দুবলার চরে চলছে শুটকি আহরণ, রাজস্ব নির্ধারণ ৩ কোটির বেশি
দুবলার চরে চলছে শুটকি আহরণ, রাজস্ব নির্ধারণ ৩ কোটির বেশি

দুবলার চরে চলছে শুটকি আহরণ, রাজস্ব নির্ধারণ ৩ কোটির বেশি

Other

বঙ্গোপসাগর উপকূলে সুন্দরবনের দুবলার চরে চলছে ৫ মাসব্যাপী শুটকি মৌসুম। এরইমধ্যে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে হাজার জেলে সেখানে জড়ো হয়েছে। বঙ্গোপসাহর থেকে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ আহরণ শেষে তা রোদে শুকিয়ে শুটকি প্রক্রিয়া করবেন তারা। আর এই মাছ চাহিদা অনুযায়ী দেশের বিভিন্ন অঞ্চলসহ বিদেশেও বাজারজাত করবেন রপ্তানীকারকরা।

সুন্দরবনে অভ্যন্তরে ১৩ টি চরে মৎস্য আহরণ, প্রক্রিয়াকরণ ও বাজারজাতকরণ কেন্দ্র নিয়ে গঠিত দুবলার অস্থায়ী জেলে পল্লী। এবার এই শুটকি মাছ তৈরীতে তিন কোটি ২২ লাখ টাকা রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সুন্দরবন বিভাগ।

news24bd.tv

গত মৌসুমে শুঁটকি আহরিত হয়েছিল ৪৫ হাজার মেট্রিক টন এবং তা থেকে রাজস্ব আদায় হয়েছে তিন কোটি ২২ লাখ টাকা। যদিও সে বছর লক্ষ্যমাত্রা ছিল তিন কোটি ২০ লাখ টাকা।

বাগেরহাটের পূর্ব সুন্দরবনের বিভাগীয় বনকর্মকর্তা (ডিএফও) মুহাম্মদ বেলায়েত হোসেন এসব তথ্য নিশ্চিত করে জানান, এ বছর ২৬ অক্টোবর থেকে শুরু হয়ে আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত এই পাঁচ মাস বঙ্গোপসাগর পাড়ের দুবলা, মেহের আলীর, আলোরকোল, অফিস কিল্লা, মাঝের কিল্লা, শেলার চর, নারকেল বাড়িয়া, ছোট আম বাড়িয়া, বড় আম বাড়িয়া, মানিক খালী, কবর খালী, চাপড়া খালী, কোকিলমনি ও হলদা খালীর চরে জেলেরা শুটকি প্রক্রিয়া করবেন জেলেরা। এ কারণে তাদের বনবিভাগ থেকে পাস পারমিট দেওয়া হয়েছে। যদিও জেলেরা নির্ধারিত সময়ের এক সপ্তাহ আগেই সেখোনে চলে গেছেন।

news24bd.tv

এবার বাগেরহাটের মোংলা, শরণখোলা, মোরেলগঞ্জ, রামপাল, খুলনা, সাতক্ষীরা, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, বরিশাল, চট্রগ্রামসহ সুন্দরবন উপকূলের  কয়েক হাজার জেলে মাছ আহরণ ও শুঁটকি তৈরির জন্য সাগরপাড়ে অস্থায়ী বসতি গড়ে তুলেছেন। এ জন্য জেলেদের ৯৮৫টি ঘর এবং ৬৬ টি ডিপো তৈরীর অনুমোদন দিয়েছে পূর্ব সুন্দরবনের হিসাব। এসব ঘর বা ডিপোতে ওঠা প্রতি কুইন্টাল রুপচাঁদা ও লাটক্ষা মাছের শুটকি থেকে  ১৫০০ টাকা এবং অন্য সাধারণ মাছের শুটকি মাছ থেকে প্রতি কুইন্টাল ৫০০ টাকা রেভিনিউ (রাজস্ব) আদায় করা হবে। এছাড়া জেলেদের ঘর ও ডিপো প্রতি ১০০ থেকে ২০০ টাকা রাজস্ব আদায় করা হবে বলেও জানায় বন বিভাগ।

news24bd.tv

শুটকির তৈরীর জেলে বেশ কয়েকজন বলেন, সমুদের লোনা পানি থেকে লইট্রা, ছুরি, খলিসা, ভেদা, চিংড়ি, ইছা ও ররুপচাঁদা মাছ আহরণ করেন তারা। এরপর টানা তিন থেকে চারদিন সেই কাঁচা মাছে রোদে শুকিয়ে প্রায় এক’শ প্রজতির শুটকি তৈরী করেন তারা। এই শুটকি মাছ তৈরী করতে আগামী পাঁচ মাস সেখানে অবস্থানের অনুমতি মিলেছে। এই পাঁচ মাসে তাদের প্রয়োজনীয় রসদসহ যাবতীয় সবকিছু তারা সঙ্গে নিয়ে দুবলার চরে গেছেন প্রায় ১৫ হাজার জেলে।

আরও পড়ুন


ইউপি নির্বাচনে অনিয়ম হলে ভোট বন্ধ: কেএম নুরুল হুদা

news24bd.tv এসএম