংবা তেল থেকে মুক্ত থাকা যাবে।

আরও পড়ুন:

আইপিএলে নিজের বেতন কমালেন কোহলি


news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

করলার তেতো কমানোর টিপস

অনলাইন ডেস্ক

করলার তেতো কমানোর টিপস

পুষ্টিগুণে ভরা সবজি করলা

করলা স্বাস্থ্যের জন্য খুব উপকারী হলেও অনেকেই করলা খেতে পছন্দ করেন না। বিশেষ করে ছোটরা। কারণ এর স্বাদ তেতো। তবে চিন্তার কারণ নেই। কারণ তেতো কমানোর কিছু উপায় রয়েছে। আসুন সেগুলো একটু জেনে নেই।

১. করলা লম্বালম্বি মাঝ বরাবর কাটুন। এবার চা চামচ দিয়ে আঁচড়ে বিচি বের করে নিন।

২. সুন্দর পাতলা স্লাইস করে নিন ভাজির জন্য। আগেই কোনো পানি দেবেন না।


আরও পড়ুন:

বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল স্থাপন নিয়ে কটূক্তি, কাটাখালীর মেয়র আটক

শুরু হলো মহান বিজয়ের মাস

আজ থেকে ঢাকার গণপরিবহনে শিক্ষার্থীদের ভাড়া অর্ধেক কার্যকর


৩. সামান্য লবণ দিয়ে মেখে ২০ মিনিট রেখে দিন। ২০ মিনিট পর হাত দিয়ে কচলান।

৪. দেখবেন সবুজ তেতো পানি বের হবে। এই পানি ফেলে দিন।

৫.এবার পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে চিপে সঙ্গে সঙ্গে রান্না করুন। বুঝতেই পারবেন না করলা খাচ্ছেন, নাকি অন্যকিছু খাচ্ছেন।

মনে রাখবেন, করলা কেটে বেশি সময় পানিতে ভিজিয়ে রাখলে বেশি তেতো হয়ে যায়। তাই ধোয়ার সঙ্গে সঙ্গে রান্না করে ফেলতে হবে।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

ত্বকের বয়স কমায় কাঁচা হলুদ

অনলাইন ডেস্ক

ত্বকের বয়স কমায় কাঁচা হলুদ

কাঁচা হলুদ

কাঁচা হলুদের ব্যবহার আমাদের গায়ের রঙ উজ্জ্বল হতে তো সাহায্য করেই, পাশাপাশি ত্বকের ভেতর থেকেও যত্ন নেয় এটি। তাই ত্বকের যত্নে নিয়মিত হলুদ ব্যবহার করতে পারেন।

কাঁচা হলুদের উপকার সম্পর্কে জানানো হল।

কাঁচা হলুদ ত্বকের বয়স কমায়। তাই বিভিন্ন ক্রিমের প্রয়োজনীয় উপাদান হিসেবে হলুদ ব্যবহার করা হয়। ত্বকের বিভিন্ন দাগ, রিঙ্কল ও সান ট্যান থেকে ত্বককে রক্ষা করার জন্য কাঁচা হলুদের ফেসপ্যাক ঘরেই তৈরি করে মুখে লাগানো যেতে পারে।


আরও পড়ুন:

গণপরিবহনে শিক্ষার্থীদের হাফ ভাড়া কার্যকর

হাফ পাস শুধুমাত্র ঢাকায় কার্যকর হবে বললেন এনায়েত উল্লাহ

কুমিল্লায় কাউন্সিলর হত্যা: ৬ হামলাকারী শনাক্ত


কাচা হলুদকে জাদুকরি উপাদান বলা হয়। এটি ত্বকের অধিকাংশ সমস্যা সমাধান করতে পারে। কারকিউমিন রং ফর্সা করে, ত্বক উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে। কারকিউমিন ত্বককে পাতলা করতে কাজ করে। ব্যাকটেরিয়া দূর করে; ভেতর থেকে উজ্জ্বলতা বাড়ায়।

কাঁচা হলুদের অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি, এন্টিসেপ্টিক ও অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল গুণ মুখে ব্রণ কমায়। ব্রণ সমস্যার থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য মুখে নিয়ম করে কাঁচা হলুদ পেস্ট করে মাখুন ও খান, দেখবেন তাড়াতাড়ি উপকার পাচ্ছেন। কাঁচা হলুদ শুধু ব্রণই দূর করে না, তার সাথে ব্রণের দাগ এবং লোমকূপ থেকে তেল বের হওয়ার পরিমাণও কমিয়ে দেয়।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

শেভের পর ত্বক জ্বালা-পোড়া থেকে বাঁচতে যা করবেন

অনলাইন ডেস্ক

শেভের পর ত্বক জ্বালা-পোড়া থেকে বাঁচতে যা করবেন

প্রতীকী ছবি

শেভ করার পর অনেকেরই ত্বক জ্বালা-পোড়া করে। বিশেষ করে শীতকালে অনেকেই এই সমস্যায় ভোগেন। বেশ কয়েকটি পরামর্শ মেনে চললে এই অবস্থা থেকে নিস্তার পাওয়া সম্ভব।

এক নজরে দেখে নেয়া যাক এমন কিছু উপায়-

১) ত্বক যাতে বেশি শুষ্ক না হয়ে যায়, সে দিকে খেয়াল রাখুন। সকালে দাড়ি কামানোর পরিকল্পনা থাকলে আগের রাতে মুখে ভালোভাবে ময়শ্চারাইজার মাখুন। এতে ত্বক আর্দ্র থাকবে।

২) তুলনামূলক লম্বা দাড়ি কাঁচি দিয়ে প্রথমে ছেঁটে নিন। লম্বা দাড়িও রেজর দিয়ে কাটতে গেলে গালের এক-একটি অংশে একাধিক বার ব্লেড ছোঁয়াতে হবে। ফলে ক্ষত তৈরি হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকবে।

৩) দাড়ি কামানোর সময়ে চেষ্টা করুন যে সব ক্রিমে বেশি ফেনা হয়, তা ব্যবহার করতে। তবে ত্বক মোলায়েম থাকবে।

৪) দাড়ি কাটার পর অবশ্যই অ্যালোভেরা জেল বা ভারী কোনো ময়শ্চারাইজার গালে মাখুন। তা হলে প্রথমেই অনেকটা নিয়ন্ত্রিত হবে জ্বালা ভাব।

আরও পড়ুন:

রামপুরা ব্রিজ অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ


news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

দীর্ঘক্ষণ চেয়ারে বসে থেকে যেসব বিপদ ডেকে আনছেন

অনলাইন ডেস্ক

দীর্ঘক্ষণ চেয়ারে বসে থেকে যেসব বিপদ ডেকে আনছেন

প্রতীকী ছবি

অফিসে কাজের জন্য অনেককেই দীর্ঘ সময় চেয়ারে বসে থাকতে হয়। কিন্তু কখনো ভেবে দেখেছেন কী, এতে আমাদের শরীরের কী ধরনের ক্ষতি হচ্ছে। চলুন জেনে নেই দীর্ঘ সময় ধরে বসে থাকলে আপনার কী ক্ষতি হতে পারে-

পিঠে ব্যথা:

দীর্ঘ সময় যাবৎ বসে থাকার আরেকটি পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া হলো পিঠে ব্যথা। বিশেষ করে, আপনি যদি চেয়ারে বসে থাকেন এবং কম্পিউটারে কাজ করতে থাকেন। কারণ এটি আপনাকে ঘাড় ও মাথাকে সামনে ঝুকিয়ে, মেরুদণ্ডে অনেক চাপের সৃষ্টি করে, একইভাবে চেয়ারে বসে থাকতে বাধ্য করে, যা পিঠ এমনকি ঘাড়ের ব্যাথার কারণ হয়।

মেদ বৃদ্ধি:

দীর্ঘসময় বসে থাকা মেদ বৃদ্ধির জন্য খুবই সহায়ক। বসে থাকার সময়ে শারীরিক বিপাক ক্রিয়া ধীর হয়ে যায়, ক্যালোরি বার্ন হওয়ার পরিমাণ কমে যায়। আপনি অনেকক্ষ ধরে বসে থাকলে চর্বির পক্ষে আপনার কোমরের চারপাশে জমেতেও সুবিধা হয়। আমরা সকলেই জানি পেটের অত্যাধিক চর্বি কতোটা বিপদ্দজনক হতে পারে!

হাড় সংক্রান্ত সমস্যা:

একটানা বসে থাকার ফলে আমাদের দেহের নিচের অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলোতে সঠিকভাবে রক্ত সঞ্চালন হয় না। এতে করে সমস্যা শুরু হয় নানা অঙ্গে। একটানা বসে থাকার ফলে দেহের নিচের অংশের হাড় ভারী হয়। ফলে দেখা দেয় হাড় সংক্রান্ত নানা সমস্যা। এতে পিঠ ও মেরুদণ্ডে ব্যথা হতে পারে।


আরও পড়ুন:

দেশে করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া সবাই পুরুষ

খালেদা জিয়ার মেডিকেল বোর্ডের বক্তব্যকে গুরুত্ব দিন: সরকারকে রিজভী

ফাঁকিবাজ সরকার বলেই সত্য বললেও মানুষ বিশ্বাস করেনা: মান্না


এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে করণীয়:

আধা ঘণ্টা পর পর চেয়ার ছেড়ে উঠুন:

আপনার কাজ রয়েছে বুঝলাম। তবে কাজের অজুহাতে শরীর খারাপ করলে তো চলবে না। তাই প্রতি ৩০ মিনিটে একবার চেয়ার ছেড়ে উঠুন। পারলে নিজের মোবাইলে রিমাইন্ডার দিয়ে রাখুন। তারপর রিমাইন্ডার বাজলেই উঠে পড়ুন।

হাঁটুন: চেয়ার ছেড়ে শুধু দাঁড়িয়ে থাকা যাবে না। হেঁটে আসুন। খুব দূর যেতে হবে না। একটু অফিসের লনেই হেঁটে নিন। বারান্দায় গিয়ে দাঁড়ান। তারপর ফিরে আসুন। এটুকু করলেই চলবে।

স্ট্রেচিং করুন: যখনই সময় পাবেন, একটু দাঁড়িয়ে স্ট্রেচিং করুন। দেখবেন হালকা লাগছে। এই স্ট্রেচিং এক্সারসাইজ শরীরকে নমনীয় করে, পেশির শক্তি বাড়ায়, মেরুদণ্ডকে ঋজু রাখে। বিশেষত, ঘাড়ে, হাতে, কোমরে ব্যথা থাকলে একজন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ মতো করতে হবে স্ট্রেচিং।

ব্যায়াম করুন: সারা দিনে ঠিক ৩০ মিনিট ব্যায়াম করুন। শুধু এইটুকু করতে পারলেই আপনার শরীর থাকবে ভালো। সঙ্গে মনও নিজের মতো করে মুক্ত হবে। দূর হবে দুশ্চিন্তা।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর