সরকার জেল হত্যার রায় কার্যকর করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

সরকার জেল হত্যার রায় কার্যকর করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর ঘটে যাওয়া জেল হত্যার ঘটনার বিচারের রায় কার্যকর করতে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে।

আজ বুধবার (৩ নভেম্বর) সকালে জেল হত্যা দিবস উপলক্ষে রাজধানীর নাজীম উদ্দিন রোডের পুরাতন কারাগারে অবস্থিত জাতীয় চার নেতার প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন


মাহির দ্বিতীয় স্বামী বললেন আমরা পরকীয়া করে বিয়ে করিনি

ব্রিটিশ পার্লামেন্টে মাওলানা আজহারীকে নিয়ে কী আলোচনা হল?

জাতীয় চার নেতাকে আড়ালে রেখে সোনার বাংলা গড়া যাবে না

কথিত স্ত্রী ঝর্ণার করা ধর্ষণ মামলায় মাওলানা মামুনুল হকের বিচার শুরু


তিনি বলেন, আজ ৩ নভেম্বর, জেল হত্যা দিবস। বাংলাদেশে দুটি ঘৃণ্যতম হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। যার মধ্যে একটি ১৫ আগস্ট, অন্যটি ৩ নভেম্বর জেল হত্যার ঘটনাটি। কারা এই ঘটনাগুলো ঘটিয়েছে তা সবাই জানে। অনেক হত্যাকারীর বিচার হয়েছে, এদেরও হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদের ছেলে তানজীম আহমেদ সোহেল তাজ, সিমিন হোসেন রিমি, শহীদ ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলীর ছেলে রেজাউল করিম, ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হাজী মো. সেলিম, সাবেক সংসদ সদস্য ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আনিসুর রহমানসহ আরও অনেকে।

news24bd.tv/ কামরুল 

পরবর্তী খবর

ঘূর্ণিঝড় ‘জাওয়াদ’ দ্রুত কমতে পারে তাপমাত্রা

অনলাইন ডেস্ক

ঘূর্ণিঝড় ‘জাওয়াদ’  দ্রুত কমতে পারে তাপমাত্রা

দক্ষিণ আন্দামান সাগর এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টির শঙ্কা দেখা দিয়েছে। শনিবার সন্ধ্যায় পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টার পূর্বাভাসে আবহাওয়া অধিদফতর এ তথ্য জানিয়েছে। লঘুচাপটি নিম্নচাপে রূপ নিলে তা থেকে আগামী কদিনের মধ্যেই ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হতে পারে। ঘূর্ণিঝড় হলে এর নাম হবে ‘জাওয়াদ’। ​নামটি দিয়েছেন সৌদি আরবের আবহাওয়াবিদরা।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ সৃষ্টির মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। লঘুচাপটি নিম্নচাপে পরিণত হলে আকাশে মেঘের পরিমাণ বাড়তে পারে। নিম্নচাপটি ৩ থেকে ৪ ডিসেম্বরের মধ্যে ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদে রূপ নিতে পারে। এটি ভারতের ওড়িষা উপকূলের দিকে যেতে পারে। এর প্রভাব পড়তে পারে দেশের খুলনা ও সাতক্ষীরা অঞ্চলে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, ৪ দিন ধরে তাপমাত্রা দ্রুত কমতে শুরু করলেও আগামী দুই দিনের মধ্যে তাপমাত্রা আবার কিছুটা বাড়তে পারে। 

এদিকে রাজধানীসহ দেশের বেশিরভাগ এলাকায় শীত বেড়েছে।শনিবার ভোর থেকে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে তাপমাত্রা শৈত্যপ্রবাহের কাছাকাছি চলে যায়। তবে আগামী দু–এক দিনের মধ্যে এ চিত্র পরিবর্তন হতে পারে।

আরও পড়ুন:


দ. আফ্রিকার করোনার নতুন ধরন খুবই ভয়ঙ্কর : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

একই ইউপিতে বাবা-ছেলে ও আপন দুই ভাই চেয়ারম্যান প্রার্থী!

বেগম জিয়ার জন্য আলাদা আইন করার সুযোগ নেই: হানিফ


 

অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক গণমাধ্যমকে বলেন, আমরা ধারণা করছি- লঘুচাপটি সৃষ্টি হওয়ার পর তা দ্রুত ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। তবে সেটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে কিনা, তা শতভাগ নিশ্চিত হতে আরও দু–এক দিন লাগবে। এখন পর্যন্ত পাওয়া পূর্বাভাস বলছে, ভারতের ওড়িষা উপকূলে এই ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানার সম্ভাবনা বেশি।

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল টেকনাফে ৩২ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল শ্রীমঙ্গলে ১২ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রোববার ঢাকায় সূর্যোদয় ভোর ৬টা ২২ মিনিটে, সূর্যাস্ত সন্ধ্যা ৫টা ১০ মিনিটে। আগামী পাঁচ দিনে আবহাওয়ার সামান্য পরিবর্তন হতে পারে।   

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

হাসপাতালে যেমন আছেন খালেদা জিয়া

নিজস্ব প্রতিবেদক

হাসপাতালে যেমন আছেন খালেদা জিয়া

রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার বড় সমস্যা পরিপাকতন্ত্রে রক্তক্ষরণ। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, সেটা বন্ধ করার আপ্রাণ চেষ্টা করছেন। কিন্তু সেটার উৎস নির্ণয় হচ্ছে না।

এ প্রসঙ্গে খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, পরিপাকতন্ত্রে রক্ত ক্ষরণের উৎস নির্ণয় করতে হলে যত দ্রুত সম্ভব তাকে কোনো অ্যাডভান্স সেন্টারে নিতে হবে। অন্যথায় যে কোনো সময় বিপদ হয়ে যেতে পারে। 

তিনি আরও বলেন, এ ধরনের ‘অ্যাডভান্স সেন্টার’ আমাদের দেশে নেই। দেশের সবচেয়ে অভিজ্ঞ চিকিৎসকরা কয়েক দিন ধরে চেষ্টা করে যাচ্ছেন। কিন্তু একটা পর্যায়ে তারা প্রযুক্তির অভাবে আটকে যাচ্ছেন। খালেদা জিয়ার জীবন বাঁচাতে এই মুহূর্তে তাকে বিদেশের (যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য বা জার্মানি) কোনো উন্নত হাসপাতালে  নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমানউল্লাহ আমান বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার সুযোগ না দিয়ে তিলে তিলে হত্যা করার চক্রান্ত চলছে। খালেদা জিয়াকে মুক্তি ও বিদেশে চিকিৎসার সুযোগ না দিলে সমগ্র দেশ অচল করে দেওয়ারও হুমকি দেন তিনি।

এর আগে গত শুক্রবার মওলানা আব্দুল হামিত খান ভাসানীর পরিবারের ৫ সদস্য সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে যান।৩০ মিনিট তারা হাসপাতালে অবস্থান করে বেরিয়ে আসার সময় মাহমুদা খানম ভাসানী(ভাসানীর মেয়ে) গণমাধ্যমকে বলেন, কথা বলতে পারছেন বেগম খালেদা জিয়া। তবে তিনি কথা বলছেন খুব ধীরে ধীরে। তিনি অনেক দুর্বল।

আরও পড়ুন: খালেদা জিয়া ইস্যুতে সর্বোচ্চ সতর্কতায় সরকার

ভাসানীর মেয়ে মাহমুদা খানম ভাসানী বলেন, তার শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করে আমরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে তাকে বিদেশে পাঠিয়ে সুচিকিৎসার সুযোগ দেওয়ার জোর দাবি জানাচ্ছি। ভাসানীর নাতি হাবিব হাসান মনার বলেন, আমরা খালেদা জিয়াকে দেখতে গিয়েছিলাম। তার ডাক্তাররা বলেছেন, বেগম জিয়ার অবস্থা খারাপ। ভাসানী পরিবারের পক্ষ থেকে তাকে বিদেশে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়ার দাবি জানাই। 

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

তৃতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচন কাল

অনলাইন ডেস্ক

তৃতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচন কাল

তৃতীয় ধাপে দেশের এক হাজার সাতটি ইউনিয়ন পরিষদে (ইউপি) ভোটগ্রহণ হবে আগামীকাল। একই দিনে দেশের ১০টি পৌরসভায়ও নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।  রোববার (২৮ নভেম্বর) সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত টানা ভোটগ্রহণ চলবে।

তৃতীয় ধাপে ১০০৭টি ইউপি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হলেও নির্বাচন হচ্ছে ১ হাজার ইউনিয়ন পরিষদে। বিভিন্ন জটিলতায় ৭টি ইউপি নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে। ইতিমধ্যে নির্বাচনের যাবতীয় প্রস্তুতি শেষ করেছে নির্বাচন কমিশন।

ইসি সূত্র জানায়, তৃতীয় ধাপের নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ২ কোটি ১ লাখ ৪৯ হাজার ২৭৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ কোটি ২ লাখ ১৫ হাজার ৪২৩ জন, মহিলা ভোটার ৯৯ লাখ ৩২ হাজার ৫৩৮ জন এবং হিজড়া ভোটার ১৯ জন। তৃতীয় ধাপের নির্বাচনে ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ১০ হাজার ১৫৯টি এবং ভোটকক্ষের সংখ্যা ৬১টি হাজার ৮৩০টি।

সারাদেশে তৃতীয় ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে (ইউপি) ইতিমধ্যে ১০১ জন চেয়ারম্যান বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। এদের সবাই ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী। তৃতীয় ধাপে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় মোট ৫৭০ প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছেন। চেয়ারম্যান ছাড়াও সাধারণ সদস্য পদে ৩৩৭ জন এবং সংরক্ষিত সদস্য পদে ১৩২ প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

এর আগের দুই ধাপসহ মোট ২৫৩ চেয়ারম্যান বিনাভোটে নির্বাচিত হলেন। এর মধ্যে প্রথম ধাপে ৭২ জন এবং দ্বিতীয় ধাপে ৮১ জন একক প্রার্থী হিসেবে ভোট ছাড়াই চেয়ারম্যান হয়েছেন। তৃতীয় ধাপের নির্বাচনেও বিনা ভোটে চেয়ারম্যান হচ্ছেন ১০১ জন।

নির্বাচনে চট্টগ্রামের রাউজানের ১৪টি ইউপিতে চেয়ারম্যান, সাধারণ সদস্য ও সংরক্ষিত ওয়ার্ডের নারী সদস্য সব ক’টি পদে একক প্রার্থী হিসেবে রিটার্নিং অফিসারের কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেন। উল্লেখিত ১৪টি ইউনিয়নে সাধারণ ওয়ার্ডে সদস্য পদ রয়েছে ১২৬টি এবং সংরক্ষিত ওয়ার্ডে নারী সদস্য পদ ৪২টি। এসব পদের সব কটিতে একজন করে প্রার্থী মনোনযনপত্র জমা দেয়ায় ১৪ ইউপির সব পদে সব প্রার্থী ভোটের আগেই নির্বাচিত হয়েছেন।

আরও পড়ুন:


দ. আফ্রিকার করোনার নতুন ধরন খুবই ভয়ঙ্কর : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

একই ইউপিতে বাবা-ছেলে ও আপন দুই ভাই চেয়ারম্যান প্রার্থী!

বেগম জিয়ার জন্য আলাদা আইন করার সুযোগ নেই: হানিফ


এছাড়া রাঙ্গুনয়ায় ছয়টি ইউপিতে চেয়ারম্যান পদে শুধু আওয়ামী লীগের প্রার্থীরাই মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। ফলে রাঙ্গুনিয়া উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রার্থীরা নির্বাচিত হয়েছেন। দেশের অন্যতম প্রধানদল বিএনপি এ নির্বাচন বর্জন করছে। 

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

ঢাকায় ৮০ শতাংশ বাসমালিক গরিব: এনায়েত উল্লাহ

অনলাইন ডেস্ক

ঢাকায় ৮০ শতাংশ বাসমালিক গরিব: এনায়েত উল্লাহ

রাজধানী ঢাকায় চলাচলকারী পরিবহণ মালিকদের ৮০ শতাংশ গরিব। কেউ কেউ একটি বাসের আয় দিয়ে নিজের সংসার চালায় জানিয়ে তারা হাফ পাশের (বাসে অর্ধেক ভাড়া) এই ক্ষতি কীভাবে সামলাবে সেটা জানতে চেয়েছেন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার এনায়েত উল্লাহ।

শনিবার রাজধানীর বনানীতে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এবং পরিবহণ মালিক ও শ্রমিক নেতাদের মধ্যে শিক্ষার্থীদের জন্য হাফ পাশের (বাসে অর্ধেক ভাড়া) বিষয়ে বৈঠকে এসক কথা বলেন এনায়েত উল্লাহ।বিআরটিএ কার্যালয়ে টানা দুই ঘণ্টা বৈঠক চলে। 

বৈঠকে হাফ ভাড়া কার্যকর করা নিয়ে নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরেন পরিবহণ নেতারা। 

বৈঠকে ঢাকা সড়ক পরিবহণ মালিক সমিতির সভাপতি আবদুল বাতেন বাবু, সাধারণ সম্পাদক খন্দকার এনায়েত উল্যাহ, বিআরটির চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ মজুমদার, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সহকারী কমিশনার মো. আশফাকসহ বিআরটিএর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

শিক্ষার্থীদের জন্য বাসে হাফ ভাড়া চালুর বিষয়ে বিআরটিএ এবং পরিবহণ মালিক ও শ্রমিকদের মধ্যে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় বৈঠকেও কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। উল্টো সরকারের কাছে পরিবহণ নেতারা টাস্কফোর্স গঠন করে তাদের জন্য ভর্তুকি নির্ধারণ করার দাবি জানান।এ ছাড়া বিআরটিএ’র সঙ্গে আলোচনায় নেতারা ১১টি প্রস্তাব দিয়েছেন।

আরও পড়ুন:


দ. আফ্রিকার করোনার নতুন ধরন খুবই ভয়ঙ্কর : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

একই ইউপিতে বাবা-ছেলে ও আপন দুই ভাই চেয়ারম্যান প্রার্থী!

বেগম জিয়ার জন্য আলাদা আইন করার সুযোগ নেই: হানিফ


বৈঠকে খন্দকার এনায়েত উল্লাহ বলেন, ঢাকায় নগর পরিবহণের যে বাসগুলো চলে, তার মালিকদের ৮০ শতাংশই গরিব। একটা বা দুটো বাস চালিয়ে তাদের সংসার চলে। তাদের বাচ্চারাও স্কুল কলেজে যায়।এ কারণে পরিবহণ মালিক-শ্রমিকদের প্রস্তাব হচ্ছে, বাস মালিকদের ক্ষতিপূরণ বা ভর্তুকির বিষয়টি নির্ধারণ করেই হাফ ভাড়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। কোন তহবিল থেকে এই ভর্তুকি আসবে সেটিও নির্ধারণ করতে হবে।

হাফ ভাড়া চালু হলে মোট ক্ষতি বা ভর্তুকি নিয়ে এনায়েত উল্লাহ বলেন, হাফ ভাড়ার দাবিতে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করছে। তাদের দাবির যৌক্তিক সমাধানে প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে।তাৎক্ষণিক কিছু করা যাবে না। সময়ের প্রয়োজন আছে, টাস্কফোর্স ছাড়া এটি সম্ভব নয়। সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠান নিয়ে একটি টাস্কফোর্স গঠন করে সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত নিতে হবে। হাফ ভাড়ায় ক্ষতির পরিমাণ টাস্কফোর্স নির্ধারণ করবে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রামের উন্নয়নের দায়িত্ব মেয়রকেই নিতে হবে : স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

চট্টগ্রামের উন্নয়নের দায়িত্ব মেয়রকেই নিতে হবে : স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

সকল প্রতিষ্ঠানকে ঐক্যবদ্ধ করে চট্টগ্রামের সার্বিক উন্নয়নের দায়িত্ব সিটি কর্পোরেশনের মেয়রকে নিতে হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মোঃ তাজুল ইসলাম।

তিনি আজ চট্টগ্রামে জাতীয় স্থানীয় সরকার ইন্সটিটিউট আয়োজিত পুরাতন নগর ভবনে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলরগণের জন্য 'সিটি কর্পোরেশন প্রশাসন অবহিতকরণ' শীর্ষক দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা জানান।

মন্ত্রী বলেন, পৃথিবীর অনেক দেশের সিটি কর্পোরেশন তাদের নিজস্ব অর্থ দিয়ে মেট্রোরেল, ফ্লাইওভার এমনকি বিমানবন্দর নির্মাণ করে থাকে। এই জন্যই সিটি কর্পোরেশনের মেয়রকে নগর পিতা বলা হয়। বিশ্বের অন্য দেশগুলো পারলে আমরা কেন পারব না। চট্টগ্রামের উন্নয়নে মেয়রকেই দায়িত্ব নিতে হবে। চট্টগ্রামের সকল সেবামূলক সংস্থার সাথে সমন্বয় করে মেয়রকে এ দায়িত্ব নিতে হবে।

কাউন্সিলরদেরকে সততা, স্বচ্ছতার মাধ্যমে কাজ করার নির্দেশনা প্রদান করে তাজুল ইসলাম বলেন আপনারা জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধি হয়েছেন মানুষকে সেবা দেয়ার জন্য। সমাজে ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্য। অন্যায়-অবিচার, দূর্নীতি ও অনিয়ম করার জন্য নয়। শুধু অর্থ বরাদ্দ দিলেই উন্নতি হয় না এর জন্য দরকার সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা মেয়র-কাউন্সিলর সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে তাহলে লক্ষ্যে পৌঁছানো সম্ভব।

তিনি আরও বলেন, নাগরিক সেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সরকারের সুযোগ-সুবিধা পৌঁছে দেয়া এবং সমাজের সকল অন্যায়-অবিচার ও বৈষম্য নিরসনে প্রতিটি ওয়ার্ডকে দশটি সাব জোনে ভাগ করে সকল শ্রেণীর মানুষকে সম্পৃক্ত করে কমিটি গঠন করার তাগিদ দিয়ে মন্ত্রী। নাগরিক সেবা নিশ্চিত করে সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার মধ্যে নিয়ে আসতে হবে।

চট্টগ্রামকে বাংলাদেশের দ্বিতীয় রাজধানী উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্র হিসেবে এই নগরকে নিয়ে বাংলাদেশ গর্ব করে। দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নগরীর অবদান উল্লেখযোগ্য। চট্টগ্রামের আরো উন্নতি ও সমৃদ্ধির জন্য সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে। 

তাজুল ইসলাম জানান, প্রকৌশলী-ঠিকাদারসহ যারা উন্নয়ন কাজ করবেন সেগুলো টেকসই হতে হবে অর্থাৎ কাজের মান নিশ্চিত করতে হবে। কাজ করার সময় অর্থ অপচয়, সময় বৃদ্ধি এবং নিম্ন মানের কাজ করা যাবে না।

এপ্রসঙ্গে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী আরও জানান, খাল খনন প্রকল্পসহ সকল চলমান প্রকল্পের কার্যক্রম মন্ত্রণালয় থেকে নিয়মিত পরিদর্শন ও পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। এ লক্ষ্যে একটি মনিটরিং সেল কাজ করছে। কোথাও কোনো অনিয়ম পাওয়া গেলে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। অনিয়ম করে অর্থ উপার্জনের কোনো সুযোগ নেই। কেউ করলে কঠোর শাস্তির আওতায় আনা হবে।

নগরীর খাল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য জার্মান থেকে অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি আনা হচ্ছে যা চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনকেও দেয়া হবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, এই মেশিন দিয়ে একদিনে বিপুল পরিমাণ কচুরিপানা ও অন্যান্য আবর্জনা পরিষ্কার করা সম্ভব হবে। এসময় যেখানে সেখানে ময়লা আবর্জনা না ফেলে দেয়ারও জন্য নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহকে আর্থিকভাবে সক্ষম হতে হবে। সরকারের উপর নির্ভরশীল হওয়া যাবে না উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, সরকারের দায়িত্ব জনগণকে রাজস্ব প্রদান করার সক্ষম করে গড়ে তোলা। আর উন্নয়নের সুফল পেতে হলে জনগণকে অবশ্যই রাজস্ব দিতে হবে। চট্টগ্রামে যে পরিমাণ রাজস্ব আহরণের সুযোগ রয়েছে অর্থাৎ স্বাভাবিক নিয়মে যে রাজস্ব আদায়ে হওয়ার কথা তা হচ্ছে না। জনগণকে নাগরিক সেবা দিলে তারা অবশ্যই রাজস্ব দেবে। সেটা মানুষকে বোঝাতে হবে। জনগণের কাছে জোর করে রাজস্ব আদায়ের সুযোগ নেই।

আরও পড়ুন:


দ. আফ্রিকার করোনার নতুন ধরন খুবই ভয়ঙ্কর : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

একই ইউপিতে বাবা-ছেলে ও আপন দুই ভাই চেয়ারম্যান প্রার্থী!

বেগম জিয়ার জন্য আলাদা আইন করার সুযোগ নেই: হানিফ


 

মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সারা বাংলাদেশের উন্নয়নের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। বিশেষ কারণে চট্টগ্রামের উন্নয়নে অগ্রধিকার দেওয়া হবে। চট্টগ্রামের উন্নয়নের জন্য জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা এবং সাধারণ মানুষকে সাথে নিয়ে মেয়রকে আন্তরিকভাবে কাজ করার আহ্বান জানান মন্ত্রী।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মোঃ রেজাউল করিম চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ। এছাড়া, চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ কে এম ফজলুল্লাহ, জাতীয় স্থানীয় সরকার ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক সালেহ আহমদ মোজাফফর, স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোস্তাকিম বিল্লাহ ফারুকীসহ মন্ত্রণালয় ও সিটি কর্পোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর