পাকিস্তানের ঐতিহাসিক জয়ে যা বললেন ইমরান খান

অনলাইন ডেস্ক

পাকিস্তানের ঐতিহাসিক জয়ে যা বললেন ইমরান খান

দুবাইয়ে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে পাকিস্তানের হেড টু হেড পরিসংখ্যান ছিল ১২-০। বিশ্বকাপ মঞ্চের ভারতের বিপক্ষে কোনো জয়ই ছিল না।

তাইতো ভারতের বিপক্ষে রোববার বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে খেলতে নামার আগে বাবর আজমদের পরামর্শ দিয়েছিলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী সাবেক বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক ইমরান খান।

আরও পড়ুন:


পীরগঞ্জের ঘটনায় রিমান্ড শেষে ৩৭ জন জেলহাজতে

সাকিব-নাসুমের পর সাইফুদ্দিনের আঘাত

লিটনের ক্যাস মিস, মাসুল গুনছে টাইগাররা


 

১৯৯২ সালে বিশ্বকাপ জিতে নেওয়ার সেই কাহিনী বাবরের দলকে শুনিয়েছেন ইমরান।

কীভাবে স্নায়ুচাপের ম্যাচ জয় করতে হয় তা নিয়ে  টোটকা দিয়েছিলেন বাবরকে।

আর সাবেক অধিনায়কের সেই টোটকা পুরোদমেই কাজে লেগেছে।

ভারতকে ১০ উইকেটে ধরাশায়ী করেছে পাকিস্তান।

দলের এমন জয়ে উচ্ছ্বসিত পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। পাকিস্তান দলকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

পাক-ভারত ম্যাচ উপভোগ করছেন - এমন একটি ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোড করে ইমরান খান লিখেছেন, ‘পাকিস্তান টিমকে ধন্যবাদ। বিশেষ করে বাবর আজমকে। যে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছে। রেজ‌ওয়ান এবং শাহীন আফ্রিদিকেও বিশেষ ভাবে ধন্যবাদ তাদের পারফরম্যান্সের জন্য। জাতি তোমাদের সবাইকে নিয়ে গর্ব করে।’

news24bd.tv/তৌহিদ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশকে হেসেখেলে হারালো পাকিস্তান

অনলাইন ডেস্ক

বাংলাদেশকে হেসেখেলে হারালো পাকিস্তান

চট্টগ্রাম টেস্টে জয় পেলো পাকিস্তান

পাকিস্তানের বিপক্ষে সাগরিকা টেস্টে প্রথম ইনিংসে ৪৪ রানে লিড নিয়েও ৮ উইকেটের ব্যবধানে হারলো বাংলাদেশ। ৯৬ ওভার হাতে থাকলেও মাত্র ১৬ ওভারেই আনুষ্ঠানিকতা সেরেছে পাকিস্তান। 

প্রথম ইনিংসের সেঞ্চুরিয়ান আবিদ আলি দ্বিতীয় ইনিংসে আউট হন ৯১ রানে। অভিষিক্ত আব্দুল্লাহ শফিক প্রথম ইনিংস ফিফটির পর দ্বিতীয় ইনিংসে করেন ৭৩ রান। বাংলাদেশের হয়ে উইকেট দুটি নেন মিরাজ আর তাইজুল।

প্রথম ইনিংসে ৪৪ রানের লিড পাওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপ। লিটন দাসের ৫৯ রানের সুবাদে ১৫৭ পর্যন্ত যায় দলীয় সংগ্রহ। শাহিন শাহ আফ্রিদি নেন ৫ উইকেট। পাকিস্তানের সামনে জয়ের লক্ষ্য দাঁড়ায় ২০২ রানের। ব্যাটিংয়ে নেমে হেসেখেলে লক্ষে পৌঁছে যায় সফরকারীরা।

দুই ওপেনার আবিদ আলি ও আব্দুল্লাহ শফিকের উদ্বোধনী জুটিতেই তারা পেয়েছিল ১৫১ রান। এরপর বাকি পথ নির্বিঘ্নেই পাড়ি দেন অভিজ্ঞ আজহার আলি ও অধিনায়ক বাবর আজম। অবিচ্ছিন্ন ৩২ রানের জুটিতে ম্যাচ জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন তারা। আজহার ২৪ ও বাবর ১৩ রানে অপরাজিত থাকেন। ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতেছেন দুই ইনিংস মিলে ২২২ রান করা আবিদ আলি।া বংহেসেখেলে হারালো

পাকিস্তানের বিপক্ষে সাগরিকা টেস্টে প্রথম ইনিংসে ৪৪ রানে লিড নিয়েও ৮ উইকেটের ব্যবধানে হারলো বাংলাদেশ। ৯৬ ওভার হাতে থাকলেও মাত্র ১৬ ওভারেই আনুষ্ঠানিকতা সেরেছে পাকিস্তান। 

প্রথম ইনিংসের সেঞ্চুরিয়ান আবিদ আলি দ্বিতীয় ইনিংসে আউট হন ৯১ রানে। অভিষিক্ত আব্দুল্লাহ শফিক প্রথম ইনিংস ফিফটির পর দ্বিতীয় ইনিংসে করেন ৭৩ রান। বাংলাদেশের হয়ে উইকেট দুটি নেন মিরাজ আর তাইজুল।


আরও পড়ুন:

গণপরিবহনে শিক্ষার্থীদের হাফ ভাড়া কার্যকর

হাফ পাস শুধুমাত্র ঢাকায় কার্যকর হবে বললেন এনায়েত উল্লাহ

কুমিল্লায় কাউন্সিলর হত্যা: ৬ হামলাকারী শনাক্ত


প্রথম ইনিংসে ৪৪ রানের লিড পাওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপ। লিটন দাসের ৫৯ রানের সুবাদে ১৫৭ পর্যন্ত যায় দলীয় সংগ্রহ। শাহিন শাহ আফ্রিদি নেন ৫ উইকেট। পাকিস্তানের সামনে জয়ের লক্ষ্য দাঁড়ায় ২০২ রানের। ব্যাটিংয়ে নেমে হেসেখেলে লক্ষে পৌঁছে যায় সফরকারীরা।

দুই ওপেনার আবিদ আলি ও আব্দুল্লাহ শফিকের উদ্বোধনী জুটিতেই তারা পেয়েছিল ১৫১ রান। এরপর বাকি পথ নির্বিঘ্নেই পাড়ি দেন অভিজ্ঞ আজহার আলি ও অধিনায়ক বাবর আজম। অবিচ্ছিন্ন ৩২ রানের জুটিতে ম্যাচ জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন তারা। আজহার ২৪ ও বাবর ১৩ রানে অপরাজিত থাকেন। ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতেছেন দুই ইনিংস মিলে ২২২ রান করা আবিদ আলি।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রাম টেস্ট: এখনও জয়ের সুযোগ দেখছেন ডমিঙ্গো

অনলাইন ডেস্ক


চট্টগ্রাম টেস্ট: এখনও জয়ের সুযোগ দেখছেন ডমিঙ্গো

পাকিস্তানের দিকে হেলে আছে চট্টগ্রাম টেস্ট

চট্টগ্রাম টেস্টের চতুর্থ দিন শেষে চালকের আসনে সফরকারীরা। জয়ের জন্য পঞ্চম ও শেষদিনে তাদের প্রয়োজন মাত্র ৯৩ রান। হাতে আছে ১০ উইকেট। দুই ওপেনার আবিদ আলি ৫৬ আর আব্দুল্লাহ শফিক ৫৩ রানে অপরাজিত আছেন। 

বাংলাদেশের দেওয়া ২০২ রানের লক্ষ্য তাড়ায় চতুর্থ ইনিংসে পাকিস্তান বিনা উইকেটে তুলেছে ১০৯ রান। এর আগে প্রথম ইনিংসে ৪৪ রানের লিড পাওয়া বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংসে গুটিয়ে যায় মাত্র ১৫৭ রানে। 

মঙ্গলবার (২৯ নভেম্বর) ম্যাচের চতুর্থ দিন ৩৩ ওভার বল করেও প্রতিপক্ষের কোনো উইকেট নিতে পারেনি বাংলাদেশ।

চট্টগ্রাম টেস্টে পাকিস্তানের দিকে হেলে থাকলেও এখনও জয়ের সুযোগ দেখছেন বাংলাদেশ দলের হেড কোচ রাসেল ডমিঙ্গো।


আরও পড়ুন:

দেশে করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া সবাই পুরুষ

খালেদা জিয়ার মেডিকেল বোর্ডের বক্তব্যকে গুরুত্ব দিন: সরকারকে রিজভী

ফাঁকিবাজ সরকার বলেই সত্য বললেও মানুষ বিশ্বাস করেনা: মান্না


চতুর্থ দিনের খেলা শেষে সংবাদ সম্মেলনে ডমিঙ্গো বলেন, ‘প্রথম সেশনে উইকেট পড়ছে। যেভাবে ছেলেরা লড়াই করছে তাতে আমি গর্বিত। পাকিস্তান ম্যাচে এগিয়ে আছে। তাদের ৯৩ রান প্রয়োজন, আমাদের জিততে হলে বিশেষ কিছু করতে হবে। টেস্ট ক্রিকেটে যেকোনো কিছুই সম্ভব। আমাদের জয়ের সুযোগ আছে এটা বিশ্বাস করেই কাল মাঠে নামতে হবে। প্রথম আধা ঘণ্টায় এক-দুটি উইকেট তুলে নিতে পারলে যেকোনো কিছুই সম্ভব।’

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

জীবনের গল্প শোনালেন মাশরাফি

অনলাইন ডেস্ক

জীবনের গল্প শোনালেন মাশরাফি

আপনারা লেখাপড়ার স্তর শেষ করে বাস্তব জীবনে প্রবেশ করছেন। জীবন কখনও কণ্টকমুক্ত নয় বলে স্নাতকদের উদ্দেশে জানিয়েছেন জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক, সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মুর্তজা।

শিক্ষার্থীদের কাছে নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে মাশরাফি বলেন, শত সমস্যাতেও হার মানা যাবে না। সময়কে কাজে লাগানোর মানসিকতা থাকতে হবে। 

সোমবার ইউনিভার্সিটি অফ লিবারেল আর্টসের (ইউল্যাব) সমাবর্তন অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে তরুণদের  উদ্দেশে তিনি এসব কথা বলেন। 

তরুণদের উদ্দেশ্যে মাশরাফি বলেন,আমি আমার জীবনের দুটি বিষয় হয়তো বলতে পারি। আমি খুব ছোট জেলা থেকে এসেছি। যখন ক্রিকেট খেলা শুরু করি। আমি অনূর্ধ্ব-১৭, অনূর্ধ্ব-১০ ১৯ ও ‘এ’ দল হয়ে জাতীয় দলের হয়ে এসেছি। আমরা নড়াইলে যখন ছিলাম, ওই ফ্যাসিলিটিজ ছিল না। এত বেশি কোচ ছিল না, ফিটনেস ট্রেনার ছিল না। কিন্তু আমার কাছে মনে হয়েছে আমি খুব উপভোগ করেছি। আমি খুব অল্প বয়সে বুঝতে পেরেছিলাম, ক্রিকেটটা পছন্দ করি, খেলতে চাই।

জীবনের কঠিন সময় যখন এলো, আমার ইনজুরি। যখন অপারেশন হলো। ২০০১ সালে ভারতে গেলাম। তখন ৪টা টেস্ট খেলেছি, তিনটি ওয়ানডে খেলেছি। হসমত হাসপাতালের নাম, ডাক্তার থমাস চেন্ডি। আমি পায়ে ব্যথা পেলাম, উনি বলল দেখে দিচ্ছি। পরে এমআরআই করালো। পরের দিন সকালে বলল যে তোমার লিগামেন্ট টোন হয়েছে। তোমার অপারেশন করাতে হবে এবং এক বছর খেলার বাইরে থাকতে হবে।

আমি একা গিয়েছিলাম। ঢাকায়ই কম এসেছি, সেখানে ভারতে গিয়েছিলাম। আমার কাছে মনে হয়েছিল আকাশটা আমার মাথায় ভেঙে পড়েছে। এরপর ওখান থেকে ফিরে ২০০৮ সাল পর্যন্ত ভালোভাবে খেলেছি। পরের তিন বছরে আবার চারটা ইনজুরি। সেখান থেকে ফিরে এসে ১৪৪ থেকে ১২০ কিলোমিটারে বল করা। ওটাকে ম্যানেজ করা, সাতটা অপারেশন করা। 

তবে সবকিছুর পরও আমি যখন মাঠে নামতাম, বুঝতাম কী করি। আমি বাংলাদেশের জন্য খেলছি, এর চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ আর কিছু ছিল না। তখন আমি আসলে...আমি জানি ওই দিনগুলো কেমন গেছে। স্পোর্টসে সার্জারির চেয়েও রিহ্যাবিশন প্রক্রিয়াটা কঠিন। আমি বিশ্বাস করি আমার চাওয়া, ডেডিকেশন, স্পোর্টস নিয়ে ফোকাস আমাকে এগিয়ে নিয়ে গেছে। সেটার কারণে ২০১৫ সালে এসে অধিনায়কত্ব পেয়েছি।

আমি এটাই বুঝাতে চাচ্ছি ২০ বছরের ক্যারিয়ারে আরও অনেক বেশি কিছু করতে পারতাম হয়তো। আমি সুস্থ থাকলে তিনশ উইকেট পেতাম টেস্টে, ওয়ানডেতে আরও বেশি পেতাম। কিন্তু এটা নিয়ে আমার কোনো কষ্ট নাই। কারণ আমি জানি চেষ্টা করেছি। এজন্য খারাপ লাগে না। আল্লাহ সবাইকে সুযোগ দেয়, এগুলো নেওয়া খুব জরুরি।

আরও পড়ুন:


ফের মেয়র নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীর ভাতিজা

হেফাজত মহাসচিব নুরুল ইসলাম জিহাদী না ফেরার দেশে

পীরগঞ্জে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত বেড়ে ৩


সমাবর্তনে বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর ও রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদের পক্ষে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি সভাপতিত্ব করেন। সমাবর্তনে সভাপতির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, জ্ঞান দক্ষতা ও মূল্যবোধের সমন্বয়ে পাঠ্যক্রম প্রণয়ন করা হচ্ছে। আজকে যারা আনুষ্ঠানিকভাবে সনদপ্রাপ্ত হলেন জাতি গঠনে আপনাদের দায়িত্ব অনেক। আপনারাই হবেন একদিন এ দেশের রক্ষাকারী। আপনারাই নিয়ে যেতে পারেন লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত বাংলাদেশকে এক নতুন উচ্চতায়।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ইউজিসি’র চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কাজী শহীদুল্লাহ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে উচ্চশিক্ষার অন্যতম অনুষঙ্গ হলো গবেষণা। এজন্য বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের গবেষণার সুযোগ করে দিতে হবে। পেশাগত উৎকর্ষ বিধানেরও ব্যবস্থা করতে হবে। 

সমাবর্তনে আরও উপস্থিত ছিলেন ইউল্যাব বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য কাজী নাবিল আহমেদ এমপি, ইউল্যাবের উপাচার্য অধ্যাপক ইমরান রহমান,  উপ-উপাচার্য অধ্যাপক সামসাদ মর্তুজা, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মিলন কুমার ভট্টাচার্য, রেজিস্ট্রার লে. কর্নেল (অব) ফয়জুল ইসলামসহ, বিভিন্ন অনুষদের ডিন,  বিভাগীয় প্রধানগণ, শিক্ষক, কর্মকর্তারা ও শিক্ষার্থীরা। 

 news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

ছেলেসহ মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত শেন ওয়ার্ন

অনলাইন ডেস্ক

ছেলেসহ মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত শেন ওয়ার্ন

ছেলে জ্যাকসনের সঙ্গে শেন ওয়ার্ন

মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ছেলেসহ আহত হয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার কিংবদন্তি লেগ স্পিনার শেন ওয়ার্ন। অস্ট্রেলিয়ার দৈনিক সিডনি হেরাল্ড এ খবর জানিয়েছে।

আগামী ৮ ডিসেম্বর থেকে ব্রিসবেনের গ্যাবায় শুরু হতে যাওয়া অ্যাশেজ সিরিজের প্রথম টেস্টেও তাঁর ধারাভাষ্য দেওয়ার কথা। রোববারের দুর্ঘটনা সেটি কিছুটা অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলে দিলেও ওয়ার্ন আশাবাদী তিনি গ্যাবায় যেতে পারবেন।

জানা গেছে, ছেলে জ্যাকসনকে নিয়ে মোটরযানটি চালাচ্ছিলেন ওয়ার্ন। একটি ফ্যাক্টরির গেট থেকে বের হওয়ার পথে একটি ঢালু জায়গায় মোড় ঘুরতে গিয়েই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন ওয়ার্ন। প্রায় ১৫ মিটার দূরে ছিটকে পড়ে কোমর আর পায়ে ব্যথা পেয়েছেন। 

দুর্ঘটনার বর্ণনা দিয়ে ওয়ার্ন বলেন, ‘আমি মোটরবাইক চালাতে গিয়েছিলাম। বাইকটি চালানোর পর একটি ছাউনিতে তা রাখতে যাই। ফ্যাক্টরির গেটের মধ্যে ঢুকেই একটি ঢালু জায়গায় মোড় ঘুরতে গিয়ে পড়ে যাই। আমার বাইকের হ্যান্ডেলটা একটু বেশিই ঘুরে যায়। সঙ্গে সঙ্গে ৩০০ কেজির বাইকটা আমার পায়ের ওপর এসে পড়ে।’

দুর্ঘটনার পর নিজেই হাসপাতালে গিয়েছিলেন ওয়ার্ন। তাঁর মনে হচ্ছিল, কোমর আর পায়ের হাড় হয়তো ভেঙেছে। কিন্তু হাসপাতালে গিয়ে দেখেন যা ভেবেছিলেন আঘাতটা সে ধরনের গুরুতর কিছু নয়।


আরও পড়ুন:

দেশে করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া সবাই পুরুষ

খালেদা জিয়ার মেডিকেল বোর্ডের বক্তব্যকে গুরুত্ব দিন: সরকারকে রিজভী

ফাঁকিবাজ সরকার বলেই সত্য বললেও মানুষ বিশ্বাস করেনা: মান্না


অস্ট্রেলিয়ার একটি সংবাদ মাধ্যমকে তিনি বলেছেন, ‘এখন ভালো আছি। তবে প্রচণ্ড ব্যথা সারা শরীরে। প্রথমে তো মনে হচ্ছিল কোমর আর পায়ের হাড় ভেঙেছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তেমন কিছু ঘটেনি। বেশ কয়েক জায়গায় কেটে গেছে, এই যা।’

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

ভারত-নিউজিল্যান্ড টেস্ট ড্র

অনলাইন ডেস্ক

ভারত-নিউজিল্যান্ড টেস্ট ড্র

ভারত ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার প্রথম টেস্টে শেষদিনের তৃতীয় সেশনের রোমাঞ্চে জয়ী হয়নি কোনো দলই। পঞ্চম দিনে 
নিউজিল্যান্ডের শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে অ্যাজাজ প্যাটেল যখন মাঠে নামেন, তখনও দিনের খেলা বাকি ১০ ওভারের মতো। পরে সেটি হয়েছে ৮ ওভার ৪ বল। কিন্তু পুরোটা সময়ই বুক চিতিয়ে লড়াই চালালেন এজাজ ও রাচিন রবীন্দ্র।

ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটি যখন ড্রয়ে শেষ হলো- তখন ৯১ বল খেলে ১৮ রানে অপরাজিত রাচিন আর ২৩ বল খেলে ২ রানে ক্রিজে ছিলেন এজাজ। রোমাঞ্চকর টেস্টটির সমাপ্তি তাই হলো দারুণ লড়াইয়ে। 

ইনিংসের চতুর্থ দিনে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ভারত ২৩৪ রান তুলে ডিক্লেয়ার করলে নিউজিল্যান্ডের সামনে টার্গেট দাঁড়ায় ২৮৪ রানে। কিউইরা এদিন ব্যাট করতে নেমে মাত্র চার ওভার খেললেও হারায় একটি উইকেট। তাই ম্যাচ জিততে ২৮৪ রানের দরকার ছিল কেন উইলিয়মসনের দলের। আর ভারতের দরকার ৯ উইকেট। তবে পঞ্চম দিনে ড্র করার মানসিকতা নিয়েই খেলতে থাকে কিউইরা।

উইকেটে মাটি কামড়ে পড়ে থাকেন ওপেনার টম লাথাম ও নাইটওয়াচম্যান সমারভেইল। দুজনে গড়েন ৭৬ রানের জুটি। নিয়মিত ৩ নাম্বারে ব্যাট করলেও এদিন চার নাম্বারে আসেন অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। লাথামের সাথে গড়েন ১১৫ বলে ৩৯ রানের জুটি। তবে দলীয় ১১৮ রানে লাথাম আউট হওয়ার পর বিপর্যয়ে পড়ে কিউইরা। পরপর আউট হয়ে যান টেইলর, হেনরি নিকোলস, কেন উইলিয়ামসনরা।

উইকেটে বেশিক্ষণ থাকতে পারেননি টম ব্লান্ডেল, কাইল জেমিসন ও টিম সাউদিরাও। তবে শেষ উইকেটে রাচিন রবিন্দ্রর ৯১ বলে অপরাজিত ১৮ রান ও এজাজ প্যাটেলের ২৩ বলে মাটি কামড়ানো ২ রানে ড্র করতে সক্ষম হয় কিউরা।এই দুজনের বিদায়ের পর দ্রুতই আউট হয়ে যান মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যানরা। 

ভারতকে জয়ের সম্ভাবনা দেখান দলের দুই স্পিনার রবিন্দ্র জাদেজা ও রবিচন্দ্রন আশ্বিন। আশ্বিন আগের দিনের এক উইকেটের সাথে আজ নেন আরও ২ উইকেট। জাদেজা শিকার করেন ৪ উইকেট। একটি করে উইকেট নেন অক্ষর প্যাটেল ও উমেশ যাদব।

স্কোরকার্ড
ভারত ১ম ইনিংস: ৩৪৫-১০ (শ্রেয়াস আইয়ার-১০৫, শুভমান গিল- ৫২, রবিন্দ্র জাদেজা- ৫০, টিম সাউদি- ৬৯/৫, কাইল জেমিসন- ৯১/৩)।

নিউজিল্যান্ড ১ম ইনিংস: ২৯৬-১০ (টম ল্যাথাম- ৯৫, উইল ইয়ং- ৮৯, অক্ষর প্যাটেল- ৬২/৫, রবিচন্দ্রন আশ্বিন- ৮২/৩)।

ভারত ২য় ইনিংস: ২৩৪-৭ ডিক্লেয়ার (শ্রেয়াস আইয়ার- ৬৫, ঋদ্ধিমান সাহা- ৬১, জেমিসন-৪০/৩, সাউদি- ৭৫/৩)।

নিউজিল্যান্ড ২য় ইনিংস: ১৬৫-৯ ( টম ল্যাথাম- ৫২, সমারভেইল ৩৬, জাদেজা- ৪০/৪, আশ্বিন- ৩৫/৩)।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর