পরকীয়া, স্বামীকে ডিভোর্সের পর পুলিশ দেবরের সঙ্গে বিয়ের দাবিতে অনশন

অনলাইন ডেস্ক

পরকীয়া, স্বামীকে ডিভোর্সের পর পুলিশ দেবরের সঙ্গে বিয়ের দাবিতে অনশন

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে বিয়ের দাবিতে আব্দুস সালাম নামে পুলিশ কনস্টেবল দেবরের বাড়ির সামনে অনশন শুরু করেছে এক নারী। শুক্রবার (৫ নভেম্বর) সালামের বিয়ের খবর শুনে বৃহস্পতিবার (৪ নভেম্বর) সকাল থেকে বিয়ের দাবিতে অনশন করেন তিনি।সালাম উপজেলার আলীনগর ইউনিয়নের জাঙ্গালীয়া গ্রামের তেরাব আলীর ছেলে।

জানা যায়, ওই নারী আব্দুস সালামের চাচাতো ভাই শাহ আলমের সাবেক স্ত্রী। তার চাচাতো ভাইয়ের সাথে বিয়ের পর থেকেই সালামের সঙ্গে ওই নারীর পরকীয়া প্রেম ছিলো। বিষয়টি জানাজানি হলে স্বামীর সঙ্গে ডিভোর্স হয়ে যায় ওই নারীর। কিন্তু পরে সালাম ওই নারীকে বিয়ে করতে চাননি। পরে ওই নারী আব্দুস সালামের বিষয়ে তার তৎকালীন কর্মস্থল হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ থানা পুলিশকে অবগত করে হবিগঞ্জের পুলিশ সুপারের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন। বর্তমানে অভিযোগটি তদন্তাধীন আছে।

ওই নারী বলেন, ‘আব্দুস সালামের সাথে আমার দীর্ঘদিনের সম্পর্ক। সে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে আমাকে নিয়ে বিভিন্ন হোটেলে রাত কাটিয়েছে। তার কথায় আগের স্বামীকেও আমি ডিভোর্স দিয়েছি। এখন গোপনে বিয়ে করতে দিন তারিখও ঠিক করেছে। খবর শুনে আমাকে বিয়ে করার জন্যই তার বাড়ির সামনে অনশনে বসেছি।

স্থানীয় ইউপি সদস্য তাজ উদ্দিন বলেন, বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে শালিস বৈঠক হয় এবং বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সালাম ওই নারীকে বিয়ে করার কথা। কিন্তু বৈঠকের রায় মানেনি সালাম। এখন আর আমাদের কিছু করার নেই।

কমলগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইয়ারদৌস হাসান বলেন, বিষয়টি শুনেছি, আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ কর হবে।

আরও পড়ুন


পাথারঘাটার চার জেলের জালে ৪টি ‘ভোল’ মাছ, বিক্রি প্রায় ১৮ লাখ টাকায়

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

বিএনপি নেতাকে ফুলের মালা দিয়ে বরণ আ.লীগ নেতার!

অনলাইন ডেস্ক

বিএনপি নেতাকে ফুলের মালা দিয়ে বরণ আ.লীগ নেতার!

বিএনপি নেতাকে ফুলের মালা দিয়ে বরণ

ইউনিয়ন পরিষদের নব-নির্বাচিত চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতাকে ফুলের মালা দিয়ে বরণ করে তোপের মুখে পড়েছেন আওয়ামী লীগ নেতা ও উপজেলা চেয়ারম্যান আবু সুফিয়ান শফিক। এনিয়ে আবু সুফিয়ান শফিককে নিয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে চলছে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা। ঘটনাটি ঘটে বগুড়ার নিশিন্দারা ইউনিয়নে।  

জানা গেছে, নির্বাচনের পরদিনই বগুড়া সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আবু সুফিয়ান শফিকের সঙ্গে দেখা করেন বিএনপি নেতা শহিদুল ইসলাম। এ সময় নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা শহিদুল ইসলামকে ফুলের মালা দিয়ে বরণ করে নেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু সুফিয়ান শফিক। পরে এই ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ হয়। অনেকই বিরূপ মন্তব্য করে পোস্ট দেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। 

এদিকে, নৌকার প্রার্থী রিজু হোসেন তার পরাজয়ের জন্য আওয়ামী লীগ নেতা ও উপজেলা চেয়ারম্যানকে দায়ী করেছেন। এ ব্যাপারে তিনি বলেন, নির্বাচনের পরদিন বিএনপি নেতাকে ফুলের মালা দেওয়ার ঘটনাই প্রমাণ করে চেয়ারম্যান কার পক্ষে কাজ করেছেন।

অন্যদিকে, আবু সুফিয়ান শফিক বলেন, কে কি বললো এটা দেখা বা শোনার টাইম আমার নাই।  

আরও পড়ুন:

প্রবেশপত্র ছাড়া সেই ২৫৮ শিক্ষার্থীর বিশেষ ব্যবস্থায় পরীক্ষা


প্রসঙ্গত, গত রবিবার (২৮ নভেম্বর) বগুড়া সদর উপজেলার ৮টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে নিশিন্দারা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম। মোটরসাইকেল প্রতীকে তিনি ৬ হাজার ৯৯২ ভোট পেয়েছেন। এই ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী যুবলীগ নেতা রিজু হোসেন নৌকা প্রতীকে ভোট পেয়েছে এক হাজার ৬১২। 

news24bd.tv রিমু   

 

পরবর্তী খবর

প্রবেশপত্র ছাড়া সেই ২৫৮ শিক্ষার্থীর বিশেষ ব্যবস্থায় পরীক্ষা

অনলাইন ডেস্ক

প্রবেশপত্র ছাড়া সেই ২৫৮ শিক্ষার্থীর বিশেষ ব্যবস্থায় পরীক্ষা

গতকালের ছবি

প্রবেশপত্র না পেয়ে আন্দোলনকারী সেই ২৫৮ জন শিক্ষার্থী অবশেষে বিশেষ ব্যবস্থায় সমমানের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছেন। আজ বৃহস্পতিবার সেইসব শিক্ষার্থী প্রবেশপত্র ছাড়া পরীক্ষা দিয়ে রেজাল্ট নিয়ে আছেন শঙ্কায়।  

তথ্যসূত্রে জানা গেছে, রংপুরের সাহেবগঞ্জ টেকনিক্যাল এন্ড বিএম কলেজের কলেজ থেকে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২৫৮ জন শিক্ষার্থীর এবার এইচএসসি সমমানের পরীক্ষা দেয়ার কথা ছিল। কিন্তু বুধবার রাত পর্যন্ত তাদের প্রবেশপত্র না আসায় তারা আন্দোলনে নামেন। পরে খবর পেয়ে গভীর রাতে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক গিয়ে বিশেষ ব্যবস্থায় পরীক্ষা নেওয়ার কথা বলে তাদের শান্ত করেন। আর সেই আশ্বাসে শিক্ষার্থীরা অবরোধ ও আন্দোলন প্রত্যাহার করেন।   

আরও পড়ুন:


ফেসবুকে মন্ত্রীর পোস্ট, ‘মন চাইছে আত্মহত্যা ক‌রি’


এ বিষয়ে একাধিক শিক্ষার্থী বলেন, বিশেষ ব্যবস্থায় পরীক্ষা দিয়েছি ঠিকই। কিন্তু রেজাল্ট পাব কিনা এ নিয়ে সংশয় রয়েছে। 

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক( শিক্ষা) এ ডাব্লিউ এম রায়হান শাহ বলেন, 'আমরা বিশেষ বিবেচনায় ২৫৮ জনের পরীক্ষা নিয়েছি। বোর্ড এ বিষযে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলেছিল।' 

এ বিষয়ে হারাগাছ থানার ওসি শওকত চৌধুরী বলেন, ওই কলেজে শান্তিপূর্ণভাবে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

news24bd.tv রিমু   

পরবর্তী খবর

মাদরাসা শিক্ষকের গোপনাঙ্গ কেটে দিল ছাত্র, অতঃপর...

অনলাইন ডেস্ক

মাদরাসা শিক্ষকের গোপনাঙ্গ কেটে দিল ছাত্র, অতঃপর...

প্রতীকী ছবি

ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার বেতাগৈর ইউনিয়নের পলাশিয়া গ্রামে এক ছাত্রকে অনৈতিক কাজ করতে চায় এক মাদরাসা শিক্ষক। এতে বাধা দেয় ভুক্তভোগী ছাত্র। কিন্তু বাধা না মেনে অনৈতিক কাজ করতে চাইলে ক্ষিপ্ত হয়ে নেইল কাটার দিয়ে শিক্ষকের গোপনাঙ্গ কেটে দেয় ওই ছাত্র।

বুধবার (১ ডিসেম্বর) রাতে এই ঘটনা ঘটে। গোপনাঙ্গ কাটা ওই শিক্ষককে আহতাবস্থায় চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। পুলিশ ছাত্রকে আটক করেছে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার দিবাগত রাতে উপজেলার খারুয়া ইউনিয়নের টাওয়াইল গ্রামে অবস্থিত এক মাদরাসার মাঠে ওয়াজ মাহফিল চলছিল। ওই মাহফিলে অংশ নেন মাদরাসাশিক্ষক মো. আতাবুর রহমান (৪২)। একই মাহফিলে ওয়াজ শুনতে যায় একই মাদরাসার আবাসিক এক ছাত্র (১৬)। সভা চলার সময় রাতের খাবারের জন্য পূর্বপরিচিত ছাত্রকে বাড়িতে আমন্ত্রণ জানান শিক্ষক আতাবুর।

মাদরাসাছাত্র জানায়, দাওয়াত রক্ষার জন্য সে তার শিক্ষকের সঙ্গে বাড়ি যাচ্ছিল। পথিমধ্যে শিক্ষক আতাবুর রহমান তাকে (ছাত্র) কাছে টেনে নিয়ে শরীরের বিভিন্ন অংশে হাত দিতে থাকেন। একপর্যায়ে সে বাধা দিলে শিক্ষক তাকে জোরপূর্বক বলাৎকারে উদ্যত হন। এ সময় সে তার পাঞ্জাবির পকেটে থাকা নেইল কাটার বের করে শিক্ষকের বিশেষ অঙ্গে আঘাত করে ঘটনাস্থল থেকে চলে যেতে থাকে। শিক্ষক রক্তাক্ত অবস্থায় চিৎকার করলে লোকজন ছুটে এসে ছাত্রকে ধরে ফেলেন। পরে পুলিশ এসে ছাত্রকে থানায় নিয়ে যায়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই মাদরাসাশিক্ষকের এক আত্মীয় জানান, এটা খুবই লজ্জার কথা। যা ঘটেছে তা ওই ছাত্রের সঙ্গে অনৈতিক কাজ করতে গিয়েই ঘটেছে। এটা হুজুরের প্রাপ্য ছিল। 

নান্দাইল মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. বাবলু রহমান খান বাবলু জানান, ঘটনার তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরও পড়ুন


স্ত্রীর ওপর অভিমান করে লিটনের আত্মহত্যা

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

কারাগারে কয়েদির মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক

কারাগারে কয়েদির মৃত্যু

প্রতীকী ছবি

মো. আব্দুস সালাম হাওলাদার (৬০) নামে এক কয়েদির মৃত্যু হয়েছে। ঢাকার কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয়  কারাগারে এ ঘটনা ঘটেছে।

বৃহস্পতিবার (২ ডিসেম্বর) সকাল ৭টায় তাকে অসুস্থ অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

কারাগার থেকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসা কারারক্ষী সৈকত হোসেন বলেন, গভীর রাতে তিনি কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে সকালে অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে নেওয়া হয়।

আরও পড়ুন


এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু আজ

প্রকাশ্যে কাউন্সিলর হত্যা: এবার ‘বন্দুকযুদ্ধে’ প্রধান আসামি নিহত


তিনি আরও বলেন, আব্দুস সালাম কারাগারে কয়েদি (কয়েদি নং ৬৮০৮/এ) হিসেবে ছিলেন। তবে কি মামলায় তার সাজা হয়েছে সেটা বলতে পারি না। তার বাবার নাম মৃত মৌজ আলী হাওলাদার।

ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) বাচ্চু মিয়া কয়েদির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে এক কয়েদিকে অসুস্থ অবস্থায় নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মরদেহটি হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে। 

news24bd.tv/ কামরুল 

পরবর্তী খবর

স্ত্রীর ওপর অভিমান করে লিটনের আত্মহত্যা

অনলাইন ডেস্ক

স্ত্রীর ওপর অভিমান করে লিটনের আত্মহত্যা

ফাইল ছবি

স্ত্রীর সঙ্গে অভিমান করে স্বামী লিটন হাওলাদার (৫০) নামে এক ব্যক্তি বিষপানে আত্মহত্যা করেছেন। ঘটনাটি ঘটেছে মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলায় এই ঘটনা ঘটে। লিটন পেশায় একজন দিনমজুর।

বুধবার (১ ডিসেম্বর) রাত ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত লিটন উপজেলার রমজানপুর এলাকার চর-আইড়কান্দি গ্রামের নুরুল হক হাওলাদারের ছেলে। 

এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বেশ কিছুদিন ধরে লিটন হাওলাদারের সঙ্গে তার স্ত্রী রাশিদা বেগমের পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দ্বন্দ্ব চলে আসছিল। বুধবার সন্ধ্যায় তাদের দুজনের মধ্যে ফের বাগবিতণ্ডা বাধে। একপর্যায়ে লিটন নিজ ঘরে বসে বিষপান করেন। এতে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। সঙ্গে সঙ্গে তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

বৃহস্পতিবার (২ ডিসেম্বর) সকালে খবর পেয়ে কালকিনি থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

স্বামীর আত্মহত্যার বিষয়ে স্ত্রী রাশিদা বেগম বলেন, কী কারণে আমার স্বামী আত্মহত্যা করেছে তা আমি জানি না।

কালকিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইসতিয়াক আসফাক রাসেল বলেন, লিটন হাওলাদার আত্মহত্যা করেছেন। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ।

আরও পড়ুন


কুয়েট শিক্ষকের মৃত্যু: একাডেমিক কার্যক্রম বর্জন শিক্ষক সমিতির

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর