ব্যাংকের টাকা আত্মসাত

স্টার সী ফুডের এমডিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

নিজস্ব প্রতিবেদক, খুলনা:

স্টার সী ফুডের এমডিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

খুলনায় সোনালী ব্যাংকের ঋণ নিয়ে ১৮ কোটি ৫০ লাখ টাকা আত্মসাতের মামলায় মেসার্স স্টার সী ফুডের এমডিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। 

মামলার অপর দুই আসামি হচ্ছেন- সোনালী ব্যাংকের গোডাউন কিপার মো. আব্দুল মান্নান হাওলাদার ও সাপোটিং স্টাফ মো. আব্দুর রহিম বাবু।
বুধবার মহানগর দায়রা জজ বিশেষ আদালতের বিচারক মো. শহিদুল ইসলাম গ্রেপ্তারি পরোয়ানার নির্দেশ প্রদান করেন।

আদালতের পিপি ও দুদকের আইনজীবী অ্যাডভোকেট খন্দকার মজিবর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন। 

আরও পড়ুন


মাহির দ্বিতীয় স্বামী বললেন আমরা পরকীয়া করে বিয়ে করিনি

ব্রিটিশ পার্লামেন্টে মাওলানা আজহারীকে নিয়ে কী আলোচনা হল?

জাতীয় চার নেতাকে আড়ালে রেখে সোনার বাংলা গড়া যাবে না

কথিত স্ত্রী ঝর্ণার করা ধর্ষণ মামলায় মাওলানা মামুনুল হকের বিচার শুরু


২০১৫ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটি সোনালী ব্যাংক থেকে ১৮ কোটি ৫০ লাখ টাকা প্লেজ গোডাউন বাবদ ঋণ নিয়ে ওই টাকা আত্মসাৎ করেন।

গোডাউনে থাকা মাছ বিদেশে বিক্রি করে ঋণের টাকা পরিশোধ করার কথা ছিল। কিন্তু আসামিরা পরস্পরের যোগসাজসে ওই মাছ খোলা বাজারে বিক্রি করে টাকা আত্মসাৎ করেন। এ ঘটনায় গত ১১ আগষ্ট দুদক কর্মকর্তা শাওন মিয়া বাদী হয়ে মামলা করেন। পরে আসামি মো. সালাউদ্দিন হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন নেয়।

news24bd.tv/ কামরুল 

পরবর্তী খবর

ঠাট্টার ছলে অণ্ডকোষে লাথি, এরপর শমসেরের মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক

ঠাট্টার ছলে অণ্ডকোষে লাথি, এরপর শমসেরের মৃত্যু

ঠাট্টার ছলে মো. মোস্তফা শমসের আলীর অণ্ডকোষে লাথি মারেন। এতে সঙ্গে সঙ্গে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন শমসের। পরে মোস্তফা তার নাকে হাত দিয়ে শ্বাস-প্রশ্বাস চলছে না বুঝতে পেরে পাশের একটি সবজির মাচা থেকে দড়ি এনে নিহত শমসেরের দুই হাত পেছনে বেঁধে এবং গলায় গামছা পেঁচিয়ে নদীর ধারে ফেলে পালিয়ে যান। পরে লাশ উদ্ধার হওয়ার পর আইনি প্রক্রিয়া শেষে তিনদিন পর শমসের এর দাফন করা হয়। দাফনেও অংশ নেন মোস্তফা।

এভাবেই বগুড়ায় দিনমজুর শমসের আলী হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটনের বর্ণনা দেন পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার আকরামুল হোসেন।এ ঘটনায় জড়িত প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

বুধবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে হত্যা রহস্য উদঘাটনের বিষয়ে জানান বগুড়া পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) পুলিশ সুপার আকরামুল হোসেন।

তিনি বলেন, সোমবার দিবাগত রাতে ঘটনার সঙ্গে জড়িত আসামি মো. মোস্তফাকে নীলফামারী থেকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলার বাইশপুকুর গ্রামের সাহাবুল্ল্যাহর ছেলে। হত্যাকাণ্ডের শিকার দিনমজুর শমসের আলী একই উপজেলার মৃত নহর উদ্দীনের ছেলে।

আরও পড়ুন:

গণপরিবহনে শিক্ষার্থীদের হাফ ভাড়া কার্যকর

হাফ পাস শুধুমাত্র ঢাকায় কার্যকর হবে বললেন এনায়েত উল্লাহ

কুমিল্লায় কাউন্সিলর হত্যা: ৬ হামলাকারী শনাক্ত


 

পুলিশ সুপার আকরামুল হোসেন আরও বলেন, মামলাটি একেবারেই ক্লুলেস ছিল। তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় এবং গোপন তথ্যের ভিত্তিতে আসামিকে গ্রেফতার এবং রহস্য উদঘাটন করা হয়।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ২৯ জুন বগুড়া সদরের পাঁচ তারকা হোটেল মম ইন পার্কের পেছনে করতোয়া নদীর ধারে হাত বাঁধা এবং গলায় গামছা পেঁচানো লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে লাশ শনাক্ত করে নিহতের ছোট ভাই সিরাজুল ইসলাম বাদী হয়ে বগুড়া সদর থানায় অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে মামলাটি পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয় পিবিআইকে। 

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

ধর্ষণের দায়ে ‘জিনের বাদশার’ যাবজ্জীবন

অনলাইন ডেস্ক

ধর্ষণের দায়ে ‘জিনের বাদশার’ যাবজ্জীবন

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে মা ও মেয়েকে ধর্ষণ মামলার রায়ে ‘জিনের বাদশা’ প্রতারক চক্রের ৩ সদস্যকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১ লাখ করে টাকা জরিমানা করেছেন আদালত। এ ছাড়া এই মামলায় আদালত ২ জনকে খালাস দিয়েছেন। 

মঙ্গলবার (৩০ নভেম্বর) দুপুরে গাইবান্ধার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক মোহাম্মদ আবদুর রহমান এ রায় প্রদান করেন। রায় প্রদানের সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। 

সাজাপ্রাপ্ত ৩ আসামি হলেন, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার গোসাইপুর গ্রামের মমতাজ উদ্দিনের ছেলে বেলাল হোসেন (৪০), একই গ্রামের বদিউজ্জামানের ছেলে এমদাদুল হক (৪০) ও পার্শ্ববর্তী শ্যামপুর পার্বতীপুর গ্রামের দুদু মিয়ার ছেলে খাজা মিয়া (৩৮)। 

খালাসপ্রাপ্তরা হলেন, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা আসাদুল ইসলাম (২৫) ও আজিজুল ইসলাম (৩৫)। 

মঙ্গলবার বিকেলে রায় প্রদানের বিষয়টি নিশ্চিত করে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মহিবুল হক সরকার জানান, খাজা মিয়াকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা ছাড়াও তাকে আরও ৮ বছর কারাদণ্ড দেন আদালত। 

আরও পড়ুন:

গণপরিবহনে শিক্ষার্থীদের হাফ ভাড়া কার্যকর

হাফ পাস শুধুমাত্র ঢাকায় কার্যকর হবে বললেন এনায়েত উল্লাহ

কুমিল্লায় কাউন্সিলর হত্যা: ৬ হামলাকারী শনাক্ত


 

এদিকে আসামি পক্ষের আইনজীবী সিরাজুল ইসলাম বাবু বলেন, তারা এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে যাবেন।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

ছাত্রীকে পালাক্রমে ধর্ষণ: শিক্ষকের যাবজ্জীবন

অনলাইন ডেস্ক

ছাত্রীকে পালাক্রমে ধর্ষণ: শিক্ষকের যাবজ্জীবন

ফাইল ছবি

ছাত্রীকে ডেকে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণের দায়ে সাইফুল ইসলাম নামের এক মাদরাসা শিক্ষককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মামলায় রাশেদা বেগম নামের এক নারীকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ নভেম্বর) বরগুনা জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. হাফিজুর রহমান এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

সাইফুল ইসলাম বরগুনা সদর উপজেলার ফুলঝুরি ইউনিয়নের মাওলানা মো. ইব্রাহীম খলিলের ছেলে।

বাদীপক্ষের আইনজীবী মাহবুবুল বারী আসলাম মামলার বরাত দিয়ে জানান, গাইড দেওয়ার কথা বলে ২০১৯ সালের ২০ জানুয়ারি ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে মাদরাসার পাশের নিজ বাড়ির দোতলায় নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন শিক্ষক। এতে সে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় ঘটনার দিন বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হলে অবস্থার অবনতির হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

একই দিন বিকেলে সাইফুল ইসলামকে প্রধান আসামি করে দুজনের বিরুদ্ধে বরগুনা সদর থানায় মামলা দায়ের করেন নির্যাতিতার বাবা। পরে একই বছরের ২০ ফেব্রুয়ারি পলাতক সাইফুল ইসলামকে গ্রেফতার করে র‌্যাব।

তিনি আরও বলেন, আমরা এ রায়ে খুশি। এতে ভবিষ্যতে অপরাধীরা এমন ঘৃণ্য কাজ থেকে বিরত থাকবে।

আরও পড়ুন


রামপুরায় মারা যাওয়া শিক্ষার্থীর মৃত্যুতে মায়ের মামলা

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

জেমস ও মাইলসের মামলায় জামিন পেলেন বাংলালিংকের সিইও

অনলাইন ডেস্ক

জেমস ও মাইলসের মামলায় জামিন পেলেন বাংলালিংকের সিইও

ফাইল ছবি

অনুমতি ছাড়া জেমস ও মাইলসের ৮টি গান ১৪ বছর ধরে ওয়েলকামটিউন হিসেবে ব্যবহার করায় কপিরাইট আইনে বাংলালিংকের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন জেমস ও মাইলস। সেই মামলায় জামিন পেয়েছেন বাংলালিংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) এরিক অ্যাসসহ চারজন।

জামনি পাওয়া অন্য তিনজন হলেন- প্রতিষ্ঠানটির চিফ কমপ্লায়েন্স অফিসার এম নুরুল আলম, চিফ করপোরেট রেগুলেটরি অফিসার তৈমুর রহমান এবং হেড অব ভ্যাস অনিক ধর।

মঙ্গলবার (৩০ নভেম্বর) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালতে তারা পৃথক দুই মামলায় আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক আগামী ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত জামিন মঞ্জুর করেন।

আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর তাপস কুমার পাল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এসময় তিনি বলেন, জেমস আদালতে বাংলালিংকের বিরুদ্ধে কপিরাইট আইনে মামলার আবেদন করতে আসেন। বিচারক গুলশান থানায় গিয়ে মামলা দায়েরের পরামর্শ দেন। এছাড়া থানায় যদি মামলা না নেয় তাহলে আদালতে এসে মামলার আবেদন করতে বলেন।

এর আগে ১০ নভেম্বর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালতে এ দুই মামলা করেন তারা। আদালত তাদের এ বিষয়ে জবাব দেওয়ার জন্য বাংলালিংকের বিরুদ্ধে সমন জারি করেন। সেদিন জেমস আদালতে উপস্থিত হন। এছাড়া মাইলসের পক্ষে দুজন উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন


আবারও সড়কে ঝরল শিক্ষার্থীর প্রাণ

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

সেই লেডি বাইকার রিয়ার পক্ষে আদালতে ব্যারিস্টার সুমন

অনলাইন ডেস্ক

সেই লেডি বাইকার রিয়ার পক্ষে আদালতে ব্যারিস্টার সুমন

লেডি বাইকার রিয়া রায় ও ব্যারিস্টার সুমন

সিলেটের আলোচিত লেডি বাইকার রিয়া রায় মাদক মামলায় আগাম জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেছেন। তিনি এখনও পতালক রয়েছেন। রিয়ার পক্ষে ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন উচ্চ আদালতে শুনানি করবেন।

মঙ্গলবার (৩০ নভেম্বর) ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন। এসময় তিনি বলেন, হাইকোর্টের একটি ফৌজদারি বেঞ্চে লেডি বাইকার রিয়া রায়ের জামিন আবেদন করেছি। তার পক্ষে আমি নিজেই শুনানি করব।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, চলতি মাসের ৭ নভেম্বর সিলেট নগরীর এয়ারপোর্ট এলাকা থেকে মাদকসহ গ্রেফতার হন রিয়ার প্রেমিক আরমান সামী। ওই ঘটনায় আরমান সামীকে প্রধান আসামি করে রিয়াসহ দুই জনের বিরুদ্ধে মাদক দ্রব্য আইনে মামলা করে সিলেট বিমানবন্দর থানা পুলিশ।

মামলার এজাহারে বলা হয়, ৫০০ গ্রাম মদ, ১০ পিস ইয়াবা ও দুই প্যাকেট গাঁজাসহ গ্রেফতার করার পর প্রেমিক সামী জানায় তার সঙ্গে লেডি বাইকার রিয়াও ছিল। কৌশলে সে পালিয়ে গেছে।

সামীর মা-বাবা বলেন, টিকটকে একসঙ্গে ভিডিও তৈরি করত সামী ও রিয়া। সেখান থেকেই বন্ধুত্ব, তারপর প্রেম। তবে রিয়া হিন্দু ধর্মের এজন্য সামীকে প্রেমের সম্পর্ক ভেঙে দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিল পরিবার।

সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের তদন্ত কর্মকর্তা পলাশ চন্দ্র দাশ জানান, রিয়াকে গ্রেফতার করার জন্য পুলিশের একাধিক টিম মাঠে কাজ করছে। বর্তমানে জেলে আছেন রিয়ার প্রেমিক আরমান সামী।

আরও পড়ুন


ভোটে হারলো দুই সতীনই, স্বামীর ক্ষোভ তৃতীয় স্ত্রীর ‍উপর

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর