আমাদের সময় কখন ফুরিয়ে আসে কেউ জানে না

এস এম রেজাউল করিম

আমাদের সময় কখন ফুরিয়ে আসে কেউ জানে না

অস্তগামী সূর্যের মতো এমন মুহূর্ত আমাদের জীবনেও নেমে আসে, কিন্তু আমাদের জীবন সায়াহ্ন নেমে আসা দৃশ্য মান হয়না। প্রখর রৌদ্রতাপ ছেড়ে ক্রমান্বয়ে স্নিগ্ধতা পূর্ণ মায়াবী আলোআধারির আবেশ‌ দিয়ে বিলিন হয়ে গেলে স্থান করে নেয় নিকষ অন্ধকার। 

হয়তো কঠোর রৌদ্রতাপের সূর্যও বুঝতে পারে বিদায় লগন, কিন্তু বুঝিনা আমরা, কখন হয়ে যাবো বিলিন। আমাদের সময় কখন ফুরিয়ে আসে তা কেউ জানেনা। 

তাই যদি সৎ কর্মের মধ্য থেকে কিছু স্নিগ্ধতা রেখে যেতে পারি, সেটাই হয়তো আঁধারের মাঝে একঝলক আলোর বিচ্ছুরণ হয়ে রইবে। আল্লাহ আমাদের সহায় হোন।

লেখক, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

আরও পড়ুন:

স্ত্রীর ইচ্ছা পূরণে মন্দিরে ১৭ লাখ রুপির স্বর্ণ দান


news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

দুশ্চিন্তা করে লাভ নেই, বিজ্ঞানীরাই ভরসা: তসলিমা নাসরিন

তসলিমা নাসরিন

দুশ্চিন্তা করে লাভ নেই, বিজ্ঞানীরাই ভরসা: তসলিমা নাসরিন

তসলিমা নাসরিন

এ মাসেই, সম্ভবত সামনের সপ্তাহেই এক বিশাল এস্টরয়েড আসছে পৃথিবীর দিকে। কতই তো এস্টরয়েড এদিকে আসে, নাসার বিজ্ঞানীরা সেগুলোর দিক পরিবর্তন করে দেন অথবা ভেঙে টুকরো করে দেন, যেন টুকরোগুলো পৃথিবীতে ছিটকে পড়লে ভয়াবহ আঁধারে পৃথিবী ঢেকে না যায়। সহস্র কোটি বছরে বড় বড় এস্টরয়েড তো কতই পড়েছে পৃথিবীতে।

একবার এর কালো ধোঁয়া আকাশে ছড়িয়ে গিয়ে সূর্যকে ঢেকে দিয়েছিল, আলো না পেয়ে পৃথিবীর সমস্ত প্রাণী, সমস্ত উদ্ভিদ, এমনকী ডায়নোসরের মতো অতিকায় জীবও নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছিল। তেমন যে আবার হতে পারে না তা তো নয়।

যতদিন এস্টরয়েডের আকার কেমন, গতি কেমন, কত দ্রুত আসছে সে আমাদের দিকে, কবে আসছে-- এসব গবেষণা করার বিজ্ঞানী আছেন, এস্টরয়েড ভেঙে দেওয়ার মেশিন আছে, ততদিন আমরা নিশ্চিন্তে জীবন যাপন করতে পারি। কিন্তু নাসার বিজ্ঞানীরাও যদি কপাল কুঁচকে ভাবতে থাকেন কী করা যায়, অস্থির পায়চারি করেন ঘরময়, প্রেসিডেন্টকে ফোন করেন, তখন তো আমাদের মতো সাধারণ মানুষও ঘাবড়ে যায়। যাওয়ারই কথা।

একজন বললো, এস্টরয়েড পড়ে পৃথিবী ধ্বংস হবে, এটি দুঃখের খবর। কিন্তু সুখের খবর হলো, অন্তত এই কোভিড অতিমারি মহামারিটা দূর হবে। তা ঠিক, দূর হবে। আমরাই দূর হবো, কোভিড আর থেকে কাকে খাবে।

না, দুশ্চিন্তা করে কোনও লাভ নেই। বিজ্ঞানীরাই ভরসা। তাঁরাই বাঁচাবেন।

আরও পড়ুন:


ফেসবুকে মন্ত্রীর পোস্ট, ‘মন চাইছে আত্মহত্যা ক‌রি’


news24bd.tv/ তৌহিদ

পরবর্তী খবর

বড়ো স্বপ্ন দেখে এমন মানুষ খোঁজো, বন্ধুত্ব করো

রাউফুল আলম

বড়ো স্বপ্ন দেখে এমন মানুষ খোঁজো, বন্ধুত্ব করো

রাউফুল আলম

ফ্রেন্ড সার্কেল তোমার জীবনে অনেক বড়ো একটা প্রভাব ফেলবে। তোমার বন্ধুদের যদি বড়ো বড়ো স্বপ্ন থাকে, তোমার ভেতরও বড়ো স্বপ্ন তৈরি হবে। তোমার বন্ধুরা যদি জগৎ জয়ের স্বপ্ন দেখে, তুমিও সে স্বপ্নে ভাসবে। তোমার বন্ধুরা যদি পরিশ্রমী হয়, চিন্তাশীল হয়, সৃষ্টিশীল হয় এবং তাদের মধ‍্যে সুস্থ প্রতিযোগিতা থাকে—তাহলে তুমিও তেমনই হবে। 

ভালো বন্ধু থাকা জীবনে অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এটা সৌভাগ‍্যও বটে। জীবন নিয়ে প্রতিশ্রুতিশীল ও প্রত‍্যয়ী বন্ধু খুঁজে বের করতে হয়। তাদের সাথে মিশতে হয়। 

ছোট স্বপ্ন, মানুষের জগৎকে শুধু ছোটই করে না বরং তার আশেপাশে সেরকম মানুষকেই বন্ধু করে দেয়। তুমি যদি ক্ষুদ্র স্বপ্ন দেখো, তুমি ঠিক সে ধরনের মানুষের সাথেই মিশবে। তাদের সাথেই তোমার বন্ধুত্ব হবে। সেটা তোমার নিজের অজান্তেই হয়ে যাবে। একটা বিখ‍্যাত কথা আছে—Great people know great people!

তোমার আচরণ, চিন্তার জগৎ, কর্ম ও স্বপ্ন নিয়ে ভাবো। বিশ্লেষণ করো। যদি সেখানে খটকাময় কিছু পাও তাহলে তোমার আশেপাশের বন্ধু ও পরিচিতদের চিহ্নিত করো। প্রয়োজনে কারো কাছ থেকে দূরে সরে যাও।

বড়ো স্বপ্ন দেখো। পরিশ্রমী হও। বড়ো স্বপ্ন দেখে এমন মানুষ খোঁজো। তাদের সাথে বন্ধুত্ব করো। নিজেকে তুলে ধরতে সাহসী হও। বড়ো স্বপ্ন দেখলে বহু দূর যাওয়া যায়। দেখা মেলে জগতের সুন্দরতম মানুষদের ও সুন্দরতম পথের।

আরও পড়ুন:


ফেসবুকে মন্ত্রীর পোস্ট, ‘মন চাইছে আত্মহত্যা ক‌রি’


লেখাটি রউফুল আলম ​-এর ফেসবুক থেকে নেওয়া (সোশ্যাল মিডিয়া বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv/ তৌহিদ

পরবর্তী খবর

সাজেক নিয়ে কাজ করাদের জন্য ভয়ংকর এক রাত

রাজিয়া সুলতানা

সাজেক নিয়ে কাজ করাদের জন্য ভয়ংকর এক রাত

রাজিয়া সুলতানা

গতকাল ছিল পর্যটন নিয়ে যারা কাজ করে বিশেষ করে সাজেক নিয়ে যারা কাজ করে তাদের জন্য ভয়ংকর এক রাত। সাজেকে গত রাতে আগুন লেগে অবকাশ রিসোর্ট, মেঘছুট রিসোর্ট, সাজেক ইকো ভ্যালী রিসোর্ট, মনটানা ক্যাফে, জাকারিয়া দাদার ঘর, মারুতি দিদির ঘর পুরোপুরি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে, সাথে আরো বেশ কিছু স্থাপনা আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই রেস্টুরেন্ট এবং রিসোর্টে অনেকের অনেক স্মৃতি, অনেক গল্প।

আগুনে পুড়ছে রিসোর্ট

চোখের সামনে নিজের স্বপ্ন পুড়ে ছাই হতে দেখতে কতো কষ্ট কেউ বুঝবে না। এই আর্থিক এবং মানসিক শোক কাটিয়ে উঠা অনেক কঠিন। সাজেকের আজ যে প্রচার তার সরকারের চেয়ে আমাদের মতো কিছু পাগল স্বপ্নবাজ উদ্যোক্তা যারা পর্যটনকে নিয়ে নতুন ভাবে মানুষকে ভাবতে শেখাচ্ছে, নতুন ভাবে কাজ করছে।

পুড়ে ছাই রিসোর্টগুলো

আমরা আশা করবো সরকার, প্রশাসন সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিবেন এই স্বপ্নবাজদের স্বপ্নকে বাস্তব রুপ দিতে।

রিসোর্টে অবস্থানরত সকল পর্যটক সুস্থ আছে, তারা সঠিক সময়ে নিরাপদ স্থানে চলে আসতে পেরেছে। আল্লাহ সকলকে ধৈর্য্য দান করুক, এবং এই শোক দ্রুত কাটিয়ে উঠার তৌফিক দান করুক।

আরও পড়ুন


আইন আদালতের তোয়াক্কা করে না বিএনপি: ওবায়দুল কাদের

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

মহামারীর সাহিত্যে অবদান কী কী?

শান্তা আনোয়ার

মহামারীর সাহিত্যে অবদান কী কী?

শান্তা আনোয়ার

মহামারীর সাহিত্যে অবদান কী কী? মহামারী সাহিত্যের নতুন ভাষা তৈরি করেছে। আমরা শেক্সপিয়রের কথাই ধরতে পারি। তিনি লেখালেখি শুরু করেন ১৫৯০ সালে। ১৫৯০ থেকে ১৬১৩ এই তেইশ বছর পর্যন্ত তিনি লিখেছিলেন ৩৭ টা নাটক। তার মধ্যে আছে রিচার্ড টু, হেনরি ফাইভ, জুলিয়াস সিজার এর মতো ঐতিহাসিক নাটক, মার্চেন্ট অব ভেনিসের মতো কমেডি অথবা হ্যামলেটের মতো ট্রাজেডি। 

তখন রানী এলিজাবেথ ইংল্যান্ডের রাজা। তারপরে মারা গেলেন এলিজাবেথ। এই সময়ের শেক্সপিয়ারের লেখাগুলোকে বলা হয় এলিজাবেথান। এরপরেই ইউরোপে নামলো প্লেগের ছায়া। 

সাধারণ রঙ্গালয় সব বন্ধ হয়ে গেলো। শেক্সপিয়ার ততদিনে প্রতিষ্ঠা পেয়ে গেছেন। নদীতীরের সস্তা বাসা ছেড়ে বাসা নিয়েছেন উত্তর পশ্চিমের শহরতলীতে, সে অঞ্চলে প্লেগের উপদ্রব কম। সেখানে বসেই তিনি লিখলেন কালজয়ী তিনটা নাটক, আন্টনি ক্লিওপেট্রা, ম্যাকবেথ আর কিং লিয়ার। 

শেক্সপিয়রের লেখক জীবনের এক ক্রান্তিকাল। বদলে গেলো ভাষা ও চিত্রকল্প নির্বাচন। বিশেষ করে ম্যাকবেথে নায়কের মনের বিকারগস্ত অবস্থা প্রকাশ করার জন্য তিনি আবিষ্কার করলেন এক নতুন ছন্দ। If it were done when 'tis done, then 'twere well/ it were done quickly" এই তো আসল শেক্সপিয়ার।  এই সময়ে ইংল্যান্ডের রাজা ছিলেন প্রথম জেমস। তাই এই সময়ের শেক্সপিয়রের লেখাগুলোকে বলা হয় জ্যাকবিয়ান। 


আরও পড়ুন:

বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল স্থাপন নিয়ে কটূক্তি, কাটাখালীর মেয়র আটক

শুরু হলো মহান বিজয়ের মাস

আজ থেকে ঢাকার গণপরিবহনে শিক্ষার্থীদের ভাড়া অর্ধেক কার্যকর


অনেকেই বলেন শেক্সপিয়ারের সবচেয়ে ভালো লেখা তার জ্যাকবিয়ান পর্বের এলিজাবেথান পর্বের নয়। প্লেগ মহামারী শেক্সপিয়রের জন্য আশীর্বাদ হয়ে উঠেছিলো। তাহলে এই কোভিড মহামারীতে আমরা কোন নতুন লেখক পেতে যাচ্ছি?

লেখাটি শান্তা আনোয়ার-এর ফেসবুক থেকে সংগৃহীত (লেখাটির আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

ভ্যাকসিন এভাবে কাজ করে না

শওগাত আলী সাগর

ভ্যাকসিন এভাবে কাজ করে না

শওগাত আলী সাগর

কোভিডের নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন নিয়ে বর্তমান পরিস্থিতি অত্যনাত সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছেন কানাডার সংক্রামক ব্যাধি বিশেষজ্ঞ ড. লিসা ব্যারেট।

গ্লোব অ্যান্ড মেইলকে দেয়া তার প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, ‘আমি সতর্ক আছি কিন্তু আতংকিত নই। ভ্যারিয়েন্টটি যদি অধিকতর সংক্রমণশীলও হয় সেই সংক্রমণ ঠেকানোর, নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা আমাদের আছে। তিনি বলেন, বর্তমানের ভ্যাকসিনের কার্যকারিতাকে এটি হয়তো খানিকটা ধাক্কা দিতে পারে। কিন্তু কোনো ভ্যাকসিনকেই একেবারে অকার্যকর করে ফেলতে পারবে না। 

ডালহৌসি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক অধ্যাপক ড. লিসা ব্যারেট বলেন, আমি মনে করি না সারা পৃথিবীকে আবার বন্ধ করে দিতে হবে। আমাদের কোনো ভ্যাকসিনই কাজ করবে না- এটাও আমি মনে করি না। ভ্যাকসিন আসলে এভাবে কাজ করে না।

আরও পড়ুন


অবাধ মেলামেশা, এইডস ঝুঁকিতে দৌলতদিয়া যৌনপল্লী

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর