প্রচারণায় জমে উঠেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচন

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি:

প্রচারণায় জমে উঠেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচন

আগামী ২ নভেম্বর অনুষ্ঠিতব্য চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনকে ঘিরে প্রার্থীদের প্রতিশ্রুতি আর প্রচার-প্রচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে পৌর এলাকা। মানুষের মাঝে বিরাজ করছে নির্বাচনী আমেজ। নির্বাচন কেন্দ্র করে পৌর এলাকার প্রতিটি অলিগলি, দোকানের সামনে, ফাঁকা জায়গায়, বাড়ির সম্মুখে ছেয়ে গেছে সাদা-কালো পোস্টারে।

সেই সঙ্গে চলছে প্রত্যেক প্রার্থীর ভোট প্রার্থনা ও নিয়মিত উঠান বৈঠক। পাশাপাশি পৌরসভার ১৫ টি ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থীদের পোস্টার ছেয়ে গেছে সর্বত্র। 

এদিকে ছোট ছোট হ্যান্ডবিল নিয়ে মেয়র প্রার্থী, সাধারণ কাউন্সিলর প্রার্থী ও সংরক্ষিত নারী প্রার্থী ও সমর্থকরা ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট প্রার্থনা করছেন। হ্যান্ডবিল বিলির সঙ্গে চালিয়ে যাচ্ছেন উঠান বৈঠকও। সেই সঙ্গে প্রার্থীরা দিচ্ছেন বিভিন্ন উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি। সাবেক, বর্তমান ও নতুন প্রার্থীরা সবাই উন্নয়নের অঙ্গীকার করে যাচ্ছেন। 

শুধু তাই নয়, অনেকেই আবার বয়স্কদের বুকে জড়িয়ে ধরছেন। ভোটের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে নির্বাচনী উত্তাপ বাড়ছে। চায়ের স্টল, হোটেলসহ সব জায়গাতেই চলছে প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা আর জল্পনা-কল্পনা। দুপুর ২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত গান-ছন্দে প্রার্থীদের নজরকাড়া ভোট প্রার্থনা আর মাইকের আওয়াজে আন্দোলিত এখন শহর। এছাড়া সামাজিক মাধ্যমে চলছে অনেক প্রার্থীর সমর্থনে নির্বাচনী প্রচারণা। গণসংযোগে রাত-দিন ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রার্থীরা, আর যাচ্ছেন ভোটারদের দ্বারে দ্বারে। 

আরও পড়ুন:


গোসলখানার দরজা বন্ধ করে কিশোরীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ!

হাসপাতালে খালেদা জিয়াকে দেখতে কোকোর স্ত্রী

পুকুরে না, সেই গদা পাওয়া গেল বাড়ির ভেতরে!

জোর করে তুলে নিয়ে বিয়ে, দুই বছর পর পিটিয়ে হত্যা করল স্বামী


প্রার্থনা করছেন ভোট, দিচ্ছেন নানান প্রতিশ্রুতি। যোগ দিচ্ছেন উঠোন বৈঠকে। এদিকে থেমে নেই কর্মীরাও। ছোট ছোট দলে ভাগ হয়ে নিজেদের প্রার্থীর পক্ষে ভোট চাইছেন ভোটারদের কাছে। থেমে নেই নারী কর্মীরাও, তারাও দলে দলে ভোট চাইতে যাচ্ছেন এ বাড়ি ও বাড়ি। নির্বাচনের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে ততই সরগরম হচ্ছে ভোটের মাঠ। প্রতিদিন প্রতিটি ওয়ার্ডে হচ্ছে কোনো না কোনো প্রার্থীর উঠোন বৈঠক অথবা নির্বাচনী পথসভা। পাড়া-মহল্লার চায়ের দোকানগুলোতে অনেক রাত পর্যন্ত চলছে সাধারণ ভোটারদের হিসেব নিকাশ। এ পৌরসভা নির্বাচনে এবার মেয়র পদে ৪ জন এবং কাউন্সিলর পদে ১০৭ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। 

আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকে মেয়র পদে লড়ছেন জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মো. মোখলেসুর রহমান। তিনি নৌকা প্রতীক নিয়ে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। তিনি বলছেন, তাকে নির্বাচিত করলে এ পৌরসভা হবে দৃষ্টিনন্দন। যেটির গর্বের অধিকারী হবেন পৌর নাগরিকরা। তার পক্ষে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা নৌকার বিজয় সুনিশ্চিত করতে মাঠে একযোগে কাজ করছেন। 

অন্যদিকে পরিবর্তনের অঙ্গীকার নিয়ে আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী জেলা যুবলীগের সভাপতি সামিউল হক লিটন মোবাইল প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তিনি একটি আধুনিক মডেল পৌরসভা গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করছেন। এদিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী নারিকেল গাছ প্রতীকের বিএনপি নেতা মো. নজরুল ইসলাম মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। তিনিও পৌর নাগরিকদের সার্বিক উন্নয়নে নানা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী জগ প্রতীকের জামায়াত নেতা মো. মোস্তাফিজুর রহমান মুকুল কৌশল অবলম্বন করে ভোট প্রার্থনা করছেন। 

news24bd.tv/ কামরুল 

পরবর্তী খবর

নারী পুলিশের সঙ্গে অন্তরঙ্গ অবস্থায় ধরা পড়া সেই ইন্সপেক্টর ক্লোজড

সৈয়দ রাসেল, সিলেট

নারী পুলিশের সঙ্গে অন্তরঙ্গ অবস্থায় ধরা পড়া সেই ইন্সপেক্টর ক্লোজড

ক্লোজড ইন্সপেক্টর প্রদিপ কুমার দাস

সিলেটে আদালতপাড়ায় নিজ কক্ষে ছুটিতে থাকা এক নারী কনস্টেবলের সাথে আপত্তিকর অবস্থায় হাতে নাতে ধরা পড়া সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের কোর্ট ইন্সপেক্টর প্রদিপ কুমার দাসকে ক্লোজড করা হয়েছে।

বুধবার (০১ ডিসেম্বর) রাত পৌনে ৯টার দিকে ইন্সপেক্টর প্রদিপ কুমার দাসকে ক্লোজড করে পুলিশ লাইনে প্রেরণ করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. নিশারুল আরিফ।

পুলিশ কমিশনার জানান, রাত পৌনে ৯টার দিকে কোর্ট ইন্সপেক্টরের কক্ষের দরজা খোলা এবং ভেতরে আলো নেভানো দেখে অন্য পুলিশ সদস্যরা সেই কক্ষে ডুকে আলো জ্বালালে ছুটিতে থাকা এক নারী কনস্টেবল ও প্রদীপ দাসকে আপত্তিকর অবস্থায় পাওয়া যায়। পরবর্তীতে তারা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিত করলে আদালতের দায়িত্বশীল সহকারী পুলিশ কমিশনার তদন্তে গিয়ে এর সত্যতা পান। তাঁর তদন্তের প্রেক্ষিতে ইন্সপেক্টর প্রদিপ কুমার দাসকে ক্লোজড করে পুলিশ লাইনে প্রেরণ করা হয়েছে।

এছাড়া অভিযুক্ত ওই নারী কনস্টেবলের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধেও বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আরও পড়ুন


সাজেক নিয়ে কাজ করাদের জন্য ভয়ংকর এক রাত

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

নগরকান্দায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস খাদে, চালক নিহত

অনলাইন ডেস্ক

নগরকান্দায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস খাদে, চালক নিহত

খাদে পড়ে যাওয়া বাস

ফরিদপুরের নগরকান্দার বাঙালকান্দা এলাকায় যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে চালক নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২ ডিসেম্বর) দুপুরে নগরকান্দার ডাঙ্গী ইউনিয়নের বাঙালকান্দা এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার সার্জেন্ট সুমন হোসেন। 

নিহত বাস চালক বরগুনার তালতলী উপজেলার নলবুনিয়া গ্রামের ফজলুল হকের ছেলে সুমন হোসেন (৩৪)।

জানা গেছে, ইসলাম পরিবহনে একটি বাস বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা থেকে বরিশাল যাওয়ার পথে এ দুর্ঘটনায় পড়ে। দুর্ঘটনার পর নগরকান্দা ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে এসে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে।

ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন মাস্টার শফিকুল ইসলাম বলেন, সকালে বাসের চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। এ কারণে বাসটি মহাসড়কের বা দিকে সড়কের পাশে পানি-ভর্তি খাদে পড়ে যায়। বাসের মোট ১০ জনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার সার্জেন্ট সুমন হোসেন জানান, আহতদের মধ্যে ওই বাসের চালক সুমন হোসেনকে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে মারা যান। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

আরও পড়ুন


আবারও বন্ধ হতে পারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান: শিক্ষামন্ত্রী

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

বিয়ে বাড়িতে আসতে পারেনি বর, বাল্যবিবাহ পণ্ড

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

বিয়ে বাড়িতে আসতে পারেনি বর, বাল্যবিবাহ পণ্ড

বাল্যবিবাহ পণ্ড

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে এক কিশোরীর বাল্যবিবাহ পণ্ড হয়ে গেছে। 

বৃহস্পতিবার (২ ডিসেম্বর) সকালে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.জিয়াউল হক মীর। 

এর আগে গতকাল বুধবার (১ ডিসেম্বর) দুপুরের দিকে উপজেরার চরহাজারী ইউনিয়নের ২নম্বর ওয়ার্ডের একটি বিয়ে বাড়িতে অভিযান চালায় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)ও নির্বাহী ম্যজিস্ট্রেট ছামিউল ইসলাম।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, বুধবার দুপুরে চরহাজারী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে একটি বাল্য বিয়ের আয়োজন করার খবর পেয়ে দ্রুত সহকারী কমিশনার (ভূমি) ছামিউল ইসলামকে পুলিশ ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে কন্যার মা-বাবাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা প্রথমে কন্যার বয়স ১৮ বছর দাবি করে। মেয়ের বয়স প্রমাণে তার জন্মসনদ দেখতে চাইলে তারা জন্মসনদের একটি ফটোকপি দেখায়। পরবর্তীতে সেটি ভুয়া প্রমাণিত হয়।

ইউএনও মো.জিয়াউল হক মীর আরও বলেন, তাদের দেখানো জন্ম সনদটির সত্যতা যাচাইয়ে চর হাজারী ইউনিয়ন পরিষদে যোগাযোগ করলে জানা যায় ইউনিয়ন পরিষদের রেজিস্ট্রারের রেকর্ড অনুযায়ী মেয়ের বয়স ১৫ বছর ৪ মাস ২৫ দিন। 

এরপর মেয়েকে বাল্যবিবাহ দিচ্ছেন বলে স্বীকার করায় ভ্রাম্যমাণ আদালত তাৎক্ষণিক কনের বাবাহে বাল্যবিবাহ নিরোধ আইনে তাকে ৩ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করে। একই সাথে বরপক্ষকে ফোন করে বাল্য বিয়েতে আসতে বারণ করা হয়। পরে কনের মা ১৮ বছর আগে তার মেয়েকে বিয়ে দেবে না মর্মে মুচলেকা দিয়ে ছাড়া পান। এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনায় সহযোগিতা করেন কোম্পানীগঞ্জ থানার পুলিশ।

আরও পড়ুন


এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু আজ

প্রকাশ্যে কাউন্সিলর হত্যা: এবার ‘বন্দুকযুদ্ধে’ প্রধান আসামি নিহত


news24bd.tv/ কামরুল 

পরবর্তী খবর

মজা করে গোপনাঙ্গে লাথি, ঘটনাস্থলেই বন্ধুর মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক

মজা করে গোপনাঙ্গে লাথি, ঘটনাস্থলেই বন্ধুর মৃত্যু

প্রতীকী ছবি

প্রায় ৫ মাস আগে সংঘঠিত হওয়া বগুড়া সদর থানার ক্লুলেস হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এই ঘটনায় জড়িত আসামি মোঃ মোস্তফাকে (৪০) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

আসামি মোঃ মোস্তফা নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার বাইশপুকুরের মৃত সাহাবুল্ল্যাহ ওরফে সাবুল্লাহ ছেলে। আর মৃত মৃত শমসের আলী (৫২) একই উপজেলার ছাতুনামার মৃত নহর উদ্দিনের ছেলে।

আসামি মোঃ মোস্তফা ও মৃত শমসের আলী দীর্ঘ দিন যাবৎ এক সঙ্গে বগুড়া শহরের বিভিন্ন স্থানে দিন মুজুরের কাজ করত।

পিবিআই থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। পিবিআই বলছে, গোপনাঙ্গে গুরুতর আঘাতের কারণে মৃত্যু হয়েছিল শমসের আলী নামেও ওই ব্যক্তির। পরে তার মরদেহ বেঁধে করতোয়া নদীর তীরে ফেলে যায় শমসেরের বন্ধু মো. মোস্তফা।

আসামি মোস্তফা

বিজ্ঞপ্তিতে পিবিআই আরও জানায়, মোস্তফা ও শমসের বগুড়াসহ বিভিন্ন জেলা ঘুরে ধানের জমিতে কাজ করতেন। তাদের দুজনের বাড়ি নীলফামারী জেলায়। গত জুনে মাটিডালির একটি স-মিলে আরও ৭ থেকে ৮ জনের সঙ্গে থাকা শুরু করেন। দিনের বেলায় কৃষিজমিতে কাজ করতেন। পরে রাতে স-মিলে ঘুমাতেন।

এদিকে গত ২৮ জুন শমসের ও মোস্তফা কাজ শেষে স-মিলে ফিরছিলেন। পথে মম ইন পার্কের পেছনে করতোয়া নদীর ধারে তাদের দেখা হয়। গল্পের এক পর্যায়ে ঠাট্টার ছলে শমসেরের গোপনাঙ্গে লাথি মারেন মোস্তফা। এ সময় ঘটনাস্থলেই মারা যান শমসের। পরে আতঙ্কে শমসেরের মরদেহ বেঁধে নদীর তীরে ফেলে পালিয়ে যান মোস্তফা। পরদিন স্থানীয়রা মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে সংবাদ দেয়। 

এ ঘটনায় সদর থানায় মামলা হলেও পিবিআই মামলাটির তদন্ত শুরু করে। ঘটনার ৩দিন পরে আসামী মোস্তফা বগুড়া থেকে নিজ বাড়ীতে গিয়ে শমসেরের দাফনে অংশ গ্রহণ করে। অতঃপর বিধি মোতাবেক গ্রেফতারকৃত আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে সোর্পদ করা হলে গ্রেফতারকৃত আসামী মোস্তফা বিজ্ঞ আদালতে মামলার ঘটনার সাথে জড়িত থাকার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আইন এর ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।

গত সোমবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলা থেকে মোস্তফাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আরও পড়ুন


এবার ডিএনসিসির ময়লার গাড়ির ধাক্কায় নারী আহত

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

প্রকাশ্যে কাউন্সিলর হত্যা: এবার ‘বন্দুকযুদ্ধে’ প্রধান আসামি নিহত

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ্যে কাউন্সিলর হত্যা: এবার ‘বন্দুকযুদ্ধে’ প্রধান আসামি নিহত

নিহত শাহ আলম

কুমিল্লার ওয়ার্ড কাউন্সিলর সৈয়দ মোহাম্মদ সোহেল ও আওয়ামী লীগ কর্মী হরিপদ সাহাকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা মামলায় এজাহারভুক্ত প্রধান আসামি শাহ আলম (২৮) পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছেন।

বুধবার (১ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার চানপুর গোমতী নদীর বেড়িবাঁধ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত শাহ আলম কুমিল্লা নগরীর ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের সুজানগর পূর্বপাড়া এলাকার মৃত জানু মিয়া ছেলে। তার বিরুদ্ধে কুমিল্লা কোতয়ালি মডেল থানায় হত্যাসহ একাধিক মামলা রয়েছে।

গণমাধ্যমকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা গোয়েন্দা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) পরিমল দাস।

এসআই পরিমল দাস জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারি গোমতী নদীর বেড়িবাঁধ এলাকায় একদল সন্ত্রাসী অবস্থান করছেন। পরে রাত দেড়টার দিকে ওই এলাকায় জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ ও কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশ যৌথ অভিযান চালায়।

সন্ত্রাসীরা আইনশৃঙ্খালা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে তাদের লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়তে থাকে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। এক পর্যায়ে তারা পলিয়ে যায়। পরে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় এক ব্যক্তিকে ঘটনাস্থলে পড়ে থাকতে দেখা যায়। তাকে উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত ব্যক্তি কাউন্সিলর সৈয়দ মো. সোহেল হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত প্রধান আসামি শাহ আলম। ঘটনাস্থল থেকে সন্ত্রাসীদের ব্যবহৃত একটি ৭.৬৫ পিস্তল, গুলি এবং কার্তুজের খোসা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় পুলিশের দুইজন সদস্য আহত হন। তাদের পুলিশ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

এর আগে সোমবার (২৯ নভেম্বর) রাতে ওই হত্যা মামলায় এজাহারভুক্ত দুই আসামি পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হন।

আরও পড়ুন


এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু আজ

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর