ডলার সংকটে ৯০ টাকা ছাড়িয়েছে দর
ডলার সংকটে ৯০ টাকা ছাড়িয়েছে দর

ডলার সংকটে ৯০ টাকা ছাড়িয়েছে দর

অনলাইন ডেস্ক

করোনা-পরবর্তী ব্যবসা-বাণিজ্যের স্বাভাবিক গতিতে ধাক্কা লেগেছে ডলারের ঊর্ধ্বমূল্যে। বাজারে এখন নগদ ডলারের তীব্র সংকট। এ কারণে প্রতিদিন বাড়ছে ডলারের দর। কিছু কিছু ব্যাংক ডলারের অভাবে এলসি খুলতে পারছে না।

বাইরে নগদ ডলার বিক্রি করছে না। সংকট মেটাতে বাংলাদেশ ব্যাংক রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি করছে। এর পরও দাম ধরে রাখা যাচ্ছে না।  

কয়েকদিন ধরেই ডলার বিক্রি হচ্ছে ৯০ টাকার ওপরে।  

ব্যাংক কর্মকর্তারা বলছেন, বাজারে ডলারের সরবরাহ স্বাভাবিক হয়নি। এ কারণে ডলারের দর বাড়ছে। তবে দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে। করোনার পর ব্যবসায় কার্যক্রম গতিশীল হওয়ার পর থেকেই ডলারের চাহিদা বেড়ে চলেছে। দেশের রপ্তানি বাণিজ্য বেড়েছে। রপ্তানির তুলনায় আমদানির পরিমাণ বেড়েছে অনেক।  

অন্যদিকে গত কয়েক বছরে দেশের রেমিট্যান্সের পরিমাণ প্রতি মাসেই বাড়ছিল। আগের রেকর্ড ভঙ্গ করে প্রতি মাসে গড়ে প্রায় ২০০ মিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স আসে জুন পর্যন্ত। জুনের পরই রেমিট্যান্সের হার কমতে থাকে। গত তিন মাসের গড় রেমিট্যান্সের পরিমাণ নেমেছে ১৮০ মিলিয়ন ডলারে।  

গত তিন মাসে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ৫৬০ মিলিয়ন ডলার। তার আগের তিন মাসে (এপ্রিল-জুন) এসেছে ৭১৭ মিলিয়ন ডলার। তিন মাসে রেমিট্যান্স কমেছে ১৫৭ মিলিয়ন ডলার। বৈদেশিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে কনটেইনার ভাড়াও বেড়েছে ৩০ শতাংশের বেশি। এ কারণে ব্যবসায়ীদের ডলারের চাহিদা আগের তুলনায় বেড়েছে।  

আরও পড়ুন:

চাপের মুখে বাংলাদেশ

ইংল্যান্ড ম্যাচের আগে টাইগার শিবিরে বড় দুটি দুঃসংবাদ

শাহরুখের সাথে জুটি থেকে সরে দাঁড়ালেন নায়িকা


 

ডলারের চাহিদা বৃদ্ধির বিপরীতে সরবরাহ কম হওয়ায় চরম সংকট তৈরি হয়েছে ডলার মার্কেটে। চলতি সপ্তাহে বেশির ভাগ ব্যাংকে ডলারের দাম ছিল ৮৯ থেকে ৯১ টাকা। গত বুধবার সোনালী ব্যাংকে ডলার বিক্রি হয়েছে ৮৯ টাকা, জনতা ব্যাংকে ৮৮ টাকা আর অগ্রণী ব্যাংকে ৮৮ টাকা ২০ পয়সা। গ্রাহকের কাছে নগদ অর্থে বিক্রি হয়েছে ৯০ টাকার বেশি দরে। বেসরকারি ব্যাংকগুলোতেও দেখা গেছে ৮৯ থেকে ৯১ টাকা দরে ডলার বিক্রি হচ্ছে। কোনো কোনো ব্যাংক ডলার সংকটের কারণে এলসি বন্ধ রাখছে। রপ্তানি বিলও পরিশোধ করতে পারছে না।  

news24bd.tv/আলী

;