অধিনায়কত্ব ছেড়ে দেওয়া নিয়ে যা বললেন মাহমুদউল্লাহ

অনলাইন ডেস্ক

অধিনায়কত্ব ছেড়ে দেওয়া নিয়ে যা বললেন মাহমুদউল্লাহ

দুঃস্বপ্নের বিশ্বকাপের শুরুটা হয়েছিল প্রথম পর্বের প্রথম ম্যাচেই হার দিয়ে। তবে বাংলাদেশ পরের ম্যাচেই ওমানকে হারিয়ে লড়াইয়ে ফেরে। এরপর পাপুয়া নিউগিনিকে হারিয়ে সুপার টুয়েলভে উঠলেও, মূল লড়াইয়ে একে একে শ্রীলঙ্কা, ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, দক্ষিণ আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরেছে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ বাহিনী।

একের পর এক লজ্জার রেকর্ড গড়ে বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটাররা। ১০০-এর নিচে অলআউট হয়েছে দুই বার। যে কারণে আরও একবার ফিরতে হচ্ছে খালি হাতে।

বিশ্বকাপে চরম ব্যর্থতার পর টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটের নেতৃত্ব মাহমুদউল্লাহর কাঁধে থাকছে কি - সে প্রশ্ন উঠে গেছে বাংলাদেশ দলের দেশে ফেরার আগেই। 

বৃহস্পতিবার দুবাইয়ে অস্ট্রেলিয়ার কাছে গো-হারা হারের পর ক্রিকেট বিষয়ক ওয়েবসাইট ক্রিকবাজ মাহমুদউল্লাহকে প্রশ্ন করে, এমন ব্যর্থ মিশনের পর কি টি-টোয়েন্টি নেতৃত্ব থেকে সড়ে দাঁড়াবেন? 

এমন প্রশ্নের জবাবে মাহমুদউল্লাহ বলেন, না, না, আমি টি-টোয়েন্টি থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা ভাবছি না। এটা তো আমার হাতে নেই। এ সিদ্ধান্ত নেবে বিসিবি (বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড)। 

তিনি বলেন, আমি বিশ্বকাপে সম্ভাব্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। কিন্তু ব্যর্থ হয়েছি। হয়তো আমার নেতৃত্বে কোনো কিছুর ঘাটতি ছিল। এজন্যই হয়তো ছেলেদের কাছ থেকে সেরাটা বের করে আনতে পারিনি।


আরও পড়ুন:

বাড়লো লঞ্চ চলাচলের সময়সীমা

বিকেল ৫টায় দেশে ফিরছে টাইগারবাহিনী

পরিবহন ধর্মঘট: বিকল্প বাহনও থামিয়ে দিচ্ছে শ্রমিকরা


দলের বাজে পারফরমেন্সের বিষয়টি স্বীকার করে মাহমুদউল্লাহ বলেন, শ্রীলংকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ বাদে গোটা টুর্নামেন্টে আমরা খুবই খারাপ খেলেছি। টুর্নামেন্টে আমরা যেভাবে ব্যাট করেছি, তাতে আমি সত্যিই হতাশ। এটা একেবারে অগ্রহণযোগ্য। ব্যক্তিগতভাবে এই ব্যর্থতার উত্তর খুঁজছি আমি।

তিনি বলেন, আমাদের কিসের অভাব ছিল, কিসের ঘাটতি ছিল, কী কী করা উচিত ছিল - এসব নিয়ে ভাবছি। দল হিসাবে এটা খুবই হতাশার। এর উত্তর আমার জানা নেই। আমি উত্তর খুঁজছি। দেখা যাক, দেশে ফেরার পর কী হয়। এই মুহূর্তে গোটা ব্যাপারটা খুবই জটিল।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

টেস্ট র‌্যাংকিংয়ে এগিয়েছে লিটন

অনলাইন ডেস্ক

টেস্ট র‌্যাংকিংয়ে এগিয়েছে লিটন

লিটন দাস

পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম টেস্টের পর র‌্যাংকিং হালনাগাদ করেছে আইসিসি। এই টেস্টে দুর্দান্ত খেলা লিটন দাস র‌্যাংকিংয়ে ক্যারিয়ার সেরা অবস্থানে পৌঁছেন।

প্রথম ইনিংসে ১১৪ ও দ্বিতীয় ইনিংসে ৫৯ রান করা লিটন র‌্যাংকিংয়ে ২৪ ধাপ এগিয়েছেন। টেস্টের ব্যাটিং র‌্যাংকিংয়ে তিনি এখন ৩১তম স্থানে। লিটন ছাড়াও মুশফিকুর রহীম ও তাইজুল ইসলামের সামান্য উন্নতি হয়েছে। ৯১ ও ১৬ রান করে মুশফিক চার ধাপ এগিয়েছেন। ব্যাটিং তালিকায় তার অবস্থান এখন ১৯ নম্বরে।

আরও পড়ুন


বাসে আগুন দেয়ার ঘটনায় মামলা, আসামি ৮ শতাধিক

টেস্ট ছাড়া কেউ দেশে এলে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী


প্রথম ইনিংসে সাত উইকেট নেওয়া তাইজুল মোট আট উইকেট নিয়ে ম্যাচ শেষ করেছেন। টেস্টের বোলিং র‌্যাংকিংয়ে দুই ধাপ উপরে উঠে এই অফস্পিনার এখন ২৩তম সেরা বোলার। 

এদিকে, চট্টগ্রাম টেস্টে সাত উইকেট নেওয়া পাকিস্তানি পেসার শাহীন শাহ আফ্রিদি প্রথমবার সেরা পাঁচে ঢোকে গেলেন।

news24bd.tv/ কামরুল 

পরবর্তী খবর

সাকিব-মুস্তাফিজকে রাখলো না কলকাতা ও রাজস্থান

অনলাইন ডেস্ক

সাকিব-মুস্তাফিজকে রাখলো না কলকাতা ও রাজস্থান

ফাইল ছবি

আইপিএল মানেই চার-ছক্কার ছড়াছড়ি। যেখানে বিশ্বের সব বাঘা বাঘা খেলোয়াররা অংশ নেয়। কিছুদিন আগেই শেষ হয়েছে আইপিএলের ১৪তম আসর। এখন প্রস্তুতি শুরু হয়েছে ১৫তম আসর নিয়ে। তবে ১৫তম আসর কিছুটা ব্যতিক্রম। কারণ এই আসরে অংশ নেবে ১০টি দল।

এদিকে ১৫তম আসর নিয়ে তোরজোড় শুরু করেছে দলগুলো। এরইমধ্যে বর্তমানের ৮টি দল তাদের ধরে রাখা খেলোয়াড়ের তালিকা ভারতের ক্রিকেট নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের (বিসিসিআই) কাছে জমা দিয়েছে।

গত আসরে আইপিএলে বলিউড বাদশা শাহরুখ খানের দল কলকাতা নাইট রাইডার্সে (কেকেআর) ছিলেন দেশ সেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। তবে আগামী আসরে তাকে রাখেনি কেকেআর। তাই নিলামের মাধ্যমে নির্ধারণ হবে ১৫তম আসরে খেলছেন কিনা সাকিব।

এদিকে কাটার মাস্টার মুস্তাফিজকেও রাখেনি রাজস্থান রয়্যালস। তাই ফিজেরও আইপিএল ভাগ্য নিলামের উপর। গত আসরে রাজস্থানের হয়ে চমক দেখিয়েছিলেন মিস্টার ফিজ।

এক নজরে চলুন দেখে নেওয়া যাক দলগুলো কাকে ধরে রেখেছে, কাকে ছেড়ে দিয়েছে।

চেন্নাই সুপার কিংস

বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা ৪২ কোটি রুপি দিয়ে ধরে রেখেছে চারজনকে। তারা হলেন-রবীন্দ্র জাদেজা (১৬ কোটি রূপি), মাহেন্দ্র সিং ধোনি (১২ কোটি), ঋতুরাজ গায়কোয়াড় (৮ কোটি) ও মঈন আলী (৬ কোটি)।

কলকাতা নাইট রাইডার্স

খেলোয়াড় ধরে রাখতে কেকেআর খরচ করেছে মাত্র ৩৪ কোটি রুপি। তার মধ্যে আন্দ্রে রাসেলকে ১২ কোটি রুপিতে, বরুণ চক্রবর্তীকে ৮ কোটিতে, ভেঙ্কটেশ আয়ারকে ৮ কোটিতে ও সুনীল নারিনকে ৬ কোটিতে রেখে দিয়েছে।

মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স

চেন্নাইর মতো মুম্বাইও একই পরিমাণ খরচ করে ধরে রেখেছে চারজন। তারা হলেন-রোহিত শর্মা (১৬ কোটি), জাসপ্রিত বুমরাহ (১২ কোটি), সূর্যকুমার যাদব (৮ কোটি) ও কিরেন পোলার্ড (৬ কোটি)।

দিল্লি ক্যাপিটালস

৩৯ কোটি রুপি খরচ করে দিল্লিও ধরে রেখেছে যথারীতি ৪ জনকে। তারা হলেন-ঋষভ পন্ত (১৬ কোটি), অক্ষর প্যাটেল (৯ কোটি), পৃথ্বি শ (৭.৫ কোটি) ও আনরিক নরকিয়া (৬.৫ কোটি)।

রাজস্থান রয়্যালস

রাজস্থান অবশ্য ধরে রেখেছে মাত্র ৩ জনকে। তাদের পেছনে খরচ হয়েছে মাত্র ২৮ কোটি রুপি। তার মধ্যে সঞ্জু স্যামসন ১৪ কোটিতে, জস বাটলার ১০ কোটিতে ও যশস্বী জয়সালকে ৪ কোটিতে রেখে দিয়েছে।

রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু

বেঙ্গালুরুও মাত্র ৩ জনকে ধরে রেখেছে। তারা হলেন-বিরাট কোহলি (১৫ কোটি), গ্লেন ম্যাক্সওয়েল (১১ কোটি) ও মোহাম্মদ সিরাজ (৭ কোটি)।

সানরাইজার্স হায়দরাবাদ

মাত্র ২২ কোটি রুপি খচর করে হায়দরাবাদ ধরে রেখেছে তিনজনকে। তাদের মধ্যে আছেন কেন উইলিয়ামসন (১৪ কোটি), আব্দুল সামাদ (৪ কোটি) ও উমরান মালিক (৪ কোটি)।

পাঞ্জাব কিংস

তারা মাত্র ১৮ কোটি রুপি খরচ করে ধরে রেখেছে মাত্র ২ জনকে। তারা হলেন-মায়াঙ্ক আগারওয়াল (১৪ কোটি) ও অর্শ্বদীপ সিং (৪ কোটি)।

নতুন দুই দল লক্ষনৌ ও আহমেদাবাদ ১ ডিসেম্বর থেকে পরবর্তী ২৫ দিনের মধ্যে ৩৩ কোটি রুপি খরচ করে তিনজন খেলোয়াড় দলে নিতে পারবে অকশনের আগে। তার মধ্যে দুইজন দেশি ও একজন বিদেশি নিতে পারবে।

আরও পড়ুন


ফের সড়কে ট্রাক চাপায় প্রাণ গেল দুই কলেজছাত্রের

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

ঢাকা টেস্টে ফিরলেন সাকিব-তাসকিন

অনলাইন ডেস্ক

ঢাকা টেস্টে ফিরলেন সাকিব-তাসকিন

সাকিব আল হাসান এবং তাসকিন আহমেদ

ঢাকা টেস্টের জন্য ২০ সদস্যের যে দল ঘোষণা করা হয়েছে তাতে সাকিব আল হাসান এবং তাসকিন আহমেদকে যোগ করা হয়েছে। দুজনেই ইনজুরির কারণে চট্টগ্রাম টেস্টে খেলতে পারেননি।

প্রথমবারের মতো টেস্ট দলে ডাক পেয়েছেন মোহাম্মদ নাঈম। আগামী ৪ ডিসেম্বর মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় টেস্ট শুরু হবে।

বিস্তারিত আসছে...

পরবর্তী খবর

প্রথম টেস্টে হারের কারণ খুঁজে পেয়েছেন মুমিনুল

অনলাইন ডেস্ক

প্রথম টেস্টে হারের কারণ খুঁজে পেয়েছেন মুমিনুল

মুমিনুল ইসলাম

চট্টগ্রামে সিরিজের প্রথম টেস্টে বাংলাদেশকে হেসেখেলে হারিয়ে দিল পাকিস্তান। বাংলাদেশের দেয়া ২০২ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ২ উইকেট হারিয়ে জয় তুলে নেয় পাকিস্তান। ফলে বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে ১-০ তে এগিয়ে গেল পাকিস্তান।

ম্যাচ শেষে কথা বলেছেন বাংলাদেশের টেস্ট দলের অধিনায়ক মুমিনুল হক। চট্টগ্রাম টেস্টে বোলারদের ব্যর্থতাকেই হারের কারণ হিসেবে দেখছেন বাংলাদেশের টেস্ট অধিনায়ক। 

তিনি বলেন, ‘প্রথম ইনিংসের প্রথম ঘন্টায় ব্যাকফুটে থাকলেও, লিটন ও মুশফিকের দারুণ ব্যাটিংয়ে দল ভালো সংগ্রহ পায়। তবে নতুন বলে আমাদের ব্যাটাররা কিছুটা সংগ্রাম করেছে, তারপরও পাকিস্তানের দ্বিতীয় ইনিংসে বোলাররা তেমন সুবিধা করতে পারেনি। কেননা তাদের দুই ওপেনার শফিক ও আবিদ আলী ম্যাচ উইনিং ব্যাটিং করেছে। এ ম্যাচের ভুল শুধরে ঢাকা টেস্টে ইতিবাচক ক্রিকেট খেলবে দল আশা করছি।’

মুমিনুল আরও বলেন, 'আমার মতে, দুই ইনিংসেই প্রথম ঘণ্টায় আমরা ম্যাচটি হেরে গেছি। প্রথম ইনিংসে মুশফিক ও লিটন খুব ভালো খেলেছে। তারা দারুণ জুটি গড়েছে। দ্বিতীয় ইনিংসে... আমার মতে প্রথম চার ব্যাটারকে এগিয়ে আসতে হবে।'

নিজেদের দুর্বল জায়গাটা খুজে পেয়েছেন বলে জানান তিনি। পরের ম্যাচে সব ভুল শুধরে দ্বিতীয় টেস্টে ঘুরে দাঁড়ানোর আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। 

আরও পড়ুন:

পদত্যাগের এক সপ্তাহের মধ্যেই পুনঃনির্বাচিত সুইডিশ প্রধানমন্ত্রী


news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশকে হেসেখেলে হারালো পাকিস্তান

অনলাইন ডেস্ক

বাংলাদেশকে হেসেখেলে হারালো পাকিস্তান

চট্টগ্রাম টেস্টে জয় পেলো পাকিস্তান

পাকিস্তানের বিপক্ষে সাগরিকা টেস্টে প্রথম ইনিংসে ৪৪ রানে লিড নিয়েও ৮ উইকেটের ব্যবধানে হারলো বাংলাদেশ। ৯৬ ওভার হাতে থাকলেও মাত্র ১৬ ওভারেই আনুষ্ঠানিকতা সেরেছে পাকিস্তান। 

প্রথম ইনিংসের সেঞ্চুরিয়ান আবিদ আলি দ্বিতীয় ইনিংসে আউট হন ৯১ রানে। অভিষিক্ত আব্দুল্লাহ শফিক প্রথম ইনিংস ফিফটির পর দ্বিতীয় ইনিংসে করেন ৭৩ রান। বাংলাদেশের হয়ে উইকেট দুটি নেন মিরাজ আর তাইজুল।

প্রথম ইনিংসে ৪৪ রানের লিড পাওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপ। লিটন দাসের ৫৯ রানের সুবাদে ১৫৭ পর্যন্ত যায় দলীয় সংগ্রহ। শাহিন শাহ আফ্রিদি নেন ৫ উইকেট। পাকিস্তানের সামনে জয়ের লক্ষ্য দাঁড়ায় ২০২ রানের। ব্যাটিংয়ে নেমে হেসেখেলে লক্ষে পৌঁছে যায় সফরকারীরা।

দুই ওপেনার আবিদ আলি ও আব্দুল্লাহ শফিকের উদ্বোধনী জুটিতেই তারা পেয়েছিল ১৫১ রান। এরপর বাকি পথ নির্বিঘ্নেই পাড়ি দেন অভিজ্ঞ আজহার আলি ও অধিনায়ক বাবর আজম। অবিচ্ছিন্ন ৩২ রানের জুটিতে ম্যাচ জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন তারা। আজহার ২৪ ও বাবর ১৩ রানে অপরাজিত থাকেন। ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতেছেন দুই ইনিংস মিলে ২২২ রান করা আবিদ আলি।া বংহেসেখেলে হারালো

পাকিস্তানের বিপক্ষে সাগরিকা টেস্টে প্রথম ইনিংসে ৪৪ রানে লিড নিয়েও ৮ উইকেটের ব্যবধানে হারলো বাংলাদেশ। ৯৬ ওভার হাতে থাকলেও মাত্র ১৬ ওভারেই আনুষ্ঠানিকতা সেরেছে পাকিস্তান। 

প্রথম ইনিংসের সেঞ্চুরিয়ান আবিদ আলি দ্বিতীয় ইনিংসে আউট হন ৯১ রানে। অভিষিক্ত আব্দুল্লাহ শফিক প্রথম ইনিংস ফিফটির পর দ্বিতীয় ইনিংসে করেন ৭৩ রান। বাংলাদেশের হয়ে উইকেট দুটি নেন মিরাজ আর তাইজুল।


আরও পড়ুন:

গণপরিবহনে শিক্ষার্থীদের হাফ ভাড়া কার্যকর

হাফ পাস শুধুমাত্র ঢাকায় কার্যকর হবে বললেন এনায়েত উল্লাহ

কুমিল্লায় কাউন্সিলর হত্যা: ৬ হামলাকারী শনাক্ত


প্রথম ইনিংসে ৪৪ রানের লিড পাওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপ। লিটন দাসের ৫৯ রানের সুবাদে ১৫৭ পর্যন্ত যায় দলীয় সংগ্রহ। শাহিন শাহ আফ্রিদি নেন ৫ উইকেট। পাকিস্তানের সামনে জয়ের লক্ষ্য দাঁড়ায় ২০২ রানের। ব্যাটিংয়ে নেমে হেসেখেলে লক্ষে পৌঁছে যায় সফরকারীরা।

দুই ওপেনার আবিদ আলি ও আব্দুল্লাহ শফিকের উদ্বোধনী জুটিতেই তারা পেয়েছিল ১৫১ রান। এরপর বাকি পথ নির্বিঘ্নেই পাড়ি দেন অভিজ্ঞ আজহার আলি ও অধিনায়ক বাবর আজম। অবিচ্ছিন্ন ৩২ রানের জুটিতে ম্যাচ জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন তারা। আজহার ২৪ ও বাবর ১৩ রানে অপরাজিত থাকেন। ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতেছেন দুই ইনিংস মিলে ২২২ রান করা আবিদ আলি।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর